Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"তোমার নেশায় আসক্ত পর্ব-০৯

তোমার নেশায় আসক্ত পর্ব-০৯

#তোমার_নেশায়_আসক্ত
#part:9
#Suraiya_Aayat

রুমে ঢুকতেই আরূ দেখল আরিশ বসে আছে আর মুখে আছে একরাশ রাগ ৷আরুর এখন আর অসুবিধা হয় না যে কখন আরিশ রেগে থাকে তা বুঝতে , আরিশকে দেখলেই বুঝে যায় যে আরিশ এর মুডটা কেমন ৷আগে না বুঝলেও এখন বেশ ভালই বুঝতে পারে ৷ দিন দিন আরিশের অভ্যাসগুলোর সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে আরু না চাইতেও ৷

আরুশি ঘরে ঢুকে চুপচাপ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে সামনের দিকে একপাও এগোচ্ছে না আর আরিশ ও একইভাবে স্তব্ধ হয়ে রয়েছে, ও নিজেও কোনো কথা বলছে না ৷ আবহাওয়া যে বেশ গরম তা ওর স্বভাব থেকেই প্রকাশ পাচ্ছে ৷

অনেকক্ষণ ধরে আরূকে সেই একই জায়গায় স্ট্যাচুর মত দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে আরিস ধোমকে আরুকে বলল : দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছো কেন? দরজা দিয়ে আমার কাছে এসো ৷

আরোশী চমকে গিয়ে তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করে দিল ,দিয়ে আরিশ এর সামনে গিয়ে দাঁড়াল ভয়ে ভয়ে৷

আরিশ : এতক্ষণ নিচে তুমি কি করছিলে ? আর আমি 12 মিনিট 37 সেকেন্ড ধরে তোমার জন্য অপেক্ষা করছি, আমাকে এরকম অপেক্ষা করে রাখার মানে কি সেটা কি জানতে পারি , যদি আপনার আমার ওপর আবার দয়া হয় ৷ আপনার তো আবার দয়া মায়ার স্বভাব ৷

আরুশি : এভাবে আপনি কেন বলছেন ! আসলে আপনার মা মানে আন্টি উনি তো আমার সঙ্গে কথা বলছিলেন, আমাকে আটকে রেখেছিলেন বলে আমি আসতে পারিনি ৷

আরিশ এবার উঠে দাঁড়ালো, উঠে দাঁড়িয়ে ক্রমশ আরুর দিকে ধীরপায়ে এগিয়ে যেতে লাগল আর আরু তত পিছিয়ে যেতে লাগল ৷

আরিশ : মা না ডাকলে বুঝি আমার কাছে চলে আসতে এক্ষুনি?

আরুশি: আপনি আমার দিকে এগিয়ে আসছেন কেন?

আরিশ : এই যে এখুনি তুমি বললে যে মামনি আটকে না রাখলে তুমি আমার কাছে আসতে তার জন্যই তো তোমার কাছে যাচ্ছি ৷

বলতে বলতে এক পর্যায়ে আরুর পিঠ দেওয়ালের সাথে ঠেকে গেল ৷

আরূ: আপনি আমার দিকে এগিয়ে আসবেন না, প্লিজ সরে দাঁড়ান আমার খুব ভয় করছে ৷

খরিশ দাঁতে দাঁত চেপে :তাহলে আমার কথার অবাধ্য কেন হও আমাকে যখন এতই ভয় পাও! মনে হয় না যে উনি বলে গেছেন ঘরে আসতে তাড়াতাড়ি তাই আমি তাড়াতাড়ি যাই ৷

আরুশি : তাই বলে আপনি আমাকে এত বকাঝকা করবেন ? আর মাত্র 12 মিনিটে তো ৷

আরিশ: সময়টা তোমার কাছে মাত্র মনে হলেও আমার কাছে অনেক ৷ সময়ের মূল্য দিতে তুমি জানো? জানো না ! জানলে আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে না ৷

আরু বুঝতে পারছে না যে মাএ 12 মিনিটে কি এমন যায় আসে যে, যার জন্য আরিশ ওকে এত কথা শোনাচ্ছে ৷

আরিশ : নেক্সট টাইম যদি আমার কথা মত যদি না চলো তো ওই বেলকনি দেখছো , ওখান থেকে ধাক্কা মারে ফেলে দেবো ৷

আরুশি প্রায় কাঁদো কাঁদো হয়ে : আমি আপনার সব কথা শুনব প্লিজ আমাকে ধাক্কা মারবেন না ৷

আরুশির কাচুমাচু ফেস দেখে আরিশের খুব হাসি পাচ্ছে , তবুও কোনভাবে আরুশির সামনে হাসতে চায় না ৷

আরিশ কিছুটা দূরে সরে গিয়ে: ফ্রেশ হয়ে নাও তারপর একসঙ্গে ব্রেকফাস্ট করতে যাব ৷

আরশি : আচ্ছা ৷

দুপুরবেলা,,,,,

আরিশ সকালবেলা ব্রেকফাস্ট করে অফিসে চলে গেছে , খুব একটা ইম্পরট্যান্ট মিটিং আছে ৷ আর সানা আর আরিশ এর মা ও বাড়িতে নেই , শপিং এ গেছেন ৷ কালকে আরুশির আর আরিশের বৌভাত বলে সব কেনাকাটা করতে গেছেন ওদের জন্য৷ সবকিছু এত তাড়াতাড়ি হয়ে গেল যে তাই অতি দ্রুত হাতে সব কাজ নিজেরাই সামলাচ্ছেন ৷

কাজের লোকগুলোও যে যার মতো কাজে ব্যস্ত , খুব একটা বেশি কাজের লোক বাড়িতে নেই ৷ দুটোই রয়েছে ৷ একজন বাগান পরিষ্কার , গাড়ির ধোঁয়া এই সমস্ত কাজের জন্য আর একজন ঘর পরিষ্কার করার জন্য , এত বড় বাড়ি একা পরিষ্কার করা সম্ভব নয় সেই কারণেই ৷ রান্না করার জন্য আরিশ এর মা কাউকে রাখেননি, তার কারণ আরিশের বাবা আরিশের মায়ের হাতের রান্না খেতে খুব পছন্দ করেন, অন্যের হাতে রান্না খুব একটা খান না ৷ তাই সকাল , দুপুর ও রাত্রেবেলা রান্নাটা আরিশের মা নিজেই করেন৷

আরু খুবই বোর ফিল করছে একা একা , তাই ভাবল যে সারা বাড়িতে একটু ঘুরে ঘুরে দেখা যাক ৷ দেখতে দেখতে আরিসের ঘরের ব্যালকনিতে গেল, গিয়ে দেখল নিচে একটা বিশাল বড় সুইমিং পুল আর সেখানে বিভিন্ন রকমের ব্যবস্থা করা আছে , অপরূপ সুন্দর , আর সেই দৃশ্যটা বেশ চোখে ধরল আরুশির ৷ সুইমিংপুলের কাছে যাবে বলে যেই নিচে নামতে গেল তখনই ফোনে ফোন আসতেই থেমে গেল ও ৷

ফোনটা ধরতেই দেখল তিথি ফোন করেছে,,,,,

আরুশি কিছু বলবে তার আগেই তিথি বলে উঠলো:

তিথি : হ্যা রে দোস্ত কালকে আরিশ ভাইয়ের সঙ্গে কি কি করলি?

আরুশি : আজিব প্রশ্ন ! এসমস্ত কথা কেন জিজ্ঞাসা করছিস আমাকে তুই? সকালবেলা সানা আর এখন তুই ৷ বলছি তোদের কি লাজ লজ্জা বলে কিছু আছে নাকী? ফ্রেন্ড বিয়ের রাতে কি করেছে তাই নিয়ে মাতামাতি করছিস ৷

তিথি: লজ্জা পাচ্ছিস কেন ? বলনা রে ৷

আরুশি : আমার আর উনার মধ্যে তেমন কিছুই হয়নি যে তোকে বলবো ৷

তিথি : বুঝতে পেরেছি এখন তুই বোলবি না ৷ থাক তোকে আর বলতে হবে না , আমার যখন বিয়ে হবে তখন তো আমি জানতেই পারব ৷ লজ্জায় হাত দিয়ে মুখ ঢেকে ৷

আরুশি : বজ্জাত একটা ৷

তিথি: হ্যাঁরে , আঙ্কেল-আন্টি তোদেরকে মেনে নিয়েছেন? আমি তো তাড়াতাড়ি করে চলে এলাম তার পরে কি হল কিছুই জানিনা ৷

ওর বাবা-মার কথা শুনে আরুর মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল ৷ সত্যিই খুব মিস করছে ওদেরকে , বিশেষ করে আহান কে ৷ শেষমেশ আহান ও ওকে ভুল বুঝল এটাই সবথেকে বড় কষ্ট ওর , আর কালকের পর থেকে আহান এখনো ওকে একবার ফোনও করল না৷ কথাগুলো ভাবতেই চোখ থেকে অটোমেটিকলি কয়েক ফোটা নোনা জল গড়িয়ে পড়ল ৷

আরুশি কিছু বলছে না চুপ করে আছে ৷

তিথি : কিরে ? কিছু বলছিস না কেন ?

তখনই দ্রুত পায়ে কারোর হাঁটার শব্দ পেয়ে আরুশি দরজার দিকে তাকাতেই অবাক এর থেকেও বেশি অবাক হল , অভ্র এসেছে এখানে ৷

তিথি : কিরে বল?

আরুশি আমতা আমতা করে : অভ্র এসেছে!

তিথি :অভ্র ভাইয়া! অভ্র ভাই ওখানে কি করছে?

আরোশী : আমি জানি না রে আমি এখন রাখছি বলে ফোনটা রেখে দিল ৷

অভ্র এখনো ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, ঘরের ভিতরে৷

আরু কাঁদো কাঁদো হয়ে: তুমি !এখানে তুমি কি করে এলে?

অভ্র: তুমি এখানে কষ্টে আছো আর আমি কি করে না এসে পারি বল , তাই ছুটে চলে এলাম তোমার কাছে৷ আমি তোমাকে ওই মানুষটার হাতে একা ছেড়ে দেব না ৷ না জানি কখন কি ক্ষতি করে বসে তোমার৷

আরশির মনে অভ্রর জন্য একরাশ দুঃখ রয়েছে, ওর বারবার শুধু ভাবে যে ও অভ্র কে ঠকিয়েছে ৷

অভ্র : আমি তোমাকে নিতে এসেছি, তুমি এক্ষুনি আমার সাথে যাবে ৷

আরুশি ; এটা আর কোনোভাবেই সম্ভব নয় ৷

অভ্র আরুর কাছে এসে ওর হাতে হাত রেখে বলল: কেন সম্ভব নয় আরুশি ? তোমার ইচ্ছা থাকলে সব সম্ভব , আমি তোমাকে আর এক মুহূর্তও এই বাড়িতে রাখতে চাইনা ৷ তুমি আমার সাথে চলো ৷ বলে আরুশির হাত ধরে নিয়ে যেতে গেলেই আরুশি বলে উঠলো ,,,,,,,

আরূশি: আপনি প্লিজ চলে যান, আর আমাকে ফেরাতে আসবে না প্লিজ ৷ উনি যদি একবার জানতে পারেন যে আপনি এখানে এসেছেন তাহলে আপনাকে শেষ করে দেবে উনি আর আমি চাইনা আমার জন্য আপনার দ্বিতীয়বার আবার কোন ক্ষতি হোক৷

অভ্র কাঁদো কাঁদো হয়ে : তোমাকে হারিয়ে আমার যে বড় ক্ষতি হয়েছে তা তুমি হয়তো তুমি জানো না ৷ তুমি শুধু আমার সাথে চলো , দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে ৷

আরুশি: আপনি প্লিজ চলে যান , তাছাড়া বাড়ির অন্য লোক দেখলে খারাপ বলবে ৷ আমি আপনার সাথে যেতে পারবো না ৷

অভ্র রেগে গিয়ে : আজ খালি হাতে ফিরছি ঠিকই, তবে তোমাকে তো আমি এখান থেকে নিয়েই যাব না হলে যে আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে ৷ বলে রাগ দেখিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেল ৷

অভ্র চলে যেতেই আরু মেঝেতে বসে হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগল, বারবার ওর মধ্যে অনুশোচনা কাজ করছে যে ও অভ্রকে ধোঁকা দিয়েছে ৷ ওর মনে হচ্ছে যে ও যদি বিয়ের দিন সবটা অভ্রকে বলে দিতে তাহলে এই পরিস্থিতি হত না, আর এতদিনের নিজের মনের অভ্র কিছুটা হলেও জায়গা তৈরি করে নিতে পেরেছিল তাতে কোন সন্দেহ নেই আরুর ৷ একদিকে ওর পরিবার আর অন্যদিকে আরিশ ৷দোটানার মধ্যে পড়ে গেছে আরূ ৷
বয়সটা নিতান্তই কম , 18 পার করে 19 এর দোরগোড়ায় পা দিয়েছে, নতুন কলেজে ভর্তি হয়ে এত সব কিছু ঘটে গেলো তা ওর জীবনটাই বদলে দিল ৷ এমনটা ও কখনই চাইনি , সুখে-শান্তিতে একটা মানুষের সঙ্গে সংসার করতে চেয়েছিল কিন্তু সবকিছুই যেন কেমন ওলট পালট হয়ে গেল……

বারে বসে ড্রিঙ্ক করছে অভ্র, চোখ মুখ লাল হয়ে আছে, নিজের মধ্যে কোনও হুস ই নেই ৷ চারিদিকে মেয়েদের নাচ দেখতে মগ্ন ও ৷ একটা অন্য জগতে যেন চলে গেছে ও , আশেপাশে কি হচ্ছে তার সম্বন্ধে কোনো ধারণা নেই ৷ হঠাৎই নাকের উপর একটা ঘুসি দিতেই গল গল করে রক্ত বের হতে লাগল নাক দিয়ে৷
মেঝেতে পড়ে গিয়ে ওপরের দিকে তাকিয়ে আরিশ কে দেখলো কিন্তু ওর এখন কি করা উচিত তার কোন ধ্যান ধারণায় ওর নেই ৷

আরিশ ওকে মেঝে থেকে তুলে আর একটা ঘুসি দিলে ওর মুখে সবাই এখনও আরিশ আর অভ্রের দিকে তাকিয়ে আছে ৷ শহরের কমবেশি সবাই আরিশ কে জানে আর চেনে ,তাই সবাই এখন অবাক ৷

অভ্রের জামার কলার ধরে বলল : তোর সাহস হয় কি করে আমার বাড়িতে গিয়ে আমার বেডরুমে ঢুকে আমার বউকে তোর কাছে নিয়ে আসার কথা বলার ৷

অভ্র : যা করেছি বেশ করেছি , আর করবো , শুধু তোর বেডরুম কেন তোর বউয়ের শরীর টা ছিড়েকুড়ে খাব , তখন দেখবি তুই কিছুই করতে পারবি না ৷

আরিশ অভ্র কে ধরে বেধড়ক পেটাতে লাগলো , কথাটা যেন ওর বুকের মধ্যে তীরের মত বিধেছে৷

আশেপাশের লোকজন আরিশকে থামালো ৷মার খেয়ে মাটিতে পড়ে আছে অভ্র ৷

আরিশ : আর যদি তোকে কখনো আমার বউয়ের আশেপাশে দেখেছি তো সেদিনই তোকে শেষ করে দেবো বলে বেরিয়ে গেল ওখান থেকে ৷

আরিসের মাথায় যেন রক্ত উঠে গেছে, ঠিক ভুলের কোন জ্ঞান হিতাহিত জ্ঞান ওর এখন নেই ৷
এদিকে রাত অনেক হয়ে গেছে প্রায় এগারোটা ছুঁইছুঁই ,এখনো বাড়িতে যাইনি আরিশ…..

প্রচন্ড স্পিডে গাড়ি চালিয়ে বাড়িতে গেল আরিশ ৷ ওর বাবা-মাও অপেক্ষা করতে করতে অবশেষে না পেরে ঘরে চলে গেছেন ৷ অবশ্য আরুও যে অপেক্ষা করে আছে তেমনটি নয় ৷ ভালো লাগছেনা বলে ঘরে না থেকে সুইমিংপুলে নিজের পা দুটো ডুবিয়ে বসে আছে আরুশি, কিছুটা হলেও রিলাক্স ফিল করছে এখন ৷

রুমে ঢুকে আরুশিকে খুঁজে না পেয়ে ব্যালকনির দিকে নজর পড়লো , দেখল যে আরুশি নিচে বসে আছে জলে পা ডুবিয়ে ৷
এতো রাতে ও রুমে না থেকে সুইমিংপুলে দেখে যেন আরিশের রাগ আরো বেশি বেড়ে গেল ৷ দ্রুত পায়ে সুইমিং পুলের পাশে গিয়ে পিছন থেকে আরুশিকে জলের মধ্যে ধাক্কা মারলো আর নিজেও জলে নেমে গেল ৷

চলবে,,,,,,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ