Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"তোমায় নিয়ে সন্ধ্যা নামেতোমায় নিয়ে সন্ধ্যা নামে পর্ব-০২ এবং শেষ পর্ব

তোমায় নিয়ে সন্ধ্যা নামে পর্ব-০২ এবং শেষ পর্ব

#তোমায়_নিয়ে_সন্ধ্যা_নামে
#নাবিলা_সৈয়দ
অন্তিম পর্ব

[অনুমতি ছাড়া কপি করা কঠিনভাবি নিষিদ্ধ ]

আমাকে ড্রয়িং রুম থেকে চতুর্থ বারের মতো ডাকা হলো যাওয়ার জন্য, তারপরও আমি গেলাম না, জবাব ও দিলাম না। আমার অমতে আমাকে বিয়ে দিতে চায়, হুহ! তারা কী ভুলে গেছে আমি কে, আমি হলাম মাহিরা মূর্তজা। আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আমাকে গার্লস বয়েজ স্কুলে পড়াতে পারলেও বিয়ে দিতে পারবে না। প্রয়োজন হলে আমি হাদিস শোনাব। হাদিসের কথাটা মাথায় আসতে আমি চুটকি বাজালাম। বিছানার উপর অবহেলায় ফেলে রাখা মোবাইলটা হাতে নিয়ে, মাইক্রোফোন পুরো রুম জুড়ে খোঁজলাম। মাইক্রোফোন হাতে পেতেই মোবাইল চেপে ধরলাম মাইকের সামনে। হুজুর বলছেন,’ইসলামী শরিয়ত মতে, মেয়ের অমতে তার বিয়ে দিলে সেই বিয়ে কার্যকর হবে না৷ কোনো দীনদার মানুষ মেয়ের অমতে বিয়ে দিতে পারে না!

ওয়াজ লাউড স্পিকারে দিয়ে নিজেও চিৎকার দিলাম,”সহমত, আমি হুজুরের কথায় সহমত পোষণ করছি।

ধুপধাপ পায়ে আমার রুমের কাছে কারোর আসার শব্দ পেলাম৷ আমি জানি এটা আমার মা। নিশ্চয়ই উত্তম মাধ্যম দিতে আসছে আমাকে। তাই দরজা খোলার শব্দ হতেই আমি পিছু ফিরে তাকালাম। ভেটকানো মেরে যেই কিছু বলতে নিলাম, ওমনি আমার ভেটকানো ফুস হয়ে উড়ে গেল। নিশ্চল বদন নিয়ে সামনে চেয়ে রইলাম। দরজার সামনে দাঁড়ানো মানুষটার শরীর থেকে বের হওয়া চন্দন কাঠের মাদুরীয় ঘ্রাণে পুরো রুম মো মো করে উঠছে। নাসারন্ধ্রের প্রত্যেকটা ইন্দ্রীয়ে ইন্দ্রীয়ে তা পৌঁছে গেল নিমেষে৷ নাক উঁচু করে শ্বাস ফেলার পূর্বেই আমার কানে গমগমে স্বর ভেসে এলো,”আমাকে বিয়ে করে নাও।

আমার চোখ দুটো সরু হয়ে আসলো। অর্ডার দিচ্ছে নাকি আমাকে। কোন দুঃখে উনার মতো বুড়োকে আমি বিয়ে করব, আশ্চর্য! আমি যদি বলি বিয়ের জন্য ছেলেদের লাইন ধরতে তাহলে হাজারো পুরুষের লাইন ধরে যাবে বাড়ির সামনে। হুদাই একটা মিথ্যা কথা বললাম। জীবনে একটা ছেলে ধারে কাছে আসেনি, আসবে কীভাবে, আমার ষাঁড়ের মতো ভাই জন্মের পর থেকে আমাকে বগলের নিচে ঢুকিয়ে, বাচ্চাদের মতো ওলে ওলে বলে রাস্তা দিয়ে চললে পাত্তা দিবে কেডা আমায়, আর আমার জন্য ধরবে লাইন, ফ্যান্টাসির একটা লিমিট থাকা দরকার। নিজের চিন্তাধারা একপাশে ফেলে এই মুহুর্তে কিয়ান হায়দারের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করলাম। লোকটা আমার ভাবনার ভেতর, ভাবলেশহীন ভাবে হেঁটে এসে বিছানায় বসেছে। চোখ-মুখে রাজ্যের গম্ভীরতা আটা উনার। মনে হচ্ছে এই রুম আমার না, উনার, কীভাবে পায়ের উপর পা তুলে বসেছে, খাইষ্ঠা, গোসল করে না, আর স্টাইল কত! ইচ্ছে করছে বলতে ভাই বেডটা আমার, আপনার না! তবুও ভদ্রতার খাতিরে মুখ আটকে জিজ্ঞেস করলাম,”আপনাকে বিয়ে করলে আমার লাভ কী?

আমার কথায় উনি কিৎকাল থমকালেন, গোল গোল চোখে চেয়ে ঠোঁট উচিয়ে শ্লেষ করে হাসলেন। আমি চোখ কুঁচকে তাকাতেই তা মিলিয়ে গেল। মুখের ভাবগতি দেখে বোঝা যাচ্ছে, আমার কাছ থেকে এমন প্রশ্ন আশা করেননি তিনি। কয়েকপল অতিবাহিত হওয়ার পর কিয়ান হায়দার নিজের ঠোঁটের উপর হাত বুলিয়ে মিচকে শয়তানের মতো ঈষৎ হেসে নিলেন। বললেন,”ইউ ওয়ান্ট বেনিফিট লিটেল গার্ল…ওকে! তোমার কী লাভ…

উমম করে ভাবার ভান করে ঠোঁটে হাত রাখলেন। আবার কিছুক্ষণ অতিবাহিত হলো শীতিলতার সহিত। আমি শান্ত ভঙ্গিতে বুকে হাত ভাঁজ করে দাঁড়িয়ে আছি উনার উত্তরের জন্য। উনি চিন্তা-ভাবনা শেষ করেই বললেন,”এখন বিয়ে করে নাও আমাকে, বিয়ে পড়ানো শেষ হতেই, আমি তোমাকে তোমার কী লাভ তা জানিয়ে দিব। এগ্রি?

তীরের মতো এক ভ্রু উচালেন নিজের হাউকাউ করে বলা কথা শেষে। মুখ চোখ দেখে উপলব্ধি হলো মিথ্যে বলছেন না। তারপরও সতর্কতা অবলম্বন করতে বললাম,”আপনি যে বিয়ে শেষে জানাবেন আমার লাভ, তার প্রমাণ কী!

কিয়ান হায়দার নামক ষাঁড়টা চোখ কুঁচকে হাসল। ভ্রু জোড়ায় ভাঁজ ফেলে বলল,”আমি মিথ্যা বলছি না, ইউ ক্যান ট্রাস্ট মি!

তবুও আমি বিশ্বাস করতে পারলাম না। মনে সন্দেহের বিজ থাকা সত্ত্বেও নিজেকে বোঝ দিলাম ঠকব না, তাই মেনে নিলাম উনার কথা। বললাম,”ওকে ট্রাস্ট করলাম।

কিয়ান হায়দার তাড়াহুড়ো করে ওঠে দাঁড়িয়ে বললেন,“তাহলে চলো, এবার বিয়ে করে নিই!

উনি দ্রুত পা আগালেন সামনে। আমি স্থির দাঁড়িয়ে রইলাম নিজ জায়গায়। হয়তো সামনে থেকে তা বুঝতে পারলেন, তাই বাড়ানো দু-পা আবার পিছিয়ে এনে আমার সম্মুখে দাঁড়ালেন। নির্জীব অন্তরভেদী চোখ দিয়ে আমাকে দেখে নিয়ে শুধালেন,”সমস্যা কী? আসছ না কেন? নাকি আবার কোনো শর্ত দিবে আমায়?

ভ্রু সামান্য উপরে তুললেন। গ্রীবা বাঁকিয়ে ঝুঁকে আসলেন আমার সমানে সমানে। চোখের ইশারায় বলতে বললেন আমার সমস্যার কথা। আমি দ্বিধাভরা কন্ঠে বললাম,”আমাদের এইজ ডিফারেন্স অনেক বেশি।

কথাটা শুনে উনি হেসে উঠলেন হুহু করে।মনে হলো আমি কোনো মজার কথা বলেছি।ভ্রু-দ্বয় উচিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়েন,”এটা কোনো সমস্যা?

আমি ও সমভাবে ভ্রু উচিয়ে জানতে চাইলাম,
“তাহলে আপনি বলতে চাইছেন এটা কোনো সমস্যা না?

উনি দু-পাশে মাথা নাড়ালেন। বললেন,
“লেট মি ক্লিয়ার লিটেল কিট্টি… আআ

কিয়ান থামলেন কয়েক সেকেন্ডের জন্য, নিজের নিচের ঠোঁট কামড়ে কিছু ভাবলেন। তারপর হাত দিয়ে অগোছালো চুল পেছনে ঠেলে দিয়ে বললেন,”শোনো, এইজ ডিফারেন্স কোনো সমস্যাই না। স্বামীর বয়স বেশি হলে স্ত্রীকে ভালো বুঝে স্বামীরা। লাইক আমি, আমাকে দেখো, তোমার সকল মতিগতি সম্পর্কে অবগত। এখন যদি আমার এইজ টুয়েন্টি টু ওর টুয়েন্ট থ্রি হতো, আমি তোমার মনোভাব কী তা সম্পর্কে জানতেই পারতাম না। সেইম এইজের আশেপাশের মানুষ জিদ্দি বেশি হয়। এখন তুমি রাগ করলে আমি ভাঙানোর চেষ্টা করব, যদি মানো না, তাহলে গিফট দিব, তুমি যদি চাও আমি কান ধরে উঠবস করব, আর এতেও যদি তোমার রাগ না কমে তাহলে আমি তোমার পায়ে ধরব। কিন্তু আমি তোমার বয়সী হলে তোমার কর্মকান্ডে রাগ করে একইসাথে বসে থাকব, আমি চাইব তুমি আমার কাছে এসে আগে এপোলজি করো তোমার কাজের জন্য। তাই স্বামী-স্ত্রীর এমন ছোট খাটো এইজ ডিফারেন্স থাকলে কোনো সমস্যা নেই, ইটস ওকেই! আর কোনো প্রশ্ন মাহিরা?

আমি দু- পাশে মাথা দোলালাম। এবার উনি সামনে হাত বাড়িয়ে দিয়ে জেন্টালম্যানের মতো বললেন,”তুমি আগে বের হও, আমি আসছি তোমার পিছু পিছু।

আমি মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় আলু-পটল, কুমড়ো এসব বুঝে মাথা দুলিয়ে এগিয়ে গেলাম। এই কিয়ান হায়দার যে একজন ম্যানুপুলেটিভ পার্সন, সেটা আমি ভুলেই বসলাম। হাঁটতে হাঁটতে আওড়ালাম নিজ মনে,”ত্রিশ বছরের বুড়োকে এখন বিয়ে করতে হবে।

কিয়ান হায়দার হয়তো শুনে ফেললেন। পিছু হতে উনার গলার আওয়াজ ভেসে এলো,”প্লাস ওয়ান ইয়ার, আ’ম থ্রাটি-ওয়ান, নট থ্রাটি, এন্ড আ’ম নট অল্ড, স্টিল ইয়াং এনাফ.

আমি চোখ দুটো উলটে সিঁড়ি বেয়ে নেমে গেলাম। ড্রয়িং রুম জুড়ে বসা সবার উদ্দেশ্যে সালাম ঠুকতেই, সালামের উত্তর ভেসে এলো। এরপর একটার পর একটা প্রশ্নের ভান একে একে ছুঁড়ে দিলেন। সবার একই প্রশ্ন, আমি রাজী হলাম কীভাবে বিয়েতে। আমাকে মানিয়ে নিয়ে আসলেন কীভাবে কিয়ান হায়দার! উনি কোনো উত্তর না দিয়ে সামনে বসে থাকা ইমামকে বললেন,”বিয়ে পড়ানো শুরু করুন, পাত্রীর মত পরিবর্তন করার আগে।

আমার থুতনি গলায় ঠেকে গেল। নাক চূড়ায় তুলে ভাবতে বসলাম, আমি তো লাভ জানতে এসেছি বিয়ে করতে, বিয়ে করলেই তো লাভ সম্পর্কে জানব, তাহলে না করব কেন! এর মধ্যে মৌলভী সাহেব বিয়ে পড়ানো শুরু করলেন, কিয়ান হায়দারের বাবার নাম, মায়ের নাম, গ্রাম, ঠিকানা, সদর উল্লেখ করা শেষে বললেন,”নগদ সাত লাখ, সাতষট্টি হাজার, সাতশত, সাতটাকা দেনমোহর ধার্য করে তুমি যদি এই বিয়েতে রাজী থাকো তাহলে বলো মা আলহামদুলিল্লাহ কবুল!

লাভটা জানার জন্য আমি অধীর আগ্রহে বসে ছিলাম৷ তাই মৌলভী প্রথম বার কবুল বলতেই, আমি একসাথে তিনবার বলে দিলাম, যাতে সময় নষ্ট না হয়। যত তাড়াতাড়ি বিয়ে হবে তত তাড়াতাড়ি লাভ এর ব্যাপারে জানতে পারব। মুখে হাসি ঝুলিয়ে ফটাফট বলে ফেললাম,”আলহামদুলিল্লাহ কবুল, আলহামদুলিল্লাহ কবুল, আলহামদুলিল্লাহ কবুল।

মৌলভীর বাচ্চা আমাকে আবার জিগ্যেস করলেন,
”আপনি উনাকে স্বামী রুপে গ্রহণ করছেন?

আমার মুখ ফসকে বের হয়ে আসলো,
“তো, এখানে ঘাস কাটতে এসেছি নাকি, উনাকে তো স্বামী রুপেই গ্রহণ করতেই আসছি, তাই না?

আমার প্রশ্নে কিয়ান হায়দার শুধু ট্রাউজারের পকেটে হাত ঢুকিয়ে আরাম করে মাথা দোলালেন, মুখের চুইংগাম চিবোতে চিবোতে একই সুরে বললেন,”ঠিক, ঠিক!

আমার এত বিয়ের তাড়া দেখে বাড়ির প্রতিটা মানুষ অবাক হয়ে শুধু আমায় দেখছে, তবুও তা পাত্তা না দিয়ে গলার আওয়াজ উচিয়ে বললাম,”আমি কায়ান হায়দারকে নিজের স্বামী রুপে গ্রহণ করছি।

কায়ান হায়দার সবাইকে জিজ্ঞেস করলেন,
“সবাই শুনেছেন তো?

সবাই মাথা দোলাল। এরপর কিয়ান হায়দারের পালা আসলে মৌলভী সাহেব বললেন,”নগদ সাত লাখ, সাতষট্টি হাজার, সাতশত, সাতটাকা দেনমোহর ধার্য করে তুমি যদি মাহিরা মূর্তজাকে নিজের স্ত্রী রুপে গ্রহণ করো তাহলে বলো বাবা আলহামদুলিল্লাহ কবুল!

কায়ান হায়দার ধীরে সুস্থীরে বললেন,
”আলহামদুলিল্লাহ কবুল!

মৌলভী বললেন,
“এই বিয়েতে রাজী থাকলে বলো বাবা কবুল!

“আলহামদুলিল্লাহ কবুল!

“মাহিরা মূর্তজাকে নিজের সহধর্মিণী রুপে গ্রহণ করে থাকলে বলো বাবা কবুল!

“আলহামদুলিল্লাহ কবুল।

কিয়ান হায়দারের স্বীকারোক্তি শেষে দু-হাত তুলে দোয়া করলেন আমাদের জন্য সবাই, দোয়া শেষে রবের নিকট শুকরিয়া জানিয়ে আমিন বললেন। আমার দূর-সম্পর্কের এক কাজিন সাউন্ড সিস্টেমে তখন নাসিদ বাজিয়েছে। আমি সেসবে ধ্যান না দিয়ে কায়ান হায়দারকে এবার জিজ্ঞেস করলাম,”বিয়ে তো হয়ে গেছে, এবার বলুন আমার লাভটা কী!

কিয়ান হায়দার আমার মাথায় বাজ ফেলে দিয়ে নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে বলে ওঠেন,”বিয়ে পড়ানো শেষ, তাই এখন লাভ লস না জানলেও চলবে, চলো লিটেল গার্ল, বাড়ি চলো! বাপের বাড়ি আর কতদিন থাকবে, আঠারো বছর দু-দিন যাবত এখানে থাকছো, এত দীর্ঘ দিন কেউ বাপের বাড়ি থাকে! তোমার স্বামীর ঘর তোমার অপেক্ষায়, চলো, চলো।

আমাকে বোকা বানিয়ে বিয়ে করে নিয়ে এখন নিজের বাড়ি নিয়ে চলে যাবে। কোনোভাবে আমি যাব না কিয়ান হায়দারের বাড়িতে, প্রয়োজন হলে ফাঁস লাগব। এভাবে বোকা বানানো, দুঃখে আমার চোখে পানি জমল। টলটলে চোখ নিয়ে গলায় ঝোলানো ওড়না ফ্যানের মধ্যে দিয়ে আত্মহত্যার করার জন্য এগোলাম তখন কিয়ান হায়দার পেছন থেকে বলে ওঠলেন,”ইস’স, ফ্যানটার জন্য দুঃখ হচ্ছে, উল্টো তুমি বেঁচে যাবে, আর বেচারা সিলিং ফ্যানটা সিলিং থেকেই খুলে গিয়ে ব্যথা পাবে। এর চেয়ে ভালো আমাদের বাড়ি চলো। আমাদের বাসার দো-তলা থেকে লাফ দিলে আরাম করে মরে যাবে। কোনো পেরেশানি হবে না তোমার।

আমি চোখের পানি চোখ থেকে তালু দিয়ে মুছে নিয়ে শুধালাম,“সত্যি?

‘“অবশ্যই সত্যি, বিশ্বাস না হলে আমার সাথে চলো, এক্ষুণি গিয়ে দেখে আসবে।

আমাকে দ্বিতীয় বারের মতো বোকা বানিয়ে বগলদাবা করে এগিয়ে চললেন কিয়ান হায়দার নিজের বাড়ির দিকে। পকেট থেকে কালো রঙের সানগ্লাস বের করে চোখে আটতে আটতে ফিসফিস করে কিছু একটা আওড়ালেন। আমি তা শুনলাম না, ফ্রন্ট সিটে বসতেই গাড়ি স্টার্ট করলেন তিনি।

মূর্তজা বাড়ির গেট পেরিয়ে গাড়িটা বের হতেই দেয়ালে দেয়ালে কিয়ান হায়দারের বলা শেষ কথাটুকু ফিসফিসিয়ে প্রতিধ্বনি হলো,”আবারো বোকা বানিয়ে ফেললাম তোমাকে, লিটেল গার্ল। এত বোকা কেন তুমি! তুমি হলে আমার বোকা প্রিয়তমা, কিয়ান হায়দারের বোকা প্রিয়তমা মাহিরা…

সমাপ্ত

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ