Friday, June 5, 2026







তোমাতেই বিমোহিত পর্ব-০১

#সূচনা_পর্ব
#তোমাতেই_বিমোহিত
#লেখিকা আরোহি জান্নাত। (ছদ্মনাম)

“দেখ মা, এভাবে হুট করে সিদ্ধান্ত নিস না।আগে সবটা একটু ভালো করে চিন্তা কর তারপর না হয়”

মায়ের পুরো কথা শেষ হওয়ার আগেই আরোহি বলে ওঠে,

“আমার যা ভাবার আমি ভেবে নিয়েছি মা।এটা নিয়ে আমার আর ভাবার দরকার নেই। প্রয়োজনে আমি আজকেই ইহান ভাই কে বিয়ে করব।কিন্তু কোনো ভাবে আায়ান কে আমার থেকে দূরে যেতে দেব না।ওকে আমি জন্ম দেয়নি কিন্তু আয়ান আমারই সন্তান। আর ওকে সারাজীবনের জন্য কাছে রাখতে হলে যদি ইহান ভাই এর দ্বিতীয় বউ হতে হয় আমার কোনো আপত্তি নেই। ”

কথা গুলো বলেই আয়ানকে কোলে নিয়ে নিজের ঘরে চলে গেল আরোহি। আর পিছন ফিরে তাকালো না।তিন মাস বয়স আয়ানের।ওর জন্মের ২ ঘন্টা পর থেকেই ও আরোহির কাছে আছে ।আর এই তিন মাসে একবার ও আরোহি আায়ানকে নিজের থেকে দূরে করেনি।

আরোহির যাওয়ার পথে তাকিয়ে আছে মিসেস আতশি।নিজের মেয়ের সিদ্ধান্ত মন থেকে মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে কিন্তু যে অন্যায় তারা তার মেয়ের সাথে করেছে তাতে মেয়েকে সরাসরি না বলার ও উপায় নেই।

দরজার কাছে দাড়িয়ে মেয়ের সব কথা শুনলেন মি. আজমল। আজ হয়তো তাদের করা ভুল এর মাসুল এভাবেই দিতে হচ্ছে তাদের।

হঠাৎ দরজায় ঠকঠক আওয়াজ শুনলেন মিসেস আতশি। উঠে গিয়ে দরজা খুললেন তিনি।দরজার ওপাশে শুকনো মুখে দাড়িয়ে আছে তার বড় বোন আরশি।যে ঝড় আতশির মধ্যে চলছে সেই ঝড় যে তার বড় বোনের মধ্যেও চলছে তা খুব ভালো করে জানে আতশি।

“ভেতরে এসো আপা।”

কথাগুলো বলেই ঘরের ভিতরে চলে গেল আতশি।

নিজের ছোট বোনের বাড়িতে ঢুকতে কেমন জড়তা কাজ করছে আরশির। অথচ ৪ দিন আগেও এই বাড়িতে সময়ে অসময়ে এসেছেন তিনি বিনা দ্বিধায়।

আরশি বেগমকে দেখে আজমল সাহেব ও ড্রয়িং রুমে এসে বসলেন। সাথে আতশি ও।চুপচাপ বসে আছে আরশি। অনেক কথা সাজিয়েছেন কিন্তু কিছুতেই বলতে পারছেন না তিনি।তখনই আতশি বলে উঠল,

“আপা আরোহি কোনো মতে আয়ানকে আলাদা করতে চাচ্ছে না।ও বলেছে প্রয়োজনে ও ইহানকে বিয়ে করবে কিন্তু কিছুতেই আয়ান কে দূরে যেতে দেবে না।”

বোনের মুখে এমন কথা শুনে চোখ দুটো জ্বলজ্বল করে উঠল আরশির।তিনি ও তো এমনটায় ভেবেছিলেন কিন্তু ইহান এক বাচ্চার বাবা আর এক বাচ্চার বাবার জন্য একটি কুমারী মেয়ে কে চায়তে যেনো কোথাও একটা বাধছিল তার।সে যতই নিজের বোনের মেয়ে হোক না কেনো।

জ্বলজ্বল চোখে বললেন আরশি,

“তুই আমার আপন বোন আতশি। আমি তোর সন্তানকে নিজের সন্তানের মতোই ভেবেছি এতদিন।যদি এমনটা সত্যি হয় যে আরোহি আর ইহানের বিয়ে হলো, তাহলে আরোহিকে কোনো কষ্ট পেতে দেব না আমি।”

তখন আতশি বেগম বলে উঠললেন,

“আপা, আমি তোমাকে ও চিনি আর ইহান কে ও।তোমরা যে আরোহিকে কখোনো কোনো কষ্ট পেতে দিবে না সেটা আমি জানি এমনকি আরোহির বাবা ও।তাই আমার মনে হয় আমাদের দেরি না করে আরোহি আর ইহানের বিয়েটা তারাতাড়ি দিয়ে দেওয়ায় ভালো।”

মনের মধ্যে জড়তা থাকলেও সেই জড়তা উপেক্ষা করে কথাগুলো বললেন আতশি।আতশি জানে ইহান খুব ভালো ছেলে। ছোট বেলা থেকে চেনে সে। তার মেয়ের যে ও বাড়িতে কোনো অসুবিধা হবে না সেটা ও জানেন তিনি।তবে আফসোস একটায় তার মেয়ে ওই বাড়িতে ইহানের দ্বিতীয় বউ হয়ে যাবে সাথে আায়ানের মা।

“আজ সন্ধ্যায় তোর আর আরোহির বিয়ে ইহান।এজন্যই তোকে এই বিকেলে অফিস থেকে আসতে বলা।”

মায়ের মুখে এমন কথা শুনে বিষ্ময়ে ভাষা হারিয়ে ফেলেছে ইহান কি বলছে তার মা। তার আর আরোহির বিয়ে!

“এসব কি বলছ মা?আরোহির সাথে কেনো আমার বিয়ে হতে যাবে?ও আায়ানের দেখা শোনা করছে মানছি তাই বলে ওকে আমায় বিয়ে কেনো করতে হবে মা?”

বলে ওঠে ইহান।

“দেখ বাবা আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তোদের ভালোর জন্যই নিয়েছি।আর তার থেকে বড় কথা আরোহি ও রাজি এই বিয়েতে।”

ইহানের মায়ের এ কথায় আরো বেশি অবাক হয়ে গেল ইহান। আরোহি রাজি! হঠাৎই তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটে উঠল ইহানের ঠোঁটে। আজ সব কিছু শেষ হওয়ার পর আরোহি তার জীবনে আসবে। তার এই রংহীন জীবনে।কিন্তু ইহান নিজের মনকে যখন হাজার রঙে সাজিয়েছিল আরোহির জন্য তখন আরোহি আসেনি। আরোহি তখন নিজেকে প্রস্তুত করেছিল অন্যের রঙে নিজেকে সাজাতে।আর এই ভুল ভাবনাটায় ইহানের জীবনটা ওলট পালট করে দিল।

ছেলের থেকে কোনো উত্তর না পেয়ে আতশি বেগম আবার ও বললেন,

“তুই না করিস না বাবা। এতে তোদের সবার ভালো হবে। মেয়েটা কে ও আর অপমান হতে হবে না।আয়ানকে ও আর দূরে সরাতে হবে না।”

মেনে নিল ইহান মায়ের কথা।ইহান ও দেখতে চায় জীবন তাকে কোন মোড়ে এনে দাঁড় করায়।

সন্ধ্যার সময় কাজি নিয়ে হাজির হন ইহানের বাবা আরোহিদের বাড়িতে। ইহান তার মা ও আরোহির বাবা মা ও সেখানে আগে থেকে উপস্থিত। পরিবেশ টা যথেষ্ট স্বাভাবিক করে রেখেছেন সবাই।

কিছুক্ষণ পর ৩ মাস বয়সি আায়ানকে কোলে নিয়ে হাজির হলো আরোহি।পরনে সাধারণ থ্রী পিচ যা সচারাচর বাড়িতে পরে আরোহি। মুখে কোনো প্রসাধনীর ছোঁয়া নেই।
আরোহিকে এমন রূপে দেখে অবাক হলো সবাই। কিন্তু কেউ কোনো কথা বলল না।মেয়েটাকে বিয়ের সাজে সাজতে বলবে কোন মুখে। একবার এই সাজই যে তার জীবনে অমাবস্যা নামিয়ে এনেছিল।

কাজি সাহেব বিয়ে পড়ানো শুরু করলেন। ইহান দেখল আবার সেই একই শব্দচয়ন শুধু পাত্রীর নাম আর পাত্রীর বাবা মা এর নাম আলাদা।তবে পাথক্য একটায় সেদিন কারো উপর অভিমান করে কবুল বলেছিল আর আজ মনে এক অজানা সুখ নিয়ে।

আরোহিকে যখন কবুল বলতে বলা হলো তখন বিনা দ্বিধায় কবুল বলে দিল সে।কোনো জড়তা ছিল না কন্ঠে কিন্তু মনের মধ্যে যে কি ঝড় বয়ে গেল তা জানতে পারল না কেউ।

বিয়ে পড়ানো শেষ হলো একটু আগে। সবাই মিষ্টি মুখ ও করল।আরোহির ইচ্ছা না থাকা সত্তেও একটু মিষ্টি খেল। কারন সে এখান কোনো ঝামেলা চায় না।

রাতে খাওয়ার পর্ব মিটিয়ে আরোহিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বললেন আরশি বেগম। আতশি বেগম আর আজমল সাহেব ও না করলেন না।তার মেয়ে যে একটা স্বাভাবিক জীবন পাচ্ছে তাতেই তারা খুশি। সবাই চায় আরোহি ও ইহান আয়ানকে নিয়ে একটা স্বাভাবিক সংসার করুক।

আরশি বেগম ইহানের ঘরটি সাজাতে চেয়েছিলেন কিন্তু আরোহি সেটা হতে দেয় নি।আয়ানের অজুহাত দিয়ে বিষয় টা এড়িয়ে গেছে সে। আর আরশি বেগম ও জোর করেন নি।কারন সবটা স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে সেটা তিনি জানেন।

ইহানের ঘরে পা রাখার সাথে সাথে আরোহির সারা শরীর শিরশির করে উঠল। এই সেই ঘর যে ঘর নিয়ে হাজারো সপ্ন বুনেছিল, সে ঘরে আজ তারই বউ হয়ে এসেছে। না একটু ভুল হলো তার সন্তানের মা হয়ে এসেছে। তার বউ নয়।বাড়ির সবাই ভবেছে আরোহি ইহানের বউ আর আয়ানের মা হওয়ার জন্য বিয়ে টা করেছে। কিন্তু আরোহি জানে সত্যি টা আলাদা।আরোহি শুরু মাত্র আয়ানের মা। আর কিছুই নয়।

আয়ান ঘুমিয়ে গেছে একটু আগে। আরোহির ও ক্লান্ত লাগছে, একটু ঘুমানোর দরকার।ইহান এখোনো ঘরে আসেনি। আয়ানকে ঠিক ঠাক ভাবে শুয়িয়ে দিয়ে আরোহি একটা বালিশ নিয়ে সোফায় শুয়ে পড়ল।এই ৩ মাস আয়ানকে নিজের সাথে নিয়ে ঘুমিয়েছে আরোহি।আজ ও সেটা করতে পারত কিন্তু ইহানের সাথে এক বিছানায় আরোহি ঘুমাবে না।একেই হয়তো বলে অভিমান।

সোফায় শোয়ায় প্রথমে একটু অসস্তি হলেও আস্তে আস্তে সেটা ঠিক হয়ে যাচ্ছে।হঠাৎই আরোহির মনে পড়ে গেল ৪ দিন আগের ঘটনা। যার জন্য আয়ান দূরে সরে যাচ্ছিল আরোহির থেকে। আরোহিকে বাধ্য হয়ে ইহানকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

আয়ানের জন্মের ২ ঘন্টার পরই আয়ানের মা মানে মায়া মারা যায়।তবে মৃত্যু এর আগে মায়া আরোহির হাতে আয়ানকে তুলে দিয়ে বলে,

“না জেনে অনেক বড় অন্যায় করে ফেলেছি আমি।ক্ষমা চাওয়ার মুখ ও নেয় তবে আমি জানি আমার সন্তানই আমার করা অন্যায় সুধরাতে পারবে।তাই আজ ওকে তোমার হাতে তুলে দিলাম আরোহি।ওকে কখনো নিজের কাছ ছাড়া করো না।আমায় কথা দাও তুমি ওকে সব সময় আগলে রাখবে।”

সেদিন ডাক্তার যখন জানায় মায়ার অবস্থা ভালো না তখন মায়া আরোহিকে ডেকে এই কথাগুলো বলেই আয়ানকে আরোহির হাতে তুলে দেয়।

মৃত্যু পদযাত্রী মায়ার কথা সেদিন ফেলতে পারেনি আরোহি। আর আজ ও মায়াকে দেওয়া কথা রাখতে ইহান কে বিয়ে করেছে আরোহি।তবে এসব কিছুর মধ্যে আর একটা সত্যি আছে আরোহি নিজে ও আয়ানকে খুব ভালোবাসে, নিজের সন্তান ভাবে।আর সেটা মন থেকেই।

এতদিন আয়ানকে আরোহিই সামলেছে। আরশি বেগম নিজের নাতিকে নিজের কাছে রাখতে চেয়েছিলেন কিন্তু আরোহি দেয়নি। দুটো কারনে এক মায়া আর দুই আরশি বেগম অসুস্থ তাই। ওনার হাই প্রেসার ও ডায়াবেটিস এর সমস্যা আছে। যার জন্য আয়ানকে সামলাতে ওনার কষ্ট হতো।আতশি আর আরশি বেগমদের বাড়ির দূরত্ব বেশি না হওয়ায় আরশি বেগম আর অমত করেনি।এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে যেতে ১০ মিনিটের মতো লাগে।

সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল।কিন্তু ইহান প্রতিদিন রাতে আয়ানকে দেখতে যেত।আর সেটাই এলাকাতে বাজে ইঙ্গিতে ছরিয়েছে কিছু মানুষ। আরোহি আর ইহানকে নিয়ে অনেকেই খারাপ মন্তব্য করছিল। এমনকি আরোহির পরিবার কে নানা ভাবে হেনোস্তার স্বীকার হতে হয়।এসব কিছু খুব একটা গায়ে মাখে না আরোহি কিন্তু ৪ দিন আগে ফার্মেসি থেকে ঔষধ কিনে আসছিল আরোহি আর তার খালামনি আরশি বেগম।আর সেদিন পথে কিছু মানুষ আরশির সামনেই আরোহিকে অনেক বাজে ইঙ্গিতে কথা বলে।আরোহি এসব গায়ে মাখে না কিন্তু সেদিন এলাকার কিছু খারাপ ছেলে আরোহিকে পতিতাদের সাথে তুলনা করে এমনকি একজন আরশির সামনেই আরোহির কাছে রেট জিজ্ঞেস করে। এই অপমান সেদিন আরোহি মানতে পারেনি আর আরশি বেগম তো কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলেন। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নেন আয়ানকে নিজেদের কাছে এনে রাখবে কিন্তু আরোহি তাতে রাজি হয় না।
তারপর সকলে মিলে আরোহি আর ইহানের বিয়ে ঠিক করে ওদের বিয়ে দিয়ে ৷তবে আরোহি ও আগে থেকে বলে সে ইহানকে বিয়ে করতে রাজি কিন্তু আয়ান কে নিজের থেকে আলাদা করতে নয়।এসব কথা ভাবতে ভাবতে ঘুমের দেশে পাড়ি জমায় আরোহি।

অনেক সকালে ঘুম ভাঙে আরোহির কিন্তু নিজের দিকে তাকাতেই চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় আরোহির।এটা কি করে হলো

চলবে,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ