Friday, June 5, 2026







গোলকধাঁধা পর্ব-১১

#গোলকধাঁধা
#লেখনীতে -ইসরাত জাহান ফারিয়া
#পর্ব-১১

সিরাত নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করতে করতে
ভাবলো এই লোকটা পাগল; জীবনেও শোধরানোর নয়। সেইসাথে প্রচন্ড হাসিও পেলো ওর। লোকটা
এত অদ্ভুত কথা বলে মাঝেমধ্যে যে ও দ্বিধায়
পড়ে যায়। কখনো ভয়ও হয়! ও হাসার প্রচেষ্টা
করে বলল,
‘এসব আবার কেমন প্রতিজ্ঞা আপনার? এরকম
কেউ বলে?’
‘আমি বলি। কারণ আমার লক্ষ্য তো এটাই, তোমার জীবন উলটপালট করে দেওয়া। কেন,
তুমি বুঝি জানতে না?’
সিরাত আলতো হেসে বলল,
‘মানে? বুঝিনি কি বলতে চাচ্ছেন।’
প্রত্যয় গমগমে কন্ঠে বলল,
‘সিরাত, ইদানীং বুদ্ধিসুদ্ধি লোপ পেয়েছে তোমার। ব্যাপারটা কী?’
‘কিছু না। আসলে আমি কনফিউজড হয়ে গেছি
একেক সময় একেক কথা বলছেন।’
প্রত্যয় ওর গাল টেনে ধরলো,
‘প্রেমে পড়ে গেছেন মিসেস?’
সিরাত লাল হলো। নতমুখে আওড়ালো,
‘এটাই কি স্বাভাবিক নয়? ভালোবাসা আসবে এটা
তো হওয়ারই।’
প্রত্যয় ওকে ছেড়ে দিলো৷ এরপর অবিশ্বাস্য দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে ওকে ঘাবড়ে দিতে হো হো
করে হেসে বলল,
‘আমি তোমাকে সত্যিই সবার থেকে আলাদা ভেবেছিলাম সিরাত। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে তুমিও সব মেয়েদের মতো।’
সিরাত ভীষণ বিস্মিত হলো,
‘আমি বুঝতে পারছি না আপনি এত অবাক
হচ্ছেন কেন? এতদিন ধরে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে আমরা আছি। অন্য সবার মতো স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের সম্পর্ক এগিয়ে গেছে। এখন আপনি বলছেন আমি অন্য সবার মতো? মানে কি?’
প্রত্যয় শব্দ করে নিঃশ্বাস ফেললো। গা এলিয়ে দিলো হেডবোর্ডে। একটু সময় চুপ থেকে এরপর ভ্রু
সোজা করে বলল,
‘তোমাকে আজ কিছু বলি, হুঁ! রাজনীতি করা আমার স্বপ্ন ছিলো। কত ঝড় ঝাপটা পেরিয়ে ক্যারিয়ারটা গুছিয়েছি সেটা তুমি চিন্তাও করতে পারবে না। অথচ সেটা তোমার জন্য নষ্ট হতে বসেছিলো। আমার জীবনে তোমার জন্য সবচেয়ে বেশি সমস্যা হয়েছে সেটা কি জানো তুমি? এত এত সমস্যা যে, একটা সময় আমার মনে হতো তোমার লা’শ ফেলে দিই।’
সিরাত আঁৎকে ওঠলো। নির্বাক হয়ে তাকিয়ে রইলো ওর দিকে। ভালোই তো এতক্ষণ কথা বলছিলো দু’জন। তাহলে এখন এসব উদ্ভট কথা বলছে কেন লোকটা?
প্রত্যয় কপালে হাত ঘষে আবারও বলল,
‘তবে সেটা করিনি। নেহাৎই তুমি মেয়েমানুষ, তাই।
কিন্তু ব্যাপারটা একসময় এত এত বাড়াবাড়ি পর্যায়ে নিয়ে গেলে যে তোমাকে চরম একটা শিক্ষা না দেওয়া অবধি শান্তি পাচ্ছিলাম না। একটা কথা কি জানো, তোমাকে হাতে মেরে কাপুরুষের তকমা পেতে চাইনি। সেজন্য সহজভাবে এগিয়েছি। তোমাকে দুর্বল জায়গায় আঘাতটা করতে চেয়েছি। আই মিন পরিবার, বিয়ে,স্বামী, ভালোবাসা এসব জিনিসকেই অস্ত্র
হিসেবে নিয়েছি। শারীরিক ভাবে নয় আমি তোমাকে মানসিকভাবে ভাঙতে চেয়েছি। আর দেখো এটা কিন্তু ম্যাজিকের মতো কাজ করেছে।’
প্রত্যয় এটুকু বলে থামলো। সিরাতের চোখ জ্বলজ্বল করছে। কি হলো এটা? প্রত্যয় প্রথম প্রথম ওকে কষ্ট দেওয়ার চেষ্টা করলেও একটা পর্যায়ে নিজের ভুলগুলো শুধরে নিয়েছিলো। তাহলে এতদিন কি ও অভিনয় করে গেছে? আর অপেক্ষা করেছে সিরাত কবে দুর্বল হবে ওর ওপর? এটাই ওর ইচ্ছে ছিলো। আজ যেই মনের কথাটা সাহস করে বলে দিলো তখনি সিরাতের অনুভূতিকে মিথ্যে প্রমাণ করে দিতে চাইছে? ওর মাথা যেন ভার হয়ে এলো। মস্তিষ্ক ফাঁকা লাগছে।
সময় নিলো একটু। অভিনয় নাকি বাস্তব বোঝা কঠিন। তবুও ও আড়ষ্ট হেসে বলল,
‘সত্যিই আপনি আমাকে ভেতর থেকে ভেঙে
দিয়েছেন।’
প্রত্যয় চোখমুখ শক্ত করে বসে রইলো। কেমন অদ্ভুত লাগছে এসব স্বীকার করে। বলল,
‘অবশেষে নিজের কার্যে সফল হয়েছি
তাহলে?’
সিরাত নির্লিপ্ত কন্ঠে বলল,
‘অবশ্যই মিস্টার প্রত্যয়। তবে আমারও কিছু বলার আছে।’
প্রত্যয় ক্ষীণ স্বরে বলল,
‘শুনছি।’
‘আসলে আমি ভেবেছিলাম যেমনই হোক আপনি তো আমার স্বামী। কোনো বিপদ হোক বা খারাপ কিছু ঘটুক তা চাইনি। সবসময় যাতে ভালো কাজ করেন, ভালো থাকতে পারেন তাই চেয়েছি। আমি আপনার সাথে সুখী হতে চেয়েছিলাম। এর বেশিকিছু নয়।’
প্রত্যয় চোখেমুখে অনুশোচনার রেশ ফুটে ওঠলো।
ছোট গলায় সে বলল,
‘এত সহজে? আমি তো শত্রু ছিলাম।’
সিরাত মলিন হাসলো। এরপর বলল,
‘এগুলো তো সম্পূর্ণই মনের ব্যাপার। মন যখন-তখন প্রেমে পড়ে যেতে পারে। হোক সে শত্রু বা মিত্র! কিন্তু
চমকপ্রদ ব্যাপারটা কি জানেন? আপনি আমাকে মেরে কাপুরুষের তকমা পেতে চান নি। কিন্তু যা করেছেন তা কাপুরুষের থেকেও অধম! আমি সবকিছু ভুলে যাকে আপন করতে চাইলাম সে-ই আমায় পর করে দেবে ভাবিনি। মন ভাঙার কষ্টটা তবে আমি সামলে নিতে পারবো আশা করি। কিন্তু আর কখনোই বিশ্বাস
করবো না।’

সিরাত ঘর থেকে বেরিয়ে গেলো। প্রত্যয় ভেতরে ভেতরে চমকালো। সিরাত এত ঠান্ডা আচরণ করবে সে ভাবেনি। ধারণা করেছিলো ও বেশ হুলস্থুল করবে, চেঁচামেচি করে বাড়ি মাথায় করে সিনক্রিয়েট করবে। কিন্তু না! মেয়েটা এত শান্তভাবে কথাগুলো বলে
দিলো যে এখন ওর নিজেরই অস্বস্তি হচ্ছে।
প্রত্যয় বিমূর্ত ভঙ্গিতে বিছানায় বসে ছটফট করতে লাগলো। নিজেকে কেমন ছোট মনের মনে হচ্ছে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো দেড়টা বাজে। সিরাত এখনো ঘরে আসেনি। ওর তো আরও কিছু বলার আছে, সেগুলো শুনবে না সিরাত? আচ্ছা, রাগ করে আবার বেরিয়ে গেছে নাকি বাড়ি থেকে? আশঙ্কা বাড়লো ওর। হতচকিত হয়ে ছুটে গেলো। সারাবাড়ি ঘুমে ডুবে আছে, কোথাও কেউ নেই। গেলো কোথায় মেয়েটা? হন্তদন্ত হয়ে দারোয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারলো সিরাত বাইরে যায়নি। প্রত্যয় ভালো করে খোঁজ নিয়ে
দেখলো সিরাত প্রত্যাশার ঘরে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে।
ও মুখভার করে দাঁড়িয়ে থাকলো বাইরে। এতগুলো দিন একসাথে থেকেও কখনো একে-অপরকে বলা হয়নি ভালোবাসি। কিন্তু প্রত্যয় জানে এতদিনে সে নিজেও সিরাতের প্রতি দুর্বল এবং নির্ভরশীল। ওকে ছাড়া ওর রাতে ঘুম হয় না, অস্থির লাগে, জীবন দুর্বিষহ মনে হয়। এগুলো যে ভালোবাসার অন্য রুপ সেটা সে জানে। ধরা দিতে চায় না সিরাতকে। কিন্তু আজ তো ভালো মনেই ও নিজের কুরুচিপূর্ণ দিকটা তুলে ধরেছিলো সিরাতকে, যাতে নিজের মনের ভার কমে যায়। কিন্তু ভার কমার বদলে দূরত্ব বাড়িয়ে দেবে তা তো ভাবেনি। প্রত্যয়ের ইচ্ছে করলো ট্রেনের নিচে মাথা দিয়ে ম’রে যেতে। সবসময় সব সত্যি জানাতে নেই।

এরপর সিরাত কেমন পাল্টে গেলো। প্রত্যয়কে এড়িয়ে চলতে শুরু করলো। ওর কোনো কাজ গোছগাছ করে দিতো না, কোনোভাবেই ওর সামনে পড়তে চাইতো না। নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত প্রত্যয় সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে বাড়ি এসে দেখতো সিরাত আগেভাগেই খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে নিজের মতো করে। অথচ মেয়েটা এতদিন ওকে একা করে কখনোই খেতো না। এরমধ্যে মাস দেড়েক কেটে গেলো। বাড়ি ফিরে অন্যদিনের মতোই আচরণ পেলো সিরাতের থেকে। প্রত্যয় এতদিন সব মেনে নিলেও আজ কেন যেন ব্যাপারগুলো হজম করতে পারলো না। কোমড়ে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো বহুক্ষণ। এরপর সিরাতকে টেনে এনে বুকে জড়িয়ে শুয়ে পড়লো। ঘুম ভেঙে গেলো সিরাতের। ধরফড়িয়ে ওঠে বসে অগ্নিময় চোখে তাকালো। প্রত্যয় কথা বলার চেষ্টা করলেও সিরাত দূরে সরে গেলো। বিরক্তি নিয়ে দু-হাত জড়ো করে বলল,
‘সব প্রতিশোধ নেওয়া হয়ে গেলে আপনি অতি শ্রীঘ্রই তালাকের ব্যবস্থা করুন। এক খাটে কোনো কাপুরুষের সাথে ঘুমাতে হয় ভাবলেই আমার বমি পাচ্ছে। সরুন তো।’
চোখমুখ কুঁচকে দৌড়ে ওয়াশরুমে চলে গেলো সিরাত। এরপর বের হয়ে ওড়নায় হাতমুখ মুছেই বালিশ নিয়ে ডিভানে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লো। প্রত্যয় হতভম্ব হয়ে বসে থাকলো। নিজের মাথার চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে করছে। কপাল দোষে আজ তার এই দশা। কেন সে ওসব স্বীকার করতে গেছিলো? এমনিতেই তো ভালো
ছিলো সবকিছু!

________________________

নতুন দিনের সূচনা। রাতে বোধহয় বৃষ্টি নেমেছিলো। চারদিকে কেমন উদাসী ঠান্ডা হাওয়া বইছে। রোদ নেই। ফোনের শব্দে ঘুম ভাঙলো প্রত্যয়ের। বিরক্তি নিয়ে রিসিভ করে সব বুঝিয়ে দিলো ওপাশের ব্যক্তিটিকে। ফোন রেখে ঘাড় ফেরাতেই সিরাতকে ডিভানে বসে থাকতে দেখলো। ভাবলেশহীন ভাবে চা খাচ্ছে। মুখ দেখে মনে হচ্ছে পৃথিবীর কোথাও অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটতে চলেছে। প্রত্যয় ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে রইলো। এরপর দু’বার ডাকলো ওকে, সাড়া পেলো না। সিরাত বেরিয়ে গেলো। হতাশ প্রত্যয় ওঠে ফ্রেশ হয়ে নিলো। পাঞ্জাবি বের করে রেডি হতে হতে ভাবলো কিভাবে, কি করলে মহারানীর মন পাবে সে! আর তো এই বিরহ সহ্য করা যাচ্ছে না। বউয়ের মন জয় করার চেয়ে নির্বাচনে জয় পাওয়া সহজ।

বাইরে হালকা বৃষ্টি নেমেছে। প্রত্যয় ড্রাইভারকে তাড়া দিলো গাড়ি বের করতে। একেবারে রেডি হয়ে দোতলা থেকে নামার সময় সে দেখলো সিরাত ছাড়া বাড়ির সকলে ডাইনিং এ অপেক্ষা করছে ওর জন্য। সবার মুখ জ্বলজ্বল করছে। মুশফিকা চৌধুরী ছেলেকে দেখে আহ্লদে ফেটে পড়ে বললেন,
‘আব্বা, আমার আব্বা এদিকে আসো।’
প্রত্যয় বুঝলো না কিছুই। আমির সাহেব গমগমে স্বরে হেসে ওঠলেন,
‘এসো এসো, মিষ্টিমুখ করো।’
প্রত্যাশার চেহারাও খুশি খুশি। যেটা সচরাচর থাকে না। প্রত্যয়ের চোখ এতক্ষণে টেবিলের দিকে পড়লো। নানা পদের মিষ্টান্ন রাখা ওখানে, যেন দোকান বসেছে। কাজের লোকগুলো পর্যন্ত খুশি। কিন্তু কোথাও সিরাতের টিকিটিও নেই। প্রত্যয় কিছুই ধরতে পারছে না। ভ্রু কুঁচকে মা’কে সে জিজ্ঞেস করলো,
‘ব্যাপার কি? নির্বাচন তো আরও সাতদিন পরে। এখনও তো জয়লাভ করি নি, তাহলে এত আনন্দ-উৎসব কোন হিসেবে?’
আমির সাহেব উচ্চস্বরে হেসে ওঠলেন,
‘আমার গাধা ছেলে কি বলে শুনলে?’
মুশফিকা চৌধুরী হাসতে লাগলেন। পুত্রকে দ্বিধান্বিত দেখে তিনি বেশ মজা পাচ্ছেন। প্রত্যাশা ঢুস করে ভাইয়ের মুখে মিষ্টি ঠেসে দিয়ে হাসিমুখে বলল,
‘তুমি বাবা হতে চলেছো ভাইয়া। এই নাও মিষ্টি খাও!’
প্রত্যয়ের গলায় মিষ্টি আটকে গেলো বোনের কথা শুনে। চোখ কপালে ওঠলো ওর। সবাই কি মজা করছে ওর সাথে? কাশতে থাকলো সে। মুশফিকা চৌধুরী হন্তদন্ত হয়ে পুত্রকে পানি খাইয়ে দিলেন। প্রত্যয়ের গলা দিয়ে আওয়াজ বেরুচ্ছে না উত্তেজনায়। কোনোমতে মুশফিকা চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করলো,
‘মা আমার বউ কই?’

[ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।]

চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ