Friday, June 5, 2026







ক্রাশ যখন বর Season_3Part_43/44/45

ক্রাশ যখন বর Season_3Part_43
Writer-Afnan Lara

শিশির তনুর দিকে অসহায়ের মতন তাকিয়ে আছে
তারপর শিশির গ্লাসের জুস তনুকে না দিয়ে নিজেই খেয়ে ফেললো
কিন্তু শিশিরের কিছুই হলো না
অমি-আমি কি বোকা??তোমাকে আমি বিষ আলা জুস দিব আর তুমি best husband হয়ে ওটা তনুকে না দিয়ে খেয়ে ফেলবা,এটাতে বিষ ছিলো না শিশির,আমি তোমার সামনে,এবং তোমাকে দিয়ে তোমার বাচ্চাকে মেরে ফেলবো
তনু কথাটা শুনে ওর মাথা ঘুরে উঠলো পড়ে যাওয়া ধরলো শিশির ধরতে যাবে ছেলেগুলো ওরে আটকে ফেললো
তনু নিচে পড়ে গেলো,,
অমি ইশারা করতেই একটা ইনজেকশান শিশিরের হাতে দিলো ছেলেটা,,
মীমের মাথার সাথে গুলি টাচ করে ফেলেছে already
অমি-ইনজেকশান দাও তনুকে
শিশিরের চোখ থেকে পানি পড়তেছে,,
তনু পেটে হাত দিয়ে বসে আছে,
শিশির নিচে বসলো তনুর সামনে
শিশির-কিচ্ছু হতে দিব না তোমার
তনু-দিন,তাও মীমকে বাঁচান
শিশির তনুর হাত ধরলো,,
তনু শিশিরের চোখের দিকে তাকিয়ে আছে
অমি-ওটা অজ্ঞানের ইনজেকশান,,তনুর অজ্ঞানের পর তোমার সামনে বেবি মারা যাবে,বাট তনু যেন ব্যাথা না পায় তার জন্য অজ্ঞান করতেছি
শিশির চুপচাপ তনুকে ইনজেকশানটা দিয়ে দিলো,,মিনিটেই তনু অজ্ঞান হয়ে শিশিরের বুকে পড়লো,
শিশির-কি চাও বলো দিয়ে দিব,কিন্তু ওদের কোনো ক্ষতি করো না,,
অমি-ঠিক আছে,,তনুর বাচ্চা আর তনুর কোনো ক্ষতি করবো না,,
তুমি তনুকে নিয়ে বাসায় চলে যাও,
মীম আমার বাসায় থাকবে,যতদিন না task complete হয়,,
আর হ্যাঁ don’t worry আমি ওরে টাচ করবো না,
interest আমার তনুর উপর,,তুমি তনুকে ডিভোর্স দিবে,,তাহলে তনু আর ওর বাচ্চার কোনো ক্ষতি আমি করবো না
শিশির-ও মানবে না,আমি পারবো না
অমি-ঠিক আছে,তাহলে হসপিটালে নিয়ে যাচ্ছি,কি বলো?
শিশির -ঠিক আছে
অমি-আর হ্যাঁ,,তোমার রুমে,সোফার রুমে,তোমার গাড়ীতে,even তোমার full বাসায় আমার লোকেরা bluetooth device ta লাগাই দিসে,,যা বলো শুনবো,তনুকে এসব জানানোর চেষ্টা করসো তো মীমের কি হাল হবে ভাবো,আর তোমার সন্তানের কি হবে??
এখন যাও কেমন??
অমি চলে গেলো দলবল নিয়ে,
শিশির তনুকে নিয়ে বাসায় আসলো,,
মা-কিরে তুই কি এসি ঠিক করতে লোক পাঠাইসিলি?
শিশির বুঝলো ওরা bluetooth device ta লাগাতে এসেছিলো,
শিশির তনুর পাশে বসে আছে,,
তনু চোখ খুলে তাড়াতাড়ি উঠে পেটে হাত দিলো
শিশির-বাচ্চা ঠিক আছে
তনু শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো শক্ত করে
তনু-আমি ভয় পেয়ে গেসিলাম,ওটা কি ছিলো
শিশির-একটা দুঃস্বপ্ন,ভুলে যাও
তনু মুচকি হেসে শিশিরকে আরও শক্ত করে ধরলো,শিশির তনুকে ছাড়িয়ে নিলো
তনু-কি হইসে
শিশির-আমার কাজ আছে,rest নাও
শিশির চলে গেলো,
তনু অনেক tired তাই শুয়ে পড়লো
মা-শিশির মীমকে কলেজ থেকে নিয়ে আয়
শিশির-মা ও মামাদের বাসায় থাকবে কদিন,আমাকে খুব করে বলসে তাই রেখে আসলাম,ওর নাকি কিছু ভালো লাগে না,,তনু বাজারে গেসিলো সাথে করে ওর জামাকাপড় নিয়ে গেসে,,
মা-একবার আমাকে বললো না মেয়েটা,থাক ওখানে থাকলে ওর মন ভালো হয়ে যাবে
তনু দুপুরের দিকে উঠে বারান্দাতে দাঁড়ালো,fresh লাগতেছে,
শিশির গোসল করে এসে চুল মুছতেছে
তনু গিয়ে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলো শিশিরকে
শিশিরের কোনো react নাই,চুপচাপ চুল মুছতেছে
তনু শিশির ঘাড়ে নাক ঘষতে লাগলো
শিশির এবার তনুকে সরিয়ে রুম থেকে চলে গেলো
তনু পিছন পিছন গেলো,
শিশির চুপচাপ খাবার খাচ্ছে
মা-আয় তনু বস,,
তনু-না মা খাব না খিধে নেই,তখন বাজারে গেসি না,খেয়েছি
তনু চলে গেলো
শিশির জানে তনু কিছুই খায়নি,তাই নিজেও আর খেলো না
রুমে যায় নি,টিভি দেখতেছে বসে বসে
তনু এসে পাশে বসলো
শিশিরের হাত জড়িয়ে ধরলো
শিশির বিরক্তিবোধ নিয়ে তনুকে সরাতে যাবে তাকিয়ে দেখলো তনু ঘুমিয়ে গেসে
শিশির-(আমি চাই তুমি আমাকে ঘৃনা করো,তারপর ডিভোর্স পেপারে সাইন করতে তোমার কষ্ট হবে না,এতে করে অন্তত তুমি, আমার সন্তান আর মীম বেঁচে যাবে)
তনু চোখ খুলতেই দেখলো সে এখনও শিশিরের কাঁধে,
শিশির যেই খেয়াল করলো তনু জেগে গেসে,উঠে চলে গেলো
তনু চোখ ডলতে ডলতে রান্নাঘরে গেলো,আপেল,কমলা ২টা নিয়ে বারান্দায় এসে বসলো,,ওগুলা খেয়ে বসতেই পেটে সইলো না,দৌড়ে গিয়ে বমি করে দিলো
দূর্বল হয়ে সোফায় বসলো
শিশির বুয়াকে দিয়ে খাবার পাঠালো,,
তনু অর্ধেক খেয়ে রেখে দিলো
শিশির রুমে আসতেই তনু জড়িয়ে ধরলো শিশিরকে
তনু-কি হইসে বলুন
শিশির-আমার ঘুম আসতেছে,,সরো
তনু ছাড়তেছে না শিশিরকে,
বাচ্চাদের মত আঁকড়ে ধরে আছে শিশিরকে,
শিশির নিজের চোখ সরানোর চেষ্টা করতেছে তনুর উপর থেকে,কিন্তু পারতেছে না
শিশির থাকতে না পেরে নিজেও ধরলো তনুকে
কোলে তুলে নিয়ে গেলো,,
ওকে বিছানায় রেখে কপালে চুমু দিয়ে পুরো রুম তন্ন তন্ন করে খুঁজলো কিন্তু bluetooth device ta পেলো না
তনু-কি খুঁজেন?
শিশির -কিছু না
শিশির চলে গেলো রুম থেকে
তনু-কি হইসে আল্লাহ জানে,এমন কেন করতেছে
শিশির দেখলো তনু ঘুমিয়ে গেসে,তারপর এসে নিজেও শুয়ে পড়লো,তনু এত সহজে ডিভোর্স দিবে না
পুলিশের সাহায্য নিতে হবে,কিন্তু যদি অমি জেনে যায়
অমি শিশিরকে ফোন দিয়ে বললো যেন বেশি দেরি না করে
চলবে ♥

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


ক্রাশ যখন বর
#Season_3
Writer-Afnan Lara
#Part_44
তনু বিকালে বসে বসে আচার খাচ্ছে আর শিশিরকে দেখতেছে
শিশির সোফায় বসে তনুকে না দেখার ভান করে কাজ করতেছে
তনু খেতে খেতে শিশিরের কোলে এসে বসে পড়লো,,
শিশির-এসব কি,দেখো না কাজ করতেছি??
তনু-কি কাজ??
শিশির-উঠো,আমার কাজ আছে
তনু-উঠবো না কি করবেন ফেলে দিবেন?
শিশির তনুকে তুলে খাটে রেখে আসলো
তনু আবার এসে শিশিরের কোলে বসলো,
শিশিরের মেজাজটা গরম হয়ে যাচ্ছে যত চাচ্ছে তনুকে দূরে রাখতে তাও তনু জোঁকের মত আটকে থাকছে
শিশির-প্লিস তনু উঠে যাও,আমার অনেক কাজ আছে
তনু উঠে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো
শিশির-আমার এখন ভাবতে হবে কিভাবে তনুকে ব্যাপারটা জানানো যায়,,
শিশির বুয়ার থেকে ফোন চাইলো,কারন তার ফোনের থেকে করা কল সম্পর্কে অমি জেনে যেতে পারে,
বুয়ার ফোন থেকে শিশির বাথরুমে গিয়ে একটা ছেলের সাথে contact করলো,,তারপর বেরিয়ে আসতেই তনু সামনে এসে দাঁড়ালো
তনু-কার সাথে কথা বলতে বাথরুমে গেসেন?
শিশির-চুপ,আস্তে
তনু-কেন??কে শুনবে??কার সাথে কথা বলছেন?
শিশির তনুর মুখ চেপে ধরে খাটে নিয়ে গেলো,,
তনু থামতেছেই না,বারবার বলেই যাচ্ছে কলের কথা,
শিশির তনুকে থামাতে না পেরে ওকে ধরে কিস করে দিলো,,
তারপর তনু থামলো
শিশির ইশারা করলো যেন সে চুপ থাকে,,
শিশির একটা খাতাতে লিখলো অমি রুমে bluetooth device লাগিয়েছে যেন তনু চুপ থাকে
তনু চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে
শিশির গিয়ে সোফায় বসলো
তনু খাতায় লিখলো,তো এখন??
শিশির খাতায় লিখে জানালো কোনে সমস্যা নাই সে যেন নরমাল থাকে নাহলে অমির সন্দেহ হবে
তনু শিশিরের কানের কাছে এসে ফিসফিসিয়ে বললো কাল থেকে এমন মিসবিহেভ করসেন কেন আমার সাথে?
শিশির ছোট থেকেই জীবনেও ফিসফিসিয়ে কথা বলেনি তনুর মুখের দিকে তাকিয়ে বসে আছে
তনু ব্রু কুঁচকে তাকিয়ে আছে শিশিরের দিকে
শিশির খাতায় লিখলো
“মুখ বন্ধ করে rest নাও যাও,নইলে কামড়ে অজ্ঞান করে দিব”
তনু-?
তনু গিয়ে শুয়ে পড়লো,
এদিকে অমি এসে হাজির,মা বাবা ঘুমাচ্ছে,অমি পায়ের উপর পা তুলে সোফায় বসে আছে
অমি-তনুকে বলো আমার জন্য কফি বানিয়ে আনতে
শিশির-বুয়া
অমি চোখ রাঙালো
শিশির তনুর কাছে গিয়ে বললো কফি বানাতে
তনু গিয়ে কফি বানালো,কিন্তু ইচ্ছামত মরিচ মিক্স করে দিলো,তারপর অমির দিকে এগিয়ে দিলো
অমি-এটা তোমার husband কে খেতে বলো,আমি জানি এটাতে তুমি কি মিশাইসো,আর শিশিরের হাতের টা আমাকে দাও
তনু শিশিরের হাত থেকে নিয়ে অমির হাতে দিলো,
শিশির অমির টা নিয়ে খেয়ে নিলো,কোনো ঝালই লাগলো না
অমি-এটা কেমনে সম্ভব, ওহ তাহলে কিছুই দেয়নি,আমি ভুল ভাবলাম
অমি নিজের কফিতে মুখ দিতেই ঝালে চিৎকার দিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে গেলো
তনু-এটাকে বলে overconfidence, আমি জানতাম তোমার আত্নবিশ্বাস বেশি তাই ইচ্ছে করেই তোমার কফিতে কিছু মিশাইনি,জানতাম তুমি কফির মগ পাল্টাবা
অমির চোখ লাল হয়ে আছে,
শিশির তনুকে রুমে চলে যেতে বললো
অমি-যাই হোক,ওর এই দুষ্টুমি আমার ভালো লাগসে,,
যা বলসি করসো তো??
শিশির-হুম রেডি করতেছি,
অমি-তনুকে চড় মারো একটা যাও
শিশির-অসম্ভব,
অমি-জোরে মারবা যেন ব্যাথা পায় বুঝছো
শিশির-পারবো না আমি,তুমি বরং আমাকে চড় মারো
অমি-নাহ,এটাতে তোমার তেমন কষ্ট হবে না,যেটা বলসি করো নইতো আজ তোমার বোনের সাথে রুমডেট টা সেরে ফেলবো,
অমি শিশিরকে ইশারা করলো,
শিশির আস্তে আস্তে রুমের দিকে যাচ্ছে
তনু খাটে বসে মুচকি হেসে তাকিয়ে আছে,,
অমি দরজার বাইরে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে আছে তনু শিশিরের দিকে
তনু-দেখলেন কেমন টাইট দিলাম??
শিশিরের চোখ শক্ত হয়ে আছে,,
তনু-কি হইসে আবার??
শিশির তনুর গায়ে হাত উঠালো,তনু গালে হাত দিয়ে তাকিয়ে আছে শিশিরের দিকে,
শিশির চুপচাপ চলে গেলো বারান্দার দিকে
তনুর মনে হলো ও যতটা না ব্যাথা পেয়েছে শিশির তার চেয়েও বেশি ব্যাথা পেয়েছে,চড়টা শব্দ করলেও তনুর ব্যাথা লাগলো না,বরং শিশিরের ঐ চাহনি দেখে তনুর ভেতরটা পুড়ে যাচ্ছে
উঠে শিশিরের কাছে গিয়ে দাঁড়ালো তনু,,
শিশির দেখলো অমির গাড়ী চলে যাচ্ছে,তার মানে অমি চলে গেসে
শিশির তনুর হাত ধরে টেনে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিলো
শিশিরের হাত থেকে রক্ত পড়তেছে,,ইচ্ছেমত গ্রিলে বাড়ি দিসে শিশির,
তনু শিশিরকে আগলে ধরে আছে
শিশির-মাফ করে দাও আমাকে তনু
শিশির নিচে বসে গেলো
তনু -প্লিস উঠুন
শিশির-আমি বাধ্য হয়ে আজ এটা করেছি
তনু -আমি জানি শিশির
তনু শিশিরকে উঠালো,শিশির হাত পিছনে নিয়ে প্যান্টে মুছে ফেললো রক্ত,,
তনু -কবে শেষ হবে এগুলা??
শিশির-শীঘ্রই
শিশির তনুকে এনে খাটে বসালো,,ওর গালে হাত দিয়ে মুছে দিলো
তনু শিশিরের বুকে হেলান দিয়ে শুয়ে পড়লো
শিশির অবাক হয়ে দেখছে তনুকে,একটা প্রশ্ন করলো না সে,,চুপচাপ আগলে ধরে আছে আমাকে,,মাঝে মাঝে বুঝি না আমি কি তনুর যোগ্য??
শিশির তনুকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে
মাঝরাতের দিকে তনু জেগে গেলো,,তাকিয়ে দেখলো শিশির চোখ বন্ধ করে ওকে ধরে শুয়ে আছে,,
তনু আস্তে করে শিশিরের হাতটা ছাড়িয়ে উঠে বসলো,,শিশিরের হাতের দিকে চোখ যেতেই তনুর যেন কলিজা কেঁপে উঠলো,,রক্ত জমে শুকিয়ে গেসে
তনু শিশিরের মুখের দিকে চেয়ে বসে আছে
আসলে সবসময় সুন্দর ছেলেদের মন ভালো হয় না,কিন্তু এই ছেলেটা,যেমন সুন্দর তার চেহারা তেমনটাই তার গুন, চরিত্র,,আর তাই Crush খেয়ে খেলাম,ইস?
তনু শিশিরের কপালের উপর থেকে চুল গুলো সরিয়ে চুমু খেলো কপালে
শিশির ভাবলো অমির লোক ওরে মারতে আসছে,একটান দিয়ে তনুকে খাট থেকে ফেলে দেওয়া ধরলো পরে যখন দেখলো এটা তনু, ওকে উপরে তুলে ফেললো
তনুর ভয়ে কলিজা কাঁপতেছে,শিশির হেসে দিয়ে ওকে ধরে বসালো
তনু-আর একটুর জন্য মরেই যেতাম
শিশির-আমি ভাবসি দুশমন
তনু-আপনি তো আনাকে দুশমনই ভাবেন?
শিশির-?
চলবে♥
(রাইটারের উপর আস্থা রাখুন,সব ঠিক করে দিব)

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


ক্রাশ যখন বর
#Season_3
Writer-Afnan Lara
#Part_45
শিশির আরেকদিকে ফিরে শুয়ে পড়লো
পরেরদিন সকালে একটা ছেলে আসলো কিছু কাগজ নিয়ে,শিশিরের হাতে দিলো সেগুলা
শিশির-নাও সাইন করো
তনু-এটা কি
শিশির-ডিভোর্স লেটার
তনু-কিহ?তার মানে আমি single mother হয়ে যাব?
শিশির-চুপচাপ সাইন করো
তনু-মইরা গেলেও না
শিশির তনুর হাত ধরে বাসার বাইরে নিয়ে গেলো,
শিশির-শুনো তনু
শিশির তাকিয়ে দেখলো কালো জামা পড়া দুটো ছেলে ওদের দিকে তাকিয়ে আছে
শিশির-উফ
শিশির-যাও বাসায় যাও
তনু বাসায় চলে আসলো,
ছেলেগুলো শিশিরের হাতে ফোন দিলো
অমি-হ্যালো শিশির,,কি ভাবো??বাইরে আমার নজর থাকবে না?
শিশির-আজকেই ডিভোর্স হয়ে যাবে,মীমকে ছেড়ে দাও
অমি-আগে পেপার
শিশির তনুর কাছে এসে কাগজ ধরলো
তনু -পাগল হয়ে গেসেন??
শিশির-আমার উপর তোমার ভরসা নেই?থাকলে সাইন করো
তনু কাগজ নিয়ে সাইন করে দিলো,
অমি কাগজ হাতে পেয়ে মীমকে ছেড়ে দিলো,,
অমি-তনু will you marry me?
তনু-?সরি I have an ex husband
শিশির-কি??
অমি-তোমাদের তো ডিভোর্স হয়ে গেসে,এবার আমাকে বিয়ে করতে তো তোমার কোনো সমস্যা হবে না তাই না?
তনু-কে বলসে??
শিশির -পুলিশ অফিসার!!
একজন পুলিশ শিশিরদের বাসায় ঢুকলো,শিশির তার অফিসের সেদিনের ভিডিও ফুটেজ দেখালো পুলিশকে,,
আর তাছাড়া অমির কিছু লোককেও পুলিশ ধরে ফেলেছে তারাই অনেক কিছু বলেছে পুলিশকে,আর bluetooh device ও খু্ঁজে পাওয়া গেসে
অমি-যাই হোক ডিভোর্স আমি করাতে পেরেছি
শিশির-ভাবলে কি করে আমি এই ভুল করবো?ওটা ফেক ছিলো
অমি শিশিরের দিকে চোখ রাঙিয়ে চলে গেলো
তনু আড়চোখে তাকিয়ে আছে শিশিরের দিকে,তারপর ঢং করে মুখ বাঁকিয়ে চলে গেলো
শিশির শান্তিতে গিয়ে সোফায় বসলো,,এখন মনে হয় বডিগার্ড রাখা দরকার,,
শিশির তনুর কাছে গেলো ম্যাডাম বসে বসে শিশিরের ফোন চেক করতেছে
শিশির -তনু!
তনু-কি হইসে আবার আল্লাহ?
শিশির-?কিছু না,এমনি ডাকলাম
তনু-বজ্জাত?
শিশির অনেক ভয়ে ভয়ে থেকে বডিগার্ডের ব্যবস্থা করেছে,,এখন আপাতত শান্তিতেই আছে,,
তনুকে চোখে চোখে রাখতেছে,,
বেশকিছুদিন কেটে গেলো এভাবেই
তনু আজ অনেক খুশি,কারন আজ আলট্রাতে বাবু দেখাবে,খুশিতে ওর লাফাতে ইচ্ছে করতেছে
শিশিরের হাত ধরে বসে আছে তনু, হসপিটালে
doctor আল্ট্রা চেক করে তনু আর শিশিরের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে দিলো
তনু-কি হইসে??টুইন বেবি তো??বলেন না,ছেলে না মেয়ে
শিশির-তনু চুপ থাকো
তনু-কি হইসে???
Doctor -cool down,,কোনো টেনশনের কিছু নেই
তনু-তাহলে বলেন বাবু টুইন কিনা
Doctor -নাহ বাবু টুইন না
শিশির-Alhamdulillah
তনু-???????
Doctor -টুইন নয় ট্রিপল
শিশির-What!!!!
তনু-কিহ
তনু খুশিতে অজ্ঞান হয়ে গেসে
শিশির টিসু বের করে ঘাম মুছলো মুখের তারপর doctor এর দিকে তাকালো
শিশির-আর ইউ সিরিয়াস??
doctor -ইয়েস,আমারও বিশ্বাস হচ্ছে না
শিশির আল্ট্রার রিপোর্ট হাতে নিয়ে গালে হাত দিয়ে বসে আছে,আর তনুর দিকে তাকাচ্ছে,,নার্স পানির ছিঁটা দিতেই তনুর জ্ঞান আসলো,তারপর মনে পড়লো doctor ট্রিপল বলসে,খুশিতে তনু লাফ দিয়ে খাট থেকে নামলো
তনু-এই ডিনকাচিকা ডিনকাচিকা????
শিশির-চুপ,বাচ্চাদের মতন শুরু করসে,তুমি জানো আর কয়েক মাস পর তোমার পেট কত বড় হবে
তনু-তো?
শিশির-সামলাবা কি করে
তনু-ওমনেই,Don’t worry
শিশির মাথায় হাত দিয়ে আবার বসে পড়লো
তনু doctor কে জড়িয়ে ধরে hand shake করলো,তারপর শিশিরের হাত ধরলো
তনু-চলেন আম্মুরে কমু,
শিশির হাঁটা ধরলো,হসপিটালের অনেকেই তনু আর শিশিরের দিকে তাকিয়ে আছে,কারন ইতিমধ্যেই জানাজানি হয়ে গেসে তনুর পেটে ৩টা বাচ্চা,,
তনু গাড়ীতে বসে ভাবতে থাকলো,তার মানে ঐ যে বাদাম খেয়েছি ওগুলা জমজ ৩টা ছিলো,বাপরে,আমি তো জানতাম ও না
শিশির-?বুঝবা পরে কত ধানে কত চাল
তনু-?আপনার এত ভয় লাগতেছে কেন??
শিশির-কিসের ভয়??
তনু-?হুহ,
তনু পেটে হাত বুলাচ্ছে আর হাসতেছে দাঁত বের করে
শিশির-?
তনু বাসায় এসে মাকে জড়িয়ে ধরলো
মা-কিরে বাবু দেখছস??
শিশির রিপোর্ট মায়ের হাতে দিলো,,
মা-কি হইসে??আমি তো এসব বুঝি না রে,বল কি হইসে
তনু-মা তুমি ৩জনের দাদি হতে চলেছো☺?
মা-মানে????????
শিশির-?ওর পেটে ৩টা বাচ্চা
মা-আল্লাহ এইডা কেমনে সম্ভব ??
তনু-??☺?
বুয়া-?আমি জমজ বাদাম খাওয়াইসি?
তনু-?তোমার বেতন বাড়াই দিব
শিশির-?শুনো যাই হোক,বাবু তো আমারই,বাদাম তাদাম কিছু না,সব আমার credit ?
তনু-ইহ?এতক্ষন পর হুস আসলো আপনার??
শিশির ঢং দেখাইয়া চলে গেলো
মা-ইস কবে যে ৩টারে কোলে নিব আমি
তনু-?
মা-বেশি করে খাবি বুঝছস,,
মায়ের মুখের হাসি দেখে কে,,
তনু বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলো অনেকক্ষন এর মাঝে শিশির ২বার এসে কানে চুমু দিয়ে চলেও গেসে,শিশির কাজ করতেছে আর মাঝে মাঝে তনুকে দেখে চলে যাচ্ছে
তনু পেট ধরে একটা ছবি তুললো,তারপর সেটা শিশিরকে মেসেজে পাঠিয়ে দিলো,
শিশির ছবিটা দেখে হেসে দিলো,,তারপর কাজ রেখে তনুর কাছে গিয়ে ওর হাত ধরে বসলো,,
শিশির-আজকের দিনটা কত সুন্দরর তাই না?
তনু-হুম
শিশির-আমি আর বাবু নিব না,এই ৩টারে পালতেই আমার দাঁড়ি গোঁফ পেকে যাবে,পরে আবার নিলে না জানি ৪টা হয়, থাক বাবা
তনু হো হো করে হেসে দিলো,,
শিশির-আই এম সো লাকি
তনু-?
শিশির-সবগুলো মেয়ে হলে ভালো হবে
তনু-?ছেলে চাই আমার
শিশির -?
তনু বাইরে দেখতে দেখতে শিশিরের বুকে ঘুমিয়ে পড়লো,,
তনুকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে শিশির ওর মাথায় হাত বুলাতে লাগলো,
বডি গার্ড শিশিরকে ফোন দিলো
শিশির-এই সময় আবার কে
বডি গার্ড বললো অমি নাকি সবাইকে পিটাচ্ছে ভিতরে যাওয়ার জন্য,সে লুকিয়ে ফোন দিসে শিশিরকে
শিশির-আমি আসতেছি
শিশির শার্টের হাতা উঠাতে উঠাতে বেরিয়ে গেলো,,
বাসার দরজা লক করে বের হতেই অমিকে দেখলো
শিশির অমির শার্টের কলার ধরে ছুঁড়ে মারলো
শিশির -কি?আমি মাইর পারি না ভাবসো??just সেদিন আমার বোন তোর কবলে ছিল বলে চুপ ছিলাম,কিন্তু আজ সবাই সেফ,বাট তুই না,তোরে আজ মেরেই ফেলবো
শিশির অমির সাথে মারামারি শুরু করে দিলো
এক পর্যায়ে আশেপাশের মানুষ এসে ওদের দুজনকে থামালো
শিশির দেখলো ওর ঠোঁট থেকে রক্ত ঝড়তেছে
তারপর ঠোঁট মুছতে মুছতে বাসায় চলে আসলো,
অমিরে ওর বডি গার্ডরা হসপিটালে নিয়ে গেসে,কারন অমির অবস্থা আরও খারাপ
শিশির বাসায় আসতেই দেখলো তনু উঠে বসে আছে
তনু-কই গেসিলেন?
শিশির -একটু বাইরে গেসিলাম
তনু-ঠোঁট মুছেন কেন,কারে চুম্মা দিসেন
শিশির-একটা মেয়েকে,খুব করে জোর করলো তাই না করে পারলাম না
তনু-কিহ?
তনু উঠে শিশিরের মাথার চুল ধরে টানা শুরু করলো
শিশির-আরে আরে মজা করসি
তনু-তাহলে বলেন ঠোঁট মুচছেন কেন
শিশির মুখ তুলে তনুর দিকে তাকালো
তনু দেখলো শিশিরের ঠোঁটের কোণে রক্ত জমে আছে
তনু-একি,এটা হলো কিভাবে
শিশির-আসলে
তনু-মেয়েটা কামড়াইয়া রক্তই বের করে দিসে
শিশির-কিহ,আরে না
তনু-আম্মুউউউউউউউ,তোমার ছেলে
শিশির তনুর মুখ চেপে ধরে বিছানায় নিয়ে গেলো
চলবে♥?

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ