Friday, June 5, 2026







এবং স্ত্রী পর্ব-১৯+২০

#এবং_স্ত্রী
#পর্ব_১৯
#Jannatul_Ferdos

উৎস সকালে উঠে নিরুপমাকে খুঁজে কিন্তু পায় না।কার রাতে ও নিরুপমাকে দেখে নি সে।খুঁজে ও নাই।সত্যি বলতে তার খোঁজার ইচ্ছা ছিল না।কিন্তু সকালে ও তাকে দেখছে না ব্যাপারটা কেমন জানি লাগছে।সে উঠার পর বালিশের নিচে একটা চিঠি দেখতে পায়।নিরুপমা লিখেছে।সে চিঠিটা উল্টে পাল্টে দেখতে লাগল।বেশ অবাক হলো চিঠিটা দেখে তারপর খুলে পড়া শুরু করলো।

প্রিয় উৎস,
আপনার মতো কাপুরষকে প্রিয় বলে ডাকা যায় না।কিন্তু কি করবো আপনি আমার প্রিয়ই তাই না?আমি আপনার জীবন থেকে সরে এসেছি উৎস।হুম হয়তো এইটা ভাবছেন ঝামেলা হলো কাল আর আমি আজ এসেছি?কালই চলে আসতাম কিন্তু আম্মু বা প্রেমা কেউই তখন আমার সঙ্গ ছাড়ে নি।যে বাড়িতে আমার আত্মসম্মান নেই সেই বাড়িতে থাকার কোনো মানেই হয় না।তবে হ্যা মুসকানকে ছাড়া আমার থাকতে খুব কষ্ট হবে।আজ যদি আমি ওর গর্ভধারিণী হতাম ওকে আপনার মতো অমানুষ, কাপুরুষের কাছে রেখে আসতাম না।আপনার ওর বাবা হওয়ার ও যোগ্যতা নেই।মেয়েকে সঠিক শিক্ষা দিবেন।আর একটা কথা বলি অরিত্রা আপু বেঁচে নেই তার স্মৃতি কিন্তু মুসকানই?তাকে আগলে রাখার দায়িত্ব আপনার।মিসেস ডালিয়ার কাছে তাকে দিবেন না।আমি ভালো না জানি কিন্তু কাউকে এতোটাও বিশ্বাস করবেন না যাতে হিতে বিপরীত হয়।ভালো রাখবেন মুসকানের যত্ন নিবেন।ওর প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো কই থাকে সব প্রেমা জানে ওর থেকে জেনে নিবেন। আমি আপনাকে ক্ষমা ও করতে পারব না ঘৃনা ও করতে পারব না।আর হ্যা আমাকেই খোঁজার চেষ্টা করবেন না।যদিও বা আমি জানি আপনি খুঁজবেন না।আল্লাহ হাফেজ।

চিঠিটা পড়ে উৎস কিছুক্ষণ ঝিম মেরর বসে থাকল।তার কি করা উচিত ভেবে পেল না।আবার মন বলল হয়তো ভালোই হয়েছে সে চলে গেছে অরিত্রার জায়গা কেউ নিতে পারবে না।সে চিঠির বিষয়ে কোনো হেলদুল করলো না।কেমন জানি কিছুই হই নি।কিন্তু তাও কেমন জানি লাগছে তার।সব চিন্তা বাদ দিয়ে সে ফ্রেশ হয়ে নিচে যায়।সবাইকে দেখে স্বাভাবিক লাগছে হয়তো কেউ কিছু জানেই না।তবে কেউ উৎসের সাথে কথা বলল না।নিজের মতো খেতে লাগল।জুস টুকু শেষ করে মিসেস ডালিয়া বললেন-“তা মেয়েটাকে কবে ডিভোর্স দিচ্ছো বাবাজি?
উৎস পানি পান করছিল।এমন কথায় বিষম খায় সে।কাশতে শুরু করে।প্রবীর খান,তনিমা বেগম,প্রেমা অবাক দৃষ্টিতে মিসেস ডালিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে।উৎসের দিকে তাদের কোনো ফোকাস নাই।
“আপনি এটা কি বলছেন মিসেস ডালিয়া?…প্রবীর খান বেশ রাগি কণ্ঠে বলল
” আমার আর উৎসের কথা হয়েছে।ওইযে মেয়েটা কি যেন নিরুকমা না নিরুপমা কি জানি ও মেয়েটাকে ডিভোর্স দেবে।
“উৎস তিনি এসব কি বলছেন?
” বাবা আমি তো
“চুপ একদম কথা বলবে না বেয়াদব ছেলে।উছন্নে চলে গিয়েছো তুমি।আর আপনাকে বলি আপনার কিভাবে সাহস হয় আমার বাড়িতে বসে আমার সামনে আমার বউমাকে ডিভোর্স এর কথা বলেন।
” বাবা বিশ্বাস করো আমি দিতে চাই নি।
“তুমি চুপ থাকো।কালকে তোমার করা প্রতিটা কাজের কথা আমি শুনেছি। তা ও নিজেকে শান্ত রেখে তোমার সামনে বসে খাচ্ছি।তুমি ভেবে না তোমার সব অন্যায় আমি মুখ বুজে সহ্য করবো৷ আর মিসেস ডালিয়া আপনাকে বলি মুসকানের প্রতি এতো ভালোবাসা কই ছিল এতোদিন এই ১০ মাস কোথায় ছিলেন?আমার ছেলেকে দুটো বিয়ে কেন হাজারটা বিয়ে করাবো আপনার সমস্যা কোথায়?আপনার মেয়ে তো আর বেঁচে নেই।তাহলে আমার ছেলের জীবনে কেন নাক গলাতে আসেন হুম???আজকের পর থেকে আপনার মুখটা ও আমি দেখতে চাই না।নাস্তা শেষ করে আসতে পারেন।বাই দ্যা ওয়ে নিরু কোথায়?
” তাই তো ভাবিকে তো সেই সকাল থেকে দেখতে পাচ্ছি না..প্রেমা বলল
“ও চলে গেছে….,মাথা নিচু করে উৎস বলল
” চলে গেছে মানে কই চলে গেছে?…তনিমা বেগন আৎকে উঠলেন কথাটি শুনে
“জানি না আমাকে একটা চিঠি লিখে জানিয়েছে সে চলে গেছে আর ফিরবে না
” বেয়াদব ছেলে তোর জন্য আমার বাড়ির বউ বাড়ি থেকে চলে গেছে।আমি যেন তোকে আমার সামনে না দেখি।যতদিন না নিরুকে তুই আমার সামনে হাজির করবি ততদিন আমাকে বাবা বলে ডাকবি না।তব শর্ত আছে আমার কোথায় নিরুকে এনে দিলে হবে না।তোর যেদিন মন চাইবে সত্যিই যে নিরুকে তোর দরকার তুই ওর শুন্যতা বুঝতে পারবি সেইদিন ভালোবেসে তাকে এই বাড়িতে আনবি।তুই ভাবিস না তাকে এনে দিয়ে বলবি যে বাবা আমি তাকে ভালোবেসেই এনেছি আর আমি বিশ্বাস করবো এমন বাপ আমি তোর না৷ তোর বাবা আমি তোর প্রতিটি শিরা-উপশিরা আমার চেনা।আর আপনাকে আমি দেখে নিব মিসেস ডালিয়া।
প্রবীর খান খাবারের প্লেট ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে উঠে আসলেন।
“খুব বড় ভুল করলি ভাইয়া একদিন পস্তাবি
” তোকে আমার ছেলে ভাবতে ও লজ্জা করে।
মা মেয়ে দুজনই উঠে চলে গেল।সবাই এর মুখে কষ্ট বিরক্ত বিষাদের ছাপ থাকলে ও মিসেস ডালিয়ার মুখে ছিল প্রফুল্ল হাসি।সে এটাই চেয়েছিল আর সফল ও হতে পেরেছে।নিরুপমা যা আত্মমর্যাদা সম্পন্ন মেয়ে সে আর এই বাড়িতে আসবে না তা তিনি ভালো করেই জানেন।
উৎসর আর কিছু খাওয়া হলো না।সে উঠে অফিসে চলে যায়।

কোনো কাজে মন বসাতে পারছে না উৎস।চারিদিক থেকে সব ভাবনা উপচে পড়ছে।কি করবে না করবে সে বুঝে উঠতে পারছে না।মুখে কলমের পিছন অংশ নিয়ে সে ভাবছে।এর মধ্যে উৎসের পিএ অর্ক আসে।
“স্যার আসবো?
” হু আসো
“স্যার এইযে ফাইল গুলো।লান্সের পর আমাদের একটা বিদেশি কম্পানির সাথে মিটিং আছে।
” আজই মিটিংটা এটেন্ড করতে হবে?
“জ্বী স্যার।তাছাড়া তারা আর সময় দিতে পারবে না।
“ঠিক আছে তুমি যাও।

এভাবেই বাড়ি অফিস মুসকান সব মিলিয়ে উৎসের দিন কাটছিল।কিন্তু কোথায় না কোথায় শুন্যতা অনুভব করছিল।খুব অসহ্য লাগত ওই মূহুর্ততাকে। কি যেন মিসিং এমন মনে হয় উৎসের।এইতো ২ দিন আগের কথা অফিসে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছিল সে।টাই বাঁধতে বাঁধতে হঠাৎ সে নিরুপমাকে ডেকে বসে ঘড়ি এনে দেওয়ার জন্য।পরোক্ষনে মনে পড়ে নিরুপমা নেই আজ ১ মাস।মুসকানের ও খাওয়া পড়ে গেছে।কিছু খেতে চায় না সে।প্রেমার কাছে ও থাকতে চায় না।মা ছাড়া কিভাবে থাকে একটা বাচ্চা???
ভাবতে ভাবতেই চোখ পড়ে গিটারটার দিকে।কত সুন্দর গান করতো নিরুপমা। সে গিটার নিয়ে বারান্দায় গিয়ে দোলনার উপরে বসে গিটার নিয়ে গান করতে থাকে…..

আকাশেও অল্প নীল
ভুল হতো অন্তমিল
একা একা রং-মিছিল, ছিলে না যখন
মুঠো ভরা মিথ্যেফোন
ফিরে আসা ডাকপিয়ন
মিছি মিছি মন কেমন, ছিলে না যখন
ভালোবাসা দিন কত টা রঙ্গিন
তা বুঝেছি তখন
আকাশেও অল্প নীল
ভুল হতো অন্তমিল
একা একা রং-মিছিল, ছিলে না যখন
মুঠো ভরা মিথ্যেফোন
ফিরে আসা ডাকপিয়ন
মিছি মিছি মন কেমন, ছিলে না যখন
ভালোবাসা দিন কত টা রঙ্গিন
তা বুঝেছি তখন
সারাদিন ঠিকানাহীন
ঘুরে ফিরি কে বেদুইন
লুকিয়ে ডানার ক্ষত
তুমি নেই তা ভাবলেই
ব্যথা এসে দাঁড়াবেই
উঁচু মিনারের মতো
শুকনো পাতা কাঁপত একা ডালে
গন্ধ খুঁজে ডুবেছি রুমালে
শুকনো পাতা কাঁপত একা ডালে
গন্ধ…

চলবে!!!!

#এবং_স্ত্রী
#পর্ব_২০
#Jannatul_Ferdos

আজকাল উৎসের খুবই অসহ্য লাগছে।কিছু একটার শুন্যতা তাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে।এমন কেন হচ্ছে সে ঠিক ঠাওর করে উঠতে পারছে না।কিসের এতো শুন্যতা তার?সে তো বেশ আছে নিরুপমা নেই অরিত্রার স্থান নিতে ও কেউ নিতে পারবে না।কিন্তু তার মনে যে খুব বেশি বিরহ চলছে।বিরহ চলতে চলতে যেন একদম নিরুপমার মনের দুয়ার অব্দি পৌছেছে।কিন্তু এই বিষয়টা তার বোধগম্য হয় নাই এখনো।
২ টা মাস হয়ে গেছে অথচ নিরুপমার কোনো খোঁজ পাওয়া যায় নাই।উৎস যে নিরুপমার খোঁজ করছে না তা না সে খুঁজছে কিন্তু মুসকানের জন্য।তবে তার নিরুপমার এই খোঁজ যে তার অজান্তেই নিজের জন্য নেওয়া হচ্ছে তা উৎস এখন অব্দি বুঝে উঠতে পারছে না।

আর ১৫ দিন পর মুসকানের জন্মদিন। উৎস খুব ভালো করেই জানে নিরুপমা এইদিনে না এসে থাকতে পারবে না।অরিত্রার মৃত্যুবার্ষিকী এর দিন যে কখনো মুসকানের জন্মদিন সেলিবেট করতে হবে তা কখনো সে ভাবে নি।সেদিন সে মসজিদে মিলাদ দেবে।এতিম বাচ্চাদের খাওয়াবে।আর সন্ধ্যায় নিরুপমাকে আনার জন্য পার্টি দেবে।সে শুধু অপেক্ষায় আছে ওইদিনের।

“আর কতোকাল স্বামী সংসার ছেড়ে থাকবি নিরু?
” আমি এইখানে থাকায় কি খুব বেশি সমস্যা হচ্ছে ফুফু?
“এমা না না কি বলিস এসব।আমি সেটা বলি নাই।কিন্তু মুসকান জন্মের পর মা হারা হলো এরপর তুই ওর মা হয়ে উঠলি।দুধের শিশু মা ছাড়া থাকতে পারে বল?কতো কষ্ট হচ্ছে বাচ্চা মেয়েটার একটু ভাব।
নিরুপমা একটা দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করে বলল…
” আমার কিছু করার নেই ফুফু।আর তাছাড়া প্রেমা আছে ও সব সামলে নিতে পারবে।ও বাড়িতে আমাকে সকলে ভালোবাসলে কি হবে স্বামী তো ভালোবাসে না ফুফু।আমার কি কোনো আত্মসম্মান নেই।সে আমাকে ভালো না বাসুক একটু তো সম্মান দিতে পারত কি পারত না বলো?কিন্তু না সে সেটা করলো না অথচ বাইরের মানুষের সামনে আমার গায়ে হাত তুলল।আমার কি খারাপ লাগে না ফুফু?ওই মহিলা তো আমাকে ও অপমান করলো কই তখন তো প্রতিবাদ করলো না উলটে আমাকে কত বাজে কথা শুনালো।আমি ও তো রক্তে মাংসে গড়াই একজন মানুষ। অন্য সব মানুষের মতো আমার ও মন আছে।
“সবই বুঝলাম কিন্তু তাই বলে উৎস তোকে খুঁজবে না?
” খুঁজে তো
“খুঁজলে তো তোকে পেয়েই যেত
” যে হারিয়ে যায় তাকে খুঁজে পাওয়া যায় কিন্তু যে ইচ্ছা করে হারায় তাকে কখনো খুঁজে পাওয়া যায় না।আর আমি নিজ ইচ্ছা লুকিয়েছি।ওর ধারণা ও করতে পারছে না আমি তোমার এইখানে আছি।

দিলরুবা চৌধুরী একটু দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন।দিলরুবা চৌধুরি উৎসের বড় ফুফু।অঢেল টাকা পয়সা থাকা সত্ত্বেও তার মনে বিন্দু মাত্র অহংকার এর ছাপ নেই।নিরুপমাকে খুব বেশি ভালোবাসেন তিনি। গত দুইমাস নিরুপমা তার বাসাতেই আছে।দিলরুবা চৌধুরির স্বামী গত হয়েছেন প্রায় ৫ বছর।তার বড় ছেলে কানাডায় থাকে।আর ছোট মেয়ে এবার অনার্স পড়তেছে।উৎসের ব্যবহারে তিনি খুবই বিরক্ত।
তিনি আর কথা বাড়ালেন না নিরুপমাকে হাটুর উপরে শুইয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলেন।
“আমার মনে হচ্ছে আমি আমার মায়ের কোলে আছি ফুফু
” ফুফু বলিস তো কি হয়েছে আমি কি তোর মা না?
নিরুপমা কিছু বলে না দিলরুবার চৌধুরির হাত মুঠোবন্দি করে চুমু খায়।

ছাদ থেকে মেঘলা আকাশ খুব সহজেই অবলোকন করা যায়। দূরের ওই মেঘলা আকাশের ন্যায় উৎসের মনে ও এখন মেঘলা দিন চলছে।প্রকৃতিতে যেমন রোদ বৃষ্টির খেলা চলে উৎসের মনে তেমন রোদ বৃষ্টির খেলা চলছে না।তার মনের আকাশ এখনো মেঘলা কবে যে রোদ উঠবে তা উৎসের জানা নেই।আজ প্রকৃতি খুবই ভয়ংকর লাগছে।এই মেঘের মধ্যে খুব বড় একটা চাঁদ দেখা যাচ্ছে।কিন্তু কখনো বা মেঘের আড়ালে চাঁদ লুকিয়ে পড়ছে আবার কখনো বা মেঘের আড়াল থেকে বের হয়ে জ্বলজ্বল করে উজ্জ্বল উঠছে।ইস নিরুপমা ও যদি এই লুকোচুরি খেলা বন্ধো করে এভাবে উজ্জ্বল হয়ে আসত।একদিন খুব ঝড়ো হাওয়া বইছিল কিন্তু কোনো বৃষ্টি ছিল না ঠিক এমন একটা সুন্দর চাঁদ ছিল সেদিম নিরুপমা একটা কথা বলেছিল…

শান্ত শীতল প্রকৃতি খুব কম থাকে।প্রকৃতি খুবই মায়াময় তবে কিছুসময় খুব বেশি মায়াময় হয়ে উঠে আর তখন সেই প্রকৃতিকে ভয়ংকর রকমের সুন্দর লাগে💚

আজ হয়তো ঠিক তেমন প্রকৃতি বিচারণ করছে।ইস আজ যদি নিরুপমা থাকত তাহলে আরো সুন্দর কিছু কথা শুনতে পারত।নিরুপমা যে খুব সুন্দর কথা বলতে পারে।আজ নিরুপমাকে খুব বেশি মিস করছে।এই দুই মাসে হয়তো এই প্রথম সে যে নিরুপমাকে মিস করছে তা বুঝতে পারছে।সে কি নিরুপমার প্রেমে পড়েছে?নাকি শুধু বন্ধুত্বের খাতিরে বন্ধুকে মিস করছে?সে জানে না তবে নিরুপমাকে দরকার তার খুব দরকার।সেদিন হয়তো চড় না মারলে ও পারতো।মুখেই না হয় শাসন করতো।সে বার বার একি ভুল করে আর নিরুপমাকে তাকে বার বার ক্ষমা করে দেয়।এইবার সে খুব বেশি অভিমান করেছে তাই তো এভাবে লুকিয়ে আছে।মেয়েটা বড্ড অভিমানী। উৎস নিজে নিজেই বুলি গুলো আওরাতে লাগল।

চলবে!

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ