Friday, June 5, 2026







এক শহর প্রেম পর্ব-০৫

#এক_শহর_প্রেম💓
লেখনীতেঃ #নুরুন্নাহার_তিথী
#পর্ব_৫
মারসাদ মাহির ভাই এটা জানতে পেরে আদিরা তাজ্জব বনে যায়। আদিরা হতভম্ব হয়ে বলে,
–উনি তোমার ভাই? কিন্তু….

মাহি ভ্রুঁ নাচিয়ে জিজ্ঞেস করে,
–কিন্তু কী?

আদিরা মুখ ছোট করে বলে,
–কিছু না। যাই আমি হ্যাঁ। নাচ তো বাধ্যতামূলক করতেই হবে। কিছু করার নেই। থাকো তুমি। মৌমি আপু চলো।

আদিরা মৌমির সাথে চলে গেলে মাহি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে স্টেজে লাগানো ফুলের কম্বিনেশন দেখছে।

–এই মেয়ে তুমি আজও শার্ট-প্যান্ট পড়েছ?

আকস্মিক পুরুষালী কন্ঠস্বরের ধ’মকে ঘুরে তাকালো মাহি। তীক্ষ্ম নয়নজোড়া কন্ঠস্বরের অধিকারী পুরুষটিকে দেখছে। মাহি ভ্রুঁ কুঁচকে বলে,

–তো!

পুরুষটি তার সোচ্চার করা কন্ঠস্বরে বলে,
–আজ একটা অনুষ্ঠান আর তুমি এসব পড়েছ? শাড়ি পড়লেও পারতে। আর শাড়ি না থাকলে বলতে আমায়।

রাগে কটমট করে উঠে মাহি। বলে কীনা শাড়ি নেই তার কাছে। মাহি খলবলিয়ে বলে,
–ও মিস্টার! শাড়ি কিনতে চাইলে আমি যত ইচ্ছা কিনতে পারি। আপনারটা নিতে যাবো কেন? আপনার কেনা শাড়ি আপনি আপনার বউকে পড়াইয়েন। আপনার ভবিষ্যৎ বউকে সারাদিন শাড়ি পড়িয়ে নিজের সামনে সং সাঁজায়ে রাখবেন। তাও আমাকে বলতে আসবেন না। যান ফু’টেন এখান থেকে।

আলতো হাসলো পুরুষটি। পরক্ষনেই বাঁকা হেসে বিড়বিড় করে বলে,
–তুমিই হবে এই আহনাফ ইকবালের বউ। তখন সারাদিন চব্বিশঘণ্টা শাড়ি পড়িয়ে বসিয়ে রাখবো মেয়ে!

মাহি কান খাড়া করে আহনাফের বিড়বিড় করা বুলি শুনতে চাইলো কিন্তু মাঝের দূরত্ব কয়েক হাত হওয়ায় তা সম্ভপর হলো না। মাহি তীক্ষ্ম নজরে আহনাফকে দেখে নিয়ে জিজ্ঞেস করে,

–এই আপনি বিড়বিড় করে কী বলছেন? আপনি মানুষটা এতো বিড়বিড় করেন কেনো বলেন তো?

আহনাফ হেসে পকেটে হাত গুঁজে বলে,
–তুমি কৌতুহল দেখাও তাই। সেসব বাদ দেও। আমি সুমিকে বলছি তোমার জন্য শাড়ি ও শাড়ি পড়ানোর ব্যাবস্থা করতে।

মাহি ক্ষিপ্ত হয়ে বলে,
–নাআআ। এই কাঁদা বৃষ্টির মধ্যে আমা শাড়ি কখনোই পড়বো না। আমার এমনিতেও শাড়ি পড়ার অভ্যাস নেই। এই এই আপনি চট্টগ্রাম থেকে এখানে কেনো এলেন? আমাকে জ্বালাতে? আমার ভাইটাও যে কেনো আপনি বলতে সব ছেড়ে ছুড়ে চলে এলো! আপনারা দুটোই হচ্ছেন মা’থামোটা। এসেছেন যখন তখন আমাকেই বা এখানেই কেনও চান্স পেতে হলো! আ’জব কিসমত আমার।

মাহির হাহুতাশ শুনে আহনাফ উচ্চস্বরে হেসে দিলো। আহনাফের হাসি দেখে মাহি নাক ফুলিয়ে ফুঁসছে। আহনাফ সামনে এগিয়ে মাহির নাকে টোকা দেয় যার বৌদলতে মাহি একটু সরে গিয়ে চোখ ছোটো ছোটো করে চাইল। আহনাফ বলে,

–আমি মারসাদের জন্য চবি ছেড়েছি আর মারসাদ ঢাবি ছেড়েছে। এক বছর লস হলেও আমরা দুই বন্ধু একসাথে আছি এখন এবং নিজেদের পছন্দের সাবজেক্টে। তাই আমাদের কোনে আফসোস নেই।

মাহি কিছু বলল না। তার ফোন বেজে উঠলে সে কথা বলতে বলতে আশেপাশে দেখে সামনে আরেক বান্ধুবীকে দেখে আহনাফকে হাতের ইশারায় বিদায় জানিয়ে চলে যায়। আহনাফ মুচকি হেসে স্বগোতক্তি করে,

“তোমার নীড় আমাতে হবে মাহিপাখি!”

__________________

প্র্যাকটিস শেষ করে আদিরা চিন্তায় অস্থির হয়ে যাচ্ছে। এর আগে সে কখনও স্টেজে নাচ করেনি। স্কুলে একবার স্টেজে কবিতা আবৃতি করে দ্বিতীয় হয়েছিল। তার চিন্তায় জোর খিদে পাচ্ছে। পাশে রাখা পানির বোতল থেকে বারবার পানি পান করছে। মারসাদ দূর থেকে সেটা লক্ষ্য করে নিরবে হাসছে। স্টেজ পারফর্মেন্স আরও দুই ঘন্টা পরে। এর আগে আরেকবার লাস্ট ফিনিশিং দেখানো হবে। আদিরাকে স্বস্থি দিতে সেখানে মাহি আসে। মাহি এসে মারসাদকে জড়িয়ে ধরে। মারসাদও ছোটোবোনকে আলতোভাবে নিজের সাথে আগলে নেয়। মাহি মারসাদের কাছ থেকে দূরে সরে গিয়ে অভিমানী কন্ঠে বলে,

–দাভাই তুমি পঁচা। কাল বাসায় গেলে কিন্তু আমার সাথে দেখা না করেই চলে এলে। আমি জানতে পেরে খুব রাগ করেছি তোমার উপর।

মারসাদ মাহির চুল হাত দিয়ে ঠিক করে দিয়ে আদুরে সুরে বলে,
–তুই তো ঘুমোচ্ছিলিস পাখি। দাদী বলল মেডিসিন নিয়ে ঘুমিয়েছিস। তাই আর জাগাই নি।

মারসাদের জবাবে মাহি মুখ ভাড় করে বলে,
–রাতে থেকে আসতে পারতে। আমি তো অতো জলদিও ঘুমাই নি। তুমি গিয়েছিলেই রাত করে। রাতে তো থেমে থেমে বৃষ্টিও হয়েছে। থেকে আসতে রাতটা।

মারসাদ মলিন কন্ঠে বলে,
–না রে। আমার সাধ্য থাকলে আমি বহুদূরে চলে যেতাম। তোর আর দাদীর জন্য পারি না। তিন বছর আগে সেখান থেকে শূণ্য হাতে অনেক কিছু ছেড়ে চলে এসেছিলাম। জানি না কখনও ফিরবো কিনা। বাবা তো বাবাই। সে তার নিজের দুনিয়াতে ব্যাস্ত।

মাহি প্রতিউত্তরে কিছু বলবে তার আগেই মারসাদ থামিয়ে দিয়ে বলে,
–তোর বান্ধুবীর কাছে যা। বেচারি নার্ভাস হয়ে বারবার পানি খাচ্ছে। দেখ গিয়ে। সেন্স টেন্স হারালে প্রবলেম হয়ে যাবে কিন্তু।

মারসাদ সেখান থেকে চলে যায়। মাহি দীর্ঘশ্বাস ফেলে আদিরার কাছে যায়। আদিরা মাহিকে দেখে হড়বড়িয়ে বলে,

–মাহি আমার না খুব চিন্তা হচ্ছে। হাত পা ঘেমে যাচ্ছে, বারবার গলা শুকিয়ে যাচ্ছে আর খিদেও পাচ্ছে। আমার মনে হচ্ছে আমি পারর্ফম করতে পারবো না। খুব ভয় হচ্ছে।

মাহি আদিরার মন ডাইভার্ট করতে উচ্ছাসিত হয়ে বলল,
–সেসব পরে দেখা যাবে। আর আমার ভাই সামলে নিবে। আগে তুই বল, তুই পারর্ফমেন্সে কী ড্রেস পড়বি? গানের সাথে মিলিয়ে পড়িস।

আদিরা পাশ থেকে একটা ড্রেস বের করে মাহিকে দেখিয়ে বলে,
–এটা তোমার ভাইয়া দিয়ে বলল নাচের জন্য পড়তে।

মাহি ড্রেসটা হাতে নিয়ে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। সাদা রঙের জর্জেটের লং ঘেরালো কুর্তি সাথে পাজামা ও ওড়না। সব শুভ্রতায় রাঙানো। মাহি চোখের কোনে জমে উঠা জলের বিন্দু আঙুল দিয়ে মুছে ফেলে। তারপর ঠোঁটে জোরপূর্বক হাসি টেনে মলিন কন্ঠে বলে,

–ড্রেসটা খুব সুন্দর। তোকে খুব সুন্দর লাগবে। একদম এক পরীর মতো।

মাহি ড্রেসটা আদিরার হাতে দিয়ে চলে যায়। আদিরা মাহির চোখের কোনে জমে উঠা অশ্রকণা দেখেছিল। হুট করে হাসিখুশি মেয়েটার মনে আষাঢ় ঘিরে এলো কেনো তা তার বোধগম্য হলো না।
……..

শেষ সময়ের প্রস্তুতির সময় মারসাদ আদিরাকে বলে,
–শোনো, তুমি স্টেপ ভুলে গেলেও টেনশন করবে না। আমি যেই ফ্লোতে যাবো তুমিও সেই ফ্লোতে যাবে। না পারলে আমি আস্তে করে বলে বলে দিবো। বুঝেছো?

আদিরা মাথা নিচু করে ঘার নাড়ায়। মারসাদ স্বস্থির নিঃশ্বাস ফেলে স্টেজের পেছোন দিকে গান সেট করার ডিরেকশন দিতে চলে যায়। তখন সেখানে সামিরার আগমন ঘটে। সামিরা এসে আদিরার চারপাশে একবার ঘুরে এসে তাচ্ছিল্যের সাথে বলে,

–কা’ককে পেখম লাগালে কা’কই লাগে। আমিও দেখব কী ডান্স করো স্টেজে। পুরো অডিয়েন্সের হাসির পাত্র হবে তুমি।

আদিরার নার্ভাসনেস যেনো আরও বেড়ে গেলো। মাহি তখন আদিরার থেকে কিছুটা দূরে ছিল। মাহি এসে সামিরাকে হাসিমুখে সুন্দর করে বলে,

–আহ! সামিরা আপু। বাদ দেও না। আদুর পারর্ফমেন্সে নিয়ে তোমাকে ভাবতেও হবে না। তুমি নিজের পারর্ফমেন্সে ধ্যান দেও তো বেটার হবে। আদুরটা দাভাই সামলে নিবে রিল্যাক্স।

সামিরা রাগে কটমট করে বলে,
–তোমাকে এখানে কে আসতে বলেছে? তুমি যে আমাকে একটুও পছন্দ করো না তা আমার জানা আছে। বাট আই ডোন্টকেয়ার এবাউট ইউ।

মাহি মুচকি হেসে বলে,
–বাট আই কেয়ার এবাউট ইউ মাই ডিয়ার সামিরা আপু। দেখো দেখো অধিক চিন্তার কারণে তোমার চেহারায় রিংকেলস পরে যাচ্ছে। দিন দিন বার্ধক্যের দিকে ধাবিত হচ্ছো!

অপমানে দগ্ধ সামিরা তৎক্ষণাৎ স্থান ত্যাগ করে। মাহি দাঁত কেলিয়ে হাসে। আদিরাকে উদ্দেশ্য করে বলে,
–চিল আদু। একদম রিল্যাক্সে থাক। সব পারফেক্ট হবে।

আদিরা প্রতিউত্তরে মলিন হাসলো।

……
স্টেজে কয়েকটা পারর্ফমেন্সের পর নাচের জন্য স্টেজে মারসাদ ও আদিরা। দুজনের পড়নেই সাদা আউটফিট। সাউন্ড বক্সে জুবিন নিটুয়ালের গান বাজছে।
“Rim jhim ye saawan phir barsaatein le Aaya hai.
Mausam mohabbaton ka khud chalke aaya hai.
sare shehar mein sirf humko bheegaya hai,
Rim jhim ye saawan phir barsaatein le Aaya hai.
Pehli Mohabbat hai aur pehli ye baarish hai
Bharlo bahon mein aasmaan ki nabajish hai.
Kitna kush hai dekho na ye aasmaan.
Hai khushnaseebi meri sari zamaane mein,
Jo hamsafar tune mujhko banaya hai,
Rim jhim ye saawan phir barsaatein le Aaya hai.”
(বেশি বড় গানের লাইন লেখার জন্য সরি। বাকিটা নিজ দায়িত্বে শুনে নিবেন।)

নাচের স্টেপগুলো নিজেদের বানানো। নাচের মাঝে যখন আদিরা মারসাদের হাত ধরে ঘুরছিল তখন পায়ের কাছে থাকা একটা তার কেউ হেঁচকা টান দেয়। যার ফলশ্রুতিতে আদিরা ঘুরা অবস্থায় একদম পরে যেতে ধরলে স্টেজের ফ্লোরের কয়েক ইঞ্চি উঁচু থেকে মারসাদ আদিরার কোমড় পেঁচিয়ে ধরে। তারপর সেখান থেকে মারসাদ নাচের অন্য স্টেপ তুলে। আদিরা পরে যাওয়ার ভয়ে চোখ-মুখ খিঁচে নিয়েছিল কিন্তু কোমড়ে কারও স্পর্শে সম্বিত ফিরে পেলে সে আর নাচের কোনো স্টেপ নিজ থেকে দিতেই পারছে না। মারসাদ যেমন ভাবে বলে দিচ্ছে ও ঘুরাচ্ছে তেমনভাবেই করছে। অবশেষে পারফর্মেন্স শেষ হলে সবাই করতালির মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করে।

ব্যাক স্টেজে সামিরা ক্রুদ্ধ হয়ে সাউন্ডবক্সে লা’থি দিয়ে এখন নিজেই এখন পা ধরে লাফাচ্ছে। এই দৃশ্য রবিন, মৃদুল ও রাফিন দেখে হেসে গড়াগড়ি অবস্থা। সামিরা রাগে কটমট চাহনি নিক্ষেপ করছে ওদের দিকে কিন্তু ওদের এতে কোনো হেলদোল নেই। আদিরা ও মারসাদ স্টেজ থেকে নেমে এলে মাহি গিয়ে আদিরাকে জড়িয়ে ধরে। তারপর উৎফুল্লতা নিয়ে বলে,

–মাঝের ওই স্টেপটা ওয়াও ছিল জাস্ট। আদু পড়ে যাচ্ছিলো আর দাভাই এন্ড মোমেন্টে ধরে তারপর কী সুন্দর করে টেনে তুলে আবারও ঘুরালো এরপর টেনে আনলো। আর প্রথম দিকেও দারুণ ছিল। শেষটা মাইন্ড ব্লোয়িং।

আদিরা বিনিময়ে মুচকি হাসলো। মারসাদ ঘরি ঠিক করতে করতে বললো,
–অনেক স্টেপ প্র্যাকটিসের বাহিরে দিতে হয়েছে। সে তখন পরে যাওয়ার ভান ধরে নি! সে পড়েই যাচ্ছিলো কারও হিংসার বদৌলতে।

মারসাদ আঁড় চোখে পায়ে হাত দিয়ে বসে থাকা সামিরার দিকে তাকিয়ে বলল। মাহি ও আহনাফ সেই দৃষ্টি অনুসরণ করে বুঝে গেলো ব্যাপারটা। মারসাদ আবার বলে,

–তার ওড়না আমার ঘরির সাথে বারবার বেজে যাচ্ছিলো ওই সিনটা অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। সে আবার স্টেপ ভুলেও গিয়েছিল। যাই হোক, সবটা ঠিক ভাবে মিটে গেছে।

মারসাদ বাঁকা হেসে আহনাফকে নিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। আদিরা লাজুক হাসলো। ওদের আরেক বান্ধুবী এসে আদিরাকে নিয়ে নাচ নিয়ে কথা বলছে। মাহি ওই মেয়েটার হাতে মোবাইল ধরিয়ে দিয়ে বলল,

–এই সাবিহা, আমার ও আদুর একটা ছবি তুলে দেও তো। এই ড্রেসটাতে আদুকে ঠিক একজনের মতো লাগছে। যে আমার ও দাভাইয়ের হৃদয়ের খুব কাছের। একটা ছবি তুলে দেও পরে আমি সেটা দেখে দেখে একটা চিত্র আঁকবো। আমি ওর নাচের সময় কয়েকটা ছবিও তুলে নিয়েছি পরে আঁকবো বলে।

সাবিহা মেয়েটা মাহি ও আদিরার ছবি তুলে দিলো।

চলবে ইন শা আল্লাহ্,

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ