Friday, June 5, 2026







এই মন তোমাকে দিলাম পর্ব-০৬

#এই মন তোমাকে দিলাম (ষষ্ঠ পর্ব)
#ঈপ্সিতা মিত্র

সেদিন সারাটা সন্ধ্যে স্পন্দন ছাদের ওই দৃশ্যগুলো নিয়েই ভেবে গেছিল। এই হালকা দাড়িওলা, রোগা করে ছেলেটাকে তো আগে দেখেনি কখনও পাড়াতে! আর হিয়ার সব বন্ধুকেই তো প্রায় ও চেনে। কিন্তু এই ছেলেটাকে তো আজ প্রথম দেখলো। তাও হিয়ার এত ক্লোজ! কথাটা ভেবেই মনে যেন একটা কাঁটা বিঁধলো খুব জোরে। স্পন্দন এবার কিছু না ভেবেই হিয়ার নাম্বারটা ডায়েল করলো। কয়েকবার রিং হওয়ার পর হিয়া ফোনটা ধরতেই স্পন্দন কেমন বেসামাল হয়ে বললো,
——-” এখন খুব নতুন বন্ধু বানাচ্ছিস মনে হয়! ছাদে কে ছিল ওটা বিকেলে?”
স্পন্দনের প্রশ্নে হিয়া ঠিক কি বলবে বুঝতে না পেরে একটা শব্দেই বললো,
—– ” মানে?”
এটা শুনে স্পন্দন আরো অধৈর্য্য হয়ে বললো,
—–” মানে! মানে পড়াশোনাটা ঠিকঠাক চলছে, না কি বিকেলবেলা ফটোশুট করতেই বেশি ভালো লাগছে? কে ছিল ছেলেটা?”
কথাগুলো বেশ রুড লাগলো হিয়ার। স্পন্দন এইভাবে বলছে কেন ওকে! কথাটা ভেবেই ও বেশ দৃর গলায় বললো,
——” ছেলেটা আমার বন্ধু, উজান। আর পড়াশোনা আমার ঠিকঠাকই চলছে। আর ছাদে আমি কোন ফটোশুট করছিলাম না! উজান একটা শর্ট ফিল্ম বানাচ্ছে, তার কাজই করছিলাম। এটা উজানের একটা প্রজেক্ট। মাস কমের স্টুডেন্ট ও। নিজের কাজ করতেই এসেছিল আজ আমাদের বাড়ি। ”

কিন্তু এসব শুনে স্পন্দনের ভিতরটা আরো জ্বলে গেল যেন। হিয়া এত কিছু বলছে ওই ছেলেটার হয়ে! কথাটা ভেবেই স্পন্দন এবার বেশ রেগেই বললো,
——” শর্ট ফিল্ম! তুই একটিং করছিস! দেখিস, এসব করতে গিয়ে ওই উজানের চক্করে নিজের পড়াশোনাটার বারোটা বাজাস না আবার। ”

এই কথাটায় হিয়া এবার বেশ অধৈর্য্য হয়ে বললো,
——” প্লিজ, এইভাবে বোলো না। আর কারোর চক্করে পড়িনি আমি। উজান খুব ভালো একটা ছেলে। আমি শুধু ওর প্রজেক্টে হেল্প করছি, ব্যাস। যাইহোক, রাখলাম।”
কথাটা শেষ করেই হিয়া আর কিছু শোনার অপেক্ষা করলো না। ফোনটা কেটে দিল নিজে থেকে। কিন্তু স্পন্দনের যেন রাগটা আরো দশ গুণ বেড়ে গেল! হিয়ার মুখে ওই একটা সেন্টেন্স শুনে। উজান না কি খুব ভালো ছেলে! কদিন চেনে হিয়া ওই ছেলেটাকে; যে ওর ভালো খারাপ বুঝে গেল। বাড়াবাড়ির একটা লিমিট থাকা দরকার। যেইভাবে ছাদে আজ ছেলেটা হিয়ার চুল ঠিক করে দিচ্ছিল, কাছে আসার চেষ্টা করছিল, তাতে ছেলেটাকে খুব সুবিধার একেবারেই মনে হয়নি স্পন্দনের। কিন্তু এত কথা হিয়াকে বোঝাবে কে! আর এখন তো স্পন্দন এমনিও দূরের মানুষ। সেই পুরোনো কথা, পুরনো বন্ধুত্ব, সবই তো শেষ। কথাগুলো ভেবেই কেমন খারাপ লাগলো যেন মন থেকে।
<১০>
তবে সেদিনের পর আরো একটা দৃশ্য দেখে স্পন্দনের খারাপ লাগাটা যেন বেড়ে গেছিল দ্বিগুণ। আসলে সেদিন সোমবার ছিল। আর কদিন বাদেই শহরে দুর্গা পুজো। চারিদিকটা তাই সেজে উঠছে ধীরে ধীরে। কোথাও মণ্ডপ তৈরির কাজ জোর কদমে চলছে, তো কোথাও লাগছে আলো। এর মধ্যেই ক্যান্টিনে আজ আলোচনা হচ্ছিল সবার, যে দুর্গা পুজোর প্ল্যান কি! এই কথায় ল্যাবের সবাই নিজেদের কিছু না কিছু ঠাকুর দেখার প্ল্যানের কথা বলছিল। কিন্তু স্পন্দন একদম চুপ ছিল। আসলে প্রত্যেকবার দুর্গা পুজোটা তো ও হিয়ার সাথেই কাটায়! ষষ্ঠী থেকে দশমী ওই মেয়েটার সাথে ঠাকুর দেখা, ফুচকা খাওয়া, মণ্ডপে আড্ডা, অঞ্জলী এইসবের মধ্যে কিভাবে সময়টা কেটে যেত বুঝতেই পারতো না! কিন্তু এইবার পুজোয় হিয়াকে ছাড়া কিভাবে কাটাবে দিনগুলো! এমনিই তো প্রত্যেকটা দিন ওই মেয়েটাকে ছাড়া কিরকম ফাঁকা লাগে। সত্যিই, হিয়া যতদিন সাথে ছিল, এইভাবে কখনো ভাবেনি স্পন্দন। কিন্তু আজকাল ভীষণ মনে হয় কথাগুলো। কেউ না থাকলেই হয়তো তার থাকাটা ফিল হয় বেশি করে! এইসবই ভাবছিল, তখনই পাশ থেকে সুচেতা বলে উঠলো,
——–” আমি কলকাতার পুজো দেখেনি খুব একটা। স্পন্দন, আমাকে ঠাকুর দেখাতে নিয়ে যাবে এইবার?”
এই কথায় স্পন্দনের চিন্তার ঘোরটা কাটলো। কিন্তু সেদিন ক্যান্টিনের ইনসিডেন্টটার পর থেকে স্পন্দন সুচেতার সাথে আর আগের মতন সহজ হয়ে মেশে না। আসলে হিয়াকে ওইভাবে সবার সামনে ইনসাল্ট করার পর এই মেয়েটাকে কেমন খারাপ মানুষ মনে হয় ওর! যাইহোক, এই কথায় স্পন্দন খুব অল্প কথায় বললো,
——-” না, আমার হবে না। অন্য প্ল্যান আছে পুজোতে।”
কথাটা সবার সামনে বলেই স্পন্দন উঠে পড়লো চেয়ার থেকে। আর ঠিক ক্যান্টিনে থাকতে ভালো লাগছে না ওর। সবার এত কথা, এত ভিরে কিরকম অস্বস্তি হচ্ছে যেন! কিন্তু এই সময়ে সুচেতারও খারাপ লাগলো কেমন। এতদিন ধরে ও অনেক চেষ্টা করছে স্পন্দনের সাথে কথা বলার, আগের মতন সহজ হওয়ার। কিন্তু স্পন্দন প্রত্যেকবারই কেমন মুখের ওপর বুঝিয়ে দিচ্ছে ওকে দূরত্বটা। আসলে সবই ওই হিয়ার জন্য। মেয়েটার সাথে রুডলি কথা বলেছে বলেই স্পন্দনের মনে এত রাগ। কিন্তু কি করে যে ওরকম সিম্পল একটা মেয়ে স্পন্দনের কাছে এতটা ইম্পর্টেন্ট হলো কে জানে! ভেবেই সুচেতার কেমন পারদ চড়লো হঠাৎ। তাই ও স্পন্দনকে একা না ছেড়ে ওর রাস্তার মাঝে এসে দাঁড়িয়ে বললো,
——-” কেন? পুজোতে তোমার টাইম নেই কেন? হিয়ার সাথে এপয়েন্টমেন্ট আছে বুঝি?”
এই কথায় স্পন্দন বেশ বিরক্ত হয়ে বললো,
——” যদি এপয়েন্টমেন্ট থাকেও, তাহলে তোমাকে বলতে যাবো কেন! এটা আমার পার্সোনাল ব্যাপার।”
এটা শুনে সুচেতা ঠিক আর সহ্য করতে পারলো না। এইভাবে কথা বললো স্পন্দন ওর সাথে! না, এর একটা উত্তর দিতেই হবে এবার। কথাটা ভেবে সুচেতা বেশ তীক্ষ্ণ স্বরে বললো,
——-” পার্সোনাল! কিসের পার্সোনাল? হিয়া তো এখন ক্যাম্পাসে দেখা হলেও তোমার সাথে কথা বলে না। আর আগের সপ্তাহেই তো দেখলাম, বাস স্ট্যান্ডে একটা ছেলের বাইকে বসে চলে গেল। আই ডোন্ট থিঙ্ক তুমি আর ওর লাইফে এগজিস্ট করো! আর ওদের মতন মেয়েরা এরকমই হয়। টাইম পাস করার জন্য আরেকটা ছেলে পেয়ে গেছে, তাই!”

না, কথাটাকে সুচেতার শেষ হতে না দিয়েই স্পন্দন এবার বললো ভীষণ রেগে,
——-” শাট আপ.. জাস্ট স্টপ নাও.. হিয়ার ব্যাপারে আর একটা উল্টো পাল্টা কথা শুনবো না আমি তোমার কাছ থেকে। কতটুকু জানো হিয়া কে তুমি! সি লাভ’স মি.. সি অনলি লাভ’স মি.. এন্ড আই লাভ হার টু.. যাইহোক, এরপর কখনো আর আমার সাথে কথা বলতে আসবে না। মনে থাকে যেন।”
কথাগুলো এক নিঃশ্বাসে বলেই স্পন্দন আর দাঁড়ায়নি। সুচেতা কে অদেখা করেই প্রায় এগিয়ে গিয়েছিল করিডোর থেকে। কিন্তু এই সময় এত অস্থির লাগছে যে ল্যাবেও আর ফেরেনি ও। ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে এসেছিল ইউনিভার্সিটি থেকে। তারপর সামনে একটা বাস দেখতে পেয়ে উঠে বসেছিল কিছু না ভেবে। কিন্তু বাসটা চলতে শুরু করলে, জানলার ধারের চলন্ত রাস্তা, হালকা বৃষ্টিতে ভেজা শহরটাকে দেখতে দেখতে হঠাৎ মনে পড়ে গেছিল নিজের বলা কথাগুলো। ও ভালোবাসে হিয়াকে! এই কথাটা ও নিজের মুখেই তো বললো আজ। তার মানে কি এই এতদিনের বন্ধুত্ব, মুহূর্তগুলো আলাদা জায়গা তৈরি করেছে মনে! সেই জন্যই হিয়ার না থাকাটা এত বেশি কষ্ট দেয় রোজ! একটা শুণ্যতা তৈরি হয়ে থাকে সব সময় চারিদিকে। কারণ হিয়াকে ভালবেসে ফেলেছে স্পন্দন, নিজের অজান্তেই! কবে, কোন দিন, কোন সময় এই ফিলিংস গুলো তৈরি হয়েছে মনে, ও নিজেও জানে না। কিন্তু ভালোবাসে, এটা আজ বুঝেছে।
কথাগুলো ভেবেই যেন মনের মধ্যে চলতে থাকা এতদিনের অস্থিরতাটা কমলো কিছুটা। নিজের কাছেই নিজের ভাবনাগুলো পরিষ্কার হলো আজ। কিন্তু তারপরেই মনে পরে গেল সুচেতার কথাটা। ও হিয়াকে একটা ছেলের বাইকে করে যেতে দেখেছে! নিশ্চয়ই ছেলেটা আর কেউ না, ওই উজান। কোথা থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসলো পাবলিকটা কে জানে! কথাটা ভেবেই কেমন মনটা তিতো হয়ে গেল আবার, আর একটা অদ্ভুত বিরক্তি এসে জমা হলো মনে।
তবে বিরক্তিটা চারগুণ বেশি বেড়ে গেল যখন পাড়ার মোড়ে নেমেছিল বাস থেকে। রাস্তার উল্টোদিকের ফুচকাওলার দিকে চোখটা যেতেই আসলে থমকে গেল স্পন্দন। হিয়া আর উজান বেশ গল্প করতে করতে ফুচকা খাচ্ছে এই মুহূর্তে একসাথে। দৃশ্যটা দেখেই কেমন পা থেকে মাথা অব্দি জ্বলে গেল ওর। ও আর নিজের রাগটাকে সামলাতে না পেরে এবার হিয়ার সামনে হঠাৎ এসে বলে উঠলো,
——” এখন কি চব্বিশ ঘণ্টা এই ছেলেটার সাথে থাকিস?”
কথাটায় হিয়া কেমন আকাশ থেকে পড়লো যেন। তবে কিছু বলার আগেই এবার স্পন্দন উজানের দিকে তাকিয়ে বললো,
——-” আর তোমারও কি কোন কাজকর্ম নেই। কখনো ছাদে ফটো শুট করো, কখনো ইউনিভার্সিটির সামনে বাইক নিয়ে চলে আসো লিফ্ট দেয়ার জন্য, আবার এইসব ফুচকা খাচ্ছো রাস্তায় দাঁড়িয়ে! নিজের কোন পড়াশোনা নেই! না কি মেয়ে পটিয়ে বেড়ানোই একমাত্র কাজ?”
কথাগুলো ভীষণ রাগের সাথে বললো স্পন্দন। কিন্তু হিয়া এই মুহূর্তে আর চুপ না থেকে বললো,
——-” এইসব কি বলছো কি তুমি এইভাবে রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে! আর উজান আমার খুব ভালো বন্ধু। ওকে এইভাবে ইনসাল্ট করার কোন রাইট নেই তোমার। যাকে যা ইচ্ছে তাই বলে দিতে পারো না তুমি!”
কথাগুলো এক নিঃশ্বাসে বললো হিয়া। তারপর স্পন্দনের সামনেই উজানের হাতটা ধরে আস্তে গলায় বলে উঠলো,
——” চলো এখান থেকে। এন্ড এম রিয়ালি সরি ফর অল দিজ..”
কথাটা বলেই ও এগোনোর জন্য পা বাড়ালো, কিন্তু স্পন্দন এইসব দেখে শুনে এই মুহূর্তে হিয়াকে আটকে দিল হঠাৎ। তারপর এই রাস্তার মাঝেই ওর হাতটা ধরে বললো,
——” তুই ওর সাথে যাবি না। এইভাবে যার তার সাথে ঘুরতে পারিস না তুই। এন্ড ইউ লাভ মি.. কি হলো সেই সব ফিলিং এর? সব ভুলে গেলি না কি?”
এই প্রশ্নে হিয়া যেন থমকে গেল কেমন। স্পন্দন আবার এইসব পুরনো কথা কেন তুললো! কি প্রমাণ করতে চায় ও এইসব বলে! হিয়া তো নিজে থেকেই দূরে সরে গেছে। তাহলে এইভাবে রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে এই কথাগুলো বলার কি মানে! কথাটা ভাবতেই এবার উজান খুব শান্ত স্বরে নিঃস্তব্ধতা কাটিয়ে বললো,
——” দ্যাখো, তুমি কে আমি জানি না! কিন্তু আমি হিয়ার কাছে কোন বাইরের লোক নই। আমরা খুব ভালো বন্ধু। আর একটা মেয়ের সাথে রাস্তায় দাঁড়িয়ে এইভাবে সিন ক্রিয়েট কোরো না। তোমার পার্সোনাল কোন কথা থাকলে আলাদা করে এসে বলো। এইভাবে রাস্তায় চিৎকার করে কোন লাভ নেই।”
কথাগুলো ভীষণ দৃর গলায় বললো উজান। তবে এইসব শুনে স্পন্দনের রাগের ঘোরটা কাটলো হঠাৎ। ও সেই মুহূর্তে খেয়াল করলো হিয়ার অন্ধকার মুখটা। সত্যিই কি খুব বেশি রিয়্যাক্ট করে ফেলেছে ও! খুব বাজে ভাবে কথা বলে ফেলেছে হিয়ার সামনে! কথাগুলো ভাবতেই হিয়া এবার জোর করে স্পন্দনের কাছ থেকে ওর হাতটা ছাড়িয়ে আর দাঁড়ালো না। তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে এগিয়ে গেল নিজের বাড়ির গলির দিকে। উজানও এরপর হিয়ার সাথেই পা বাড়ালো একই রাস্তায়।

চলবে,,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ