Friday, June 5, 2026







অপূর্ব সমাপ্তি পর্ব-৩১

#অপূর্ব_সমাপ্তি
পর্ব- ৩১

সেদিনের পর থেকে আমার হুট করে অপূর্ব সাথে কথা বলার ইচ্ছেটা অনেকখানি বেড়ে গেছে। একদিন অবচেতন মনেই তাকে ফোন করে ফেললাম। যখন খেয়াল হলো, কেটে দিলাম না। দেখি, যদি ধরে, কিছু বলা যাবে…কিন্তু সে ধরলো না। তার মোবাইল বন্ধ। রাতে আবার ফোন করলাম, এখনও বন্ধ। এরপর টানা এক সপ্তাহ চেষ্টা করেও লাভ হলো না। সে মোবাইল অন করেনি। আজব তো! নাম্বার বদলে ফেলল নাকি? আমি পরের সপ্তাহে সাহিত্য সংঘে গেলাম। গিয়ে জানতে পারলাম অপূর্ব অনেকদিন হলো আসে না।

আরও কিছুদিন অপেক্ষা করলাম অপূর্বর জন্য। তারপর তার আশা ত্যাগ করলাম।

.
এক বিকেলে কলেজ শেষে ফেরার পর দেখি খুশবু গেটে দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে টেনে পেছনের দরজা দিয়ে বাড়ির ভেতরে নিয়ে গেল। ইভা দ্রুত এসে আমার হাতদুটো ধরে বলল, “রাগ করো না আপু, আমার একটা অনুরোধ রাখো, কয়েকজন এসেছেন তোমাকে দেখতে, তাদের সামনে একটু যাও, প্লিজ।”

আমি কিছুতেই রাজি না। উল্টে ইভার সাথে খারাপ ব্যবহারই করে ফেললাম। একটু পর বাবা এসে আদেশের সুরে বললেন, “এক্ষুনি তুমি যাবে তাদের সামনে। কোনো কথা শুনতে চাই না।”

অগত্যা গেলাম। এর আগে জীবনে একবারই এই কনে দেখার পর্ব ঘটেছে জীবনে। সেদিন থেকে আমার জীবন এলোমেলো হওয়া শুরু হয়েছে। কে জানে এটা আবার কোন নাটকের শুরু? নাকি আগের নাটকটার সমাপ্তি?

আগেরবার মাথা নিচু করে গিয়েছিলাম। এবার গেলাম মাথা উঁচু করে। সালাম দিয়ে হেসে কথা বললাম। দুজন মহিলা আর একজন ভদ্রলোক এসেছেন। আমাকে একজন তার পাশে বসালেন। তাকে খেয়াল করে দেখেই চিনে ফেললাম। ইনি অপূর্বর মা। ছবিতে দেখেছি। আমাকে উনি অবশ্য তখনই সব খুলে বললেন। অপূর্ব কদিনে নিজেকে সামলে তার মা বাবাকে রাজি করিয়ে আমার বাড়িতে পাঠিয়েছে। অপূর্বর মা আমার মাথায় হাত দিয়ে আদর করে বললেন, “তোমাকে আমার ছেলেটা অনেক ভালোবাসে মেয়ে।”

এরকমটা আগেরবারও হয়েছিল। ঠিক এমনই তো! কি আজব মিল!

আমি উনাকে বললাম, “আপনার ছেলে একটা কথা বলল আর আপনি রাজি হয়ে গেলেন? ও এত যোগ্য একটা ছেলে, আমার মতো বিধবা, তার ওপর বয়সে বড় মেয়ের সাথে কেন বিয়ে দিতে চাচ্ছেন? ওকে বোঝান। ওর আরও অনেক ভালো বিয়ে হতে পারে।”

মহিলাটি আমার চোখে গভীর দৃষ্টিতে চেয়ে বললেন, “তোমার কথা মৃন্ময় দাদার কাছে অনেক শুনতাম। তারপর অপূর্বও বলতো। তখন ভালো একটা ধারণা হয়েছিল তোমার সম্পর্কে। তুমি রাগ করো না, সত্যি বলতে, বিয়েতে আমি রাজি হতাম না। অপূর্বর জোরাজুরিতে এসেছিলাম। কিন্তু তোমায় দেখে মত পাল্টাতে বাধ্য হলাম। ও যেমন বলেছিল তারচেয়েও ভালো লেগেছে তোমায়।”

আরও কথাবার্তা হলো, উনারা চলে গেলেন। জানিয়ে গেলেন আমাকে নিতে চান তারা। আমার বাবা কিছুদিন অনেক খোঁজখবর করলেন। তাদের সম্পর্কে, ছেলের সম্পর্কে অনেক তথ্য জোগাড় করে সন্তুষ্ট হলেন। আমাকে ডেকে বললেন, “তুমি কি বিয়েতে রাজি?”

আমি না করলাম। বাবা বললেন, “এটা আমার জীবনের শেষ ইচ্ছে। তুমি এই বিয়েটা না করলে আমার যেদিকে দুচোখ যায়, চলে যাব।”

“আমি কি এতটা বোঝা হয়ে গেছি বাবা?”

“বোঝা হলে অনেক আগেই বিদায় করতাম। তোমার খেয়ালি ইচ্ছেতে অনেক সায় দিয়েছি আমি। আর পারছি না। তুমি অপূর্বর চেয়ে ভালো ছেলে আর পাবে না। ওকেই বিয়ে করবে তুমি। যাও এখন আমার সামনে থেকে, বিয়ের প্রিপারেশন নাও।”

.
অপূ্র্বর সাথে আমার বিয়ে হয়ে গেল কিছুদিন পরেই। দ্বিতীয় বিয়ে হলেও সামাজিক নিয়ম মেনে প্রথম বিয়ে। ইভা অল্প করে গায়ে হলুদের আয়োজন করে ফেলল। আমি কিছুই বললাম না। বিয়েটা অবশ্য ঘরোয়াভাবেই হলো।

বিয়ের পর আমার নতুন শ্বশুরবাড়িতে যাত্রা। তারা দুপুরের দিকে এসেছিলেন, সব কাজ শেষ হতে সন্ধ্যে হলো। তারপর রওনা হলাম। তাদের বাড়ি কাছেই। এদিকটাতে পুরানো ধরণের বাড়ি বেশি। ওদের বাড়িটাও পুরানো। চারতলা বাড়ির তিনতলায় থাকে। বড় বড় তিনটি ঘর, ডাইনিং, ড্রইং। প্রতিটা রুমের সাথে চওড়া ঝুল বারান্দা। অপূর্বর বারান্দায় দেখলাম অনেক রকম পাতাবাহার গাছ। আর একটা খাচায় ঝুলছে ময়না পাখি। আমাকে দেখে চেঁচিয়ে বলে উঠল, ‘সমাপ্তি’, ‘সমাপ্তি’। একেবারে স্পষ্ট! আমি তো অবাক!

বাসর ঘর সাজানো হয়েছে অনেক রকম ফুল দিয়ে। এমনিতে শুধু গোলাপ বা বেলী দিয়ে সাজিয়ে ফেলা হয়। এখানে গোলাপ, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা, বেলী, বেগুনী রঙের পাপড়িতেওয়ালা একটা ফুল যার নাম জানা নেই, সব মিলিয়ে সাজানো হয়েছে। ঘরটা অপার্থিব সুন্দর লাগছে। ঘরের একপাশে লম্বা একটা ল্যাম্পশেড, ওটাও ফুল দিয়ে সাজানো। হালকা সবুজ আলো দিচ্ছে। ভালো লাগছে এখানে। ঠান্ডা ঠান্ডা একটা শান্তি ভাব আছে।

তবে আমার শান্তি লাগছে না। শরীর দুর্বল লাগছে, মনে হচ্ছে জীবনের কাছে হেরে গেছি। এমনটা হওয়ার কী প্রয়োজন ছিল? বাইরে বাতাস দিচ্ছে। বৃষ্টি হতে পারে।

অপূর্বর সাথে বিয়ে ঠিক হওয়ার পর আমি কোনো কথা বলিনি। ফোন ধরিনি।

মেয়েলি কিছু আচার অনুষ্ঠান আর রাতের খাবার শেষে আমাকে এঘরে নিয়ে আসা হয়েছে। আমি আজ নিয়েই সেজেছিলাম। লাল বোনারসির সাথে হালকা সাজ, কপালে লাল টিপ, আর লাল চুড়ি। সে মারা যাওয়ার পর বেশি চকচকে রঙ বাদ দিয়েছিলাম পরা। অনেকদিন পর পরলাম।

অপূর্ব ঘরে ঢুকলো রাত এগারোটার দিকে। তখন বৃষ্টি নেমেছে। আমি জানালা ধরে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছিলাম। ওর উপস্থিতি টের পেয়ে আমার গলা শুকিয়ে এলো। ইচ্ছে হলো কেঁদে বলি, “তোমার পায়ে পড়ি আমাকে ছেড়ে দাও, আমি তোমার সাথে থাকতে পারব না।”

অপূর্ব বোধহয় আমার মনের কথা বুঝলো। সে আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে খাটে বসালো। এখন কী নির্দ্বিধায় হাত ধরছে! অবশ্য ধরবেই তো! তার অধিকার আছে যে!

আমার সামনে ফ্লোরে হাঁটু গেড়ে বসে বলল, “আমি জানি তোমার মন ভালো নেই। তুমি আমাকে কথা বলার সুযোগটাও দাওনি আগে। আমি এসব তোমার সুখের জন্য করেছি। একা একা গুমরে মরার চেয়ে ভালো নয় কি এটা?”

ঠান্ডা গলায় বললাম, “কোনটা ভালো?”

“এইযে একসাথে থাকা। আমি তোমাকে বুঝি। আমাদের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ভালো। তারচেয়ে বড় কথা, তোমার আমার সাথে সময় কাটাতে ভালো লাগে। তাই না? সত্যি করে বলো..?”

“লাগে, তবে সেটা বন্ধু হিসেবে।”

সে আমার হাতটা আরেকটু গাঢ়ভাবে ধরে বলল, “আমরা বন্ধুই তো। বন্ধুরা একসাথে থাকতে পারে না বলো?”

“আমি পারব না।”

“পারবে, পারবে। আমি অনেক ভালো ছেলে।” কলার খানিকটা উঁচু করে বলল।

আমি দেখলাম অপূর্বকে সুন্দর লাগছে বরের সাজে। ঝাঁকড়া চুলগুলো হাত দিয়ে এলোমেলো করে দিতে ইচ্ছে করছে।

অপূর্বও আমার দিকে তাকিয়ে আছে। মিষ্টি করে হেসে বলল, “তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে সমাপ্তি৷ আগে সবসময় সাদাটে রঙ দেখতে ভালো লাগতো না আমার। এখন থেকে রঙিন শাড়ি পরবে।”

আমি চুপ করে মাথাটা নিচু করে ফেললাম।

অপূর্ব বলল, “একটু মন ভালো করো, প্লিজ। ভূতের মুভি ডাউনলোড করেছি। আজ রাতে দেখলে মজা পাব। পরিবেশটাই ভুতুড়ে।”

আমি অবাক হয়ে বললাম, “পাগল হয়েছ?”

“না না, এই সমাপ্তি শোনোনা, বৃষ্টিতে ভিজবে?”

আমি আবার বললাম, “পাগল হয়েছ?”

সে আমার হাত ধরে টেনে বারান্দায় নিয়ে গেল। রেলিং ঘেঁষে দাঁড়াতেই বৃষ্টির ছাট এসে ভিজিয়ে দিল আমাদের। সাথে প্রচুর বাতাস। শীতল বাতাসে দাঁড়িয়ে বৃষ্টির পানি শরীরে মাখিয়ে নিতে নিতে আমার অশান্ত মনটা স্থির হয়ে গেল।

ভেজার পর গোসল করে,শুতে গেলাম। অপূর্ব সত্যি মোবাইলে ভূতের মুভি অন করে বসেছে। আমি বললাম, “আমি একটুও দেখব না।”

আমি শুয়ে পড়লাম। অপূর্ব একাই দেখলো। একটু পর পর অদ্ভূত ভুতুড়ে শব্দ ভেসে এলো কানে। একসময় আমি এত বিরক্ত হলাম যে উঠে বালিশ দিয়ে ওর মাথায় বাড়ি দিয়ে বললাম, “এক্ষুনি বন্ধ করো!”

ও মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, “মাত্রই মেইন কাহিনী শুরু হচ্ছিলো।”

বালিশ উঁচু করে বললাম, “আরেকটা দেব?”

অপূর্ব হাসিমুখে বলল, “দাও!”

আমি সত্যি জোরে বাড়ি দিলাম। ও হেসে মোবাইল রেখে দিয়ে শুয়ে পড়ল। আমার শুরুতে যে জড়তা ছিল সেটা কেটে গেল। সব মিলিয়ে যেমন একটা বিচ্ছিরি অনুভূতি আমাকে ঘিরে রেখেছিল, সেটা মিলিয়ে গেল। এমনকি অপূর্ব যখন আমার কোমর পেঁচিয়ে ধরে আমাকে কাছে টেনে নিলো, আমার খুব একটা খারাপ লাগলো না।

.
নতুন শ্বশুরবাড়িতে সময় খারাপ কাটে না। আমার শ্বশুর খুবই ভালো মানুষ। মিশুক ধরনের। সবসময় হাসতে থাকেন। আমাকে খুব স্নেহ করেন। শ্বাশুড়িও ভালো মানুষ। তবে তার ব্যাপারে আমার ঘোর সন্দেহ হয়, তিনি আমাকে মুখে কিছু না বললেও মন থেকে এতটা পছন্দ করেন না৷ আমি তাতে অবশ্য কিছু মনে করি না। একটা মা চাইতেই পারে তার ছেলের বউ সুন্দরী হোক, গৃহকাজে পারদর্শী হোক। আমি তেমন নই, সবচেয়ে বড় কথা, আমি তার ছেলের চেয়ে চার বছরের বড়। আমাদের একসাথে দেখতে অতটা মানায়ও না।

বিয়ের পর একটা প্রশ্ন মাথায় ঘুরতো, আমার নাহয় দ্বিতীয় বিয়ে ছিল, অপূর্বর তো প্রথম। মা বাবার একমাত্র ছেলের বিয়ে ঘটা করে দিল না কেন? পরে শ্বাশুড়ি মায়ের এটা সেটা কথায় বুঝে নিয়েছিলাম তার পছন্দমতো বিয়ে হয়নি বলে বিয়েটা সাদামাটাভাবে হয়েছে।

তবুও চেষ্টা করি শ্বাশুড়ি মায়ের মন যুগিয়ে চলার। মানুষটা আমাকে পছন্দ না করলেও তাকে আমি বেশ পছন্দ করি। রুচিশীল এবং সুন্দর মনের একজন মানুষ। আমাকে এমনিতে যথেষ্ট স্নেহ করেন।

অপূর্ব ঠিকই বলেছিল, আমরা যতটা স্বামী-স্ত্রী, তারচেয়ে অনেক বেশি বন্ধু। ওকে আমি নির্দ্বিধায় সব বলতে পারি। যা আমার মনের ভেতর আছে সব বলি। এমনকি আমি যে আমার প্রাক্তন স্বামীকে মাঝে মাঝে আশেপাশে অনুভব করতে পারি, সেটা পর্যন্ত অপূর্ব জানে। ওর সাথে কথা বললে নিজেকে খুব হালকা লাগে। তবে আমাদের মাঝে খুনসুটি, পাগলামি, ঝগড়া, বোঝাপড়া ইত্যাদি খুব হলেও শেষ পর্যন্ত আমার প্রেমটা ঠিক হয়ে ওঠে না।

ওকে দেখলে যেমন আমার বুকের ভেতরেটা নড়ে উঠতো, ওর চোখে তাকালে শরীরে কাঁটা দিতো, ওর কাছাকাছি থাকলে একটা সুবাস পেতাম, মাতাল মাতাল লাগতো, অপূর্বর বেলায় সেসব কিছুই হয় না। অপূর্বর বড় বড় চোখদুটো দেখলে মায়া হয় ভীষণ। ওর জন্য দুশ্চিন্তা হয়, বন্ধু হিসেবে ভালোবাসাটা পুরোপুরি আছে ওর প্রতি৷ কিন্তু…সেই প্রেমটা কিছুতেই যে হয় না!

শারীরিক সম্পর্কর সময়গুলোতে আমার শরীর সায় দিলেও মন সায় দিতে পারে না। ভেতরে ভেতরে কিসের বাঁধা আমার হাত পা আটকে রাখতে চায়।

অপূর্বকে যতটা চিনছি, তাতে আমি দেখলাম, পৃথিবীতে স্বার্থহীন, অল্প কিছু ভালোমানুষের মধ্যে সে আছে। মনটা খুব উদার। শুধু আমার বেলায় না, সবার বেলাতেই সে দিলদরিয়া। আমার মনে হয় এমন একটা মানুষকে আমি ঠকাচ্ছি। তার নিজের স্ত্রীর কাছ থেকে অনেক প্রেম, ভালোবাসা, আদর, আহ্লাদ পাওনা ছিল, যেগুলো আমি কখনোই ওকে দিতে পারি না।

মাঝে মাঝে নিজেই নিজেকে ধিক্কার দেই, অপূর্ব তোমার আগের স্বামীর মতো রাজপুত্রের মতো দেখতে নয়, বড়লোক নয় বলে ওকে পছন্দ না তাই না? তুমি একটা স্বার্থপর, লোভী মেয়ে!
সত্যি কি তাই?

একেক সময় মনে হয় চলে যাই দূরে…এসব ছেড়েছুড়ে অন্য কোথাও। আমি চলে গেলে সবার ভালো হবে। হয়তো অপূর্বও….!

সুমাইয়া আমান নিতু

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ