Friday, June 5, 2026







অনুরাগ ৪র্থ পর্ব

অনুরাগ
৪র্থ পর্ব
লেখিকাঃ #Israt_Jahan

শ্রুতিঃ আমি তখন বললাম আমি আমার ভ্যালেন্টাইন গিফ্ট পেয়ে গেছি আমার কলিজাটা। ও আমায় তখন বলল, ‘ যা এটা কী কোনো গিফ্ট হতে পারে?এটা তো আমার জীবনের একটা মহামূল্যবান উপহার। আচ্ছা তোমার তো আগরা যাওয়ার খুব শখ।এ বছর বসন্তঋতুতে আমরা দীর্ঘসময়ের জন্য ভ্রমণে বের হবো।ধরো দার্জিলিং আর আগরা দুটো জায়গাতেই আমরা ঘুরে আসব।আর বেঁচে থাকলে পরের বছর তোমার পৃথিবীর ভূস্বর্গতে নিয়ে যাব কাশ্মীরে। ‘

তানিয়াঃ ওয়াও সো এক্সেলেন্ট গিফ্ট দোস্ত।

শ্রুতিঃ মোটেও না তানিয়া।কারণ আগে আমাকে ওর এবিলিটির দিকে নজর দিতে হবে।ও চাকরিতে জয়েন করেছে মাত্র দু বছর হলো।আমি এখনি ওকে ফিন্যান্সিয়াল ভাবে এত চাঁপ দিতে চাইনা।আমি তো ওর ওই খুশিটাকে গিফ্ট হিসেবে চেয়েছি।

মেঘলাঃ ওর ওই খুশিটা কী আমাদের বল।

শ্রুতিঃ জানিনা এখনো।বললো পরে জানাবে।

বেলা দুপুরের সময় শ্রুতি লাঞ্চ শেষ করে পুলক কে কয়েকবার ফোন করল।কিন্তু ওপাশ থেকে ফোনটা আর রিসিভ হলোনা।মনটা একটু খারাপ হয়ে গেল শ্রুতির।পুলক শত ব্যস্ততার মাঝেও শ্রুতির সঙ্গে ফোনে কথা বলতে না পারলেও টেক্সট করে কথা বলে।তবু শ্রুতির ফোন কখনো ইগনোর করেনা। কিন্ত এখন তো অফিসে লাঞ্চের সময়। এখন তো ওর কোনোভাবেই বিজি থাকার কথা নয়।এতকিছু ভাবনার মাঝে শ্রুতি নিজের মনকে এটা বলে বুঝ দিলো হয়তো ফোনের কাছে নেই কিংবা সত্যি খুব বিজি বলেই ফোনটা রিসিভ করছেনা।ব্যস্ততা শেষ হলেই পুলক ওকে ফোন দিবে।এটা ভেবে বিছানায় শুয়ে অপেক্ষা করতে করতে কখন যেন ঘুমিয়ে গেল শ্রুতি।ঘুম ভাঙলো সন্ধ্যার সময়। নিজের ঘুম দেখে শ্রুতি নিজেই অবাক। ও কখনোই এতসময় অবদি ঘুমায়না তাও আবার দিনের বেলাতে।বিছানা ছাড়তেই পুলকের ফোনের কথা মনে পড়ল।দ্রুত ফোনটা হাতে নিয়ে দেখল পুলকের কোন ফোন কলস আসেনি।একটু অবাক হলো শ্রুতি।সেই সাথে চিন্তাও হতে লাগল। কোনো সমস্যাই পরলো কিনা কে জানে। সঙ্গে সঙ্গে আবার ফোন করলো পুলককে। এবার ফোনটা কেটে দিয়ে পুলক টেক্সট করলো,
‘ Byasto achi my heart. ‘ মেসেজটা পেয়ে অনেকটা স্বস্তি পেল শ্রুতি।রাতের রান্না চাঁপিয়েছে চুলায় এমন সময় কলিংবেল বেজে উঠল।গ্যাস অফ করে দরজা খুলতেই ঈষাণকে দেখল শ্রুতি।

-‘ আরে বাবা আজ কাল সূর্য কোনদিকে উঠছে এস.পি সাহেব। ‘
-‘ এই তুই আমাকে আমার নাম ধরে ডাকবি।এইসব প্রফেশোনাল নাম ধরে ডাকবিনা একদম। ‘
-‘ ভয় করে তো। ‘
-‘ ভয় তোর পিঠের ওপর দিবো।আগে ঢুকতে দে। ‘
-‘ ও স্যরি স্যরি।ভেতরে আসুন মি.ঈষাণ রাজ। ‘

ঈষাণ ভেতরে এসেই ঠাস করে সোফায় বসে পরল।তারপর বলল, ‘ ফ্যানটা একটু ছেড়ে দে কষ্ট করে। ‘

শ্রুতি ফ্যান ছেড়ে দিয়ে ঈষাণের মুখোমুখি বসল।

-‘ এত পরিমাণ ব্যস্ত যিনি যে টয়লেটে আরাম করেও পাঁচটা মিনিট বসতে পারেনা।আর সেই ব্যক্তিই আজ আমার সামনে বসে ফ্যানের বাতাস খাচ্ছে। আমি কী সত্যি দেখছি? ‘

ঈষাণ ধুম করে শ্রুতির পাশে বসে ওর হাতে জোড়ে একটা চিমটি কাটল।

-‘ উহ্ কীরে তুই।এভাবে চিমটি কাটলি কেন?দেখেছিস কী করলি? ‘
-‘ কই দেখি কী করলাম? ‘
-‘ থাক আর দেখতে হবেনা। ‘
-‘ বিশ্বাস করছিলিনা বলেই তো চিমটি কাটলাম। ‘
-‘ বল কী খাবি? ‘
-‘ কী খাওয়াবি? ‘
-‘ যা খেতে চাস।রান্না করছিলাম।কী খেতে চাস বল এক্ষণি রান্না করে দেব। ‘
-‘ রান্না খাবার নয়। ‘
-‘ তাহলে কী কোল্ড ড্রিংকস? ‘
-‘ না রেডিমেড। ‘

শ্রুতি হেসে দিয়ে বলল, ‘ রেডিমেড কী জিনিস আবার? ‘
-‘ আছে।খাওয়াতে পারবি তো? ‘
-‘ বলেই দ্যাখ।সামর্থ্যে কুলালে অবশ্যই খাওয়াবো। ‘
‘ সামর্থ্য না?তাহলে থাক বাদ দে। ওটা তোর আর সামর্থ্যে কুলাবেনা। ‘
-‘ এতটা গরীব ভাবিস না। ‘
-‘ তাই?তাহলে একটা চুমু খাওয়া। ‘

বলেই ঠোঁট টিপে হাসছে ঈষাণ।আর শ্রুতির মুখটা তখন দেখার মত ছিল।বিস্মিত হয়ে তাকিয়ে আছে ঈষাণের দিকে।তারপর ঈষাণ হো হো করে হেসে ফেলল।সেটা দেখে শ্রুতি ওর গায়ে চাপড় দিয়ে বলল, ‘ তোকে না আমি সাত দিনের রিমান্ডে নিব।শয়তনা একটা।এখনো এত মজা করতে পারিস তুই কীভাবে কে জানে? ‘
-‘ আমি তো এমনই ছিলাম তাইনা? ‘
-‘ বুঝেছি তোর এখন কী প্রয়োজন। ‘

ঈষাণ হাসি থামিয়ে মুখটা মলিন করে জিজ্ঞেস করল, ‘ সত্যি বুঝেছিস? ‘
-‘ হুম।দাঁড়া কালই আন্টিকে ফোন করব। ‘
-‘ আরে এর মধ্যে আবার আন্টি কেন? ‘
-‘ বিয়ে টিয়ে দেওয়ার বিষয়ে তো কথা বলতে হবে।না হলে তো তুই খুব তাড়াতাড়িই পাগল হয়ে যাবি। ‘
-‘ ঠিকই বলেছিস। তোকে আজকাল দেখলে সত্যি পাগল পাগল লাগে।ভালোই ছিলাম এতদিন তোকে না দেখে। ‘

শ্রুতি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘ মানে? ‘

ঈষাণ নিজেকে একটু সামলে নিয়ে বলল, ‘ মানে তোর মত একটু কিউট বউ দরকার আমার।পুলক শালা তো ঝোপ বুঝে কোপটা মাড়ল।আমাদের বন্ধুমহলে একরকম সবার ক্রাশ ছিলি যে তুই। ‘
-‘ আচ্ছা তুই বস আমি তোর জন্য কফি করে নিয়ে আসি।টিভিটা চালিয়ে দিচ্ছি টিভি দ্যাখ বসে।রান্না বন্ধ করে এসেছি তো।আমি ততক্ষণে রান্নাটা করে আসি।রাতের খাবার খেয়ে যেতে হবে কিন্তু তোকে। ‘
-‘ হুম।পুলক কখন ফিরবে? ‘
-‘ এক দেড় ঘন্টার মধ্যে চলে আসবে। ‘
-‘ অনেক দেরী তো। ‘
-‘ তো কী হয়েছে?ডিনার না করে তোকে যেতে দিচ্ছিনা।’
-‘ তাহলে চল তোর রান্নাতে হেল্প করি। ‘
-‘ আরে না।তুই বসে টিভি দ্যাখ আমি চট করে রান্নাটা সেড়ে আসছি। ‘
-‘ কথা বলিসনা তো।চল। ‘



-‘ ইলিশ মাছের দোপেয়াজা রাইট? ‘
-‘ হুম।ওর ভীষণ পছন্দের খাবার। ‘
-‘ আমারও খুব পছন্দ এটা। ‘
-‘ পোলাও আর তার সঙ্গে ইলিশের দোপেয়াজা পেলে ঈদের চাঁদ দেখার মত খুশিতে লাফিয়ে উঠে। ‘

রান্না শেষে ডাইনিং এ বসে শ্রুতি আর ঈষাণ গল্প করছে।এর মধ্যে পাঁচবার ফোন করেছে পুলক শ্রুতির ফোনে।কিন্তু শ্রুতি ফোনটা বেডরুমে রেখে চলে এসেছে।

-‘ এই শ্রুতি তোদের বেডরুমটা কিন্তু আমার খুব পছন্দ হয়েছে। ‘
-‘ আমার আসার আগেই ও আমার থেকে শুনে শুনে নিজেই বেডরুমটা সাজিয়েছে। আর সবথেকে বেশি সুন্দর আমাদের বেলকোনিটা।ওটাও ও নিজেই সাজিয়েছে। ‘
-‘ আমাকেও তো সাজিয়ে রাখতে হবে আমার বউয়ের জন্য।চল তো তোদের বেলকোনিটা দেখে আসি।”
“আয়। ‘

ঈষাণ ওদের বেডরুমটা ঘুরে ঘুরে দেখছে। বেডরুমে দেখার মত সব থেকে আকষর্ণীয় জিনিস হলো পুলক আর শ্রুতির ছবিগুলো।সেগুলোই দেখছিল ঈষাণ। তারপর বেলকোনিতে গিয়ে দাঁড়াল ওরা।

-‘ আচ্ছা বেলকোনিটার সৌন্দর্যটা কী আমি এখনো বুঝতে পারলাম না। ‘
-‘ দেখবি সৌন্দর্যটা? ‘
-‘ দেখব বলেই তো এলাম। ‘
-‘ ওয়েট। ‘

বেলকোনির গ্রিলে সাদা পর্দাটা টেনে দিল শ্রুতি।তারপর রুমে গিয়ে রুমের লাইট অফ করে নীল ড্রিম লাইটটা জ্বালিয়ে দিল।অন্য একটা সুইচ অন করতেই সারা বেলকোনি বিভিন্ন রঙের মৃদু আলোতে ভরে গেল।ঈষাণ ওপরে তাকিয়ে দেখল বেলকোনির ছাদ জুড়ে বিভিন্ন রঙের ছোট ছোট কালারফুল প্রজাপতি জ্বলছে।অন্ধকার ঘরে এই প্রজাপতিগুলো খুব সুন্দরভাবে জ্বলে ওঠে। এখন সত্যিই বেলকোনিটাকে স্বপ্নেররাজ্য বলে মনে হচ্ছে ঈষাণের কাছে।সেখানে দাঁড়িয়ে দুজন গল্প করছে। গল্প করতে করতে কখন যে ঘড়ির কাটাতে রাত দশটা বেজে গেল শ্রুতির তা খেয়ালই নেই।পুলক বাসায় ফিরে কলিংবেল চাঁপার আগেই দেখল দরজা ভেজিয়ে রাখা।দরজা লক করে ড্রয়িংরুমে ঢুকে দেখল সোফার ওপর একটা ফোন। যেটা শ্রুতির নয়।সোজা বেডরুমে ঢুকে গেল।বেডরুমের লাইট অফ শুধু ড্রিম লাইট জ্বলছে।আর বেলকোনি থেকে শ্রুতি আর একজন পুরুষের কথা আর হাসির শব্দ আসছে।ব্যাগটা বিছানার ওপে রেখে বেলকোনিতে চলে গেল পুলক। শ্রুতির হাতের তালুতে ঈষাণ আঙুল দিয়ে কী যেন লিখছে আর কথা বলছে। আর শ্রুতি সেটা দেখে হাসছে।পুলক বেলকোনিতে এসে দাঁড়িয়েছে সেটা ওদের কারোরই খেয়াল হলোনা।ঈষাণ শ্রুতির হাত নিয়ে নাড়াচাড়া করছে তার মধ্যেই পুলক এক ঝটকায় শ্রুতিকে টেনে নিয়েলো নিজের কাছে।

 

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ