Friday, June 5, 2026







LOVE part:03+4

#LOVE❤
part:03+4
Writer: Suvhan Årag (ছদ্মনাম)

কিন্তু আবেগের তো আর নিষেধ নেই

আবেগ ফুলটা নেওয়ার জন্য হাত বাড়ালো সাথে সামনে তাকালো

সামনের মানুষটিকে দেখে আবেগের পুরো শরীর যেনো অবাশ হয়ে যাচ্ছে চোখটা আস্তে আস্তে ঝাপসা হয়ে আসছে।হ্যাঁ সেই মানুষ যাকে একদিন ও না দেখে থাকতে পারেনি আবেগ দুটো বছরে।যেদিন থেকে তার হাত ধরে তাকে এনেছিল আবেগের রাজ্য সেইদিন থেকে।কিন্তু আজ প্রায় আড়াই মাস দেখা হয় নি মানুষটাকে।কিন্তু আজ

-কি দেখছি আমি।সত্য নাকি মিথ্যে ।এমনতো হওয়ার নয়।রিদি এখানে কিভাবে আসবে।ওর তো আশফিকে বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করার কথা।তাহলে(মনে মনে)

-মিস রিদি আপনি দাঁড়িয়ে না থেকে স্যার কে ফুলটা দিন।স্যার আর কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবেন
-জি স্যার

-রিদি হ্যাঁ ম্যানেজার তো তাই বললো।তারমানে আবেগ ভুল শোনেনি।ভুল দেখেওনি।(মনে মনে)

নিজের অনিচ্ছা শর্তে ও রিদিকে তাকাতে হলো সামনের দিকে।সামনের দিকে তাকিয়ে রিদি অবাক।সামনের মানুষটাও তার দিকে অবাক হয় এ তাকিয়ে আছে।তার দুচোখ যেনো ভিজে আসছে

রিদির হাত যেনো কাঁপতে শুরু করলো।হঠাত্ করেই হাত থেকে ফুলের বুকেট টা পড়ে গেলো।আর রিদি মাথা ঘুরে পরে গেল।নিচে পরে যাওয়ার আগেই কেউ তাকে ধরে ফেললো

-রিদিইইইইই

কিন্তু রিদি অজ্ঞান সে আর শুনতে পারলো না সেই ডাকটা

-ম্যানেজার উনি এই অফিসে কি করছেন।ওনাকে তো আগে দেখিনি এখানে
-স্যার উনি আমাদের একজন নিউ এমপ্লয় দুমাস হলো জয়েন করেছেন এখানে
-ওও।ওনার জ্ঞান কি ফিরেছে
-স্যার ওনাকে রেস্ট রুমে কিছুক্ষণ রেস্ট করতে বলেছি
-ওও আচ্ছা
-স্যার একটা কথা বলি
-হুম
-আপনি কি মিসেস রিদিতাকে আগে থেকে চেনেন
-মাআনে
-আসলে স্যার উনি অজ্ঞান হওয়ার সময় আপনি যেভাবে ডাকলেন তাই বলছিলাম আর কি

আবেগ কি উওর দেবে ভেবে পাচ্ছে না।আসলেই কি সে তাকে চেনে।সে তো শুধু চেনা নয় সে যে তার রিদির সব সব ছিলো একদিন ।কিন্তু আজ

-স্যার আপনি যদি বলতে না চান তো থাক
-দাঁড়ান ম্যানেজার
-স্যার কিছু বলবেন
-আমি তাকে চিনি না।পথেঘাটে এমন কতোজনের সাথেই তো দেখা হয় পরিচয় হয় তবে তারা তো আর আপনজন হয় না।আপনি বরং ওনাকে একবার জিজ্ঞাসা করবেন উনি আমাকে চেনেন কিনা

আবেগের কথার মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝলেন না ম্যানেজার

-ওকে স্যার

ম্যানেজার চলে গেল।আবেগ চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে অতীতে ডুব দিলো

-আবেগ ওঠো সকাল হয় এ গেছে।অফিসে যাবেতো।ওঠো বলছি
-আআহহ রিদি একটু ঘুমাতে দেও না
-না দেবো না।নিজে সারারাত আমাকে জ্বালিয়ে এখন ঘুমানো হচ্ছে ।ওঠো বলছি
-ওহ রিদি আসো তুমিও আমার সাথে একটু ঘুমাও
-আমার তো আর কাজ নেই যে তোমার সাথে বেলাপরে ঘুমাবো ওঠো বলছি

আবেগ চোখ খুলে দেখে রিদি একটা খয়েরি রঙের শাড়ি পরেছে চুলগুলো ভেজা টাওয়েল দিয়ে পেঁচিয়ে একপাশে মুরে রাখা।শাড়ির আঁচলটা সরে যাওয়াতে কোমড়টাও দেখা যাচ্ছে

আবেগতো আবার প্রেমে পরে গেল।প্রতিদিন নতুন করে সে রিদির প্রেমে পরে

আবেগ রিদির হাত ধরে টান মেরে রিদিকে বিছানায় ফেলে রিদির ওপর উঠে গেল

-আআআ আবেগ সকাল সকাল কি হচ্ছে ছাড়ো বলছি
-না ছাড়ব না।একটু আগে যেন কি বলছিলে আমি নাকি তোমাকে সারারাত ঘুমুতে দেইনি।কেনো গো আমি কি করেছিলাম সারারাত (মুখে দুষ্টু হাসি দিয়ে)

আবেগের কথা শুনে রিদিতো লজ্জায় শেষ

-উহ এই লোকটাও না।একটা আস্ত বদমাইশ ।সবসময় কিসব উল্টাপাল্টা কথা বলবে।মনে চাচ্ছে লজ্জায় মাটি খুঁড়ে ভিতরে ঢুকে যাই (মনে মনে)

-উহ।আর লাল হয়ও না।এমনিতেই গালদুটো টমেটোর মতো লাল হয়ে গেছে তোমাকে তো আমার খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে(দুষ্টু হাসি দিয়ে )
-সরুন তো সবসময় শুধু বাজে কথা
-ও তুমি বুঝি লজ্জা পাচ্ছ
-নাআআ।আপনি সরুন তো
-না তুমি লজ্জা পাচ্ছ।আমি তো জানি লজ্জা পেলে তুমি আমাকে আপনি করে ডাকো
-আল্লাহ এই লোকটাকে নিয়ে যদি একটু শান্তি আছে।তাড়াতাড়ি উঠে পরতে হবে।নইলে এই লোককে কোনো বিশ্বাস নেই।যখন তখন রোম্যান্স শুরু করে।লুচ্চু একটা(মনে মনে)
-ও রিদি কি ভাবছো।দেওনা
-কি
-সকাল সকাল মিষ্টি কিছু
-দিচ্ছি।আপনি চোখ বন্ধ করুন
-ওকে

আবেগ চোখ বন্ধ করলেই রিদি আবেগের নাকের ওপর এক কামড় বসিয়ে দিয়ে আবেগকে ধাক্কা মেরে উঠে গেল

-রিদি তুমি আমার সাথে চিট করলে
-হুহহ।তাড়াতাড়ি উঠে পর
-এর ফল ভালো হবেনা।এরপর তোমাকে একবার পাই সুদে আসলে সব মিটিয়ে নেব
-হুহহহ দেখা যাবে(ভেংচি কেটে)

অতীতটা কি সুন্দর ছিল।দুজনের খুনশুটি আর ভালোবাসাতে।ভাবতেই আবেগের চোখ থেকে পানি গরিয়ে পরলো

কিন্তু আবেগের ধ্যান ভাঙলো কারোর কথাতে

-May I come in sir(কাঁপা কন্ঠে)

কন্ঠস্বর টা চিনতে আবেগের একটুও কষ্ট হলোনা।চোখের পানি টা মুছে ফেললো আবেগ

-come in

রিদির সাথে ম্যানেজার ও রুমে ঢুকলো

-স্যার ইনি মিসেস রিদিতা
-হুমম।(মিসেস হ্যাঁ মিসেসই তো হবে।আশফির মিসেস-মনে মনে)
-মিস রিদিতা ইনি আমাদের স্যারের ছেলে মি আবেগ রহমান
-আসসালামু আলাইকুম স্যার
-ওয়ালাইকুম আসসালাম
-মিসেস রিদিতা আমাদের এক্সপোর্ট ডিপার্টমেন্ট এর একজন এমপ্লয় স্যার ।আপনি ওনাকে কোনো কাজ থাকলে বলে দিন স্যার ।আমি আসি
-ওকে আপনি যান

ম্যানেজার চলে যাওয়াতে রিদিতা আর মাথা তুলতেই পারছেনা।আজ কতোদিন পর আবার দুজনে নির্জনে এক রুমে হোক সেটা অফিস

আবেগ শুধু রিদিতার দিকে তাকিয়ে আছে আগের চেয়ে একটু মোটা হয় ছে ।শরীরটা আগের মতো রোগা নেই।দেখতেও আগের চেয়ে বেশিই সুন্দর লাগছে।তারমধ্যে আবার ব্লু রঙের বোরখা ও হিজাব পরেছে।দেখতেও বেশ লাগছে

-খুব ইচ্ছে করছে তোমাকে একটু মন ভরে দেখতে।মন চাচ্ছে তোমাকে একটু ছুঁয়ে দিতে।কিন্তু না সেই অধিকার তুমি কেড়ে নিয়েছো আবেগ (মনে মনে)

প্রায় পনেরো মিনিট হয়ে গেলো দুজনেই চুপচাপ ।হঠাত্ নিরবতা ভাঙলো আবেগ

চলবে——
#LOVE❤

part:04
Writer: Suvhan Årag(ছদ্মনাম)

আবেগ একটা দীর্ঘ শ্বাস নিয়ে রিদিতার দিকে তাকালো

-আশফি কি ছেড়ে দিয়েছে না কি?

আবেগের কথা শুনে রিদিতা কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়লো

-মানে
-আশফি তো যথেষ্ট বড়লোক বরং আমার থেকেও বেশি তাহলে তার ওয়াইফ এখানে তাও আবার আমার অফিসে উহ এটা কি ভাবা যায়
-স্যার আপনার কোনো কাজের কথা থাকলে বলুন
-আগে যেটা বলছি সেটার উওরটা দিন মিসেস রিদিতা আবে,,,,

কথাটা বলতে গিয়ে আবেগের গলা আটকে আসছে।আর এতোদিন পর আবেগের মুখ থেকে কথাটা শুনবার জন্য রিদিতার বুকের ভেতরটা জলে যাচ্ছে

-ওহ সরি মিসেস রিদিতা আশফি চৌধুরি । রাইট
-স্যার আমি আপনার কি কাজ করতে পারি বলুন

রিদিতার এমনিতে ই এতোদিন পর নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে পেয়ে রীতিমতো শরীর কাঁপছে ।কিন্তু সময় পরিস্থিতি আজ তার প্রিয় মানুষটিকে এতোটাই দূরে নিয়েছে যে তাকে আজ স্যার বলতে হচ্ছে ।তারপর আবার আবেগের এই উদ্ভট প্রশ্ন

-যাস্ট শাট আপ ডেম ইট।আমি যেটা জিজ্ঞাসা করেছি তার উওর দাও
-কাজের বাইরে আমি আর আপনার কোনো প্রশ্নের উওর দিতে বাধ্য নই স্যার
-আলবাত তুমি বাধ্য
-না বাধ্য নই

আবেগের রাগ উঠে গেল।বেচারা চেয়ার ছেড়ে উঠে গিয়ে রিদিতার হাত ধরে ওকে একটু টেনে নিজের কাছে নিয়ে আসলো

-তুমি বাধ্য বাধ্য বাধ্য

আবেগের চোখের লাল ভাব স্পষ্ট ।রিদিতা জানে যে ও রেগে আছে।এতোদিন ধরে মানুষটিকে জানে সে

-স্যার আমার হাত ছারুন
-উওর দাও
-স্যার আমার হাত ছারুন
-না ছারব না ।আমার উওর চাই
-আমি আপনার কোনো উওর দিতে বাধ্য নই ।এখন কেনো এসেছেন আপনি উওর নিতে।সেদিন কোথায় ছিলো আপনার এই উওর চাওয়ার ইচ্ছে ।একটা কুকুরকেও মানুষ মাঝ রাতে বাড়ি থেকে তাড়ায় না সেখানে আমি আমিতো একজন মানুষ ছিলাম তাও একজন মেয়ে কোনো বাড়ি র বৌ আবার একজন অপদার্থ লোকের স্ত্রী তারপর আবার একজন প্রেগন্য,,,,,

রিদিতা আর কথা শেষ করলো না কি লাভ বাকিটুকু বলে।সবই তো হারিয়েছে এখন তো আর কিছু পাওয়ার নেই।না থাকনা আবেগ ওর মতো নিজের জীবনটা না হয় নিরামিষ ভাবে সাজাবে সে

-হাত ছারুন
-কেনো থামলে কেনো আরো বলতে ।নিজের কুকর্মের কথাটা তো বললে না
-আপনি আমার হাত ছারুন
-কেনো এখন আমার হাত ধরাতে এতো সমস্যা ।যখন একজন বিবাহিত মেয়ে হয় এ নিজের স্বামী কে ঠকিয়ে পরকীয়া তে মেতেছিলেন তখন কোথায় ছিলো এতো সম্মানবোধ

শেষ কথাটা রিদিতা আর হজম করতে পারলো না।ও নিজের সর্ব শক্তি দিয়ে আবেগের থেকে নিজেকে ছারিয়ে নিল

-আর একটা বাজে কথা বলবেন না আপনি আমার নামে।আমি কি করেছি কি না করেছি সেটা আমি ভালো জানি এর কোনো সাফাই আপনাকে দিতে হবেনা।কে আপনাকে এতো বড় সাহস দিয়েছে একটা বাইরের লোক হয়ে আমার হাত ধরতে আসেন।আবার আমাকে শুনাচ্ছেন চরিত্রের কথা।তাহলে আপনি কি
-আমি বাইরের লোক!!
-হ্যাঁ আপনি বাইরের লোক।কি অধিকার আছে আপনার আমাকে স্পর্শ করার ।কোন অধিকারে আপনি আমাকে স্পর্শ করেছেন?

রিদিতার কথা গুলো ও আবেগ হজম করতে পারলো না।আবেগ রিদিতাকে টেনে হিচড়ে দেওয়ালের সাথে চেপে ধরলো

-আহহহ
-এইবার বল।কি বলেছিলি ।কোনো অধিকার নেই আমার তোর ওপর?
-না নেই
-সত্যিই কোনো অধিকার নেই তোর ওপর আমার ।কি হলো বল ans mee damn it
-না না না
-ও তাই
-হ্যাঁ তাই
-আমি যদি বলি আছে
-না নেই
-আমি বলছিতো আছে
-ও তাই বুঝি।তা কি অধিকার আছে শুনি।কি হন আপনি আমার
-আমি তোর হাসবে,,,,,,,,
-কি হলো থামলেন কেনো বলুন
-,,,,,,,,
-কি হলো বলুন।কি হন আপনি আমার ।বলুন বলুন আমাকে

রিদিতা আবেগের কলার চেপে ধরলো।আবেগের চোখে পানি ছলছল করছে।রিদিতার ও সেই একি অবস্থা ।কারোর মুখে কথা নেই দুজনে হারিয়ে গেছে একে অপরের চোখে

-তুই পৌছেছিস
-হ্যাঁ বাবা।আমি এখন আবেগের অফিসে
-আচ্ছা তাহলে ওর সাথে মিট করে তুই ফার্ম হাউজে চলে যাস
-ওকে বাই বাবা

নোভা আবেগের রুমে গিয়ে দরজা খুলে যা দেখলো সেই দৃশ্য তার মোটেও কাম্য নয়

নোভা যে রুমে এসেছে সেদিকে ওদের দুজনের খেয়াল নেই।ওরা ডুবে আছে চোখের মায়াতে

নোভা চিত্কার দিয়ে উঠলো

-আবেগগ

নোভা র চিত্কারে আবেগের হুশ ফিরলো ।ও একবার দরজায় নোভার দিকে তাকিয়ে তারপর রিদির দিকে তাকিয়ে রিদিকে ছেড়ে নোভা র কাছে আসলো।ঘটনার আকস্মিকতাতে রিদি ও স্তম্ভ

-নোভা তুমমি
-কেনো ভুল টাইমে এসে পড়লাম
-নোভা তুমি আমাকে ভুল বুঝছো
-ও তাই।তুমি যদি আগের জীবনেই থাকবে তাহলে কেনো বিয়েতে মত দিলে
-নোভা যা দেখছো সেটা ভুল
-ও তাই।তাহলে এই মেয়ে টা এখানে কি করছে

আবেগ কোন উওর দিবে ভেবে পাচ্ছে না।আর আবেগের বিয়ের কথা শুনে রিদিতা র বুক ফেটে যাচ্ছে

-কি হলো বলো
-আমি নিজেই জানিনা।আমি এসে দেখি ও নাকি এই অফিসে চাকরি করে
-কিহহহ
-হ্যাঁ
-কিন্তু কেনো
-আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম আশফি থাকতে ও এখানে কেনো
-আরে আশফি তো বিদেশে।ওকে বোধ হয় নেয়নি

আশফি বিদেশে কথা শুনে রিদিতা চমকে গেল।কারণ সে নিজেও জানেনা আশফি কোথায়

-আর এইসব মেয়েকে তো নিয়ে শুধু ফূরতি করা যায় ।খাওয়া শেষ তো ডাস্টবিনে ফেলে দাও।এদের সাথে তো এটাই হয়

রিদিতা এবার মুখ খুললো।কারণ আজ তার প্রিয় মানুষটার সামনে তাকে কেউ অপমান করছে অথচ সে চুপচাপ তা শুনছে

-কে খাওয়া আর ডাস্টবিন এর ময়লা সেটা বোধ হয় আপনি নিজেকে প্রশ্ন করলে উওর পাবেন মিস নোভা
-এই মেয়ে কি বললে তুমি আমাকে
-যেটা বলেছি তাতো শুনেছেন ।আবার জিজ্ঞাসা করছেন কেন

চলবে—–

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ