Friday, June 5, 2026







love is like a Cocktail Part-06

#love_is_like_a_Cocktail
Writer: Abir Khan
Part: 06
পুরো ক্লাব জুড়ে শুধু হৃদয়ের বন্ধুবান্ধব। হৃদয় জান্নাতকে নিয়ে ক্লাবে ঢুকে সোজা বারের কাছে চলে যায়৷ জান্নাত এই প্রথম কোন ক্লাবে এসেছে। তাই আশেপাশে ভালো করে তাকিয়ে দেখে, অনেকগুলো মেয়ে ছোট ছোট ড্রেস পরে ছেলেদের সাথে গানের তালে তালে নাচানাচি করছে গায়ের সাথে গা মিশিয়ে। ওদের ড্রেস গুলো এমন যে জামা পরা আর না পরারই সমান৷ জান্নাতের এসব দেখে খুব লজ্জা করছে। ও আরও দেখে, কতগুলো ছেলে মেয়ে একসাথে বসে শিশা টানছে, মোটা মোটা সিগারেট টেনে ধোয়া ছাড়ছে। কাচের ছোট গ্লাসে মদ ঢেলে একের পর এক খেয়েই যাচ্ছে। অনেকে আবার নাক দিয়ে সাদা সাদা কি যেন টানছে৷ এ দৃশ্য দেখে জান্নাতের গা ঘিনঘিন করে উঠে। তাই ও অন্যদিকে নজর দিতেই জান্নাতের চোখ ছানাবড়া প্রায়৷ ও দেখে একটা ছেলে আর মেয়ে যা করছে তা পাবলিক প্লেসে কেউ করে না৷ জান্নাত লজ্জায় আর তাকাতে পারে না৷ ও চোখ সরিয়ে সামনের দিকে তাকিয়ে মাথা নিচু করে আস্তে করে পাশে বসা হৃদয়কে বলে,

~ তুমি আমাকে এ কোথায় নিয়ে আসলে? আমি বাসায় যাবো হৃদয়। প্লিজ আমাকে যেতে দেও৷

হৃদয় জান্নাতের কথা শুনে হাসতে হাসতে ওর কাঁধে হাত দিয়ে স্পর্শ করে বলে,

– আরে চিল বেবি। ইটস নরমাল। জাস্ট ইঞ্জয় ইউর সেল্ফ।

জান্নাত একটু নড়েচড়ে বসে। হৃদয় হাত সরিয়ে ফেলে৷ জান্নাত এখন মাথা নিচু করে আছে। ওর খুব খারাপ লাগছে। ও কল্পনাও করে নি হৃদয় ওকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে আসবে৷ জান্নাত যদি আগে জানতো নাইট ক্লাবগুলো এমন হয় তাহলে ও জীবনেও আসতো না৷ হৃদয় আবার বলে উঠে,

– আরে এমন করে বসে আছো কেন? চলো আমরাও একটু নাচানাচি করি৷ ইঞ্জয়৷

ও কথা গুলো জান্নাতের শরীরের কাছে এসে মিশে বলল। জান্নাতের কেমন জানি অস্বস্তি লাগছে৷ ও এবার বলে উঠে,

~ হৃদয় প্লিজ আমি বাসায় যাবো। আমার এখানে একদম ভালো লাগছে না৷

হৃদয় মিটমিট করে হাসছে। ও ওর বন্ধুদের ইশারা দেয়৷ ওরা সাথে সাথে জান্নাতের কাছে চলে আসে। আর এসে বলে,

– হেইই জান্নাত, ওয়াও! ইউ লুক ড্যামন কিউট।(রনি)
– আসলেই পুরাই জোস লাগছে তোমাকে। (শুভ)
– বান্ধবীটা কার দেখতে হবে না। হাহা। (হৃদয়)
– ব্যাটা শুধু তোর নাকি আমাদেরও। সবাই একসাথে মিলে হাহা। (জাবেদ)

জান্নাতের কাছে হৃদয়ের বন্ধুদের কথাগুলো কেমন জানি খারাপ লাগে। হৃদয় এই ফাঁকে বার টেন্ডারকে ইশারা করে আর সাথে সাথে সে জান্নাতের জন্য একটা ফ্রুটস জুস বানায়৷ আর সেটার ভিতর স্ট্রোং ড্রাগস মিশিয়ে দেয়৷ আগের প্ল্যানে ওর বন্ধুর মেশানোর কথা ছিল। কিন্তু যদি জান্নাত দেখে ফেলে তাই হৃদয় বার টেন্ডার টাকা খাইয়ে নতুন প্ল্যান করে। যাতে জান্নাতের কোন হুস না থাকে। বার টেন্ডার জুসটা হৃদয়ের দিকে এগিয়ে দেয়৷ হৃদয় জুসটা নিয়ে জান্নাতের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলে,

– নেও এটা খাও৷ তাহলে তোমার ভালো লাগবে৷ এটা এখানের সবচেয়ে বেস্ট ননএলকাহলিক জুস৷ খাও খাও৷
– হ্যাঁ হ্যাঁ জান্নাত খাও৷ অনেক মজা।

জান্নাতের গলা অনেক শুকিয়ে যাচ্ছিল। জুসটা ম্যাংগো জুসের মতো দেখতে হওয়ায় ও চুপচাপ খেয়ে ফেলে। খেয়ে অনেক ভালো লাগে ওর। কিন্তু খাওয়ার ৩০ সেকেন্ড পরই জান্নাত চোখের সামনে সব কিছু কেমন ঝাপসা দেখতে শুরু করে৷ ওর মাথা খুব ঘুরাচ্ছে৷ হঠাৎই ও ওর কানে শুনতে পায় হৃদয় বলছে,

– নে এবার মালটাকে ধর আর অপেক্ষা করতে পারছি না৷ শালিকে কতদিন বসে পটিয়েছি। আজকে ওরে সারারাত ধরে উপভোগ করমু আমরা। হাহা।

হৃদয়ের বন্ধুরা ওর কথার সাথে তাল মিলিয়ে হাসাহাসি করছে৷ জান্নাতের চোখ বেয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে৷ ওর বোঝা শেষ আজ আর ওর রক্ষা নেই৷ কতগুলো জানোয়ার ওকে আজ চিড়ে চিড়ে খাবে৷ ওকে ধর্ষণ করবে৷ জান্নাতের পুরো শরীর যেন অসর হয়ে গিয়েছে। বিন্দু পরিণাম শক্তি পাচ্ছে না৷ যদি পেতো তাহলে সবটুকু শক্তি জুগিয়ে ও এখান থেকে পালাতো। কিন্তু খুব দেরি হয়ে গিয়েছে। আর কোন রাস্তা বাকি নেই। ও একটা ভুল মানুষকে বিশ্বাস করেছিল, একটা ভুল মানুষকে ভালবেসেছিল। সব শেষ। জান্নাতের আর কোন উপায় নেই বাঁচার। ওর চোখ দুটো আস্তে আস্তে নিভে আসছে। কিন্তু ও অজ্ঞান হচ্ছে না৷ অজ্ঞান হলে ভালোই হয়। কারণ নিজের সুন্দর পবিত্র শরীরটা এই জানোয়ার গুলো গিলে খাবে সে দৃশ্য ও দেখতে চায় না৷ জান্নাত আস্তে আস্তে চোখ দুটো বন্ধ করে ফেলে। ও এখন জিন্দা লাশ। হৃদয় এবার বলে উঠে,

– নে ধর, এবার আমরা আমাদের কাজ শুরু করি৷
– ওকে দোস্ত৷

রনি, হৃদয় আর শুভ মিলে জান্নাতকে ধরে ক্লাবের ভিতরে ওদের জন্য বানানো স্পেশাল রুমটায় ওকে নিয়ে যাচ্ছে। কেউ কিছু বলছে না৷ যে যার মতো ইঞ্জয় করছিল। জান্নাতকে নিয়ে সেই রুমে ঢুকে ওকে ঠাস করে বিছানার উপর ফেলে দেয় ওরা। জান্নাত দেখতে খুব আকর্ষণীয় ছিল। ওরা ধীরে ধীরে হিংস্র পশু হয়ে যাচ্ছিল। জান্নাতের চোখ বেয়ে শুধু অশ্রু ঝরছে৷ বড়ো ভুল করে ফেলেছে। এই ভুলের মাশুলই বোধহয় ও এখন দিবে৷ হৃদয় বলে উঠে,

– তোরা বাইরের রুমে গিয়ে অপেক্ষা কর। আমার শেষ হলে তোরা আসবি।
– ঠিক আছে। একটু তাড়াতাড়ি করিস৷
– সে দেখা যাবে৷ তোরা যা তো।

হৃদয়ের বাকি বন্ধুরা বাইরের রুমে বসে অপেক্ষা করছে৷ এবার হৃদয় আর জান্নাত একটা আলাদা রুমে। হৃদয় যেন আর লোভ সামলাতে পারছে না৷ ও লোভাতুর চোখে জান্নাতের পুরো শরীরটাকে দেখছে। ও আস্তে আস্তে নিজের জামা কাপড় খুলতে শুরু করে। এদিকে রনি, শুভ আর জাবেদ মদ খাচ্ছিল। হঠাৎই মেইন ডোরে কে যেন নক করে। রনি স্বাভাবিক ভাবেই দরজা খুলে। আর সাথে সাথেই তিন/চারটা ছেলে ভিতরে ঢুকে ওদের দিকে বন্দুক তাক করে৷ তারপর পিছন থেকে কালো স্যুট পরা একটা ছেলে এসে বলে,

– মেয়েটা কই?
– ভি…ভিতরে…

ছেলেটা ওর লোকদের ইশারা দিতেই নিমিষেই রনি,শুভ আর জাবেদকে গুলি করে মেরে ফেলে। ছেলেটা ভিতরে বেড রুমের সামনে গিয়ে জোরে একটা লাথি মেরে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখে, হৃদয় পুরো উলঙ্গ হয়ে জান্নাতের ড্রেস খুলার চেষ্টা করছে। বাট এখনো পারে নি। তার আগেই এই অপরিচিত ছেলেটা রুমের মধ্যে চলে আসে। ছেলেটার সাথে ওর লোকেরাও ভিতরে চলে আসে। হৃদয়কে এরকম অবস্থায় দেখে ছেলেটা ওর লোকদের নিয়ে হাসতে থাকে। হাসতে হাসতে বলে,

– দেখ দেখ ওরে দেখ৷ শালা কত কাপুরষ। একটা মেয়েরে ধর্ষণ করতাছে। অই ওর মেশিন বরাবার সবাই গুলি কর৷ ঝাঝরা করে দে৷ হাহা৷

জান্নাত ওর কানে শুনতে পায় জোরে ঠাস ঠাস করে অনেকগুলো গুলির শব্দ। ব্যাস হৃদয়ও মুহূর্তেই শেষ। রক্তে বিছানা ভেসে যাচ্ছিলো৷ ছেলেটা দ্রুত জান্নাতের কাছে গিয়ে ওকে কোলে তুলে নেয়৷ জান্নাত আস্তে করে ছেলেটার দিয়ে তাকায়৷ আবছা আবছা করে ছেলেটাকে দেখে। কেমন পরিচিত পরিচিত মনে হয়৷ ছেলেটা জান্নাতের দিকে তাকিয়ে বলে,

– আর কোন চিন্তা নেই। আপনাকে আর কেউ কোন ক্ষতি করতে পারবে না৷

কথাটা শুনেই জান্নাত অজ্ঞান হয়ে যায়৷ এরপর কি হয়েছে ওর আর কিচ্ছু মনে নেই৷

পরদিন সকালে,

জান্নাত আস্তে আস্তে চোখ মেলে তাকায়। মাথাটা খুব ভার হয়ে আছে৷ ও আবার চোখ বন্ধ করে ফেলে। আর সাথে সাথে ওর সব মনে যায়৷ জান্নাত শোয়া থেকে একলাফে উঠে বসে আশেপাশে তাকিয়ে দেখে ও একটা হাসপাতালের কেবিনে। নার্স ওকে উঠতে দেখে ওর কাছে এসে বলে,

~ ম্যাম ম্যাম প্লিজ উঠবেন না৷ আপনি অসুস্থ। শুয়ে থাকুন৷

জান্নাত অঝোরে কাঁদতে কাঁদতে অস্থির হয়ে বলে,

~ আমার কি হয়েছে? কি হয়েছিল আমার? আমাকে কি?

হঠাৎই একটা কালো স্যুট পরা বেশ হ্যান্ডসাম আর গুড লুকিং বয় কেবিনে ঢুকে জান্নাতের কাছে এসে বলে,

– আপনি কোন চিন্তা করবেন না৷ আপনি একদম ঠিক আছেন। আর হ্যাঁ ওই ছেলেগুলো আপনার সাথে কোন খারাপ কিছু করতে পারে নি। তার আগেই আমরা চলে গিয়েছিলাম।

জান্নাত ছেলেটার দিকে কিছুক্ষণ তাকাতেই ওর মনে পড়ে, হ্যাঁ এই সেই ছেলেটাই যে ওকে বাঁচিয়েছিল। জান্নাত আবার কান্না করে দেয়৷ ছেলেটা দ্রুত কণ্ঠে বলে উঠে,

– আহ! প্লিজ কাঁদবেন না৷ আপনি এখন সম্পূর্ণ সেইফ৷ আর কোন ভয় নেই।
~ স্যার ওনার শুয়ে থাকলে ভালো হয়৷ ম্যাম আপনি শুয়ে থাকুন৷

জান্নাত আস্তে আস্তে শুয়ে পড়লে ও কান্নাসিক্ত কণ্ঠে বলে,

~ আমি অসুস্থ হলাম কেন?
– আসলে ওরা আপনাকে অনেক স্ট্রোং একটা ড্রাগস দিয়েছে। যেটার জন্য আপনি অন্তত ৩/৪ দিন বেহুশ থাকতেন৷ তবে এখন আর ভয় নেই, আমার পার্সোনাল ডাক্তার সে ড্রাগস আপনার শরীর থেকে বের করে ফেলছে। তবে যতটুকু আছে তার জন্য আপনি অনেকটা দুর্বল৷ তাই আপনি এখন শুয়ে থাকুন। এটাই বেটার হবে৷

জান্নাত আস্তে করে বলে,

~ আপনাকে কি বলে যে ধন্যবাদ দিব আমার কাছে কোন ভাষা নেই৷ আপনি একটা মেয়ের জীবন বাচিঁয়েছে।
– আরে ধন্যবাদ দিতে হবে না৷ আপনি রেস্ট নিন৷
~ জি। আচ্ছা শুনুন আপনার নাম কি?
– আমি, নেহাল। মানে নেহাল চৌধুরী। ভালো থাকবেন৷ আবার কখনো হয়তো দেখা হবে৷ আসি৷

বলেই নেহাল চোখে কালো সানগ্লাস পরে চলে যায়৷ জান্নাত চুপচাপ চোখ বন্ধ করে বেডে শুয়ে থাকে। কখন যেন ও ঘুমিয়ে পড়ে। অন্যদিকে হৃদয়ের বাবা ছেলের কবরের সামনে বসে কাঁদতে কাঁদতে বলেন,

– আমার ছেলেকে এভাবে কে মেরেছে? কেন মেরেছে আমি তা জানতে চাই।
– স্যার জান্নাত নামে একটা মেয়েরে নিয়া ছোট স্যার ক্লাবে গেসিলো আর তারপরই এই অবস্থা।
– ওই মাইয়ার কল্লাটা আমার পায়ের সামনে এনে ফেলবি। আমি আর কিছু জানি না।
– ঠিক আছে স্যার৷ ওই চল।

হৃদয়ের বাবা হলো, দেশ এবং বিদেশের সবচেয়ে বড়ো ড্রাগ ডিলার। তার নাম হলো, আরমান খান৷ তার ছেলেকে এভাবে মর্মান্তিক ভাবে হারিয়ে তিনি খুব ক্ষেপে আছেন৷ অলরেডি জান্নাতকে মারার জন্য তার লোক লাগিয়ে দিয়েছেন। জান্নাত আগের বার বাঁচলেও এবার কিভাবে বাঁচবে সেটাই এখন বড়ো প্রশ্ন!

এদিকে আবির শুটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিল। হঠাৎই নিলয় এসে বলে,

– স্যার কে যেন আরমান খানের ছেলেকে আর বন্ধুকে খুব খারাপ ভাবে গুলি করে মেরেছে।
– নেহাল মেরেছে।
– ওহ! কিন্তু নেহাল স্যার কেন মারলো? মারার কথা তো আমাদের ছিল।
– আরে আরমানের সাথে নাকি ওর কি নিয়া জানি লাগছে৷ তাই ওর ছেলের উপর কদিন যাবৎ ও নজর রাখছিল। আমিই বুদ্ধি দিয়েছিলাম ওকে। কালকে নাকি সুযোগ পেয়ে মেরে দিছে। ওর ছেলে নাকি কোন মেয়ের সাথে খারাপ কিছু করতে যাচ্ছিল আর এই সুযোগে ও মেরে দিছে৷
– ওহ! ভালোই হয়েছে তাইলে। এবার আরমান খানকে খুব সহজে শেষ করা যাবে।
– হুম। একটাকেও ছাড়া যাবে না নিলয়৷

নেহাল হলো আবিরের খুব ভালো বন্ধু। ও যে কিং সেটা নেহাল জানে৷ নেহাল মেইনলি আগে মাফিয়া ছিল। কিন্তু ও কিং এর কাছে মানে আবিরের কাছে আত্নসমর্পণ করে। আবিরের বিষয়টা ভালো লাগলে ও নেহালের সাথে বন্ধুত্ব করে ফেলে। এবং ওকে নিজের চেহারা দেখায়। আর ওকে বলে আজ থেকে তুই আমার ভাইয়ের মতো। এখন নেহাল আর্মস এক্সপোর্ট ইমপোর্ট এর বিজনেস করে আবিরের পারমিশন নিয়েই৷ মাঝে মাঝে ওরা একসাথে বসে আড্ডা দেয়। নেহাল আরমান খানের উপর চেতা ছিল কারণ তার জন্য ওর ৫ কোটি টাকার আর্মস পুলিশ ধরে ফেলে। এরপরই নেহালের মাথা গরম হয়ে যায়৷ ও আবিরকে সব জানায়৷ তারপর আবির ওকে বুদ্ধি দেয় যে, আরমানের ছেলেকে কিডনাপ করে টাকা নিয়া নিতে। কিন্তু নেহাল বলে, না ওর ছেলেকেই ও মেরে ফেলবে৷ আবির আর কিছু বলে নি। কারণ এমনিতেই আরমান খানকে মরতে হবে৷ তার ছেলে বেঁচে থাকলেও সমস্যা। তাই আবিরের পারমিশনেই হৃদয়কে মারা হয়৷ আবির জানে না ও অজান্তেই জান্নাতকে বাচিঁয়ে দিয়েছে৷

এখন রাত ৯ টা বাজে৷ জান্নাতকে ডিসচার্জ করে দিয়েছে৷ ও এখন বাসায় যাবে৷ সারাদিন স্যালাইন দেওয়াতে শরীরটা বেশ সতেজ লাগছি। ও সেই রাতের পার্টি ড্রেসেই আছে এখনো৷ ওর হাতে যে ব্যাগটা ছিল সেটা নেহালের লোকেরা ওকে দিয়ে গেছে৷ যাতে ইনভেস্টিগেশন করতে এসে ও না ধরা খায়। তাই ব্যাগের মধ্যে যা টাকা ছিল সেটা দিয়েই ও এখন বাসায় যাবে৷ কিন্তু আসলেই কি পারবে ও? জান্নাত রিকশার জন্য অপেক্ষা করছিল হাসপাতালের সামনে৷ কিন্তু হঠাৎই অনেক গুলা গুন্ডা রাস্তা ওপার থেকে ওকে ধাওয়া করে। জান্নাত এই দৃশ্য দেখে ভয়ে জীবন বাঁচাতে জোরে দৌড় দেয়। গুন্ডা গুলো রাস্তার এপাড়ে এসে জান্নাতের পিছু নেয়৷ জান্নাত আগে দৌড় দেওয়ায় ও একটু সামনে ছিল। ও কাঁদতে কাঁদতে আর প্রচন্ড ভয়ে জোরে দৌড়াতে থাকে। এবার আর মনে হয় না জান্নাতের বাঁচা হবে বা৷ ও আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে যত জোরে পালানো যায়। কিন্তু ওর শ্বাস ঘন হয়ে আসছে। আর পারছে না ও৷ গুন্ডা গুলোর হাতে অনেক বড়ো বড়ো রামদা। এক কোপে ওকে দুভাগ করে ফেলবে এমন৷ জান্নাত দৌড়াতে দৌড়াতে একসময় রাস্তার মাঝে এসে পড়ে আর হঠাৎই একটা গাড়ির সাথে ধাক্কা খেয়ে ছিটকে পড়ে যায়৷ গাড়িটা সময় মতো ব্রেক কষলেও জান্নাত ধাক্কা খায়। আর সাথে সাথে রাস্তায় পড়ে মাথায় বাড়ি খেয়ে ও অজ্ঞান হয়ে যায়৷ এরপর কি হয়েছে ভাবতে থাকুন৷ জানতে হলে পরবর্তী পর্বের অপেক্ষা করুন৷ সে পর্যন্ত সাথে থাকুন আবির খানের সাথে। ধন্যবাদ।

চলবে…?

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ