Friday, June 5, 2026







Dark Mystery পর্ব-৪১ এবং শেষ পর্ব

#Dark_Mystery ( কালো রহস্য )
#Part_শেষ পর্ব
#Sabrina_Summa

সুপ্তি : এত জেনে কি করবেন?

মাহির : বলছো যখন তাহলে সব বলেই ফেলো। আর হ্যাঁ একবার তুমি আরেকবার আপনি বলাও অফ করো।

সুপ্তি : আমার এটা ভালো লাগছে। আর একবার সুপ্তি কথা বলছে আরেকবার মিস সিক্রেট। সো ইট’স নরমাল।

মাহির বিরক্ত হলো তবে কিছু বললো না।

একটুপর সুপ্তি নিজেই বলা শুরু করলো, ” তৃতীয় খুন করি আমার বাসার দারোয়ানকে। কারণ ওর জন্যই আমার ফ্যামিলির উপর অ্যাটাক হয়েছে। আর চতুর্থ খুন করি যে তোমার উপর অ্যাটাক করেছিল তাকে।

মাহির অধোর্য্যের মতো বললো, ” আর ৫ম খুন? ”

সুপ্তি : আরে বাবা বলতেছি তো!

দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে আবারও বলা শুরু করলো,
” আমি যখন আটক ছিলাম তখন আমাকে পাহারা দেওয়ার জন্য অনেকগুলো ফোর্স ছিল। সেখানকারই একজন আমাকে শান্তশিষ্ট অবলা নারী ভেবে গাঁয়ে হাত দিতে নিচ্ছিলো। আমার গান আগেই নিয়েছিল কিন্তু আমি কি এতটাই ইনোসেন্ট নাকি! ছুরি দিয়ে উপরে পাঠিয়ে দিছি। এরপরই বাইধা রাখা হইছিল। আর ওই লাশটাকে ওখানেই রাখা হইছিল। এমনিতেই খারাপ পরিবেশ তারমধ্যে লাশ পচে আরও খারাপ অবস্থা হয়েছিল। ”

মাহির : সবই বুঝলাম। কিন্তু তুমি তোমাদের বাসার ছাদে যা বলেছিলে সবই কি মিথ্যা?

এবার সুপ্তি রেগে গেল। চেয়ার থেকে উঠে বললো, ” কি মিথ্যে বলছি বল? ”

মাহির : বসে কথা বলো। আমি বলছিলাম যে তুমিই তো মিস সিক্রেট তাহলে তোমাকে উদ্ধার করলো কে?
( স্বাভাবিক ভাবে )

সুপ্তি : কেন বলছিলাম না মিস সিক্রেটের টিম! ওরাই উদ্ধার করেছে। তবে যেহেতু কেউ আমার ফেস দেখেনি সেহেতু ওরা আমাকে সুপ্তি অর সুমির বোন মনে করেছে।

মাহির : আমার লাস্ট প্রশ্ন।

সুপ্তি : আমি আর কিচ্ছু বলবো না। আমি খুবই টাইড। আমি বের হবো।

মাহির : তুমি এখানে নিজ ইচ্ছায় আসো নি। সো নিজ ইচ্ছায় বের হতেও পারবে না।

সুপ্তি : থ্রেড দিচ্ছো আমায়?

মাহির : না। চুপচাপ বলো তোমার ফ্যামিলি কী জানতো তুমিই মিস সিক্রেট?

সুপ্তির বোধহয় প্রশ্নটা ভালো লাগলো। তাই বলা শুরু করলো, ” প্রথমে জানতো না। কিন্তু পরে যখন তোমাকে আমার বাসায় নিয়ে যায়। তখন মিস সিক্রেট রূপে সুপ্তির রুমে ঢুকতে যেয়ে ধরা পড়ি।
জানেন সেদিন আমি ভিজা বিড়ালের মতো গুটিসুটি মেরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সেদিন যা ভয় পাইছিলাম জীবনে এত ভয় পাই নাই। অনেক বড় একটা ক্লাস নিছিলো আম্মু। ”

মাহির : তাই তো বলি বিয়ের দিন তোমার মা-বাবা কোনো রিয়েক্ট কেন করলো না। নিজের মেয়ের জায়গায় মিস সিক্রেটকে দেখে তোমার মা বলেছিল মিস সিক্রেটও নাকি তার মেয়ে! আজ বুঝতে পারছি তিনি ঠিকই বলেছিলেন।
একটা মজার কথা জানো। ”

কথার মাঝখানে সুপ্তি বলে উঠলো, ” না।”

মাহির : দিলে তো কথা বলার ধরণটা নষ্ট কইরা। না বললে জানবে কিভাবে!

সুপ্তি আবারও কথার মাঝে বলে উঠলো, ” জানেনি যখন জানি না তাহলে সোজাসুজি বললেই হয়। ”

মাহির : চুপ থাকো তো। বলতে দেও।

সুপ্তি চুপ করলে মাহির বলা শুরু করলো, ” আমি যখন ফ্যামিলি নিয়ে তোমার বাসায় যাই তখন তোমার মায়ের আপত্তি ছিল এ বিয়েতে। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন মাহির বেকার।
কথাটা শুনে বেশ অবাক হয়েছিলাম। ভেবেছিলাম তিনি বলবেন আমার সাথে থাকলে তার মেয়ের সেইফটি থাকবে না। কিন্তু তিনি বললেন পুরো ভিন্ন কথা। তখন বাবা বলেছিল আমি বাবার ব্যবসা দেখি। তারপর তোমার মা রাজি হয়েছে।
আমার ভাবনা তোমার মাকে জানালে তিনি বললেন সুপ্তির সাথে থাকলে নাকি আমারই সেইফটি থাকবে না।
তোমরা মা মেয়ে পারোও বটে মানুষকে কনফিউজড করতে। বলো সত্য কথায় তবে কারো বোধগম্য হয় না। ”

সুপ্তি : ও আচ্ছা। এখন আমি বাসায় গিয়ে ঘুমাবো।

মাহির : এখানে ঘুমাও।

সুপ্তি : যেখানে মানুষকে আটকে রাখা হয় সেখানে আমি ঘুমাই না।

মাহির : এখানে কখনোই কাউকে আটকে রাখা হয় নি। সম্পূর্ণ ক্লিন রুম। স্প্রেশালি তোমার জন্য আবারও ক্লিন করা হয়েছে কিছু ঘন্টা আগে।

তারপরও সুপ্তি দরজার দিকে হাঁটা শুরু করলে মাহির আর নিজের ইমোশন ধরে রাখতে পারলো না। সুপ্তিকে হারানোর ভয় আবারও তাকে ঘিরে ধরলো।

তাইতো সুপ্তিকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে কান্নামিশ্রিত কন্ঠে বললো, ” I’m sorry supti.. I’m extremely sorry. আমি কতবার ভেবেছি তুমিই মিস সিক্রেট। কিন্তু ততবারই তোমার কর্মকান্ড আমাকে ভুল প্রমাণিত করেছে।
আমি জানি, আমি মিস সিক্রেটের সাথে খুব খারাপ করেছি, অনেক hurt করেছি কিন্তু সেটা তো তোমাকে অর্থাৎ সুপ্তিকে ভালোবেসেই করেছি। Please, try to understand. ”

সুপ্তি অকস্মাৎ ঘটনায় খুবই অবাক হলো। মাহিরের হঠাৎ পরিবর্তন তাকে খুবই ভাবাচ্ছে। তারপরও মাহিরকে ছাড়িয়ে বললো, ” অনেক দেরি হয়ে গেছে মাহির। আমাদের ডিভোর্স হয়ে গেছে। আমি চেয়েছিলাম বিয়ের প্রথম রাতে সব বলতে কিন্তু তুমি তো তার সুযোগই দিলে না। ”

মাহির : তুমি যদি চাও আমি তোমার পা ধরে ক্ষমা চাবো।
( বলেই বসে পড়লো )

সুপ্তি সরে গেলে মাহির বললো, ” I am sorry, তুমি আমাকে যত শাস্তি দেওয়ার দেও তবে ছেড়ে যেও না প্লিজ। ”

সুপ্তি : মাহির আমি তোমাকে ভালোবাসি না। আর তাছাড়াও পুরো দেশ জানে আমাদের ডিভোর্সের কথা। এখন আর কিছু হওয়া সম্ভব না।

মাহির : তোমার কথায় যদি সত্যি হয়।
আমি তোমাকে বাঁচতে দিবো না। আর নিজেও বাঁচবো না।

সুপ্তি : আমাকে মারার থ্রেড দিচ্ছো তুমি?

মাহির : থ্রেড না সত্য বলছি। তুমি আমার হবে না মানে তুমি কারোর হতে পারবেও না।

সুপ্তি : ওকে মারো আমায়।
বলতে বলতে চেয়ারে বসলো।

মাহির : সুপ্তি আমি মজা করছি না। আমি পারমিশন না দিলে ৭২ ঘন্টার মাঝে এই রুম কেউ খুলবে না। ভেতর থেকে এই রুম খোলা যায় না। আর এই যে ( ড্রয়ার থেকে রিমোট বের করে ) এটা দিয়ে আমি রুম ব্রাস্ট করতে পারি।

সুপ্তি : ভাই এত ইন্ট্রো না দিয়া যা করতে চাস তাড়াতাড়ি কর। এমনিতেও এ পৃথিবী আমার ভালো লাগে না। যদি বিশ্বাস না হয় পৃথিবীকে জিজ্ঞাসা করতে পারো ও সাক্ষী।

এতক্ষণ মাহির চিল মুড নিয়ে ছিল আর সুপ্তি ইমোশন দেখাচ্ছিল। এখন উল্টো সুপ্তি চিল মুডে আর মাহির ইমোশনে।

এভাবে সুপ্তি রাজী হবে না বুঝতে পেরে মাহির নিজের মাথায় গান পয়েন্ট করে বললো, ” থাক তোমার মরতে হবে না। আমার মরার পর ৭২ ঘন্টা শোক পালন করার জন্য কাউকে দরকার পড়বে। তুমি শোক পালন করো আমি নাহয় উপর থেকে দেখবো।”

সুপ্তি কিছুক্ষণ মাহিরকে পর্যবেক্ষণ করে বললো, ” কী চাও আমার কাছে? ”

মাহির : এই পেপারগুলোতে সাইন চাই। আর যেহেতু তোমার জন্যই পুরো দেশ জেনেছে ডিভোর্স সম্পর্কে সেহেতু ১ ঘন্টার মাঝে এই নিউজ মিথ্যে প্রমাণিত হওয়া চাই না হলে বাকিটা বললাম না বুঝতেই পারছো!

সুপ্তি ওকে বলে পেপারগুলোতে সাইন করে দিলো।
আর নিজের টিমকে জানিয়ে দিলো এই নিউজ ডিলেট করতে।

সুপ্তি : মাহির ল্যাপটপ আছে?

মাহিরের উত্তর না বোধক আসতেই সুপ্তি ফোন দিয়েই কাজ শুরু করলো।
৩৫ মিনিট পর সুপ্তি বলে উঠলো, ” ডান। ”

মাহির খুশি খুশি ভাব নিয়ে বললো, ” চলো, রুম সাজাতে হবে। ”

সুপ্তি : কেন?

মাহির অবাক হওয়ার মতো করে বললো, ” কেন মানে? দ্বিতীয় বিয়েতে রুম সাজাতে হবে না? ”

সুপ্তির বুঝতে দেরি হলো না মাহির সুপ্তির সাথে দ্বিতীয় বিয়ের কথা বলছে।

সুপ্তি : মাহির আমাদের ডিভোর্স হয়ে গেছে।

মাহির : হ্যাঁ জানি। আমাদের একটু আগে দ্বিতীয় বিয়েও হয়েছে। প্রথম পেপারে বিয়ে। দ্বিতীয় পেপারে চুক্তি যে তুমি আমাকে কখনো ছাড়তে পারবে না! তুমি তো কানা ফকিরের মতো সাইন করে দিছো।

সুপ্তি : ফাজলামো বন্ধ করো মাহির। সাইন করানোর আগে তোমার বলা উচিত ছিল।

মাহির : রেগে যাচ্ছো কেন? বাদ দেও এগুলো। বাসায় চলো।

সুপ্তি : মাহির আমি তোমার বাবার বাসায় যাবো না।

মাহির : কেন?

সুপ্তি : কেন যাবো সেটা আগে বলো? তোমার বাবা-মা দুইজন আমার দুই ক্যারেক্টারকে পছন্দ করে। আমি দুইজনের সাথে দুই আচরণ করবো?

মাহির : তুমি চাইলে আমরা এ বাসায় থাকতে পারি।

সুপ্তি তাচ্ছিল্যের হাসি দিয়ে বললো, ” এতেও কারো সমস্যা হতে পারে। ”

মাহির : দেখো সুপ্তি। আম্মু মিস সিক্রেট আর সুপ্তি দুইজনকেই পছন্দ করতো কিন্তু আমার জন্য আম্মু মিস সিক্রেটের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে। আর বাবার কথা বাদ দেও। তারপরও দুইজনের পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাচ্ছি।

সুপ্তিকে কারো কিছুক্ষণ বুঝানোর পর সুপ্তি রাজি হলো বাড়ি ফিরতে।।

আজ সুপ্তিকে নতুন বউয়ের মতো করে বাড়িতে প্রবেশ করানো হলো। এখানে সুপ্তির মা বাবাকেও ডাকা হয়েছে।
সুপ্তিকে কেউ বুঝতেই দিচ্ছে না এতদিন কি হয়েছে। এমনভাবে তাকে ট্রিট করা হচ্ছে যে আজই প্রথম সে বউ হিসেবে এ বাড়িতে এসেছে।

সকলে আড্ডা দিচ্ছে সোফায় বসে।
সুপ্তি মনে মনে বললো, ” এভাবেই যেন বাকি জীবনটা কাটে।। ”

বাইরে আকাশটা ধীরে ধীরে সন্ধ্যার ছায়ায় ঢেকে যাচ্ছে। নতুন আলোয় একটা পুরোনো গল্প আবার শুরু হচ্ছে ।
বাস্তবতা সবসময় পরীর গল্প নয়। ভুলের পর ক্ষমা আসে, কিন্তু দাগটা থেকে যায়।
সুপ্তি জানে, সে সবটুকু মাফ করে দিতে পারবে না —শুধু ভুলে থাকবে।।
কোনো যুদ্ধই একদিনে শেষ হয় না। কিন্তু কিছু যুদ্ধ, ভালোবাসার মধ্য দিয়ে থেমে যায়।
আর বাকিটা?
তাদের গল্প নয়, সময় বলবে…

🔚 সমাপ্ত.,.!

( আসসালামু আলাইকুম। এতক্ষণ আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট করে গল্পটা পড়েছেন। আরও ১ মিনিট একটু নষ্ট করে শেষ পর্যন্ত পড়িয়েন।
প্রথমেই দুঃখিত শেষটা সুন্দর করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য। আরেকটু লেখার ইচ্ছে ছিল তবে সামনে পরীক্ষা থাকায় হয়ে উঠলো না।
আমি অনেক কিছুই না বুঝে লিখেছি যেমন ভার্সিটির বিষয়টা। যে এখনো স্কুলের গন্ডিটায় পার হয় নি সে ভার্সিটি সম্পর্কে আর কতটুকুই জানে! তবুও চেষ্টা করেছি লেখার। আর রাজনৈতিক বিষয়টাও। আমি তো রাজনীতির ‘র’ ও বুঝি না।
অনেক কিছুই লেখেছি মজার ছলে তবে হয়তো সেগুলো সেনসিটিভ কিছু। দয়া করে সেনসিটিভ ভাবে না নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই নিয়েন।
আবারও দুঃখিত কথা গুছিয়ে বলতে পারছি না।
আমি পনেরো বছরের তরুণী। উপন্যাস পড়ে সারাদিন ভাবনার দুনিয়ায় ডুবে থাকি। আর স্বপ্ন দেখি। মূলত স্বপ্নই আমার অনুপ্রেরণা। এই গল্পটার অধিকাংশই আমার স্বপ্নে দেখা বাকিটা আশেপাশের ছোটো ছোটো ঘটনা থেকে নেওয়া।
তবুও আমার বোন আমার ফ্রেন্ডরা আমায় অনেক হেল্প করেছে। ২০২৬ এ আমরা এসএসসি দিবো একটু দোয়া করিয়েন।
আমার ছোট একটি গ্রুপ আছে নাম – গল্পের ঝুড়ি ( গল্প লিখি, গল্প পড়ি )
আর একটু ছোট পেইজ আছে নাম ” ক্ষুদে লেখিকা.,.”
সামনে ঈদ। ঈদ সালামি হিসেবে একটু ফলো দিয়ে আসবেন প্লিজ।
দোয়া করিয়েন আমার জন্য। হয়তো আবারও দেখা হবে কখনো নতুন গল্প নিয়ে।
ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। এতটুকু পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। )

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ