Friday, June 5, 2026







Hello Senior Part-03

#Hello_Senior
#সুমাইয়া_জাহান
#পর্ব_3. ( নৃশংসতা আছে, নিজ দায়িত্বে পড়বেন)

নীশ মেয়েটিকে সরিয়ে নিল। রোদ চোখে আগুন নিয়ে মেয়েটিকে দেখছে। পার্টির মধ্যে একটা অদ্ভুত নীরবতায় গড়িয়ে এলো। সবাই চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে, কেউ সাহস করে কিছু বলার চেষ্টা করছেনা।

নীশ চুপচাপ রোদকে একটুখানি তাকিয়ে দেখল, তারপর হালকা হাসি দিল। যাতে মিশে আছে একটা ধ্রুব শান্তি, যা শুধু দুজনের জন্যই।

রোদ বুকের অন্দরে ধীরে ধীরে শান্ত হলো, কিন্তু চোখের সেই আগুন এখনও ম্লান হয়নি। সে ধীরে ধীরে নীশের দিকে এগিয়ে এলো। সে আজ আরেকবার নিশ্চিত হলো যে, কেউ আর তার জায়গায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

নীশ রোদের দিকে তাকিয়ে বলল,
“শান্ত হও, রোদ। সব ঠিক আছে।”

রোদ অস্থিরভাবে বলল,
“ওই বাস্টার্ডটার সাহস হয় কীভাবে তোমাকে স্পর্শ করার। ওকে তো আমি আজ…”

নীশ তাক‍ে আটকে বলল,
“আর কিছু করতে হবেনা রোদ। মেয়েটি অলরেডি তোমাকে ভয় পেয়ে গেছে।”

রোদ ধীরে ধীরে নিঃশ্বাস নিচ্ছিল। পার্টি আবারও শুরু হলো। নীশ রোদের হাতে ধরে তাকে বার কাউন্টারে টেনে বসিয়ে বলল,
“শান্ত হও রোদ। সফট ড্রিঙ্কস নাও।”

রোদ চুপচাপ বসার চেষ্টা করল, কিন্তু তার চোখে অস্থিরতা আর রাগ এখনও বজায়। হঠাৎ সে হাত বাড়িয়ে বার থেকে একটি ড্রিঙ্কসের গ্লাস ধরল এবং একটিমাত্র চুমুকেই খেলে ফেলল।

নীশ তাকে থামিয়ে বলল,
“রোদ, এটা তোমার জন‍্য ঠিক হবে না। এসব রাখো তুমি।”

কিন্তু রোদ থামল না। একেরপর এক গ্লাস সে খেয়ে যাচ্ছিল।

নীশ নীরবে তাকিয়ে বলল,
“রোদ, তুমি নিজের ওপর কন্ট্রোল হারাচ্ছো। দেখেছো, তুমি মাতাল হয়ে যাচ্ছো।”

নীশের কোন কথা রোদের কানে গেল না। সে একেরপর এক গ্লাস খালি করায় ব‍্যস্ত হলো।

দূর থেকে সবটা খেয়াল করল রোশান। সে জানে, রোদ কখনও ড্রিঙ্কস করেনা। তাই সে মুহুর্তেই একটা প্ল‍্যান করে ফেলল। সে বারের মধ্যে থাকা একজন ড্রাগস ব‍্যবসায়ীর থেকে ড্রাগস এনে, একজন ওয়েটারকে ডেকে তার হাতে ড্রাগস আর কিছু টাকা দিয়ে বলল,
“এইটা ওই মেয়েটার ড্রিঙ্কসের সাথে মিশিয়ে দিবে। যদি কাজটা ঠিকমতো করতে পারো, তাহলে আরও খুশি করে দিব তোমাকে।”

ওয়েটারটা একবার রোশানের দিকে তাকিয়ে বলল,
“কাজ হয়ে যাবে, স‍্যার।”

কথাটা বলেই সে চলে গেল। রোশান তাকিয়ে রইল। ওয়েটারটা চুপচাপ বার কাউন্টারে ফিরে এল। সে খুব সর্তকতার সাথে একটা গ্লাসে ড্রাগস মিশিয়ে দিল। তারপর সে রোশানের দিকে এক ঝলক তাকিয়ে বাকিদের ড্রিঙ্কস সার্ভ করতে চলে গেল।

রোশান দূর থেকে লক্ষ্য করছিল। সে বুঝল, সব ঠিকঠাকভাবে এগোচ্ছে।

রোদ গ্লাসটি হাতে তুলে নিয়ে একবারে শেষ করল। নীশ তাকে আর আটকানোর চেষ্টা করল না।

এদিকে, নিজের প্ল‍্যান সাকসেসফুল হতে দেখে রোশান রোদের কাছে এসে বলল,
“নীশ! তুমি ওকে সামলাতে না পারলেও, আমি পারব। তুমি এখানে ইনজয় করো। আমি রোদকে বাসায় দিয়ে আসি।”

নীশ রোদের দিকে তাকাল। রোদ নীশের হাত টেনে ধরে বলল,
“আমি যাব না রোশানের সাথে। তুমি আমাকে যেখানে খুশি নিয়ে চলো।”

নীশ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল,
“ওকে চলো! আমি তোমাকে বাসায় নিয়ে যাচ্ছি।”

রোশান আটকাতে গেল, কিন্তু রোদ জেদ ধরল সে নীশের সাথেই যাবে। নীশ আর উপায় না পেয়ে এক ঝটকায় রোদের হাত ধরল এবং তাকে ধীরে ধীরে দাঁড় করাল। তারপর দুজন ধীরে ধীরে পার্টি থেকে বেরিয়ে গেল।

পেছনে দাঁড়িয়ে রোশান বার কাউন্টারে জোরে একটা পাঞ্চ মেরে বলল,
“সব প্ল‍্যান নষ্ট হয়ে গেল। কিন্তু নীশের ওপর আমার বিশ্বাস আছে। ও রোদের প্রতি একটুও ইন্টারেস্টেড না। রোদ যতই আজ ড্রাগের ফলে নিজের হুঁশ হারিয়ে নীশকে সিডিউস করার ট্রাই করুক, আমার বিশ্বাস নীশ নিজেকে সামলে নিতে পারবে। ডোন্ট ওয়ারি রোশান সের্গেইভ! নীশ তোমার শত্রু হলেও, এইটুকু বিশ্বাস তাকে করাই যায়।”

রোশান নিজের মনকে বোঝানোর চেষ্টা করে পার্টির ভিড়ে মিশে গেল।

বারের দরজা পেরিয়ে তারা বাইরে বের হয়ে গাড়ি পাশে দাঁড়িয়ে আছে। নীশ রোদকে গাড়ির ভিতরে বসাল। তারপর নিজেও গাড়িতে উঠে বসল। রোদের সিটবেল্ট বেধে দিয়ে সে গাড়ি স্টার্ট দিল।

গাড়ি ধীরে ধীরে পার্টির আলো থেকে বেরিয়ে শহরের শান্ত রাস্তায় মিলিয়ে গেল। রোদ নীশের পাশে বসে। পুরো মাতাল অবস্থায় নীশের কাঁধের উপর মাথা হেলিয়ে দিয়ে নীরবভাবে নিঃশ্বাস ফেলল। সে নীশের হাতটি আরও শক্ত করে ধরল। নীশ প্রথমে চাইল, রোদের বাড়িতে রোদকে ছেড়ে আসবে। কিন্তু এখন রোদের যা অবস্থা, সে গাড়ি নিজের বাড়ির রাস্তার দিকে ঘুরিয়ে নিল।

অল্প সময়ের মধ্যেই নীশ তার বাড়ির গেট পেরোল। সে সাবধানে গাড়ি পার্ক করল। রোদ জড় হয়ে বসে আছে। নীশ তার হাত ধরে ধীরে ধীরে তাকে গাড়ি থেকে নামাল।

সে রোদকে নিজের ব্যক্তিগত রুমের সোফায় বসাল। রোদ মাথা ঝুঁকিয়ে বসে রইল। নীশ রোদের অবস্থা দেখে তাকে সোফা থেকে তুলে বেডে শুইয়ে দিল। রোদ উঠে তার মাথা নীশের কাঁধে ঠেকিয়ে বসল। সে ধীরে ধীরে তার হাত নীশের শরীরে ছোঁয়াতে লাগল। নীশ হালকা অবাক হয়ে বলল,
“রোদ! এখন এটা বন্ধ করো। তুমি ড্রাঙ্ক হয়ে আছো। শান্ত হয়ে বসো।”

রোদ অস্পষ্ট কণ্ঠে হেসে বলল,
“না, না! আমি চাই তোমাকে।”

নীশ কিছুটা বিরক্ত স্বরে বলল,
“রোদ! আমি বলেছি, এখন তুমি বিশ্রাম নাও। আমাকে স্পর্শ করো না। তুমি মাতাল অবস্থায় বুঝতে পারছোনা যে, তুমি ঠিক কি করতে চাইছো।”

কিন্তু রোদ মানছে না। সে ধীরে ধীরে নীশের আরও কাছে ঘেঁষে আসলো। তার হাত নীশের কোমর ও বাহুতে লেগে গেল। তার চোখে অস্থিরতা, শরীরে অল্প কম্পন, আর কণ্ঠে অস্পষ্ট আকাঙ্ক্ষা।

“আমি, আমি তোমাকে চাই নীশ।”

নীশ হালকা ধমকের সূরে বলল,
“রোদ! আমি বলছি, বিশ্রাম নাও। তুমি যেভাবে এখন আচরণ করছো, সেটা ঠিক নয়। আমি এটা সহ্য করতে পারছি না।”

রোদ হেসে, মাতাল কণ্ঠে বলল,
“আমি এখন শান্ত থাকতে পারব না। তোমার ছোঁয়া চাই, শুধু তোমার ছোঁয়া…”

নীশ গভীর নিশ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে বলল,
“ঠিক আছে, রোদ। আমি এখানেই আছি। কিন্তু তুমি এটা বারবার করো না। আমি বিরক্ত হয়ে যাচ্ছি।”

রোদ কেবল হেসে মাথা নীশের কাঁধে আরও ঠেকিয়ে, হাত শক্ত করে ধরে রাখল। এতে যেন নীশ আরও বিরক্ত হয়ে গেল। কিন্তু রোদ ধীরে ধীরে আরও ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়ল। তার হাত নীশের কোমরে লেগে আছে, চোখে অস্পষ্ট আবেগ আর মাতাল আকাঙ্ক্ষা। সে বারবার নীশকে টেনে বলছে,

“এখন তুমি শুধু আমার কাছে থাকবে।”

নীশ হালকা বিরক্তি নিয়ে বলল,
“রোদ! আমি বলেছি, শান্ত হও। আর এতো কাছাকাছি আসো না। তুমি মাতাল। এটা ঠিক নয়।”

কিন্তু রোদ কোনো কথা শোনার মানসিক অবস্থায় নেই। সে ফিসফিস করে বলল,
“না! আমি তোমাকে কাছে চাই। এখনই নীশ।”

নীশ এবার কিছুটা রেগে গেল। সে হাত দিয়ে রোদকে দূরে ঠেলে বলল,
“রোদ! তুমি সীমা অতিক্রম করছো। আমি এসব সহ্য করতে পারি না। শান্ত হয়ে বসো।”

কিন্তু রোদ থামল না। সে আবার নীশের দিকে এগোতে চেষ্টা করল।

নীশ গভীর নিশ্বাস নিয়ে ধমক দিয়ে বলল,
“রোদ! এখনই থামো। যদি তুমি শান্ত না হও, আমি কিন্তু চলে যাব।”

রোদ অস্পষ্টভাবে হেসে বলল,
“না! আমি চাই তুমি আমার কাছে…”

নীশ বিরক্তি হয়ে বলল,
“শোনো, রোদ। আমি একেবারে ধৈর্যের শেষ সীমায় আছি। এখন আমি পাশের রুমে চলে যাচ্ছি। তুমি এখানে থাকো।”

রোদ হালকা ফিসফিস করল। নীশ ধীরে ধীরে রোদকে বিছানায় রেখে পাশের রুমের দিকে চলে গেল। দরজা বন্ধ করার আগে একবার ফিরে তাকাল।

রোদ বিছানায় ঠোঁট ফুলিয়ে বসে আছে। নীশ চলে গেল। সে পাশের রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করল। ঘরের মধ্যে এসে সে হালকা নিশ্বাস নিল। তারপর ধীরে ধীরে ওয়াইনের বোতল হাতে নিল। কর্ক খুলে এক চুমুক দিল। লাল তরল গলা দিয়ে নেমে তার শরীরে অদ্ভুত উষ্ণতা ছড়িয়ে দিল।

রোদের স্পর্শে এখনো তার শরীরে টিকে আছে। রোদের হাত নীশের কোমরে, ঠোঁট, কাঁধ, গলায় লেগেছিল। প্রত্যেকটা ছোঁয়ায় যেন নীশের শরীরে আগুন জ্বলে উঠেছিল। নীশ নিজেকে বাধা দিচ্ছে, কিন্তু রোদের অস্থিরতা আর মাতাল আকাঙ্ক্ষার কথা মনে হলে তার রাগ উঠছে।

সে গভীর নিশ্বাস নিয়ে বলল,
“শান্ত হও, শান্ত।”

নীশ আরও এক বোতল ওয়াইন নিল। লাল তরল দিয়ে যেন সে নিজের রাগ কিছুটা কমাতে চাইছে। চোখ বন্ধ করে সে মনে মনে রোদের স্পর্শকে প্রতিরোধ করার চেষ্টা করল এবং নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করল। তার শরীর জ্বলে উঠছে। সে জানে, যদি সে হার মানে, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। সে ধীরে ধীরে নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করল।

নীশ আরও এক গ্লাস ওয়াইন নিল, চোখ বন্ধ করে নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করল। রোদের স্পর্শে জ্বলতে থাকা শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে সে বুঝল—আজ রাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নিজের রাগ আর আবেগকে ঠান্ডা রাখা, আর রোদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

সে গভীর নিশ্বাস নিয়ে ওয়াইন খাচ্ছিল, হঠাৎ তার কানে ভেসে এলো রোদের চিৎকারের শব্দ। সে আর বসে থাকতে পারল না।

“রোদ!” নিশ চিৎকার করে বলল এবং দৌড়ে রোদের কাছে গেল।

রুমে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে সে যা দেখল তা যেন মুহূর্তে তার রাগ আর আতঙ্কের সব অনুভূতি একসঙ্গে জাগিয়ে দিল।

রোদ মাতাল অবস্থায় ওয়াইনের একটা বোতল হাতে ধরে রেখেছে, এবং অন‍্য একটা বোতল সে নিজেকে সামলাতে না পেরে পায়ের ওপর ফেলছে। কাচ রোদের পায়ে ঢুকে পা থেকে রক্ত ঝরে পড়ছে।

নীশ তৎক্ষণাৎ রোদের কাছে গিয়ে তাকে ধরে বলল,
“রোদ! তুমি কি করছো এসব? তোমার পা, দেখি।”

রোদ চিৎকার করছে, চোখ অর্ধেক বন্ধ, শরীর কেঁপে উঠছে।

নীশ দ্রুত রোদকে কোলে তুলে নিল। তাকে বেডে বসিয়ে দিয়ে ফাস্ট এইডের বক্স এনে রোদের পায়ে ব‍্যান্ডেজ করে দিল।

রোদ হঠাৎ কাঁদতে কাঁদতে বলল,
“তুমি আমাকে রেখে চলে গেছ, তাই আমার সাথে এমন হয়েছে। তুমি পঁচা নীশ।”

নীশ কোন কথা বলল না। রোদের হাত আবার নীশের দেহে অস্থিরভাবে ঘুরছে। মাতাল স্পর্শ, উল্টাপাল্টা ছোঁয়া—সব মিলেমিশে নীশের শরীরে আগুন জ্বালাচ্ছে। সে নিজের হৃদয় আর রাগকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলেও, রোদের স্পর্শে ধীরে ধীরে হারাতে শুরু করছে।

নীশ শ্বাস নিতে নিতে বলল,
“থেমে যাও, রোদ। হুঁশে ফিরে আসো। আমাকে প্লিজ, কন্ট্রোললেস করোনা না।”

রোদের অস্পষ্ট হেসে ওঠা ও অস্থির দৃষ্টি নীশকে আরও কন্ট্রোললেস করছে। সে আবারও বলল,
“আমি ক্ষুদার্ত পুরুষ রোদ। একবার কন্ট্রোললেস হলে, তোমার কিন্তু মৃত্যু ঘটতে পারে।”

রোদের চোখে অশ্রু, আর মাতাল আকাঙ্ক্ষা। নীশ হাত বাড়িয়ে রোদের কাঁধ ধরে বলল,
“আমি জানি, তুমি আমাকে কাছে চাও। কিন্তু এখন তোমার নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।”

রোদের কানে যেন কোন কথাই যাচ্ছেনা। রোদের অস্থির স্পর্শ আর মাতাল চোখ নীশকে ক্রমশ কন্ট্রোললেস করছে। সে নিজের শ্বাস নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। বুকের স্পন্দন ক্রমেই বেড়ে চলেছে।

এক মুহূর্তে নীশ বুঝতে পারল, তার ধৈর্য, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গেছে। সে আর নিজের আবেগকে থামাতে পারছে না। রোদের হাতের অস্থিরতা, মাতাল দৃষ্টি, আর্কষণীয় ছোঁয়া—সবই নীশকে এক অনিয়ন্ত্রিত উত্তেজনার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।

নীশ ফিসফিস করে বলল,
“আমি আর নিজেকে সামলাতে পারছি না, রোদ।”

তার শরীর কেঁপে উঠছে, হাত স্বাভাবিকভাবে কাঁপছে। সে আর নিজের অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেনা। সে এবার পুরোপুরি কন্ট্রোল হারালো। তার ধৈর্য্য শেষ হলো। হঠাৎ সে রোদকে ভাঙা কাঁচের ওপর ধাক্কা মেরে ফেলে দিল।

কাঁচ শরীরে ঢুকে রোদ ব‍্যথায় আর্তনাদ করে উঠল। মুহূর্তেই রক্তের ছোপ ছোপ দাগ ঘরের মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ল।

নীশ তাড়াহুড়া করে রোদের কাছ থেকে সরল। সে গিয়ে রুমের দরজা লক করে দিয়ে আসলো। ভিতরে এসে নিজের শার্ট ছিঁড়ে ফেলে বিছানার ওপর ছুঁড়ে মারল।

“সরি, রোদ! আমি তোমাকে অনেকবার সাবধান করেছিলাম। আমি ক্ষুধার্ত শিকারী, আর তুমি আজ আমার শিকার। আমি চাইনি তোমার কোনো ক্ষতি হোক। কিন্তু তুমি আমাকে কন্ট্রোললেস করলে, এখন তোমার বাঁচা-মরা সব গডের হাতে।”

কথাগুলো বলার সঙ্গে সঙ্গে সে ধীরে ধীরে বেল্ট খুলে ফেলল। তার চোখে তীব্রতা আর উচ্ছৃঙ্খল আগুন। নীশ সম্পূর্ণরূপে কন্ট্রোলহীন। তার শরীরের উত্তেজনা, রোদের ওপর ক্ষুধার্ত আগ্রহ, সব মিলেমিশে এক পশু তার ভেতর জন্ম নিল। রোদের ব‍্যথাতুর শব্দ ধীরে ধীরে নীশকে আরও দূর্বল করে দিল। সে একটানে রোদের গায়ের পোশাক ছিঁড়ে ফেলল। তারপর পাশ থেকে একটা ওয়াইনের বোতল তুলে নিয়ে কর্ক খুলে নিজের গলায় ঢেলে দিল কিছুটা। নিজের গলা ভিজিয়ে অবশিষ্ট তরল ছুঁড়ে দিল রোদের উন্মুক্ত শরীরের ওপর। ঠান্ডা অ্যালকোহল গড়িয়ে নামতে নামতে যখন রোদের টাটকা ক্ষতের ভেতর গিয়ে পোড়াতে শুরু করল। তখনই রোদ যন্ত্রণায় গগনবিদারী চিৎকার ছুঁড়ে দিল। সেই আর্তচিৎকারের প্রতিধ্বনি ঘরে কেঁপে উঠতেই নীশ হঠাৎই উন্মাদের মতো হাসিতে ফেটে পড়ল। সে আর দেরি করল না। বেল্ট দিয়ে রোদের শরীরে অমানুষিকভাবে আঘাত করল। রোদ যন্ত্রণায় ছটফট করতে লাগল। নীশ রোদের কষ্ট দেখে ঝাঁপিয়ে পড়ল রোদের ওপর। রোদের পিঠের নিচে পড়ে থাকা ধারালো টুকরোগুলো একে একে রোদের কোমল ত্বকে গেঁথে যেতে লাগল। যন্ত্রণায় রোদ ছটফট করতে করতে হাত-পা ছুঁড়লেও তার শরীরের ওপর নেমে আসা নিষ্ঠুর আঘাত থামল না এক মুহূর্তের জন্যও। রক্ত ঝরে গাঢ় লাল নদীর মতো গড়িয়ে পড়তে থাকল, আর সেই দৃশ্য দেখে নীশের চোখে অদ্ভুত এক পৈশাচিক তৃপ্তির ঝিলিক ফুটে উঠল। নীশ তখন আর মানুষ থাকল না, পুরোপুরি এক জানোয়ারে রূপ নিল। সে একেবারে জানোয়ারের মতো আচরণ শুরু করল। ক্ষুধার্ত পশুর মতো নিজের বিকৃত আকাঙ্ক্ষায় সে রোদের শরীর ছিঁড়ে খেতে লাগল। তার প্রতিটা ছোঁয়া যেন ধারালো ছুরির মতো। তার প্রতিটা দংশন রোদকে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিচ্ছিল। রোদের চোখ থেকে অশ্রু ঝরছিল, ঠোঁট কাঁপছিল, কিন্তু তার যন্ত্রণাভরা আর্তনাদকে নীশ উপভোগ করছিল এক অদ্ভুত বিকৃত সুখে। রক্ত, ঘাম আর আতঙ্কের গন্ধে চারদিক ভারী হয়ে উঠল, আর সেই নিস্তব্ধতার ভেতর শুধু নীশের উন্মাদ হাসি প্রতিধ্বনিত হতে লাগল। তার লাল চোখে পৈশাচিক তৃষ্ণা জ্বলছিল, আর নিজের আকাঙ্ক্ষা মেটাতে সে হয়ে উঠল আরও বুনো, আরও অমানবিক। যন্ত্রণার রোদের দমবন্ধ করা চিৎকারে ঘর ভরে উঠলেও নীশের মুখে শুধু উন্মাদ হাসি খেলে গেল, যেন অন্য কারও কষ্টই তাকে উল্টো তৃপ্তি এনে দিচ্ছে।

টানা দুই ঘণ্টা নিজের পৈশাচিক আকাঙ্ক্ষা মেটানোর পর অবশেষে নীশ ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল। তার হাঁটার ভঙ্গি ক্লান্ত নয়, বরং অদ্ভুত এক তৃপ্তির ছাপ নিয়ে ভরপুর। ঘরের কোণায় গিয়ে সে টেবিল থেকে তুলে নিল এক ধারালো ব্লেড, তারপর অন্ধকারে মৃদু আলো জ্বালানোর জন্য ধরল একটা মোমবাতি। মোমবাতির কাঁপা কাঁপা আলোতে তার চোখে ফুটে উঠল শিকারির নিষ্ঠুর দীপ্তি—যেন আগের সবকিছুই ছিল কেবল শুরু, আসল খেলা এখনো বাকি।

সে মোমবাতির সলতোয় আগুন ধরিয়ে ধীরে ধীরে রোদের দিকে এগিয়ে এলো। অন্ধকার ঘরে কাঁপা কাঁপা শিখা তার মুখে ভৌতিক ছায়া ফেলে দিচ্ছিল। রোদ প্রায় অজ্ঞান হয়ে পড়েছিল। তার নিঃশ্বাস ভারী আর চোখ অর্ধেক বন্ধ। ঠিক তখনই নীশ আবার তার ওপর ঝুঁকে পড়ল। এক হাতে তাকে শক্ত করে চেপে ধরে, অন্য হাতে জ্বলন্ত মোমবাতি রোদের ওপর কাত করে ধরে রাখল। গলিত মোম এক ফোঁটা, দুই ফোঁটা করে রোদের উন্মুক্ত শরীরে পড়তে লাগল। প্রতিটি ফোঁটা যেন দগদগে আগুন হয়ে চামড়ায় ঢুকে যাচ্ছিল। যন্ত্রণায় রোদ কেঁপে উঠল, ঠোঁট ফাঁকা করে নিঃশব্দে আর্তনাদ করার চেষ্টা করল, কিন্তু গলার শব্দ আটকে গেল। সেই দৃশ্য দেখে নীশের ঠোঁটে আবারও ফুটে উঠল বিকৃত এক হাসি—যেন প্রতিটি যন্ত্রণাদগ্ধ চিৎকারই তার কাছে ছিল, তার প্রিয় সঙ্গীত।

সে মোমবাতি একপাশে রেখে এবার হাতে তুলে নিল ধারালো ব্লেড। রোদের নিস্তেজ শরীরটা তার সামনে যেন এক খালি ক্যানভাস, আর সে হয়ে উঠল পৈশাচিক শিল্পী। ব্লেডের ধার একে একে রোদের ত্বকের ওপর টেনে আঁকতে লাগল অদ্ভুত সব রেখা, যেন রক্ত দিয়েই সে স্কেচ তৈরি করছে। প্রতিবার টান দিতেই লালচে দাগ দিয়ে রক্ত চুঁইয়ে গড়িয়ে পড়ছিল মেঝেতে। রোদ ব্যথায় কাঁপছিল, কিন্তু সে আর্তনাদের শক্তিও যেন অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছিল।

অতিরিক্ত উন্মাদনায় নীশ নিজেকেও রেহাই দিল না—ভাঙা কাচ আর ব্লেডের ধার তার হাতেও লেগে গেল। মেঝেতে পড়ে থাকা কাচের টুকরোতে নিজেও ক্ষত-বিক্ষত হলো। নিজের শরীর ক্ষত-বিক্ষত হতে থাকলেও সে থামল না এক মুহূর্ত। বরং রক্তের গন্ধ, ব্যথার উন্মাদনা আর সেই ভয়ঙ্কর খেলা যেন তাকে আরও পাগল করে তুলল। রোদের শরীর রক্তে ভিজে মেঝেতে লালচে দাগ ছড়িয়ে পড়ছে, নীশ যেন আরও উন্মাদ হয়ে গেল। রক্তাক্ত, ক্ষত-বিক্ষত রোদের শরীর তার চোখে এক অদ্ভুত, বিকৃত আকর্ষণ তৈরি করল—প্রতিটি দাগ, প্রতিটি ছেঁড়া অংশ তাকে আরও উন্মাদ করে তুলল। সে আর থামল না, আবারও ঝাঁপিয়ে পড়ল রোদের ওপর। সে রোদের পুরো শরীরকে নিজের পৈশাচিক ছোঁয়ার নিদর্শনে ভরিয়ে তুলল। কামড়ের প্রতিটি দাগ যেন লাল অক্ষরে লেখা কোনো নিষ্ঠুর বার্তা হয়ে রোদের ত্বকে ছাপ ফেলল। রক্তের গোল দাগ হয়ে গড়ে উঠল তার শরীরে অদ্ভুত এক নিদারুণ নিদর্শন। রোদের শ্বাস কেঁপে উঠছিল, চোখ অর্ধেক বন্ধ, কিন্তু নীশের পাগলাভাবে চোখে ভরা আনন্দের তুলনায় তার যন্ত্রণার শব্দ যেন নিছক পটভূমি।

টানা ছয় ঘণ্টা ধরে নীশ রোদের ওপর চালাল অমানুষিক অত‍্যাচার। ঘরের ভেতর রক্তের গন্ধ, নিঃশ্বাসের দমবন্ধ করা শব্দ আর ক্রমশ ঘন হওয়া নিস্তব্ধতা—সব মিলিয়ে এক ভয়ঙ্কর মুহূর্ত তৈরি করেছিল। রোদ তখন আর অর্ধচেতনও ছিল না। তিন ঘণ্টা আগে থেকেই সে সেন্স হারিয়ে ফেলেছিল, আর তখন অচেতন দেহটি শুধু নীশের উন্মাদনা এবং বীভৎস খেলা সহ্য করে চলছিল।

নীশ হঠাৎ উঠে দাঁড়াল। তার তীক্ষ্ম চোখ আর ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে আসা নিঃশ্বাসে যেন এক অদ্ভুত শান্তি তার মধ্যে বয়ে গেল। রোদের অচেতন, রক্তে ভেজা দেহকে সে শক্ত করে কোলে তুলে নিল। তারপর সে ধীরে ধীরে ঘরের অন্ধকার পেরিয়ে ওয়াশরুমের দিকে এগোতে লাগল। ওয়াশরুমে ঢুকতেই নীশ ধীরে ধীরে রোদের অচেতন দেহকে কোলে রেখেই শাওয়ারের পানি ছেড়ে দিল। গরম পানির ধারায় ধীরে ধীরে রোদ আর নীশের শরীরের রক্ত ধুয়ে গেল।

তারপর সে রোদকে রুমে এনে বেডে শুইয়ে দিল। রোদের প্রতিটি ক্ষত, প্রতিটি দাগের ওপর সে খুব যত্ন করে অ্যান্টিসেপ্টিক মেডিসিন লাগাল। তারপর ব্ল্যাঙ্কেট দিয়ে রোদের উন্মুক্ত শরীরটা ঢেকে দিল।

সে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে রোদকে পরক্ষ করল। তারপর বাহিরে যাবার জন‍্য ধীরে ধীরে রেডি হতে শুরু করল। কালো হুডি মাথায় টেনে নিল, মুখের দিক ঢেকে রাখল। হাতে গ্লাভস আর পায়ে শক্ত বুট পড়ে নিল। সে রেডি হয়ে ড্রেসিং টেবিলের সামনে এগোল। ছোট্ট বোতলটির গায়ে লেখা “ক্লাইভক্রিস্টিয়ান নংওয়ান ইমপিরিয়াল ম্যাজেস্টি” পারফিউমটি হাতে নিল। সে ধীরে ধীরে একটি ফোঁটা ঘ্রাণ তার কানের পিছনে ছিটিয়ে দিল, ধীরে ধীরে ঘ্রাণ চারপাশে মিশতে লাগল। তারপর সে গাড়ির চাবি হাতে নিয়ে বেরিয়ে গেল, যেন কোনো গুপ্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সে রেডি।

ঘড়ির কাঁটায় ভোর প্রায় রাত তিনটা চল্লিশ। নীশের গাড়ি বারের সামনের থেকে অনেকটা দূরে থেমে দাঁড়াল। সে যেন কারো অপেক্ষায় রইল। বিশ মিনিটের মতো অপেক্ষায় থাকার পর বার থেকে বেরিয়ে এলো সেই মেয়েটি।

নীশের ঠোঁটে স্বাভাবিকভাবেই ফুটে উঠল বাঁকা হাসি। মেয়েটি মদ্যপ অবস্থায় গাড়িতে উঠে ড্রাইভ করতে শুরু করল, আর নীশ তার পিছু নিল। হঠাৎ, এক শুনশান রাস্তায় পৌঁছতেই নীশ তৎক্ষণাৎ তার গাড়ি মেয়েটার গাড়ির সামনে ব্রেক করল।

তারপর সে পুরো মুখ ঢেকে মেয়েটির গাড়ির পাশে এসে দাঁড়াল। মেয়েটি কিছু বলতে যাবে তার আগেই নীশ গাড়ির দরজা খুলে মেয়েটিকে সেন্সলেস করে তার দু’হাত বেধে দিল। তারপর দড়ি দিয়ে টান দিয়ে মেয়েটিকে রাস্তার ওপর ফেলে তাকে টানতে টানতে নিজের গাড়িতে তুলে নিল। তারপর নীশ গাড়ি স্টার্ট দিল। রাস্তার নিঃশব্দে গাড়ির গতি ধরে সে অগ্রসর হল। প্রায় ত্রিশ মিনিটের চুপচাপ যাত্রার পর, গাড়িটি অবশেষে তার গন্তব্যে পৌঁছাল।

সে জঙ্গলের গভীরে এক নিঃসঙ্গ, ছায়াময়ী বাড়ির সামনে এসে গাড়ি থামাল। সেখানে তার গোপন ল্যাব। জায়গাটা একদম গা ছমছমে। দিনের বেলায়ও হয়তো কোনো মানুষের সাহস হবেনা এখানে আসার।

গাড়ি থামিয়ে নীশ মেয়েটিকে জোর করে টেনে বের করল। মেয়েটি সেন্সলেস হয়ে আছে। তার মধ্যে প্রতিরোধের কোনো সামর্থ্য নেই।

ভেতরে ঢুকে নীশ মেয়েটিকে এক অন্ধকার রুমে ফেলে দিল। বাতি নেই, জানালা নেই, শুধু গভীর অন্ধকার আর শীতল দেয়াল। মেয়েটির নিঃশ্বাস থেমে থেমে আসছিল, অচেতন দেহটা ঠান্ডায় কাঁপছিল। নীশ ধীরে ধীরে দরজার সামনে দাঁড়াল। তারপর নিজের ল‍্যাবে গিয়ে এসিড এবং তার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে এলো।

সে এসিড মেয়েটার শরীরের ওপর ঢেলে দিল। মেয়েটি ছটফট করতে করতে ধীরে ধীরে তার জ্ঞান ফিরল। চোখ খুলতেই সে নিজেকে অন্ধকার রুমের ভিতর দেখল। তার হৃদস্পন্দন দ্রুত বেড়ে গেল, শীতল ভীতির ঢেউ শরীর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল। সে চিৎকার করে উঠে প্রাণভিক্ষা চাইতে শুরু করল।

নীশ হাসতে হাসতে মেয়েটির চারপাশে ঘুরল। তারপর সে আচমকায় বলল,
“আমি নীশ রোজারিও! কথা কম, কাজ বেশি করি। আর যেটা করি, সেটা খুব মন দিয়ে করি। আমি বারণ করার পরেও আমাকে ছুঁয়েছিলি। আজ তোর জন‍্য আমি কন্ট্রোললেস হয়ে একটা বড় ভুল করে ফেলেছি। আমি নীশ রোজারিও! যে ভুল করেনা, সে আজ ভুল করেছে। আর এইসবের জন‍্য তুই দায়ী। তাহলে তোকে আমি কীভাবে ছেড়ে দেই, বল?”

মেয়েটা কাঁদতে লাগল। নীশের কানে মেয়েটির কান্না শান্তির মনে হলো। সে উন্মাদের মতো বলল,
“তোর হাত দিয়ে আমাকে ছুঁয়েছিলি, তাইনা?”

কথাটা বারবার বলতে বলতে সে মেয়েটার হাত একটানে ছিঁড়ে ফেলল। মেয়েটি গগন ফাটিয়ে চিৎকার করে উঠল। নীশ যেন আরও পৈচাশিক হয়ে উঠল। মেয়েটি জ্ঞান হারানোর আগে, সে মেয়েটিকে ধীরে ধীরে জ*বা*ই করে ফেলল। মেয়েটির চিৎকার বন্ধ হয়ে গেল। নীশ একে একে মেয়েটিকে উন্মুক্ত করে, মেয়েটির বডিটা টুকরো টুকরো করে ফেলল। তারপর মাংসের টুকরোগুলো এসিড দিয়ে জ্বালিয়ে দিল। এসিডের ধোঁয়া রুমের মধ্যে কুয়াশার মতো ছড়িয়ে পড়ল। নীশের নাকে ভেসে এলো গলিত মাংসের তীব্র গন্ধ। সে বুক ভরে গলিত মাংসের গন্ধ টেনে নিল। তারপর কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে রুমে দরজা লক করে চলে গেল।

চলবে..?

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ