Friday, June 5, 2026







ডায়েরির শেষ পৃষ্ঠা পর্ব-০১

#ডায়েরির_শেষ_পৃষ্ঠা
#সূচনা_পর্ব
#সমৃদ্ধি_রিধী

-“মাহিদের মা আজকে আমাকে একটা প্রস্তাব দিয়েছে আম্মু। ওনি অহমিকে ওনার ছেলের বউ হিসেবে ঘরে তুলতে চান।”

অহমি মাত্রই চিকেন ফ্রাইয়ে বাইট দিতে যাচ্ছিল এমন সময় আহিরের কথা শুনে ও বড় বড় চোখ করে মায়ের দিকে তাকায়। আফরোজা বেগমও বেশ অবাকই হয়েছেন।

-“তোমার স্টুডেন্ট মাহিদ? যে এডমিশন টাইমে তোমার কাছে পড়ে তোমার মেডিকেলে চান্স পেয়েছিলো? তুমি কি বলেছ তােদের? ”

-” হুম। আজকে আমার দুপুরে ওদের বাসায় দাওয়াত ছিলো না? তখনই আমার কাছে ওর মা প্রস্তাবটা রাখে। তোমার সাথে কথা বলা ছাড়া তো আমি কোনো মতামত তাদের দিতে পারি না। তাছাড়া অহমেরও যদি অন্য কাউকে পছন্দ থাকে? আমি ওনাদের পরে জানাবো বলেছি।”

-” যদি ছেলে ভালো হয় তাহলে তো অসুবিধা নেই, অহমিরও বিয়ের বয়স হচ্ছে। এখন তুমি তোমাদের বাবার অবতর্মানে ওর অভিভাবক। তোমার যদি মনে হয় তোমার বোনের জন্য ছেলে হিসেবে মাহিদ পারফেক্ট তবে তুমি কথা আগাতেই পারো। আমার কোনো অসুবিধা নেই।”

আহির আর আফরোজা বেগমের মধ্যে আরো কিছুক্ষণ কথাবার্তা চললো। অহমি পুরো সময় নির্বিকার ছিলো। অহমি যখন টেস্ট শেষ করে পুরোদমে এসএসসি প্রিপারেশন নিচ্ছিল তখন আতহার হুসাইন মাহিদ নামে একজনকে তার বড় ভাই মেডিকেলের জন্য টিউশানি পড়াত। মাহিদকে ও বেশ কয়েকবার দেখেছে। মাথা নিচু করে ওদের বাসায় ঢুকতো, মাথা নিচু করে বের হতো। নিতান্তই ভদ্রলোক। মাহিদই আহিরের প্রথম ছাত্র। আহির মেডিকেল থার্ড ইয়ারে থাকতেই মাহিদকে পড়ায়। আহির অবশ্য তার শেষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অহমির মতামতকেও গুরুত্ব দিয়েছে। বাবা ছাড়া পরিবারে মা-ভাইকে অনেক কষ্টই করতে হয়েছে। কিন্তু অহমিকে তারা কখনোই কষ্ট করতে দেয়নি। তারা সবসময়ই অহমিরর ভালো চান। তারা যখন অহমির বিয়ের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন সেখানে অহমির দ্বিমত করার কোনো প্রশ্নই আসে না।

অহমি নিজের চিকেন ফ্রাইটা শেষ করে রুমে চলে আসে। বড্ড অগোছালো রুম তার। টেবিলের বইগুলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা। মেঝেতে রং তুলি রেখেই ভাইয়ের আনা চিকেন ফ্রাই খেতে গিয়েছিল। ছাদ থেকে আনা জামাকাপড় গুলো এখনো গুছানো হয়নি। অহমি রুমের দরজা বন্ধ করে স্পটিফাই এ প্রথমে গান ছাড়লো। একেএকে রং-তুলি, জামা কাপড়, বিছানা, সবশেষে পড়ার টেবিল নিমিষেই গুছিয়ে ফেললো। এই রং-তুলি, টেবিলের কিছু অংশ নিয়েই তার জীবন। রুমের লাইট নিভিয়ে টেবলিল্যাম্প জ্বালিয়ে তার ব্যক্তিগত ডায়েরিটা বের করলো। ডায়েরির পাতার উপর কলমের খচখচ শব্দ হতে থাকলো।

“মাহিদ! আমি লোকটা ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। তবে দেখেছিলাম এক দুইবার৷ ভাইয়ার কাছে পড়তে আসত। ছেলে মেবি ইন্ট্রোবার্ট। ওকে কখনো আমার দিকে সেইভাবে তাকাতে দেখিনি। আচ্ছা ও কি আমাকে পছন্দ করে?আমাকে ভালোলাগায় ভাইয়ার কাছে প্রস্তাব দিয়েছে? নাকি একজন বিবাহযেগ্য পাত্র যেমন বিবাহযোগ্যা পাত্রীকে প্রস্তাব দেয় ঠিক সেইভাবে? জানি না! আমার তো কেনো গুণই নেই কারো ভালোবাসার মানুষ হওয়ার। তাহলে কেনোই বা পছন্দ করবে? হয়তো, হয়তো..হয়তো কেবল প্রস্তাবই দিয়েছে! প্রস্তাব দিলেই তো বিয়ে হয়ে যাবে না?

তবে ভাইয়া যদি ওনার সাথে আমার বিয়ের কথাবার্তা আসলোই এগোয় তাহলে অবশ্যই তা আমার জন্য ভালোই হবে। এরপরও যদি আমার সাথে ভালো কিছু না হয় তাহলে বুঝবো ভাগ্য খারাপ। কিন্তু আমি ভালো বউ হওয়ার চেষ্টা করবো। আমার মা সারাজীবন অনেক কষ্ট করেছে। আমি চাই না আমার জন্য তাকে আরো কিছু সহ্য করতে হোক। আমি নিজের কষ্ট হলেও কখনো কাউকে কিছু বুঝতে দিবো না। আমি চাই না আমার জন্য ওদের আর কোনো অসুবিধা হোক।”

অহমির সবসময় নিজেকে অপর্যাপ্ত মনে হয়। সবসময় ইনসিকিউরিটিতে ভুগে। মনে হয় কারো জীবনেই ও সুখের কারণ হতে পারবে না। অহমির জন্মের এক সপ্তাহ আগে ওর বাবা মারা যায়। সেই থেকে ওর দাদীর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ওকে কথা শোনাতো। একই সাথে দুই ফুফু তো ছিলোই। এই কথা অবশ্য আহির বা আফরোজা বেগম জানেন না। ছোট্ট অহমির তাই ছোট থেকেই মনে হতো ও সবসময় ভুলই করে। ওর যে অ্যাটেলোফোবিয়া হয়ে গেছে তা কেউই বুঝতে পারে না। আসলে অহমি বুঝতেই দেয়না।

অহমি ডায়েরিটা বন্ধ করে দিলো। ডায়েরিটা টেবিলের এক কোণায় রেখে আরেকটা ডাইরি বের করলো- পৃষ্টার শুরুতেই লিখলো ‘অমবস্যা ক্রিনিকোলাস’ -ডেট ২৩/০৫/২০২৫। খুব ছোট থেকেই গল্প লিখতে খুব পছন্দ করে, তবে কখনো সেগুলো প্রকাশ করা হয়নি। ভয় হয়!যদি কেউ উপহাস করে? সেই নাইন থেকে কত গল্প যে লিখেছে! কখনো প্রকাশ করা হয়নি। আজ অমব্যাসার ক্রিনিকোলাসের একদাশ অধ্যায় লিখবে। আজকের টপিক নিয়ে একটু রিসার্চ করতে হবে। তাই ল্যাপটপটা ওন করলো। ওর অনেক ইচ্ছে একজন রাইটার হওয়ার। তবে সে নাম প্রকাশ করবে না। গল্প লিখার এক পর্যায়ে সে বেমালুম ভুলে গেল কালকে ফার্মাকোলজি সাবজেক্টটার পরীক্ষা।
_________________________

মাহিদের সাথে অহমির বিয়ের ব্যাপারে পারিবারিক ভাবে অনেকটা এগিয়ে গেলেও এখনো অহমি আর মাহিদের সরাসরি কথা হয়নি। কারনটা অহমির অর্নাস থার্ড ইয়ারের পরীক্ষা। আজ অহমির পরীক্ষা শেষ। তাই আহির ওকে আগামীকাল মাহিদের সাথে দেখা করতে বলে। অহমিও আপত্তি করে না। রাতে ডিনার শেষ করে রুমে এসে ড্রেস চুজ করে। খুব সিম্পল অ্যাশ কালারের একটা থ্রিপিস চুজ করে পড়ার জন্য। ও খুব একটা জুয়েলারি পছন্দ করে না। কানে পাথরের কানের দুল আর দৈনন্দিন যে ঘড়ি পরে তা দিয়েই রেডি হয়ে ও মাহিদের সাথে দেখা করতে যাবে। ভাইয়া মাহিদের নাম্বার, যে জায়গায় দেখা করবে তার ঠিকানা ওকে বলে দিয়েছে। বলেছে এগারোটায় ওকে সেই ক্যাফেতে উপস্থিত থাকতে। অহমিও সম্মতি জানিয়েছে প্রতিবারের মতো। ভয় যদি অবাধ্য হলে ভাইয়ার খারাপ লাগে?

সেইদিন রাতে অহমি তার ব্যক্তিগত ডায়েরিটা নিয়ে আবারও বসলো। পুরো রুমে আবারও কলমের খচখচ শব্দ। “একটা ছেলেকে ভার্সিটির ফাস্ট ইয়ারে ভালো লাগত। কিন্তু বলা হয়নি। যদি রিজেক্ট করে? তাছাড়া ওটা এমনিতেই একদিন দেখে ভালো লেগেছিল এমন ধরনের। খুব সিরিয়াস না। পরে জানতে পারি ছেলেটার ওর ক্লাসমেটের সাথে রিলেশন ছিলো। ভাগ্যিস জানায়নি। নইলে যে বাজেভাবেই না রিজেকশনের স্বীকার হতাম!”

এমন করে রাত ২:৩০ টা পর্যন্ত অহমি নানান বিষয়ে লিখতেই থাকলো। ওর রাত যেন আজ ফুরায় না।

_________

মাহিদের সাথে ১১ টায় দেখা করার কথা থাকলেও অহমির ক্যাফেতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ১১:৩০ হয়ে যায়। অহমি মাহিদকে তার এসএসসির সময় শেষ দেখলেও এখন ওর পিছনের অংশ দেখে খুব সহজেই চিনে ফেলে। ও ধীর পায়ে বরাদ্দকৃত টেবিলের সামনে গিয়ে মাহিদকে সালাম দেয়।

-“আসসালামু ওয়ালাইকুম।”

মাহিদ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মুখ তুলে ওকে দেখে সালামের জবাব দেয়।

-“প্লিজ সিট।” অহমি ধীরে-সুস্থে বসতেই মাহিদ বলে-“তুমি আধা ঘন্টা লেটে এসেছ। ”

অহমির বলতে ইচ্ছে হলো ‘ঘুম থেকে উঠতে দেরী হওয়ায় লেট হয়েছে।সাথে মড়ার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে জ্যাম তো আছেই।” কিন্তু অহমি ক্ষীণ আওয়াজে বললো-“সরি।”

-“বাই দ্যা ওয়ে কি খাবে?”

-“আপনি অর্ডার দেন, আমার সমস্যা নেই।” কিন্তু ও বলতে পারলো না প্লিজ স্যান্ডউইচ ছাড়া যা ইচ্ছে অর্ডার দেন। আমার স্যান্ডউইচ ভালো লাগে না। মাহিদও তখন নিজের খেয়াল খুশি মতো কিছু না বলে কফি, স্যান্ডউইচ অর্ডার দিল।অহমি অপ্রকাশিতভাবে ভীষণ মন খারাপ করলো। অহমি ও মাহিদ বেশ কিছুক্ষণ অহমির পড়াশোনার ব্যাপারে কথা বললো। একপর্যায়ে মাহিদ বলে-“তোমার আগে রিলেশন ছিল? আমি সব মানলেও এই একটা জিনিস আমার বউ এর জন্য মানবো না।”

-“না, আমার সেরকম কিছু নেই, একচুয়েলি আই নেভার ডেটেট এনি গাই।”

মাহিদ মনে মনে বেশ খুশিই হলো। অবশ্য অহমির ব্যাপারে আগেও বেশ কিছু জায়গায় খোঁচখবর তো অবশ্যই নিয়েছিল।

-“তোমার আমাকে বিয়ে করতে কোনো আপত্তি আছে?”

-“না সেরকম নেই, ভাইয়া আম্মু যা ভালো বুঝে তাই করবে। কিন্তু আপনার?”

-” হুম, অবশ্যই আপত্তি আছে। অন্যতম কারণ তুমি খুব অগোছালো, কারণ আমি সবসময় জিনিসপত্র গোছগাছ করে রাখতেই পছন্দ করি। কিন্ত তুমি তার বিপরীত।”

অহমি বেশ অবাক হলো। অগোছালো সে ঠিক আছে! কিন্তু তা মাহিদ কি করে জানলো? ও তো বেশ পরিপাটি হয়েই বাইরে বের হয়। তবে অহমি সবচেয়ে বেশি অবাক হলো পরের কারণটা শুনে।

-” তোমার নিজস্ব কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাই নেই।”

চলমান…

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ