Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"নব ফাল্গুনের দিনেনব ফাল্গুনের দিনে পর্ব-০৮(শেষাংশ)

নব ফাল্গুনের দিনে পর্ব-০৮(শেষাংশ)

#নব_ফাল্গুনের_দিনে (শেষ পর্বের শেষাংশ)
নুসরাত জাহান লিজা

নৈঋতার ঘুম ভাঙল মুঠোফোনের রিংটোনে, কলারের নাম দেখে উঠে বসল ঝটপট। সময় দেখল, ছয়টা বত্রিশ, এত ভোরে রিহান কেন কল করেছে! রাতেও অনেকবার কল দিয়েছে, সে ইচ্ছে করে ধরেনি। নিজের মনের নাজুক অবস্থা ওকে জানতে দিতে চায় না বলে, সেজন্য ভালোমতো বিদায়ও নিতে পারেনি।

কোনো সমস্যা হলো কি-না ভেবে কলটা রিসিভ করল, কিন্তু সহসা মুখে কথা ফুটল না।

“নীরু!”

“রিহান? কোনো সমস্যা হয়েছে?”

“হুম, জীবন মরণ সমস্যা।”

নৈঋতার চিন্তা প্রগাঢ় হলো, অস্থির চিত্তে প্রশ্ন করল, “কী হয়েছে?”

“একবার বাইরে আসবি নীরু?”

“মানে?”

“আমি তোদের বাড়ির পাশে একটা পার্কের মতো জায়গা আছে না? তুই গল্প করতি, তোর মন খারাপ হলে এখানে বসে থাকিস। আমি এখানে আছি।”

“এত সকাল সকাল কল দিয়ে ফাজলামো করছিস কেন? তাছাড়া সকালে আমি তোকে না ডেকে দিলে উঠিস না৷ আজ…”

“তুই আমার এলার্ম ঘড়ির কাজ করতিস, আজ ভাবলাম একদিনের জন্য আমি তোর এলার্ম ঘড়ি হয়ে যাই৷ তাছাড়া আমি, সত্যি বলছি। দাঁড়া, প্রমাণ দেই।”

বলে একটা সেলফি তুলে পাঠালো রিহান।

“বিশ্বাস হলো? এই ডিসেম্বরের কনকনে ঠাণ্ডায় তিন ঘণ্টা ধরে এখানে বসে আছি। একবার আয় প্লিজ, ভীষণ জরুরি কথা আছে৷ না বলতে পারলে হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে!”

“এখন কয়টা বাজে তুই জানিস?”

“না জানার কী আছে! আমি এসে পৌঁছেছি, তখন সাড়ে তিনটা বাজে। অত রাতে তোকে ডাকলে খারাপ দেখাবে, সেজন্য এতক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছি। এখন তো ভোর হয়েছে। আয় প্লিজ!”

নৈঋতা চোখেমুখে পানি দিয়ে একটা শাল গায়ে জড়িয়ে বেরিয়ে এলো। চুলটাও আঁচড়ানো হয়নি। রিহান কী বলতে চায় ওকে! যার জন্য এভাবে ছুটে এসেছে!

বেরুবার সময় বসার ঘরে ওর বাবা বসেছিলেন, তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “কোথায় যাচ্ছ এত সকাল সকাল?”

“পার্কে।”

“কেন?”

“আমার একজন ফ্রেন্ড এসেছে তাই।”

“যেই ফ্রেন্ডকে নিয়ে শাফায়াতের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলে সে?”

“হ্যাঁ।”

“এটা বেয়াদবি নয়?”

“আমি এসে তোমার সাথে কথা বলি বাবা?”

কথাটা বলে শোনার জন্য আর দেরি করল না, তার নতুন পরিবার নিয়ে তিনি তো শান্তিতেই আছেন। ওকে কোনটা আদব কোনটা বেয়াদবি সেটার শিক্ষা দেবার মতো সময় বা ইচ্ছে কোনোটাই তার হয়নি কখনো। আজ কেন! অভিভাবকত্ব কি কেবল শাসনের বেলায়! ওর নিয়ম ভাঙতে ইচ্ছে করল।

বাইরে বেরুতেই হিম শীতল বাতাস গায়ে এসে ধাক্কা দিল, পাতলা শালে এই শীত মানবে না! তবুও সে এগিয়ে গেল গন্তব্যের পথে।

ওকে দেখে রিহান উঠে দাঁড়াল, ছেলেটার চোখের নিচে সূক্ষ্ম কালি পড়েছে, সুদর্শন রিহানের চেহারায় আজ মালিন্য। জীবন নিয়ে সিরিয়াস না হলেও পোশাকের ব্যাপারে ভীষণ খুঁতখুঁতে ছেলেটার পোশাকও যেন এলোমেলো।

“নীরু, এসেছিস তুই?”

নৈঋতা নিজেকে শক্ত করে নিয়ে বলল, “যা বলার তাড়াতাড়ি বল রিহান।”

রিহান ম্লান হাসল এরপর নৈঋতার দিকে দুই কদম এগিয়ে এসে ওকে পর্যবেক্ষণ করল। ওদের মধ্যে হাত তিনেকের ব্যবধান।

“হুট করে আমার সবকিছু কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে নীরু। আমি সুস্থির হয়ে কিছু ভাবতে পারছি না। কী বলতে এসেছিলাম, তাও গোছানো নেই। শুধু জানি, যা বলতে চাই তা আমাকে বলতেই হবে। তুই তো আমাকে বুঝিস নীরু? তাই না? আমার এলোমেলো কথাগুলো বুঝে নিবি, কেমন?”

নৈঋতা ধৈর্য হারাল, তবে কিছু বলল না। রিহান বলতে শুরু করল,

“তুই আমাকে প্রতিদিন ঘুম থেকে সকালবেলা তুলে দিতি, আমার শান্তির ঘুম নষ্ট হতো বলে কত ঝগড়া করেছি তোর সাথে। আমি জানতাম না, তোর ওই সকালবেলার ঘুম ভাঙানি কলটা আমার কত প্রিয়! গত কিছুদিন আমি ঘুমাতে পারিনি, মনে হতো কেবল ওই কলটাই মিস করছি, কিন্তু গতকাল মনে হলে আসল সমস্যা আসলে অন্য। তুই সকালে আমার ঘুম না ভাঙিয়ে অন্য পুরুষের ঘুম ভাঙাবি, এটা আমি সহ্য করতে পারব না। তুই আমার সমস্ত খেয়াল রাখিস, তোর বিয়ে হয়ে গেলে ওই লোকের খেয়াল রাখবি, তোর সমস্তটা দিয়ে, এই চিন্তাটা আমাকে শেষ করে দিচ্ছে নীরু। তুই আমার এসাইনমেন্ট করে দিস, ভবিষ্যতে অন্য মানুষের জন্য তুই রান্না করে দিবি হাত পুড়িয়ে, তোর কোথাও আর আমি থাকব না, এটা আমি কি করে সহ্য করব নীরু? বল? আমাকে একটা উপায় বলে দিতে পারবি?”

রিহানের কথা শুনতে শুনতে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল নৈঋতা, মৌনতা কাটিয়ে প্রশ্ন করল, “তুই কি আমাকে ভালোবাসিস রিহান?”

“ভালোবাসা কী, আমি জানি না নীরু। ওইসব কেতাবি কথাবার্তা আমি বুঝতেও চাই না। শুধু এটুকু বুঝি, তোকে আমি হারাতে চাই না। তোর সমস্তটা জুড়ে আমি থাকতে চাই। আমাকে বন্ধুত্ব ভরা শাসন করিস, আমি তোকে সারাজীবনের জন্য সেই অধিকার দিতে চাই। তুই একদিন বললি না নীরু, ভার্সিটি লাইফ শেষ হলে আর কিছুই আগের মতো থাকে না! আমার সাথে তুই তোর বেস্ট মোমেন্ট কাটিয়েছিস? আমিও আজ সত্যিটা বলতে চাই, আমার লাইফেরও বেস্ট পার্ট ওইটা৷ ওই সময়টুকুকে আমরা লম্বা করতে পারি না? শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত?”

এমন আবেগী রিহানকে নৈঋতা চেনে না, এমন আকুল হয়ে এই ছেলে ওকে চাইবে, এটা ওর কোনো সুখ স্বপ্নকেও হার মানায়! কিন্তু এত আরাধ্য কথাগুলো শুনল বড্ড অসময়ে!

“এত দেরি করলি কেন কথাটা বলতে? এখন বড্ড দেরি হয়ে গেছে রিহান!”

কম্পিত গলায় অস্ফুটস্বরে বলল নৈঋতা, রিহান অস্থির হয়ে জিজ্ঞেস করল,

“কত দেরি?”

“সামনের সপ্তাহেই বিয়ে হবে আমার। আজ কার্ড ছাপাতে দেবে। সব কথাবার্তা ফাইনাল। এখন কিচ্ছু করার নেই রিহান।”

“সবগুলোতেই তো হবে বললি, তাহলে দেরি কী করে হয়ে গেল? তুই কি ওই ছোটলোকটাকে ভালোবাসিস?”

এতদিনের এত শঙ্কা সবটা সরে গিয়ে রিহান যেন সহসা নির্ভার হলো। অদ্ভুত একরোখা শোনায় গলাটা।

“না।”

“তুই শুধু তোর ইচ্ছেটা আমাকে বল। বাকিটা আমি ম্যানেজ করে নেব। বল প্লিজ। আজ জানিয়ে দে। একটা অনুরোধ, প্লিজ, মিথ্যা কথা বলবি না। তোর একটা কথার উপরে আমাদের ভবিষ্যত নির্ভর করছে।”

নৈঋতার হৃদয়ের খুব গহীন প্রকোষ্ঠে আজ যেন প্রবল ঢেউ আন্দোলিত হচ্ছে, যাবতীয় জাগতিক সমস্যা, দ্বিধা সব যেন প্রবল স্রোতে কোথাও ভেসে গেল,

“তোকে কখনো বলা হয়নি রিহান, আজ বলে ফেলি। জানি না ভবিষ্যতে কী হবে, তবে এই কথাটা আমি শেয়ার করতে চাই। আজ না বলতে পারলে হয়েতো আর কোনোদিনই বলা হবে না৷ এই জঞ্জালে ভরা ধুলোমাখা পৃথিবীতে তুই আমার একমাত্র শান্তি রিহান।”

বলতে বলতে পার্কের বেঞ্চিতে বসে পড়ল নৈঋতা, দু’হাতে মুখ ঢেকে কেঁদে ফেলল, আর রিহান! ওর মনে তখন অপার্থিব আনন্দ, বিস্ময়, কষ্ট সমস্তটা একসাথে হয়ে যেন সুখী সুখী একটা সুর খেলে গেল।

“কবে থেকে?” গলায় আবেগে কম্পমান।

নৈঋতা মুখ তুলে তাকালো, “কী কবে থেকে?”

“এই, যেটা বললি মাত্র!”

নৈঋতা এবার পুরোপুরি নিজেকে ফিরে পেয়েছে, স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে বলল, “সেটা তোকে কেন বলব?”

“আমি যে বললাম?”

“আমি বলব না এটা।”

“তারমানে আগে থেকেই? তাইতো?” কিছুক্ষণ ভেবে দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে নিয়ে রিহান হঠাৎ রেগে গিয়ে বলল,

“এরজন্যই আমার সাথে ডিসট্যান্স তৈরি করেছিলি? আমার জন্যই ওকে বিয়ে করার মতো একটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলি? নীরু, তুই আমাকে একবার বলতে পারতি না?”

সমস্ত আড়াল সরে যাবার পড়ে এখন আর লুকানোর মতো কিছু নেই, তাই নৈঋতাও আজ নির্ভার,

“তখন বললে তুই বুঝতে পারতি না রিহান৷ তোকে আমি চিনি। তখন আমি তোর চোখে অন্য দশজনের মতো সাধারণ হয়ে যেতাম৷ আমি সবসময় বড্ড সাধারণ রিহান, অন্তত পৃথিবীতে একজন কেউ তো আছে, যার কাছে আমি অসাধারণ। এটুকু ভালো লাগা নিয়েই সরে এসেছিলাম। সারাজীবন ওইটুকু সুখ একান্ত আমার হতো! এটা কি অন্যায়?”

রিহানের দৃষ্টি হঠাৎ ঝাপসা হয়ে এলো, এই মেয়েটা ওকে এত কাছে থেকে এতটা ভালোবেসে গেছে! সে বুঝতেই পারেনি!

“শাফায়াতের সাথে দেখা করব। বিয়েটা ভাঙতে হবে তো!”

“কী করে?”

“আমার অনেক টেকনিক জানা আছে।”

“শুনি?”

“বলব ওর ধারণা সঠিক ছিল। সে যদি তৃতীয় পক্ষ হয়ে আমাদের মাঝে আসতে চায়, তবে তার ইচ্ছে। অন্য পদ্ধতি এপ্লাই করব। এসব ম্যানেজ করা আমার জন্য সমস্যা না। ওই ব্যাটার ঘটে বুদ্ধি থাকলে অবশ্যই নিজে নিজে সরে যাবে।”

নৈঋতা প্রশ্ন করল, “নাহিদ ভাইকে তুই কী বলেছিলি?”

“সেটা তোর শুনতে হবে না!”

“বল, রিহান, না বললে আমি ছোটলো.. আই মিন শাফায়াতকে বিয়ে করে ফেলব।”

রিহান হেসে ফেলল সশব্দে, “দেখ, আমার কাছ থেকে শুনতে শুনতে তুই ছোটলোক বললি। এভাবে ব্ল্যাকমেইল করছিস কেন?”

“আমার ইচ্ছা।”

“কিন্তু ওইটা টপ সিক্রেট।”

“মাইর খাবি রিহান।”

“তোর হাতে ভীষণ জোর। থাক বলি, বলেছিলাম, তোর মাথায় গণ্ডগোল আছে।”

নৈঋতা উঠে রিহানের সামনে গিয়ে ওর পিঠে দুমদাম কিল বসিয়ে দিল কয়েকটা।

হঠাৎ রিহান অন্যরকম স্বরে বলল, “তুই নিজের মধ্যে ছিলি না। আজ অঅনেকদিন পরে আবার আমার চেনা নীরুকে দেখতে পেলাম। মিস করছিলাম এটা।”

নৈঋতা থমকে গেল, “ওকে বলেছিলাম, তোর সাথে আমার বিয়ে ঠিক হয়ে আছে। পড়াশোনা শেষ করে স্যাটেল হলেই বিয়ে করে ফেলব। সেই মিথ্যেটা আজ কেমন সত্যি হয়ে যাচ্ছে দেখ।”

নৈঋতা বলল, “বিয়ে করতে যাচ্ছি, বললেই বিয়ে হয়ে গেল? তুই যা ফিরিস্তি দিলি, সবটাতে তো আমি তোর জন্য কী করব সেটা বলে গেলি। তুই আমার জন্য কী করবি?”

“তোকে সহ্য করব সারাজীবন, এটা কম?”

নৈঋতা রাগি চোখে তাকাতে রিহান সিরিয়াস গলায় বলল, “আমি তোকে তোর হাসিমুখ দিতে চাই।”

“আমার হাসিমুখ আমাকে কী করে দিবি?”

নৈঋতার চোখের দিকে তাকিয়ে রিহান প্রগাঢ় স্বরে বলল, “তোর অমূল্য হাসিটা তোর মুখে যেন সবসময় থাকে, এটা খেয়াল রাখব সবসময়।”

নৈঋতার মনে হলো, জীবন এত সুন্দর কেন!

“আমাকে তুই প্রেমের প্রস্তাব তো দূরের বিষয় বিয়ের জন্যও প্রপোজ করিসনি এখনো।”

রিহান শঙ্কিত গলায় বলল, “এতক্ষণ কী বললাম তাহলে?”

“সুন্দর করে বল।”

“এ্যাহ্! এটায় ছাড় পাওয়া যায় না? আমার অতি মেলোড্রামা পোষায় না!”

“অনেককিছু ছাড় দেব, কিন্তু এটা মাস্ট।”

“চল আমরা বিয়ে করে ফেলি।”

“এত বেরসিক প্রস্তাব আমি জীবনে শুনিনি।”

“না শুনলে নাই। তোর বাবাকে প্রস্তাব দেব সুন্দর করে।”

নৈঋতা রেগে যাচ্ছিল, রিহান হঠাৎ বলল, “শুনেছি বসন্ত নাকি প্রেমের ঋতু। সামনের ফাল্গুনেই চল বিয়ে করে ফেলি।”

“এত তাড়াহুড়ার কী আছে? আমাদের পড়া শেষ হোক আগে!”

“এখন কেন মনে পড়ল? তুই তো এখনি বিয়ে করতে যাচ্ছিলি! তাছাড়া আমি রিস্ক নিতে চাই না।”

“কীসের রিস্ক?”

“বিয়ে হবার আগ পর্যন্ত তুই আমাকে ব্ল্যাকমেইল করে কাজ আদায় করে নিবি। হয়ে গেলে এটা দিয়ে আর ব্ল্যাকমেইল করতে পারবি না।”

হেসে বলল রিহান।

শীতের সকালে সূর্য উঠে গেছে ততক্ষণে, কুয়াশায় মোড়ানো প্রকৃতি। এরমধ্যে ওরা যাচ্ছে নৈঋতার বাড়িতে, ওর বাবার সাথে কথা বলতে।

যেতে যেতে রিহান বলল, “শোন না, বিয়ের পরে কিন্তু তোকে তুমি বলতে পারব না!”

“আমিও না, তোকে তুই বলার মধ্যে একটা আপন আপন ব্যাপার আছে, তুমি বললে মনে হবে দূরের মানুষ।”

“নাতিপুতিরা টিজ করলেও কিন্তু বলবি না!”

“ধূর, রিহান।”

নৈঋতার বাবার আপত্তি কেটেছে রিহানের মায়ের মধ্যস্থতায়। তিনি ভীষণ খুশি। বড় ছেলের বউয়ের সাথেও তিনি টিপিক্যাল শাশুড়ি হতে পারেননি, পারবেনও না। নৈঋতার মা হয়ে উঠার জন্য তিনিও অপেক্ষা করছেন৷

সামনের ফাল্গুনের প্রথম দিনেই ওদের বিয়ে হবে! নতুন একটা ফাল্গুনে নতুন শুরুর অপেক্ষায় আছে রিহান আর নৈঋতা! খুঁনসুটিতে, বন্ধুত্বে মোড়ানো একটা সংসারের স্বপ্নে আপাতত দিন গুণছে ওরা। অপেক্ষার সময় এত দীর্ঘ কেন! ফাল্গুন আসার নামই নিচ্ছে না!
……….
(সমাপ্ত)
কেমন লাগল গল্পটা? নৈঋতা আর রিহানকে? জানাবেন কিন্তু! না জানালে কষ্ট পাব, ভালো মন্দ যাই লাগুক নির্দ্বিধায় জানাবেন প্লিজ।

ছবি কৃতজ্ঞতাঃ প্রিয়া রহমান আপু

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ