Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"নব ফাল্গুনের দিনেনব ফাল্গুনের দিনে পর্ব-০৮(ক)

নব ফাল্গুনের দিনে পর্ব-০৮(ক)

#নব_ফাল্গুনের_দিনে (শেষ পর্ব-১)
নুসরাত জাহান লিজা

রিহানের প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল অসীম ক্ষোভ, কোনোকিছুতেই আগ্রহ পাচ্ছিল না। সেটা স্প্যানিশ লীগের এল ক্লাসিকো হোক, নেটফ্লিক্সের নেইল বাইটিং যত নতুন থ্রিলার সিরিজই হোক, কিংবা হৃদি.. কোনোকিছুর প্রতিই ওর আগ্রহ আসছিল না। যাবতীয় প্রিয় জিনিসে যেন হঠাৎই রাজ্যের অরুচি এসে জমা হয়েছে।

এলার্ম দিয়ে ঘুমায়, কিন্তু এলার্মের কর্কশ শব্দে ঘুম ভাঙার পরেও কোনো একটা ক্ষীণ আশা নিয়ে ঘাপটি মেরে পড়ে থাকে! আজ যদি কাঙ্ক্ষিত কলটা আসে!

ক্লাসে কখনো দু’জন মুখোমুখি হয়ে গেলে ইউটার্ন নিয়ে চলে যায়। তবে পুরো ক্লাসে ঠিকই আড়চোখে নৈঋতা কী করছে তীক্ষ্ণ খেয়াল রাখে।

দুই সপ্তাহ পরে রিহান কেআরে দাঁড়িয়ে ছিল, নৈঋতা এসে বলল, “নে, তোর এসাইনমেন্ট।”

রিহানের ক্ষোভের আগুনে যেন ঘি পড়ল, “তুই কেন করেছিস? করুণা করতে? তুই দায়িত্ব নিতে বলেছিস। আমি নিজেই করে নেব। সিমপ্যাথি দেখিয়ে এসাইনমেন্ট দিতে হবে না।”

“জেনে ভালো লাগল যে তুই নিজে সিরিয়াস হচ্ছিস। এবার তো কষ্ট করেই ফেলেছি, অভ্যাস হয়ে গেছে। এরপর থেকে নাহয় তুই করে নিস। রেখে গেলাম।”

কথাটা বলে ওর হাতে এসাইনমেন্টটা ধরিয়ে দিয়ে হলে চলে গেল নৈঋতা। রিহানের ইচ্ছে হলো এটা পুড়িয়ে ফেলতে। কিন্তু পারল না! ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখল। নৈঋতার দেয়া কিছু সে নষ্ট করতে পারবে না।

সায়নের রুমে বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিচ্ছিল। ওই রুমে মাস্টার্সের বড় ভাই আজ নেই। সবাই সেখানে আড্ডা জমিয়েছে। রিহান আর মৃদুল গিটার বাজায়। ওদের সাথে গিটার আছে।

আড্ডা চলছিল উদ্দেশ্যেহীন, লতাপাতা, শাখা-প্রশাখায় বিস্তার হয়ে বিষয়বস্তুর শিকড় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না৷ কোন প্রসঙ্গ থেকে কোন প্রসঙ্গে যাচ্ছে তারাও কোনো তাল মিল নেই।

আড্ডা তখন তুমুলে, এরমধ্যে সহসা মৃদুল রিহানকে প্রশ্ন করল, “দোস্ত, তোদের কী হয়েছে রে?”

“কাদের?”

“তোর আর নীরুর?”

“কী হবে? কিছুই না।”

এবার রেদোয়ান বলল, “কিছু না বললেই হলো? আমাদের চোখ সওয়া হয়ে গেছে তোদের দুইটাকে একসাথে দেখতে দেখতে। মামা, এইভাবে এড়ায়ে গেলে হবে? সবারই চোখে লাগছে এটা!”

“তো এর জন্য আমি কী করব?”

“কী হয়েছে বললেই তো হয়।”

“অন্য কথা থাকলে বল, নইলে চুপ থাক৷ আজাইরা কথা অসহ্য লাগছে।”

“আচ্ছা। থাক।”

কিন্তু থাক বললেই সব থামে না, একজন বলল, “নীরু মেয়েটার কিন্তু খুব ধৈর্য। আমরা নিজেরটাই করে কূল পাই না, বেচারি এসাইনমেন্ট, কিছু কিছু প্র‍্যাকটিক্যাল খাতা পর্যন্তও তো করে দেয়।”

রিহান হঠাৎ চিৎকার করে উঠল, “থামবি তুই? বললাম না এই টপিক বাদ। তাও খোঁচাচ্ছিস কেন?”

“তুই রেগে যাচ্ছিস কেন? এটা খোঁচা কীভাবে হলো?”

রিহানের সামনে এসট্রে ছিল, সেটাকে ছুঁড়ে ফেলল প্রবল রাগে, এরপর বেরিয়ে নিজের ঘরে চলে গেল। সে সিগারেট সবসময় খায় না৷ কখনো সখনো এমন আড্ডায় দুই টান দেয়।

বন্ধুরা মুখ চাওয়াচাওয়ি করল কেবল, কিছুই বুঝতে পারছে না।

রিহান নিজের ঘরে এসে পড়ার টেবিলে বসল, রাগ কমানোর জন্য সামনে খাতা কলম পেয়ে, খাতায় প্রবল রাগে কলম দিয়ে ঘষাঘষি করতে লাগল। কিছুক্ষণ পরে টেবিলে দুই হাত রেখে খাতার মধ্যে মাথা গুঁজল। অস্ফুটস্বরে বলল,

“এমন করলি কেন নীরু? আমি কি খুব বেশি খারাপ? আমার সাথে বন্ধুত্ব রাখা যায় না!”

***
মাসখানেকের মধ্যে রিহানের ক্ষোভ, রাগ সমস্তই থিতিয়ে এলো, এই অনুভূতি প্রতিস্থাপিত হলো হাহাকারে!

নৈঋতা ওর কাছে ভীষণ স্পেশাল মানুষ। তবে ওর সামান্য একটু দূরত্ব যে এতটা অসহনীয় হবে, সে কোনোদিন ভাবতে পারেনি।

এত দূরে যাবার এই যে চেষ্টা, তবুও ওর জন্য ভাবছে মেয়েটা। কখন কোন শিটপত্র লাগবে, কখন কোন এসাইনমেন্ট সাবমিট করতে হবে সব মনে করিয়ে দিয়েছে।

ইউনিভার্সিটি লাইফের এই সেমিস্টারটা এত বিশ্রী কাটল! শুধু ইউনিভার্সিটি লাইফের কেন, রিহানের পুরো জীবনে এমন অসময় কী কখনো এসেছিল!

দেখতে দেখতে শেষ সেমিস্টারের পরীক্ষার ডেট দিয়ে দিল। ফরম ফিলআপের আগেরদিন নৈঋতা নিজের এগিয়ে এলো। হাতে একগাদা ফটোকপি করা শিট।

“কেমন আছিস রিহান?”

“ভালো।” অভিমানে ইচ্ছে থাকলেও জিজ্ঞেস করা হলো না নীরু কেমন আছে।

“এগুলো নে।”

“কী হবে এগুলো দিয়ে?”

“পড়বি। পরীক্ষা চলে এসেছে না?”

“তোর এত চিন্তা করতে হবে না।”

“ঢং করিস না, রিহান। লাস্ট সেমিস্টারে ক্যারি খেলে চল্লিশ দিনে পড়ে যাবি৷ এমএসে জে-জে সেমিস্টার ধরতে পারবি না।”

“না পারলে নাই।”

“কেন জেদ করছিস এভাবে? নিজের ভালো বুঝবি তো!”

“তুই বুঝেছিস? তুই যে এমএসই করবি না বললি।”

“করব।”

এতদিনের সকল তিক্ততা ভুলে রিহান ভীষণ আনন্দিত হয়ে বলল, “সত্যি?”

“হ্যাঁ। শেরে বাংলায় ভর্তি হবো।”

হাসিমুখ আবার ম্লান হয়ে গেল, “এখানে কী সমস্যা?”

“শাফায়াতের ফ্যামেলি ঢাকাতেই থাকে।”

“শাফায়াত? মানে ওই ছোটলোকটা? ওকেই বিয়ে করবি?”

“এভাবে বলবি না রিহান। হ্যাঁ। উনি আমার কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়েছেন কয়েকবার। আমার পরীক্ষাটা শেষ হলেই বিয়ে হবে।”

“ভালোই।”

বলে রিহান চলে যাচ্ছিল, নৈঋতা পেছন থেকে ডাকল ওকে,

“রিহান, একটু দাঁড়া!”

এই ডাকে কী যেন ছিল সে উপেক্ষা করতে পারল না।

“রিহান, আমাদের কত চমৎকার সময় কেটেছে ক্যাম্পাসে। আমার লাইফের বেস্ট মোমেন্টগুলো আমি তোর সাথে কাটিয়েছে। আমাদের একসাথে সময়টা আর অল্প কিছুদিন। তারপর যে যায় পথে চলে যাব। তুই তোর লাইফে, আমি আমার লাইফ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যাব। মাঝেমধ্যে হয়তো খোঁজখবর নেয়া হবে! কিন্তু এভাবে এই মুহূর্তগুলো আর কোনোদিন ফিরবে না। শেষটা এভাবে তিক্ততায় শেষ করবি? বন্ধুত্বের দাবি নিয়ে একটা জিনিস তোর কাছে চাইছি রিহান, এই কয়টা দিন আমাদের মতো করে, আগের মতো করে কাটাই আমরা?”

বলতে বলতে কখন যে নৈঋতার চোখে পানি চলে এসেছে সে বুঝতেও পারেনি, রিহানের চোখও ঝাপসা। চোখ ভরা জল নিয়ে রিহান বলল,

“তুই খুব খারাপ নীরু! কষ্ট যখন হচ্ছে, তাহলে কেন চলে যাচ্ছিস? তুই এত নিষ্ঠুর কেন?”

নৈঋতা চোখ মুছে হাসার চেষ্টা করে বলল, “বন্ধুত্ব এমনই রিহান। স্টুডেন্ট লাইফ শেষ হলে কোনোদিন আর আগের মতো হয় না কিছু। এটাই রিয়্যালিটি।”

“কেন হয় না?”

“জানি না। এবার নে এগুলো।”

রিহান ঘুরে সন্তর্পণে চোখ মুছল।

“হৃদির কী খবর?”

“জানি না।”

“জানিস না মানে?”

“ওর সাথে কন্টিনিউ করছি না।”

“কেন?”

“ম্যাচ করছে না৷ ওর মধ্যে সন্দেহ বাতিক আছে। জিনিসটা আমার ভালো লাগে না। ভালো হয়েছে প্রপোজ করিনি আগে।”

প্রায় তিন মাস পরে ওরা স্বাভাবিক ভাবে কথা বলল। পরীক্ষা শুরু হয়ে গেল। রিহানের মনে হলো নৈঋতা পরীক্ষার জন্য ওর সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে। যা চলছিল, সেভাবে চললে রিহান কিছুতেই নৈঋতার খাতা দেখে লিখত না জেদ করে। সেজন্যই এটা করেছে। নইলে ওকে তো মুছেই দিয়েছিল। পরীক্ষা শেষ করে ওর সাথে বেশিক্ষণ কথা না বলেই নইলে হুট করে চলে গেল কেন!

রিহান মায়ের সাথে নৈঋতার বিয়ের কথাটা সে শেয়ার করেছে৷ মা জিজ্ঞেস করলেন,

“তুই এত কষ্ট পাচ্ছিস কেন?”

“পাওয়ার কথা না?”

“তোর রাগ ছিল নীরু পড়াশোনা বাদ দেবে বলে। কিন্তু ওর তো সেটা করছে না। তাহলে তোর রাগের জায়গাটা কোথায়?”

রিহান মায়ের কথায় হঠাৎ থমকে গেল। ওর সহসা মনে হলো, সে নীরুকে হারাতে পারবে না।

“তোর সমস্যাটা মনে হয় আমি বুঝতে পেরেছি।”

“কী?”

“ছোট বাচ্চারা কী করে জানিস? খুব প্রিয় কোনো জিনিস নিয়ে খেলে, এরপর একসময় সেটা স্বাভাবিক মনে হয়। এরপর হয়তো জিনিসটা কোনো সুরক্ষিত জায়গায় রেখে দেয়। অনেকদিন পরে হয়তো জিনিসটার কথা ভুলেই যায়! বাবা অথবা মা হয়তো সন্তানের আগ্রহ হারিয়ে গেছে বলে কাউকে দিয়ে দিল। তখন হঠাৎ তার মনে পড়ল জিনিসটা ওর কত প্রিয় ছিল! সেই হারিয়ে ফেলা প্রিয় জিনিসের জন্য সে অস্থির হয়ে উঠে। তোর সাথে এটা পুরোপুরি প্রাসঙ্গিক নয়। তবুও নীরু তোর মনে কতটা প্রভাব বিস্তার করেছে এটা তুই আগে বুঝিসনি৷ যখন ও সরে গেছে, তখন অনুভব করেছিস। দূরত্ব মানতে পারছিস না।”

“মা, আমি…”

“নীরুকে আমার ভীষণ পছন্দ ছিল। ভেবেছিলাম আমার এলোমেলো ছেলেটার জন্য ওই মেয়েটা পারফেক্ট। কিন্তু আমার ছেলেটা শুধু এলোমেলো না, বোকাও। নিজেকে চিনতেই বড্ড দেরি করে ফেলল!”

রিহান বিস্মিত হয়ে মায়ের দিকে তাকিয়ে থাকল কিছুক্ষণ, বলল, “আমি নীরুর বাড়িতে যেতে চাই মা। একবার শেষ চেষ্টা করতে। অন্তত নিজের কথা জানাতে চাই৷ এরপর ওর সিদ্ধান্ত।”

রিহান সেদিন রাতেই রওনা দিল নৈঋতাদের বাড়িতে। শুধু মনে মনে দোয়া করল, যেন খুব বেশি দেরি না হয়ে যায়! ফাজিল মেয়ে কল ধরছে না কেন!
………
শেষ পর্বের বাকি অংশ এক-দেড় ঘণ্টা পরে আসছে ইনশাআল্লাহ। আজকে স্কুলের ইউনিয়ন পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ছিল, সেখান থেকে বাসায় এসে ক্লান্ত ছিলাম, রেস্ট নেবার জন্য শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। একটু আগে উঠলাম। পোস্ট করার আগে পড়তে গিয়ে মনে হলো বাকি অংশে আরও খানিকটা এডিট লাগবে নতুন করে। এটুকু সময় নিচ্ছি, কিছুক্ষণ পরেই আসবে ইনশাআল্লাহ।

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ