Friday, June 5, 2026







বৈধ সম্পর্কের জোর পর্ব-০৬

#বৈধ সম্পর্কের জোর
#জান্নাত
#পর্ব_৬

অনেক দিনপর এ বাড়িতে আসায় আম্মু আব্বু ব্যস্ত হয়ে পরলেন।আম্মু দৌড়ে গেলেন শরবত আনতে।আর আব্বু পাশে বসিয়ে ভালো মন্দ জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন।তাদের পাগলামি দেখে ভাইয়া বললো,আগে ওকে ফ্রেশ হতে দেও তারপর সারাক্ষণ পাশে বসিয়ে রেখো।অনেক দিনের ছুটিতে আসছে এবার।
ফ্রেশ হয়ে এসে হালকা খাবার খেয়ে।আবারও গল্প করতে লাগলাম সবাই মিলে।ও বাড়ির কথা কিছুক্ষনের জন্য ভুলেই গিয়েছিলাম।
হঠাৎ করে ফোন বেজে উঠায় সবাই চমকে উঠলাম। তারপর ফোন হাতে নিয়ে দেখি শাশুড়ী আম্মু কল করেছেন।আমি জীভে কামড় দিলাম।কারণ আমি তাদের কল করে জানাতে ভুলেই গিয়েছিলাম যে আমি পৌঁছে গেছি। রিসিভ করে সালাম দিলাম।সাথে সাথে ওপাশ থেকে সালামের উত্তর দিয়ে আম্মু বললেন,কি ব্যাপার ও বাড়িতে গিয়ে কি ভুলে গেলে নাকি।একবার তো জানালেও না যে পৌঁছে গেছো।
আম্মুকে সরি বলে আরো কিছুক্ষণ কথা বলে ফোন রাখলাম।

রাতে পড়তে বসার সময় উনাকে খুব মিস করছিলাম। কারন প্রতি দিন রাতে উনিই পড়াতো।বাসায় আসার পর এই পর্যন্ত তিনি কল করেন নি।আমিও দেয়নি।কারন আমি দেখতে চাই কতদিন পর তার আমার কথা মনে পরে।
যদি কখনও কল দিয়ে বলে আমি কল করি নি কেন তো বলবো,পড়ায় ব্যস্ত ছিলাম।যদিও সিওর না কল দেবে তাও ভেবে রেখেছি।

এভাবেই ভার্সিটিতে যাওয়া আম্মুর কাজে সাহায্য করা আব্বু ভাইয়ার সাথে গল্পের মধ্যে দিয়ে তিনদিন কেটে গেলো।ও বাড়ি থেকে প্রতি দিন শাশুড়ী আম্মু আর রাফিয়া কল দিয়ে খোঁজ খবর নিয়েছে।শুধু আমার জামাই ছাড়া।সারাদিন ভালোভাবে কাটলেও রাতে খুব খুব খুব বেশিই উনাকে মিস করি।কয়েকবার ফোন হাতে নিয়ে বসে ছিলাম। ভাবছিলাম কল দেবো কি দেবো না।মন বলছিলো দিতে মস্তিষ্ক বলছিলো না দিতে।শেষে মস্তিষ্ক যিতে গেলো আর এই তিন দিনে উনাকে কোনো কল করি নি।

রাতে পড়তে বসেছিলাম এমন সময় ফোন বেজে উঠলো।আমি ভেবেছি হয়তো রাফিয়া কল দিয়েছে।তাই ফোন হাতে নিয়াম।
তাকিয়ে দেখলাম ফোনে “বাধ্য জামাই” লেখা জ্বল জ্বল করছে।আমি ভুল দেখছি কি না তাই বোঝার জন্য হাত দিয়ে চোখ কচলে আবার দেখলাম।নাহ সত্যিই তিনিই কল করেছেন।খুব খুশি হলাম।হয়তো এতদিন পর আমাকে মিস করছে।এসব ভাবতে ভাবতেই কল কেটে গেলো।
আমি কল ব্যাক করতে যাবে তার আগেই পুনরায় উনার কল আসলো।রিসিভ করে সালাম দিলাম। ওপাশ থেকে উনি উত্তর দিয়েই বললেন,ওখানে গিয়ে কি ফাঁকিবাজ হয়ে গেছো নাকি,ঠিকমতো পড়ছো না।
ভালোমন্দ জিজ্ঞাসা না করেই এমন কথা বলাতে খানিকটা ভেবাচেকা খেলাম,তারপর উত্তর দিলাম,আজব আমি পড়তে বসবো না কেন।আমি ঠিক মতোই পড়াশোনা করছি।
উনি বললেন,তো রিসিভ করতে এত দেরি হলো কেন।তুমি যদি তোমার রুমেই থাকতে তাহলে এতক্ষণ লাগে রিসিভ করতে।
আমি অবাক হয়ে গেলাম মাত্র একবার কল মিসড গেছে তাতেই ভাবছে আমি ঠিকমতো পড়ছি না।অবাক এক সাইডে রেখে উত্তর দিলাম,আপনি যে কল করেছেন তা বিশ্বাস হচ্ছিল না।বিশ্বাস করতে করতে কল মিসড হয়ে গেছে।
উনি হয়তো এমন উত্তর আশা করেননি,তাই কিছুটা আমতা আমতা করে বললেন,সত্যিই তুমি ঠিক মতো পড়াশোনা করছো তো?
আমি বিরক্ত হয়ে উত্তর দিলাম, অবশ্যই সামনে এক্সাম পড়বো না।
উনি বললেন,এটাই জানার জন্য কল করেছিলাম যে ঠিক মতো পড়ছো কিনা।না হলে পরিক্ষায় তো রসগোল্লা পাবে।
আমি গাল ফুলিয়ে বললাম,আমি মেধাবী না হতে পারি বাট এত খারাপ ছাত্রী না।
যেহেতু উনি কল দিয়েই দিয়েছেন তাই আমি নিজ থেকেই আরো কথা বললাম উনি উত্তর দিলেন আবার মাঝে মাঝে নিজ থেকেও বলেছেন।
প্রায় চল্লিশ মিনিটের মতো কথা বলেছি।উনি ঠিক মতো পড়তে বলে কল কেটে দিলেন।
আমি অবাকই হয়েছিলাম এতক্ষণ কথা বলাতে।উনি যে আমাকে মিস করছিলেন তা বেশ বুঝতে পেরেছি।আমি খুব খুশি হলাম এতে।কারন আমাদের সম্পর্কটা এক ধাপ এগিয়ে গেছে। শাশুড়ীর বলা কথাটা হয়তো একদিন সত্যি হবে””বৈধ সম্পর্কের জোরে””একদিন ঠিক উনি আমাকে ভালোবাসবে।আমি সেই দিনের অপেক্ষায় রইলাম।তবে আমি কিন্তু এই কদিনে উনাকে প্রচুর ভালোবেসে ফেলেছি।যদিও এখনও বলি নি।আমি চাই উনি আগে বলুক।উনি বলার পর আমি বলবো।

এভাবেই দিন কাটতে লাগলে। কাল এক্সাম।এই কয়েক দিনে উনি রোজ নিয়ম করে একবার কল করেছেন। একবারের বেশি কল দিলে হয়তো উনাকে কেউ শাস্তি দিবেন তাই একবারের বেশি কল দেন নি।আমি নিজ থেকে কল দিলে একটু কথা বলার পরই বলে এখন কল রেখে মন দিয়ে পড়তে বসো।তাতে আমার মনটা খারাপ হয়ে যেতো তাও আমারই ভালো ভেবে কল কেটে পড়তে বসতাম।

আজ পরিক্ষা, মোটামুটি সবই পড়ে এসেছি। তাও হার্ড বিট বেড়ে যাচ্ছে। কি হবে না হবে।
ভাইয়া ভার্সিটিতে দিয়ে গেছে। উনার সাথে আসার আগে কথা হয়েছে।উনি ভয় না পেতে বলেছে।প্রশ্ন বুঝে মাথা ঠান্ডা রেখে উত্তর দিতে বলেছেন।

আজকে সব পরিক্ষা শেষ হলো।মাথা কিছুটা চিন্তা মুক্ত হলো।রেজাল্টের জন্য আবার চিন্তায় থাকতে হবে
এর মধ্যে উনি একবারও আমাকে দেখতে আসেন নি।তবে ভিডিও কলে কথা হয়েছে।যদিও আমি চেয়েছিলাম উনি আসুক।তবে উনি যে নিজ থেকে খোঁজ খবর নিচ্ছে এতেই আমি অনেক খুশি।

কাল ভাইয়ার গায়ে হলুদ।আজকে রাফিয়া রাফিদের আসার কথা।যেহেতু মেয়ের জামাই ননদ বলে কথা তাই আম্মু নানান খাবারের আয়োজন করেছেন।আমিও সাহায্য করছি।

কলিং বেল বাজার শব্দে চমকে গেলাম।হয়তো উনারা এসে পরেছেন।আমার হার্ট বিট বাড়তে লাগলো।আজ কতদিন পর উনাকে দেখবো।কাঁপা কাঁপা পায়ে গিয়ে দরজা খুললাম।ওপাশে উনি আর এশা দাঁড়িয়ে আছে।
আমি তাকিয়ে রইলাম উনার দিকে।তাই দেখে রাফিয়া মজা করে বললো,আমাদের কি দরজায় ই দাঁড় করিয়ে রাখবে নাকি,ভাইয়াকে পরেও দেখতে পারবে।আগে ভিতরে আসতে দেও।খুব ক্লান্ত হয়ে গেছি।

আমি লজ্জা পেয়ে দরজা থেকে দূরে সরে দাঁড়ালাম।উনারা ভিতরে আসলেন।আম্মু জলদি করে সব নাস্তা সাজাতে লাগলেন।
আমি রাফিয়াকে একটা রুম দেখিয়ে দিয়ে ফ্রেশ হতে বললাম।তারপর উনাকে নিয়ে আমার রুমে আসলাম।উনি এই পর্যন্ত ফোনে এত কথা বললেও কথা বললেও কখনও কেমন আছি জিজ্ঞাসা করেন নি।আজও করলেন না।
তাই আমিই বললাম কেমন আছেন।উনি ব্যাগ বিছানায় রাখতে রাখতে বললেন,আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু উল্টো আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন না।তাই মনটাই খারাপ হয়ে গেলো।আমি উনাকে ফ্রেশ হতে বলে বাহিরে চলে আসলাম।

উনারা ফ্রেশ হয়ে এসে হালকা পাতলা খাবার খেয়ে রাফিয়া বিশ্রাম করতে চলে গেলো।আর রাফিদ আব্বু ভাইয়ার সাথে কথা বলতে লাগলেন।
আমি আর আম্মু রাতের খাবার তৈরি করতে ব্যস্ত হয়ে পরলাম।উনার সাথে কিছুক্ষণ গল্প করতে খুব ইচ্ছা করছিল।কিন্তু উনার সেই আগের মতো থাকাতে মনটা খারাপ হয়ে গেলো।আমি তো ভেবেছিলাম হয়তো আমাকে কিছুটা হলেও পছন্দ করে তাই কল দিয়ে খোঁজ নিতো। এখন মনে হচ্ছে হয়তো শাশুড়ী আম্মু অথবা শশুর আব্বুর কারনে কল দিতেন।একরাশ মন খারাপ নিয়েই আম্মুকে সাহায্য করছি।জামাইকে কি দিয়ে আপ্যায়ন করবে আম্মু তাতে এতই ব্যস্ত যে আমার মন খারাপও চোখে পরছে না।এতে অবশ্য ভালোই হয়েছে। জিজ্ঞেস করলে কিই বা উত্তর দিতাম।

রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে সবাই সবার রুমে গেলে।আমি রাফিয়ার রুমে আড্ডা দিচ্ছি। আসলে উনার সামনে পরতে চাইনা। এত দিন ফোনে নরমাল ভাবে কথা বলার পর এখন আবার গম্ভীর হয়ে আছেন তাই যেতে ইচ্ছা করছে না।
রাত প্রায় এগারোটা রাফিয়ার ঘুম পেয়েছে তাই বাধ্য হয়ে আমার রুমে আসলাম। গিয়ে দেখি উনি শুয়ে শুয়ে মোবাইল চালাচ্ছেন।
রুমে যে তার বউ নাই এতে তার কোনো মাথা ব্যাথা নাই।

আমি একটা দীর্ঘ শ্বাস ফেলে রুমে প্রবেশ করলাম।ভীষণ কান্না পাচ্ছে। তাই নিজেকে স্বাভাবিক রেখেই উনাকে বললাম,কি ব্যাপার এখনও ঘুমান নি।
উনি আমাকে এক পলক দেখে মোবাইলটা পাশে রেখে উনার সামনে বসতে বললেন।
আমিও উনার কথা মতো উনার সামনে বসলাম।
উনি কিছু ক্ষন চুপ থেকে বললেন,আমাদের বিয়ের আজ ছয় মাস হতে চললো।কিন্তু আমি এখনও তোমাকে মন থেকে মেনে নিতে পারি নি।
উনার কথা শুনে মনের ভেতর ধক করে উঠলো।কিছু না বলে উনার কথা শুনতে লাগলাম।উনি বিছানা থেকে নেমে জানালার কাছে বাহিরে তাকিয়ে বলতে লাগলেন।
আমার জীবনের প্রথম ভালোবাসা এশা।প্রথম বার কোনো মেয়েকে দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম।তারপর আস্তে আস্তে ভালোবাসে ফেললাম।কিন্তু ওর যে ছোট বেলা থেকেই বিয়ে ঠিক করা ছিল জানতাম না।যদিও মাত্র দু বছরের ভালোবাসা ছিলো তবুও খুব ভালোবেসে ফেলেছিলাম।তাইতো বিয়ের পর তোমাকে ঐ কথা গুলো বলছিলাম।মা বাবার প্রতি খুব রাগ লাগছিল কেন তারা আমার সাথে এমন করলো।
উনার কথা শুনে আমার খুব ভয় হলো।হঠাৎ এতদিন পর উনি এসব কেন বলছেন। তবে কি এশা আবার উনার জীবনে ফিরে এসেছে। কথাটা ভাবতেই নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসলো।চোখে পানি চিক চিক করতে লাগলো।উনি উল্টো দিকে দাঁড়িয়ে তাই আমাকে দেখছে না।আমি চোখের পানি মুছে নিজেকে সামলিয়ে আবারও উনার কথা শুনতে লাগলাম।
উনি আরও বলছেন,তবে সেদিন সবচেয়ে বেশি আঘাত পেলাম যেদিন জানতে পারলাম আমার কারণে আমার পরিবার এতটা অপমানিত হয়েছে। আর এশার ছোট বেলা থেকেই বিয়ে ঠিক ছিলো কিন্তু এশা আমাকে বলে নি।সেদিন আমর মনের অবস্থা কি ছিলো বিশ্বাস করো আমি বলে বোঝাতে পারবো না।
তারপর থেকে প্রতি দিন তুমি কিছু না কিছু জোর করে করাতে। শপথ পড়াতে।আমিও সব মেনে করতে লাগলাম।কারন আমার আর এশার পথ আলাদা হয়ে গেছে বুঝতে পেরেছিলাম।তোমার এত জোর করাতেও আমি এশাকে পুরোপুরি ভুলতে পারি নি।এখনও পারছি না।যতই হোক প্রথম ভালোবাসা বাসা।

স্বামীর মুখে এমন কথা শুনে চোখ থেকে টপ টপ করে না চাইতেও পানি পরছিল।
আজকে যেন জোর দিয়ে কিছু বলা বা করানোর জোর পাচ্ছি না।আস্তে আস্তে চোখ বন্ধ হয়ে গেলো।

উনি আরও বলছিলেন,তবে আমি ওকে সত্যিই ভুলে যেতে চাই।তোমাকে মেনে নিতে চাই।এত দিন যেমন আমাকে সময় দিয়েছো তেমনি আরো কিছু সময় চাই নিজেকে সামলে নিতে।এতদিন কথা গুলো বলতে না পেরে দম বন্ধ হয়ে আসছিল।আজকে কিছুটা হালকা লাগছে।(কিন্তু এই কথা গুলোর কিছুই আমার কান পর্যন্ত পৌছায় নি)

উনি আরও কিছু বলতে চাচ্ছিলেন। কিন্তু আমার কোনো সারা শব্দ না পেয়ে পিছনে তাকালেন।
তাকিয়ে দেখলেন আমি ঘুমিয়ে পরেছি।তাই উনিও একটা দীর্ঘ শ্বাস ফেলে আমার পাশে শুয়ে পরলেন।

রাতে কাঁদতে কাঁদতে কখন যে চোখ লেগে গেছে বুঝতে পারি নি।
প্রতিদিনের মতো ফজরের আজানের শব্দে ঘুম ভেঙে গেলো। চোখ খুলে দেখলাম।উনি আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাচ্ছেন।কেন জানি প্রতি দিনের মতো আজ খুশি হতে পারলাম না।কারন তিনি সব আমার জোর করাতে করছেন। নিজ মন থেকে নয়।কাল রাতের কথা মনে পরতেই আবারও চোখ ভিজে গেলো। তাড়াতাড়ি ওয়াশ রুমে চলে গেলাম।কিছু ক্ষণ কান্না করার পর ফ্রেশ হয়ে ওজু করে উনাকে ডেকপ তুললাম।আজ উনি বাড়িতেই নামাজ আদায় করলেন। দুজনের নামাজ শেষে উনি আব্বুর সাথে আজকের আয়োজন নিয়ে আলোচনা করতে গেলেন। আর আমি আম্মুকে সাহায্য করতে চলে গেলাম।আমাদের সাহায্য করতে রাফিয়াও চলে আসলো।আমরা অনেক নিষেধ করার পরও আমাদের হাতে হাতে কাজ করতে লাগলেন। হলুদের সব কাজ সম্পন্ন হলো।সারাদিনে আমি একটুও হাসি নি। সবাই তখন কিছু জিজ্ঞাসা না করলেও অনুষ্ঠান শেষে একে একে ভাইয়া আব্বু আম্মু রাফিয়া জিজ্ঞেস করলো মন খারাপ কেন।সবাইকে বললাম মন খারাপ না মাথা ব্যাথা করছে তাই চুপ চাপ।সবাইকে অনেক কষ্টে বিশ্বাস করাতে পারলেও ভাইয়া আর রাফিয়া বিশ্বাস করলো না।ওদের আরও কিছু ক্ষন বোঝানোর পরেও যখন দেখলাম মানছে না।তখন আর কথা না বাড়িয়ে আমার রুমে চলে আসলাম।

আমার পিছু পিছু রাফিদ ও আসলেন,এসে আমাকে তার মুখো মুখি দাঁড় করিয়ে জানতে চাইলেন কি হয়েছে,,,,,,,

চলবে,,,,,,,,,,,,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ