Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"Ex গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস পর্বঃ১২

Ex গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস পর্বঃ১২

Ex গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস ❤
লেখকঃ শ্রাবন
পর্বঃ ১২

.
আমার রুমে ঢুকলাম। মানে বাসর করতে।
রুমে ঢুকে দেখি শিমলা খাটের উপরে বসে আছে। মাথায় ঘোমটা দিয়ে।
আমাকে দেখে উঠে সালাম করতে আসল।
যখন সালাম করতে যাবে আমি তখন সরে দারালাম।
শিমলা খুব অবাক হল।
আমি- আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই নি। আপনি জোর করে বিয়ে করেছেন। তাই স্ত্রীর অধিকার চাইতে আসবেন না।
শিমলা- তুমি আমায় আপনি আপনি বলছ কেন??আর আমার কথাটা তো শোন আগে…
আমি- একটা বালিশ আর কাথা এগিয়ে দিয়ে বললাম। আমি খাটে ঘুমাব আর আপনি নিচে।
শিমলা- তুমি প্লিজ আমায় ক্ষমা করে দাও। (হাত ধরে)
আমি- ঠাসসসসসস (বেশী না একটা) আপনার সাহস কি করে হয় আমার হাত ধরার??
শিমলা-……..
আমি- আর একবারও যদি আমার কাছে এসেছেন তো খবর আছে বলে দিলাম।
শিমলা- চুপ(কেদে যাচ্ছে)
আমি- আর একটা কথা জান্নাত আপু যেন এই সম্পর্কে কিছু জানতে না পারে।
শিমলা- চুপ।
আমি- কি হল??কথা কানে যায় না আপনার??(ধমক দিয়ে)
শিমলা- ঠিক আছে। তুমি যা বলবে তাই হবে।(ভয় পেয়ে)
আমি- হুম। এরপর আমি খাটে শুয়ে পরলাম।

শিমলা নিচে শুয়ে পরল। আমি ভাবতেছি এই তো কেবল শুরু। এতদিন আমায় যে অপমান করেছো তার সব প্রতিশোধ নিব।
এদিকে শিমলা শুধু কেদেই যাচ্ছে।আমার কষ্ট হচ্ছে না বরং হাসি পাচ্ছে। আমার অফিসের বসকে আমি বকা দিয়েছি + মাটিতে শুতে দেয়েছি। হাহাহাহা।

অনেক রাতে ঘুম ভেংগে গেল। শিমলার কান্নার আওয়াজে। নাহ এ তো থামার পাত্রি নয়। আমার এবার একটু কষ্ট হচ্ছে। শত হলেও তো নিজের ভালোবাসার মানুষ। একে থামানোর একটাই উপায়।
তাই আমি..
আমি- এই আপনি কি আমায় একটু শান্তিতে ঘুমাতেও দিবেন না।
শিমলা- কেদে যাচ্ছে এখনো।
আমি- এই মেয়ে এদিকে আসেন??
শিমলা- চুপ।
আমি- কি হল কথা কানে যায় না?? এদিকে আসেন??(ধমক দিয়ে)
শিমলা- আমার সামনে এসে দারাল।
আমি- ঠাসসসসস। ঠাসসসসস বেয়াদব মেয়ে। একদম চুপ করে ঘুমাবেন। না হলে কিন্তু…
শিমলা- ঠিক আছে। ভয় পেয়ে।

আহ এইবার কি শান্তি। কোন শব্দ নেই।
আমি আগেই জানতাম একে না মারলে শান্ত হবে না। ওকে বায় এখন ঘুমাই। পরে হবে কথা।

সকালে ঘুম ভাংল কারো ডাকে। চেয়ে দেখি শিমলা চায়ের কাপ হাতে।
আমি তো অবাক। বস আমায় সকালে চা দিচ্ছে। বাহ আমার কপাল তো মাশাল্লাহ।
আমি- ঊঠে ফ্রেশ হয়ে আসলাম।
এইবার চায়ের কাপ হাতে নিলাম। এতখন শিমলা দারিয়ে ছিল।
আমি- চা মুখে দিলাম।(অসাধারণ চা)
আমি- চা টা কে বানিয়েছে???
শিমলা- আমি।(এক্সাইটেড হয়ে। বোধহয় ভেবেছে ভালো বলব)
আমি- চায়ের কাপ ফেলে দিলাম নিচে। এটাকে চা বল?? ঠাসসসসস।
শিমলা- চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। চোখে জল।
আমি- কি হল দাঁড়িয়ে আছেন কেন??
জায়গাটা পরিষ্কার করে ফেলুন।
শিমলা- কাজে মন দিল।

আমি রুমের বাইরে চলে এলাম।
এসে দেখি আপু চা খাইতেছে।
দিলাম পেছন থেকে চুল ধরে টান।
জান্নাত- ভাইয়ায়ায়া…..
আমি- জি আপু বলুন।
জান্নাত- বেয়াদবি করিস কেন ভাইয়া??
আমি- ইস আমার একটা মাত্র আপু। আমি তার সাথে যা ইচ্ছা তাই করব।তাতে তোর কি??
জান্নাত- হুহ। ঢং দেখে বাচি না।
আমি- হাহাহাহা।
জান্নাত- ভাইয়া আমার ভাবি কিন্তু খুব ভালো চা বানায়।
আমি- হুম। তার পুরষ্কার আমি দিয়ে এসেছি।
জান্নাত- কি দিলি??
আমি- তোকে বলব কেন??
জান্নাত- হুম এখন আমায় বলবি কে?? আমি ভাবির কাছ থেকে জেনে নিব।
আমি- ওকে বায়। বলে আবার রুমে এলাম। এসে দেখি ম্যাম হাতে মলম লাগাচ্ছে। মনে হয় কেটে গেছে। আমার এইবার খুব কষ্ট হল। কিন্তু প্রকাশ করলাম না। আমি একপাশে গিয়ে রেডি হতে লাগলাম। অফিসে যাব।
শিমলা- অফিস যাওয়ার দরকার নেই। এক সপ্তাহ ছুটি অফিস।
আমি- ওহহ ওকে।
আমি জানি শিমলা এটা কেন বলল যে অফিস বিন্ধ। কারন যদি বলত যাওয়ার দরকার নেই তাহলে আমি যেতাম।
তাই বলছে যে অফিস বন্ধ।
আর শত হলেও বিয়ের পরের দিন কি আর অফিস যাওয়া যায়?? তাই কিছু কথা রাখলে মন্দ হয় না।
আমি তাও রেডি হলাম।
শিমলা- তুমি কি কোথাও যাচ্ছ??
আমি- তা আপনাকে কেন বলব?? আর যখন বলছেন তাই বলি বাইরে আড্ডা দিতে যাচ্ছি।
শিমলা- ওহ,,,,সকালের খাবার খেয়ে যাও…
আমি- বাইরে খেয়ে নিব। বলে চলে এলাম।
জান্নাতকে বললাম বাইরে যাচ্ছি। ফিরতে রাত হবে।

বাইরে চলে এলাম। বাইরে আসার প্রধান কারণ হচ্ছে একটা বাসা ভাড়া নিতে হবে।
আসলে বাসাটা এমনিতেই ছোট ছিল। আর এদিকে আবার ম্যাম এসে হাজির। তাই বাসা ভাড়া নিব বড় দেখে। ফোনেই সব ঠিক হয়ে গেছে। তাই দেখতে গেলাম।
অফিস থেকে বাসাটা কিছুটা দুরে। আর ভিতরে চারটি রুম। বেশ ভালোই। পছন্দ হল। তাই সব ওকে করে এলাম। কাল সকালে সব কিছু নিয়ে আসব।

ঘরিতে ১২ টা বেজে গেছে। তাই একটা হোটেলে ঢুকে কিছু খেয়ে নিলাম।
জান্নাত কে ফোন দিয়ে জেনে নিলাম খেয়েছে কি না??
এরপর বাইরে এসে বন্ধুদের নিয়ে একটা মুভি দেখতে গেলাম।

এর মধ্যে রিয়া আর বাপ্পির কিছু খোজ খবর নিলাম। রিয়া বাড়িতে থাকে। ওর বর একটা অফিসে চাকরি করে। আর বাপ্পি একটা প্রাইভেট কম্পানিতে চাকরি করে।
মোটামুটি সকলে ভালো আছে।

এরপর লং ড্রাইভ এ গেলাম। মোটকথা আজকের দিনটায় অনেক মজা করলাম।
কারন আমার ভালোবাসার মানুষকে আজ থেকে আপন করে পেয়েছি।
আর হারামি বন্ধুগুলো তো আছেই। যে অফিসের বস তোর বউ। তাই ট্রিট দে। আজ আমায় পুরো ভিকারি বানিয়ে দিল। সব গুলো হারামি।
বাসায় আসতে রাত ১২ টা বেজে গেল।
আসলে হারামিগুলোর কাছে গেলে সময় যে কখন কেটে যায় বুজতেই পারি না।
আপুকে ফোন করে ঘুমিয়ে পরতে বলেছি।
শিমলাকে একবারো ফোন দি নাই।
সে অনেকবার ফোন দিছিল। আমি ধরি নাই।
বাসার সামনে এসে —-
কলিং বেল চাপ দিলাম।
দেওয়ার সাথে সাথে শিমলা দরজা খুলে দিল।
বোধহয় আমার অপেক্ষায় ছিল।
আমি- আপনি এখনো ঘুমান নি??
শিমলা- নাহ। তুমি খেতে এস….
আমি- না আমি খান না খেয়ে এসেছি।
শিমলার মুখটা কালো হয়ে গেল। আমি রুমে এসে শুয়ে পরলাম।
কিছু সময় পরে শিমলাও চলে এল। আমি জানি ও কিছু খায় নি। এইভাবে চললে ও অসুস্থ হয়ে যাবে। তাই একটা কাজ করি।
আমি- আপনি খেয়েছেন..???
শিমলা-……
আমি- কি হল উত্তর দিন।
শিমলা- আমার খুদা নেই।
আমি- গিয়ে খেয়ে আসুন।
শিমলা- খিদে নাই খাব না বলে শুতে গেল।
আমি- উঠে গিয়ে হাত ধরে টান দিয়ে দিলাম এক চর। মানে ঠাসসসস।
ব্যাস এইবার গেল খেতে। আমি জানি তো এই মেয়ের ঔষধ এই একটাই।

খেয়ে চলে এল শিমলা।
আমি দেখলাম তার চোখ ফুলা। বোধহয় কেদেছে। আর মুখে চরের দাগ।
নিজের উপরে ঘিনা হচ্ছে। কিন্তু এটা না করলে তাকে শাস্থি দেওয়া যাবে না।
আমি- কাল সব কিছু গুছিয়ে নিয়েন।
শিমলা- প্লিজ। তুমি আমায় যা বলবে আমি তাই করব। চাকরের মতো থাকব এই বাসায় প্লিজ তাও তারিয়ে দিও না।
আমি- হাহাহাহাহা।
শিমলা- কেদে যাচ্ছে।
আমি- সব কিছু গুছিয়ে রাইখেন। বলে শুয়ে পরলাম।

আবার আজকে মাজ রাতে সেই এক ঘটনা।
আমি- আপনি কি আমায় মারবেন??
শিমলা- এইবার চুপ হয়ে গেছে। বোধহয় কাল রাতের কথা মনে পরে গেছে।
যাক বাবা ম্যাম তাহলে ঘুমিয়েছে।
ম্যাম কাল আপনাকে আপনার বাসায় দিয়ে আসব না। আপনার জন্য একটা বাসা নিব। হিহিহি কি বোকা মেয়ে।
বলে কিনা ওকে ওর বাসায় রেখে আসব। ইস বউ আমার আর রেখে আসব অন্যের বাসায়। হুহ।
আর কথা নয় ঘুমিয়ে নেই। কাল অনেক কাজ আছে। বায়।

সকালে……..
সকালে শিমলার ডাকে ঘুম ভাংল। মোবাইলে তাকিয়ে দেখি ৮ টা বেজে গেছে। ফ্রেশ হয়ে নিলাম। শিমলা চা এনে দিল।
আমি সেটা নিয়ে ছাদে চলে গেলাম।
চা খাচ্ছিলাম আর শিমলার কথা ভাবতেছিলাম। নিচে তাকিয়ে দেখলাম
মালপত্র নেওয়ার গাড়ি চলে এসেছে।
আমি তাড়াতাড়ি কথা বলতে চলে গেলাম।
কি কি জিনিস পত্র নিব তার লিষ্ট তাদের দিয়ে দিলাম।
এরপর আমি জান্নাত আপুকে রেডি হতে বললাম।
আমার রুমে গিয়ে…
আমি- আপনি আপনার সব কিছু গুছিয়ে নিন।
শিমলা-……
আমি- কি হল কথা বলেন না কেন..?(রাগি ভাবে)
শিমলা- প্লিজ তুমি আমায় তারিয়ে দিও না।
আমি- যা বলছি তাই করেন। এই বলে আমি চলে গেলাম। আমার সব কিছু আগেই গুছিয়ে রেখেছি।
জান্নাত আপু রেডি। আমি শিমলাকে ডাক দিলাম।
(আপনারা ভাবছেন শিমলা এত অপমান সহ্য কেন করতেছে?? আসলে সে অনেক বড় ভুল করেছে। এটাই তার শাস্থি হিসেবে সে মেনে নিয়েছে। এছাড়া আর কোন উপায় নেই।)
কিছু সময় পরে মিসেস এল। মুখে কোন হাসি নেই। চুল এলোমেলো।
কিন্তু খুব কিউট দেখাচ্ছিল। ইচ্ছে করতেছিল গাল দুটো ধরে টান দেই। কিন্তু কন্ট্রোল করে নিলাম।
আমি- সবাই চল আমার সাথে।
জান্নাত- হুম চল ভাইয়া। ভাবি তুমিও আসো।
শিমলা- সবাই মানে..???(অবাক হয়ে)
আমি- একদম চুপ। (ঝারি দিয়ে)
শিমলা- চুপ…
জান্নাত- ভাইয়া তুই ভাবির সাথে এমন করে কথা বলিস কেন???
আমি- আপনি চুপ করে চলেন প্লিজ।
জান্নাত- হুম।।।

এরপর তিনজন মিলে একটা গারিতে উঠলাম।
জান্নাত অনেক এক্সাইটেড। কারন নতুন বাসা তো তাই।
আর শিমলার মনে তো অনেক প্রশ্ন।
আমি কিছু বলব না। সারপ্রাইজ দিব।

বাসার সামনে এসে।
জান্নাত- ভাইয়া অনেক বড় বাড়ি।
আমি- হুম। আমার আপ্পির জন্যই তো নিলাম।
জান্নাত- হুহ। আমি জানি তুই আমায় বোকা বানাচ্ছিস। ভাবির জন্য এই বাসা।
আমি- হুম এবার চল।
শিমলা- চুপ করে আছে। কারন জানে কিছু বললে তো আমি আছিই। হিহিহিহি। (বউ তো এমনি হওয়া উচিত। স্বামী যা বলবে তাই করবে।?? মেয়েরা শিমলাকে দেখে শিখো ??)
জান্নাত আগে গিয়ে তার পছন্দসই একটা রুম দখল করে নিল। পাগলি একটা।
আমি- কি হল আপনাকে কি নিমন্ত্রণ দিয়ে নিয়ে যেতে হবে??
শিমলা- চুপ করে হাটা দিল রুমের ভিতরে।
আমি- হাহাহাহা ম্যাম এটা তো কেবল শুরু।(খেলা এখনো বাকি আছে??)

আমি ভিতরে গিয়ে বললাম—
আমি- আপনারা যেটা পছন্দ সেটায় আমার সহ আপনারা মালপত্র নিয়ে গুছিয়ে রাখুন।
শিমলা- কিন্তু সেটার জন্য তো লোক আছে আমার। আমি ফোন দিব এখনি চলে আসবে।
আমি- ঠাসসসসসস ঠাসসসসস ??। আমি যেটা বলছি সেটা করেন।
শিমলা- ???মুখ বুজে কাদতেছে।
আমি- একদিম চুপ। আপু যেন কিছু টের না পায়।
শিমলা- হুম।
আমি- এরপর রান্নাটা করে ফেলবেন।
শিমলা- কিন্তু আ….
আমি- ???
শিমলা- ???

(কিছু কিছু সময় চোখ কথা বলে। মুখে বলতে হয় না।)

আমি ফ্রেশ হতে গেলাম।
এসে দেখি রুমটা বেশ সুন্দর করে গুছানো হয়েছে। বাহ বেশ ভালোই তো পারে ম্যাম।

আমি- এখানেও কিছু ভুল দরে বকে দিলাম।
হিহিহিহি।

এদিকে আপ্পি তো তার রুম টেডি দিয়ে ভরে ফেলছে। পাগলি একটা।

আমি- কিছু চকলেট বের করে টেডি বিয়ার এর সামনে নিয়ে। আপু খাবে তুমি???
জান্নাত- দেখে রাগে ফুলতেছে।
আমি- কি হল খাবে না তুমি। এইবার আরেকটার সামনে নিয়ে আপনি খাবেন??
জান্নাত- কিছু না বলে আমার উপরে ঝাপিয়ে পরল। যাহ চকলেট গুলো নিয়ে নিল। সাথে কিল ঘুসি তো ফ্রি।
আমি- কোন মতে বেচে ফিরে আসলাম।
বাপরে আমার আপুকে রাগালে কেউ পারবে না ওর সাথে।
হাহাহাহাহা।
বাসায় সব জিনিস গুছানো শেষ। মানে যাদেরকে মালপত্র আনতে বলেছি তারা এসে সব ঠিক করে দিয়ে গেছে।

ঘরিতে দেখি ১১ টা বেজে গেছে।
জান্নাত কে খাবার দিয়ে এসেছি ওর রুমে
। (অডার করে আনা)
আর আমাদের জন্যও এনেছি। কারন আমি জানি শিমলা রান্না করতে পারে না।

আমি রান্না ঘরে গেলাম।
গিয়ে দেখি শিমলা কে চিনা যাচ্ছে না। হাহাহা মুখে চুলে আটা, হলুদ মাখিয়ে ভুত।
আমি হাসব না কাদব কিছু বুজতেছি না।
আমি- কি রান্না হয়েছে আপনার..??
শিমলা- হুম। তুমি গিয়ে বস আমি দিতেছি।
আমি- হুম।
টেবিলে গিয়ে বসলাম।
খাবার দিল কিছু সময় পরে।
মুখে দিয়ে ওয়াক থু??
শিমলা- আমি সরি বলেই ভ্যায়য়য়,,,করে কেদে দিল। পুরা বাচ্চাদের মতো করে।
আমি- আগে কখনো এভাবে কাদতে দেখি নাই। তাই মাপ করে দিলাম। নাহলে দিতাম ঠাসসসস।

আমি- হয়েছে এইবার থামেন।
শিমলা- কেদে যাচ্ছে।
আমি- প্লিজ থামুন। আপু চলে আসবে।
শিমলা- এইবার থেমেছে।
আমি- এইবার আপনি এই গুলো খান।
শিমলা- ওর রান্না খাবার মুখে দিয়ে। ওয়াক।
আমি- এইগুলো আপনি সব খাবেন।
শিমলা- ভয় পেয়ে গেছে।
আমি- এইনিন।
শিমলা- খুশি
আমি- খেয়ে বাসার কাজ গুলো করে ফেলুন।
শিমলা- হুম।
এরপর আমি খেয়ে বাইরে গেলাম।
কিছু সময় আড্ডা দিলাম ফ্রেন্ডদের সাথে।
বাসায় গেলাম।
বাসায় এসে দেখি দুই মহারানী বসে বসে টিভি দেখতেছে।
শিমলা হাসতেছিল। আমায় দেখেই চুপ হয়ে গেল। হাহাহাহা।
জান্নাত- ভাইয়া বিকালে ঘুরতে নিয়ে যাবি আমাদের।
আমি- নাহ।
জান্নাত- আমি কিছু জানি না। যাবি ব্যাস এটাই ফাইনাল।
আমি- হুম। কে পারে এর সাথে।

এইবলে আমি রুমে এসে ঘুমিয়ে পরলাম।
বিকালে শিমলার ডাকে ঘুম ভাংল।
আমি ফ্রেশ হয়ে নিলাম।
এরপর তিনজনে মিলে বের হলাম।
দুইজনই পরি। আমার আপু তো ছোট পরি। হিহিহিহি।
এরপর সবাই মিলে একটা পার্কে গেলাম।
সেখানে গিয়ে ঘটল আরেক ঘটনা।
আমি……

চলবে…???

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ