Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"Ex গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস পর্ব-০৪

Ex গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস পর্ব-০৪

Ex গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস ❤
লেখকঃ শ্রাবন
পর্বঃ ০৪

সকালে ঘুম থেকে ঊঠে ফ্রেশ হয়ে,
রান্না করতে গেলাম। রান্না করে
বাপ্পিকে ডেকে দুজনে সকালের খবার
খেয়ে বেরিয়ে পরলাম কলেজের
উদ্দেশ্যে। কলেজে পৌছে বাপ্পি আমাকে
নিয়ে সোজা প্রিন্সিপাল এর রুমে নিয়ে
ভর্তির সব কাজ শেষ করলাম।
মানে ইন্টার দ্বিতীয় বর্ষে।
এরপর সেখান থেকে দুজনে কলেজ
ক্যাম্পাসে গেলাম।
সেখানে গিয়ে বাপ্পি তার বন্ধুদের সাথে
পরিচয় করিয়ে দিল।
কিছু সময় কথা বলে ক্লাসে গেলাম।
ক্লাসে গিয়ে বাপ্পি ওর বন্ধুদের কাছে গিয়ে
বসল। কারন আমি একা বসতে চেয়েছি।
পিছনের একটা বেঞ্চে গিয়ে বসলাম।
একটু পরে আমার সামনের বেঞ্চে একটা
মেয়ে এসে বসল। যাকে দেখে আমি
অবাক। সেও আমায় দেখে অবাক।
সে আর কেউ না। বাসের সেই বাচাল
মেয়েটা রিয়া। (ঊফ এখন কে জানে আবার কি করে। আর ও তো প্রথম বর্ষে তাহলে এই ক্লাসে কেন?)
রিয়া কিছু না বলে আমার পাশে এসে
বসে পরল। আমি ভয়ে কিছু বলতেছি
না। কারন একটা কথা বলা শুরু
করলে আর শেষ নেই।
বলতে বলতেই রিয়া বলা শুরু করল
রিয়া- আপনি এইখানে ভর্তি হইছেন?
আমি- হুম। কিন্তু আপনি এখানে কেন?
রিয়া- হাহাহা
আমি- হাসেন কেন??
রিয়া- আসলে আমি মিথ্যা বলছি। কারন
বর্তমানের ছেলেরা মেয়ে দেখলেই
লাইন মারার চেষ্টা করে। তাই আমি বলছি যে প্রথম বর্ষে পরি যাতে আপনি
জুনিয়র ভেবে ছেরে দেন।
আমি- কি মেয়েরে বাবা! কি বলদ মার্কা
বুদ্ধি।
রিয়া- আমি বলদ তাই না??(রেগে)
আমি- নাহ আপনি বলদ নন। আমি
বলদ। (ভয়ে)
রিয়া- হুম।
আমি- আমাকে দেখে কি আপনার বখাটে
ছেলে মনে হয়???
রিয়া- না
আমি- তাহলে মিথ্যা কেন বলেছিলেন?
রিয়া- না মানে, আমি ভাবছিলাম যে
আপনিও ওই রকম। কিন্তু আপনি তো
আরো বলদ। পাশে একটা সুন্দরী মেয়ে
বসে রয়েছে আর আপনি কথাই
বলেন না??
আমি- ( ওরে মেয়ে তুই যদি জানতি আমি কি ছিলাম আগে তাহলে কাছেও আসতি না। বখাটে নাম্বার 1… মনে মনে) আমি এমনি।
রিয়া- হু ঢং।
আর কিছু বলার আগে ক্লাসে স্যার আসল।
স্যার- সকলে বস। এই তুমি(আমাকে) দাড়াও।
আমি- জ্বী স্যার বলুন।
স্যার- তুমি নতুন তাই না??
আমি- হুম।
স্যার- নাম কি??
আমি- শ্রাবণ রায়।
স্যার- ওকে সিট ডাউন। এরপর সব ক্লাস
গুলো করে বাইরে বের হতেই সেই
রিয়া এসে বলল—–
রিয়া- আপনি কোথায় থাকেন এখানে??
আমি- এখানে কাছেই একটা বাসা ভারা করে।
রিয়া- ওহ। আর আমরা কি ফ্রেন্ড হতে পার?
আমি- হুম।
রিয়া- তাহলে কিন্তু তুমি করে বলতে হবে।
আমি- ওকে।
রিয়া- তাহলে চলো কোথাও ঘুরে আসি।
আমি- না, আজকে যাব না।
রিয়া- কেন??
আমি- আসলে একটা কাজ আছে?
রিয়া- কি কাজ??
আমি- আমার একটা টিউশনির দরকার। তাই খুজতে যাব।
রিয়া- কিছুক্ষণ ভেবে। ওহ এই ব্যাপার
চল আমার সাথে।
রিয়া কিছু না বলে একপ্রকার জোর করে একটা বাসার সামনে নিয়ে গেল। যেতে যেতে বিকাল হয়ে গেছে।
আমি বললাম এটা কার বাসা আর
এখানে আমায় নিয়ে আসলে কেন?
রিয়া- ভিতরে গেলেই বুঝতে পারবে।
বাসাটা বেশ বড়। ৩ তালার একটা ফ্লাট।
রিয়া আর কিছু না বলে কলিং বেল
চাপ দিল।
একটু পর একটা মহিলা এসে
দরজা খুলে দিল।
মহিলা- আরে রিয়া মামুনি তুই??
রিয়া- হুম মামি আমি।( তার মানে এটা রিয়ার মামা বাড়ি)
রিয়ার মামি- এই ছেলেটা কে??
রিয়া- সব কথা এখানে বলব না
ভিতরেও আসতে বলবে?
রিয়ার মামি- ও হ্যা আয়। আস বাবা(me) তুমিও ভিতরে আস।
রিয়া- মামি তুমি বলছিলে না, তানহা( রিয়ার মামাতো বোন) একটা
ইংরেজি স্যার দরকার??
রিয়ার মামি- হুম।
রিয়া- ও(me) হচ্ছে শ্রাবণ। আমার ফ্রেন্ড।
ওর একটা টিউশনির দরকার। তাই ওকে
নিয়ে এলাম।
রিয়ার মামি- ঠিক করেছিস।
রিয়া- হুম। কবে থেকে আসবে ও
পড়াতে??
রিয়ার মামি- কাল থেকেই আসুক।
এই বলে আমার বাসা থেকে চলে এলাম।
এসে রিয়াকে ধন্যবাদ দিলাম।
এরপর আমরা একটা হোটেল গিয়ে খেয়ে
যে যার বাসায় চলে গেলাম।
তানহার পরিচয়টা দিয়ে দেই। ও ক্লাস ফাইবে পরে। ছাত্রী হিসাবে মোটামুটি।
দেখতে সো কিউট কিন্তু অনেক
দুষ্ট।
এরপর বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে বাপ্পিকে
খুশির খবরটা দিলাম।
বাপ্পি অনেক খুশি হয়েছে। ওর থেকে আমি বেশি খুশী। কারন যব করে
৮ হাজার টকা পেলে কোন মতে চলে
যাবে মাস। কিন্তু টিউশন করালে
২ হাজার বেশি পাওয়া যাবে। যার ফলে
দিব্বি চলে যাবে আমার।
এরপর দুজনেই চলে গেলাম যব করতে।
সেখান থেকে ৯ টার সময় বের হয়ে
বাপ্পি চলে গেল বাসায়।
আর আমি সোজা রিয়ার মামা বাড়ি ।
বেল বাজাতেই আন্টি এসে দরজা খুলে
দিলেন। আমি কুশল বিনিময়
করে তানহার রুমে গেলাম।
আমায় দেখে—
তানহা- স্যার আসসালামু আলাইকুম
আমি- ওয়ালাইকুম আসসালাম। কি করো?
তানহা- স্যার আপনার জন্য বসে আছি।
আমি- ওকে বই খাতা বের কর। এর পর ওকে পড়াতে লাগলাম। কছু সময় পরে
আন্টি এসে কিছু খাবার দিয়ে গেল।
যেগুলো খেলে আমার রাতটা দিব্বি
চলে যাবে। ( ঢাকা শহরে এই একটা সুবিধা টিউশন করতে গেলে হালকা কিছু খেতে দেয়)
এরপর তানহাকে পড়িয়ে আমি রাত ১০.৩০ এ বাসায় গিয়ে পৌছালম।
রুমে ঢুকে দেখি বাপ্পি বই পড়তেছে।
আমিও ফ্রেশ হয়ে এসে বই পরতে বসলাম।
রাত ১ টা পর্যন্ত বই পরে ঘুমাতে গেলাম।(ভাইরে জীবনেও এত রাত পর্যন্ত বউ থুক্কু বই পড়তো দূরের কথা ছুয়েও দেখি নাই।)
সুয়ে পরে ভাবতে লাগলাম।
আমার মাসে ইনকাম ৮ হাজার+ ২ হাজার
মোট ১০ হাজার৷
বাসা ভাড়া ৩ হাজার। মিল চার্জ ৬০০ এবং বাকি হাত খরচ ৪০০। এর পর থাকে ৬ হাজার এই থেকেই বাকি
কাজ কর্ম করতে হয়৷
যে টাকা বেচে যায় সেটা বিকাশে জমা
রাখি। কে জানে কখন প্রয়োজন হয়।
এইভাবেই দিনকাল ভালোই চলছিল।
তানহার পরিক্ষা শেষ। ও ভালো রেজাল্ট করছে। তাই ওর আম্মুই আমায় আরেকটা টিউশন ধরিয়ে দিল।
এই টাকা নিয়ে ঢাকা শহরে দিব্বি চলা
যায়। (যদি হিসাব করে চলা যায় তবে)
এই ভাবে আমার আর বাপ্পির দিন ভালোই
চলছিল। আর এখন কলেজে সবাই
আমাকে ভদ্র ছেলে হিসাবে জানে।
কারন আগের সেই শ্রাবন আর এখন
আমি নেই। কলেজে অনেক
ফ্রেন্ড হয়েছে এখন। আর রিয়া
এখন আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড।
এইভাবে ভালো চলছিল আমার জীবন।
এখন আর পরিবারে কথা মনে পরে
না। কিন্তু শিমলাকে ভুলা অসম্ভব।
আজকের দিনটা আমার কাছে খুবই
গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনটা নির্ধারণ করে
দিবে আমার সব কিছু। আজ আমার
ইন্টার এর রেজাল্ট দিবে।
রেজাল্ট শুনেই আমি তো পুরাই……..
আজকের দিনটা আমার কাছে খুবই
গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনটা নির্ধারণ করে
দিবে আমার সব কিছু। আজ আমার
ইন্টার এর রেজাল্ট দিবে।
রেজাল্ট শুনেই আমি তো পুরাই অবাক।
কারন রেজাল্ট দেখানোর মতো হয়েছে।
হ্যা আমি A+ পাইছি।(বাস্তবে ? আদু ভাই?)
আমাদের গ্রুপে অনেকেই A+ পেয়েছে।
বাপ্পিও ভালো রেজাল্ট করছে ।
দেখতে দেখতে আমাদের ইন্টারমিডিয়েট পড়া শেষ। বাড়ি থেকে আজ ১ বছরের বেশী চলে এসেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ পর্যন্ত কেউ আমার খোজ নেয় নি।
আর বাড়ির সকল ফ্রেন্ড দের কে ব্লক করে দিয়েছি। কারন
সকলের সাথে কথা বললে হয়তো
আমি আর এখানে থাকতে পারব না।
সিমটাও বদলে ফেলেছি।
তাই বাগেরহাটের কারো সাথে কোন
যোগাযোগ নেই।
একদিক থেকে ভালো হয়েছে।
আমি নিজের বাসায় থাকলে হয়তো এত
ভালো রেজাল্ট করতে পারতাম না।
বাড়ির কেউ এই রেজাল্ট শুনলে
খুবই খুশী হতো।
এইসব কথা আর না ভাবাই ভালো।
আমার ব্যাচের সকলে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হচ্ছে।
আর বাপ্পি বাগেরহাট ফিরে যাবে।
কারন ওর মা নাকি অসুস্থ। তাই বাপ্পি
আবার বাগেরহাট গিয়ে ভর্তি হবে।
তাই এখন বাসায় আমি একা থাকব।
আর মাত্র ৫ টা বছর আমায় কষ্ট করতে
হবে। এরপর কোন একটা চাকরি
করে জীবনটা পার করে দেব।
আজ বাপ্পির সাথে শেষ রাত।
আমরা আমাদের ব্যাচের সবাই
মিলে আজ একটা পার্টি দিয়েছি।
কারন আজ আমাদের সবাই
একসাথ হয়েছি।
আর কোন দিন হয়তো নাও হতে পারি।
কারন সবাই বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে
ভর্তি হয়ে দূরে চলে যাবে।
রাতে পার্টিতে——-
আমরা সবাই মিলে সেই চিরচেনা ব্রিজের
উপরে বসে আড্ডা দিচ্ছি।
বাপ্পি- দোস্ত তোদের সবাইকে ছেরে চলে
যাচ্ছি। ভালো থাকিস তোরা।
রহিম- ভাই এটা কোন ব্যাপার না।
কোন একদিন আবার সবাই এক হব।
আমি- হুম দোস্ত ঠিক বলেছিস।
আবিদ- দোস্ত তোদের কাউকে ভুলতে
পারব না।
সবাই- হুম আমরাও।
এরপর সবাই মিলে কিছু পিক তুলে
একটা গ্রুপ খুললাম।(WhatsApp group) মানে সকলে দূরে থাকলেও যেন
কথা বলতে পারি।
এরপর কিছু সময় আড্ডা দিয়ে বাসায়
চলে এলাম আমি আর বাপ্পি।
বাসায়—————
বাপ্পি- দোস্ত খুব ঘুম পাচ্ছে,,চল ঘুমাই।
আমি- হুম চল।
এরই মধ্যে রিয়ার কল।
আমি- হুম বল
রিয়া- দোস্ত তুই কোন ইউনিভার্সিটিতে
ভর্তি হবি???( রিয়া আর আমি বেষ্ট ফ্রেন্ড)
আমি- ****** ইউনিভার্সিটিতে। তুই??
রিয়া- ***** ইউনিভার্সিটিতে। তোর ইউনিভার্সিটি থেকে দূরে।
আমি- হুম। তুই তো আমায় ভুলে যাবি?
রিয়া- হারামি তোরে কি করে ভুলব বল।
আমি- হুম। আমিও ভুলতে পারব না।
রিয়া- হুম।
আমি- আমার বাসা তো তুই চিনস??
রিয়া- হুম
আমি- যদি কোন দিন দরকার হয় তাহলে
আসিস। কারন এই বাসায় আমি থাকব।
রিয়া- ওকে দোস্ত বায়
আমি- হুম বায়। গুড নাইট
রিয়া- গুড নাইট।
এই বলে আমি রুমে গিয়ে দেখি বাপ্পি
ঘুম। অন্য কোন সময়ে হলে আমি ওকে
ঘুমাতে দিতাম না। কারন কাল ওর জার্নি
আছে তাই কিছু বললাম না।
আমিও ঘুমিয়ে গেলাম।
সকালে ঘুম থেকে ঊঠে বাপ্পিকে নিয়ে
সোজা বাসএস্টান্ডে চলে গেলাম।
৮ টায় রওনা দিবে বাস।
এখন সময় ৭ টা ৫০ মিনিট।
তাই আমি বাপ্পিকে বললাম
আমার বাসয় জেন কিছু না বলে।
আর এমনিতেই অর বাসা আমার বাসা
থেকে অনেক দূরে। তাই কোন
প্রশ্নই উঠে না।
এরপর আরো কিছু কথা বললাম
বাপ্পি- দোস্ত ভালো থাকিস।
আমি- তোকে ছারা কিভাবে ভালো থাকব?
বাপ্পি- আমিও কি পারব ভালো থাকতে বল??
এরপর আরো কিছু কথা বলে আমি
ওকে জরিয়ে ধরে কেদে দিলাম।
বাপ্পিও কেদে দিল।
এরপর বাস ছেরে দিল। আর আমার
কাছ থেকে কেমন যেন অনেক বড়
একটা কিছু একটা কমে যাচ্ছে।
আসলে একটা বছর একসাথে ছিলামতো
সুখে দুঃখে।
এরপর আমি বাসায় চলে এলাম।
বাসার সব কিছু গুছিয়ে নিলাম।
কারন বাসায় এখন আমি একা থাকব।
এইসব করতে করতে দুপুর হয়ে গেছে।
তাই দুপুরের খাবার খেয়ে যব করতে
চলে গেলাম। এখন আমি একটা মোটামুটি স্থানে কাজ করি।
কারন আমার কাজ ম্যানেজার স্যার
খুব পছন্দ করে। এইভাবে কাজ করতে করতে সময় হয়ে গেল বাসায় যাবার।
তাই দোকান থেকে বের হয়ে হাটতে লাগলাম একটা কোক খেতে খেতে।(আমি এখন একটা পর্যায়ে ঊঠে গেছি। কারন এই শহরে আমি প্রায় ১ টা বছর আছি। কিভাবে চলতে হয় তা খুব ভালোই জানি।(
এখান থেকে সোজা টিউশন করাতে যাব।
রাস্তা দিয়ে একটা ফাকা জায়গা দিয়ে হেটে যাচ্ছি। রাস্তায় তেমন গাড়ি নেই।
ঠিক তখনই দেখি একটা রিক্সা যাচ্ছিল কিন্তু একটা ট্রাক এসে সজরে ধাক্কা দিল
রিকশায়। রস্তার আসে পাশে কাউকে দেখতে পেলাম না। আর ট্রাকটা ভয়ে চলে গেল এক টানে। আমি দেখলাম রিকশায় একটা মহিলা আর একটা বচ্চা মেয়ে আছে। রিকশা মামা ঠিক আছে। আমি দৌড়ে তাদের কাছে গেলাম।
রিকশাটা ভেঙে গেছে। রিকশাওয়ালা মামা ঠিক আছে আর মেয়েটি মাথায় চোট
পেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে। আর মহিলাটির
অবস্থা খুবই খারাপ। তাই আমি কি
করব কিছুই বুজতেছি না। আশেপাশে কোন গাড়িও নেই। তাই আর দেরি না করে এক বন্ধুকে ফোন করে একটা গাড়ি
নিয়ে আসতে বললাম।(এক বছর আছি তো তাই অনেক বন্ধু আছে)
কিছুক্ষণ পরে বন্ধু গারি নিয়ে এল
আমি আর দেরি না করে তাদেরকে কাছের হাসপাতালে নিয়ে গেলাম।
ডাক্তার বচ্চাটিকে(৩ বা ৪ এ পরে বোধহয়) একটা রুমে আর মহিলাটিকে নিয়ে অন্য রুমে চলে গেল।
যেহেতু অনেক রাত হয়েছে তাই আমি
বন্ধুকে ধন্যবাদ দিয়ে বাসায় চলে যেতে
বললাম। আর টিউশন করতে যাব না তা সবাইকে বলে দিলাম।
এরপর কিছু সময় পরে ডাক্তার বেরিয়ে এল। আর আমায় যা বলল আমি তা
শুনে খুবই…………

চলবে….?????

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ