Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"অনুভূতি পর্ব ১৭

অনুভূতি পর্ব ১৭

অনুভূতি
পর্ব ১৭
মিশু মনি
.
২৮.
মিশু জানালায় মাথা রেখে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। ওর ঠিক সামনা সামনি বসে ওর দিকে চেয়ে আছে মেঘালয়। কি বলা উচিৎ বা কি করা উচিৎ বুঝতে পারছে না।
একটু পর বললো, “আমি কি শার্ট গায়ে দিবো নাকি কেউ তাকাবে?”
মিশু তবুও ঠায় জানালা দিয়ে বাইরে চেয়ে রইলো। মেঘালয় আবারো জিজ্ঞেস করলো, “আমি কি শার্ট পড়বো?”
এবারেও মিশুর কোনো উত্তর নেই। মেঘালয় আবারো একই প্রশ্ন করতেই মিশু ভয়ানক রেগে জবাব দিলো, “সেটা আমাকে জিজ্ঞেস করছেন কেন? আপনার যা খুশি করুন। আমি কেন তাকাবো আপনার দিকে? আমি আপনার কে? আমার কোনো কথাই আপনাকে রাখতে হবেনা। শার্ট গায়ে দিন পারলে ট্রেনের সিটের গদি খুলে গায়ে দিন।”
এমন রাগত কথাবার্তা শুনে মেঘালয়ের প্রচণ্ড হাসি পেলো। অনেক চেষ্টা করেও হাসি চেপে রাখতে পারলো না। মিশুর দিকে একটু ঝুঁকে এসে বললো, “তারমানে চাইছো আমি এভাবেই থাকি তাই তো?”
মিশু আবারো চেঁচাল, “বললাম না আপনার যা খুশি করুন। গায়ে দিবেন না খুলবেন সেটা আপনার ব্যাপার। পারলে কারো কাছে বস্তা চেয়ে নিয়ে গায়ে দিন।”
– “সিস্টেমে আমাকে খালি গায়ে থাকতে বলছো? যাতে বারবার তাকাতে পারো? আমি কি বুঝিনা তুমি আড়চোখে কতবার তাকাও।”
– “আমার বয়েই গেছে তাকাতে। গায়ে দিন, খুলুন আপনার ইচ্ছা। আমিতো কেউনা। আমার কথা কেন শুনবেন? শুনবেন ই না তো। পারলে গায়ে যেগুলা আছে সেগুলাও খুলে ফেলুন।”
মেঘালয় জিহ্বায় কামড় দিয়ে বললো, “সিরিয়াসলি?”
মিশু থতমত খেয়ে গেলো। মেঘালয় দুষ্টুমি ভরা চোখে চেয়ে আছে। একবার ওর দিকে তাকিয়েই হাসি পেয়ে গেলো মিশুর। ফিক করে হেসে ফেললো। মেঘালয় ওর হাত দুটো নিজের হাতের মুঠোয় চেপে ধরে বললো, “এত পিচ্চি কেন তুমি?”
– “আমি পিচ্চি? পিচ্চিকে বিয়ে করছেন কেন তাহলে?”
– “বিয়ে? ওহ হ্যা, দারুণ কথা মনে করিয়ে দিয়েছো তো। বিয়ে তো করতে হবে।”
কথাটা বলেই মিশুর হাত ছেড়ে দিয়ে পূর্বকে কল দিলো মেঘালয়। দুবার রিং হওয়ার পর পূর্ব রিসিভ করে বললো, “কোন শালা বে এত রাতে?”
– “তুই আমার কোন বোনকে বিয়ে করছিস যে শালা বলছিস?”
পূর্ব ঘুম জড়ানো গলায় বলল, “উম মেঘু শালা, তুই ব্যাটা। এত রাতে ঘুমাস না ক্রে? আমার মতন মিষ্টি কণ্ঠি পোলাদের ডিস্টার্ব করতাছোস হ্রামি।”
– “পূর্ব, একটু উঠে বস। দরকার ছাড়া এত রাতে কল দিইনি।”
– “মাত্র ঘুমালাম ব্যাটা। বল কি হইছে?”
– “আমি বিকেলে বিয়ে করবো।”
পূর্ব একলাফে বিছানার উপর উঠে বসলো। চোখ কচলাতে কচলাতে বললো, “কি বলছিস এসব?”
– “হুম, এমন ভাবে বিয়ের এরেঞ্জমেন্ট করবি যাতে কোনো পাবলিক টের না পায়। কাজীকে কারো বাসায় নিয়ে এসে বিয়ে পড়ানো যায়?”
পূর্ব একদম হতভম্ব। মেঘালয় এসব বলছে সেটা বিশ্বাস ই হচ্ছেনা ওর। রীতিমত অবাক হওয়ার পালা। মেঘালয় বললো, “পুরো দায়িত্বটা তোকে দিলাম, তুই সায়ান আর আরাফ মিলে যা ব্যবস্থা করার করবি। তোদের তিনজনের বাইরে কোনো কাকপক্ষীও যেন টের না পায়।”
-“সেটা নাহয় করলাম, কিন্তু দুম করেই বিয়ে করছিস কি জন্য? কোনো ঝামেলায় ফেঁসেছিস?”
– “না ভাই, প্রেমে পড়ছি। বিয়ে করে তারপর প্রেম করবো।”
– “আন্টি আংকেল?”
– “আমার বউটা নিতান্তই বাচ্চামেয়ে, বউটা আরেকটু বড় হলে আবার বিয়ে করবো।”
– “বাচ্চা হোক আর কাচ্চাই হোক, বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যে বড় হয়ে যাবে।”
বলেই পূর্ব হেসে উঠলো। মেঘালয় বলল, “ফাজলামি পরে করিস। আমি সিরিয়াস হয়ে যা বলি শোন।”
– “তুই কি আসলেই সিরিয়াস দোস্ত?”
– “হ্যা, মিশুর আর কেউ নাই এই দুনিয়ায়। ওর অসুস্থ মা গ্রামে থাকে, সেই মায়ের ভরণ পোষণের দায়িত্বও মেয়েটার কাঁধে। ওর কাঁধসহ পুরো শরীরের দায়িত্ব এখন আমি নিতে চাচ্ছি। বুঝাতে পারলাম?”
পূর্ব অবাক হয়ে বললো,”মিশু মানে? সুপার শপের মেয়েটা? ওরে একদিন রাত্রে তোর বাইকে দেখছিলাম না?”
– “হ্যা সেই পিচ্চিটা।”
– “সেদিন ই ডাউট হইছিলো, তলে তলে এতদূর? ওই ৩৮ কেজি ওজনের বাচ্চাটার দায়িত্ব নিতে কি লাগে?”
– “আমার বউকে বাচ্চা বলবি না, একমাত্র আমি বলার অধিকার রাখি। তোকে যা বলি, তাই কর।”
– “টেনশন নিস না, ট্রিট হিসেবে সীতাকুণ্ড ট্যুরের সমস্ত খরচ তোর।”
– “সীতাকুণ্ড যাবো না, নতুন বউ নিয়ে সাজেক যাবো। মেঘের দেশে ঘুরিয়ে নিয়ে আসি।”
– “তোর মত হাই লেভেলের মেঘ সাজেকে আছে? তোর পুরো শরীর ঘুরিয়ে আন,তাহলেই হয়ে যাবে।”
মেঘালয় হেসে বললো, “দহন আর বাড়াস না দোস্ত। আমি একা কেবিনে মিশুকে নিয়ে আছি, সে সামনে বসে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে।”
– “বাহ! আমার হিংসে হচ্ছে মেঘু শালা। দিলি আমার ঘুম হারাম করে।”
– “সকালে বাসায় গিয়ে আম্মুর কাছে টাকা নিবি,আইডি কার্ড নিবি। আমাদের গাড়িটা নিয়ে সোজা কমলাপুর স্টেশনে চলে আসবি। আম্মুকে যা বলার আমি বলে রাখবো।”
– “বাসরের ব্যবস্থা করবো না?”
– “কোথায় নিবি? যেই হোটেলেই যাবো, পাবলিক চিনবে। রিস্কি হয়ে যায় না?”
– “সায়ানদের বাসায় ম্যানেজ করি। আংকেল ইংল্যান্ড গেছে,আন্টি ট্রেনিং এ গেছে। বাসা একদম ফাঁকা। সারারাত আমরা গান বাজিয়ে পার্টি করবো, ড্রিংকস করে স্বর্গে চলে যাবো, আর তোরা বিছানাকে স্বর্গ বানিয়ে ফেলবি।”
মেঘালয় শব্দ করে হেসে উঠলো। হাসি থামিয়ে বললো, “সায়ানদের বাসাতেই বিয়ের ব্যবস্থা কর। রেজিস্ট্রি, কবুল দুটোই একসাথে।”
মেঘালয় আরো অনেক খুঁটিনাটি বিষয় পূর্বকে বুঝিয়ে বললো। খাবারের ব্যবস্থা করতে বললো, আর কিসব যেন বলে দিলো। মিশু সেসব মন দিয়ে শুনতেও পেলোনা। ও অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে মেঘালয়ের উন্মুক্ত বুকের দিকে। ঘন লোমে আবৃত বুকটা যেন পৃথিবীর সমস্ত সুখ নিয়ে বসে আছে, লোমগুলো নাভি পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে গেছে, ট্রেনের ভিতরে হলুদ আলোয় মেঘালয়ের শরীরটা অদ্ভুত সুন্দর লাগছে। মুখটায় রাজ্যের মায়া ভর করেছে,গলাটা দেখলেই বুকটা চিনচিন করে উঠে। মেঘালয়ের কপালের উপরে চুলের নিচের অংশটা, এই জায়গাটা এতবেশি সুন্দর লাগে যার তুলনা বোধহয় হয়ই না। একটা ছেলে কিভাবে এত সুন্দর হতে পারে! ভ্রু দুটো ঘন কালো, তার নিচে একজোড়া মায়াবী চোখ। ছেলেদের চোখ ও এত সুন্দর হয়! কত শত মেয়ে মেঘালয়ের এই সৌন্দর্য আর আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব দেখে ওর পিছনে লাইন লেগে থাকে। সেই ছেলেটা ওকে আজকেই বিয়ে করে তারপর প্রেম করতে চাইছে! এটা তো স্বপ্নের চেয়েও বেশি কিছু। সুখে মিশুর মরে যেতে ইচ্ছে করছে।
মেঘালয় কল কেটে দিয়ে খেয়াল করলো মিশু ওর গলার দিকে তাকিয়ে আছে। ও হেসে বললো, “কি দেখো মায়াবতী?”
মিশু চমকে উঠে বললো, “আপনার ফিগার টা অনেক আকর্ষণীয়।”
– “হা হা হা, হিংসে হয়?”
– “নাহ, সুখ হয়। আপনার কোমর আর হাতের মাসল ও অনেক সুন্দর, বিপজ্জনক রকমের সুন্দর।”
– “সুন্দর আবার বিপজ্জনক ও হয়?”
– “হুম হয়। ভয়ংকর সুন্দর।”
মেঘালয় এসে মিশুর পাশে বসে ওর হাতটা ধরে বললো, “আকর্ষণীয় ফিগার তোমার ও হবে। কয়েকটা ইয়োগা শিখিয়ে দিবো, রেগুলার প্রাক্টিস করবা। খাবারে একটু বৈচিত্রতা আনতে হবে,আর একটু যত্ন। তাহলেই দেখবা মিশুকে দেখলেই ছেলেরা কেমন ফিট খেয়ে পড়ে।”
– “উহু,আমি কাউকে ফিট খাওয়াতে চাইনা। আমার নায়িকা হওয়ার কোনো ইচ্ছে নেই। শুধু আপনার পাশে দাঁড়াতে পারলেই হলো। আচ্ছা, আপনার আশেপাশে এত সুন্দর সুন্দর মেয়ে, আমার চেয়েও সুন্দর অনেক মেয়ে আছে। আপনি কেন আমাকেই ভালোবাসলেন?”
– “সবাই তো আর মিশু না।”
– “মিশুর বুঝি আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে?”
– “কোনো মেয়ে কি ফাজলামো করে হলেও বলবে, শার্ট খুলুন। আগে বুকটা দেখবো তারপর বিয়েতে রাজি হবো?”
বলেই হেসে উঠলো। মিশু লজ্জা পেয়ে মুচকি হাসলো। মেঘালয় আবারো বললো, “অবশ্য কোনো মেয়ে ঘাড়ে একটা চুম্বন প্রাপ্তির জন্য এত কান্নাকাটি ও করবে না।”
আবারো হেসে উঠলো মেঘালয়। মিশু লজ্জায় কুকড়ে যাওয়ার মত অবস্থা হলো। মাথা নিচু করে চেয়ে রইল মেঘালয়ের পায়ের পাতার দিকে। ছেলেটার পায়ের আঙুল গুলোও নজরকাড়া, বিয়ের পর রাতে যখন মেঘালয় ঘুমাবে, মিশু সারারাত জেগে বসে বসে ওর দিকে তাকিয়ে থাকবে। কাউকে হা করে দেখার মাঝেও যে এত সুখ বিরাজ করে এটা ওর জানা ছিলো না। যত দেখে, তত দেখতে ইচ্ছে করে।
মিশু জিজ্ঞেস করলো, “আচ্ছা আপনি বারবার বলছিলেন যেন পাবলিক টের না পায়, কেন বলছিলেন?”
মেঘালয় বললো, “পাগলী, আমার ক্যারিয়ার মাত্র শুরু হচ্ছে। এখনই যে পরিমাণ লোক আমাকে চেনে, আমি কাজি অফিসে বিয়ে করছি এটা একজন পাবলিক জানলেই হয়েছে। যদি কোনোভাবে প্রকাশ হয়, ক্যারিয়ারের বারোটা বেজে যাবে। কিন্তু আমি এটা এখন আমার ফ্যামিলিকেও জানাতে চাইছি না।”
মিশু জিজ্ঞেস করলো,”আমি শ্বশুরবাড়ি যাবো না?”
মেঘালয় বললো, “যাবা। কিন্তু বিয়ের কথাটা এখনি জানাবো না বাসায়। আগে ক্যারিয়ারটা দাঁড়িয়ে যাক, তোমার ক্যারিয়ার গুছিয়ে দেই,বাবার বিজনেসে হাত লাগাই, তারপর ধুমধাম করে সবাইকে জানিয়ে আমাদের বিয়ে হবে। প্রেস আসবে, টিভিতে দেখাবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখাবে।”
মিশু মেঘালয়ের দিকে করুণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো, “আমার ভয় করছে। আপনি খুব বড় হয়ে গেলে আমাকে ছেড়ে চলে যান যদি?”
– “ছেড়ে কোথায় চলে যাবো? এই ভয়টা দূর করার জন্যই তো আইনের বাঁধনে বেঁধে ফেলছি। যাতে তোমার হারানোর ভয়টা কক্ষনো না হয়। ঘুড়ির নাটাইটা তোমার হাতে ধরা থাকবে, যখনি চলে যেতে চাইবো, সুতো ধরে টান দিবা।”
– “যদি সুতো ছিঁড়ে চলে যান?”
– “আমি শুধু তোমার আকাশেই উড়বো, সুতো ছিড়ে গেলেও তোমার আকাশের ই কোথাও না কোথাও থাকবো ঠিকই। জমিনে পড়লে তোমার বুকের জমিনেই পড়বো।”
মিশু মেঘালয়কে জাপটে ধরে বললো, “আমার ভয় করছে। খুব ভয় করছে।”
মেঘালয় হাতের বন্ধনে শক্ত করে বেঁধে ফেলে বললো, “সব ভয় দূর করে দিবো, তোমার শরীর থেকে সমস্ত বিষ শুষে নিবো।”
– “কিভাবে?”
মেঘালয় আবেগ মিশ্রিত কণ্ঠে ফিসফিস করে বললো, “যেটা আরেকবার করার জন্য তখন কান্নাকাটি করলে, ওরচেয়ে আরো গভীরভাবে।”
মিশু শিউড়ে উঠে ওর বুকে দুটো কিল বসিয়ে বললো, “খুব খারাপ একটা, আপনি খুব খুব খারাপ।”
– “সব ছেলেই বউয়ের কাছে খারাপ।”
মিশু আবেশে চোখ বুজে রইলো মেঘালয়ের উন্মুক্ত বুকে। ওর রোমশ বুকের ঘ্রাণ নিতে নিতে সুখে ভেসে যাচ্ছিলো একদম।
চলবে..

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ