Friday, June 5, 2026







ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল পর্ব_৩৯

ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল
পর্ব_৩৯
লেখিকা : আফরোজা আক্তার

O.T চলছে , আর বাহিরে ইরফানের বুকটা খা খা করছে । কেন যে এত ঘুম এলো তার আর কেন যে বেলী তাকে ডাকলো না । বেলীর খুব কষ্ট হচ্ছে এইভেবে বার বার চোখ জোড়া তার পানিতে ভরে উঠছে । নিজের কাছে নিজেকে খুব খারাপ মনে হচ্ছে তার কাছে । পাগল পাগল লাগছে তার সব কিছু ।
বেলীর মা ইরফানের পাশে বসে আছে । ইরফান বেলীর মাকে উদ্দেশ্য করে বলে ,

– ভেতরে ওর খুব কষ্ট হচ্ছে , তাই না মা ?

ইরফানের কথায় বেলীর মা মনে মনে ভেঙে পড়লেও জামাইয়ের সামনে নিজেকে কঠিন অবস্থায় রেখেছেন যাতে জামাই ভেঙে না পড়ে । দৃঢ় কন্ঠে তিনি বলেছেন ,

– মা হইতে গেলে কষ্ট করন লাগে বাবা , ধৈর্য ধরো বাবা । আল্লাহ পাক আছেন তো । তিনি একটা দিক করবোই ।
– আমার ভালো লাগছে না কিছুই । আমি যে কেন এত ঘুম দিলাম ।
– এইডা কি কও বাবা , ঘুমাইবা না কি দাড়াইয়া থাকবা নাকি । যা হইছে তা হওয়ার আছিলো তাই হইছে । আল্লাহরে ডাকো ।

শ্বাশুড়ির কথায় খানিকটা শান্ত হয় ইরফান । তবুও তার মন আর রুহ পড়ে আছে O.T তে । ইরফান চুপ করে বসে তো আছে কিন্তু তার ভেতরের ঝড় কেবল সে একাই সামলে নিচ্ছে ।

অন্যদিকে , O.T তে প্রায় ১ ঘন্টা সময় নিয়ে নিয়েছে ডক্টর । ব্লিডিং হয়ে যাওয়াতে সমস্যা হয়েছে । আর তাছাড়া বেলীর শরীর অনেকটাই দুর্বল যার কারণে বেলীর রেসপন্স খুব কম । তাই ডক্টর তার সর্বোচ্চ চেষ্টা প্রয়োগ করেছেন এইখানে । যাতে বাচ্চা এবং মা দুজনেই বেঁচে বাহিরর বের হতে পারে ।

বিগত দেড় ঘন্টা যাবত O.T করে অবশেষে পৃথিবীর মুখ দেখে বেলীর মেয়ে । সর্বোচ্চ চেষ্টার ফলাফল অবশেষে বেলী এবং তার সদ্য নবজাতক মেয়ে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছে । বাচ্চাকে ক্লিন করে বাহিরে বের করে আনে নার্স ।
নার্সের হাতে বাচ্চা দেখে ইরফানের জানে যেন পানি আসে । নার্স বাচ্চাকে এগিয়ে দিয়ে বলে ,

– কে নিবেন কোলে ?

বেলীর মা তখন নার্সকে উদ্দেশ্য করে বলে ,

– বাবুর বাবার কোলে দেন ।

নার্স ইরফানের দিকে বাচ্চাকে এগিয়ে দেয় । নার্সের হাতে বাচ্চা দেখে ইরফানের হাত পা কাঁপা শুরু হয়ে যায় । এতটুকুন একটা জান এই এতটুকুন একটা শরীরে । একদম ছোট ছোট হাত পা , ছোট ছোট আঙুল । হাই তুলছে বার বার বাচ্চাটা ।
এমতাবস্থায় বেলীর মা ইরফানকে বলে ,

– কোলে লও বাবা , তোমার মেয়েরে কোলে লও ।

শ্বাশুড়ির কথায় ইরফান তার মেয়েকে কোলে নেয় । মেয়ে বাপের কোলে উঠে হাত পা ছুড়ে , হাই তুলে , টিপ টিপ করে চায় । মেয়েকে কোলে নিয়ে ইরফানের পুরো শরীরে শীতল হাওয়া বয়ে যায় । ইরফানের চোখ বেয়ে অনায়াসে পানি ঝড়ে যায় । অনুভূতিগুলো হয়তো এমনি হয় । সন্তানের বাবা হওয়ার হয়তো এটাই হয় । বাবা হওয়ার অনুভূতি হয়তো এমনটাই হয় । নিজেকে তখন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধনী মনে হচ্ছিল ইরফানের । কারণ এই মুহুর্তে তার হাতে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ ছিল । মেয়েকে কোলে নিয়ে ইরফানের বেলীর কথা মনে পড়ে যায় । সে তখনই নার্সকে জিজ্ঞেস করে ,

– বেলী কেমন আছে ? মানে আমার স্ত্রী সে কেমন আছে ।
– আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছে । আরেকটু পরেই কেবিনে দেয়া হবে তাকে ।

নার্সের কথায় কলিজা ঠান্ডা হয় ইরফানের । সে মেয়েকে নিয়ে চেয়ারে বসে যায় ।

– আমার মা কেমন আছে ? কেমন আছে আমার আম্মাজান ।

মেয়েকে কোলে নিয়ে কত কথা ইরফানের । কিচ্ছুক্ষণ পরেই ইরফান তার শ্বাশুড়ির কোলে দেয় বাচ্চাকে । বেলীর মায়ের এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি । যেই বেলীকে আতুর ঘরে জন্মের পর এইভাবে কোলে নিয়েছেন আজ সেই বেলীর মেয়েকে হাসপাতালের করিডোরে এইভাবে কোলে নিয়েছেন । নানীদের এই জিনিসগুলো খুব ভাগ্য করে আসে । প্রথমে নিজের সন্তানকে কোলে নেয়ার স্বাদ তারপর সেই সন্তানের সন্তানকে কোলে নেয়ার স্বাদ । এ যেন আত্মা জুড়িয়ে যাওয়া এক অনুভূতি ।

বেলীকে প্রায় ২০ মিনিট পর কেবিনে দেয়া হয় । জ্ঞান পুরোপুরি ভাবে ফিরে নাই তার । চোখ তার ঘুমের রাজ্যে । একটা পরিষ্কার কেবিনে বেলীকে রাখা হয়েছে । তার এক পাশে পাশাপাশি দুইটা বেড আরেক পাশে একটা দোলনা রাখা হয়েছে । বেলী সেখানে পরম নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে । বাচ্চাও তার নানীর কোলে আছে । ইরফান বেলীর দিকে চেয়ে আছে , ইরফান বসে থেকেই বুঝে গেছে ঘুমন্ত বেলীর শরীরটা কতটা ক্লান্ত । পুরো শরীরের ক্লান্তটা বেলীর চেহারায় ভর করেছে ।

প্রায় এক ঘন্টা পর পুরোপুরি ভাবে বেলী সেন্সে আসে । সকাল টা যে কোন দিক দিয়ে হয়ে আছে তা কেউই বুঝতে পারে নি । সকাল হওয়ার পরে ইরফান তার বাবাকে ফোন করে জানায় । অফিসে বসকে মেইল করে দেয় , তার ছুটি লাগবে । সে যে বাবা হয়েছে । অন্যদিকে কয়েকজন কলিগকে ফোন করে সু-খবর জানিয়ে দেয় ইরফান । অবশ্য সেই কয়েকজন কলিগ সবটাই জানে । বেলী কে , রুবি কে , কিন্তু তারাও প্রথমে ইরফানকেই কথা শুনিয়েছে । না দেখেও বেলীকেই সাপোর্ট করেছে । অফিসের অন্যান্য কলিগরা এত কিছু জানেও না । তাই তাদের খোলসা করে কিছুই বলার নেই ইরফানের ।

বেলীর জ্ঞান ফেরার পর ইরফানকে সামনে দেখতে পায় সে । ইরফানকে দেখে খুশিতে হেসে দেয় বেলী । O.T রুমেই বেলীকে তার বাবুকে দেখানো হয়েছিল একবার । তবুও ইরফানকে জিজ্ঞেস ,

– বাবুকে দেখছো ?

ইরফান হাসি মুখে জবাবও দেয় ,

– হ্যাঁ দেখছি ।
– কেমন হয়েছে দেখতে ?
– বেলীর ঘরে আরেক বেলী , ছোট্ট বেলী ।

বেলীর মা নাতনিকে কোলে নিয়ে এসে মেয়ের পাশে দাঁড়ায় । আর বলে ,

– তোর মেয়ে মাশা-আল্লাহ একেবারেই চুপচাপ রে বেলীফুল ।
– মাশা-আল্লাহ বলো মা ,

এটা বলতে যা দেরি , আম্মাজান এইযে চিৎকার শুরু করছে । ছোট কন্ঠে ওয়া ওয়া করে তার কান্না শুরু । এই কান্না জানান দিচ্ছে যে তার ক্ষুধা পেয়েছে । বড় হয়ে গেলে তো মাকে বকে দিতো এখন তো সে এতই ছোট যে মা বলতে পারে না তাই ওয়া ওয়া করে জানান দিচ্ছে মা আমার ক্ষুধা পেয়েছে ।

মায়ের বুকের প্রথম শালদুধের স্বাদ সব নবজাতকের প্রাপ্য থাকে । বেলীর বাচ্চাটাও গলা ফাটাচ্ছে তার জন্যে । বেলীর মা ইরফানকে একটু বাহিরে যেতে বলে , শ্বাশুড়ির কথায় ইরফান উঠে বাহিরে যায় । এর ফাঁকে বেলী তার সদ্য নবজাতককে দুধ দেয় ।

অন্যদিকে আজ ইরফান পরিপূর্ণ । আজ তার সংসার পরিপূর্ণ । স্বয়ংসম্পূর্ণ সে , বেলী আজ তাকে দুনিয়ার সেরা সম্পদ উপহার দিয়েছে । বেলী এক মহান আত্মত্যাগী নারী । যে কিনা তার এই এতটুকু জীবনে নিজের সবটা বির্সজন দিয়েছে ইরফানের কাছে । বেলী সেই নারী যে কিনা ইরফানের মারধর ইরফানের রাগ সব সহ্য করে নিজের মাঝে ধারণ করে নিয়েছিল অনায়াসে । নিজের বক্ষে ধারণ করেছিল সব ব্যাথা সব যন্ত্রণা । তবুও মুখ ফুটে কিছুই চায়নি সে । বেলীর ধৈর্যশীলতা আজ তাকে সব টা দিয়েছে । ইরফানের ভালোবাসা , একটা সাজানো সংসার , একটা ফুটফুটে সন্তান সব পেয়েছে ।

১০ দিন পর বেলীকে আর তার মেয়েকে বাসায় আনা হয় । পুরো বাসা পরিষ্কার করে রেখেছে মিনু । এই ১০ দিনের মাঝে মিনু হাসপাতালে মোট ১৫ বার গেছে । এমনও দিন গেছে দিনে ২ বারও গিয়েছে সে । সে বেলীকে খুব ভালোবাসে তেমন ভালোবাসে বেলীর সংসারকে আর এখন সব কিছুর উর্ধ্বে ভালোবাসে বেলীর সন্তানকে । মা ছাড়া তার মুখে কথাই রোচে না এখন । মিনু চায় সারাক্ষণ বেলীর বাচ্চা তার কাছে থাকুক ।

গ্রাম থেকে ইরফানের বাবা এসেছেন । বেলী আর ইরফানের বাচ্চার নাম করণ হবে সাথে মিলাদ হবে । কিছু মেহমানও দাওয়াত করে ইরফান । শুক্রবার যথারীতি জুমার পরে মিলাদ হয় ইরফানের বাসায় । মসজিদের বড় হুজুর ইরফানকে ডেকে বাচ্চার নাম কি রাখবে জিজ্ঞেস করেন , মানে তাদের পছন্দ অনুযায়ী কোন নাম আছে কিনা , তখন ইরফান বেলীকে জিজ্ঞেস করতে রুমে যায় । বেলী তখন বাচ্চাকে কোলে নিয়ে বসা । ইরফানের কথায় বেলী তার বাচ্চার দিকে তাকায় । কোরআন শরীফে একটা শব্দ বার বার পড়েছে বেলী । জান্নাত , তাই মেয়ের নাম দিয়েছে সে ” জান্নাতুল ইকরা ” । বেলীর কথা অনুসারে মেয়ের ভালো নাম রাখা হয় ” জান্নাতুল ইকরা ” ।

বাবার নামের সাথে মিল রেখে ডাক নাম রাখা হয় ” ইন্নি ” । সারা ঘর এখন মেতে থাকে ইন্নিতে । কখনো বেলী কখনো ইরফান কখনো মিনু । মিনুতো চোখে হারায় ইন্নিকে । বেশিরভাগ সময় ইন্নি মিনুর কাছে থাকে । অফিসে যাওয়ার আগে ইরফানের ইন্নিকে দেখাই লাগে ।

ইন্নি মাশা-আল্লাহ অনেক সুন্দর , যেন এক মিষ্টি পরী । যে দেখে তারই কোলে নিতে ইচ্ছে করে । দুধে আলতা রঙ তার , জিবটা বের করে তা তা করে । বাবাকে চিনে সে ভালো মত , মায়ের ওড়নার নিচে লুকিয়ে লুকিয়ে খেলে সে । মিনুর মুখে যদি একবার মা ডাক শুনে ইন্নি লাফিয়ে উঠে । হামাগুড়ি দিয়ে দিয়ে সারা ঘর খেলে ইন্নি আর তা তা করে । কলিংবেলের শব্দ পেলেই ইন্নি মায়ের আঁচল ধরে টানে , বা,,,,,, বা,,,,,,বা,,,,,বা,,, করে বুঝাতে চায় তার বাবা এসেছে । বেলী তখন ইন্নিকে কোলে নিয়ে দরজা খুলে দেখে । দরজায় ইরফানকে দেখলেই খিলখিলিয়ে হেসে দু’হাত বাড়িয়ে দেয় ইন্নি । এর মানে বাবাকে জানান দিচ্ছে তাকে কোলে নিতে ।

ইন্নির বয়স ৬ মাস । একটু একটু দাঁড়ায় ইন্নি । বেলী আর ইরফানের বাঁচার অনুপ্রেরণা ইন্নি । ঘরে ইন্নির খেলনার অভাব নেই । ইরফান অফিস থেকে আসার সময় কিছু না কিছু নিয়ে আসবেই তার রাজকুমারীর জন্যে । সুখের কমতি নেই এই ঘরে । বেলীর জীবন আজ কানায় কানায় পূর্ণ । ইরফানের অনেক ভালোবাসা আর সুখের মাঝে ইন্নিকে নিয়ে বেশ আছে বেলী ।

পরদিন সকাল বেলা বেলী ইরফানের জন্যে নাস্তা বানাচ্ছিল রান্নাঘরে । ইরফানের পাশে ইন্নি শুয়ে শুয়ে হাত পা ছুড়ছে । ইরফান ফ্রেশ হয়ে ড্রেস চেঞ্জ করে নিয়েছে । বেলী আর ইরফানের মেয়ে ইন্নি অনেক শান্ত হয়েছে । ক্ষুধা লাগা আর ব্যাথা পাওয়া ছাড়া সে কাঁদে না ।

ইরফান ব্লেজার পরতে পরতে ইন্নিকে ডাকে ,

– আম্মাজান , ও আম্মাজান ।

ইন্নি কি বুঝেছে কে জানে । ইরফানের মুখে আম্মাজান ডাক শুনে ইন্নিও সেই সাথে তাল মেলায় ।

– তা,,,,,, তা,,,,,,

ইরফান আবারও ডাকে ,

– আম্মাজান , ও আমার আম্মাজান , আমার আম্মাজানটা কি করে ।

ইন্নি তখন ইরফানের কথা শুনে তা তা করতে করতে বিছানার একদম কর্ণারে চলে আসে । দু’হাত এগিয়ে দিয়ে বাবাকে ইশারা করে ,

– বা,,,,,,,,বা,,,,,,বা,,,,,,বা,,,,,,

ইরফান আয়নায় ইন্নিকে দেখে দ্রুত গিয়ে কোলে নেয় ইন্নিকে ।

– আম্মাজান পেকে গেছে । আমার আম্মাজান পেকে গেছে ।।

ইরফান ইন্নিকে কোলে রেখেই বেলীকে ডাকতে থাকে । আর বেলীও তখন সব কাজ রেখে দৌড়ে চলে আসে রুমে ।

– কি হলো ,
– টাই টা ঠিক করে দেও ।
– নিজেই ঠিক করে নেও ।

ইরফান ইন্নিকে শিখিয়ে দেয় মাকে ডাকতে । ইন্নি যেন কত কিছু বুঝে । সেও বাবার কথা মত মাকে হাত দিয়ে ইশারায় ডাকে ,

– মাহ,,,,,,,মাহ,,,,,মাহ,,,,, আ,,,আ,,,,

বেলীও মেয়ের কথায় হাসিমুখে ভেতরে ঢুকে যায় । ইরফান ইন্নিকে খাটে বসিয়ে রেখে বেলীর কোমড় জড়িয়ে ধরে । বেলী পরম মমতায় ইরফানের টাই ঠিক করে দেয় । ইরফান আর নিজেকে ধরে রাখতে পারে নি । বেলীর কপালে আলতো করে একটা চুমু দিয়ে দেয় ।

মায়ের কপালে চুমু দেয়ায় ইন্নি খিল খিল করে হেসে দেয় আর হাত তালি দেয় । ইরফান আর বেলী ইন্নির হাসি দেখে নিজেরাও হেসে দেয় । তখন ইরফান ইন্নিকে কোলে নিয়ে বলে ,

– মাকে চুমু দেয়ায় আম্মাজান আমার খুশি হয়ে গেছে । বাবা চুমু দেই আম্মাজানকে ?

এই বলে ইন্নির গালে চুমু দেয় ইরফান । আর ইন্নি ” তা,,,,,তা,,,,” করে হেসে দেয় ।

এ যেন এক ভরা এবং পরিপূর্ণ সংসার । ইরফান বেলীর সুখের সংসার যেখানে ইন্নি নামের এক ফেরেশতা ইরফান বেলীর সুখের স্থায়িত্ব অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে ।

.
.

চলবে…………………

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ