Friday, June 5, 2026







ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল পর্ব_৩০

ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল
পর্ব_৩০
লেখিকা : আফরোজা আক্তার

দুই দিন পর ,

সকাল বেলা বেলী আর মিনু রান্নাঘরে কাজ করছে । ইরফান অফিসে যাবে । নাস্তা গুলো তাড়াতাড়ি টেবিলে দিতে হবে । তাই যত দ্রুত সম্ভব হাত চালায় বেলী । এরই মাঝে মিনু বলতে শুরু করে ,

– ভাবী,,,,,,?
– হু ,
– আমারে একখান কতা কন দেহি ?
– হু বলো ,
– আইচ্ছা ভাবী , শয়তানি ডা ,,,,,,,
– আহহহহহ মিনু , ওনার নাম আছে । নাম ধরে বলো ।
– আইচ্ছা আইচ্ছা , রুবি আফাই কই এহন তো আর হেতি আমাগো ভাইয়ের কেউ লাগে না । ভাবী আন্নের কি মনে অয় , হেতি এত তাত্তাড়ি ডিফোস কিসের জন্যে দিবার চায় ।
– ওইটা ডিফোস না , তুমি বাংলাতেই বলো তালাক আর কি ।
– ওই তো অইলো একডা তালাক আর তুলাক । তা হের মাতায় কোন ভূত সোয়ার অইছে আল্লাহ মালুম ।
– তোমার ভাই অনেক চিন্তিত , জানি না কি হতে চলেছে । রুবি আপু কেন যে এইসব করতে গেলো ।
– ভাইয়ে চিন্তিত নাকি আপনে চিন্তিত আপনের সতীন বিদায়ের দুঃখে ।
– কাজ করো তো ,
– মায়া দয়া মাইনষের লাই রাখিয়েন বুজ্জেন নি শয়তানের লাই মায়া দয়া রাখি লাভ নাই । আস্তারা অসিভ্য আছিল ।
– আহহহহ মিনু ,
– আহহহহ উহহহহ কইরেন না তো ভাবী , আমি তো ভাবছিলাম বড় মজ্জিদে ১০০ টাহা দিমু । আপদ বিদায় হইতাছে ।
– এইসব বলো না মিনু , আল্লাহ পাকের লীলাখেলা আমরা কেউই বুঝি না । তিনি কার ভাগ্যে কি রেখেছেন তাও আমাদের প্রত্যেকের কাছে অজানা । এইসব আমরা কেউই জানি না , কেউই বুঝি না ।
– জানতাম চাইও না , বুঝবারও চাই না । আমি খালি বুঝি আপদ বিদায় হইতাছে , এডাই শান্তি আমার ।

মিনুকে দেখে বেশ খুশিই লাগছিল । মনে হচ্ছিল মিনু যেনো এমন একটা দিনের জন্যে অপেক্ষা করছিল । মিনু এই বাড়িতে আসে রুবি আসার ঠিক এক মাস পর । ইরফানের একটা কাজের বুয়ার প্রয়োজন ছিল যদিও তখন বেলীই ছিল তার চোখে বুয়া । তবুও রুবির কথায় আরও একটা বুয়ার প্রয়োজন আছে তাই ইরফান কার সাথে যেন যোগাযোগ করে মিনুকে নিয়ে আসে । কিন্তু মিনু সেই প্রথম থেকেই কেন জানি রুবিকে পছন্দ করতো না । তার কেন জানি বেলীকেই ভালো লাগতো । আর সব থেকে খারাপ লাগা যদি তার থেকে থাকে তা ছিল ইরফানের বেলীকে মারধর করা । বেলীকে এক রক সময় দেখে মিনুও কাঁদতো ।

কিছুক্ষণ চুপ থেকে মিনু আবারও বলতে থাকে ,

– শয়তান এইডা ঘরে আছিল ঘরে হারাদিন ঝগড়া লাইগা থাকতো , শয়তান এইডা এক ওয়াক্ত নামাজ তো পড়েই না , তার উফ্রে ভাইয়েরে এইডা সেইডা কইয়া আপনেরে ফিডা খাওয়াইতো । এহহহ খবিশ মাতারি , যহন দেখছে ভাইয়ে আমার বেলী ভাবীরে ভালাবাসে থহনই হের জ্বলন শুরু । দেখছেন নি ভাবী আমি কইছিলাম না , ভাবী আল্লাহ আছে একজন । শয়তানের বিচার এমনেই করে আল্লাহ । শয়তান এমনেই মরে । ওহন মরুক নাইলে জাহান্নামে যাউক , আমাগো কি ।
– মিনু বাদ দাও , তোমার ভাই শুনলে কি ভাববে ।
– কচুর ছড়া ডা আছে না ? হেই কচুর ছড়াডা ভাববো । এক্কেবারে ভালা হইছে ভাইয়েও মুক্তি পাইবো এই ডাইনীর হাত থিকা ।

মিনুর বক বক নন-স্টপ চলতেই আছে । বেলী আর কথা বাড়ায় নি । সমস্ত নাস্তা এনে টেবিলে সাজিয়ে দেয় । সাড়ে ৮ টা বেজে গেছে । ইরফান এলো বলে ।

তার পর পরই ইরফান চলে আসে । বেলী সব সাজিয়ে আগেই রেখে দিয়েছে । ইরফান শুধু বসবে আর খাওয়া শুরু করবে । বেলী এমনি , সব কিছু ইরফানের হাতের কাছে এনে রাখবে । যাতে ইরফানের কিছু নেক্সট টাইম চাইতে না হয় । এই জন্যই হয়তো খাওয়ার সময় ইরফানের বেলীকেই লাগে ।

– বেলী ,
– জ্বি ,
– তুমিও বসে যাও ,
– নাহ আপনি খেয়ে নেন ।
– নাহ সমস্যা নাই , এক সাথে বসেই খাই ।
– আচ্ছা ।

ইরফানের কথা গুলো খুব সহজেই মেনে নেয় বেলী । কেন জানি হাজারো চেষ্টা করলেও বেলী ইরফানের দিক থেকে মুখ ফেরাতে পারে না । ইরফান ওই রকমই মানুষ , যার কথা বলা , যার চাল চলনে পাগল বেলী যদিও সে মুখ কিছুই স্বীকার করে না । বেলী যে ইরফানকে চোখে হারায় আর সে যে ইরফান বলতে অজ্ঞান এটা ইরফানও বেশ ভালো বুঝতে পারে তাই নিজেও তেমন কিছু বলে না । তবে সে রাতে রুবির সাথে জিদ করে বেলীকে বকে দিয়েছে ইরফান । সে নিজের বলা কথার জন্যে খুব লজ্জিত । তার উপর কিছু শব্দ ব্যবহার করেছিল বেলীর সামনে । তার মুখ থেকে সব থেকে বাজে শব্দটাই বেলীর জন্য ছিল যা হলো লাথাতে লাথাতে নিচে ফেলে দিবে । কিন্তু সে কি করতো , তার মাথা কাজ করছিল না তখন । তার উপর বেলীর এমন মানবদরদী কথা যা তার একদম পছন্দ হয় নি । যার জন্যই মুখ থেকে বেরিয়ে গেছিলো । এখন খুব খারাপ লাগছে ইরফানের । তাই নিজ থেকেই সে রাতের টপিকটা তুলে ইরফান ,

– বেলী ,
– হু ,
– রাগ করে আছো ?
– নাহ , একদম নাহ ।
– সে রাতের জন্যে দুঃখিত বেলী ।
– বাদ দিন , আসলে আমি,,,,,,,
– আপনি খুব চিন্তায় ছিলেন আর আমিই বোকার মত আবল তাবল বলে যাচ্ছিলাম , আপনার জায়গায় আমি থাকলেও এমনটাই হতো ।
– ক্ষমা করে দাও , প্লিজ ।
– ছিহ , কি সব বলেন । এইসব বলবেন নাহ ।

ইরফান আর বেলী নাস্তা খাওয়ার সময় ইরফানের মোবাইলে ফোন আসে । অপরিচিত নাম্বার থেকে ফোন আসায় একটু দ্রুতই ফোনটা রিসিভ করে নেয় ইরফান ।

– হ্যালো ,
– হ্যালো , ইরফান মাহমুদ ?
– জ্বি ইরফান মাহমুদ , কে বলছিলেন ?
– আমি এডভোকেট রাশেদ বলছিলাম ।
– জ্বি বলুন ,
– মিসেস রুবি মাহমুদ ডির্ভোস ফাইল করেছিলেন , আপনি কি আমার চেম্বারে আসবেন নাকি আমি আপনার বাসায় পেপার পাঠাবো ?

বাসায় এই পেপার আসলে বেলী আবার ডিপ্রেশনে পড়ে যাবে । এইসব ঝামেলা সে বেলীর আশেপাশেও দেখতে চায় না আর । অন্যদিকে বেলী সামনে থাকায় ক্লিয়ারলি কথাও বলতে পারছে না । তাই বুদ্ধি করে ঘুরিয়ে কথা বলে দেয় ।

– নাহ নাহ , আমিই আসবো আপনার চেম্বারে ।
– আর ইউ সিউর মিষ্টার মাহমুদ ?
– ইয়ায়ায়া আই এম সিউর ,
– ওকে , থ্যাংকস ।
– কখন আসতে হবে ?
– বিকেল ৪ টায় ।
– আচ্ছা , ধন্যবাদ ।

চেম্বারের কথা শুনে চোখ তুলে ইরফানের দিকে তাকায় বেলী ।

– আপনি কি অসুস্থ ?
– কই না তো ,
– তাহলে যে বললেন চেম্বারে যাবেন ।
– হা হা , বোকা মেয়েকে নিয়ে কোথাও যাবো আমি । এই বোকা চেম্বার কি শুধুই ডক্টরের হয় । আমরা যারা বড় বড় পজিশনে থাকি তাদের যেই কেবিন থাকে তাকেও চেম্বার বলে ।
– ওহ ,
– বুঝলা এখন ?
– হু ,
– এক স্যার ফোন করেছিলেন , বিকেলে ওনার চেম্বারে যেতে হবে ।
– ওহ ,

এইসব বলে কথা কাটিয়ে দেয় ইরফান । রুবি তাহলে তার কথাই রেখেছে । সে তার মতই করেছে । যা বলেছিল ঠিক তাই করেছে সে । অবশেষে ডির্ভোস ফাইল করেই দিয়েছে ।

– ভালোই হলো , আবেগ দিয়ে আর কত দিন আটকে রাখতাম । এর থেকে ভালো বিবেক খাটিয়ে সবটা মিটিয়ে নিবো ।

মনে মনে চিন্তা করতে থাকা ইরফানের গলা দিয়ে নাস্তা নামছে না ।

বেলীর নজর ইরফানের দিকে । কি যেন ভাবছিল ইরফান , তবে সাহস হয় নি কিছু জিজ্ঞেস করার । ইরফান আর তেমন বেশি কিছু বলে নি । ফোন রাখার কিছুক্ষণ পরই ইরফান বেরিয়ে যায় । বেলী আবার একা বাসায় । ইদানীং মন তার বড্ড বেশি ইরফান ইরফান করে । ইরফান চলে যাওয়ার পর বেলী চুপ করে সেখানেই বসে থাকে । হঠাৎ করেই ফোন বেজে ওঠে তার । ফোনটা হাতে নিয়ে দেখে ইরফানের নাম্বার ।

– কি হলো , এই মাত্রই তো বের হলো , কিছু ভুলে গেছে নাকি ?

ভাবতে ভাবতে ফোন টা রিসিভ করে কানের কাছে নেয় বেলী ।

– হ্যালো বেলী ,
– হু ,
– তোমার রুমে যাও , গিয়ে জানালার পাশে দাড়াও ,
– আচ্ছা ।

বেলী দৌড়ে নিজের রুমে যায় আর রুমের জানালার পাশে দাঁড়ায় । নিচে তাকিয়ে দেখে ইরফান মোবাইল কানে দিয়ে উপরে তাকিয়ে আছে ।

– আমার দিকে তাকাও একবার ,

ইরফানের কথায় জানালা দিয়েই সে ইরফানের চোখের দিকে তাকায় ।

– বলেন ,
– কেন ফোন দিছি জানো ?
– উহু ,
– বলি ?
– হু ,
– ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি অনেকটা বেশিই ভালোবাসি ।

ইরফানের বলা কথাটুকু বেলীর শরীরে কেমন যেনো এক দোলা দিয়ে গেল । পুরো শরীর যেন মুহুর্তের মাঝেই ঠান্ডা হয়ে গেলো বেলীর । ঠোঁটের কোণে না চাইতেও মিষ্টি হাসি এসে গেছে তার ।

– কি হলো , কিছু বলো ?
– কি বলবো ,
– আমি যা বলেছি তার পরিপ্রেক্ষিতে যা বলার তাই বলো ।
– আমি বলবো না ভালোবাসি , শুধু বলবো হারাতে চাই না । আমি বলবো না ভালোবাসি , শুধু বলবো মন পাগলের মত আপনাকে চায় । আমি বলবো না ভালোবাসি , শুধু বলবো আমি আপনার জন্যে মরিয়া হয়ে যাই । আমি বলবো না ভালোবাসি , শুধু বলবো আমি আপনার মাঝে বসত করতে চাই । এইসব যদি ভালোবাসা হয় , তাহলে বলবো হ্যাঁ , আমি ভালোবাসি , আমি আপনাকে ভালোবাসি ।

বেলী লাইন কেটে জানালার পাশ থেকে সরে যায় । বেলীর কথাগুলো ইরফানের বুকের ঠিক মাঝ বরাবরটায় গিয়ে লাগে । এমন ভাবেই লাগে যে তার ঘরে থাকা জলজ্যান্ত বেলীফুলের ঘ্রাণটা তার নাক অবদি এসে গেছে । মুচকি হেসে গন্তব্যস্থলে রওনা দেয় ইরফান ।

– ইয়া রাব্বুল আলামীন আমি কি আসলেই মানুষ ? নাকি এখন মানুষ হয়েছি নাকি তখন অমানুষ ছিলাম ? যেই মেয়েটার সরল মনটা আজও আমাকেই চায় কোন শর্ত ছাড়াই তাকেই কিনা আমি ,,,,,,,,,,,, আল্লাহ পাক আমার সকল অপরাধ ক্ষমা করুন ।

নিজের দোষ গুলো মনে করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নেয় ইরফান । হয়তো আল্লাহ পাকেরও একই ইচ্ছা এইবার অন্তত সব কিছু ঠিক হোক । রুবি নিজ থেকেই সরে যাচ্ছে , এটাই খটকা লাগছিল ইরফানের কাছে । তার ভাবনা অনুযায়ী রুবি এত সহজে জায়গা ছাড়ার পাত্রী নয় । কিন্তু এত সহজেই সব ছেড়ে দিলো এটাই ভাবাচ্ছে ইরফানকে । রুবি অন্য প্ল্যান করে নি তো ? তবে আজ বাকিটা এডভোকেটের চেম্বারে গেলে বুঝতে পারবে সে ।

বিকালের দিকে মিনু অনেক জোর করছিল বেকীকে নিয়ে বের হতে । মিনু বেলীরে নিয়ে এক জায়গায় যেতে চায় । আর তা এখনি । আর তাছাড়া ইরফানও বাসায় নি । এই সুযোগেই সে বেলীকে নিহে বের হতে চায় । কিন্তু বেলী তো বের হবে না আর ইরফানকে না জানিয়ে কখনোই না । আর তাছাড়া বেলী বাহিরে বের হওয়া পছন্দ করে না । কিন্তু মিনুও জোর করছে ,

– ভাবী আইয়েন না গো পিলিজ
– হা হা , পিলিজ কি ওটা প্লিজ
– ওই একই যেইহানে ১১ হেইহানেই ১২ , হউক পিলিজ আর হউক পুলিজ , লন
– দেখো মিনু আমার ভালো লাগে না ।
– আরে আইয়েন , আপনেরে আইজ্জা ঝালমুড়ি খাওয়ামু আমি ,
– বাহ বাহ
– সইত্য খাওয়ামু , লন ।

মিনু অনেক ভালোবেসে বলছিল , তাই বেলীও আর না করতে পারে নি । তবে বেলী ইরফানকে ফোন দিয়ে দেয় । তখন ঘড়িতে ৪ টা বেজে ২০ মিনিট । ইরফান তখন এডভোকেট রাশেদের চেম্বারে কথা বলছিল । এমন সময়তেই বেলীর ফোন যায় ইরফানের ফোনে ।

– এক্সকিউজ মি ,
– ইয়ায়ায়া সিউর ,

ইরফান সাইডে বেলীর ফোন রিসিভ করে ।

– হ্যাঁ বেলী বলো ,
– আপনি কি ব্যস্ত ? আমি কি বিরক্ত করলাম ?
– নাহ বলো , কিছু বলবা ?
– শুনুন না , মিনু অনেক জোর করছে বের হওয়ার জন্যে ।
– কোথায় যাবে সে আবার ?
– জানি না , বলে এইদিকে নাকি একটা পার্ক আছে আবার বলে ঝালমুড়িও খাওয়াবে ।
– হা হা , ওর কাছে টাকা আছে ?
– কি জানি ?
– হ্যাঁ , পাশেই একটা পার্ক আছে , মিনু ওইটার কথাই বলতেছে । তা যাও না ওর সাথে ঘুরে আসো ।
– যাবো ?
– হ্যাঁ যাও বেশি দূরে না পাশেই । আর বিকেল টাইম ঘরে বসে কি করবা , যাও ঘুরে আসো ।
– আচ্ছা , তাহলে রাখি ।
– আচ্ছা আমার আজকে দেরি হবে । ৯/১০ টা বেজে যাবে , টেনশন নিও না , কেমন ?
– হু ।

ইরফান ফোন রেখে দিলে বেলী রাডি হয়ে মিনুর সাথে বের হয় । মিনু খুব খুশি আজকে , সে তার বেলী ভাবীর সাথে বের হয়েছে আজকে । এটাই তার কাছে আনন্দের ছিল । হাটতে হাটতে তারা পার্কে চলে আসে । এখানে ছোট ছোট বাচ্চারা খেলা করে , আবার প্রেমিক প্রেমিকারাও আসে । বসে বসে গল্প করে তারা । প্রায় অনেক্ষন মিনু আর বেলী একটা বেঞ্চের উপর বসে বসে গল্প করছিল । এক সময় মিনু বলে উঠে ,

– ভাবী ওই দেহেন ঝালমুড়ি , খাইবেন নি ?
– ধরো টাকা নিয়ে যাও ,
– এহহহহহ কিল্লিগা , আমার দারে আছে ।
– এটা নেও ,
– বা গো ভাবী আপনে আমারে বইন মানেন না ?
– মানি তো ,
– তাইলে আমিই আইজ্জা আপনারে খাওয়ামু ,
– আচ্ছা , যাও নিয়ে আসো ।

বেলীর কথায় মিনু দৌড়ে ঝালমুড়ি আনতে যায় । বেলী তখন খানিকটা একা হয়ে যায় । সামনে বাচ্চারা খেলাধুলা করছিল আর বেলীও তা দেখছিল । হঠাৎ করে কে যেন পিছন থেকে ডাক দেয় বেলীলে ।

– বেলীফুল ,,,,,,,,,,,,,,?

সেই চিরচেনা কন্ঠস্বর শুনে বিচলিত হয়ে বেলী পিছনে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে যায় । আর ঠিক তখনই বেলীর পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যায় । অবাক নয়নে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটাকে দেখতে থাকে বেলী ।

– রাজু ভাই,,,,,,,,,,,,,??

.
.

চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ