Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"অনুভবে তুমিঅনুভবে_তুমি পর্ব-২৪/২৫/২৬

অনুভবে_তুমি পর্ব-২৪/২৫/২৬

অনুভবে_তুমি পর্ব-২৪/২৫/২৬
#সাইমা_ইসলাম (প্রীতি)
.
.
ঘড়িতে সবে মাত্র আটটা বাজে।আর কিছুক্ষন বাদেই আমরা রোমাক্রির উদ্দ্যেশে রয়ওনা দিব।সকালের ব্রেকফাস্ট করতে রূপ আর আমি থানচি হোটেলে এসেছি।
রূপ আমার আর ওনার জন্য খাবার ওর্ডার দিয়ে দিলেন।অর্ধেক খাওয়া হতে না হতেই দেখি ইশাদ ভাই হোটেলের ভিতর ঢুকছেন।সাথে আন্টি,আঙ্কেল,ইয়ান ভাইয়া ওরা সবাই আছেন।সাথে সাথে আমি টেবিল থেকে ওঠে এক দৌড়ে ওয়াসরুমে চলে এলাম।রূপও আমায় ডাকতে ডাকতে পেছন পেছন এলেন।
-মিহিন।আর ইউ ওকে?
-ইয়াহ।আমার কিছু হয়নি তবে মনে হচ্ছে হবে।
-মানে?কিছুই যদি হয়নি এভাবে ছুটে আসলে কেনো?
-আন্টি,আঙ্কেল ইশু ওরা সবাই এখানে।ইশাদ ভাইয়া মে বি দেখেও নিয়েছে আমাকে।
-তো।এভাবে লুকানোর কি আছে তো বুঝলাম না ওই লাভ ইচ আদার!
-আরে ব্যাপার সেটা না আমি ওদের মিথ্যা বলে এসেছি।এখন আমাকে এখানে এভাবে দেখলে কি হবে বুঝতে পারছেন আপনি?এখন বের হবো কিভাবে আমি?
.
“ইশাদ অবাক হয়ে ওয়াসরুমের দিকেই তাকিয়ে আছে।ওর কেনো যেন মনে হলো ও মিহিনকেই যেতে দেখেছে ওই দিকে।
একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ছাড়লো ইশাদ।মিহিন এখানে আসবে কিভাব,ও তো মিলনছড়িতেই আছে।ও ই বা কেন যে সারাক্ষন মিহিনকে দেখে।
মেয়েটাকে এভাবে একা ছেড়ে আসা উচিত হয়নি একদম”
.
“সীমান্তি এহরাজ প্রায় চার মাস পর ফিরলেন বাংলাদেশে।নিজের মা কে দেখতে গিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়া।নিজের ছেলে আরিয়ান এহরাজ রূপকে ছাড়া এক মুহূর্ত চলতে পারেন না সেখানে চার মাস থাকার পর পাগল হয়ে ওঠেছেন ওনি।
এহরাজ মেনশন পুরো কাঁপিয়ে তুলেছেন রূপ নেই বলে।ভাই আজমল রহমান কিছুটা হলেও আসমলাচ্ছেন নিজের বোনকে।
-হোয়াট?রূপ কোথায় তোরা কেউ জানিস না।বাহ্।এই কয়েকদিন আমি ছিলাম না তাই তোরা কেউ ঠিক মত খেয়ালই রাখিস না আমার ছেলেটার!
-দিদি…..দিদি দেখ শান্ত হয়।রূপ বান্দরবন আছে ফ্রেন্ডসদের সাথে,ছয়দিন পর ফিরছে। আমাকে একটু আগেই মেসেজ পাঠিয়েছে।আসলে পাঠিয়েছিল কাল সকালে।ঠিকমত নেটওয়ার্ক না থাকার জন্য……..
-আগে বলবি তো কতদিন দেখি আমার কলিজার টুকরাটাকে।যাই হোক ও যেন কোন ভাবেই না জানে আমি এসছি।সারপ্রাইজড হয়ে যাবে বল।
-হুম ছোটদি, বড়দিদি মারা যাবার পর তুমি যেভাবে রূপ কে সামলেছো।ছেলেটাও পারেনা তোমাকে ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে।
চোখে জল নিয়েই নিজ রুমে চলে এলেন সীমান্তি।
বড় বোন মারা যাবার পর রূপকে নিজের সবটা দিয়ে মানুষ করেছেন ওনি।রূপই যে ওনার সবকিছু।”
.
থানচি থেকে রোমাক্রি যেতে হয় নৌকা দিয়ে।যেহেতু সকালের দিকেই বের হয়েছি তাই পৌঁছাতে রাত হবেনা।সন্ধ্যার আগেই পৌঁছে যেতে পারব।নৌকার মাঝি এই এলাকার স্থানীয়।ওনার কাছ থেকে এই জায়গা সম্পর্কে অনেকটা জানতে পেরেছি।আরো কয়েকবছর আগেও এখানে আসার রাস্তা এত সুন্দর ছিলনা।মানুষ খুব কমই আসত।
নৌকায় আমাদের সাথে আরো একটা স্থানীয় ছেলে ছিল।রাংখা বিংশ নাম ওর।
শরীরের রং একদম কুচকুচে কালো,দাত চকচকে সাদা,রোগা-পটকা দেহের ধরন।চোখগুলোও উপজাতিদের মত।তাও একটা আলাদা সৌন্দর্য আছে।পাহাড়ে এদেরই মানায় ভালো।যেনো এদের মন-আত্তা মিশে গেছে অরণ্যের গহীণে।রাংখার সাথে কথা বলে জানতে পারলাম,,,,,,,,,রাংখা চাকমা উপজাতি।আজ থেকে প্রায় সাড়ে দশ বছর আগে ওরা এই এলাকায় আছে।
নৌকা আস্তে আস্তে চলাচ্ছিলেন মাঝি তাই পুরো পাঁচ ঘন্টা বাদে পৌঁছালাম আমরা রোমাক্রি।
রোমাক্রি অসম্ভব সুন্দর একটা জায়গা।পাহাড়ে ঘেড়া আর নদীর ভেজা মাটির গন্ধে স্নান করা।রোমাক্রি গেস্ট হাউজে গিয়ে মন একদম ভরে গেছে।পুরোটা বাশের তৈরী।গেস্ট হাউজ পৌঁছতে পৌঁছতে প্রায় সন্ধ্যা…..
.
.
To be continue ?

#অনুভবে_তুমি
পর্ব-((২৫))
#সাইমা_ইসলাম (প্রীতি)
.
.
আমরা যে গেস্ট হাউজটাতে ছিলাম ওটাতে দুটো ঘর মাত্র।যে নদী ধরে এসছি তা থেকে দশমিনিটের রাস্তা মাত্র।গেস্ট হাউজের নিচে পযর্ন্ত পাথর।
পাথর ঘেরা সমতল ভূমির দু’তিন ফুট উচুঁতে বাশের তৈরী ঘর এটা।সামনে ছোট মত একটা বারান্দাও আছে।মাচার মত সিড়ি দেয়া আছে উপর যাওয়ার জন্য।সব থেকে ইন্টারিসটিং জিনিস হলো ছাদ ছনের।
এমন ঘরে এর আগে কখনো থাকিনি আমি।সন্ধ্যা এখানে এসে ফ্রেশ হওয়ার পর রূপ আর রাংখা আমাকে আশে-পাশের জায়গাটা ঘুরে দেখালেন আমায়।
রাতের খাবারটা দারুণ ছিল।ক্ষুদে চালের ভাত।এখানে বয়া-ভাত নামেই বেশ পরিচিত।সাথে শুটকি,মাছ আর আলুর ভর্তা,মুরগির কষা-মাংস আর সেদ্ধ আলুর ঝোল।এটা এদের পছন্দের খাবার বটে।
অসাধারণ ছিল এগুলো।
রাতে খাওয়াদার পর রূপ আমার জন্য গান গাইলেন একটা।
“”adil thaher ja
jine ki kohin tu waja dhund le
ghab ra na gam se
apni khusi ka tu pata dhund le
tu payer kar
iss har kar
haa payer hiin gaam ki daba
sunne le zara sunn le zara
a mere dil,sun le zara (x2)
hum payar tera mahsus kar tu
sinee mein teri uteran hu me
ehukein muje he tu pahean lega””
(বাকিটা নিজ দায়িত্বে শুনে নিবেন)
রাতে রূপ এসে জোর করে আমার ঘুম ভেঙ্গে নিয়ে যান গেস্ট হাউসের ছাদে।
জাপানিজদের টিলা ঘরের মতো ছাদটা। খুবই সুন্দর কিন্তু একটু নড়াচড়া করলেই পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।তাই শক্ত করে ধরে আছেন আমায়।
রাতের মায়া আর চাঁদের কোমলতায় স্নান করছি আমরা দুটিতে।
হঠাৎ দুটো ঠান্ডা হাত আমার পেট স্পর্শ করাতে কেঁপে উঠলাম আমি। রূপ আস্তে আস্তে আমার গলায় গুজে দিলেন ওনার মুখ।
শেষ হয়ে যাচ্ছিলাম আমি। ওনার প্রত্যেকটা স্পর্শ কাঁপুনি ধরাচ্ছে আমার শরীরে। বেখেয়ালিতেই কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বল্লাম,,,,,,,,
-রূ…. রূপ। কি…কি করছেন টা…..কি আপনি……মেরে ফেলবেন নাকি আপনার প্রতিটা ছোঁয়ায়…..
-উমমমম……
আমার গলায় পাগলের মতো কিস করেই যাচ্ছেন রূপ। আস্তে আস্তে আমাকে ফিরিয়ে নিলেন তার দিকে।
কেমন যেনো নেশাতুর চোখে তাকিয়ে আছেন আমার ঠোঁটের দিকে।।
-তোমার এই ঠোঁটের ভাঁজে কতো নেশা লুকিয়ে আছে তুমি নিজেও জানো না মিহিন।
ওনার কথা শুনে এতক্ষণে আমি টমেটো হয়ে গেছি।
-এই সব নেশা আমার। শুধুই আমার। তোমার সব কিছুই শুধু আমার। একদিন এই সব নেশা আমি ঠিক মিটাব।আজ নয়। এভাবে নয়।একদম নিজের করে।
.
সকালে খুব ভোরে রূপ ডেকে ঘুম থেকে তুললেন আমায়। ইচ্ছে করছিল ওনাকে ঠান্ডা পানির ফোয়ারায় চুবাই কতক্ষণ।এত সকালে আরামের ঘুমটা নষ্ট করে কেউ???
রূপ জোর করে আমাকে ফ্রেশ করে বাইরে নিয়ে গেলেন সূর্যদয় দেখাতে।
বাইরে যাওয়ার পর এক নিমিষেই আমার সব আলসেমি দূর হয়ে গেল।
পরিবেশ এতটা ফ্রেশ লাগছে যে ইচ্ছা করছে ভাসে যেতে হাওয়ায়।পাহাড়ে যেনো কুয়াশার ভেজা চাদরে ছেয়ে আছে আরে আরমোরে সূর্যটাকে অনুরোধ করছে আজ না ছোঁয়ালেই কি হয়না আলো তোমার?
রূপ আস্তে করে আমার কানে নিজের ঠোঁট ছোঁয়ালেন।
-ভালোবাসি মিহিন।
-আমিও……..।
.
আজ রোমাক্রি থেকে নাফাখুম জলপ্রপাত দেখতে যাবো কিজে আনন্দ হচ্ছে আমার।আজ তৃতীয় দিন।এত খুশির মাঝেও আর মাত্র দু’দিন রূপের সাথে থাকব ভাবলেই কেমন খারাপ লাগছে খুব।
নাফাখুম যেতে খুব ছোট খালমত একটা জায়গা পড়ে।রূপ আমায় কোলে করেই পার করেছেন জায়গাটা।
নাফাখুম পৌঁছে আমি আমার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।চোখ দুটো আজ সত্যিই ধন্য বাংলার এই রূপে।জলপ্রপাতের পানি নদী হৎএ প্রবল ধারায় বয়ে গেছে।পানি ধারে কাছে ঘেষার জো নেই এত স্রোত।
ওখানে বেশ কিছু ঘুরাঘুরি করে রাতের আগেই আবার ফিরে এলাম রোমক্রি।রাংখা সেদিন আমাদের পৌঁছে দিয়েই চলে গিয়েছিল।
পরদিন সকালে ওঠে দেখি রাংখা এখানে।তাও ইশু নাকি পাঠিয়েছে…………..।
ওর মুখে সবার কথা শুনে হাত পা থরথর করে কাঁপছিল আমার।
রাংখার কথা শুনা মাত্র রওনা দিলাম আমরা।টেনশনে ভেতর পুরো শেষ হয়ে যাচ্ছে আমার……………….
.
.
To be continue
#অনুভবে_তুমি
পর্ব-((২৬))
#সাইমা_ইসলাম (প্রীতি)
.
.
রাংখার কথা শোনামাত্র আমরা রওনা দিলাম মিলনছড়ির উদ্দ্যেশে।
ইশু খবর পাঠিয়েছে ওনা নাকি আজিই চলে যাচ্ছে থানচি থেকে।যাওয়ার কথা ছিল আরো দু’দিন পর।আমাকে একা রেখে এসে নাকি করোরই মন টিকছে না এখানে তাই।
সকালের দিকেই বের হয়েছে থানচি থেকে।
এই ট্রিপটা খুবই ভালোলাগছে আমার।কেমন যেন একটা অনুভূতি।একদিকে রূপের সাথে প্রেম তো আরেকদিকে সবার থেকে লুকিয়ে চলা।একদম ফিল্মি লাগছে।
রূপ আমাকে নিয়ে থানচি পৌঁছতে পৌঁছতে প্রায় রাত একটা পনের বেজে গেছে।এখানে রাতের খাবারের ব্যাবস্থা রাংখা নিজেই করে রেখেছিল। খেয়ে নিলাম।
তবে খাবার আর খাবার সার্ভের ধরন খুবই মনোরম ছিল।বাঁশের তৈরি মগে এখানকার আন্চ্ঞলিক পানীয় আর বাঁশের তৈরী প্লেটে গরম ধোঁয়া ওঠা ভাত খেলাম।সাথে আলুর ঝোল,শুটকি মাছ,ভর্তা আর মাংস।
থানচি থেকে বের হতেই মূলত বেশি সময় লেগে গেছিল।তারপর নীলগিরির আবদার তো আছেই। মিলনছড়ির পর থেকে এই দিককার রাস্তা তত একটা ভালো না হলেও কিছু করার ছিলনা।এই মাঝরাতেই রওনা হতে হলো।রাংখাই সি.এন.জি ভাড়া করে দিয়েছে।
সি.এন.জিতে ওঠেই আমি রূপের বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লাম।আর রূপ মনে মনে ভাবছে,,,,,,,,,,,,,,
-কে জানে আমার ভাগ্যে কি আছে।এই মেয়েতো যখন দেখি তখনি ঘুমায়।বিয়ের পর আমার রোমান্সের যে কয়টা বাজাবে আল্লাহ্ জানে।
একটা মেয়ে ঘুমালে যে এতটা সুন্দর লাগতে পারে জানা ছিলনা রূপের।ইচ্ছা করছে এখনি নিজের ভেতর পুরে রেখে দিতে,নজর লাগবে না কারো।
রূপের বুকের সাথে একদম লেপ্টে আছি।বাম দিকে হেলে ওনার বুকে মাথা দিয়ে রেখেছি।ঘুমের মধ্যে থাকলেই আশে-পাশের অবস্থা টের পাচ্ছি ঠিকই।
রূপ আস্ত করে আমার ডানপাশের বিখড়ে যাওয়া চুল গুলোকে কাধ থেকে সরিয়েই নিজের মুখ গুজিয়ে দিলেন।
আমিও খামচে ধরলাম ওনার জ্যাকেট।
আমার কাধে নিজের ঠোঁট বুলিয়েই সোজা হয়ে বসে পড়লেন রূপ,যেন কিছুই করেননি মাত্র।
আমি বাহিরের দিকে তাকিয়ে বসে আছি।লজ্জায় তাকাতে পারছিনা ওনার দিকে।নিলগিড়ির কাছাকাছি যখন পৌঁছেছি তখন চারটা আট-চল্লিশ।রূপ হাজারবার না করার পযও নেমে গেলাম নিলগিড়ি পাহাড়ের কাছে।
-দেখো মিহিন তুমিই আমাকে এভাবে তারাহুরার মধ্যে নিয়ে আসলে আর এখন,,,,,,,,
-না না না আমি নিলগিড়ি না দেখে তো কিছুতেই যাবো না।
-ইশারা মে বি এতক্ষনে বাড়ি পৌঁছে গেছে।
-রূওওওপ প্লিইইইজ,,,,,,,,,
-এই না।একদম না।সারাক্ষন খালি আমাকে পাগল করার ধান্দা।তুমি জানো তুমি একবার যেটা চাও তা আমি না দিয়ে থাকতে পারিনা।
আমি একদম বাচ্চাদের মতো করে তাকিয়ে আছি রূপের দিকে।
-দাদা আপনি নিলগিড়ির দিকটায় রাখবেন তো……………..
-আইচ্ছা তয় কতক্ষণের লাইগ্গা?
-এইতো ঘন্টাখানেক………………
-ওইখানে এতরাতে নামা তো সুবিধার অইবনা,,,,,,,,,,,,তাও আবার এতক্ষনের লাইগ্গা,ডাকাইত পড়লে তো আমার গাড়িডাও লইয়া যাইব।আফামনির লাইগ্গাও ভালা হইব না……………
-তোমার এই আপামনির জন্যই তো যাওয়া।তোমাকে তাহলে থাকতে হবে না কেমন……….আমরা অন্য কোনো ভাবে চলে যাব।
-আরে না না,ভাইজান আমিই লইয়া যামু।এমনে এমনে টাকা নিমু না আমি।আফনাগো যতক্ষণ মনে চায় থাইক্কেন………….।
-হুম।
.
.to be continue ?

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ