Friday, June 5, 2026







স্পর্শতায় তুমি পর্ব-০৩

#স্পর্শতায় তুমি
#পর্ব_০৩
#অধির_রায়

ক্যাফেডিয়ামে এক ধ্যানে বসে আছে প্রকৃতি। তিথি অর্পি একাধারে গল্প করে যাচ্ছে। প্রকৃতির মাথায় ঘুরঘুর করছে কিছুক্ষণ আগের ঘটনা স্বরণ করে৷ বুকের মাঝে প্রবল স্রোতের ধারা বয়ে যাচ্ছে৷ রাগে লজ্জায় সুইসাইড করতে ইচ্ছা করছে৷ তিথি প্রকৃতিকে ধাক্কা দিয়ে বলল,

“পুষ্প স্যারের কথা ভাবছিস৷ পুষ্প স্যার তোকে মুরগী বানিয়ে রেখেছিল নাকি৷ আমরা তোকে মুরগী হতে দেখতে পারলাম না৷ স্যার মানা করেছে যেতে৷ আমি ভেবেছিলাম ভিডিও করলে ফেসবুকে ছেড়ে দিবো।”

তিথির কথা নাকের ডগায় রাগ উঠে যায়৷ প্রকৃতি রাগী গলায় বলল,

“আমি ওই পুষ্পের বাচ্চাকে ছাড়ব না৷ আমাকে অপমান করা৷ আমি তাকে নাকানিচুবানি না খাওয়াতে পারলে আমিও প্রকৃতি নয়৷”

“আমাকে দেখে মানসিক রোগী মনে হয়৷ আমার ফোনের পাসওয়ার্ড আমার যা ইচ্ছা তাই দিবো৷ আপনার তাতে কি?”

পুষ্প স্যার প্রকৃতির দিকে ঝুঁকে বলল,

“তোমার গোবর মাথায় এর থেকে ভালো চিন্তা কখনও আসতে পারে। আমার ধারণা ভুল প্রমাণিত হলো৷ তোমাকে মানসিক হসপিটালে নয়, পা’গ’ল কু”কু”রে”র মাঝে ছেড়ে দেওয়া হবে৷”

“স্যার আপনি কিন্তু আমাকে…. ”

পুষ্প স্যার ভারী গম্ভীর কন্ঠে বলল,

“আমাকে নিয়ে মেসেঞ্জার গ্রুপে এতো বাজে কথা কিভাবে বলো? তোমার রুচি এতোটাই খারাপ তুমি আমাকে রাস্তার গু’ন্ডার সাথে তুলনা করো৷ আমি লু’চু, লম্পট টাইপের স্যার৷ একজন শিক্ষককে নিয়ে তোমার ধারণা এতোটা নিম্ন।”

পুষ্প স্যার এতোটাই রেগে আছে বলে বুঝানো যাবে না৷ নিজের নামে খারাপ কথা কেউ সহ্য করতে পারে না৷ পুষ্প স্যার এক পা দুই করে এগিয়ে যাচ্ছে৷ প্রকৃতি পিছিয়ে যাচ্ছে৷ সুযোগ বুঝে প্রকৃতি নিজের ফোন স্যারের হাত থেকে ফোন কেঁড়ে নেয়৷ এক দৌড়ে পুষ্প স্যারের রুম থেকে চলে আসে৷

“অর্পি কাটা গায়ে নুনের ছিঁটা দেওয়ার জন্য অসহায় কন্ঠে বলল,

“তোর ক্রাশ পুষ্প স্যার তোকে বদ্ধ ঘরে কিছু করেনি৷ যদিও পুষ্প স্যার ভালো কিন্তু তুই তো পুষ্প স্যারের উপর ফিদা৷ তোকে তো বিশ্বাস নেই৷ কখন কি করে ফেলিস পুষ্প স্যারের সাথে? তাছাড়া পুষ্প স্যারও অনেক কিছু করতে পারে৷ বাড়িতে বউ নেই৷”

অর্পি কথা শেষ হতেই উচ্চ স্বরে হাসিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে অর্পি, তিথি৷ চারপাশের অন্য ছেলেমেয়েরা তাদের দিকে ক্ষিপ্ত দৃষ্টিতে দেখছে৷ কিছু যায় আসে না অর্পি তিথির৷ প্রকৃতি বেচরা এবার কান্না করে দেয়৷ প্রকৃতির কান্না দেখে অর্পি, তিথি চিকত হয়ে যায়। তিথি চিন্তিত গলায় বলল,

“কি হয়েছে কান্না করিস কেন?”

প্রকৃতি ঠোঁট ভিজিয়ে বলল,

“স্যার সব জেনে গেছে৷ এখন আমার কি হবে? আমি কিভাবে মুখ দেখাব? আমি পারব না স্যারর সামনে যেতে৷”

তিথি টেবিল টুংটাং শব্দ করে বলল,

“গুড নিউজ। তার মানে পুষ্প স্যার জানে তুই পুষ্প স্যারকে ভালোবাসিস৷ যাক বাবা ভালোই হলো রাগী গম্ভীর স্যারকে দুলাভাই ডাকতে পারবো৷”
মামা আরও সিঙ্গারা দেন৷ আজ সব বিল প্রকৃতি দিবে।”

তিথি, অর্পি খাবার অর্ডার করে টেবিল ভর্তি করে ফেলে৷ রা’ক্ষসের মতো গ”পা”গ”প খেয়েই যাচ্ছে৷ দেখে মনে হচ্ছে বনের ক্ষুধার্ত পশু৷ দীর্ঘ দিন খাবারের জন্য অপেক্ষা করেছে৷ প্রকৃতি তাদের থামতে বলে৷ প্রকৃতির কথা কেউ কর্ণপাত করছে না৷ রা”ক্ষসের মতো খেয়ে যাচ্ছে৷ একবারও প্রকৃতিতে খাবারের কথা বলছে না৷ প্রকৃতি মনে মনে বলল,

“আমি মাঝে মাঝে ভুলে যায় এরা আমার বান্ধবী। আমাকে রেখে কিভাবে খাচ্ছে? পুরো কথা শুনার কোন তাগিদ তাদের মাঝে নেই৷ পাশের বাসার কাকিমাদের মতো। তিল থেকে তাল করা এদের মহান কাজ৷ যখন এরা কাকিমা হবে তখন পুরো দুনিয়াতে কেউ কথা বলতে পারবে না৷”

খাওয়ার পর্ব শেষে যে যার মতো করে চলে যাচ্ছে৷ এখানে থাকলে তাদের বিল দিতে হবে। সেজন্য কোন কথা না বলে কেটে পড়ছে৷ তিথি তো বাঁচাল টাইপের মেয়ে৷ কথা না বলে থাকতেই পারে না৷ ক্যাফেডিয়ামের দ্বারের কাছে এসে নুনের ছিঁটা দিয়ে গেল৷ দুষ্টু হাসি দিয়ে বলল,

“দোস্ত চাপ নিবি না৷ চিল কর চিল৷ সামনে আরও তোর পকেট খালি করব।”

কিছু বলার আগেই দৌড়ে তিথি সেখান থেকে চলে যায়৷ প্রকৃতি খাবারের বিল মিটিয়ে তিনজনের গোষ্ঠী উদ্ধার করতে করতে বাসায় ফিরে৷

অর্পন আর ঋষি ছাঁদে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছে৷ নিকোটিনের ধোঁয়া বাতাসে উঠিয়ে দিচ্ছে৷ অর্পন নিকোটিনের ধোঁয়া উড়িয়ে বলল,

“ঋষি তুই এভাবে কতোদিন থাকবি৷ বাসা থেকে বের হওয়া বন্ধ করে দিলি কেন? প্রায় একটা মাস হয়ে গেলে তুই বাসা থেকে বের হচ্ছিস না৷”

ঋষি মলিন হেঁসে মিহি কন্ঠে বলল,

“বাহিরের জগৎ নিজের কাছে বিষাদময় লাগে৷ সমস্ত শান্তি হারিয়ে গেছে৷ বাহিরে বের হলেই মনে পড়ে ছোঁয়ার কথা৷ তার সাথে হাত ধরে রাতের আকাশে তারা দেখেছি৷ হেঁটে হেঁটে এগিয়ে গেছি দিক থেকে দিগান্তর৷ সবকিছু পোড়ে পোড়ে আমাকে খায়। বুকের পা পাশে চিন চিন ব্যথা শুরু হয়৷”

ঋষির কাঁধে হাত রেখে বলল,

“তুই নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা কর৷ কাজে থাকলে নিজেকে মুভ অন করতে পারবি৷”

“সেজন্য পুরো দমে পড়ালেখা শুরু করছি৷ আমাকে যে ভাবেই হোক বিসিএস পরীক্ষায় ভালাে ফল করতে হবে৷ বাবার পাশে দাঁড়াতে হবে৷ বাবা অবসরের আগেই আমাকে একটা জব করতে হবে৷”

“শুধু বিসিএসের জন্য বসে থাকলে চলবে না৷ মাস্টার্স কমপ্লিট করেছিস৷ কোম্পানিতে ট্রাই কর৷ ভালো সেলারি পাবি। পাশাপাশি প্রিপারেশন নিতে পারবি বিসিএসের৷”

“একদম ঠিক বলছিস৷ নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে৷ আমাকে মুভ অন করতে হবে৷ আমার জন্য না হলেও আমার মা, বাবা, বোনের জন্য হলেও মুভ অন করতে হবে।”


ইন্টারভিউ দিয়ে অফিস থেকে বের হবার পথে ঋষির সাথে ধাক্কা লাগে অজানা কারোর সাথে৷ ঋষি কিছু বলার আগের মেয়েটি ঋষিকে থা”প্পড় বসিয়ে দেয়। চেঁচিয়ে বলল,

“মেয়ে মানুষ দেখলে গায়ে পড়তে ইচ্ছা করে৷ তোদের মতো ছেলেদের জন্য আজ আমরা বের হতে পারিনা৷”

ঋষি মাথা নিচু করে বলল,

“ম্যাম আপনি ভুল ভাবছেন৷ আমি ইচ্ছা করে আপনাকে ধাক্কা দেয়নি৷ ফোনে কথা বলায় মগ্ন থাকার জন্য ভুলবশত হয়ে গেছে।”

মেয়েটি তেড়ে ঋষির দিকে আসে৷ ঋষি কথা না বাড়িয়ে চলে আসে৷ এতে মেয়েটি আরও রেগে যায়৷ মেয়েটি দূরে ঋষির সামনে আসে৷ ঋষির হাত ধরে টানতে টানতে বাহিরে নিয়ে আসে৷ ঋষি মেয়েটির ব্যবহার দেখে হতভম্ব। কি বলবে বুঝতে পারছে না? ঋষির পায়ে লা’থি দিয়ে বলল,

“কান ধরে ওঠবস করতে হবে। আমাকে ধাক্কা দেওয়ার শাস্তি পেতে হবে৷”

ঋষি কোমল কন্ঠে বলল,

“ম্যান এখানে সিনক্রিয়েট করার চেষ্টা করবেন না৷ আমি মানছি আমার ভুল হয়ে গেছে। মানুষ মাত্রই ভুল৷ আজ আমার জায়গায় যদি আপনি থাকতেন৷”

মেয়েটি হুংকার দিয়ে বলল,

“ব্যাস। আপনার নীতির বাক্য আপনার কাছে রাখেন৷ আমাকে জ্ঞান দিতে আসবেন না৷ আপনি যদি আমার কথা না মানেন আমি আপনাকে খু’ন করব।”

“আপনি সামান্য একটা ধাক্কা নিয়ে অনেক বড় সিনক্রিয়েট করছেন৷ আমার হাতে সময় নেই৷ আমাকে বাস ধরতে হবে৷ আপনার বাজে কথা শোনার মতো টাইম আমার হাতে নেই৷”

মেয়েটি অগ্নি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলল,

“আমি বাজে কথা বলছি৷ আজ তোকে নিজ হাতে শাস্তি দিব৷”

মেয়েটি ঋষিকে মারার জন্য হাত বাড়ালেই ঋষি হাত ধরে মেয়েটিকে ফ্লোরে ফেলে দেয়৷ কোন কথা না বলে সেখান থেকে চলে আসে৷

তিথি প্রকৃতির কাঁধে মাথা রেখে বলল,

“প্রকৃতি তোর ক্রাশটা সেই৷ পুষ্প স্যারকে কালো শার্টে অনেক কিউট লাগছে৷ তুই তো অনেক ফর্সা৷ তোকে পুষ্প স্যারের সাথে যায়না৷ তুই বরং পুষ্প স্যারকে আমার হাতে তুলে দেয়৷ স্যারকে বিয়ে করে এমন পি’টানি দিব ভাবতে পারনি না৷”

অর্পি আড় চোখে তিথির দিকে তাকিয়ে বলল,

“তোর লজ্জা করে না৷ তুই অন্যের স্বামীর দিকে নজর দেস৷ প্রকৃতির মুখটা দেখ৷ একদম ছোট হয়ে গেছে৷ শিক্ষকদের পি”টানোর কথা বলতে পারলি৷

অর্পিকে ধাক্কা দিয়ে বলল,

” তুই এখানে দাদিমাদের মতো কথা বলবি না৷ প্রকৃতির স্বামী কিভাবে হলো? প্রকৃতির সাথে পুষ্প স্যারের বিয়ে হয়নি৷ আর তুই উনাকে স্বামী বানিয়ে দিলি৷ ইনকোর্স না দিলে ফেল করিয়ে দেয়৷ তাকে না পি”টিয়ে তোকে পিটাব।

“বিয়ে হতে কতোদিন। স্যার প্রকৃতির ভালোবাসা এক্সেপ্ট করেছে৷ সেখানে আমরা তৃতীয় ব্যক্তি হয়ে কিভাবে থাকব?”

প্রকৃতির ধৈর্যর বাঁধ ভেঙে যায়৷ প্রকৃতি হুংকার দিয়ে বলে উঠে,

“দু’জনেই মুখ বন্ধ কর৷ তোদের মুখ থেকে বাজে কথা শুনতে ভালো লাগছে না৷ বা”লের স্যারের সাথে আমি কেন প্রেম করতে যাব। আমি শেষে কিনা বুড়ো স্যারের সাথে প্রেম করব। তোর ওই বুড়ো স্যারের সাথে প্রেম কর৷ আমি বুড়ো স্যারের সাথে প্রেম করতে পারব না৷”

তিথি প্রকৃতির পীঠে একটা কি’ল বসিয়ে বলল,

“কু’ত্তী সেদিন তুই বললি কেন? স্যার তোর ভালোবাসা জেনে গেছে৷ তোকে মেনে নিয়েছে৷”

“আমি তোদের কখন বললাম৷ আমি কি বলেছি স্যার আমার ভালোবাসা মেনে নিয়েছে? তোরাই তো পাশের বাসার কাকিমাদের মতো ভেবে নিলি৷ বুঝিস কম লুটিয়ে বেড়াচ্ছিস বেশি৷”

“আরে ইয়ার চিল চিল। প্যারা নেস না৷ বুড়ো হলেও কিন্তু স্যারটা জুস। ভার্সিটির রুলসের ব্যাপারে অনেক সিরিয়াস৷”

প্রকৃতি মুচকি হেঁসে বলল,

“তবে আজ আমি স্যারকে ছাড় দিব না৷ আজ ক্লাসের মাঝে বায়ু দূষণ ঘটাবি ৷ বেশি বেশি করে মুলা কিনে খা। স্যারকে ক্লাসে টিকে থাকতে দিব না৷ আমাকে সেদিন অনেক অপমান করেছে৷ স্যার ভুলে গেছে এটা স্কুল কলেজ নয়৷ এটা ভার্সিটি। ভার্সিটির লিড়ারদেট অপমান করলে তার কি ফল হতে পারে এবার দেখাব?”

অর্পি বসা থেকে দাঁড়িয়ে বলল,

“আমি তোদের সাথে নেই৷ আমি কিছুতেই স্যারকে অপমান করতে পারব না৷ আমি তোদের মতো অসভ্য নয়৷”

প্রকৃতি আর অর্পি এক সাথে বলে উঠল,

“আহা আমাদের সভ্য অর্পি৷ B T S লাভার অর্পি কবে থেকে সভ্য জাতিতে পরিণত হলি৷”

অর্পি নাকের ডগায় রাগ নিয়ে বলল,

“তোরা যাই বলিস B T S দের মতো বর পাওয়ার জন্য হাজার মেয়ে দিন রাত স্বপ্ন দেখে৷ মনে কর আমিও একজন তাদের মাঝে৷”

কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে চো’রের মতো দাঁড়িয়ে আছে প্রকৃতি। অগ্নি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে পুষ্প স্যার অর্কিডে বসে আছে৷ প্রকৃতি শাস্তি হিসেবে এক পায়ে ভর করে দাঁড়িয়ে আছে৷ শাস্তি হিসেবে বলতে দেওয় হয়েছে,

❝প্রকৃতি এক পায়ে দাঁড়িয়ে কাঁচকলা খাই চা’বিয়ে।❞

চলবে….

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ