Friday, June 5, 2026







সাত সমুদ্রের তিমির পর্ব-০৭

#সাত_সমুদ্রের_তিমির
পর্বঃ০৭
#সুমাইয়া_আফরিন

অনু রাগে গন্তব্যহীনভাবে হনহন করে হেঁটে যাচ্ছে। হঠাৎ অনুর হাত পেছন থেকে কেউ আকড়ে ধরে। অনু মাথা আরো গরম হয়ে যায়। অনু চোখ গরম করে পেছনে তাকিয়ে দেখল মিমি তার হাত ধরে আছে। অনু এক ঝটকায় নিজের হাত ছাড়িয়ে নিল। পর মুহুর্তেই কিছু বলতে যাবে কিন্তু আর বলল না সে। বড় বড় স্বাস নিয়ে নিজেকে শান্ত করল অনু। তারপর মিমির দিকে তাকিয়ে বলল,

‘কি রে?কি হয়েছে?’

‘আমার কি হয়েছে মানে?তুই বল তোর কি হয়েছে?এতো হাইপার হয়ে আছিস কেন? আর হঠাৎ করে কোথায় চলে গেলি?তুই জানিস তোকে কোথায় কোথায় খুজেছি আমরা?আর…….

‘আরে বাবা থাম, প্রশ্নের বন্যা বইয়ে দিচ্ছিস তুই। কোথায় আবার যাবো, এইদিকেই ছিলাম।’

‘এতো রেগে ছিলি কেন? কি হয়েছে?’

‘একটা বেড়ালের সাথে দেখা হয়েছিল। তাই এত রেগে ছিলাম।’

মিমির সাথে কথা বলার সময় লারা আর ইরাও উপস্থিত হলো। লারা আর ইরাও অবাক হয়ে গেছে অনুর কথায়। লারা কিছু বলতে যাবে তার আগেই অনু বলে উঠল,

‘আরশি কোথায়? চল, ওর কাছে যাই।’

লারা, ইরা আর মিমি অনুর কথায় আরশির রুমের দিকে পা বাড়ালো। অনু কোনো রকমে নিজেকে শান্ত রেখেছে। অনু মোটেও চায় রাফাতের সাথে তার বারবার দেখা হোক। অনু এবার বুঝতে পারছে, সবাই কেন তার দিকে এভাবে তাকাচ্ছিল। রাফাত এসেছে এই বাড়িতে তাই সবাই অনুর দিকে এভাবে তাকাচ্ছিল।

রাফাত দুই বছর আগে ঢাকায় এসেছে। দেশে আসার পর একবারও নিজের গ্রামে আসেনি সে। এই ভয়ে যে,অনুর সাথে তার দেখা হয়ে যাবে। অনুদের গ্রাম অর্থাৎ সোনালীপুর গ্রামটা অনেক বড় একটা গ্রাম। অনুদের বাড়ি থেকে রাফাতের বাড়ি বেশ দূরে। এই সাত বছরে একবারও রাফাতের পরিবার যোগাযোগ করেনি অনুর পরিবারের সাথে। রাফাতের মা অনুকে চিনলেও রাফাত অনুকে চেনে না। রাফাত মন থেকে অনেক চেষ্টা করেছে অনুকে মেনে নেওয়ার। রাফাত ঢাকায় এই উদ্দেশ্যেই এসেছিল যে, অনুর সাথে নতুন জীবন শুরু করবে সে। রাফাত জানে, সে মানুক আর নাই মানুক অনুর সাথেই সারাজীবন কাটাতে হবে তাকে। যার জন্য পনেরো বছরে রাফাত কোনো মেয়ের সাথে কথা বলেনি। কিন্তু পনেরো বছর পর মেয়েদের থেকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা চালাতে চালাতে রাফাতের পক্ষে আর সম্ভব হয় না। একদিন রাফাত নিজের অজান্তেই প্রেমে পড়ে যায় একটি মেয়ের। নিজেকে আর সামলাতে পারে না সে। তার মনের মধ্যে অনুকে ছেড়ে সেই মেয়ের সাথে সংসার করার বাসনা জাগে। যার জন্য রাফাত অনুকে আজও আপন করে নিতে পারেনি।

অনু মুখ গোমরা করে আরশির পাশে বসে আছে। আরশি পরিবারের মধ্যে কেউ অনুর সাথে ঘটা কাহিনী জানে না। তারা এটাও জানে না যে অনুর বিয়ে হয়েছে। গ্রামে প্রথম প্রথম এই নিয়ে অনেক কথা বার্তা চলতো কিন্তু এখন আর এইসব নিয়ে কথা হয় না। কিন্তু সমাজের সবাই সবসময় চুপ করে থাকে না। তাই আজও অনু কেউ না কেউ খোটা দেয়। কিন্তু অনুর এই নিয়ে কোনো মাথা ব্যাথা নেই। অনু এইসব কথা আর গায়ে মাখায় না।

আরশি অনুর এভাবে বসে থাকাতে গুতো দিয়ে জিজ্ঞাসা করলো,

‘কি হয়েছে আপু?এভাবে মন খারাপ করে বসে আছো কেন?’

অনু কি বলবে বুঝতে পারছে না। সে তো আর আরশিকে বলতেও পারবে না যে কেন তার মন খারাপ।কিছু না ভেবেই অনু আমতা আমতা করে বলল,

‘তুই আমার থেকে অনেক দূরে চলে যাবি তো তাই এত মন খারাপ আমার।’

আরশি অনুর কথায় একটা হাসি দিয়ে জড়িয়ে ধরে অনুকে। অনুও আপন করে নেয় আরশিকে। অনুর পাশেই তার তিন বান্ধবী বসে আছে। কিন্তু তিনজনই ফ্রি ফায়ার খেলতে ব্যাস্ত। অনু তাদের দিকে তাকিয়ে মুখে বিরক্তির ছাপ এনে বলল,

‘তোরা বিয়ে বাড়িতে এসেও ফোনে ফ্রি ফায়ার খেলছিস?’

ইরা ফোন থেকে নিজের চোখ সরিয়ে নিল।তারপর অনুকে উদ্দেশ্য করে বলল,

‘অনু ভুলভাল কথা বলিস না।এইটা মোটেও বিয়ে বাড়ি নয়, এইটা গায়ে হলুদের বাড়ি।’

অনু ইরার কথায় অনেকটা বিরক্ত বোধ করল কিন্তু তা প্রকাশ করল না। অনু ইরার থেকে মুখ ঘুরিয়ে আরশির দিকে নজর দিল।অনু খেয়াল করল আরশিকে আজ বেশ সুন্দর লাগছে। অবশ্য গায়ে হলুদের সাজে প্রত্যেকটা মেয়েকেই সুন্দর লাগে অনুর কাছে। আরশি অনুর দিকে ভ্রু কুচকে জিজ্ঞাসা করল,

‘আপু তোমার থেকে আমি ছোট হয়ে বিয়ে করে নিলাম অথচ তুমি এখনো বিয়ে করলে না। কবে করবে বিয়ে?’

আরশির এমন প্রশ্নে অনু চমকে উঠল।অনুর হাস্যজ্জল মুখ মুহূর্তেই মলিন হয়ে গেল। অনু কি বলবে তা বুঝতে পারছে না। আরশি খেয়াল করল অনুর চোখে অস্ফুট কষ্ট ভেসে উঠেছে। আরশি ভ্রু কুচকে অনুর দিকে তাকিয়ে রইল।অনু কোনো কথা না বলে চুপ করে রইল।হঠাৎ পেছন থেকে একজন অট্টহাসিতে মেতে উঠল। সবাই অবাক চক্ষুতে মহলাটির দিকে তাকিয়ে আছে। মহিলাটি মুখ বাকিয়ে বলল,

‘আরশি রে, হাসালি রে হাসালি।’

আরশি জিজ্ঞাসু চাহনিতে মহিলাটির দিকে তাকিয়ে আছে। মহিলাটির কথায় অনুর বুকের ভেতর ছ্যাৎ করে উঠল। অনু চায় না আরশি বা আর কেউ এই বিষয়ে জানতে পারে। আরশি অবাক হয়ে মহিলাটিকে জিজ্ঞাসা করল,

‘কেন কাকি, হাসানোর কি বললাম আমি।’

‘ক্যা রে,তুই জানিস না। তোর এই আদরের বুনের সাত বছর আগে বিয়া হইয়া গেছে গা।’

আরশি যেন আকাশ থেকে পড়ল কথাটা শুনে।আরশি অগ্নিদৃষ্টিতে অনুর দিকে তাকিয়ে আছে। অনু মাথা নিচু করে বসে আছে আরশির পাশে। অনুর চোখের কোণে পানি জমে গেছে। অনুর নিশ্বাস ঘন হয়ে আসছে। পেছনের বয়ষ্ক মহিলাটির হাসি যেন আরো বেড়ে গেছে। ইরা, লারা,মিমি মোবাইল রেখে অনুর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। মিমি অনুকে উদ্দেশ্য করে আস্তে করে বলল,

‘অনু চল এখান থেকে। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা মানুষের বাস্তবতটা বুঝতে পারে না। জ্ঞানের বড়ই অভাব তাদের।’

মিমির কথাটা বলতে দেরি হতে পারে কিন্তু মহিলাটির পাল্টা জবাব দিতে দেরি হলো না। মিমির দিকে অগ্নিদৃষ্টিতে তাকিয়ে মহিলাটি বলে উঠল,

‘ওই মাইয়া, এহনো নাক টিপলি দুত বাড়ায় তুই আবার আমার মুহির উপর দিয়া কতা কইস। এই অনুর সাত বছর বিয়া হইছে, তারপরেও শশুর বাড়ি পা দিয়া দেকলো না। কুন জায়গায় পেমটেম কইরা বেড়ায় তার নাই ঠিক। মেলা বছর আগেও ছেলেগের সাতে শুয়ে বেড়াইছে ও। চরিত্রের নাই ঠিক আবার বড় বড় কতা কয়।’

মহিলাটি মুখ ভেংচি দিয়ে দরজা দিয়ে বের হতে গেল। অনু নিজের রাগ সামলাতে না পেরে মহিলাটিকে উদ্দেশ্য করে বলল,

‘শুনলাম, আপনার মেয়ে মরিয়ম নাকি নিজের স্বামীকে ছেড়ে অন্য ছেলের হাত ধরে পালিয়ে গেছে। আবার সেই ছেলের বাচ্চা পেটে নিয়ে নাকি স্বামীর কাছে ফিরে এসেছে।ঠিক শুনেছি না ভুল শুনেছি চাচী?’

মহিলাটি অগ্নিদৃষ্টি নিক্ষেপ করে অনুর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। দাঁত কিটমিট করতে করতে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন তিনি। অনু অশ্রুসিক্ত চোখ নিয়ে তাকিয়ে আছে মহিলার যাওয়ার দিকে। আরশি অনুর কাধে হাত রেখে বলল,

‘তোমার এত আগে বিয়ে হয়েছে আমাদের তো বললে আপু।’

অনু বজ্রচোক্ষুতে তাকিয়ে আছে আরশির জিজ্ঞাসু মুখস্রির দিকে। আরশি অনুর অশ্রিসিক্ত চোখ দেখে বুঝতে পেরে গেল তার বোন কষ্ট পাচ্ছে কথাগুলোয়। আরশি কথা ঘুরিয়ে হাসি মুখে বলল,

‘আচ্ছা বাদ দাও তো, আপু একটু দেখো না, এই ক্লিপটা কেমন যেন খুলে খুলে যাচ্ছে।’

অনু নিজের চোখ সাবধানতার সাথে মুছে নিয়ে আরশির ক্লিপ ঠিক করতে ব্যস্ত হয়ে গেল। ঘরের সবার দৃষ্টি আকর্ষন করে নিয়েছে কিছুক্ষন আগের ঘটে যাওয়া ঘটনাটি। তাই সবাই অনুর দিকে তাকিয়ে রয়েছে। অনু সবার দৃষ্টি উপেক্ষা করে নিজের কাজে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিল।

____________

আরশির গায়ে হলুদ হয়ে গেছে প্রায় দুই ঘন্টা আগে। সব মেহমানরাও চলে গেছে। অনু ওই ঘর থেকে আর বের হয়নি। গায়ে হলুদে এসেই মন খারাপ হয়ে গেছে তার। আর ভালো লাগছে না ঘোরাফেরা করতে। না চাইতেও অনুর খুব কষ্ট হয় যখন তার চরিত্র নিয়ে কথা ওঠে। আর যাই হোক অনু তো একজন মেয়ে। প্রত্যেকটা মেয়ের কাছে তার জীবনের থেকে নিজের সম্মান বেশি মূল্যবান হয়ে থাকে। আর যখন এই সম্মান ক্ষুন্ন হয় তখন বেঁচে থাকার কোনো মটিভ থাকে না। যখন একজন মেয়ের চরিত্র নিয়ে বাজে কথা হয় তখন সে মেয়ের কাছে সেই মুহূর্ত বিষাক্ত হয়ে ওঠে।

________

পুরো বাড়ির মধ্যে রাফাতের চোখ শুধু একজনকেই খুজে যাচ্ছে। তাকে খুজছে যার নাম, ঠিকানা কিছুই জানে না সে। শুধু এটাই জানে যে মেয়েটা একজন নিউ ডক্টর। রাফাত কখনো ভাবতেও পারেনি তার ভালোবাসার মানুষকে সে এই গ্রামে দেখতে পারবে। কোনো কিছু না ভেবে রাফাত নির্বিকারভাবে খুজে যাচ্ছে তার ভালোবাসার সেই মানুষটাকে। যাকে একবার দেখেই প্রেমে পড়ে গেছিল সে।

অনুকে খুজতে খুজতে হঠাৎ রাফাতের চোখ পড়ে একজন বয়ষ্ক মহিলার দিকে। রাফাত তাকে দেখেই চমকে উঠল। রাফাত অনুকে ভালোভাবে না চিনলেও অনুর মাকে খুব ভালো করে চেনে সে। রাফাতের সামনে অনুর মা দাঁড়িয়ে একজনের সাথে কথা বলছেন। অনুর মা রাফাতের দিকে তাকাতেই রাফাত নিজেকে আড়াল করে নিল। রাফাত সেখান থেকে অনেকটা দূরে চলে গেল। হাঁটতে হাঁটতে রাফাত একটা রুমে ঢুকে পড়ল।

রুমের ভেতরে তাকাতেই মুখের কোণে হাসি ফুটে উঠল তার। রাফাতের সামনে অনু আরশির পাশে বসে আছে। রিয়া রাফাতকে দেখেই অবাক হয়ে হা করে উঠল। ঘরের মধ্যে বেশি কেউ ছিল না। সেখানে উপস্থিত অনুর বান্ধবী আর আরশি রিয়ার এমন অবাক হওয়া চেহারা দেখে সামনে তাকাতেই দেখল রাফাত দাঁড়িয়ে আছে। অনু আর আরশি ছাড়া সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে রাফাতের দিকে। তারা মোটেই রাফাতকে আশা করেনি এখানে।

কিছুক্ষন এভাবেই অনু আর রাফাতের মধ্যে চোখাচোখি চলল। রাফাত আর কারো দিকে যেন তাকাতেই পারছে না। রাফাতের এমন তাকানোতে রিয়া জ্বলে পুরে শেষ হয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ বাইরে থেকে চিৎকারের আওয়াজ আসতেই সবার মনোযোগ বাইরে আবদ্ধ হলো। অনু নিজের মায়ের কন্ঠস্বর পেতেই চমকে উঠল। শুধু যে অনুর মায়ের কন্ঠস্বর পাওয়া গেল ঠিক তা নয় রাফাতের মায়েরও কন্ঠস্বর পাওয়া যাচ্ছে। যার কারনে অনু আর রাফাত নিজেদেরকে শান্ত রাখতে না পেরে দৌড়ে ছুটে গেল সেখানে। পেছন পেছন ইরা, লারা,মিমি, রিয়া আর আরশিও বের হয়ে আসলো।

রাফাত সর্বপ্রথম সেখানে উপিস্থিত হলো এবং প্রচন্ড হতাশ হলো সে। ঠিক যেই জিনিসটার ভয় পাচ্ছিল সেটাই হয়েছে। অনু কিছুক্ষন পর পৌছে গেল সেখানে। বাইরে যা ঘটছে এসবকিছু দেখে অনু ভীষন অবাক হয়ে গেল। সে কখনো আশা করেনি যে আজকের দিনে এমন কিছু একটা ঘটবে।

চলবে,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ