Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"রাত যখন গভীররাত যখন গভীর ২ পর্ব-৫০ এবং শেষ পর্ব

রাত যখন গভীর ২ পর্ব-৫০ এবং শেষ পর্ব

#রাত_যখন_গভীর
#জান্নাতুল_মাওয়া_মহুয়া
#(jannatul_mawa_moho)
Season:02
Part :৫০ এবং শেষ অংশ।
************
রিনি বলেঃ এই সময় এখানে থেমে যাক!
এই রাত যেনো আমাদের জন্য শ্রেষ্ঠ রাতের মধ্যে একটা হয়।সারাজীবন যেনো আমাদের ভালোবাসা এমনই থাকে।

ইনতিয়াজ বলেঃ রিনি,সব সময় এমনি থাকবে।এবং একে অপরের পাশে থাকবো এভাবেই। ভালোবাসি।
জীবনের সব টুকু ভালোবাসা তোমার জন্য।

রিনি চোখ জোড়া বন্ধ করে ইনতিয়াজ এর বুকের ওপর মাথা দিয়ে শুয়ে আছে। তাদের দু’জন এর ভালোবাসার সাক্ষী হচ্ছে আকাশের চাঁদ টা ও।চাদের আলো এসে পড়েছে তাদের উপর।

সকালে পাখির কলরবে রিনির খুব ভেঙ্গে গেলো। রিনি নিজেকে ইনতিয়াজ এর উপর আবিস্কার করে।ইনতিয়াজ এর সারা শরীর জোরে রিনির এলোমেলো চুল ছড়িয়ে আছে। রিনি চুলের খোপা করে নেই। রিনি দেখে ইনতিয়াজ এখনো ঘুমাচ্ছে। একদম নিষ্পাপ লাগছে।

রিনি বলেঃকালকে সত্যি ভয় পেয়ে গেছিলাম প্রিন্স। আমি মনে করেছি, আপনি আমার উপর রেগে আছেন।সত্যি নিজে নিজে অবাক হয়ে গেছিলাম।হুহ।কিন্তু আমার ধারণা ভুল ছিলো।আপনার ভালোবাসা তে কোন সন্দেহ নেই।আপনি সত্যি কারের আমাকে ভালোবাসেন। আমি ও আপনাকে ভালোবাসি। তবে আপনি যতটা ভালোবাসেন তার সামনে আমার টা কিছু ই না।

রিনি গোসল করতে চলে গেল। ইনতিয়াজ এর শরীরে রোদ এসে পড়েছে। রোদের জন্য ঘুম ভেঙ্গে গেলো।ইনতিয়াজ পাশে হাত দিয়ে দেখে রিনি নেই।ইনতিয়াজ সারা ঘর হন্য হয়ে খুঁজেই যাচ্ছে। তখনই, কানের মধ্যে পানির শব্দ শুনতে পেল। ইনতিয়াজ ওয়াশরুমের দরজা টা টোকা দিচ্ছে।

রিনি বলেঃ কি হলো?

ইনতিয়াজ বলেঃ খোল।

রিনি বলেঃকেনো?

ইনতিয়াজ বলেঃ একটা জরুরি কাজ আছে প্লিজ খোল।

রিনি তাড়াতাড়ি খুলে দেয়। রিনির এখনো সম্পূর্ণ গোসল করা হয়নি।ইনতিয়াজ আস্তে করে দরজাটা বন্ধ করে দেয়।

রিনি বলেঃ এটা কি হলো!
আপনার কাজ করে চলে জান।

ইনতিয়াজ বলেঃ মিস মাহমুদ আমার কাজ ই তো করছি।

এই বলে, ওয়াশরুমের বাথটবে ফেলে দেয় রিনি কে।সাথে ঝর্ণা ও চালু করেছে। রিনি একদম হাবুডুবু খাচ্ছে। ইনতিয়াজ রিনিকে স্পর্শ করছে। রিনি কেঁপে ওঠে।। দুজন ভিজে বিড়াল হয়ে গেছে। দুজন গোসল করে নেই। ইনতিয়াজ রিনিকে একটা গামছা পেচিয়ে দেয়। রিনি কে কোলে তুলে রুমে প্রবেশ করে।

প্রথমে একটা গেঞ্জি ইনতিয়াজ পড়ে নেই। কিন্তু রিনি এখনো গামছা পেচিয়ে বসে আছে। ইনতিয়াজ এর গেন্জিতে রিনি ও ডুকে পড়ে। রিনির কান্ড দেখে ইনতিয়াজ হাসতে হাসতে শেষ।

ইনতিয়াজ বলেঃ তোমার জন্য ড্রেস আছে তো।সামনে বিছানা তে দেখো।

রিনি দেখে একটা খুব সুন্দর শাড়ি বিছানা তে পরিপাটি করে রাখা আছে। ইনতিয়াজ নিজ হাতে রিনিকে শাড়ি পড়িয়ে দেই। রিনির চুল গুলো খোলে দেয়। ইনতিয়াজ রিনির চুলের মধ্যে নাক ডুবিয়ে দিল। রিনি চোখ বন্ধ করে ইনতিয়াজ এর ভালোবাসা অনুভব করছে।

ইনতিয়াজ বলেঃ রিনি,আজ আমরা কুয়াকাটা যাবো।

রিনি বলেঃ সত্যি!
তবে কি জার্নি করে?
নাকি হঠাৎ করে তোমার জাদু দিয়ে।
এটা আমাদের সুইট হানিমুন হবে।

ইনতিয়াজ বলেঃ জার্নি করে।
আমাদের বিয়ের উপহার হিসেবে পেয়েছি অফারটা।
অনেক সুইট হানিমুন হবে বউ।

রিনি বলেঃ ওয়াও।

দুজন যাত্রা শুরু করে। বিকেলে দিকে পৌঁছে যায়। রিনি অনেক ক্লান্ত হয়ে গেছে। ইনতিয়াজ রিনি কে কোলে তুলে নেই।

ইনতিয়াজ বলেঃ আমার পিচ্চি বউ ক্লান্ত হয়ে গেছে, ইস।
কোলে চুপটি করে শুয়ে থাকো।

রিনি কে ইনতিয়াজ অনেক্ক্ষণ ধরে কোলে তুলে হেঁটেছে।অনেকটা পথ পাড়ি জমিয়েছে। সমুদ্রের তীরে এসে রিনি দেখে।

একটা খুব সুন্দর বিছানা। বিছানার চারপাশে সাদা রঙের কাপড় দিয়ে সাজানো হয়েছে। পাশাপাশি করে মোমবাতি জ্বলানো আছে। দেখতে অসম্ভব সুন্দর লাগছে।

রিনি দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। সমুদ্রের জলের শব্দ শুনতে পাচ্ছে তারা।সমুদ্রের তীরে বাতাস বইছে। সেই বাতাস এসে পড়েছে রিনির চুলে।রিনির খোলা চুল গুলো উড়ছে। আর ইনতিয়াজ রিনির চুলের মাঝে নাক ডুবিয়ে দিলো।সাথে তার হাত রিনির কোমরে স্পর্শ করে রিনিকে জড়িয়ে ধরে আছে।

ইনতিয়াজ তখন কানে কানে বলেঃকেমন লাগলো সারপ্রাইজ।
আজ সারারাত সমুদ্র দেখবো।
আমাদের ভালোবাসার জন্ম হয় সমুদ্রের তীরে। তাই ভালোবাসা পূর্ণতা পাওয়ার পর সমুদ্রের তীরে এসে ভালোই লাগছে।
তোমার কেমন লাগছে???

রিনি বলেঃ আমি ভাষাহীন আমার এই বিতৃষ্ণা অনুভূতি প্রকাশ করার শব্দ হারিয়ে ফেলেছি।মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছি।
অনেক অনেক ভালো লাগছে।

ইনতিয়াজ বলেঃ বসো।আমি ও বসছি।

তারা দুজন বসে আছে বিছানার উপর। সামনে সমুদ্র। কানে ভেসে বেড়াচ্ছে সমুদ্রের জলের ঢেউ। রিনির খোলা চুল গুলো উড়ছে কিছু কিছু ইনতিয়াজ এর মুখের উপর উড়ে পড়ছে। দুজন তাকিয়ে আছে সমুদ্রের জলে দিকে।

💮

মুগ্ধ ও জান্নাত এর সংসার যেনো রুপকথার গল্পের মতো।তাদের মাঝে আছে শুধু ভালোবাসা। মুগ্ধের মা বাবা জান্নাত কে অনেক ভালোবাসে।মুগ্ধ চেম্বার থেকে আসার সময় জান্নাত এর জন্য চকলেট কিংবা ফুচকা নিয়ে আসে।

মুগ্ধ যেটুকু সময় পাই তার সবটুকু জান্নাত কে দেয়। তারা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাই মাঝে মাঝে। জঙ্গলে গিয়ে ক্যাম্পিং করে।
আজ রাতে জান্নাতের মন খারাপ। এবং সেটা মুগ্ধ চেম্বার থেকে এসে বুঝতে পারে।

মুগ্ধ চুপচাপ করে জান্নাত এর পাশে আসে। জান্নাত একটা টপস পড়ে ছিলো। মুগ্ধ হঠাৎ করে জান্নাত কে কোলে তুলে নেই।

জান্নাত বলেঃ আরে কি করছেন?

মুগ্ধ বলেঃ চুপ একদম।

মুগ্ধ, জান্নাত কে কোলে তুলে নিয়ে গাড়ি তে উঠে পড়ে।জান্নাত কিছু বলছে না। কারণ, মুগ্ধ যে বারণ করছে চুপ হয়ে থাকতে।

মুগ্ধ বেশ কিছুক্ষণ গাড়ি ড্রাইভ করে।তাদের গাড়ি থেমেছে একটা পাহাড়ের উপর।

মুগ্ধ বলেঃ জান্নাত আমরা সাজেকে চলে এসেছি।

জান্নাত বলেঃ সত্যি।

জান্নাত এর চোখ মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। জান্নাত এর অনেক ইচ্ছে ছিলো সাজেকে ঘুরতে আসার।সেটা মুগ্ধ পূর্ণ করে দেয়।

মুগ্ধ ও জান্নাত দাঁড়িয়ে আছে। পাহাড়ের উপর। রাত যখন গভীর তখন মেঘেরা খেলা করছে। জান্নাত অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। মুগ্ধ জান্নাত এর ঠিক পাশে বসে আছে।

দুজনের মাঝে যেনো একে অপরের মন বুঝতে পারার আলদা শক্তি আছে। দুজনের টুনটুনির সংসার এভাবে পার করে দিতে পারবে তারা একে অপরের মনের খবর জানতে পারার জন্য।

💮

রহমানের কলেজ বন্ধ তাই অবসর সময় কাটাচ্ছে।সুমি আনমনে কি জানি ভাবিতেছিলু?
তাকে দেখে বুঝতে পারছে রহমান, সুমির মাঝে কি জানি ভাবনা কাজ করছে।

রহমান ভালো ভাবে জানে সুমিকে কিভাবে খুশি করা যায়। রহমান সাথে সাথে হরেক রকম এর বই অর্ডার দেয়।আজকে ডেলিভারি দেয়। সাথে রহমান একটা ফুলের তোড়া অর্ডার দেয়। একটাল বই সাথে ফুলের তোড়া।আস্তে করে সুমিকে গিয়ে পিছনে থেকে জড়িয়ে ধরে রহমান।

সুমি চমকে উঠে। সুমি বলেঃ আপনি!!!!
রহমান তখন বই এবং ফুল গুলো বের করে দেয়। সুমির চোখ জোড়া খুশী তে নেচে উঠে। সুমি রহমানের সারা গালে হাজারটা চুমু দেয়। সুমির মুখের সেই উদাসীনতা চলে গেল।

বেলকনিতে দোলনায় রহমান বসে আছে। পাশে টেবিলে ফুল গুলো যত্নে রেখেছে। খুব সুন্দর সুঘ্রাণ ভেসে আসছে। রহমানের কোলে মাথা রেখে , ফুলের সুগন্ধী নিচ্ছে সুমি।সাথে গল্পের বই পড়ছে। ইস এ যেনো এক সুখ কর মুহূর্ত তাদের জন্য।

💮

শাম্মি সকাল থেকে অনেক ধরনের রান্না করছে।তাদের ঘরে মেহমান আসছে।অন্য দিকে, হাবিব পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছে। শাম্মির অবস্থা একদম কাহিল। রাতে মেহমান চলে গেল। শাম্মি তো মেহমানদের চলে যাওয়া অবধি কাজ করছে। রাতে মেহমান রা ভাত খেয়ে চলে গেল। শাম্মি বসে আছে ক্লান্ত হয়ে। তখন,হাবিব রুমে প্রবেশ করে একটা প্লেট নিয়ে।

হাবিব বলেঃ বউ খিদা লাগলো তোমার নাও খেয়ে নাও।

শাম্মি তো একদম গাল ফুলিয়ে কপাল সংকুচিত করে বসে আছে। শাম্মি সারাদিন কাজ করলো কিন্তু হাবিব একটু ও খবর নেই নি শাম্মির।

হাবিব এক লোকমা ভাত হাতে তোলে নেই। এবং শাম্মির গালের সামনে নিয়ে গেল। শাম্মি এতক্ষণ গাল ফুলিয়ে থাকলে ও হাবিব নিজ হাতে খাইয়ে দেয়াতে একদম বাধ্য মেয়ের মতো সব খাচ্ছে। আসলে হাবিব রাত করে কাজ করছে তাই ঘুমাচ্ছি লো।শাম্মি অবশ্য তা জানে তবুও অভিমান করে ছিলো।
এখন সব অভিমান মুছে গেছে।

শাম্মির খাওয়া শেষ। হাবিব দুকাপ কোল্ড কফি বানিয়ে নিল। শাম্মি কে বলে কফি গুলো হাতে রাখো।শাম্মি কফি গুলো হাতে রাখে।সাথে সাথে হাবিব তার প্রিয়তমা কে কোলে তুলে নেই। দুজন মিলে ছাদে চলে গেল।

শাম্মি কফি হাতে বসে আছে। সাথে হাবিব ও বসে আছে। শাম্মি, হাবিবের কাঁধে মাথা রাখে।

হাবিব বলেঃ খুব কাজ করতে হচ্ছে নাকি?
মহলের রাজকন্যা আজ নিজহাতে সব করছে।
কষ্ট হচ্ছে তাই না???

শাম্মি বলেঃ আহা।আমার সমস্যা হচ্ছে না। আমার ভালো লাগছে এসব করতে। তবে আপনার ভালোবাসা না ফেলে সব কিছু অসহ্য লাগে। তাই সব সময় ভালোবাসা দিবেন।কখনো যেনো ভালোবাসার কমতি না হয়।

হাবিব বলেঃ কথা দিলাম। কখনো ভালোবাসা কমতি হবে না।

দুজন বসে বসে কফির কাপে চুমুক দিচ্ছে। সাথে থেমে থেমে ধমকা হাওয়া এসে ছোঁয়ে দিচ্ছে তাদের। একটা সুখী দাম্পতী বসে আছে। রাতের আধারে সাথে আছে অসীম ভালোবাসা।

💮

রাবেয়া ও কামাল আস্তে আস্তে নিজেদের সামলে নেই। রিনি প্রতিদিন ভিডিও কল করে খোঁজ খবর নেই। মেয়ের হাসি মাখা মুখ দেখে তাদের কষ্ট মিলিয়ে যায়। রাবেয়া ও কামাল রোজ বিকালে নদীর তীরে হাটতে বের হয়।তারা দুজন
দুজনকে প্রচুর সময় দিচ্ছে।
তাদের মাঝে সেই হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা ফিরে এসেছে। সময়ের সাথে সাথে যে ভালোবাসার ঘারতি ছিলো টা পূর্ণ হচ্ছে। একে অপরের সময় দেয়ার মাধ্যমে।

আসলে সব সম্পর্কে সময় দিতে হয়। সময়ের আধলে সব সম্পর্ক ঠিক হয়ে যাই।

💮

লাবু ও অর্ক তাদের ছোট্ট সংসারে অনেক খুশি। সাথে রাহাত ও রেশমী তারা ও অনেক সুখে। তারা চারজন প্রায় আড্ডা দেয়। মাঝে মাঝে, রাত যখন গভীর হয়ে যাই।
তখন চার জন মিলে, বারান্দায় আড্ডা দিয়ে দিয়ে চা খাই।হঠাৎ বৃষ্টি আসলে।চার জনে মিলে বৃষ্টির আনন্দ নেই।

💮
রিনি ও ইনতিয়াজ অনেক্ক্ষণ ধরে বসে ছিলো।তখনই, ইনতিয়াজ বলেঃ রিনি,তোমার মাঝে কি এমন আছে?
তুমি এতো সুন্দর কেনো?

রিনি বলেঃ সুন্দর তো সবার চোখে।আমি আপনার চোখে সুন্দর কেউ তাই আমাকে সুন্দর লাগে।

ইনতিয়াজ বলেঃ রিনি,তোমার মাঝে যেনো প্রতিদিন আমি নতুন করে ভালোবাসা অনুভব করি।
সমুদ্রের তীরে বসে আছি। অথচ প্রত্যেকটা ঢেউ আমাকে জানান দিচ্ছে আমাদের ভালোবাসার অনুভূতির ।
জানো আমি প্রতিদিন তোমার প্রেমে পড়ে যায়।

রিনি বলেঃ ভালোবাসা গুলো পাওয়ার মাঝে যে প্রশান্তি আছে। তা জানান দিচ্ছে প্রকৃতি ।প্রকৃতি ও জানে কিভাবে মনের অনুভূতির জানান দিতে হয়।

রিনি নিজের হাতটা সামান্য তোলে ধরে। হাতের আঙুল গুলো অর্ধেক হার্ট এর মতো করে ধরে। তখনই, ইনতিয়াজ নিজের হাতটা রিনির হাতের আঙুলের সাথে মিলিয়ে দেয়।

তাদের সেই আঙুল গুলো মিলিতভাবে একটা হার্ট এর মতন হয়ে গেছে।এভাবে বেচে থাকুক আজীবন ভালোবাসা গুলো।

ইনতিয়াজ ও রিনি একে অপরের দিকে তাকিয়ে এক স্বরে বলে উঠেঃ

“রাতের আঁধার নেমে আসোক,
ভালোবাসার মাঝে পূর্ণতা আসুক,
আজীবন মনে মাঝে ভালোবাসার নেশা জমে থাকুক,
আমার মাঝে তোমার ভালোবাসার বিরাজমান থাকুক,
রাত যখন গভীর তোমার আমার মিলনের সাক্ষী থাকুক।
ভালোবাসি, ভালোবাসি বলে জীবন কাটুক।”””
(কবিতা লেখিকাঃ জান্নাতুল মাওয়া মহুয়া)

দুজনের ভালোবাসা যেনো কখনো কমতি না হয়। আসলে,আজীবন জয় হয়ে থাকে সত্যি কারের ভালোবাসা গুলোর।

সবাই সবার ভালোবাসা পেলো।তাদের সবার মনে ছিলো সত্যি কারের ভালোবাসা। তাদের ভালোবাসা গুলো পূর্ণ হল।ভালোবাসা তে যদি নিয়তি সঙ্গী হয়। আল্লাহ পাক ও যদি সহায়ক হয় তাহলে সেই ভালোবাসাতে পূর্ণতা আসে।

ভালোবাসা কে পেয়ে গেলে তার প্রতি অবহেলা করবেন না।কারণ, ভালোবাসা হচ্ছে এমন জিনিস আপনি যতটা সময় ততটা গভীর হবে।
ভালোবাসা হচ্ছে, পুকুরের মতো যতই গভীর হবে পুকুরের গভীরতা ততই পানি বেশী হবে।
ঠিক তেমনই ভালোবাসার ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।ভালোবাসা টা কে সময় দিবেন।এবং
একে অপরের পছন্দ, অপছন্দ কে প্রাধান্য দিবেন।

এবং প্রিয়জন কে সবসময় আপনার জীবনের প্রথমে প্রধান্য দিবেন।কারণ, ভালোবাসা পেয়ে গেলে যেনো অবহেলা না আসে।অবহেলা এমন একজিনিস যা অনেক গভীর ভালোবাসা কে হারিয়ে ফেলে জীবন থেকে। তাই কদর করেন ভালোবাসার।

রিনি + ইনতিয়াজ,
শাম্মি +হাবিব
জান্নাত + মুগ্ধ
সুমি+ রহমান
তাদের সবার মতো আপনাদের ভালোবাসা গুলো ও যেনো পূর্ণতা পাই।সেই দোয়া রইলো।
ভালোবাসা কে দূরে যেতে দিয়েন না।একবার হারিয়ে গেলে ফিরে পাওয়া যায় না।

চার সুখী দাম্পত্যের আজ রাত যখন গভীর তখন সবার মুখে হাসি ফুটে।এই হাসি টা হচ্ছে,
প্রিয় জন কে প্রাপ্তির কারণে।ভালোবাসা থাকুক আজীবন। জয় হোক সব ভালোবাসার।

……………….. সমাপ্ত…….. 💮💮💮💮,,,,,

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ