Friday, June 5, 2026







মেঘের ভেলায় চড়ে পর্ব-১১

#মেঘের_ভেলায়_চড়ে
#Part_11
#Ariyana_Nur

—আপনি কি কচু খেয়েছেন?

রাই এর মুখে এমন কথা শুনে তীব্রর কপালে ভাজ পরে গেল।তীব্র ধমক দিয়ে বলল,

—স্টুপিটের মত কথা বলছো কেন?

তীব্রর ধমকে রাই কেপে উঠল।সাথে সাথে মিনমিনে গলায় বলল,

—স্টুপিটের মত কথা আমি না আপনি বলছেন।

তীব্র,রাই এর হাত টান দিয়ে অনেকটা নিজের কাছে নিয়ে এল।শীতল কন্ঠে বলল,

—আমি স্টুপিট?

হঠাৎ তীব্রর এমন কাজে রাই হকচকিয়ে গেলো।ভীতু ভীতু ফেস করে কাচুমাচু করে দাড়িয়ে রইল।রাই এর ভীতু ফেস দেখে তীব্র খুব হাসি পাচ্ছে।তার পরেও মুখের মধ‍্যে গম্ভীর্য বজায় রেখে গম্ভীর গলায় বলল,

—কি হল কথা বলছো না কেন?আমি স্টুপিট?

রাই সমানে দুদিকে মাথা নাড়িয়ে গরগর করে বলতে লাগলো,

—না না আপনি স্টুপিট হতে যাবেন কেন?আপনি তো…..।

রাই কে পুরো কথা শেষ করতে না দিয়েই তীব্র ফোড়ন কেটে বলে উঠল,

—আমি কি?

তীব্রর পাল্টা প্রশ্নে রাই শুকনো ঢোক গিললো।তীব্রর দিকে পিটপিট করে তাকিয়ে তুতলিয়ে বলল,

—আ-আপনি?

—হ‍্যা বল আমি কি?

রাই নিচের দিকে তাকিয়ে বার বার চোখের পলক ফেলতে লাগলো।কি বলবে রাই?কিছুই তো তার মাথায় আসছে না।মাথাটা কেমন ফাকা ফাকা লাগছে তার।রাই কিছু একটা ভেবে পূনরায় শুকনো ঢোক গিলে মিনমিনে গলায় বলল,

—আপনি!আপনি হলেন একটা…।একটা ভিলেন।মিঃভিলেন।

কথাটা বলেই রাই সাথে সাথে নিজের মুখ চেপে ধরল।ঘারবে গিয়ে ভূল করে একটা বলতে গিয়ে আরেকটা বলার কারনে মনে মনে নিজেকে বকতে লাগলো।কাদো কাদো ফেস করে তীব্রর দিকে তাকিয়ে বলল,

—আমি এটা বলতে চাইনি।মুখ ফসকে বের হয়ে গেছে।

তীব্র,রাই কে আরেকটুকু জ্বালাতে রাই এর দিকে ঝুকে ফিসফিস করে বলল,

—মুখ ফসকে কিন্তু সব সময় মনের কথাই বের হয়।আমি কি ধরে নিবো তোমার ক্ষেত্রেও তেমনটা হয়েছে?

তীব্রর কথা শুনে রাই এর কান্না করে দেওয়ার উপক্রম হল।দুদিকে মাথা নাড়িয়ে না করল।যার মানে তার ক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি।সে ঘাবরে গিয়ে উল্টাপাল্টা বলে ফেলেছে।রাই এর কাদো কাদো ফেস দেখে তীব্র আর নিজের মুখে গম্ভীর্য বজায় রাখতে পারলো না।মুচকি হেসে ফিসফিস করে বলল,

—মিঃভিলেন।বাহ্ নামটা তো খুব সুন্দর। একেবারে আমার জন‍্য পারফেক্ট।

তীব্রর কথা শুনে রাই ছোট ছোট চোখ করে তীব্রর দিকে তাকিয়ে তীব্রর হাব ভাব বোঝার চেষ্টা করতে লাগলো।মিঃ ভিলেন বলাতে কি তীব্র তার উপর রাগ করলো কি না।তীব্র রাই এর হাতে একটা এন্টিসেপটিক ক্রিম ধরিয়ে দিয়ে রাই এর নাক টেনে দিয়ে মুচকি হেসে সেখান থেকে চলে গেলো।রাই তীব্রর যাওয়ার দিকে তাকিয়ে বোকার মত তাকিয়ে রইল।মনে মনে ভাবতে লাগলো সে কি এমন বলল?যার জন‍্য তীব্র এতো খুশি হয়ে গেলো?

_________

—আমার বকবক রাণী এমন মুখ লটকে বসে রয়েছে কেন?কি হয়েছে তার?

কোলের মধ‍্যে কুশন নিয়ে মলিন মুখ করে ড্রয়িং রুমের সোফার বসে রয়েছে ফাইজা।রাই,ফাইজা কে মলিন মুখ করে বসে থাকতে দেখে ফাইজার পাশে বসে কথাটা বলল।

ফাইজা মিনমিনে গলায় উওর দিল,

—এমনি ভালো লাগছে না।

ফাইজার উওরটা রাই এর পছন্দ হল না।রাই,ফাইজার কোল থেকে কুশন টেনে নিয়ে নিজের কোলের উপর রাখলো।কুশনের উপর ভর দিয়ে দু’গালে হাত রেখে ফাইজার দিকে তাকিয়ে ফাইজাকে পর্যবেক্ষণ করতে লাগল।রাই এর কাজে ফাইজা ভ্রু কুচকে রাই এর দিকে তাকিয়ে বলল,

—তোর আবার কি হল?

—আমার আবার কি হবে?তোর কি হয়েছে সেটা বল।

রাই একি ভাবে বসে কথাটা বলল।

ফাইজা রাই এর থেকে কুশনটা কেড়ে নিয়ে মিনমিন করে বলল,

—বললাম তো ভালো লাগছে না।

রাই ফাইজার মাথায় গাট্টা মেরে ঝাঝালো গলায় বলল,

—ঐ ছেমড়ী আমি তোর ভালো লাগতাছে না শুনতে চাইছি?সকাল থেকে দেখছি মুখ লটকাইয়া রাখছোস।ব‍্যাঙ এর মাথা কি হইছে সেটা না বলে ভালো লাগতাছে না,ভালো লাগতাছে না, এক গান লাগাইয়া দিছোস।

রাই এর এমন রিয়েকশনে ফাইজা হা করে রাই এর দিকে তাকিয়ে অবাক কন্ঠে বলল,

—তুই ঠিক আছিস?

রাই ফোস করে একটা নিশ্বাস ফেলে বলল,

—আমার কিছুই হয় নাই। তোর কি হইছে সেটা বল।

—সত‍্যি বলছি এমনিতেই ভালো লাগছে না।

রাই,ফাইজার দিকে ছোট ছোট চোখ করে তাকিয়ে বলল,

—সত‍্যি তো?

ফাইজা মুচকি হেসে বলল,

—হুম সত‍্যি।

__________

—শাড়ি পরে হাটতে পারো না তাহলে কেন শাড়ি পরে ধ‍‍্যাই ধ‍্যাই করে লাফিয়ে বেড়াচ্ছো স্টুপিট।

তীব্রর ধমক শুনে রাই এর হাসিখুশি থাকা মুখটা মুহূর্তের মধ‍্যে চুপসে গেলো।একটু আগে রাই আর ফাইজা বসে বসে ফাইজার ফোনে তাদের হাজারো স্মৃতি মিশ্রিত পুরোনো ছবিগুলো দেখছিলো।সেসব ছবির মধ‍্যে রাই নিজের একটি ছবি দেখে রাই এর চোখ বড় বড় হয়ে গেলো।ছবির মধ‍্যে রাই কোমড়ে আচল গুজে কোমরে দু’হাত রেখে কপালে ভাজ ফেলে দাড়িয়ে রয়েছে।ফাইজা সেই ছবিটা ইডিট করে রাই এর মাথায় শিং লাগিয়ে দিয়েছে।সব মিলিয়ে রাইকে ঝগড়াটে মহিলার চাইতে কম লাগছে না।রাই ফাইজার দিকে চোখ রাঙিয়ে কিছু না বলে ছবিটা ডিলেট করতে নিলেই ফাইজা ছোঁ মেরে রাই এর হাত থেকে ফোনটা নিয়ে নিলো।ফাইজার কাজে রাই দাতে দাত চেপে বলল,

—তুই এই ছবি ডিলেট করবি নাকি আমি তোর ফোনে আমার যত ছবি আছে তা সব ডিলেট করবো।

রাই এর হুমকি শুনে ফাইজা ভেঙচি কেটে বলল,

—এহ আসছে ছবি ডিলেট করতে।যা ভাগ।না তুই কোন ছবি ডিলেট করবি আর না আমি।

রাই রাগি গলায় বলল,

—দেখ রাইজু!ভালোয় ভালোয় বলছি ছবিটা ডিলেট কর।তা না হলে ভালো হবে না কিন্তু বলে দিলাম।

ফাইজা ভাব নিয়ে বলল,

—এই ছবিতো আমি ভুলেও ডিলেট করবো না।বেশি কথা বলবি তো এটা আমি বাড়ির সবাইকে দেখাবো।

রাই দাতে দাত চেপে বলল,

—তুই ডিলেট করবি কি করবি না?

ফাইজা ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে বলল,

—করবো না।

রাই সুযোগ বুঝে ফাইজার হাতে থাকা ফোনটা থাবা মেরে নিতে চাইলো।কিন্তু তাতে সে সফল হলো না।তার আগেই ফাইজা হাত সরিয়ে নিল।রাই এর হাত থেকে বাচতে দৌড় লাগালো।রাই ও ফাইজার পিছু পিছু ছুটলো।রাই,ফাইজার পিছনে ছুটতে গিয়ে তীব্রর সাথে ধাক্কা লেগে পরে যেতে নিলেই তীব্র,রাইকে ধরে ফেলে।

—কি হল কথা বলছো না কেন?এখন যদি পরে যেতে তাহলে কে ব‍্যাথা পেতো শুনি?

পূনরায় তীব্রর ঝাঝালো গলার কথা শুনে রাই কেপে উঠল।মিনমিনে গলায় বলল,

—শাড়িতে বেঝে না আপনার সাথে ধাক্কা লেগে পরে যেতে নিয়েছিলাম।আপনিই তো সামনে…..।

রাইকে পুরো কথা শেষ করতে না দিয়ে তীব্র রাই এর দিকে রাগি চোখে তাকিয়ে দাতে দাত চেপে বলল,

—আমি তোমায় ধাক্কা দিয়েছি?

রাই সাথে সাথে দু’দিকে মাথা নাড়িয়ে না করলো।মুখে কিছু বলার আগেই ফাইজা চেচিয়ে বলে উঠল,

—ভাইয়া স্মাই প্লিজ।

ফাইজার কথা শুনে রাই,তীব্র দুজনই একসাথে ফাইজার দিকে তাকাতেই ফাইজা ফটাফট কতোগুলো ছবি তুলে নিল।ফাইজার কাজে অবাক হয়ে তীব্র রাই একে অপরের দিকে তাকালো।নিজেদের অবস্থান বুঝতে পেরে তীব্র তাড়াতাড়ি রাইকে সোজা করে দাড় করালো।ফাইজা একে একে ছবিগুলো দেখতে লাগলো।মুখের মধ‍্যে লম্বা হাসি ঝুলিয়ে বলল,

—ছবিগুলো যা জোস হয়েছে না।পুরোই আগুন।ভাইয়া আপনি দেখবেন?

তীব্রকে প্রশ্নটা করে ফাইজা মিটমিট করে হাসতে লাগলো।তীব্র কোন কথা না বলে নিজের রুমের দিকে পা বাড়ালো।তীব্র চলে যেতেই রাই,ফাইজার দিকে চোখ রাঙিয়ে তাকিয়ে চোখ দিয়ে শ্বাশাতে লাগলো।যার অর্থ তোকে পরে দেখে নিব।

__________

দু’দিন পর…….

একের পর এক ফুচকো গপাগপ করে খেয়ে চলেছে ফাইজা।ঝালে তার চোখের কোনে পানি জমে রয়েছে।মাঝে মাঝে ঝালটক লাগার কারনে মুখ দিয়ে আওয়াজ সৃষ্টি করছে।ফাইজা এমন ভাবে ফুচকা খাচ্ছে মনে হচ্ছে এটাই পৃথিবীর মধ‍্যে সব থেকে সুস্বাদু খাবার।আর তা আজই ফুড়িয়ে যাবে।হাতে ফুচার প্লেট নিয়ে ফাইজার ফুচকা খাওয়ার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে রয়েছে ফাইজার থেকে কিছুটে দূরে থাকা একজন লোক।লোকটা ফাইজার খাওয়া দেখে নিজের খাওয়ার কথাই যেন সে ভুলে গেছে।রাই,ফাইজার পাশে বসে আশেপাশে চোখ বুলাচ্ছে আর ফাইজাকে তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করার জন‍্য তাড়া দিয়ে।ফাইজা যেন রাই এর কথা শুনেও শুনতে পাচ্ছে না।সে আপন মনে ফুচকা গিলেই চলেছে।

ফাইজার,রাইকে সাথে করে তার এক আত্মীয়কে হাসপাতালে দেখতে এসেছিলো।রাই অবশ্য ফাহাদ এর ভয়ে বাসা থেকে বের হতে চায় নি।ফাইজা এক প্রকার জোর করেই রাইকে বোরকা, নিকাব পরিয়ে নিজের সাথে নিয়ে এসেছে।তারা রুগি দেখে হাসপাতাল থেকে বের হতেই রাস্তার পাশে ফুচকার দোকান দেখে ফাইজা আর নিজের লোভ সামলাতে পারেনি।

_______

রাতের আধারে রাস্তার এক পাশে গাড়ির জন‍্য দাড়িয়ে রয়েছে ফাইজা আর রাই।রাস্তাটা একেবারেই জনমানবহীন।মাঝে মাঝে দু’একটা গাড়ি যাওয়া আশা করছে।
বাসায় যাওয়ার পথে মাঝ রাস্তায় তাদের গাড়ি নষ্ট হওয়াতে তাদের এমন এক পরিস্থিতিতে পরতে হয়েছে।অনেকক্ষন ধরে গাড়ির জন‍্য দাড়িয়ে থাকার পরেও তারা কোন গাড়ি পাচ্ছে না।রাই,ফাইজার হাত জরিয়ে ধরে দাড়িয়ে রয়েছে।ভয়ে সে ঘেমেনেয়ে একাকার হয়ে গেছে।ফাইজা আশেপাশে চোখ বুলিয়ে গাড়ি খুজছে আর একটু পর পর হাতে থাকা ঘড়িতে সময় দেখছে।ফাইজা নিজেও অনেক ভয় পাচ্ছে।এমন পরিস্থিতিতে সে আগে কখনো পরেনি।নিজের চাইতে বেশি ভয় পাচ্ছে রাইকে নিয়ে।তারপরেও ফাইজা রাইকে নরমাল রাখতে বলল,

—রাইজু!তুই এতো ভীতু হলি কবের থেকে বলতো?রাত বেড়াতে আমরা কি নতুন চলাফেরা করছি?এর আগে তো কতবার দেড়ি করে বাসায় গিয়েছি।

রাই ভীতু গলায় বলল,

—তখনকার বিষয় আর এখনকার বিষয় আলাদা ফাইজু।তখন তো না ছিলো কোন ডর ভয় না ছিলো কোন মসিবত গলায় ঝুলানো।

রাই এর কথা মানে ফাইজা বুঝতে পারলো।রাই যে ভয়টা পাচ্ছে নিজেও রাইকে নিয়ে সে ভয়টাই পাচ্ছে।আগে যদি জানতো সে এমন কোন পরিস্থিতে পরবে তাহলে সে কখনোই রাইকে নিয়ে আসতো না।ফাইজা রাইকে আসস্থ দিয়ে বলল,

—আরে এতো চিন্তা করিস না।গাড়ি পেয়ে যাবো।তুই যেই ভয় পাচ্ছিস সেটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেল।এখানে ঐ সাইকো কেন সাইকোর ভূতও আসবে না।
সাইকো থাকে কই আর আমরা আছি ক…..।

কথাটা শেষ করার আগেই রাই এর নখ ফাইজার হাতে লাগতেই ফাইজা ব‍্যাথায় শব্দ করে উঠল।ফাইজার হাতের দিকে তাকিয়ে কিছুটা জোর গলায় বলল,

—ঐ ছেমড়ী আমায় খামছাইতাছোস কেন?জীবনে গোসত খাস নাই?

রাই মৃদু কাপতে কাপতে কাপাকাপা গলায় বলল,

—ফা-ফাইজু!

—কি হয়েছে তোর?এমন করছিস কেন?

রাই মুখে কিছু না বলে হাতের ইশারায় সামনে দিকে দেখালো।ফাইজা রাই এর দেখানো হাতের ইশারার দিকে তাকাতেই তার চেহারায় ভয়ের ছাপ ফুটে উঠল।অস্পস্ট গলায় বলল,

—সাইকো এখানে?

#চলবে,

(বানান ভূলগুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ