Friday, June 5, 2026







মনের আড়ালে পর্ব-০৭

#গল্পের_নাম_মনের_আড়ালে
#লেখনীতে_Alisha_Rahman_Fiza
পর্বঃ৭
রক্তিম তার মামার সামনে মাথানিচু করে দাড়িয়ে আছে কারণ তার এখন ভিষন রাগ হচ্ছে। কিন্তু কিছুই বলতে পারছে না রক্তিমের নিরবতা দেখে তার মামা আবার বলে উঠলো,
~আমি কিছু বলেছি রক্তিম তুমি কী শুনতে পাওনি।
রক্তিম তবুও চুপ রক্তিমের মামা এইবার রেগে গিয়ে বললেন,
~তোমার জন্য আমার এতো টেনশন রক্তিম কেনো তুমি বুঝতে চাইছো না আমার কথা।
রক্তিম এবার মাথা তুলে তার মামার দিকে তাকিয়ে বললো,
~মামা,আপনি আমাকে নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না আমি রুপসাকে নিয়ে ভালো আছি।
রক্তিমের কথা শুনে তার মামা আরো ক্ষেপে গেলো বিছানা থেকে উঠে সে দ্রুতপায়ে কার্বাডের দিকে চলে গেলেন তার ল্যাগেজ বের করে তাতে কাপড় ভরা শুরু করলেন।রক্তিম হতবাক হয়ে তার মামার কার্যকলাপ খেয়াল করছে রক্তিম বুঝতে পারছে না তার মামা এমন জেদ কেন করছে?কেন সে আবার রক্তিমকে বিয়ে করতে বলছে?রক্তিমের মামা তার ল্যাগেজ গুছিয়ে রক্তিমের সামনে দাড়িয়ে বললেন,
~আমি চলে যাচ্ছি।তোর বাসা থেকে তোর যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে জীবন পরিচালনা কর কিন্তু আমি তোর একাকিত্ব আর সহ্য করতে পারছি না।
বলেই সে বাহিরে চলে গেলো রক্তিম তার পিছে পিছে নিচে নেমে আসলো।
কিছুক্ষন আগে রক্তিম তার মামাকে নিয়ে বাসায় চলে আসে ডক্টররা তাকে রেস্টে থাকতে বলেছি।রক্তিম তার মামাকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে যেই না চলে আসতে নিবে তখনই সে বলে উঠলেন রক্তিমের বিয়ের কথা।
রক্তিম নিচে এসে তার মামাকে বললো,
~মামা,আপনি বোঝার চেষ্টা করুন আমি যদি বিয়েও করে ফেলি তাহলে কী রুপসা মায়ের আদর পাবে উল্টো রুপসার জীবন আরো কষ্টকর হয়ে উঠবে।
রক্তিমের মামা সোফায় বসে পরলেন রক্তিম তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে বললো,
~মামা,কিছু কিছু মানুষের জীবনে একাকিত্ব লেখা থাকে।আপনি প্লিজ নিজের শরীরের খেয়াল রাখেন।
এতটুকু বলে রক্তিম দাড়িয়ে পরলো তখনই তার মামা বলে উঠলেন,
~রুপসার মা হওয়ার জন্য একজন যোগ্য সে হচ্ছে অধরা।
অধরা নামটা শুনে রক্তিমের হাত দুটো মুষ্টিবদ্ধ করে নিলো রক্তিম তার মামার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে রইলো রক্তিমের মামা বললেন,
~দেখ অধরা একজন মেয়ে হিসেবে উত্তম আর রুপসার মা হিসেবে সে সেরা আমি আর কিছু শুনতে চাই না। তুই ভেবে-চিন্তে আমাকে তোর সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিস।
সে নিজের কথা শেষ করে দ্রুত পায়ে সিড়ি বেয়ে উপরে উঠে পরলো।রক্তিম সেখানেই দাড়িয়ে রইলো সে ভাবছে তার জীবনের গতিবিধি কোথায় গিয়ে দাড়াবে।

_________

এখানে অধরার দিন কাটছে ছোট্ট রুপসাকে নিয়ে পুরো বাড়ি মাতিয়ে রাখছে এই ছোট্ট পরীটি।অধরা রুপসাকে কোলে নিয়ে খাবার খাওয়াচ্ছে রুপসার দুষ্টমি এতে আরো বেড়ে গেলো তাই অধরা তার চোখ দুটো বড় করে তাকে ভয় দেখাতে লাগলো কিন্তু রুপসা এতে হো হো করে হেসে উঠলো।অধরা মুগ্ধ নয়নে রুপসার সেই টোল পরা হাসি মুখটা দেখতে ব্যস্ত মেয়েটা যে এতো সুন্দর রুপ নিয়ে এসেছে যে তাকে শুধু আদর করতে মন চায়।অধরা রুপসার গালে চুমো দিয়ে বললো,
~রুপসা আমার লক্ষ্মী সোনা খেয়ে নেও।
রুপসা বললো,
~পেট ফুল।
অধরা ফিক করে হেসে দিলো প্লেটটা সাইডে রেখে রুপসাকে পানি খাইয়ে দিলো তারপর বললো,
~যাও,বিছানায় উঠে চুপচাপ ঘুমিয়ে পরো।আমি কোনো কথা শুনতে চাই না।
রুপসা বাধ্য মেয়ের মতো গুটিগুটি পায়ে বিছানায় উঠে শুয়ে পরলো অধরা হাত ধুয়ে রুপসার মাথার কাছে বসে চুলে বিলি কেটে দিতো লাগলো।
কিছুক্ষন পর রুপসা ঘুমিয়ে যাওয়াতে অধরা উঠে তার মায়ের কাছে যাওয়ার জন্য পা বাড়ালো তখনই মোবাইল বেজে উঠলো।অধরা দ্রুত পায়ে মোবাইল হাতে নিয়ে বারান্দায় চলে গেলো মোবাইলের দিকে তাকিয়ে দেখলো রক্তিম ফোন করেছে।অধরার ভ্রুযুগল কুঁচকে এলো পরক্ষনেই কপালে চিন্তার ভাজ দেখা গেলো মামা ঠিক আছে তো?এটা ভেবে।অধরা আর অপেক্ষা না করে ফোনটা রিসিভ করে।
ফোহ রিসিভ করতেই অপরপাশ থেকে গম্ভীর কন্ঠে রক্তিম বলে উঠলো,
~অধরা,আপনার সাথে জরুরি কথা আছে আপনি আমার সাথে বিকেলে দেখা করতে পারবেন।
যুবকের এমন গম্ভীর আর নিষ্প্রাণ কথা শুনে অধরা আর না শব্দটা ব্যবহার করলো না।সে শুধু এতটুকু বললো,
~হ্যাঁ।রুপসাকে কী সঙ্গে করে নিয়ে আসবো?
রক্তিম দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো,
~রুপসার সামনে কথা না বলাটাই উত্তম মনে করছি
আপনি একা চলে আসেন আমি আপনাকে ঠিকানা পাঠিয়ে দিচ্ছি।
অধরা হুম বলে ফোন কেটে দেয় আজ রক্তিমের গলা তার কাছে পরিচিত মনে হলো না যে ব্যক্তি সর্বদা এতো কাঠিন্য নিয়ে কথা বলে সে আজ এভাবে কথা বলছে কেন?তাহলে কী বিরাট কোনো ঝামেলা হয়ে গেছে।
অধরা আকাশ-পাতাল ভাবতে শুরু করেছে অধরার মনে একটাই ভয় রুপসাকে সে মনে হয় হারিয়ে ফেলবে।
আসলে মানুষগুলো এমনই হয় অতি দুখের পর যখন তারা এক চিলতে সুখ খুজে পায় তখন সেটা হারিয়ে যাবে ভেবে ভয় পেয়ে যায়।কারণ সেই মানুষটি ভালোবাসার কাঙ্গাল হয় তাকে কেউ একটু ভালোবাসুক এইটি ভেবে সারা দিন কাটিয়ে দেয়।
অধরা সেই অসীম আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের চোখের অশ্রু ফেলছে আহনাফের স্মৃতি গুলো তার মনে বিচরণ করছে।যখনই সে বিপদে পরেছে সবসময় আহনাফের নামটা তার আগে মনে পরেছে।আহনাফ যদি থাকতো তাহলে হয়তো মুচকি হেসে বলতো,
~একদম চিন্তা করবে না সব ঠিক হয়ে যাবে।
প্রত্যেক মেয়ে নিজ জীবনে এমন একজন ব্যক্তিই চায় কিন্তু অধরা সে তো এতটা অভাগী যে সে আহনাফের মতো একজন জীবনসঙ্গী পেয়েও হারিয়ে ফেললো।অধরার এখন একটা কথাই মনে পরছে,
~এতোটা দুঃখ যদি দেওয়ারই ছিল তাহলে ক্ষনিকের সুখ হয়ে কেন ধরা দিয়েছিলে আমার পাণে।
আর কিছু ভাবতে পারলো না অধরা হু হু করে কেঁদে উঠলো বারান্দার রেলিংয়ে মাথা ঠেকিয়ে
নিজের সমস্ত দুখ চোখের পানি দিয়ে বিলিয়ে দিলো।

___________

অধরা তৈরি হয়ে বাসা থেকে বের হবে রুপসা তার গলা জড়িয়ে বললো,
~তাড়াতাড়ি চলে আসবে।
অধরা কিছু না বলে তার প্রাণপাখিকে মন ভরে দেখে নিলো। রুপসার গালে অনেক গুলে চুমো খেয়ে বললো,
~তাড়াতাড়ি চলে আসবো তুমি অরুনা আন্টি আর নানুর সাথে ভালো মতো থেকো।
অবুঝ রুপসা অধরাকে জড়িয়ে ধরলো অধরা তাকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো অধরার মন চাইছে রুপসাকে নিজের বুকে লুকিয়ে রাখতে।কিন্তু সেই সামর্থ যে তার নেই। সেটা ভাবতেই বুকটা হুহু করে উঠে রুপসাকপ অরুনার কাছে দিয়ে সে দরজা দিয়ে বের হয়ে গেলো যদি একবার পিছন ফিরে তাকাতো তাহলে অধরা দেখতে পারতো তার প্রানপাখি তার দিকে তাকিয়ে আছে তার আদর পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে আছে।
অধরার মুখোমুখি বসে আছে রক্তিম তাকে দেখতে বিধ্বস্ত লাগছে তবুও অধরা কিছু জিজ্ঞেস করছে না। না রক্তিম কোনো কথা বলছে গত ১৫ মিনিট ধরে নীরবতা পালনা করছে তারা।দুজনই একটা জড়তায় ভুগছে কীভাবে কথা শুরু করবে তা বুঝতে পারছে না।আশেপাশের মানুষজন নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত অধরা চারপাশ চোখ বুলিয়ে দেখলো রেস্টুরেন্টটায় অনেক আভিজাত্যপূর্ণ জিনিস দিয়ে সাজানো এখানে তার কখনো আসা হয়নি আর তার জন্য এখানে আসাটাও সম্ভব না কারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এখানে এসে একবেলা খাওয়ার মতো রেস্টুরেন্টটা নয়।
হঠাৎ করেই সে রক্তিমের গলার আওয়াজ পেলো রক্তিম তাকে বলছে,
~অধরা,আপনার সাথে অনেক জরুরি কথা আছে।
অধরা নয়নযুগল রক্তিমের উপরে পরলো রক্তিম তাতে আরো বেশি নার্ভাস হয়ে গেলো কিন্তু নিজেকে সামলে সে বললো,
~রুপসার জন্য আমি একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
রক্তিমের এতটুকু কথা হয়তে অধরার জন্য তীরের মতো ছিল এরমানে সে যেটা ভেবেছে তাই হতে চলছে রুপসা তার থেকে অনেক দূরে চলে যাবে।
এতটুকু ভাবতেই অধরার চোখ বেয়ে নোনাজল গড়িয়ে পরলো।রক্তিম ভরকে গেলো যুবতির চোখের পানি দেখে সাথেসাথে সে উত্তেজিত হয়ে বললো,
~অধরা,আপনি কান্না করছেন কেন?আমি কী কোনো খারাপ কথা বলে ফেলেছি?
অধরা তবুও কিছু বললো না ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে রক্তিমের দিকে।রক্তিম এতে অস্তিত্বতে পরে গেলো।সে তো ভুল কিছু বলে নি তাহলে অধরা কেন কাঁদছে। রক্তিমের ভাবনার মধ্যেই অধরা বলে উঠলো,
~তাহলে কী রুপসা আর আমার কাছে থাকবেনা?
যুবতীর কথায় যুবক বেকুব বনে গেলো সেতো এমন কিছুই বলতে চাইনি উল্টো সে তো
আর ভাবলোনা রক্তিম সে চেয়ার টেনে অধরার পাশে বসে পরলো সামনে থাকা টিস্যু টা অধরার হাতে দিয়ে দিলো।অধরা এখনও চোখের পানি ফেলছে রক্তিমের হাত থেকে টিস্যু নিয়ে চোখ মুছে ফেললো।রক্তিম দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো,
~আমি এমন কিছুই বলতে আসিনি বরং
রক্তিমকে পুরো কথা শেষ করতে না দিয়েই বাঘিনীর মতো করে অধরা বলে উঠলো,
~সপ্তাহে একদিন আমি রুপসার সাথে দেখা করবোই এতে কেউ আমায় বাঁধা দিলে আমি তার মার্ডার করতেও পিছপা হবো না।
শেষের কথাটা অনেকটাই জোড় গলায় বলে ফেলেছে অধরা।অধরার অবস্থা দেখে রক্তিম মুচকি হেসে বললেন,
~যদি বলি সারাজীবনের জন্য রুপসাকে নিজের কাছে পাবেন তাহলে কী করবেন?

__________

হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছে অধরা রক্তিমের দিকে মানুষটির কথার মানে সে বুঝলো না।তাই চোখের পানি মুছে স্পষ্ট গলায় জিজ্ঞেস করলো,
~আমি আপনার কথা বুঝতে পারলাম না।
বিরল হাসি দিয়ে রক্তিম বলে উঠলো,
~বিয়ে করবেন আমায় অধরা?
যুবকের কথায় অধরার সারা শরীর যেন অবস হয়ে আসলো সে কী ঠিক শুনছে?নাকি রক্তিম ভুল কিছু বলছে তাই সে বুঝতে পারছে না।অধরার অবাক চেহারা দেখে রক্তিম আবার বললো
~দেখেন রুপসার জন্য আপনি পার্ফেক্ট মা।আর আমি এমন বলবো না বিয়েটা শুধু আমি রুপসার জন্য করছি।সময়ের সাথে সাথে হয়তো আমাদের দুরত্বটাও ঘুচে যাবে।আমি জানি আপনি আহনাফের জায়গা কাউকে দিতে পারবেন না। না আমি রাহির জায়গা কাউকে দিতে পারবো।কিন্তু এর মানে তো এই নয় যে কাউকে দ্বিতীয় সুযোগ দেওয়া যাবে না?
এখন বাকিটা আপনার উপর নির্ভর করে আমি কোনো জোড় সৃষ্টি করবো না কিন্তু একদিন এই সমাজও প্রশ্ন করবে রুপসার সাথে আপনার সম্পর্ক কী তখন আপনি কী জবাব দিবেন?আমি সব ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর মামারও এই ইচ্ছে।বাকিটা আপনার আর আপনার পরিবারের ইচ্ছা।
রক্তিম তার সম্পূর্ণ কথা শেষ করে একটা বড় নিশ্বাস ছাড়লো যেন সে অনেক বড় একটা যুদ্ধ জয় করে ফেললো।অধরা চুপচাপ রক্তিমের সম্পূর্ণ কথা শুনলো এখন সে ঠান্ডা মাথায় কাজ করবে অধরা চায় না রুপসাকে হারাতে আবার আহনাফকে ভুলে অন্যকাউকে জীবনসঙ্গী করে নিতে।অধরার মাথা ঘুরছে তার এখন বাসায় যেতে হবে শান্ত পরিবেশ দরকার এখন।
অধরা চেয়ার ছেড়ে দাড়িয়ে পরলো আর রক্তিমকে বললো,
~মিস্টার রক্তিম এখন আমি আসি।সিদ্ধান্তটা পরে জানিয়ে দিচ্ছি
বলেই হনহন করে বাহিরে চলে আসলো
রক্তিম কিছুক্ষন বসে থেকে নিজেও বাহিরে চলে আসলো।অধরা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে তার মনে যে ঝড় বয়ে যাচ্ছে তা তার বাহির দেখেই বোঝা যাচ্ছে। শীতল বাতাস বইছে মাঝে আকাশে বিজলিও চমকাচ্ছে হয়তো বৃষ্টি হবে।অন্যকোনো দিন হলে হয়তো অধরা তাড়াহুড়া করে বাসায় পৌছে যেতো।কিন্তু আজ এই বৃষ্টিতে নিজেকে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে মন চাইছে।চিৎকার করে কাঁদতে মন চাইছে কিছুক্ষন পর আকাশ থেকে ঝিরিঝিরি বৃষ্টির অধরার শরীরে পরলো সে একমনে হেঁটে যাচ্ছে।রাস্তাটা বড্ড অচেনা লাগছে আজ
অধরা হেঁটে যাচ্ছে তার নতুন পথের দিকে হয়তো এই পথে তার জীবনে একটু সুখ নিয়ে আসবে।

চলবে

(বিদ্রঃকেমন হয়েছে জানাবেন।ভুলগুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো🥰🥰। Happy Reading🤗🤗।)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ