Saturday, June 6, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"ভালোবাসার উষ্ণতা ৮ম পর্ব

ভালোবাসার উষ্ণতা ৮ম পর্ব

#ভালোবাসার_উষ্ণতা
#৮ম_পর্ব

বেশ কিছুক্ষণ নদীর দিকে তাকিয়ে থেকে পাশে তাকাতেই প্রাপ্তির শরীর জমে গেলো। অয়ন তখন এক হাটু গেড়ে মাটিতে বসে আছে। হাতে বেশ কিছু গোলাপফুল, রক্তাক্ত লাল রং যেন ফুলগুলোকে আরো মোহনীয় করে তুলেছে। অবাক নয়নে তাকিয়ে থাকলে অয়ন বলতে লাগে,
– আজ যে কথাগুলো বলবো তা তোমার কাছে পাগলের প্রলাপ লাগতে পারে, তুমি সবসময় জিজ্ঞেস করতে না আমার সমস্যাটা কি? কেনো তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার করি? আজ সব প্রশ্নের উত্তর আমি নিবো। তখন না বুঝলেও আজ বুঝি আমি ওই গুলো কেনো করতাম। কারণ আমি তোমাকে ভালোবাসি। তুমি আমার জন্য উত্তপ্ত গরমের ঠান্ডা শীতল পরশ। তুমি আমার পাথর হৃদয়ের উষ্ণতা। আমার খালি জীবনের পূর্ণতা তুমি। আমি তোমার সাথে কোনো সময় ভালো ব্যবহার করতাম না এই ভয়ে যদি ভালোবেসে ফেলি তোমাকে। কিন্তু আজ আমায়ার ভয় আমার জীবনের বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রাপ্তি। আমি তোমাকে ভালোবাসি। খুব ভালোবাসি। আমাকে কি তোমার জীবনের ছোট্ট অংশ হবার সুযোগ দিবে?
– আপনি জানেন আপনি কি বলছেন?
– হু জানি। সব জেনেই বলছি, একটা সুযোগ কি দেয়া যায় না?
– আমি বিবাহিত অয়ন, আমি আপনার ভাইয়ের স্ত্রী।
– আমি জানি, কিন্তু তোমাদের বিয়েটা কি আদৌ বিয়ে? তুমি কি আমার ভাইকে ভালোবাসো?
– না হয়তো বাসি না, তবে আমি আমার স্ত্রীর দায়িত্ব পালন করতে বাদ্ধ। আর আমি সেই মেয়েদের মতো হতে চাই না যারা শুধু টাকার লোভে ওই মানুষটাকে বিয়ে করেছে। উনি কি ভাববেন বলুন তো?
– ভাই কিছুই ভাববে না আমি সব ঠিক করে দিবো। একটা সুযোগ কি আমি পেতে পারি না বলো?
– না এটা সম্ভব নয়। আমি উনার সাথে প্রতারণা করতে পারবো না। ক্ষমা করবেন আমায়।
– বেশ, তুমি যদি সেটা ঠিক মনে করো এটাই হোক। তবে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো ভাই তিন মাস পর দেশে ফিরবে। এর মাঝে যদি আমি তোমার মনে জায়গা করে নিতে পারি তবে আমাকে বিয়ে করতে হবে তোমায়।
এবং আমি তা পারবো।
– চ্যালেঞ্জ করছেন?
– উহু, এটা আমার ভালোবাসার পরীক্ষা। যদি তোমার মনে নিজের জন্য জায়গা করতে পারি তবে তোমাকে কোনোদিন নিজ থেকে আলাদা হতে দিবো না।
– আর যদি তা পারেন?
– তোমার আর ভাইয়ের জীবন থেকে চিরকালের মতো সরে যাবো। প্রমিস
– আমি বাড়ি যাবো।
– আচ্ছা চলো।

বাড়ি আসার পথে রাস্তার দুজনের কোনো কথা হয় নি। গাড়ির গ্লাসে মাথা ঠেকিয়ে সারা রাস্তা প্রাপ্তি শুধু অয়নের বলা কথাগুলোই ভেবেছে। এতো মনের মাঝে যে ক্ষীণ ভয়টা ছিলো তা আজ যেন তীব্র হতে লাগলো। সত্যি যদি এই চ্যালেঞ্জ এ জিতে যায় অয়ন! তখন কি করবে? যত যাই বলুক না কেনো, ভালোবাসা কখন কার প্রতি জন্মাবে তা বলা কঠিন। যতই নিজেকে শক্ত রাখার চেষ্টা করা হোক না কেনো মনের উপর কোনো কিছুর জোর চলে না। হুট করে ব্রেক লাগতেই হুশ ফিরে প্রাপ্তির। বাহিরে তাকালে দেখতে পায় সিকদার ভিলার বাহিরেই দাঁড়িয়ে আছে গাড়ি। কোনো কথা না বলে সরাসরি বাড়ির ভেতরে চলে যায় সে। অয়ন তার যাওয়ার পানে তাকিয়ে থেকে একটি বড় নিঃশ্বাস ছাড়ে৷

দুই সপ্তাহ পর,
সন্ধ্যা ৭ টা,
স্থানঃ হাভিলি রেস্টুরেন্ট, উত্তরা।
একটা টেবিলে বসে আসে অয়ন। আজ দুই সপ্তাহ “প্রাপ্তি শেখ” আইডিটি শুধু ঘুরিয়ে যাচ্ছে আজ দেখা করবে, কাল দেখা করবে। এই নিয়ে প্রায় ৫-৭ হাজার টাকার গিফট তাকে পাঠানো হয়ে গেছে। আজ অবশেষে সে দেখা করতে রাজি হয়েছে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। কোন আইপি এড্রেস দিয়ে ম্যাসেজ গুলো পাঠানো হচ্ছে এটাও ট্রাক করা হয়ে গেছে। এখন শুধু ব্যাক্তিটির আশার অপেক্ষা। কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে একটা কন্ঠস্বর শুনতে পেলো অয়ন। পাশ ফিরে তাকালে একটি নীল শাড়ি পরিহিতা নারী দাঁড়িয়ে আছে।
– আপনি অয়ন সিকদার ?
– জ্বী আপনি?
– আমি রোশনি শেখ। প্রাপ্তি আমাকে পাঠিয়েছে। এখানে বসা যাবে?
– জ্বী বসুন।
– আমাকে প্রাপ্তি পাঠিয়েছে আপনাকে এটা বলতে সে আপনার সাথে দেখা করবে না।
– কেনো?
– কারণ, সে এখন আর আপনার প্রতি ইন্টারেস্টেড না। এটা প্রাপ্তির আজকের ব্যাপার না, ও এমন বড়লোকদের পটায়; পটিয়ে পটিয়ে টাকা, গিফট এগুলো নেয়। আসলে এসব দেখেই বাবা ওকে একজনের সাথে নিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। আমি জানি না কে তিনি তবে শুনেছি অসুস্থ একজন নাকি। যাক গে, আমি আপনাকে এগুলো বলতে এসেছি। এসব নর্দমায় কেনো মুখ দেন সত্যি বুঝি না। ভালো মেয়ের কি অভাব?

এতোক্ষণ চুপ করে বসে ছিলো অয়ন। কিন্তু প্রাপ্তির নামের বাজে কথা শুনে নিজেকে ঠিক রাখতে পারলো না সে। একে তো নির্দোষ একটা মেয়ে যে জানেই না তার নামে ছেলেদের সাথে ছলনা করে যাচ্ছে উপর থেকে তার নামে যা নয় তাই বলে যাচ্ছে। নিজেকে নিতান্ত শান্ত করে অয়ন জিজ্ঞেস করলো,
– প্রাপ্তি যদি বিবাহিতা হয় তবে তার হাসবেন্ড তো খুব সহজেই এসব কথা জেনে যাবে।
– ওর হাসবেন্ড তো অসুস্থ। জানবে কিভাবে?
– তোমাকে এখানে আসার কথা কি ওই জানিয়েছে?
– হুম, ওই আমাকে কালকে জানিয়েছে ফোন করে।
– ফোন নাম্বারটা পেতে পারি?
– জ্বী?
– ফোন নাম্বারটা পেতে পারি? বাংলা ভাষায় বলেছি
– ফো..ফোন নাম্বার?
– খুব কি কষ্ট হয়ে যাবে ফোন নাম্বার দিতে?
– ইয়ে.. মানে
– আসলে কি বলেন তো, প্রাপ্তির সাথে আপনার বিগত চার মাসে একবার কথা হয় নি। তাই অহেতুক নাম্বার কোথায় পাবেন? প্রাপ্তির আগে একটা মোবাইল ছিলো, আপনি কোনো ভাবে মোবাইলটা চুরি করেন। এবং তার পর থেকে প্রাপ্তিকে নিচু করতে ওর আইডি থেকে ছেলে ফাসানোর ধান্দা করেন। পরে এতে আপনার প্রেমময় ম্যাসেজে অনেক বাকরা ফাসতে থাকে তাই এটা আপনার একটা নিত্য দিনের কাজ হয়ে যায়। সমস্যাটা হয় যখন প্রাপ্তির বিয়ে ঠিক হয়ে যায় আপনি যেনো কি করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। তারপর তিন মাস আইডিটা বন্ধ থাকে। তারপর আবার এক মাস হয়েছে আইডিটি এক্টিভেট করেছেন আপনি।
– এসব কি বলছেন আপনি?
– আমি যে ভুল বলছি না তা আপনি খুব ভালো করেই জানেন। এতোদিন আমার সাথে প্রাপ্তির আগের নাম্বার দিয়ে আপনি ই কথা বলতেন চ্যাট করতেন। এখন যখন দেখছেন আমি নাছোরবান্দা তখন আপনি আমার সামনে এসে হাজির হয়েছেন এবং প্রাপ্তির নামে যা নয় তাই বলছেন।
– আপনি কি আজে বাজে কথা বলছেন? আমি ভদ্র ঘরের মেয়ে

এবার মেজাজ তুঙে উঠে গেলো অয়নের। দাঁতে দাঁত চেপে বলতে লাগলো,
– এখন ভালোয় ভালোয় স্বীকার করে নেন, নয়তো পুলিশের ডান্ডায় সব ঠান্ডা হয়ে যাবেন।
– আপনি এতো কিছু জানেন কিভাবে? আপনি কে?
– আমি ওর হাসবেন্ড। আর তোমার কৃতকর্মের জন্য আমি ওই নিস্পাপ মেয়েটাকে দিনের পর দিন শুধু কষ্ট দিয়েছি।
– আপনি? ওর হাসবেন্ড না অসুস্থ ছিলো?
– ওইটা তোমাদের ফ্রড পরিবারকে ধোয়াশায় রাখতে আমিই অসুস্থতার বাহানা দেই। যাক গে, এবার বলতো আবরার সিকদারের সাথে তোমার থুক্কু অনলাইনের প্রাপ্তি শেখের সম্পর্ক কতোদিনের ছিলো?
– আবরার সিকদার? আমি চিনি না। কে উনি?
– পুলিশের কাছে না নিলে দেখি মুখ খুলবে না।
– বলছি, বলছি। উনি অনেক পাকাও ছিলেন।এগারো মাস বা তার ও আগে উনার সাথে আমার দেড় মাসের মতো রিলেশন ছিলো। তারপর আমি ওকে ব্লক করে দেই। অই লোক এই ফোনেও অনেক ফোন করতো। কিন্তু তাও আমি রিসিভ করতাম না, পরে না পেরে ব্লক করে দিয়েছলাম। আর তার সাথে আমার যোগাযোগ হয় নি।
– এগারো মাস মানে এক বছর। এতোদিন আগে তার সাথে তোমার ব্রেকআপ হয়েছে? তুমি শিউর? সাত মাস আগে তোমার সাথে তার কথা হয় নি?
– হ্যা? এতে আনশিউর হওয়ার কি আছে? না হয় নি তার সাথে আর কথা।
– ঠিক আছে, আমি তোমাকে দুই ঘন্টার সময় দিচ্ছি প্রাপ্তির আইডি যাতে ডিএক্টিভ হয়ে যায়। আর যদি আমার চোখে পড়ে তো জেলে ঘানি টানার জন্য প্রস্তুত থাকবে তুমি।

বলেই গট গট করে ক্যাফের বাইরে চলে যায় সে। গাড়িতে উঠতেই একটা পিচ্চি গ্লাসে টোকা মারে।
– ভাই, ফুল নিবেন? তাজা বেলি ফুলের মালাও আছে। ভাবিরে দিলে খুশি হইয়ে যাইবে।
– সত্যি খুশি হবে তো?
– হো, ভাইজান।
– দে তাহলে।

মুচকি হাসি দিয়ে পিচ্চিটাকে বলে।
– এই নেন পনেরো টেকা।
– তুই এটা রাখ। আজ ভালো করে খাবি ঠিক আছে?
– এইটা তো এক হাজার টাকা।
– রাখতে বললাম তো। এই মালাটা খুব দামী লোকের জন্য নিচ্ছি।

বলে চোখ টিপ্পনী নিয়ে পিচ্চিটাকে এক হাজার টাকার নোট ধরিয়ে দিয়ে শিকদার ভিলার দিকে রওনা দেয় অয়ন। আজ তার মন খুব ভালো। এতোদিনের প্রতারকটিকে সে ধরতে পেরেছে। তবে একটা সন্দেহ তার মনের মধ্যে ঘাপ্টি মেরে আসেই। আবরারের যদি এই নকল প্রাপ্তির সাথে এক বছর আগ ছাড়াছাড়ি হয়ে থাকে তবে সাত মাস আগে সেদিন কেনো এতোটা তাড়াহুড়ো করে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিলো! অয়ন জানতো সেদিন প্রাপ্তির সাথে দেখা করতেই এতোটা উত্তেজিত ছিলো আবরার। না এসবের জট আবরার ছাড়া কারোর পক্ষে ছাড়ানো সম্ভব নয়। ভাবতে ভাবতে একটা শাড়ির দোকানের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলো অয়ন। তৎক্ষনাৎ ব্রেক কসে সে। দোকানের পুতুলের গায়ে একটি কালো শাড়ি খুব ভালো করে চোখে পড়ে তার। বিয়ের এতোদিন পরে প্রাপ্তির জন্য কিছুই কিনা হয় নি অয়নের। কি মনে কিরে শাড়িটা কিনে নেয় সে।

রাত ৯টা,
প্রাপ্তি তখন রান্নাঘরে রাতের খাবার রান্না করছিলো। হঠাৎ কেউ কোমড় জড়িয়ে ধরলে আৎকে উঠে সে। পেছনে ফিরতেই দেখে অয়ন তাকে জড়িয়ে ধরে আছে। খানিকটা ধাক্কা দিয়ে বলে উঠে,
– লজ্জা করে না আপনার? এভাবে আমাকে ধরার অধিকার কে দিয়েছে আপনাকে?
– প্রাপ্তি এভাবে বলছো কেন?
– আমি অন্য কারোর স্ত্রী ভুলে যাবেন না। আর কি জানি একবার বলেছিলেন, আমার মতো মেয়ে নগ্ন দাঁড়িয়ে থাকলেও আপনি নাকি ফিরে চাবেন না। তবে কেনো আমার কাছে এসেছেন?
– প্রাপ্তি আমি তোমাকে ভালোবাসি।
– আপনাদের ভালোবাসা খুব ভালো করে জানা আছে। লাগবে না আমার এরুপ ভালোবাসা যেখানে আমি শুধু অপমান পেয়েছি।
– আমি কতবার ক্ষমা চাইবো প্রাপ্তি? এই দুই সপ্তাহে কি আমার ভালোবাসা কোথাও বুঝতে পারো নি তুমি? এই দেখো আমি তোমার জন্য এই শাড়ি আর এই মালাটা এনেছি, দেখো।
– কেনো এনেছেন? আমি বলেছিলাম।

বলেই শাড়িটা আর মালাটা ছুড়ে ফেলে প্রাপ্তি। আর এক মূহুর্ত না দেরি করে নিজের রুমের দরজা লাগিয়ে বসে থাকে। চোখের পানিরা বাধ মানছে না। না চাইতেও কেনো এই লোকটার দিকে মনটা ঘুরে। সে তো অন্য কারোর বউ, কেনো তবুও এই লোকটার রং এ মনটা রাঙতে চায়? প্রাপ্তি দোটানার বেড়াজালে আটকে আছে। যার থেকে মুক্তির রাস্তা তার কাছে নেই। হঠাৎ ঘরে চিৎকার চেচামেচি শুরু হয়ে যায়। লোকমান কাকা “অয়ন বাবা, অয়ন বাবা” বলে চিৎকার করছেন। প্রাপ্তি এক মিনিট দেরি না করে অয়নের রুমের দিকে রওনা হয়। সেখানে যা দেখতে পায় তাতে মূহুর্তে হাত পা জমে যায় তার। অয়ন তখন….

চলবে
মুশফিকা রহমান মৈথি

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ