Friday, June 5, 2026







বিবি পর্ব-০১

#বিবি
#রোকসানা_রাহমান
#সূচনা_পর্ব

শ্বশুরবাড়িতে পা রাখার পর স্বামীর মুখদর্শন পায়নি অনড়া। সুগন্ধি ফুলে সাজানো খাটটি শূন্য থেকে যায় সারারাত। বাসি ফুলের দিকে একভাবে চেয়ে থাকায় অনড়ার চোখ টলমল হয়। বুকের ভেতর ক্ষীণ ব্যথাটা প্রকট হতেই একটি কাগজ আর কলম তুলে নেয়। কাঁপা হাতে দুই-তিন লাইন লিখে ক্ষান্ত হয়। কলম পাশে ফেলে কাগজটি ভাঁজ করে উদাসভঙ্গিতে। সেসময় দরজায় কড়া পড়ার মৃদু শব্দ হয়। অনড়া উঠে দাঁড়ায়। পুরো দরজা না মেলে একটু ফাঁক করে। সেই ফাঁকে হাত গলিয়ে দিয়ে বলল,
” বুবু, এই কাগজটা তাকে দিও। ”

কোমল কাগজটা নিয়ে কিছু সুধানোর সুযোগ পেল না। অনড়া ভেতর থেকে দরজা আটকে দিল সশব্দে। আরও দুইরাত একা এক রুমে কাটানোর পর স্বামীর পদধ্বনি পেল অনড়া। ব্যাকুলচিত্তে দরজা মেলে সমুখে তাকাল। স্বামীর মুখদর্শনের সৌভাগ্য হলেও সুনজর পেল না। নিবিড়ের চোখ-মুখে রাজ্যের বিরক্ত, অনিচ্ছা, বিরাগ। এই অনাগ্রহ মুখটাতেও ভীষণ মায়া অনুভব করল অনড়া। নরমসুরে বলল,
” অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার সুতো কাটল! ”

অনড়ার আহ্লাদ ভাঙা কথা কর্ণপাত করল না নিবিড়। খনখনে গলায় বলল,
” কোমল জানাল, তুমি নাকি কারও সাথে দেখা করছ না, কথা বলছ না, সারাক্ষণ দরজা আটকে রাখছ? ”

অনড়া মান স্বরে যোগ করে দিল,
” খাচ্ছি না, গোসল করছি না, কাপড়ও বদলাচ্ছি না। ”

নিবিড় এক পলক চেয়েই দৃষ্টি সরিয়ে নিল। মেয়েটা এখনও বধূসাজে আছে!

” কেন করছ এসব? ”
” কাগজে লিখে দিয়েছি। ”

নিবিড় একটু চুপ থেকে বলল,
” বাচ্চাদের মতো জেদ করো না। তুমি অবুঝ নও। বুঝার চেষ্টা করো। অন্য সবার মতো আমাদের বিয়েটা স্বাভাবিক না। এমন অস্বাভাবিক আচরণ করে আমাকে যন্ত্রণা দিও না! ”

নিবিড়ের কণ্ঠে মিনতি। চোখের চাহনিতে অসহায়ত্ব। অনড়া বলল,
” তুমি স্বাভাবিক আচরণ করো। তাহলে আমিও করব। ”

অনড়ার ‘ তুমি ‘ সম্বোধনে নিবিড়ের চোখে রাগ তেজে উঠে নিভে গেল। দরজা থেকে ফিরে যাওয়ার পূর্বে বলল,
” আপাতত সম্ভব না। ”

এক কদম এগিয়ে গেলে অনড়া উঁচু স্বরে বলল,
” আমি জানি, বুবু কখনও গোপনতা ভাঙে না। কাগজের লেখা বুবু পড়েনি। তুমি পড়েছ। বুবুকে শুনিয়েছ। হয়তো তার জোরাজুরিতে আমার মুখোমুখি হয়েছ। ”

নিবিড় থামল। পেছন না ঘুরেই মুক্তস্বরে বলল,
” তোমার বুবু আমার স্ত্রী। প্রাণপ্রিয় বিবি। তার সামনে আমার কোনো গোপনীয়তা নেই। আকাশের মতো স্বচ্ছ, নির্মল। ”

অনড়া চুপ হয়ে গেল। পরমুহূর্তে বলল,
” শুধু কাগজে না মুখেও বলছি, যতদিন না তুমি আমায় স্পর্শ করবে ততদিন আমি এভাবেই থাকব। অনাহারে, অযত্নে মৃত্যু গ্রহণ করব। ”

নিবিড়ের পায়ের গতি বেড়ে গেল। মূল দরজার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় মায়ের ডাক পেল। থামল নিবিড়। কুলসুম নাহার ছুটে এসে বললেন,
” না খাইয়া কই যাস? ”

নিবিড় জবাব দেয় না। কুলসুম নাহার শঙ্কিত গলায় আবার বললেন,
” খাউন-দাউন একবারেই ছাইড়া দিছস দেহি! রোগ বাঁধাইবি নাকি? ”
” রোগ বাঁধলেই কী, মা। আমার জন্য কারও চিন্তা হয়? হয় না। ”
” খামখেয়ালি কথাবার্তা! ”
” খামখেয়ালি না, মা। সত্যি কথা। ”
” বউ খাবার বাড়ছে, খাইয়া যা। ”

নিবিড় দূর থেকে কোমলকে পর্যবেক্ষণ করছিল। তার দিকে চেয়ে গাঢ়স্বরে বলল,
” খাবার শরীর সুস্থ রাখতে পারে, মন না। ”

নিবিড় আবারও সদর দরজার দিকে এগুলে কোমল দূর থেকে বলল,
” ঘরে দুজন থাকতে একজন সকল দায়িত্ব পালন করবে কেন? দায়িত্ব ভাগ করা হোক। আমি শরীরের দায়িত্ব নিচ্ছি, অনুকে মনের দায়িত্ব দেওয়া হোক। ”

কোমলের এমন কথায় বিস্ময়াপন্ন হলেন কুলসুম নাহার। স্তব্ধ থাকলেন এক মুহূর্ত। স্তব্ধ দৃষ্টি ছেলের দিকে ফেলেই ঘাবড়ে গেলেন। ছেলেকে শান্ত রাখতে কোমলকে ধমক দিতে চাইলেন। সুযোগ পেলেন না। নিবিড় ঝড়েরগতিতে কোমলকে নিয়ে ডানদিকের রুমটায় ঢুকে পড়ে। তীব্র শব্দে দরজা আটকালে কুলসুম নাহার ভয়ে শিউরে ওঠেন। ছুটে যান বন্ধ দরজার দিকে। ঘনঘন আঘাত করে বলেন,
” নিবিড়, শান্ত হ। বউ ভুল কইরা কইছে। ”

নিবিড় কোনোরূপ উত্তর করল না। দরজার দিক থেকে মন সরিয়ে কোমলের দিকে তাকাল। চোখ বন্ধ। মাথা নিচু করে আছে। হাত-পা কাঁপছে ক্রমাগত। নিবিড় মৃদু হাসল। সহাস্যে জড়িয়ে নিল স্ত্রীর নরম শরীরখানা। ফিসফিসে বলল,
” শুভ বিবাহ বার্ষিকী। ”

বিস্ময়ে কোমলের বন্ধ চোখের পাতা আলগা হয়ে গেল। নিবিড় স্ত্রীকে বাঁধনে রেখেই বলল,
” আমাদের বৈবাহিক সম্পর্কের সাত বছর পূর্ণ হলো আজ। প্রতিবছর এই দিনটিতে আমরা ভালোবাসা বিনিময়ে ব্যস্ত থাকি, কিন্তু এবার? ভালোবাসা তো দূর, তুমি দিনটিকেই ভুলে গেছ। আমি কষ্ট পেয়েছি। ”

স্বামীর দুঃখ প্রকাশে কোমলের চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল।

” অনড়া নামক এই ঝড়টা কেন টেনে আনলেন, কোমলমতি? কিভাবে সামলাব আমি? নিজেকে দিশাহারা মনে হচ্ছে, দিগভ্রান্ত! ”

কোমল জানে নিবিড় মাত্রাতিরিক্ত আবেগপ্রবণ হলে তাকে আপনি সম্বোধন করে। মুহূর্তেই স্বামীর মনের অবস্থা বুঝে গেল। তাকে সাহস দিতে বলল,
” আপনি সামলাতে পারবেন। এভাবে ভেঙে পড়বেন না। আমি আছি তো আপনার পাশে। ”

নিবিড় একটু দূরে গিয়ে বলল,
” কোনো প্রয়োজন নেই সামলানোর। আমি শুধু আপনার থাকতে চাই। শরীর, মন সবকিছুর দায়িত্ব একমাত্র আপনার। কোনো ভাগ হবে না। ”

_________________

সাত বছর আগে,

থুতনি চেপে মুখ উঁচু করে বৃদ্ধ মহিলা কপাল কুঁচকে বললেন,
” রঙ তো কালা। বয়সও বেশি লাগতাছে। এ মাইয়া তোর বয়স কত? ”

কোমল ভয়ে ভয়ে বলল,
” চব্বিশ। ”

বৃদ্ধা আঁতকে উঠলেন। কোমলের থুতনি ছেড়ে চেঁচামেচি শুরু করেন। ভেতরের রুমে কোমলের সাথে তার মা রাবেয়া খাতুনও ছিলেন। তিনি বৃদ্ধাকে শান্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলেন। বসার রুমে সকলে ছুটে আসলে বৃদ্ধা চিৎকার করে বললেন,
” কিসের পর্দা? সব নাটক। ফাঁকি দেওয়ার জন্য আমারে ভেতরে ডাইকা আনছে। ভাবছে, বয়স হয়ছে। দেখতে পারে না। কালা মাইয়ারে ফর্সা বানাইয়া দিলেও বুঝতে পারব না। ”

সকলের উদ্দেশ্যে এটুকু বলেই ঘটককে চেপে ধরলেন। তারমতে, মেয়ে সুন্দরী। সাদা চামড়া। রোদে গেলে রক্ত দেখা যায়। বয়সও কম। এসব শুনেই তো পাত্রী দেখতে এসেছিল। দেখতে এসে পেল উল্টো! পাত্রপক্ষের সকলেই খুব ক্ষ্যাপে গেছে। পারলে ঘটকের গর্দান নিয়ে নেয়। এসব দেখে কোমল চুপচাপ বসে থাকতে পারে না। বিছানা থেকে উঠে মায়ের দিকে হেঁটে আসলে বৃদ্ধা রুম কাঁপিয়ে বললেন,
” এ মাইয়া তো খোঁড়া! ”

রুমের জিনিসপত্র উল্টে -পাল্টে ছেলেপক্ষ বিদায় হলো। রাবেয়া খাতুন চোখের পানি ফেলে বিলাপ করছেন। কোমলের বাবা তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন। প্রতিবারের মতো এবারও পুরো ঘটনার সাক্ষী হলো অনড়া। অংকে কাঁচা মেয়েটি আঙুলের কড়া গুণে বিড়বিড় করল, ‘ এগারো। ‘

_________
এগারো নাম্বার ছেলেটির কাছেও অযোগ্য হওয়া কোমলের মনে কোনো দুঃখ নেই। উদ্বেগহীন, শান্ত। স্বাভাবিকভঙ্গিতে অংক করাচ্ছে অনড়াকে। স্কুল পড়ুয়া মেয়েটির অংকে মন নেই। একটু পর পর কোমলের মুখের দিকে তাকাচ্ছে। মনের অবস্থা বুঝার চেষ্টা করছে। ব্যর্থ হয়ে বলল,
” তোমার কষ্ট লাগছে না, বুবু? ”
” কষ্ট হবে কেন? ”
” বিয়ে হচ্ছে না বলে। ”

কোমল একটু চুপ থেকে হালকা হাসল। মাথা নেড়ে বলল,
” না। ”
” কেন? ওরা তোমাকে কালো বললে খারাপ লাগে না? ”
” খারাপ লাগবে কেন? আমি তো কালোই। ”
” খোঁড়া বলে যে। ”
” খোঁড়াও তো। ”

অনড়া বসা অবস্থায় কোমলের গলা জড়িয়ে ধরে বলল,
” না, তুমি খোঁড়া না। একটু বেঁকে চললেই খোঁড়া হয় নাকি? ওদের চোখ খারাপ। তাই দেখতে পায় না, তুমি কত সুন্দর। তোমার মতো হরিণচক্ষু এই গ্রামে কয়জনের আছে? ”

কোমল উত্তর দেয় না। মিটিমিটি হাসে। অনড়া আহ্লাদী হয়ে আবার বলল,
” আমার যদি একটা ভাই থাকতো, তোমাকে ভাবি বানাতাম। ”
” তাই? ”
” হ্যাঁ, একটুও মিথ্যা বলছি না। এই বই ছুঁয়ে বলছি। ”

অনড়া সত্যি সত্যি বই ছুঁলে হাতের মধ্যে হালকা থাপ্পড় দিল কোমল। রাগ হয়ে বলল,
” তোকে না কসম কাটতে নিষেধ করেছি? ”

অনড়া দাঁত দিয়ে জিভ কাটে। কানে ধরে অপরাধি সুরে বলল,
” ভুলে গেছি। আর কাটব না, বুবু। ”

চলবে

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ