Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"প্রাক্তন পর্ব-১১

প্রাক্তন পর্ব-১১

#প্রাক্তন
#লেখিকা- শারমিন আঁচল নিপা
#পর্ব- ১১

সেই সাথে নতুন প্রশ্ন নতুন কাহিনির সূত্রপাত ঘটল। আইডিটা ঘেটে লক্ষ্য করলাম নাফিসার সাথে অরন্যের আইডি মেনশন দিয়ে অনেক পোস্ট করা। প্রায় প্রতিদিনেই একটার পর একটা পোস্ট হচ্ছে। নাফিসা কেনই বা নতুন করে এমন করছে তার কোনো কারণ আমার জানা নেই। বেশ কৌতুহল নিয়েই নাফিসার আইডিতে ঢুকলাম তার আইডিতেও প্রোফাইল পিক অরন্য আর তার দেওয়া। আর সেটা আপলোড হয়েছে ছয়মাস আগে। আমি কিছুটা বিস্মিত হলাম। আমার মনে বারবার আগের মতোই একটা প্রশ্নই আসছে যদি নাফিসা অরন্যকে নিজ থেকে ডিভোর্স দেয় তাহলে কেন সে অরন্য আর তার কাপল ছবি তার আইডিতে দিবে। যদি সে তার প্রেমিকের কাছে চলে যায় তাহলে তার এ কাজ করে কী লাভ । প্রশ্নের বেড়াজালে আটকে গেলাম। নাফিসার আইডির ইনফরমেশন গুলো ভালো করে দেখে নিলাম। নাফিসা প্রাইভেট একটা মেডিকেল থেকে পড়াশোনা করেছে।

চট করেই আমার মাথায় আসলো আমার একটা স্টুডেন্ট সে মেডিকেলে পড়ে। তার নাম টিপটিপ। আমি যখন স্টুডেন্ট ছিলাম তখন ওকে পড়াতাম। তাহলে নাফিসার ইনফরমেশন ভালো করে নেওয়া আমার জন্য অসাধ্য কিছু না। আমি টিপটিপ কে কল দিলাম। কল দেওয়ার পর টিপটিপ ফোনটা ধরেই বলল

– ম্যাম আসসালামুআলাইকুম। কেমন আছেন?

– হ্যাঁ ভালো আছি। তুমি কেমন আছো?

– আমিও ভালো আছি।

– আচ্ছা টিপ টিপ তুমি এবার কোন ইয়ারে?

– ম্যাম আমি চতুর্থ বর্ষে।

– তোমাকে যদি তোমার কোনো সিনিয়র আপুর ইনফরমেশন নিতে বলি তাহলে কী নিয়ে দিতে পারবে?

– ম্যাম নাম বলেন। আর কোন সেশন সেটা বলেন আমি চেষ্টা করে একবার দেখতে পারি।

– কোন সেশন সেটা তো জানি না। তবে ছবি আছে। আমি তোমাকে ছবিটা দিচ্ছি তুমি আমাকে একটু খোঁজ নিয়ে জানাও। আর শুনো বিষয়টা যেন উনি টের না পায়।

– আপনি যা বলেন তাই হবে। আমাকে ছবি দিন আগে আমি দেখি চিনি কি না।

আমি টিপটিপ কে ছবিটা পাঠালাম। ছবিটা পাঠানোর সাথে সাথে টিপ টিপ বলল

– ম্যাম আমি যখন প্রথম বর্ষে ছিলাম তখন উনি ইন্টার্ণ ডাক্তার ছিল। আমার সাথে উনি এড আছেন। এখন কোথায় আছে সেটা তো সঠিক করে বলতে পারব না। আর আমি তো পড়াশোনার চাপে এফ বিতে তেমন ঢুকি না। আইডিটা ডি একটিভ করে রেখেছি।

– আচ্ছা শুনো তুমি কী উনার সাথে একটু কথা বলতে পারবে? আমি যা বলব তাই বলবে। যেভাবে বলব ঠিক সেভাবে। আমি যা জিজ্ঞেস করতে বলি ঠিক তাই বলবে। আর তুমি যেহেতু ঐ মেডিকেলে পড়ো তোমার কাছে উনি মিথ্যা বলবেন না।

– ম্যাম আমি আপনি যা বলবেন করব। আজকে মেডিকেলে পড়ার পেছনে আপনার অবদান কম না। তবে কোনো সমস্যা?

– টিপটিপ একটু ব্যক্তিগত শেয়ার করতে পারছি না। তবে তুমি আমার বন্ধুর মতো তাই হালকা বললাম। তুমি কী পারবে কাজটা করতে?

– হ্যাঁ পারব। আমি এখনই মেসেজ দিব? আর ম্যাম আপনার সমস্যা না হলে আমি আমার আইডির পাসওয়ার্ড দিচ্ছি। আমার আইডিতে তেমন পারসোনাল কিছু নেই। আপনি উনার সাথে কথা বলা শেষ হলে জানাবেন আমি নাহয় পরে পাসওয়ার্ড চেন্জ করে ফেলব।

আমি যেন একটা আশার আলো পেলাম। হালকা গলায় বললাম

– তোমার সমস্যা না থাকলে দিতে পারো।

টিপটিপ আমাকে তার আইডির পাসওয়ার্ড দিল। আমি নাফিসার আইডিটায় মেসেজ দিলাম

– আপু আমি আপনার মেডিকেলের একজন জুনিয়র। কেমন আছেন?

সাথে সাথে মেসেজটা সিন হয়নি। তবে দশ মিনিট পর রিপ্লাই আসলো

– জি ভালো। তুমি কেমন আছো?

– আলহামদুলিল্লাহ ভালো। আচ্ছা আপু আপনি বিয়ে করেছেন কবে? আজকে হুট করে আপনার আইডি সামনে আসলো। ভাইয়া আর আপনার পিক দেখলাম। মশআল্লাহ অনেক সুন্দর লাগছে দুজনকে।

– ধন্যবাদ। বিয়ে করেছি চার বছর হয়েছে।

– এখন কোথায় জব করছেন?

– আমি তো দেশে থাকি না। লন্ডন থাকি।

– ওয়াও গ্রেট। কত বছর হলো গিয়েছেন?

– তিন বছর হলো।

– ভাইয়াও কী আপনার সাথে থাকে?

– নাহ ও ঢাকায় থাকে।

– সব মিলিয়ে ভালো আছেন আপু?

– জি আলহামদুলিল্লাহ।

– মাঝে মাঝে নক দিব। রাগ করবেন না তো।

– ফ্রি থাকলে অবশ্যই রিপ্লাই দিব।

– আচ্ছা ভাইয়ার নাম কী?

– অরন্য।

– আপু একটা ব্যক্তিগত প্রশ্ন করি।

– হ্যাঁ করো।

– আপনাদের কী লাভ ম্যারেজ নাকি এরেন্জ। আমার মনটা ভালো না। রিলেশন নিয়ে অনেক সমস্যা আর ভুগান্তিতে পড়েছি। সবাই বলে লাভ ম্যারেজ টিকে না। এরেন্জ ম্যারেজ টিকে। আপনাদের বিষয়টা একটু বললে আমার সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হতো।

– আমাদের এরেন্জ ম্যারেজ হলেও আমরা ভালো আছি। এই তো কিছুদিন পর দেশে ফিরব। তার সাথে দেখা নেই তিন বছর। কত ব্যাকুল হয়ে আছি দুজন দুজনকে দেখার জন্য। লাভ আর এরেন্জ কোনো ব্যাপার না। আন্ডারস্ট্যান্ডিংটাই মূল বিষয়। সেই দিক দিয়ে আমরা ভালো আছি।

– ধন্যবাদ এতটুকু বলার জন্য। আমি আপনাকে মাঝে মাঝে জ্বালাব।

– সমস্যা নেই ভালো থেকো।

– আপনিও ভালো থাকবেন।

নাফিসার কথায় আমি মিথ্যা পাচ্ছিলাম না কেন জানি না। বারবার মনে হচ্ছিল অরন্য আর নাফিসার মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। নাফিসা যা বলছে সত্যি আর অরন্য যা বলছে মিথ্যা। টুকি টাকি সমস্যা হয়তো ওদের মধ্যে হয়েছ তবে তারা ভালো আছে সেটা নাফিসার কথায় বুঝা যায়। তবুও একটা কিন্তু থেকে যায়। ধরে নিলাম নাফিসা লন্ডনে থাকে তাই সে অরন্যের বাসায় আসতে পারে নি। আর অরন্যও নাফিসার ব্যপারে আবিরকে কিছু বলে নি। তাহলে অরন্য কেনই বা এতদিন আমার কথা আবিরকে বলে গেছে। আর নাফিসাও যেভাবে রিপ্লাই দিল তাতেও কোনো মিথ্যা পাচ্ছি না। আমার রাগ টা বাড়তে লাগল। কোনো কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। আমি টিপটিপের আইডি দিয়ে নাফিসাকে কল দিলাম। ওপাশ থেকে নাফিসা কল ধরে হ্যালো বলল। আমি খুব সাবলীল গলায় বললাম

– হ্যালো আমি অপ্সরা। চিনতে পারছেন কী না জানি না। তবে অরন্যের বন্ধু। এটা আরেকজনের আইডি দিয়ে আপনাকে মেসেজ দিয়েছিলাম। আপনার সাথে অরন্যের ব্যপারে কিছু কথা ছিল।

গম্ভীর কন্ঠে উত্তর আসলো

– জি চিনতে পেরেছি। কী কথা বলুন। আর এত বছর পর কেনই বা কল দিয়েছেন?

– সেটার কারণ আছে বলেই দিয়েছি। অরন্যের সাথে কী আপনার ডিভোর্স হয়েছে কি না জানতে চাই।

– আমার ব্যক্তিগত বিষয়ে আপনাকে বলতে বাধ্য নই। আমার অরন্যের সাথে সাময়িক ঝামেলা হয়েছে সেটা আবার মিটিয়েও নিব।

– অরন্যের সাথে আমার কথা হয়েছে সে আমার জীবনে ফিরে আসতে চায় আর আপনার সাথে ডিভোর্স হয়েছে বলেছে কথাটা কি সত্যি? আর অরন্যের আইডিটাও নাকি আপনার কাছে? কোনটা সত্যি কোনটা মিথ্যা সেটাই আমি জানতে চাচ্ছি।

নাফিসা মৃদু হাসলো। তারপর বলল

– এখন থেকে তুমি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী এবং মূখ্য গুটি। তোমাকে পরিষ্কার করে বলায় যায় বিষয়টা। শুনো অরন্যের সাথে আমার সম্পর্কের সাময়িক বিচ্ছদ ঘটেছে তবে ডিভোর্স হয়নি। আমি আমার পরিবারকে বুঝিয়ে অরন্যকে ডিভোর্স দিতে চাইলে আমার পরিবার বলল অরন্য যেন ডিভোর্স দেয় সে ব্যবস্থা করতে তাহলে আমি কাবিনের পুরো টাকাটা পাব। যেহেতু তোমাকে নিয়ে সমস্যা ছিল তাই অরন্য আমাকে ৩০ লাখ কাবিন ধার্য করে বিয়ে করেছিল। তখন পরিবারের চাপে বিয়ে করেছিলাম। কারণ আমি ভালোবাসতাম সালমানকে। সালমানের সাথে বিয়ের পর সব ঠিক করে নিয়ে একটা সময় পর পরিবারকে নিজের মতো করে বুঝিয়ে সালমানের জন্য লন্ডনে চলে আসি। আর অরন্য আমার কাছে তিন বছর সময় চেয়েছিল, বলেছিল তিন বছরের মধ্যে কাবিনের সমস্ত টাকা দিয়ে ডিভোর্স দিবে।

তিন বছর প্রায় সম্পন্ন হতে চলল। এদিকে সালমানের সাথেও আমার সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। আমি নিজের কাছে নিজে অনুতপ্ত। পরিবারকে সব বলার পর পরিবার বলল অরন্যের সাথে সব ঠিক করে নিতে। অরন্যকে বলার পর সে রাজি হলো না। বরং বলল টাকা দিয়ে ডিভোর্স দিয়ে দেবে আর তোমাকে বিয়ে করবে। কিন্তু আমি তো ডিভোর্স দিব না। যেহেতু আমাদের আইনগত ডিভোর্স হয়নি আর সাময়িক বিচ্ছেদের কথা কেউ জানে না সেহেতু আমি অরন্যের সাথে সম্পর্ক ঠিক করার জন্য যা করা লাগে করব। দরকার হলে আইনের সাহায্য নিব। আর এর মাঝে তুমি আসলে তোমাকেও ছাড়ব না।

আমি নাফিসার কথায় মৃদু হাসলাম। তারপর হালকা গলায় বললাম

– জাতে জাত মিলে। আপনিও যেমন স্বার্থপর অরন্যও তার ব্যতিক্রম না। আপনারা স্বার্থের জন্য যা ইচ্ছা করতে পারেন। কখনও ভালোবাসার মানুষকে ছুড়ে ফেলতে পারেন। আবার কখনও ভালোবাসার মানুষকে প্রয়োজনে বুকে টেনে নেন। আপনাদের আগা গোড়া পুরোটাই স্বার্থে মোড়ানো। আমিও চাই দুই স্বার্থপর এক হোক। ধন্যবাদ পরিষ্কার ভাষায় সবটা বলে দেওয়ার জন্য। ভালো থাকবেন।

বলেই কলটা কেটে দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিলাম। অরন্য কতটা জঘন্য হলে নাফিসাকে ডিভোর্স না দিয়েই আমার জীবনে ফিরে আসতে চায়তেছে সেটাই শুধু ভাবছিলাম। অরন্যের যে টাকা দেওয়ার ক্ষমতা ছিল না তা না বরং আমার মনে হয় তিন বছর সময় নিয়েছিল হয়তো ভেবেছিল এর মধ্যে নাফিসার সাথে সব ঠিক হয়ে যাবে। যখন কিছুই ঠিক হলো না তখন সে তীব্রভাবে আমাকে অনুভব করছিল তাই এখন নাফিসা তার জীবনে আসতে চাইলেও সে মেনে নিতে পারছে না। এ মানুষটা সব সময় নিজের স্বার্থটা আগে দেখেছে। এখন আমাকেও ভালো থাকতে দিচ্ছে আর সেও ভলো থাকতে পারছে না। আমি চট করেই মোবাইলটা নিয়ে অরন্যকে কল দিয়ে বললাম

– নাফিসাকে ডিভোর্স না দিয়েই আমাকে বিয়ে করতে চাচ্ছ তাই তো? এত নোংরা কেন তুমি?

– অপ্সরা আমি মুখে মুখে নাফিসাকে তালাক অনেক আগেই দিয়ে দিছি। ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে সে আমার স্ত্রী না। আর তখন কাবিনের টাকা পুরোপুরি ছিল না বলে তিন বছর সময় নিয়েছিলাম।

– তোমার তো টাকা দেওয়ার ক্ষমতা ছিলই তাহলে তিন বছর সময় কেন নিয়েছিলে? নাফিসা এর মধ্যে ফিরে আসে কি না সেটার জন্য?

– তুমি শুধু শুধু ভুল বুঝতেছো। আমি নাফিসাকে বিয়েটা আমার পছন্দে করেছিলাম। আর পরিবারও আমার কথায় তোমার সাথে আমার বিয়েটা ভেঙ্গেছিল। আর পরবর্তীতে নাফিসাকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য আমার কোনো টাকা ছিল না। চাকুরির এক বছরে তো আমি ৩০ লাখ ইনকাম করে ফেলে নি। আর পরিবার ও তখন আমাকে সাপোর্ট দেয়নি। সব মিলিয়ে আমি তিন বছর মসয় চেয়েছিলাম। আর নাফিসাও লন্ডন চলে যায় সালমানের কাছে। এখন নাফিসা আমার স্ত্রী না। আইনগত যে কাজগুলো বাকি সেটা আমি খুব শীঘ্রই ও আসার পর পরই পূরণ করে এ সম্পর্ক থেকে মুক্তি নিব। আর এ চার বছর এজন্যই তোমার সামনে যাইনি। কারণ আমি চেয়েছিলাম সব শেষ করে তোমার সামনে যাব। কিন্তু ভাগ্য এর আগেই তোমার সামনে আমাকে দাঁড় করাল।

– নাফিসা তো ভুল বুঝে ফিরে আসতেছে তাকে মেনে নাও।

– এটা কখনও সম্ভব না। যে মেয়ে আমাকে নিজের স্বার্থের জন্য ব্যবহার করতে পারে তাকে আমি আর চাই না।

– তাহলে আমি কেন তোমাকে চাইব? কেন আমি তোমার হব? তোমার আর নাফিসার মধ্যে পার্থক্য কী?

– অপরাজিতা আমি নাফিসাকে ভালোবাসে নি কখনও মোহে পড়ে বিয়ে করেছিলাম। আর তুমি আমাকে ভালোবাসো। তাই তোমার উচিত আমাকে মেনে নেওয়া। আর যত যাই বলো নাফিসা কিন্তু আমার স্ত্রী ন। আর এখন একমাত্র ইসলামিক দৃষ্টি কোণ থেকে আমরা স্বামী স্ত্রী। সুতরাং তোমার আর আমার বিষয়টা কখনও নাফিসার সাথে তুলনা যোগ্য না।

– তুমি বড্ড হাসালে অরন্য। আমাকে মাফ করো। নাফিসাকে তুমি কী করবে আমি জানি না। তবে এ সম্পর্কের বেড়াজাল থেকে আমি মুক্তি চাই। আমি কখনও তোমাকে মেনে নিতে পারব না।

বলেই কলটা কেটে দিলাম। দিন দিন জটিল সম্পর্কের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছি। জানি না এর ভবিষ্যত কী। তবে আপাতত আাবিরকে সবটা বলতে হবে।

পরদিন সকালে তৈরী হয়ে কলেজে গেলাম। ক্লাস নিলাম যথারিতী। তারপর আবিরের কাছে গেলাম। আবির তখন ঘুমাচ্ছিল। আবিরের পাশে বসতেই সে আমার দিকে তাকাল ঘুম ঘুম চোখে। আমি আবিরের মাথায় আলতো হাত রেখে বললাম

– শরীর কেমন?

– এখন ভালো।

– আমার কিছু কথা ছিল। কথা গুলো শুনার পর তোমার যদি কষ্ট হয় আমাকে ক্ষমা করে দিও।

আবির আমার হাতটা তার বুকে নিয়ে বলল

– কী বলবে বলো।

আমি মৃদু গলায় বলা শুরু করলাম। বুঁকটা কাঁপছিল বলার সময় তবুও বলতে লাগলাম।

চলবে

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ