Friday, June 5, 2026







প্রণয় বর্ষণ পর্ব-০৬

#প্রণয়_বর্ষণ (৬)
#বোরহানা_আক্তার_রেশমী
____________

ভার্সিটি থেকে বাড়িতে আসতেই লিভিং রুমে কয়েকজন অচেনা মানুষকে বসে থাকতে দেখে ভ্রু কুঁচকায় স্পর্শী। এক পলক সেদিকে তাকিয়ে দুপা বাড়াতেই শাহাদাৎ শেখ ডাকে। পেছনে ফিরে স্পর্শী ভদ্র গলায় বলে, ‘জ্বি!’

শাহাদাৎ শেখ এগিয়ে যায় মেয়ের কাছে। ফিসফিস করে বলে, ‘উনারা তোমাকে দেখতে আসছে। ওখানে বসো যাও। আর হ্যাঁ সালাম দিবে কিন্তু!’

স্পর্শী আরো একবার পেছনে ঘুরে অপরিচিত লোকেদর দিকে তাকায়। ঠোঁট চওড়া করে হেঁসে ওড়না মাথায় জড়িয়ে নেয়। ব্যাগটা রেণুর হাতে ধরিয়ে দিয়ে পাত্রপক্ষের সামনে গিয়ে বড় করে সালাম দেয়। এতে অবশ্য পাত্রপক্ষ বেশ খুশি। স্পর্শী বসতে বলা হলে সেও বসে পড়ে। পাত্রের মা স্পর্শীর থুতনিতে হাত দিয়ে মুখটা একটু ওপরে তুলে বলে,

‘মাশাল্লাহ। মেয়ে তো ভীষণ সুন্দর। তা মা তোমার নাম কি?’

স্পর্শী শান্ত গলায় বললো, ‘জ্বী সায়ন্তিকা স্পর্শী।’

‘কোন ক্লাসে পড়ো?’

‘অনার্স ১ম বর্ষ।’

পাত্রের মা কিছু বলার আগেই পাত্রের বাবা বলে উঠলেন, ‘মেয়ের তো তাইলে বিয়ের বয়স হইছেই।’

পাশ থেকে পাত্র নিজের বাবাকে থামিয়ে বললেন, ‘বাবা এখনো তেমন কোনো বয়স হয়নি। উনি অনেকটাই ছোট।’

পাত্রের মা চোখ রাঙিয়ে ছেলের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘তামিম তুমি চুপ থাকো।’

তামিম আর কিছু বললো না। হাজারটা প্রশ্নের মধ্যে দিয়ে পাত্রী দেখা শেষ হওয়ার পর তামিমের মা বললেন, ‘ভাইজান মেয়ে তো আমাদের ভীষণ পছন্দ হয়ছে। তাহলে দিন তারিখ ঠিক করা যাক!’

শাহাদাৎ শেখ কিছু বলতে নিলে আটকায় স্পর্শী। হাসি মুখে বলে, ‘জ্বী অবশ্যই। তার আগে আমার কিছু বলার আছে আন্টি।’

আঁতকে উঠে শাহাদাৎ শেখ, রামিয়া আর স্পর্শীর দাদী। খানিকটা বিরক্ত হয় তামিমের মা বাবা। শাহাদাৎ শেখ আটকাতে গেলে তামিম হাসি মুখে বলে, ‘জ্বী বলুন।’

স্পর্শী মৃদু হেঁসে বলে, ‘আপনাদের বিহেভিয়ার ভালো লেগেছে কিন্তু আমি আপনাকে বিয়ে করতে পারবো না। দুঃখিত।’

ক্ষেপে উঠে তামিমের বাবা মা। তামিম তাদেরকে শান্ত করে স্পর্শীকে উদ্দেশ্য করে শান্ত গলায় বলে, ‘যেহেতু আপনি কথাটা সবার সামনে তুলেছেন তাহলে আমি কি সবার সামনেই কারণটা জানতে পারি!’

‘অবশ্যই। আমার কোনো প্রেমিক নেই বা বিশেষ কোনো কারণও নেই বিয়ে না করার। আমি শুধু এখন বিয়ে করতে চাই না। লাইফের এখনো অনেকটা বাকি। আমি চাই আমার মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। জানি বিয়ের পরও তা সম্ভব কিন্তু বিয়ের পর অধিক মেয়েরাই সংসারের চাপে পড়ে পড়াশোনা করতে ভুলে যায়। এর থেকেও বড় একটা রিজন আছে আমার কাছে কিন্তু আমি তা শেয়ার করতে চাই না। সরি!’

শেষের লাইনটুকু শাহাদাৎ শেখের দিকে তাকিয়েই বললো। শাহাদাৎ শেখ কি বুঝলো জানি না। তবে মেয়ের দিকে রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলো। তামিমের বাবা মা শাহাদাৎ শেখকে ক’টু কথা শুনাতে শুরু করে। তামিম কোনোরকমে নিজের বাবা মা কে সামলে দরজার দিকে নিয়ে গিয়ে ফিরে তাকিয়ে স্পর্শীর উদ্দেশ্যে বলে, ‘বেষ্ট অফ লাক।’

স্পর্শী মুচকি হাসে। তামিমরা বের হতেই সটাং একটা থা’প্প’ড় পড়ে স্পর্শীর গালে। ছুটে আসে রেণু আপা। মা যেভাবে নিজের মেয়েকে বিপদ থেকে আগলে নেয় ঠিক সেভাবেই আগলে নেয় তিনিও। স্পর্শী গালে হাত দিয়ে তাকায় সামনে দাঁড়ানো দাদীর দিকে। চোখ দিয়ে রাগের ফুলকি পড়ছে তার। স্পর্শী দাঁতে দাঁত চেপে দাঁড়িয়ে থাকে। পাশ থেকে রামিয়া উস্কানি দিয়ে বলে,

‘আরো একটা থা’প্প’ড় দিন আম্মা। বে’য়া’দ’ব মেয়ে! বাবার খাচ্ছে, বাবার পড়ছে আবার বাবাকেই লোকজনের সামনে অ’প’মান, অ’প’দস্ত করতেছে। কত বড় খা’রাপ ভাবা যায়!’

স্পর্শী শব্দ করে হেঁসে দেয়। সবাই অবাক হয়ে তাকায়। হাসার মতো কি হলো তাা কারোরই বুঝে আসলো না। স্পর্শী রামিয়ার কাছে এগিয়ে এসে বলে, ‘উনি যেহেতু জন্ম দিয়েছেন তখন তো উনারই খাওয়ানোর, পড়ানোর কথা তাই না! তাছাড়া মা থাকলে উনার খাওয়া পড়া তো দুর উনার দিকে ফিরেও তাকাতাম না। বাই দ্যা ওয়ে মা থাকলে আজ কিন্তু আপনিও এখানে থাকতেন নাা মিসেস রামিয়া শেখ। আর রইলো বাকি উনার অ’প’মা’নের কথা! আমি তো উনাকে আগেই কয়েকবার বলেছি আমি এখন বিয়ে করবো না। তা উনি বিয়ের জন্য পাত্রপক্ষ আসতে বললেন কেন?’

স্পর্শীর দাদী ক্ষেপে গিয়ে অ’ক’থ্য ভাষায় গা’লি দিলেন। স্পর্শীর কান ঝা ঝা করে ওঠে। গা’লি দিয়েই ক্ষ্যা’ন্ত হলেন না তিনি৷ কর্কশ গলায় বলে উঠলেন,

‘আমার পোলাডারই ভুল তোর মতো মাইয়ারে জন্ম দেওয়া। নিজের মা ডা রে তো খাইছস এহন আমার পোলাডারে মা’রার চিন্তায় আছোস! নি’র্ল’জ্জের মতো মা ম’রার পরও এইহানে পইড়া রয়ছোস আবার বড় বড় কথা। অবশ্য মায়ের মতোই অ’লক্ষী হয়ছোস।’

স্পর্শীর মা কে তুলে হাজারটা কথা শোনালেন তিনি৷ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকায় স্পর্শী।। কাঠকাঠ গলায় বলে, ‘আমাকে বলতেছেন ভীষণ ভালো কথা কিন্তু মা’কে নিয়ে আর একটা কথা বললে ভুলে যাবো আপনি আমার বড়।’

সাথে সাথেই শাহাদাৎ শেখের হুং’কার ভেসে আসে। স্পর্শী তাচ্ছিল্যের সুরে হেঁসে তাকায় বাবার দিকে। ততক্ষণে শাহাদাৎ শেখের মা বিলাপ করছেন। শাহাদাৎ শেখ রাগী গলায় বললেন, ‘আমার বাড়িতে থেকে তুমি আমার মায়ের সাথে বে’য়া’দ’বি করছো! একে তো লোকের সামনে আমাকে ছোট করেছো এখন আমার মা’কে থ্রে’ট দিচ্ছো! তোমার সাহস দেখে আমি অবাক হচ্ছি।’

স্পর্শী কিছু বলার আগেই রামিয়া বলে, ‘এসব বে’য়া’দ’বি এ বাড়িতে থেকে চলবে না বুঝেছো। এতো বেশি সাহস দেখালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাও।’

স্পর্শী আর কিছু বললো না। কোনো রকম প্রতিবাদও করলো না। চুপচাপ সিড়ি বেয়ে উপরে উঠে নিজের লাগেজ গোছালো। মায়ের ছবির ফ্রেম বুকে আঁকড়ে নেমে আসে নিচে। শাহাদাৎ শেখ চুপচাপ দেখলেন কিছু বললেন না। রামিয়া আর শাহাদাৎ শেখের মা ভীষণ খুশি। স্পর্শী একবার ছোট্ট স্পর্শের দিকে তাকালো। এগোলো না তার কাছে। শাহাদাৎ শেখকে উদ্দেশ্য করে বললো,

‘নিজের স্ত্রীকে দিয়ে এ কথাটা না বলিয়ে নিজে মুখেই বলতেন। এই বাড়ির কোণায় কোণায় আমার মায়ের স্মৃতি রয়েছে। তাই মা ছাড়াও গত ৫ বছর আমি এখানে থেকে গেছি। কিন্তু আজকের কথাগুলো আগে বললে আরো আগেই চলে যেতাম।’

স্পর্শী আর কিছু বললো না। চুপচাপ লাগেজ নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। পেছন থেকে ভেসে আসে স্পর্শর কান্না আর রেণু আপার কয়েকটা বাক্য। রেণু আপা স্পর্শীর দাদী আর বাবার উদ্দেশ্যে বললেন,

‘আপনাগো মতো মানুষ আমি এই জীবনে ২ ডাও দেহি নাই। নিজের বংশের মাইয়ারে কেউ এমনে তাড়ায় দিতে পারে! আপনাগো উপ্রে ঠা’ডা পড়বো।’

দাদী ক্ষে’পে উঠলেন। রাগী গলায় বললেন, ‘রেণু! তুই আমাদের সাথে গলা উচু কইরা কথা কস! ভুইলা গেছোস আমাদের বাড়িতেই তুই কাম করস!’

রেণু তাচ্ছিল্যের সুরে হেঁসে বলে, ‘করলাম না কাম। এমনেও এতগুলা দিন ওই অবুঝ মাইয়াডার মায়ায় পইড়া রয়ছিলাম কিন্তু আইজ যহন হেই নাই তহন আমি থাইকা কি করমু? আপনাগো বাড়িত কাম করার থেইকা না খাইয়া ম’র’ণই ভালা।”

রামিয়া আর দাদী রাগে গজগজ করে উঠলো। রেণু ভেতর ঘর থেকে কাপড়ের ব্যাগ নিয়ে গটগট করে বের হয়ে আসলো। বাহিরে দাঁড়িয়ে আছে স্পর্শী। ছুটে যায় তার কাছে। স্পর্শী রেণু আপাকে ব্যাগ নিয়ে আসতে দেখে বলে,

‘কোথাও যাবে?’

রেণু আপা মাথা নিচু করে বলে, ‘তুমি যেইহানে যাইবা আমিও ওইহানেই যামু। নিবা না আমারে?’

স্পর্শী এই পরিস্থিতিতেও হেঁসে দেয়। বলে, ‘এতো ভালোবাসো কেন রেণু আপা? দেখো আমার সাথে যাদের রক্তের সম্পর্ক তারা আমাকে সহ্যই করতে পারে না আর তুমি! আমার কেউ না হয়েও কত ভালোবাসো! ‘

রেণু মলিন হেঁসে বলে, ‘আমি যহন খাইতে না পাইয়া রাস্তায় ঘুরছি তহন তোমার মা আমারে নিয়া আইছে৷ মাইয়ার মতো আদর করছে। ম’রার আগে একদিন আমারো কইছিলো জানো! আমি তোমার বড় বইন আমি যেনো তোমারে কোনোদিনও একলা না ছাড়ি। এই লাইগা তো তোমারে একলা ছাড়তে পারি না। আর তোমার লগে আমার রক্তের সম্পর্ক নাই তাই কি অয়ছে! তোমার লগে তো আমার আত্মার সম্পর্ক। বইনের সম্পর্ক।’

স্পর্শী হুট করেই জড়িয়ে ধরে রেণু আপাকে। আসলেও এই মানুষটা তার বড় বোন। বড় বোনের সব রকম দায়িত্ব সে পালন করেছে। রেণু আপা মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। স্পর্শী রেণু আপাকে ছেড়ে বলে, ‘চলো দুই বোন যেখানে যাবো একসাথেই যাবো।’

রেণু আপা হাসে। ওপর থেকে হয়তো একটি মাও প্রশান্তির হাসি হাসে।

____
স্পর্শী আর রেণু আপা কিছুদুর হাঁটতেই একটা রিক্সা পায়। রিক্সায় উঠে কল দেয় তানিয়াকে। তানিয়া ফোন রিসিভ করতেই স্পর্শী বলে, ‘একটা হেল্প করবি?’

‘এভাবে বলছিস কেন? এমন ভাবে বলছিস যেনো মনে হচ্ছে মানুষ খু’ন করতে বলবি!’

‘মজা করিস না। সিরিয়াসলি বলছি!’

তানিয়া নিজেও এবার সিরিয়াস হয়। স্পর্শী আমতা আমতা করে বলে, ‘কিছুদিন তোর বাড়িতে থাকতে দিবি? তোর বাড়িওয়ালার সমস্যা হলে আমি যাবো না।’

তানিয়া ভ্রু কুঁচকে বলে, ‘মানে! তুই তোর বড়লোক বাপের বাড়ি ছেড়ে আমার বাড়িতে কেন থাকবি?’

‘তোকে সবটা পরে বলবো। আমার এখন কোথাও যাওয়ার মতো নেই। সাফিন আর সামিরার বাড়িতেও যেতে পারতাম তবুও ওরা জয়েন ফ্যামিলি কেমন একটা লাগছে। আর শোন জাস্ট কয়েকটাদিন! এরপর আমি বাড়ি নিয়ে তোর বাড়ি ছেড়ে দিবো।’

তানিয়া ধমক দেয়। রাগী গলায় বলে, ‘বেশি কথা বলিস তুই! আমি তোকে একবারও বলেছি তোকে থাকতে দিবো না? তুই আসলে আমার আরো ভালো হয়। একা একা থাকতে অনেক ভয় লাগে। তুই সাথে থাকলে বিন্দাস হবে। আর বাড়িওয়ালাও একা থাকি বলতে পারবে না।’

স্পর্শী মিনমিনে গলায় বলে, ‘রেণু আপাও আছে। তোর কোনো সমস্যা হবে?’

তানিয়া লাফ দিয়ে উঠে বলে, ‘বলিস কি! রেণু আপাও আসছে? ওয়াও। তাইলে তো আরো ভালো। আর শোন কোনো সমস্যা হবে না। এমনিতেও আমার ফ্ল্যাটে দুইটা বেডরুম।’

‘তোর বাড়িওয়ালা কিছু বলবে না?’

‘তুই চিন্তা মুক্ত থাক। বাড়িওয়ালারে ঘোল খাওয়ামু আমি আর রেণু আপা। তুই চইলা আয়। আমি সব রেডি করি। জলদি আয় দোস্ত।’

বলেই কল কেটে দেয়। স্পর্শী দীর্ঘশ্বাস নেয়। রেণু আপা বলে, ‘আমারে নিয়া কোনো সমস্যা হইবো আপা? হইলে আমি না হয় যাই গা।’

স্পর্শী চোখ রাঙিয়ে বলে, ‘কই যাবা? আমি যেখানে যাবো চুপচাপ আমার সাথে তুমিও যাবা।’

রেণু আপা কিছু বলে না। স্পর্শী শক্ত করে হাত ধরে রেণুর আপার। ভরসার হাত পেয়ে একে অন্যের হাত শক্ত করে আঁকড়ে ধরে থাকে।

_____
রুদ্র মাত্রই বাড়িতে এসে বসেছে সে সময় ছুটে আসে রুদ্রের বোন রাইমা। ছুটে এসে ভাইকে চেপে ধরে৷ রুদ্র ভ্রু কুঁচকে বলে, ‘চিপকে আসছিস কেন? দুরে যা।’

রাইমা ব্যস্ত গলায় বলে, ‘ভাইয়া দুরে যাবো পরে। তোর জন্য বিরাট নিউজ আছে। আগে সেইটা শুন।’

রুদ্র কপালে ভাজ ফেলে তাকায়। রাইমা ব্যস্ত গলায় ফিসফিস করে বলে, ‘পর্শী আপুকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে ভাইয়া। আম্মু মাত্র নানুর সাথে কথা বলছিলো। আমি নিজ কানে শুনেছি।’

চমকে ওঠে রুদ্র। সেসময় ফোন বেজে ওঠে। হারুণের কল দেখে দ্রুত রিসিভ করে। ওপাশ থেকে ব্যস্ত কন্ঠে হারুণ বলে, ‘বস ভাবি কি কোথাও যাচ্ছে? না মানে লাগেজ নিয়ে বের হলো দেখলাম।’

রুদ্র আর দাড়ায় না। ফোন কানে নিয়েই হাঁটা লাগায়। হারুণকে স্পর্শীর খোঁজ রাখতে বলে নিজেও বাইক নিয়ে ফের দৌড় লাগায়। সব তো ঠিকই ছিলো হঠাৎ কি হলো!

চলবে..
(আসসালামু আলাইকুম। ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ