Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"নিশ্চুপ ভালোবাসা পর্ব-০২

নিশ্চুপ ভালোবাসা পর্ব-০২

গল্পের নামঃ-#নিশ্চুপ_ভালোবাসা💕💕
writer:- ||আইদা ইসলাম কনিকা ||
পর্বঃ০২
সেদিন আধার, মিম আর মারিয়া বাসায় চলে আসে। এসে দেখে আধারের মা রান্না ঘরে রান্না করছে আর আয়রা তার বাবার সাথে কথা বলছে। আধার নিজের রুমে চলে যায় আর তার সাথে মিম,মারিয়াও নিজেদের রুমে গিয়ে তিনজনই ফ্রেশ হয়ে নিচে আসে।তারপর আধার তার বাবার সাথে কিছু সময় কথা বলে ফোনটা রেখে দেয়। আধারের মা রান্না শেষ করে ওদের খেতে ডাকে, ওরা সবাই একসাথে যায়, খাওয়ার সময় আধারের মা বলে

—-তোদের ভার্সিটির প্রথম দিন কেমন কাটলো? মিম কিছু বলতে যাবে তার আগেই আধার বলে

—-মাম্মা ভালোই কেটেছে, যাই হোক খাবারের সময় কোনো কথা না, সবাই নিজের খাবারের মনযোগ দাও।আর মাম্মা তুমিও বস।

তারপর সবাই একসাথে খেতে বসে। খাওয়া শেষে আধার নিজের রুমে চলে যায়, মিম আর মারিয়া অনেক ক্লান্ত তাই তারাও নিজেদের রুমে চলে যায়। আধারদের বাসাটা মুটামুটি বেশ বড়। আধার গিয়ে ঘুম দেয় বিকালের দিকে আধার ঘুম থেকে জেগে হুমায়ুন আহমেদ স্যার এর একটা বই নিয়ে বসে। বইটির নাম দেয়াল। আধার বইটা পড়ছে। বইটির প্রথম আখ্যানে রয়েছে অবন্তি নামে এক তরুনির। যে ঢাকা শহরে নিজের পিতামহের সাথে থাকে। তার দাদা কিছুটা রক্ষনশীল মানসিকতার। তিনি সব সময় অবন্তিকে নজরদারিতে রাখেন, অবন্তির মায়ের চিঠি লুকিয়ে পড়েন , অবন্তির গৃহ শিক্ষকের উপরেও নজরদারি করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তারা ঢাকা শহর থেকে পালিয়ে যায়, আশ্রয় নেয় এক পীরের বাসায়। পাকিস্তানি হানাদারদের হাত থাকে অবন্তিকে রক্ষা করতে পীর নিজের ছেলের সাথে অবন্তির বিয়ে দেন…অবন্তির আকস্মিক ভাবে ঘটতে থাকা ঘটনাগুলো মেনে নিতে কিছুটা সমস্যা হয় শুরু হয় জটিলতা। তখনই মিম আর মারিয়া আসে হাতে কফি। রুমে ঢুকে তারা দরজা লাগিয়ে দেয়। আর আধারের দিকে কফির মগটা এগিয়ে দেয় আধার, বইটা রেখে চশমাটা খুলে, কফির মগটা হাতে নিয়ে বলে
—-কারো রুমে আসলে যে নক করতে হয় সেটা কি তোরা জানিসনা? মিম বলে

—-ঐ ছ্যামড়ি চুপ,এখন এইটা বল তখন আদ্রিয়ান ভাইয়াকে কি বললি? আধার ভ্রু-কুচকে বলে

—-তোরা কি করে জানিস উনার নাম আদ্রিয়ান? মারিয়া বলে

—ঐ মৌমাছি না নাম ধরে ডাকলো, আর সবাই আদ্রিয়ান ভাইয়া আসছে বলে সাইড হয়ে দাড়িয়ে ছিল। আধার বলে

—-ওহহহ। মিম বলে

—ওহহ না বলে এটা বল আদ্রিয়ান ভাইয়াকে কি বললি,আর তুই এমন চুপচাপ ছিলি কেনো? কোনো উত্তরই দিলি না ঐ মৌমাছির কথার। আধার বলে

—-সব কথার জবাব দিতে নেই, সময়ই বলে দেয় কে কেমন, আর আদ্রিয়ানকে ধন্যবাদ দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু সে এটিটিউড নিয়ে বলে এটা তার কর্তব্য আমি তাও ধ্যনবাদ দিলে সে বলে এখন যাও মনে হচ্ছিল আমার সাথে কথা বলে আমার উপরে দয়া করছে। মিম মারিয়া একে অপরের দিকে তাকিয়ে বলে

— তাই তুই এভাবে রেগে চলে আসছিলি? আধার বলে

—হুমম, আর তোরা মাম্মা কে কি বলতে যাচ্ছিলি আজকে ভার্সিটিতে কি হয়েছে, কিছু বললে কাচা মরিচ খায়িয়ে সাহারা মরুভূমিতে পাঠাবো। মিম বলে

—আচ্ছা বাবা না বললাম, ওকে তুই পড় আমরা যাই।

আধারা কফির মগে চুমুক দিতে দিতে তার বারান্দার সামনে যায়। সেখান গিয়ে দেখে পরপর ১২ টা বাইক রাইডার বাইক নিয়ে বসে আছে মাথায় হেলমেট, বাইক গুলোর মাঝে ২টা বাইক আধারের চেনা চেনা লাগছে কিন্তু কোথায় দেখেছে মনে পড়ছে না। আধার খেয়াল করে দেখে একটা রাইডার তার বারান্দার দিকেই তাকিয়ে আছে, আধার সেটা দেখে নিজের রুমে চলে যায় আর বই নিয়ে বসে। কিছু সময় পরই সুসু করে বাইকগুলো চলে যাচ্ছে ঠিকই বুঝা যাচ্ছে।

তারপরের দিন সকালে। আধার শাওয়ার নিয়ে চুল মুছতে মুছতে বেরহচ্ছে আর গুন গুন করে গান গাইছে। পরনে তার রেড কালারের একটা শার্ট হাটু নিচ অব্দি সাথে কালো পেন্ট, ভেজা চুলে আধারকে অনেক সুন্দর লাগছে কিন্তু তার মুখে এখনো বাচ্চা বাচ্চা ছাপটা রয়েগেছে। আধার তোয়ালেটা বারান্দায় শুকাতে দিতে যায়। তারপর নিজের রুমে এসে চুলগুলো শুকিয়ে ছেড়ে দেয় আর ঠোঁটে হলাকা লিপজেল লাগিয়ে, রেড কালারের সু জুতা আর তার কালো কালারের ঘরি পরে কলেজ ব্যাগ টা নিয়ে নিচে নামে। মিম বলে

—-আমি তো দূর থেকে ভাবছিলাম আয়রা আসছে, পরে দেখি না আয়রা তো আমার পাশেই বসে আছে। মারিয়া মিম সবাই হেসে দেয়। আধার কিছু বলে না চুপচাপ চেয়ার টেনে বসে পরে, তারপর তিন বান্ধবী বেরিয়ে যায় তাদের ভার্সিটির উদ্দেশ্য আর আধারের মা বাসায় একা থেকে যায় কারণ আয়রাও চলে যায় স্কুলে (সে এবার ক্লাস টেনের পরীক্ষার্থী)। ভার্সিটি দিয়ে ঢুকার সময়। কিছু বখাটে ছেলেদের মাঝে একটা ছেলে বলে

—-পুড়াই লালপরি,। বলেই সবাই হাসাহাসি করে। আধার কিছু বলে না কারণ সে চায় না কোনো ভেজাল হোক। আর ভার্সিটিতে ঢুকার পর একটু এগিয়ে যেতেই দেখে আদ্রিয়ান, আশিক,দিহান আর তাদের বন্ধুরা বসে আছে আর নতুন মানে ফার্স্ট ইয়ারের ইস্টুডেন্ট দের রেগিং করছে। এর মানে আধারের বুঝতে বাকি রইলো না যে তাদেরও রেগিং করা হবে। তারপরও তারা আদ্রিয়ানদের পাশ কাটিয়ে চলে যেতে নিলে দিহান মারিয়ার লম্বা বেনি ধরে টান দেয়। মারিয়া চুলধরে আহ বলে পিছাতে লাগে। দিহানকে চুল ধরতে দেখে বলে

—এটা কোন ধরনের অসভ্যতামি একটু বলবেন। আধার আর মিম ও যায়। দিহান বলে

—-এখানে যে বড় ভাইয়ারা আছে তাদের সালাম না দিয়ে কোথায় যাও? লাইনে দাঁড়াও তোমাদের সাথে বুঝাপড়া আছে। মারিয়া কি কম ফাজিল সে বলে

—-দাঁড়াবো না লাইনে কি করবেন? দিহান বলে

—-তোমার লম্বা চুল গুলো কেঁচি দিয়ে গেছ করে কেটে দিব। মারিয়া বলে

—অহহহ, আপনি তাহলে নাপিত। আদ্রিয়ান পানি খাচ্ছিল আর তার সামনে আশিক দাঁড়িয়ে ছিল মারিয়ার এমন কথা শুনে আদ্রিয়ানের মুখের সব পানি গিয়ে পরে আশিকের গায়ে। আধার আর মিম এমন কাহিনি দেখে না হেসে আর পারলোনা আধারা আর মিম ফিক করে হেসে দিল, আদ্রিয়ান আর আশিক একমনে তাকিয়ে আছে তাদের দিকে, আদ্রয়িন রাগী চোখে আধারের দিকে তাকায় আধার একটু চুপ হলেও আবার হেসে দেয়। আদ্রিয়ান বলে।

—হেই ইউ মিস আধার তুমি আগে আসো তোমার রেগিং আগে করবো। তখনই মৌ মৌছারি মতো তাদের কাছে আসে, এসে বলে

—কি হচ্ছে?। আশিক বলে

—দেখলেই বুঝতে পারবি পক পক বন্ধ কর। দিহান বলে
—না আগে এই মেয়ের, এই তোমার নামকি? আদ্রিয়ান দিহানও আপত্তি করে না মারিয়া বলে

—-মারিয়া। দিহান বলে

—-ওকে তুমি গান গাইবে। মারিয়া বলে

—- ওকে। আর হিরো আলমের বাবু খাইছো গান গাইতে লাগলো

—-তুমি হলে বাবু আমি তোমার হিরো,
করলে তোমায় টেলিফোন বলবে তুমি বাবু খাইছো
ডেটিং এ যখন তুমি আমি যায় তুমি বলো না না না না,
আসতে নাকি দেরি তোমার ভালো লাগে না।
জীবনটা আমার রাখবো যে বাজি তুমি যদি একটি বার বলো,
কোন কথাটি রাখিনি আজীবন বলো
তুমি হলে বাবু আমি তোমার হিরো,
করলে তোমায় টেলিফোন বলবে তুমি বাবু খাইছো,
বাবু খাইছো, বাবু খাইছো, বাবু খাইছো। দিহান বলে

—এই চুপ চুপ, তোমাকে তো আমি পরে দেখে নিব। আর মারিয়ার এমন গান শুনে মৌ চলে যায়। এখন আদ্রিয়ান এসে দাড়ায় আধারের সামনে আর বলে

—তো রেডি তো। আধার বলে

—হুমম। আদ্রিয়ান বলে

—-তোমার এখন। তখনই আধার বলে

—তারপর? আদ্রিয়ান বলে

— সবার সামনে এমন কিছু করতে হবে যার জন্য সবাই ভয়ও পাবে + অবাকও হবে। আধার বলে

—ওকে। কিছু সময় ভাবার পর সে আদ্রিয়ানের কাছ থেকে পানির বোতলটা হাতে নেয়। আর সেটা আদ্রিয়ানের দিকে তাকিয়ে বাকা হাসি দিয়ে ছুড়ে মারে সবাই তো অবাক কিন্তু পানি আদ্রিয়ানের গায়ে লাগে না তা নিচে পরে যায়। আদ্রিয়ান চোখ বন্ধ করে অন্য দিকে মুখ ফিরে নেয়। আর মারিয়া মিম তো ভয়ে শেষ। আদ্রিয়ান চোখ খুলে বলে

—-What the hell। কি করতে যাচ্ছিলে তুমি? আধার পানির বোতল থেকে পানি খেতে খেতে বলে

—আপনি তো বললেন, তো আমি তাই করে দেখালাম,আপানর বন্ধুদের ফেশ দেখেই বুঝা যাচ্ছে তারা অবাকের শীর্ষ পর্যায়ে আর আমার ২ বান্ধবী ভেঝা বিড়াল হয়ে গেছে। তো আমার টাস্ক তো শেষ মি. আদ্রিয়ান। আদ্রিয়ান ওর ফ্রেন্ডদের দিকে তাকিয়ে দেখে হুমম ঠিকই। আদ্রিয়ান বলে

—-গুড বাট। আধার আদ্রিয়ানকে থামিয়ে বলে

—-দেখুন আপনাদের গ্রুপের লিডার আপনিই,আর কালকে আপনার নাম ডাক শুনে এতোটা তো বুঝতে পেরেছি আপনার সাথে লাগার কারো ক্ষমতা বা ইচ্ছে নেই তাই আপনাকেই বেছে নিলাম,আর আপনার নামটা অনেক বড় আদ্রিয়ান। বাট নাইছ নেম। তা এখন আমরা যেতে পারি? সবাই তো অবাক আদ্রিয়ান কিছু না বললেও তার মুখে একটা রহস্যময়ী হাসি ঠিকই আছে।আশিক কিছু সময় পর বলে

—-এই না না, তোমার সাথের মেয়েটা বাকি আছে। মিম বলে

—-আমাকে কি করতে হবে বলবেন , আমি কিন্তু মারিয়ার চেয়ে ভালো গান গাইতে পারি গাইবো নাকি? আশিক বলে

— না সেটা করতে হবে না, তা তোমার নাম কি? মিম বলে

—-আমি মিম। ওকে আমার টাস্ক শেষ। বায় বলেই হাটা দিল। আর আশিক পিছন থেকে বলে

—-নাম তোমার মিম কিন্তু তোমাকে আমি খাওয়াবো কাঁচা ডিম। মিম পিছনে ফিরে একটা ভেংচি কেটে চেলে যায়। আদ্রিয়ানের একটা বন্ধু রাতুল বলে

—-তিনটাই ডেন্ঞ্জারাস মেয়ে। বিশেষ করে আধার যেমন কিউট তেমনি তার ব্যবহার আদ্রিয়ানকে যখন পানি ছুড়ে মারে আমি যতটা না ভয় পেয়েছি তার চেয়ে বেশি অবাক হয়েছি। দিহান বলে

—-আদ্রিয়ান ব্যাপার কি, ঐ মেয়েকে তুই কিছুই বললি না কেনো? আদ্রিয়ান বলে

—-চুপ নাপিত, আর সাবাই মজা করতে লাগে। আধারের জন্য দুইজনের মনে চলছে ২ ধরনের ধারনা

চলবে

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ