Friday, June 5, 2026







ধোঁয়াশার মেঘ পর্ব-০৩

#ধোঁয়াশার_মেঘ
#লেখিকাঃশুভ্রতা_শুভ্রা
#পর্বঃ০৩

মিহিকা মাহির রুমে গিয়ে দেখলো মাহি, হিয়া, আরিশা একদম রেডি হয়ে গেছে। মিহিকাকে দেখে আরিশা এগিয়ে এসে বলল,
“মিহি আপু তোমাকে তো সেই লাগছে।”

মিহিকা আলতো হেসে বলল,
“তোমাকেও অনেক সুন্দর লাগছে শাড়ি পড়ে।”

আরিশা মুচকি হাসলো। মিহিকা, মাহির কাছে যেতেই মাহি নিজের দিকে তাকিয়ে বলল,
“মিহি আপু দেখ তো আমাকে কেমন লাগছে?”

মিহিকা দাঁত বের করে হেসে বলল,
“একদম লেবু গাছের পেত্নীর মতো লাগছে।”

মাহি রাগে কটমট করতে লাগলো। মিহিকার সাথে সবাই হাসতে লাগলো। মাহি রাগে গজগজ করতে করতে রুম ছেড়ে চলে গেল।

মাহির কথায় আবারো সবাই হাসলো।

মাহি সোজা আরহামের কাছে গেল। আরহাম ছাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে ফোন টিপছিলো। মাহি ওর সামনে গিয়ে লাজুক ভঙ্গিতে বলল,
“দেখুন তো আমাকে কেমন লাগছে?”

আরহাম কপাল কুচকে তাকালো মাহির দিকে। চরম বিরক্তি নিয়ে বলল,
“কেমন লাগবে আবার? যাও গিয়ে আরিশাকে বলো।”

আরহামের উত্তর পছন্দ হলোনা মাহির। নাকমুখ কুচকে বলল,
“আমি তো আপনাকে জিজ্ঞাসা করলাম।”

আরহাম ফোন কানে দিয়ে মাহির পাশ কাটিয়ে চলে গেল। মাহি ঠোঁট উল্টে তাকিয়ে রইলো আরহামের যাওয়ার দিকে।

আস্তে আস্তে সবাই ছাদে আসতে লাগলো। ছাদের একপাশে স্টেজ করা হয়েছে। তাঁজা গাঁদা ফুলের মালা, গোলাপ ফুল, রজনীগন্ধা দিয়ে ছাদ সাজানো হয়েছে। চারদিকে ছোট ছোট রঙিন বাতি জ্বলছে, আর মৃদু হাওয়ায় ফুলের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। সবাই এসে বসতে শুরু করলো। মিহিকা, হিয়া, আরিশা একপাশে দাঁড়িয়ে গল্প করছিল। মাহি একটু দূরে গিয়ে দাঁড়ালো, মনটা খারাপ হয়ে গেছে তার। কত সুন্দর করে সাজলো সে আর এখন কেউ একটুখানি বললও না কেমন লাগছে?

মিহির এই ঠান্ডার মাঝেও আইসক্রিম খাচ্ছিলো। মাহি এবার ক্লাস টেনে। আর মিহির ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে। মিহিরের দুইবছরের ছোট মাহি।মাহিকে গাল ফুলিয়ে থাকতে দেখে মিহির আইসক্রিম খেতে খেতে এগিয়ে গেল মাহির দিকে। মাহির দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলল,
“কিরে, কার উপর রাগ করে গাল ফুলিয়েছিস?”

মাহি মুখ ঘুরিয়ে বলল,
“তোমার কোনো কাজ নেই? যাও, তোমার আইসক্রিম খাও!”

মিহির হেসে বলল,
“আরে, তাই তো! ঠান্ডার মধ্যে এই আইসক্রিমই সব রাগ ভুলিয়ে দেয়। তুইও খাস, সব ভুলে যাবি।”

মাহি দাঁত কিড়মিড় করে বলল,
“দে এখনি খামু।”

মিহির মুখ বাঁকিয়ে বলল,
“তুই কিনে খা। আমারটা দিমুনা।”

মাহি এবার আরও রেগে গিয়ে বলল,
“তুই কি ভাবছিস, আমি কিনে খাওয়ার টাকা পাই না?”

মিহির দাঁত বের করে হেসে বলল,
“তুই তো ফক্কিন্নি। তোর টাকা কুটি থেকে আসবি।”

মাহি রাগে দুপা দিয়ে মেঝেতে আঘাত করে হনহনিয়ে চলে গেল সেখান থেকে। মিহির সেদিকে পাত্তা না দিয়ে আইসক্রিম খেতে লাগলো।

ইরাকে এনে বসানো হলো স্টেজের সোফায়। হলুদ রঙের শাড়ি, কাঁচা ফুলের গহনায় বেশ ভালো লাগছে ইরাকে। শাওন ইরার কাছে নিজের ফোন এগিয়ে দিয়ে বলল,
“তোর ফোন কোথায়? নে কথা বল ফারাবি অস্থির হয়ে গেল তোকে ফোনে না পেয়ে।”

ইরা খানিকটা লজ্জা পেল। ফারাবি ওর হবু বড়, শাওনের বন্ধু। তিনবছরের প্রেমের পরে অবশেষে কাল তাদের বিয়ে। দুইজন দুইজনকে পাগলের মতো ভালোবাসে। ইরা ফোন কানে ধরতেই ফারাবি খানিকটা রাগী কন্ঠেই বলল,
“ফোন কোথায় রাখো? কতবার কল করেছি তার খোঁজ খবর রাখো।”

ইরা নরম গলায় বলল,
“ফোন সাইলেন্ট ছিলো তাই বুঝতে পারিনি। সরি ”

ফারাবি জোরে জোরে শ্বাস টেনে বলল,
“ভিডিও কলে আসো।”

ইরা কিছু না বলে ভিডিও কল রিসিভ করলো। মুখের সামনে ধরতেই ফারাবির চেহারা ভেসে উঠলো। ইরা আলতো হেসে বলল,
“কি মহাশয় রাগ কমেছে? কেমন লাগছে আমাকে?”

ফারাবি হাসলো। মাথার পিছনের চুলগুলো চুলকে বলল,
“তোমাকে দেখে রেগে থাকা যে বড্ড কঠিন মায়াবতী।”

ইরা লজ্জামাখা হাসি দিলো। তখনি ইরার পাশ থেকে টুকু দিলো মিহিকা আর হিয়া। দুইজন সুর করে বলে উঠলো,
“মায়াবতীইইইই”

ইরা যেন আরো লজ্জা পেল। মিহিকা আর হিয়া হাসতে লাগলো। ফারাবি হেসে বলল,
“শালিকারা দেখি সেজেগুঁজে একদম তৈরি।”

মিহিকা হেসে হেসেই বলল,
“দুলাভাই দেখছি আপুর জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছেন না।”

ফারাবি হেসে বলল,
“তোমার জন্য তাহলে এমন কারো ব্যবস্থা করি। কি বলো তুমি?”

মিহিকা মুখ বাঁকিয়ে বলল,
“আমার কাউকে লাগবে না গো দুলাভাই। আমারে সহ্য করার মতো এখনো কেউ জন্মায়নি।”

ফারাবি হাসলো। হেসেই বলল,
“কপালে যে আছে সে আছেই চিন্তা করো না গো শালিকা।”

মিহিকা হাসলো। হেসেই বলল,
“আচ্ছা দুলাভাই কথা বলেন আপুর সাথে আমি যাই।”

বলেই মিহিকা সরে এলো। চারপাশে মাহিকে খুঁজতে লাগলো। শাড়িটা উঁচু করে এপাশঅপাশ তাকিয়ে মাহিকে দেখতে না পেয়ে কপালে ভাঁজ পরলো। পাশেই মিহিরকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে মিহিকা এগিয়ে আসলো। এপাশে ওপাশে তাকিয়ে বলল,
“কিরে মাহি কোথায়?”

মিহির ভাবলেশহীন ভাবে বলল,
“আমি কি জানি!”

মিহিরের কথায় বেশ বিরক্ত হলো মিহিকা। মিহিকা নিজেই মাহিকে খুঁজতে গেল। মিহিকা সামনে এগোতেই দেখলো আঁধারের মাঝে কে যেন দাঁড়িয়ে আছে। মিহিকা কপাল কুচকে ফেলল। ওখানে আবার কে? সেদিকে এগিয়ে গিয়ে বলল,
“কে, কে ওখানে?”

আরহাম ফিরে তাকালো। ক্ষীণ আলোতে মিহিকাকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। আরহাম গভীর কন্ঠে বলল,
“আমি, কেন কোনো সমস্যা?”

মিহিকা ফুস করে একটা শ্বাস টেনে বলল,
“ও বন মুরগি!”

আরহাম কপালে ভাঁজ ফেলে বলল,
“এই মাইয়া কি মুরগি মুরগি বলো? আমারে তোমার কোন দিক দিয়ে মাইয়া মানুষ মনে হয়!”

মিহিকা প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে আরহামের দিকে তাকিয়ে বলল,
“মানে?”

আরহাম দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
“মুরগি আবার কি?”

মিহিকা ফিক করে হেসে বলল,
“ওও তাই বলুন।”

আরহাম মুখ বাঁকিয়ে চলে গেল। মিহিকা পিছনে ঘুরে হিয়ার কাছে গিয়ে বলল,
“হিয়াপু মাহি কোথায়?”

হিয়া মিহিকার দিকে তাকিয়ে বলল,
“বড় মামির কাছে গেছে নিচে।”

মিহিকা হিয়ার পাশে বসে বলল,
“ওও আমি তো এতক্ষন ওরে খুঁজে খুঁজে মরতেছিলাম। হিয়াপু নাচবে না?”

হিয়া মুচকি হেসে বলল,
“হুম পরে, আগে খাওয়া দাওয়া শেষ করে বড়রা চলে যাক। তুই কি করবি জানি?”

মিহিকা সামনের দিকে তাকিয়েই বলল,
“আমি আর মাহি মিলে নাচবো ভাবছি।”

“তাহলে তো ভালোই।”

একটু পরে সবাই একে একে ইরার গায়ে হলুদ দিতে লাগলো। মিহিকা ইরার গালে মাখিয়ে একটুখানি হলুদ নিয়ে গেল মাহিকে মাখাতে। মিহিকার শয়তানি হাসি দেখে মাহির আর বুঝতে বাকি নেই মিহিকা কিছু না কিছু করবেই করবে। মাহি শাড়ির অনেকটা অংশ উঁচুতে তুলে ভো দৌড় দিতে লাগলো। মিহিকাও ওর পিছু পিছু দৌঁড়াতে লাগলো। মাহি দৌঁড়াতে দৌঁড়াতে একজায়গায় গিয়ে হাঁটুতে হাত দিয়ে হাঁপাতে লাগলো। মিহিকা তো পেয়েছে সুযোগ। এবার তো সে মাহিকে হলুদ ভুত বানিয়েই ছাড়বে। মিহিকা ছুটে মাহির মুখে মাখতে যাবে তখনি উষ্টা খেয়ে একটা দেয়ালের সাথে বারি খেল।

মিহিকা ঝটকা খেল। চোখ মুখ খিচে বন্ধ করলো। তখনি মাহি চেঁচিয়ে উঠে বলল,
“আপু তুমি এটা কি করলে?”

মিহিকা চোখ পিট পিট করে তাকাতেই দেখলো এ তো দেয়াল না। এটা তো কারো বলিষ্ঠ বুক। মিহিকা ঝট করে মাথা উঁচিয়ে তাকাতেই যেন বড় একটা ধাক্কা খেল। এতো বন মুরগি থুক্কু বন মোরগা। মিহিকা দ্রুত সরে এলো। আরহামের পাঞ্জাবীর বামপাশের বুকের দিকে একদম হলুদ লেগে গেছে। মিহিকা তাকালো সেদিকে। আরহাম চরম বিরক্তি নিয়ে পাঞ্জাবীর দিকে তাকিয়ে নাকমুখ কুচকালো। হিসহিসিয়ে বলল,
“এই মেয়ে চোখে দেখ না। আমার নতুন পাঞ্জাবীটার কি একটা অবস্থা করেছো?”

মিহিকা অবাক হওয়ার ভাব ধরে বলল,
“আমি আবার কি করলাম? আপনারই তো দোষ। আমি কি বলছিলাম এখানে খাম্বার মতো দাঁড়িয়ে থাকতে।”

আরহামের রাগ যেন তিরতির করে বেড়ে গেল। সব দোষ নিজে করে এখন বলছে সে কোনো দোষই করেনি। সব দোষ তার। আরহাম দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
“ফালতু কথা বলবেনা একদম। তুমিই তো আমার গায়ে এসে পরলে।”

মিহিকা আঙুল তুলে বলল,
“কিহ আপনি আমাকে গায়ে পড়া মেয়ে বললেন?”

আরহাম অবাকের চরম পর্যায়ে পৌঁছে গেল। সে কখন মিহিকা গায়ে পড়া বলল। আরহাম চোখ বড় বড় করে বলল,
“আমি আবার কখন এই কথা বললাম!”

মিহিকা আরহামের দিকে তাকিয়ে বলল,
“এহ ভাব করছে এমন যেন কচি খুকি। আপনি বলছেন। আপনি জানেন আমি কে? আপনার সাহস কি করে হয় আমার সাথে এমন করে কথা বলার?”

আরহামের এবার মাথা ঘুরছে। এই মাইয়া তো সব কথার দুই লাইন বেশি বুঝে। আরহামের মন চাচ্ছে পাশ থেকে একটা ইট তুলে মিহিকার মাথায় ফাটাতে। আরহাম কিছু বলতে নিবে তার আগেই মিহিকা বলে উঠলো,
“আপনি আমার সাথে এত ঝগড়া করেন কেন বলুন তো?”

আরহামের চোখ আরো বড় বড় হয়ে গেল। সে কোথায় বেশি ঝগড়া করে। মিহিকাই তো ক্ষণে ক্ষণে ঝগড়া করে তার সাথে।

#চলবে

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ