Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"তোর ছায়ার সঙ্গী হব পর্ব-১২

তোর ছায়ার সঙ্গী হব পর্ব-১২

#তোর_ছায়ার_সঙ্গী_হব
লেখক-এ রহমান
পর্ব ১২

২৭
ইভানের নতুন অফিস শুরু হয়েছে। সে খুব ব্যস্ত। সারাদিন প্রায় বাইরেই থাকে। মাঝরাতে আসে বাসায়। কখন আসে কখন যায় কোন ঠিক নেই। ঈশার সাথে কয়েক দিন ধরেই তার দেখা হয়না। বাড়ির সামনে এসে ইভান খুব সাবধানে দরজা খুলল। কারন এখন সবাই ঘুমাচ্ছে। শব্দ হলে ঘুমের ডিস্টার্ব হবে। ভিতরে ঢুকে টাই টা খুলে সোফায় বসে পড়লো। সামনে ঘড়িটাতে দেখল রাত ১ টা বাজে। ভীষণ টায়ার্ড! কিছুক্ষন চোখ বন্ধ করে সোফায় হেলানি দিয়ে থাকলো। তারপর উঠে ডাইনিং টেবিলে পানি খেতে গেলো। পানি খেয়ে গ্লাসটা টেবিলে রাখতেই ঈশার ঘরের দরজায় চোখ পড়লো। ঈশাকে এই মুহূর্তে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে। ঈশা দরজা ভেতর থেকে দরজা লক করে ঘুমায়। তবুও কি মনে করে ইভান দরজার সামনে গিয়ে হাতলটা ঘুরাতেই দরজা খুলে গেলো। বেশ অবাক হল। কিন্তু মনে মনে খুশিও হল। একবার ঈশার ঘুমন্ত চেহারাটা দেখলে সারাদিনের সমস্ত ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে। ভিতরে ঢুকে দেখে সারা ঘরময় অন্ধকার। দরজাটা শব্দহীন ভাবে লাগিয়ে দিয়ে ঈশার পাশে বিছানায় খুব সাবধানে বসলো। ফোনের ফ্ল্যাশ অন করতেই ঈশার ঘুমন্ত চেহারাটা চোখে পড়লো। নিস্পলক তাকে দেখছে ইভান। কি অপূর্ব লাগছে। ঈশার কপালে গভীর একটা চুমু দিলো। তার গালে আলতো করে এক আঙ্গুল ছোঁয়াল। এতে ঈশা কিছুটা নড়ে উঠলো। ইভান একটু সরে গেল।জাতে ঈশার ঘুম ভেঙ্গে না যায়। কিন্তু ঈশা ঘুমের ঘোরেই ইভানের খুব কাছে এলো। ইভান ঈশার এতোটা কাছে আসা দেখে নিজেকে আটকাতে পারলনা। সেও ঈশাকে এক হাতে জড়িয়ে নিলো। ঈশা একদম ইভানের বুকের ভিতরে ঢুকে ঘুমের ঘোরেই আধো আধো কণ্ঠে বলল
–তোমার এই পারফিউমের ঘ্রান আমাকে পাগল করে দেয়।
ঈশার এমন কথা শুনে ইভান নিজের কানকে যেন বিশ্বাস করতে পারছেনা। ঈশাকে ছেড়ে দিয়ে ভালো করে তাকে দেখতে লাগলো। কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকার পর বুঝতে পারল ঈশা ঘুমের ঘোরেই এসব বলছে। ইভান এখনো ঈশার উপরে রাগ করে আছে। তার সাথে ঠিক মতো কথা বলেনা। কিন্তু তাকে দেখে ইভানের সমস্ত রাগ পানি হয়ে গেলো। যত রাগই থাকনা কেন এই মেয়েটা তার সাথে ভালবেসে কথা বললে সে কিছুতেই তার উপরে রাগ করে থাকতে পারেনা। একটা দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে সে ঈশাকে আলতো করে ছুয়ে বলল
–আমাকে মিস করেছিস?
ঈশা আবারো আধ আধ কণ্ঠে বলল
–অনেক। তুমি তো আসইনা আমার কাছে।
–এতো মিস করিস তাহলে বলিস না কেন?
–তুমি বঝনা কেন?
–সবই বুঝি জান। তবুও তোর কাছ থেকে শুনতে চাই।
–বলবনা শুধু ভালবাসব।
ইভান এবার ঈশার দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখে বলে
–আমাকে আদর করতে ইচ্ছা করেনা তোর।
ঈশা মাথা নাড়াল। ইভান এবার বলল
–তাহলে এখনি আদর কর।
বলেই ইভান নিজের ঠোঁট ঈশার ঠোটের কাছে নিয়ে গেলো। আর ঈশা নিজে নিজেই কাছে এসে ইভানের ঠোঁটে তার ঠোঁট ছুয়ে দিলো। ইভান ভাবল ঘুমের মাঝেই নাহয় ঈশা তার প্রতি নিজের অনুভুতি তো প্রকাশ করলো। অনেকক্ষণ ঈশার রুমে থাকার পর সে উঠতে যাবে তখন ঈশা তার শার্টের হাত টেনে বলল
–যাবেনা।
ঈশার কথা শুনে ইভান একটু হেসে তার পাশে শুয়ে পড়লো। ইভান ভালো করে শুয়ে পড়তেই ঈশা আরও বেশি তার কাছে চলে এলো। একদম বুকের ভিতরে ঢুকে পড়লো। ইভান তাকে দুই হাতে জড়িয়ে বলল
–এভাবে ভালবেসে ডাকলে আমি কিভাবে তোর কাছ থেকে দূরে থাকব জান।
বলেই ঈশার মাথায় একটা চুমু দিলো। ভাবতে ভাবতে চোখ বন্ধ করে ফেললো। সারাদিনের ক্লান্তির কারনে কিছুক্ষনের মধ্যেই ঘুমিয়ে গেলো ইভান।
সকালে ঈশার ঘুম হালকা হয়ে গেলে সে ঘাড়ের উপরে উষ্ণ অনুভূতির ছোঁয়া পেয়ে চোখ খুলে ফেললো। চোখ খুলে দেখল। ইভান তাকে পিছন থেকে নিজের বুকের সাথে তার পিঠ লাগিয়ে জড়িয়ে আছে। তার এক হাত ঈশার হাতের আঙ্গুলের ভাঁজে। তার উষ্ণ নিশ্বাস ঈশার ঘাড়ে পড়ছে। মাথাটা হালকা ঘোরাতেই দেখল ইভান বেশ আরামে ঘুমাচ্ছে। একটু অবাক হয়ে গেলো। আরও ভালো করে খেয়াল করতেই দেখল সে ফর্মাল ড্রেসে। তার মানে অফিস থেকে সোজা তার ঘরে এসে ঘুমিয়ে গেছে। ইভান বেঘোরে ঘুমাচ্ছে। ঈশা নড়লেই তার ঘুম ভেঙ্গে যাবে। তাই সে নড়তেও পারছেনা। ওভাবেই শুয়ে ভাবছে। ইভানের এভাবে জড়িয়ে ধরাতে এক অদ্ভুত অনুভুতি হচ্ছে। খারাপ লাগছেনা। একটু ভেবে তার ঠোটের কোণে একটা তৃপ্ত হাসি ফুটে উঠলো। ইভান জেগে থাকলে এই হাসি দেখে হয়ত ঈশার মনের কথা বুঝে যেত। কিছুক্ষন এভাবে থাকার পর ইভান একটু নড়ে উঠলো। এতে ইভানের হাতের বাধন আলগা হয়ে গেলো। ঈশা উঠে বসলো। ইভানের চোখ খুলে গেল। সে ঈশাকে বসতে দেখে তার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলো। ঈশা তার দিকে না তাকিয়েই জিজ্ঞেস করলো
–তুমি এখানে?
ইভান কোন কথা বলল না। নিস্পলক ঈশার দিকে তাকিয়ে থাকলো। ঈশা তার চুপ করে থাকা দেখে আর কোন কথা বলল না। বিছানা থেকে নেমে ওয়াশ রুমের দিকে যেতেই ইভান বলল
–থ্যাঙ্ক ইউ জান!
ইভানের কথা বুঝতে না পেরে ঈশা পিছনে ঘুরে তাকায়। ইভান ঈশার বালিশটা জড়িয়ে ধরে তার দিকে তাকিয়ে ঠোঁট কামড়ে হাসছে। ঈশা ভ্রু কুচকে তাকাল। ইভান আবার বলল
–কাল রাতে এতো সুন্দর একটা মুহূর্ত গিফট করার জন্য।
ঈশা কিছুই বুঝতে পারলনা। ইভানের দিকে কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে থাকলো। ইভান উঠে বসে বালিশটা জড়িয়ে ধরে একটু হেসে বলল
–তুই এতো রোমান্টিক আমার সত্যিই ধারনা ছিলোনা।
ইভানের কথা শুনে ঈশার চোখ বড় বড় হয়ে গেলো। ইভান উলটা পাল্টা কথা বলে তাকে জালাবে সেটা সে বুঝতে পেরে নিজেকে স্বাভাবিক করে নিয়ে বলল
–সকাল সকাল কি মাথাটা খারাপ হয়ে গেলো? উলটা পাল্টা কথা বলছ।
ইভান বালিশটা ছুড়ে ফেলে দিয়ে ঈশার সামনে গিয়ে দাঁড়ালো। এক আঙ্গুল দিয়ে কপাল থেকে ছোট ছোট চুল গুলো সরিয়ে দিয়ে বলল
–আপনি যেভাবে আমাকে আদর করেছেন তার জন্য অনেক ধন্যবাদ!
ইভানের কথা শেষ হতেই ঈশা একটু জোরেই বলল
–মানে?
ইভান একটুক্ষণ ঈশার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল
–তুমি যদি সত্যিই কাউকে এতো ভালবাস তাহলে সেটাকে সম্পূর্ণ ভাবে ভালবাস। নিজের সবটা দিয়ে ভালবাস। সব থেকে বড় কথা সেটাকে প্রকাশ করতে শেখ। দেখাতে শেখ যাতে সামনের মানুষটাও বুঝতে পারে যে তুমি তাকে কতটা ভালবাস।
ইভানের কথার মানে ঈশা কিছুই বুঝতে পারলনা। বিরক্ত হয়ে বলল
–এভাবে হেয়ালি না করে যা বলতে চাও স্পষ্ট করে বল।
ইভান একটু হেসে টেবিলে থাকা মোবাইল টা হাতে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যেতে যেতে বলল
–কিছুনা। তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে খেতে আয়।
বলেই বের হয়ে যেতে নিলে কি মনে করে আবার পিছনে ঘুরে তাকায়। ঈশা তার দিকে তাকিয়ে আছে। তার মুখে এক অদ্ভুত হাসি। আজ প্রথমবার মনে হচ্ছে ইভানের ঈশাকে বুঝতে কষ্ট হচ্ছে। ঈশার সেই হাসির মানে সে কিছুতেই বুঝতে পারছেনা। ভ্রু কুচকে তাকিয়ে আছে। ঈশা তার হাসিটা প্রশস্ত করে ওয়াশ রুমে চলে গেলো। ইভান ভ্রু কুচকে দাড়িয়ে তার সেই হাসির রহস্য বুঝতে চেষ্টা করছে।

২৮
আজ ইভানের অফিস ছুটি। সে সারাদিন বাসায় বসেই অফিসের কাজ করছে। সকালে খেয়ে ঘরে গিয়েছে তারপর থেকেই কাজে ব্যস্ত। ঘর থেকে বের হয়নি। ঈশা ইভানের কথা ভাবছে। এই মুহূর্তে তার ইভানের সাথে কথা বলা দরকার। কারন ঈশা বুঝতে পারছে কাল রাতের পর ইভানের রাগ অনেক টা কমে গিয়েছে। কিন্তু তার অভিমানটা ভাংতে হবে। যতক্ষণ সে তাকে ওই চেনটা পরিয়ে দেয়নি ততক্ষন পুরপুরি তার অভিমান ভাংবেনা। সেটাই এখন ঈশার লক্ষ্য। ইভানের হাতে আবার সেই চেনটা পরিয়ে নেয়া। আর সেটার জন্য তাকে কি করতে হবে তা সে খুব ভালভাবে জানে। নিঃশব্দে হেসে সে ইভানের ঘরের দিকে গেলো। দরজায় দাড়িয়ে দেখছে। ইভান মনোযোগ দিয়ে বিছানায় হেলানি দিয়ে ল্যাপটপে কাজ করছে। ঈশা ধির পায়ে এগিয়ে গিয়ে ইভানের সামনে বসলো। ইভান তার উপস্থিতি বুঝতে পেরে ঈশাকে দেখে মুচকি হেসে আবার কাজে মনোযোগ দিলো। ঈশা অবাক হল। সে এমন একটা আচরণ করলো যেন জানতো ঈশা আসবে। ইভান ল্যাপটপের দিকে তাকিয়েই বলল
–যেই ভালোবাসা যত গোপন সেই ভালোবাসা তত গভীর। তোরটাও কি এমন?
ঈশা তার দিকে তাকিয়ে বলল
–কাল রাতে কি করেছি আমি?
ইভান ল্যাপটপ থেকে চোখ তুলে বলল
–শুনতে পারবি তো?
ঈশা একটু বাকা হেসে বলল
–তোমার হাতে প্রথম বার থাপ্পড় খেয়েও হজম করতে পেরেছি। এখন কি এমন বলবে যা শুনতে পারবোনা।
কথাটা শুনে ইভানের একটু রাগ হল। কিন্তু সে এই মুহূর্তে ঈশার উপরে রাগ করতে চাইছেনা। এমনিতেই কয়েকদিন রাগ করে ঠিক মতো কথা বলেনি। ইভান ল্যাপটপ টা বন্ধ করে ঈশার দিকে তাকিয়ে বলল
–থাপ্পড় টা কেন মেরেছি সেটা তুই খুব ভালো করেই জানিস। আর সেটার জন্য আমি কোন ভাবেই সরি না।
ঈশা একটু রাগ করে বলল
–আমি যেটা জানতে এসেছি সেটা বল।
সে ঈশার চোখে চোখ রেখে বলল
–তুই এখন আমার উপরে রাগ করে আছিস। কিন্তু আমি আমার কাজের জন্য তোকে সরি বলবনা। কারন তুই অপরাধ করেছিস আর আমি শাস্তি দিয়েছি। এটা ছাড়া আর কিভাবে তোর রাগ ভাঙ্গাতে পারি? তুই চাইলে নিজের জানটা বের করে তোর হাতে ধরিয়ে দিবো। লাগবে?
ইভানের কথাটা ঈশার হৃদয় ছুয়ে দিলো। এক রাশ ভাললাগা ছুয়ে গেলো সারা শরীরে। ইভানের দিকে নিস্পলক চেয়ে থাকলো। ইভানও তার দৃষ্টি ঈশার দিকে রেখেছে। ইভান একটু হাসল। তার হাসি দেখে ঈশা মুগ্ধ হয়ে গেলো। না চাইতেও ঈশার ঠোটের কোণে হাসি ফুটে উঠলো। ইভান একি অবস্থা থেকেই মুখে হাসি নিয়ে বলল
–একেকজনের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ একেক রকম। কারওটা সফট। কারও বেলায় খুবই অ্যাংরি। কারওটা কখনও কখনও স্বেচ্ছাচারিতার পর্যায়েও পড়ে। কেউ অধিকার খাটায়। আবার কেউ নিরবে ভালবেসে যায়। আমার ভালোবাসা তোর প্রতি হয়ত একটু রুড। কিন্তু বিশ্বাস কর আমি তোকে সবটা উজাড় করে ভালবাসি। তোর স্বপ্ন তোর অনুভুতি সবটা আমার জানা হয়ে গেছে। আমি তোর নিশ্বাস শুনেই বলতে পারি তুই কি ভাবিস। তোর চোখ দেখে বলতে পারি তোর সমস্ত না বলা কথা। তোর এই নিরব ভালোবাসা টাই নাহয় আমার জন্য বরাদ্দ থাকলো। বলতে হবেনা ‘ভালবাসি’। এই শব্দটা তোর অনুভূতির চেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ না। আমার প্রতি তোর সমস্ত অনুভুতি একটু প্রকাশ করলেই হবে। আমি তোকে আর তোর সেই অনুভুতি নিয়েই সারা জীবন কাটিয়ে দিবো।
ইভানের কথা শুনে ঈশা আর তার দিকে তাকিয়ে থাকতে পারলনা। চোখ নামিয়ে উঠে যাওয়ার জন্য পা বাড়াতেই ইভানের কথা শুনে থেমে গেলো
–কাল রাতের অনুভুতি প্রকাশের ধরনটা কিন্তু সত্যিই অনেক ভালো ছিল। বেশি চাইনা। প্রতিদিন এরকম একবার করে ভালোবাসার স্পর্শ পেলেই আমার চলবে।

ঈশা তার দিকে ছোট ছোট চোখে তাকাল। ইভান ঈশার কাছে এসে দাঁড়ালো। ঈশা একটু রেগে বলল
–কি বলছ এসব?
–যা করেছিস তাই বলছি।
–কি করেছি?
ঈশা একটু কাপা গলায় বলল। ইভান ঈশার আরও একটু কাছে গিয়ে তার ঠোঁটে এক আঙ্গুলে স্লাইড করতে করতে বলল
–এই উষ্ণ ভালোবাসার প্রথম স্পর্শ আমাকে এক অন্য রকম নেশার জগতে নিয়ে গিয়েছিলো। যেখানে ছিল এক অনাবিল স্বর্গীয় সুখ। আর সীমাহীন ভালোবাসার অনুভুতি।
ঈশা অপ্রস্তুত হয়ে ইভানের কাছ থেকে একটু দূরে গিয়ে কাপা কাপা গলায় বলল
–তু…তুমি মিথ্যা বলছ।
ইভান একটু কঠিন গলায় বলল
–জানতাম তুই বিশ্বাস করবিনা। সেই জন্যই বলতে চাইনি।
ঈশা কোন কথা বলল না। ইভানের দিকে তাকিয়ে থাকলো। ইভান ঈশার আরও একটু কাছে এসে বলল
–তোর মাঝে জমে থাকা এই অনুভুতি গুলো প্রকাশ করলে ক্ষতি নেই তো। বরং লাভ আছে।
ঈশা ইভানের চোখের দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলো। তারপর নিজেই তার আর একটু কাছে আসলো। ঈশার এভাবে কাছে আসা দেখে ইভান একটু অবাক হল। বুঝতে চাইছে ঈশা ঠিক কি করতে চাইছে। ঈশা ইভানের মুখের কাছে নিজের মুখ এনে বলল
— এতোটা কাছে এসনা যাতে তোমার এই পারফিউমের ঘ্রান আমাকে পাগল করে দেয়।
কথাটা শেষ করেই ঈশা তার দিক থেকে উলটা ঘুরে দাঁড়ালো। দরজা খুলে একটু দাড়িয়ে মুচকি হেসে আবার তার দিকে ঘুরে বলল
–আর হ্যা! এভাবে রাতের অন্ধকারে ঘুমের ঘোরে ভালোবাসার স্পর্শ নেয়াটাকে সুযোগ নেয়া বলে। জাগ্রত অবস্থায় এইভাবে স্পর্শ করতে বাধ্য করাকে সাহস বলে। পারলে সাহস করে দেখাও।
বলে সেই সকালের রহস্যময় হাসি দিয়ে চলে গেলো। এই দিকে তার যাওয়ার পর ইভান ভাবতে লাগলো ঈশার কথার মানে। এসব কি বলে গেলো। সব তার মাথার উপর দিয়ে গেলো।

চলবে……।

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ