Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"তোমাতেই পূর্নতাতোমাতেই পূর্নতা পর্ব-১৩ এবং শেষ পর্ব

তোমাতেই পূর্নতা পর্ব-১৩ এবং শেষ পর্ব

#তোমাতেই_পূর্নতা
#শেষপর্ব
#লেখিকা_নিদ্রানী_নিদ্রা

রাতুল তার ফ্রেন্ড সাহেলকে বর্ষার বাসার খোঁজ নিতে বলে । সাহেল একদিন তিন্নি আর বর্ষাকে অনুসরণ করতে করতে রিয়ানদের বাসার সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। সাহেল ভেবে নেয় এটাই বর্ষাদের বাসা । সাহেল রাতুল কে রিয়ানদের বাসার ঠিকানা দিয়ে দেয় ! রাতুল তার আম্মুকে গিয়ে বলে ,

” আম্মু বর্ষার বাসার ঠিকানা পেয়ে গেছি !

রাতুলের আম্মু খুশি হয়ে বলে ,

” তাহলে আজ বিকেলেই ওদের বাসায় যাব।

” ঠিক আছে আম্মু !
__________________

আজ রিয়ান অফিসে যায় নি । মায়ের সাথে সোফায় বসে কিছু নিয়ে আলোচনা করছে । তিন্নি আর বর্ষা উপরে বসে দুষ্টামি করছে । রিয়ান তার আম্মুকে বলল ,

” আম্মু আজকে …..

কথাটা শেষ করার আগেই কলিং বেল বেজে উঠল । রিয়ান দরজার দিকে তাকিয়ে বলল ,

” এখন আবার কে এলো ?

” দরজাটা খুলে দেখ কে এসেছে !

রিয়ান মায়ের কথায় দরজা খুলে দেখল একজন মধ্যবয়স্ক মহিলা । মহিলার পাশে এক তরুণ যুবক দাঁড়িয়ে আছে । রিয়ান সামনে থেকে সরে দাঁড়িয়ে বলল ,

” আসুন , ভেতরে আসুন ।

দুজন ভিতরে আসল । রিয়ান তার আম্মুর দিকে তাকিয়ে ইশারায় বলল ,

” এরা কারা ।

রিয়ানের আম্মু ইশারায় বলল ,

” চিনে না ।

রিয়ানের আম্মু মধ্যবয়স্ক মহিলাটিকে বললেন ,

” আপনাদের তো চিনলাম না ! আপনারা ….

কথা শেষ হওয়ার আগেই মধ্যবয়স্ক মহিলাটি বেশ উৎফুল্ল হয়ে বলে উঠলো ,

” চেনা জানা তো লেগেই থাকবে । তার আগে আসল কথায় আসি । এটা হলো আমার ছেলে রাতুল ।

মহিলার কথায় রিয়ান আর রিয়ানের আম্মু রাতুলের দিকে তাকালো । তারপর মহিলাটি আবারও বলে উঠলো ,

” আসলে আমার ছেলের আপনার মেয়েকে অনেক পছন্দ হয়েছে তাই একেবারে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসলাম ।

” আপনারা জানিয়ে আসলে ভালো হতো । আমরা তো এইসব কিছুর জন্য প্রস্তুত ছিলাম না ।

তারপর রিয়ানের দিকে তাকিয়ে বলল ,

” রিয়ান বর্ষাকে গিয়ে বল ওদের জন্য নাস্তার আয়োজন করতে ।

আচ্ছা বলে রিয়ান উপরে চলে গেল । রিয়ানের আম্মু আর রাতুলের আম্মু বসে বসে একজনের ছেলে ও মেয়ে সম্পর্কে কথা বলছে । রিয়ান বর্ষার কাছে এসে বলল ,

” বর্ষা নিচে গিয়ে মেহমানের জন্য নাস্তা তৈরি করো

তিন্নি রিয়ানের দিকে তাকিয়ে বলল ,

” এখন আবার কোন মেহমান এল ভাইয়া ?

” শুনলাম তোকে দেখতে এসেছে। তুই রেডি হয়ে থাক বর্ষা এসে তোকে নিয়ে যাবে।

মূহুর্তের মধ্যে তিন্নির মনে কালো মেঘের আঁধার নেমে এলো । তিন্নি অশ্রুসিক্ত নয়নে রিয়ানের দিকে তাকিয়ে বলল ,

” কিন্তু ভাইয়া আমি তো এখন বিয়ে করতে চাই না !

” দেখতে আসলে তো আর বিয়ে হয়ে যাবে না । তুই রেডি হয়ে থাক ।

বর্ষা অবিশ্বাস্য চোখে রিয়ানের দিকে তাকিয়ে আছে। রিয়ান বর্ষার দিকে তাকিয়ে বলল ,

” তুমি এখানে বসে আছো কেন ? নিচে চল !

বর্ষা শাড়ির আঁচল দিয়ে মাথায় বড় করে ঘোমটা দিয়ে রিয়ানের সাথে নিচে নেমে গেল । ঘোমটা দেওয়ার কারণে বর্ষা রাতুল কে দেখতে পেল না । বর্ষা , রিয়ান চলে যেতেই তিন্নি স্তব্ধ হয়ে বসে রইল । অনেকক্ষণ বসে থাকার পর ফোনটা হাতে নিয়ে শুভকে কল দিল । শুভ কল রিসিভ করতেই তিন্নি বলে উঠলো ,

” কোথায় আপনি ?

তিন্নির কথায় শুভ হাস্যজ্জ্বল কন্ঠে বলল ,

” কেন ? এখন তোমাদের বাসায় গিয়ে তোমাকে দেখা দিতে বলবে নাকি ? দেখ আমি কিন্তু এখন কোথায় যেতে পারবো না ।

তিন্নি অসহায় ভাবে বলল ,

” আমাকে পাএ পক্ষ দেখতে আসছে !

শুভ কথাটা শুনে অনেকক্ষণ স্তব্ধ হয়ে থেকে দু চোখ বন্ধ করে শান্ত কন্ঠে বলল ,

” রেডি হয়ে পাএ পক্ষের সামনে যাও ।

” আমার যদি বিয়ে হয়ে যায় ! আমাকে কি একটু ও ভালোবাসেন নি ?

” বিয়ে হবে না তুমি যাও !

” আমি আপনাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ে করবো না । শুনছেন ? ভালোবাসি আপনাকে !

শুভ কিছু না বলে কলটা কেটে দিল । তিন্নি চুপ করে বসে থেকে ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এসে একটা শাড়ি পড়ল । হালকা একটু সাজুগুজু করে বসে রইল । বর্ষা কিছুক্ষণ পর এসে বলল ,

” কিরে মুখটা পেঁচার মতো করে বসে আছিস কেন ?

তিন্নি অশ্রুসিক্ত চোখে তাকিয়ে বলল ,

” বিশ্বাস কর বর্ষা , আমি তর ভাইয়াকে সত্যি ভালোবাসি ! ভীষণ ভাবে ভালোবাসি। আমার ভালোবাসায় কোনো খাদ নেই । আমি এই কথা গুলো আবেগের বশে বলছি না।

বর্ষা স্মিথ হেসে বলল ,

” আমি জানি তুই ভাইয়াকে ভালোবাসিস । তোর চোখে আমি ভাইয়ার জন্য ভালোবাসা দেখেছি । এখন তো বিয়ে হয়ে যাচ্ছে না । নিচে আয় ।

বর্ষা তিন্নিকে সাথে নিয়ে নিচে নেমে গেল। ওরা নিচে যেতেই রাতুল তিন্নির দিকে তাকিয়ে বলল ,

” তিন্নি তুমি ?

রাতুলের কন্ঠে তিন্নি বিস্ময়ে রাতুলের দিকে তাকালো । বর্ষা মাথায় ঘোমটা সরিয়ে রাতুল দিকে তাকাতেই রিয়ানের আম্মু বলে উঠলো ,

” এই তো আমার মেয়ে তিন্নি ! এতে এতো অবাক হওয়ার কি আছে ?

রাতুল বিস্ময়কর দৃষ্টিতে রিয়ানের আম্মুর দিকে তাকিয়ে বলল ,

” তাহলে বর্ষা কে ?

” বর্ষা আমার ছেলের বউ !

রাতুল হতবাক হয়ে বসে পড়ল । রাতুলের আম্মু অবাক স্বরে বলল ,

” আমরা তো বর্ষাকে দেখতে আসছি !

রিয়ান , বর্ষা এতক্ষণ চুপ থেকে ওদের কথা শুনছিল । রাতুলের আম্মুর কথায় দুজনে একসাথে বলল ,

” কিহহহ !

পরিবেশটা নিস্তব্ধ । সবাই চুপ করে আছে আছে । কারো মুখে কোন কথা নেই । বর্ষা মনে মনে ভাবছে “”””””””””” তাহলে রাতুল ভাইয়া আমাকে যেই মেয়েটির কথা বলত সেই মেয়েটি আমি নিজেই “””””””” কথাটা মনে আসতেই বর্ষা চমকে রাতুলের দিকে তাকালো । রাতুল বর্ষার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে । কি মায়াভরা দৃষ্টি ! চোখে প্রেয়সীকে হারানোর বেদনা । দুজনের চোখাচোখি হতেই বর্ষা চোখ নামিয়ে নিল ।

কিছুক্ষণ পর রাতুল নিজেকে সামলিয়ে উঠে বলল ,

” আমাদের ভুল হয়েছে । না জেনে- শুনে আমরা এখানে এসে পড়ছি । আপনাদের বিব্রত করার জন্য দুঃখিত ।

তারপর বর্ষার দিকে তাকিয়ে বলল ,

” সরি বর্ষামনি !

বর্ষা মাথা নিচু করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকল কোন কথা বলল না । রাতুল ও তার আম্মু আবারও ক্ষমা চেয়ে চলে গেল ।

____________________

বর্ষা রিয়ানের বুকে মাথা রেখে রিয়ানকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে । রিয়ান বর্ষাকে বলল ,

” রাতুল যে তোমাকে ভালোবাসত তুমি জানতে না ?

” নাহ । আমি তো কখনো বুঝতেই পারিনি রাতুল ভাইয়া আমাকে ভালোবাসেন ।

” তোমাকে বলেনি ?

” বলেছিল কোনো এক রাজকন্যাকে ভালোবাসেন। কিন্তু সেটা যে আমি , তা কখনো বলেনি ।

রিয়ান বর্ষাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল ,

” তুমি আমার ! আমার পূর্নতা । আমার ভালোবাসা তুমি। আমাকে ছেড়ে কখনো যেও না ।

” আমি আপনাকে ছেড়ে কখনো যাব না।

_____________

রিয়ান আর শুভ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে এক অচেনা রাস্তার মোড়ে । সম্পূর্ণ রাস্তায় নীরব , নির্জন । রিয়ান শুভর পিঠে কিল দিয়ে বলল ,

” কবে থেকে চলছে এসব ?

শুভ বুঝতে না পেরে বলল ,

” কোন সব ?

” আমার বোনকে পটিয়ে ফেললি আর আমি বুঝতে ও পারলাম না । কি সাংঘাতিক তুই !

শুভ মুচকি হেসে বলল ,

” আমি তো পটাইনি । সেই আমাকে পটিয়েছে !

রিয়ান চোখ বড় বড় করে বলল ,

” সত্যি ?

পরক্ষনেই বলল ,

” কেউ তোকে পটাতে চাইলো ‌। অমনি তুই ও পটে গেলি।

শুভ দীর্ঘশ্বাস নিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল,

” ভালোবেসেছি !

রিয়ান অভিজ্ঞদের মতো বলল ,

” হুম বুঝলাম ! তোদের ভালোবাসাকে এবার পরিপূর্ণ করতে হবে ।

_________________

বর্ষা , তিন্নি কলেজে পৌঁছাতেই রাতুল বর্ষার সামনে এসে দাঁড়ালো । বর্ষা রাতুলকে দেখে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার জন্য পা বাড়াতেই রাতুল বলল ,

” বর্ষামনি !

বর্ষা সেখানে স্থির ভাবে দাড়িয়ে রইল । রাতুল বর্ষার সামনে এসে বলল ,

” আমি চলে যাচ্ছি !

বর্ষা চমকে প্রশ্ন করল ,

” কোথায় ?

” আমেরিকা ।

” কেন যাচ্ছেন ?

রাতুল অদ্ভুত হেসে বলল ,

” এখানে থাকলে হয়তো কোনো না কোনো ভাবে আমার প্রেয়সীর সাথে দেখা হবে । প্রেয়সীর পাশে থাকবে তার স্বামী । এটা আমি কীভাবে সহ্য করবো বল ?

বর্ষা প্রসঙ্গ পাল্টে বলল ,

” কবে যাচ্ছেন ?

” সামনের শুক্রবার।

” আর তিনদিন পর ?

” হুম !

” আচ্ছা ভালো থাকবেন !

বলেই বর্ষা পিছন ফিরে হাঁটা ধরল । রাতুল তাকিয়ে রইল তার প্রেয়সীর দিকে । কত স্বপ্নই না দেখেছিল তার প্রেয়সীকে নিয়ে !

********** তিন বছর পর *********

বর্ষা , রিয়ান একপাশে দাঁড়িয়ে আছে ‌ । তিন্নির কোলে আছে বর্ষার ছেলে নিলয় । শুভ ওদের জন্য আইসক্রিম আনতে গেছে । বর্ষার ছেলের বয়স দুই বছর । তিন্নি তিন মাসের প্রেগন্যান্ট । দুই পরিবারের সম্মতিতে ওদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে । শুভ আইসক্রিম আনতে নিলয় বলল ,

” মামা আইতকিম খাব , আইতকিম খাব ।

শুভ হেসে বলল ,

” আইসক্রিম খাওয়া ভালো না । তোমাকে আমি চকলেট এনে দিব ।

ছোট্ট নিলয় তিন্নির দিকে তাকিয়ে বলল ,

” ফুপি দেখো মামা আমাকে আইতকিম দিচ্ছে না ।

তিন্নি শুভকে বলল ,

” ওকে আইসক্রিম দিয়ে দিন না । না হলে এখনই কেঁদে দিবে ।

শুভ নিলয় কে আইসক্রিম দিয়ে তিন্নিকে বলল ,

” কয়েকদিন পর নিলয়ের মতো একজন আমাকে বলবে ” আব্বু আইতকিম খাব, আইতকিম খাব ।

তিন্নি খুশি মনে বলল ,

” হুম। আর আপনি যখন দিতে চাইবেন না তখন আমাকে অভিযোগের স্বরে বলবে ” আম্মু দেখো আব্বু আমাকে আইতকিম দিচ্ছে না ।

বলেই দুজন হেসে উঠলো । ওদের হাসতে দেখে ছোটো নিলয়ও কিছু না বুঝে হাসতে লাগলো ।

রিয়ান বর্ষার খোপায় বেলি ফুলের মালা পড়িয়ে দিচ্ছে । বর্ষা সামনে তাকিয়ে ছোট ছোট বাচ্চাদের খেলা দেখছে।

রিয়ান ফুলের মালা বিক্রেতা কে টাকা দিতে যেতেই একটা পাঁচ-ছয় বছরের ছেলে বর্ষার হাতে একটা ফুলের তোড়া দিয়ে দৌড়ে চলে গেল । বর্ষা ফুলের তোড়ার দিকে তাকিয়ে একটা চিরকুট দেখতে পেল । বর্ষা চিরকুট খুলে দেখল ,

” বর্ষামনি ! খুব ভালোবাসি তোমাকে । তোমার স্বামী ভাগ্যবান তাই তো তোমাকে পেল । আমি ও তোমাকে পেয়েছি ! কীভাবে জানো ? আমার হৃদয় মাঝে । বাস্তবে তুমি আমার না হলেও কল্পনায় তুমি আমার। শুধুই আমার ,আমার – তুমি! অপূর্নতার মাঝেও পূর্নতা ।

****** সমাপ্ত******

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ