Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"কানামাছি পর্ব-০৭

কানামাছি পর্ব-০৭

#কানামাছি
#পার্টঃ৭
#জান্নাতুল কুহু (ছদ্মনাম)
—”কি অদ্ভুত না?নিজের প্রাক্তন আর ভবিষ্যতে যে আসবে তার দেয়া উপহার একই হাতে পরা! জীবনটা খুব বিচিত্র”

সাঁঝ কথাটা বলে পশ্চিম আকাশে ডুবতে থাকা সূর্যের দিকে তাকালো। আকাশে লাল, গোলাপি আভা ছড়িয়ে আছে। কিছু কিছু মেঘের গায়ে গোলাপি আভা লেগে দেখতে হাওয়াই মিঠাই এর মতো লাগছে। সাঁঝে মনে হলো একটা কাঠি নিয়ে গিয়ে একটু মেঘকে কাঠির মাথায় আটকে দিব্যি হাওয়াই মিঠাই হিসেবে খাওয়া যাবে।

আর ইহান সাঁঝের দিকে তাকিয়ে আছে। হালকা বাতাসে চুল উড়ছে। একটা খয়েরী রঙের শাড়ি পরে আছে। সাঁঝকে কেমন যেন নিজের বউ বউ লাগছে! ইহান জিজ্ঞেস করলো,

—” ভালোবাসতে প্রাক্তনকে?”

—” সে বাসতো”

—” তুমি তো বাসতে না। সেটাই যথেষ্ট”

সাঁঝ একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো,

—” আপনার খারাপ লাগছে না? আমি যে প্রাক্তনের কথা বলছি তার দেয়া উপহার হাতে পরে আছি সেটা নিয়ে?”

ইহান ছাদের রেলিঙে উল্টো হয়ে হেলান দিয়ে বুকে হাত গুজে বলল,

—” নাহ খারাপ লাগবে কেন? তোমার ভালোবাসার পুরোটাই তোলা আছে। সেটা হাসিল করে নেয়ার ব্যাপারটা আমার”

—” বাহ এতো confidence?”

—” কেন নয়? তোমার হাতটা দাও তো”

সাঁঝ নিজের হাতটা এগিয়ে দিলো। নিজের হাতের দিকে তাকিয়ে নিজেই অবাক হয়ে গেলো। একই সাথে অনিকের দেয়া ব্রেসলেট আর আজকে ইহানের মায়ের দেয়া চুড়ি পরে আছে! সে নিজেও জানেনা কি উদ্দেশ্যে অনিকের দেয়া ব্রেসলেটটা পরেছে। যদিও সেই হার্ট শেপটা নেই। সেটা ফেলে দিয়েছে। কিন্তু
তবুও এটা অনিকের দেয়া। হয়ত ইহানকে ভড়কে দেয়ার উদ্দেশ্য এটা পরেছে। মা তাকে ঝামেলা করতে মানা করেছে কিন্তু ইহানকে পরীক্ষা করতে মানা করেনি। বিয়ের আগে বরকে একটু টেস্ট করায় যায়।

ইহান কিছুক্ষণ হাতের দিকে তাকিয়ে থেকে ব্রেসলেটটা খুলতে থাকলো। সাঁঝ কোন প্রতিরোধ করলো না। খোলা হয়ে গেলে বলল,

—” এটা না থাকায় ভালো। অতীতকে অতীতে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাই?”

—” হুম”

ইহান ব্রেসলেটটা ছুড়ে পাঁচ তালার ছাদ থেকে ফেলে দিলো। সাঁঝ জিজ্ঞেস করলো,

—” ফেলে দিলেন?”

—” হুম ”

—” আমি মজা করছিলাম। ওটা প্রাক্তনের দেয়া ছিলো না। আমার কোন প্রাক্তনই ছিলো না”

—” জানি”

সাঁঝ এতোক্ষণে অবাক হলো। জিজ্ঞেস করলো,

—” কিভাবে জানেন?”

—” প্রাক্তন থাকবে তার দেয়া উপহারও হাতে পরে থাকবে কিন্তু চোখে মুখে কোন ভালোবাসার আভা দেখা যাবে না এটা তো হতে পারে না। যারা ভালোবেসে হারিয়ে ফেলে তাদের চোখে বেদনা স্পষ্ট থাকে। তোমার চোখে নেই সেটা”

—” বাহ আপনি দেখছি mind reading জানেন”

ইহান সাঁঝের চোখের দিকে তাকিয়ে বলল,

—” হ্যা চোখের দিকে তাকিয়ে পিছনের অনেক কিছুই বলতে পারি আমি”

সাঁঝ চোখ সরিয়ে নিলো। চোখ সরানোর একমূহুর্ত পরে মনে হলো সে কি ভয় পেলো ইহানের কথায়? চোখ দেখে ইহান তার অতীতের অনেক কিছু জেনে যাবে এটার ভয়েই কি চোখ সরিয়ে নিলো? ঠিক করলো আবার তাকাবে। বিয়েটা করছে মায়ের কথায় বাধ্য হয়ে। এই সম্পর্ক নিয়ে খুব বেশি আশা নেই। ইহান সব জেনে যদি ছেড়েও দেয় তাতেও তার তেমন কিছু যাবে আসবে না। ইহানের প্রতি তার মায়া, মমতা,ভালোবাসা কিছুই নেই। তাই ইহানকে ছাড়তে তার কষ্ট হবে না।

সাঁঝ আবার তাকিয়ে দেখলো ইহান তার দিকে এখনো তাকিয়ে আছে। কিন্তু এই দৃষ্টিতে কিছুটা মুগ্ধতা আছে হয়তো। সেজন্য সাঁঝ লজ্জা পেয়ে চোখ সরিয়ে নিলো। নিজেই অবাক হলো সে লজ্জা পাচ্ছে? ভাবা যায়! তারপর আড়চোখে দেখলো ইহান অন্যদিকে তাকিয়েছে। সে ইহানের দিকে তাকিয়ে বলল,

—” চোখের দিকে তাকিয়ে সবাইকে খোলা বই ভাববেন না। যাকে খোলা ভাবছেন হতে পারে সেটা রহস্যে ঘেরা ধাঁধায় পরিপূর্ণ একটা বই!”

—” হুম হতে পারে। কিন্তু সব ধাঁধার সমাধান ঠিকই থাকে।”

ইহানের কথার কোন জবাব না দিয়ে সাঁঝ আকাশের দিকে ইশারা করে বলল,

—” দেখুন ঐ মেঘগুলোকে হাওয়াই-মিঠায়ের মতো লাগছে। ইচ্ছা করছে এনে খেয়ে নিই”

ইহান মেঘের দিকে তাকালো। সাঁঝের কথায় হাসি পেলো কিছুটা। সাঁঝের ভাবনার মধ্যে বাচ্চামী লুকিয়ে আছে অনেকটা। সে বলল,

—” যদি ইচ্ছা হয় তাহলে খেয়ে নেয়া উচিত। ইচ্ছাকে পুষে রাখার কোন মানে হয়না।”

—” কিভাবে?”

—” ওয়েট”

সাঁঝ ইহানের কাজ দেখতে থাকলো। ইহান ছাদে খুঁজে খুঁজে একটা কাঠি বের করলো। তারপর সেটা নিয়ে হাতটা উঁচু করে কাঠিটা ঘুরাতে থাকলো। দূরে থেকে দেখলে মনে হবে মেঘকে কাঠির চারপাশে পেচিয়ে নিচ্ছে। এরপর সাঁঝের সামনে এনে বলল নাও খাও তোমার হাওয়াই মিঠাই। সাঁঝ একটু হেসে সেই অদৃশ্য হাওয়াই মিঠাই খেতে থাকলো।
কারোর কাশির শব্দ শুনে পিছনে তাকিয়ে দেখলো ইশিতা দাঁড়িয়ে আছে। জিজ্ঞেস করলো,

—” আসবো?”

সাঁঝ কিছু বলার আগেই ইহান বললো,

—” এই যে পেত্নীর আগমন হয়েছে। এসে যখন পড়েছেন তখন আসেন”

ইশিতা তাদের কাছে এসে জিজ্ঞেস করলো,

—” খাওয়া দাওয়া হলো?”

সাঁঝ আর ইহান একে অপরের দিকে তাকালো। ইশিতা আবার জিজ্ঞেস করলো,

—” তা কি খেলেন যদি আমাকে একটু বলতেন। আমি আসলে কোন খাবার দেখতে পাচ্ছি না কিন্তু খেতে দেখছি”

ইহান বললো,

—” তোর এতো কিছু দেখতে হবে কেন? খেতে দেয় না বাসায় তোকে?”

ইশিতা একটু রেগে বলল,

—” এই তুই একদম কথা বলবি না। খুব তো আমাকে বিয়ে দিয়ে তাড়াতে চাচ্ছিলি। এখন ভাবী আসছে। দেখি তুই কেমন করে আমাকে তাড়াস। ”

ইহান বাঁকা হেসে বলল,

—” হ্যা তোর ভাবী এসেছে এবার আমরা দুজন মিলে তোর বর খুঁজবো”

ইশিতা এবার মুখ ফোলালো। সাঁঝ সেটা দেখে হেসে বলল,

—” নিচে কি আমাদের ডাকছে?”

—” হ্যা ভাবী এখন ডাকছে”

—” আচ্ছা চলো তাহলে সবাই”

সাঁঝ, ইহান আর ইশিতা সিড়িঘরের কাছে আসার পরে ইহান সাঁঝের দিকে নিজের হাত বাড়িয়ে বলল,

—” শাড়ি পরে নামতে অসুবিধা হবে না তো?”

সাঁঝ কিছুটা অবাক হলো। বাবার পরে এভাবে কতদিন পরে আবার একজন তাকে জিজ্ঞেস করলো। কিন্তু কারোর সাহায্য নেয়ার অভ্যাসটা এখন চলে গেছে। সে বলল,

—” না আমি সামলে নিতে পারবো”

ওরা তিনজন মিলে বাসায় চলে আসলো। ড্রয়িংরুমে অনেক মানুষজন বসে আছে। সাঁঝের মা, তার স্বামী, সাঁঝে সৎ ভাই-বোন, ফুফা-ফুফু, ইহানের পরিবার সবাই আছে। তারা আসতেই ইহানের মা একটা উষ্ণ হাসি দিয়ে সাঁঝের হাত ধরে টেনে একটা সোফায় নিজের পাশে বসিয়ে দিলো। আরেক পাশে ইহান বসলো। ইহানের মা একহাত দিয়ে সাঁঝকে জড়িয়ে ধরে সবার সাথে কথা বলতে থাকলো বিয়ের সব বিষয় নিয়ে।
সাঁঝ উৎসুকভাবে সব দেখছে। বাড়িতে কারোর বিয়ে হলে সবাই কি এতো খুশি হয়? দেখে মনে হচ্ছে সবাই কত খুশি! শুধু তার অনুভূতি শূন্য।
হঠাৎ সাঁঝের মনে হলো বিয়ের কনেদের বিয়ের আলোচনার সময় মাথা নিচু করে বসে লজ্জা পাওয়া উচিত। কিন্তু তার কোন লজ্জাই লাগছে না। বরং সবার কথা আর আয়োজনের ব্যবস্থা শুনে মজা লাগছে। কোন কোন কথার মাঝে বলতে ইচ্ছা হচ্ছে “এটা এভাবে না করে ওভাবে করলে ভালো হবে”। আফসোস হলো যদি ভাইয়া থাকতো তাহলে ভাইয়ার বিয়েতে নিজে সব ব্যবস্থা করতো!

সামনে চোখ যেতেই দেখলো ইশিতা আর তার সৎবোন লামিসা তার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসছে। সাঁঝ চোখ কুচকে ওদের দিকে তাকালো। হঠাৎ কি মনে করে একবার পাশে ইহানের দিকে তাকালো। দেখলো ইহান তার দিকে একভাবে তাকিয়ে আছে। সাঁঝ আবার লজ্জা পেয়ে চোখ সরিয়ে নিলো। ইহানকে তাকিয়ে থাকতে দেখেই ওরা দুজন হাসছিলো। সাঁঝে তার খুব অস্বস্তি লাগতে শুরু হলো। এরপর একে একে তার মা, ফুফু, ইহানের মা সবাই বিষয়টা খেয়াল করলেও ইহানের কোন হুশ নেই। সাঁঝ কটমট করে তাকালো। চাপা স্বরে জিজ্ঞেস করলো,

—” কি দেখছেন এভাবে?”

—” এই তো একই মানুষের কত রূপ!”

সাঁঝ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো,

—” মানে?”

—” তোমাকে একেক সময় একেক রকম লাগে। মনে হয় ভিন্ন ভিন্ন মানুষ। ছাদে এক রকম এখানে আরেকরকম। বোঝার চেষ্টা করছি আর কত রূপ আছে”

সবাই তাদের দিকে তাকালে সাঁঝ আর কোন কিছু বললো না। ঠিক হলো আটদিন পরে বিয়ে। আর বিয়ের আগে পরের সব অনুষ্ঠানই হবে। সামনেই ইহানের কাজের ব্যস্ততা আছে অনেক তাই তাড়াতাড়ি করা হচ্ছে। সবাই যাওয়ার সময় সবার আড়ালে ইহান একটা ছোট বক্স সাঁঝের হাতে দিয়ে দিলো।
,
,
,
🌿
জানালার ধারে হাতে চায়ের কাপ নিয়ে সাঁঝ বসে আছে। ভেজা চুল পিঠ ছড়িয়ে দেয়া। সন্ধ্যার দিকে ইহানরা যাওয়ার পর থেকে কারেন্ট নেই। গরমে অস্থির হয়ে শাওয়ার নিয়ে এখন জানালার ধারে বসে আছে। আজকাল এই বাসায় তার কদর বেড়েছে। তার ফলস্বরূপ এই চা পেয়েছে রাতের বেলায়। ফুফু বেশ খেয়াল রাখে এখন। সে চলে গেলে তো তাদেরই ভালো। তাই খেয়াল রাখে যাতে কোন ঝামেলা করে না বসে।
অল্প কয়েকদিনের মাঝে জীবনে কত পরিবর্তন হয়ে গেছে। মাত্র আটদিন পরে তার বিয়ে। সে নিজে কখনো বিয়ের কথা ভাবতেই পারেনা কিন্তু কত তাড়াতাড়ি তার জীবনটা অন্য আরেকজনের সাথে আটকে গেলো। প্রথমে ইহান আসলো তার পরের দিনে মায়ের চাপে পড়ে হ্যা বলে দিলো। সবাই ইহানের খোঁজ নিলো ভালো করে তার পাঁচদিন পরে আজ ইহানের বাসা থেকে এসে তাকে দেখে গেছে। সাথে বিয়ের দিনও ঠিক করে গেছে! সব কত দ্রুত হয়ে গেলো। চোখের নিমিষে জীবন পুরো ঘুরে গেলো।

হালকা বাতাস আসছে এটাই যা শান্তি। নাহলে আবার ঘেমে এককার হয়ে যেতো। আকাশে তারা দেখা যাচ্ছে অনেক।।চাঁদও আছে কিন্তু সাঁঝের ঘর থেকে দেখা যাচ্ছে না। ফোনে মেসেজের শব্দ শুনে ফোনটা হাতে নিয়ে দেখলো আশিকের মেসেজ এসেছে।
সাঁঝ,
অনিকের বাবা-মা দেশে নেই। এক সপ্তাহ আগে বাইরে চলে গেছে। আমি আর কিছু জানতে পারিনি।

মেসেজটা পড়ে সাঁঝ দীর্ঘশ্বাস ফেললো। অনিক এখন একটা ধাঁধার মতো হয়ে গেছে তার কাছে। যাকে সমাধানের কোন ক্লু পাচ্ছে না। সাঁঝ ভাবলো আজই কি ছবিগুলো লিক করে দিবে? তারপর মনে হলো না। সময় আসুক তারপর।

এরপর আবার কি মনে করে নিজের ফেক একাউন্টে আবার ঢোকার চেষ্টা করতে থাকলো। সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করেছিলো এখন আবার ঢুকে দেখার ইচ্ছা হচ্ছে। কিন্তু দুই বার চেষ্টা করেও একসেস করতে পারলো না। অন্ধকারে কাগজে লেখা পাসওয়ার্ড খুঁজে আর ঢুকতে ইচ্ছা হলো না। ফোনটা বিছানায় রেখে হাত সরাতে গেলে একটা কিছুর সাথে হাত লেগে গেলো। জিনিসটা হাতে নিয়ে দেখলো ইহানের দেয়া সেই বক্স। দেখতে বেশ কিউট বক্সটা।

মোবাইলের লাইট জ্বেলে বক্সটা খুললো। ভিতর থেকে একটা চাবির রিং। তার সাথে কিছু একটা ঝুলে আছে। সাঁঝ লাইটটা ভালো করে নিয়ে দেখলো একটা হার্ট শেপের কিছু। দেখার পরে তার বুকের মধ্যে ধ্বক করে উঠলো। অনিকের দেয়া ব্রেসলেটেও এমন হার্ট শেপ ছিলো। যেটা সাঁঝ ভেঙে ফেলেছিলো। একই রকম! সাঁঝ অন্ধকারের মধ্যেই হাতড়ে হাতড়ে অনিকের দেয়া সেই হার্ট শেপটা খুঁজে বের করলো। দুটা পাশাপাশি রাখলো। ভালো করে দেখার পরে বুঝলো ইহানের দেয়া রিংটা একটু বড়। আর ওর ভিতরে S.E লেখা। অনিকেরটাতে S.A লেখা। কিন্তু হঠাৎ করে দেখলে দুটাকে একই বলে ভ্রম হয়।

সাঁঝ বাইরে তাকিয়ে ভাবতে থাকলো গত কয়েকদিনে তার চারপাশের অনেক কিছুই অদ্ভুত লাগছে। এখন প্রশ্ন আসলেই অদ্ভুত না তার কাছে অদ্ভুত লাগছে?
(চলবে)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ