Friday, June 5, 2026







কাছেপিঠে পর্ব-০৮

~কাছেপিঠে~
পর্বসংখ্যা০৮

সকাল সাতটা অনুমানিক। বেশ শান্তিপূর্ণ একটা রাত এবং ঘুম দুটোই পেয়েছে ইভান। এখন সমস্যা শীত লাগছে বেশি তার। ঘুম ঘুম চোখে উঠে বসলো ইভান।পাশে তাকালেই দেখে বিছানা ফাঁকা। গুটানো চাদর হাতে নিয়ে শরীরের সাথে মুড়িয়ে এদিক-ওদিক চেয়ে মিষ্টিকে খুঁজলো। দরজায় শব্দ হলে বাথরুমের দিকে দৃষ্টি ছুঁড়লো ইভান। হঠাৎ মিষ্টির হাতে তার শার্ট আর জিন্স ভেজা অবস্থায় দেখে ইভানের চোখ ছানাবড়া। তার বহু পুরনো দিনের একটা কথা মনে পড়লো। কি গাজব বেইজ্জতিই না করেছিলো। নাফাখুন জলপ্রপাত দেখতে গিয়েছিলো তারা ছয় বন্ধুবান্ধব মিলে।সুন্দর পরিচ্ছন্ন স্থান দার্জেলিং পাড়ায় ইভান প্রথমবারের মতো নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছিলো।মিষ্টিতো সেদিন জবাব দিলোই না,নাফাখুমের পানিতে ধাক্কা মেরে কাপড়চোপড় ভিজিয়েছিলো।শুধু তাই না এক্সট্রা পোশাকও পানিতে ভিজিয়ে দিয়েছিলো।শুধুমাত্র ভালোবাসার কথা বলার জন্যই তার নাজেহাল অবস্থা করেছিলো মেয়েটা।শর্টপ্যান্ট পড়েই তাকে রিসোর্টে ফিরতে হয়েছিলো।

আজও নিশ্চয় কোন কিছুর প্রতিশোধ নিতে এমনটা করলো মিষ্টি।দীর্ঘশ্বাস ফেলে ইভান মিষ্টির দিকে চেয়ে বলল,

— বেক্কল! আমার কাপড় ভিজিয়েছিস কেন?
এখন আমি কি পড়বো।

মিষ্টি কর্ণারে টেঙে রাখা ছোট্ট দড়িটিতে ইভানের কাপড় বিলিয়ে দিয়ে এসে আয়েশি ভঙ্গিতে সোফায় বসলো। ভেজা চুলের আগা থেকে টপটপ পানি গড়িয়ে পড়ছে। পরনের শাড়িটা বেশ গুছিয়ে পড়েছে মিষ্টি। দেখতে বেশ আকর্ষণীয় লাগছে।মনের মধ্যে অসভ্য ইঙ্গিত আসতেই নিজেকে ধমকালো ইভান। বরাবরেই তার সাথে এসবের জন্য ঝগড়া লাগতো।আর ঝগড়া নয়। মিষ্টি ইভানের দিকে চেয়ে বলল,

— ইভু উঠে দাঁড়া।আমাকে একটু নেচে দেখা।
অনেকদিন তোর নাচ দেখি।

ইভান দাঁতে দাঁত চেপে মিষ্টির দিকে চেয়ে বললো,

— এটা আমার নাচার সময়? বেয়দ্দব।তাড়াতাড়ি আমার কাপড়ের ব্যবস্থা কর। আমার শীত লাগছে।

মিষ্টি সদ্য কিশোরী বয়সে পা দেওয়া কিশোরীদের মতো হেসে উঠলো। বললো,

— হারামি।তুই কি মনে করেছিস? তোর আদরে আমি তোর সব আচরণ ভুলে গিয়েছি। কি কি বলেছিস সব মনে আছে।

ইভান ভ্রূঁ কুঁচকালো মিষ্টির কথায়। কিছুসময় চিন্তিত মনে চুপ থাকলো। হঠাৎ মনে পড়লো সে একটা ভাবনা খসেছিলো মনে মনে। মিষ্টিকে মানানোর পর,ইমোশনালি ব্ল্যাকমেইল করে হলেও চাকরিটা ছাড়ানোর চিন্তাভাবনা করেছিলো।কিন্তু এখন মিষ্টি নিজেই এ কথা বলার সুযোগটা ছিনিয়ে নিচ্ছে। কি করা যায়। অতঃপর ইভান হাসলো হালকা ভাবে।বললো,

— ভুলিস না।মনেই রেখে দে।তাহলে অন্তত
আমাকে মনে রাখবি।

—- এখন উঠ,নেচে-কুঁদে আমাকে ইম্প্রেস কর।

ইভান ঝট করে চাদর সরিয়ে বসা থেকে দাঁড়িয়ে গেলো৷ ধুপধাপ এদিক সেদিক কেমন করে যেনো ঘুরেফিরে নাচলো,কি নাচ,এ নাচের নাম কি মিষ্টি জানেনা। তবে বেশ মজা পেয়েছে।হাসতে হাসতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার মতো অবস্থা। ইভানের মেজাজ তখন সপ্তম আকাশে। রাগে গিজগিজ করছিলো মিষ্টিকে কিছু বলতে। বেচারা পারলো না। যদি এবারে ছয়মাসের দূরত্ব চলে আসে? তাহলে সে পাগল হয়ে যাবে একদম।
তবে ইভান বাথরুমে যেতে যেতে মিষ্টির দিকে হাত বাড়িয়ে মাথায় একটা চড় মেরে দিলো। মিষ্টি হাসি থামালো না।অনেকদিনে এই অহংকারীটার অহংকার মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে। মাথায় হাত দিয়ে মিষ্টি ইভানের গতকাল আর আজকের অন্যরকম অর্থাৎ আগের রূপে ফিরে আসার কথা ভাবতে লাগলো। সেদিন মা-ছেলে মিলে বেশ তো থাকে ছোটলোক বলেছিলো। শেষে তো এই ছোটলোকের কাছেই আসতে হলো।মিষ্টি ভাবনায় পড়লো একটু। মাঝেমাঝে ইভান একদম অদ্ভুত হয়ে যায়।তখন চেনা যায় না বললেই চলে। তবে সবকিছুর মধ্যে ইভানের একটা জিনিস সে বেশ লক্ষ করেছে,সেটা হলো ইভান দূরত্ব জিনিসটা সহ্য করতে পারেনা। সেটা যতোই ভয়ংকর ঝগড়া হোক।কিন্তু আচরণ গুলো একদম কলিজায় এসে লাগার মতো কষ্টকর।যাক এবার যদি পরিপূর্ণ ভাবে শোধরালেই হয়।

কলিংবেলের শব্দ শুনে দরজা খুলতে চলে গেলো মিষ্টি। দরজা খুলে জুঁইকে বিরক্ত মুখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলো মিষ্টি। জুঁইয়ের অগ্নি দৃষ্টি মিষ্টির ভেজা চুলে তাক করে আছে। মিষ্টির ডাকে ভাবনার ঘোর থেকে বের হলো জুঁই। দৃষ্টি সরিয়ে রাগান্বিত স্বরে বললো,

— তোরা দু’জনের চাকরানী আমি?মাইনে দিয়ে পালিস আমাকে? তোরা রোমেন্স করতে এখানে আসবি,আর তোদের কাপড় আমি আনবো।অসহ্যকর…

মিষ্টি ভাবলো সকাল সকাল এতোটা পথ আসার জন্যেই হয়তো জুঁই রেগে আছে। রাইদা হারামিটাকে বলেছিলো তাদের জন্য কাপড় পাঠাতে। আর সে পাঠানোর জন্য আর মানুষ পেলো না। মিষ্টি বললো,

— স্যরি রে দোস্ত। আয় ভেতরে আয়।
নাস্তা করে যা।

জুঁই হাতের ব্যাগটা মিষ্টির হাতে দিয়ে বললো,

— দরকার নেই আমার তোদের নাস্তার।
আর তোর একফোঁটা আত্মসম্মান নেই। যে ইভান তোকে এতো এতো কথা বললো,অপমান করলো তার কাছে ফিরে এসেছিস।কি বলেছিলাম তোকে? যতোই যাই হয়ে যাক, নিজের অপমানের কথা ভুলে এসব পুরুষের কাছে নিজেকে ধরা দিবি না। পরে কষ্ট তো তুই-ই পাবি। দ্যাখ,তোকে আবারও হেনস্তা না করে মা-ছেলে মিলে।

মিষ্টির ভেতর বেশ খারাপ লাগতে লাগলো। যতোই সে উপরে শক্ত হয়ে থাকতে চায়। ততোটায় ভেতরে ভেতরে ভেঙে যায়।এ মুহূর্তে জুঁইয়ের কথা শুনে অনেক খারাপ লাগছে মিষ্টির।সে আসলেই ইভানের কাছে এসে ভুল করেছে? ইভান যদি আবারও আগের মতো হয়।
জুঁই হাসলো মৃদু ভঙ্গিমায়। আলগা হাসিটা দৃষ্টির অগোচরেই থাকে। প্ল্যান ‘এ’ কাজে দেয়নি তো কি হয়েছে? প্ল্যান ‘বি’ ও তো করতে পারে।তার আগে মারজিয়ার ব্রেনওয়াশ করতে হবে। মিষ্টির ভাবনার সুতোয় টানা দিয়ে জুঁই বললো,

— যাক তোরা যখন সব ঝামেলা মিটিয়ে ফেলেছিস তখন তো আর সমস্যা নেই।থাকার কথাও না। তবে পুরুষ মানুষকে টাইটে রাখা দরকার।যতোই বউ পাগল হোক,দিন শেষে অন্য স্বাদ খুঁজবেই খুঁজবে।

— ইভু এমন নয় জুঁই।তুই শুধু শুধু এসব বলছিস।

জুঁই মুখটা কাঁদো কাঁদো করে বললো,

— আমার দুলাভাইও এমন ছিলো না রে মিষ্টি। কতো ভালোবাসতো আপুকে। অথচ দেখ এখন দ্বিতীয় পক্ষ নিয়ে বেশ সুখেই আছে।আপুর খোঁজ অবধি নেয় না। প্রেমের বিয়ে,মা-বাবা তো আপু নামটাও শুনতে পারে না।সব কপালের দোষ৷ তাই সময় থাকত তোকে সাবধান করছি।

জুঁই জানে ইভান এখন আসতে পারবে না এখানে। তাই তার সাদাসিধা বউটার মাথায় বিষ ঢুকিয়ে দিলো।যেমনটা সে প্রথম থেকে করে আসছে। ইভানকে নিজের করে পাবে সে আশা জুঁইয়ের নেই,পেয়ে গেলেও সে তা সাদরে গ্রহণ করবে।তবে ইভানকে আর মিষ্টিকে কষ্ট পেতে দেখলে তার বেশ ভালোই লাগে। তাদের দোষ একটা। তাদের প্রেমের শুরুর কথা জুঁই জানতে পারেনি,যখন জানলো তখন কাজের কাজ কিছু হওয়ার ছিলো না। মিষ্টি সহস্র চিন্তার সাগরে নামিয়ে দিয়ে কখন যে জুঁই তার সামনে থেকে চলে গিয়েছে সেটা খেয়ালই করেনি মিষ্টি। ইভান এসে মিষ্টিকে একা দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে হাত ধরে টেনে মিষ্টিকে ভেতরে এনে দরজা লাগিয়ে দিলো। মিষ্টিকে নিজের দিকে ফিরিয়ে বললো,

— কার কথা ভাবছিস এতো? ইদানীং আমি
ছাড়া আর কারো কথা ভাবা হয় বুঝি?

— হয়তো, ভবিষ্যতের। কি যে আছে কপালে…

মিষ্টি ইভানের হাতে কাপড়ের ব্যাগটা ধরিয়ে দিয়ে নাস্তা বক্সটা হাতে নিয়ে চলে গেলো কিচেনে।বেশ জোরেসোরে খিদে পেয়েছে মিষ্টির।আপাততে খেয়েদেয়ে নিবে, এরপর বাসায় ফিরতে হবে। সেখান থেকে সোজা কমিউনিটি সেন্টারে।

উদরে শক্তহাতের চাপ পেয়ে ঘাঁড় ঘুরিয়ে থাকালো মিষ্টি। ইভান তখন গালের সাথে গাল লাগিয়ে রাখলো। বললো,

— কি করছিস? হেল্প লাগবে?

— তুই কি হেল্প করবি আমার?

— এই যে তুই দাঁড়িয়ে চা বানাবি,তখন আমি তোর পিঠ মালিশ করে দিবো। মাথা টিপে দিবো। হাত ও টিপে দিবো…

বলতে না বলতে মিষ্টি ইভানের বুকে হাতের কনুই দিয়ে ধাক্কা মেরে বললো,

— হতচ্ছাড়া সর। সবসময় অসভ্যতামি। যা এখন।

ইভান হাসতে হাসতে মিষ্টিকে ছাড়লো। চলে গেলো না। ঠাঁই দাঁড়িয়ে দেখতে থাকলো তার ব্যস্ত বউটাকে। ইভান ভাবনায় পড়লো মিষ্টিকে নিয়ে বাসায় ফিরবে।কিভাবে। দু’চোখে সহ্য করতে পারেনা ইভানের মা মিষ্টিকে।এখন গেলে কি যে হবে?

__________

কমিউনিটি সেন্টারে প্রবেশ করতেই ইভান আর মিষ্টির চোখ তুবড়ে গিয়ে পড়লো স্টেজের উপর দাঁড়িয়ে থাকা বর-বউয়ের দিকে। তারা উভয়ে ইভান আর মিষ্টিকে এগিয়ে আসতে দেখে হাসলো। তাদের কাছে এসে বসতেই আফিন ইভানের কাঁধে চাপড় মেরে রাইদাকে বললো,

— বাহ! রাইদা দেখ দুজনের চহারার। কতো হাস্যজ্জ্বল দেখাচ্ছে। তোরা এভাবে থাকতে পারিস না সবসময়। কতো সুন্দর দেখাচ্ছে দুজনকে।

রাইদা বললো,

— এদের ভেতরে গণ্ডগোল আছে আফিন।।
তাই এদের সবসময় ঝামেলা হয়। যাক,এবার থেকে সাবধান।আর নয় ঝগড়া,করুন মিলে সুখী সংসার।

অবশেষে,
আফিন আর রাইদার বিয়েটা হয়ে গেলো। জমজমাট খানাপিনার আসরে,ছবি তুলার সময় সব জায়গায় ইভান মিষ্টির হাতটা আঁকড়ে ধরে রাখলো। কারো সাথে পরিচয় করার সময় মিষ্টির কাঁধে হাত রেখে বলে,’ মাই ওয়াইফ মিষ্টি!’
কথাটা শুনলে বরফের মতে গলে যায় মিষ্টি।রাগ অভিমান কোথায় গিয়ে যেনো লুকিয়ে পড়ে। সবাই যখন বর-বউ নিয়ে ব্যস্ত৷ মিষ্টি তখন দৃঢ়ভাবে ইভানের হাতটা তুলে আলতোভাবে ঠোঁট ছোঁয়ায়। ইভান আঁড়চোখে সবটা দেখে, না দেখার ভান ধরে থাকে।

(চলবে)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ