Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"কনফিউশন পর্ব ৫+৬

কনফিউশন পর্ব ৫+৬

কনফিউশন
লেখকঃ মৌরি মরিয়ম
পর্ব ৫+৬

রাতে ঘুমানোর সময় তিরা বললো,
“আরু সাহিল ভাইয়া আমাদের সাথে এমন করছে কেন বল তো।”
“কেমন করছে?”
“এইযে প্রতি উইকেন্ডে বৌয়ের কাছে চলে যাচ্ছে। এতবড় বাড়িতে আমাদের দুই বোনের একা বুঝি ভয় করে না?”
“দুজন মানুষ একা কীভাবে হয়? ওর বৌ প্রেগন্যান্ট। তার কাছে ও যাবে না? বাচ্চার প্রতি সব দায়িত্ব কি শুধুই মায়ের?”
“তাহলে ভাবী গেলো কেন?”
“ভাবীর দেখাশোনা করার কেউ এবাড়িতে নেই বলেই ভাবী ওবাড়িতে গেছে। আমাদের পক্ষে কি সম্ভব সবসময় ভাবীর খেয়াল রাখা?”
“আমাদের বুঝি ভয় করেনা?”
“আমার করেনা।”
“আমার করে।”
আরশি মুখ টিপে হেসে বললো,
“তোর ভয় কী? তোর কালা চণ্ডীদাস তো আছেই।”
তিরা এবার ক্ষেপে গিয়ে বললো,
“তুই কী রেসিস্ট রে আরশি! এভাবে একটা মানুষকে কালো বলে অপমান করছিস!”
“অপমান কেন করব? কালোকে কালো বললে বুঝি অপমান হয়ে যায়?”
“হুহ। ওর চোখ দেখেছিস? আর ওর ঠোঁট? আর ওর হাসি?”
“ওমা পরপুরুষের এতদিকে তাকাবো কেন? আমি ছেলেদের চোখের দিকে তাকাই না। শুধু চোখ কেন ছেলেদের স্পেসিফিক কিছুই আমি দেখিনা তোর মত।”
“জানি জানি দেখলে তো এতদিনে একটা জুটে যেত।”
“আমি জোটাতে চাইনা।”
“হুহ পান্তাভাত একটা। শোন কাব্যর সবকিছু রাজপুত্রের মত। শুধু রঙটাই একটু কালো।”
আরশি হেসে শুয়ে পড়লো। তিরা অনলাইনে ঢুকলো। কাব্যকে যদি একটু পাওয়া যায়। যেভাবেই হোক ফোন নাম্বার নিয়ে নিতে হবে। ছেলেটা অনলাইনে একদম আসেনা।

কাব্য অন্ধকারে বাগানে হাঁটছিলো, অন্ধকার কেন যেন ওর খুব ভালো লাগে। অন্ধকারের একটা নিজস্ব ভাষা আছে, সেই ভাষাটা পড়তে ইচ্ছে করে। আচমকা বৃষ্টি শুরু হয়েছে। ভেতরে যেতে যেতে ভিজেই যাবে মনে হচ্ছে হঠাৎ উপর থেকে আসা শব্দ শুনে তাকালো কাব্য। আরশি জানালা লাগাচ্ছে। আরশিকে দেখলেই কেন ভেতরটা ওলট পালট লাগে? কাব্য অন্ধকারে তাই কাব্যকে দেখতে পেলো না আরশি। কিন্তু কাব্য আরশিকে দেখলো। মন ভরে দেখলো। এই মনই পুরোপুরি তাকে আরশির দিকে ঠেলছে। কিন্তু কাব্যর মস্তিষ্কের সাহস হচ্ছেনা সেদিকে আগাতে। কাব্যর কি এই বাসাটা ছেড়ে দেয়া উচিৎ?

বৃষ্টির ছাটা এসে ঘর ভিজিয়ে দিয়েছে। জানালা লাগিয়ে আরশি ঘরের পানিটুকু মুছে ফেললো। নাহয় কখন দেখা যাবে তিরা এই পানির মধ্যে পা পিছলে পড়ে যাবে। আরশি হাত ধুয়ে যখন ঘরে ঢুকলো তিরা আচমকা হাসতে হাসতে বিছানা থেকে মেঝেতে পড়ে গেলো। আরশি দৌড়ে এসে তিরাকে ওঠাতে ওঠাতে বললো,
“আরে কীভাবে পড়ে গেলি তিরা? ব্যাথা পেয়েছিস কোথাও?”
তিরা হাসছে তো হাসছেই কোনো কথা বলতে পারছে না। আরশি এটুকু বুঝতে পারলো যে ব্যাথা পায়নি। ব্যাথা পেলে এভাবে হাসতো না। তিরাকে বিছানায় বসিয়ে দিয়ে বললো,
“ধুর পাগলের মতো শুধু হাসছেই। তুই হাসতে থাক, আমি ঘুমোলাম।”
তিরা এবার বহুকষ্টে হাসি থামিয়ে বললো,
“এই না না। দেখ কাব্য ফেসবুকে কী স্ট্যাটাস দিয়েছে। ওর স্ট্যাটাস দেখে হাসতে হাসতে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিলো।”
আরশি ওড়নায় হাত মুছে মোবাইলটা নিয়ে দেখলো কাব্য স্ট্যাটাস দিয়েছে,
“আপনারা সবাই স্ত্রীগমন করুন, আবহাওয়া ভালো আছে।
শুভ বৃহস্পতিবার!”
আরশি স্ট্যাটাস টা দেখে মোবাইলটা বিছানার উপর ফেলে বললো,
“ছি! অসভ্য! একটা মানুষ কীভাবে পাবলিক প্লেসে এসব কথা বলে? কে কী করবে না করবে সেটা কি ওনাকে জিজ্ঞেস করে করতে হবে?”
“ধুর আরু তুই শুধু শুধু নেগেটিভলি নিচ্ছিস৷ কাব্য তো ফান করে এই পোস্ট টা দিয়েছে।”
“কচুর ফান। শোন তুই আগেরটাকে রিজেক্ট করেছিলি না এক মাস প্রেমের মাথায় রুমডেটে ডেকেছিল বলে? এই অসভ্য ছেলে প্রেমের এক সপ্তাহের মধ্যে রুমে ডাকবে। মিলিয়ে নিস।”
“ধ্যাত কী বলছিস এসব!”
“চুপ থাকবি প্লিজ আম্মা? আমি এখন ঘুমুবো। তোর এই কাব্যগান বন্ধ কর।”
বিছানায় শুয়ে এদিক ওদিক করেও ঘুম আসছিল না আরশির। প্রচন্ড বিরক্ত লাগছিল। একটা মানুষ এতটা অসভ্য হয় কী করে?”

চলবে…

কনফিউশন
লেখকঃ মৌরি মরিয়ম
পর্ব ৬

কাব্য ইচ্ছে করেই চালাকিটা করলো। বাসা ভাড়া দিতে গেলো সাহিল বেরিয়ে যাওয়ার পর। বারান্দা দিয়ে নজর রাখছিল সাহিল কখন বের হয়। যাতে এক উসিলায় দুবার দোতলায় যাওয়া যায়। সাহিল না থাকতে গেলে তিরা বকবক করে আটকাবে, চায়ের উসিলায় আরশিকে দেখা যাবে। আবার ভাড়া দিতে আরেকদিন যেতে পারবে। কিন্তু ভাগ্য খারাপ হলে যা হয় দরজা খুললো তিরা। এতক্ষণ ধরে বকবক করছে আরশির আসার নাম নেই। তিরাও চায়ের কথা তুলছে না। কাব্য বললো,
“আচ্ছা সাহিল ভাইয়া যখন নেই আমি পরে আসব।”
তিরা বললো,
“না না প্লিজ এসেছো যখন একটু থাকো। একা একা একদম ভালো লাগছে না।”
সুযোগ পেয়ে কাব্য জিজ্ঞেস করে ফেললো,
“একা কেন? আরশি কোথায়?”
“আরশি তো বাজারে গেছে। সাহিল ভাইয়া উইকেন্ডে ভাবীর কাছে গিয়েছিলো তো বাজার করতে পারেনি।”
“আরশি একা গেছে? তুমি গেলে না যে সাথে?”
“বুয়া আসবে যে তাই আমি বাসায় রয়েছি। একজনকে তো থাকতে হবে। আমি তো একা গেলে কিছুই কিনতে পারবো না। তাই আরশি গেছে। আরশি একা সব পারে।”
কাব্যর কেমন একটা মায়া হলো। এতো ছোটো বয়সে মেয়েটা সংসারের এতোকিছু শিখে গেছে! পরক্ষণেই খেয়াল হলো বাসায় কাব্য ও তিরা একা। কাব্য কিছুটা বিচলিতবোধ করলো। তিরা একটু পাগলাটে মেয়ে। ওর সাথে একা বাসায় থাকা মানে বিপদ, ভয়াবহ বিপদ। কাব্য বললো,
“তিরা আমার না ক্লাস আছে আজকে। আমাকে যেতে হবে। আরেকদিন কথা হবে।”
একথা বলে তিরাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে কাব্য উঠে দরজা খুললো। তিরা বললো,
“তুমি সবসময় এত তাড়া নিয়ে আসো কেন? সময় নিয়ে আসতে পারো না?”
“একদিন সময় নিয়ে আসবো।”
কাব্য তড়তড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেলো।

সিগারেটের ধোয়া ওড়াতে ওড়াতে বই পড়ছিলো কাব্য। যেটা ওর সবচেয়ে প্রিয় কাজ। এমন সময় দোতলার কলিং বেলের আওয়াজ পেয়ে কাব্যর মনে হলো আরশি কি এসেছে? বারান্দা দিয়ে উঁকি মারতেই দেখলো আরশি অনেক বাজার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। উপরে তাকানো, সম্ভাবত তিরার বারান্দায় আসার অপেক্ষা করছে। আরশি আকাশী রঙের একটা সুতির সালোয়ার কামিজ পরা। কপালে ও নাকে বিন্দুবিন্দু ঘাম জমে আছে, কয়েক ফোঁটা কপাল বেয়ে গড়িয়েও পড়লো। যথারীতি তার চুলগুলো একটা খোঁপা করা। সামনের চুলগুলো এলোমেলো হয়ে আছে, সেগুলো কানের পিছনে গুঁজে দিলো।
কাব্য অপলক চোখে আরশিকে দেখছিলো। কারো ঘর্মাক্ত, রোদে পোড়া, পরিশ্রান্ত মুখটাও এত সুন্দর হয়? কাব্যর হাতে সিগারেট ছিলো। অসাবধানে কখন আঙুলে সিগারেটের আগুন লেগে পুড়ে গেলো। ওদিকে আরশি উপরের দিকে তাকিয়ে বললো,
“তিরা নীচে আয় এত বাজার আমি একা উপরে তুলতে পারবো না।”
তিরা উপর থেকে বললো,
“রিক্সাওয়ালাকে বলনা একটু উঠিয়ে দিতে। এক্সট্রা টাকা দিয়ে দিস।”
কাব্য ঝটপট সিগারেটে আরেকটা টান দিয়ে নিভিয়ে ফেললো। এরপর দরজা লক করে বের হলো। আরশিকে পাশ কাটিয়ে গেটের দিকে চলে গিয়ে বাইরে যাবার ভান করলো। আরশি অবশ্য কাব্যর দিকে তাকালোও না। তিরাকে বললো,
“রিক্সাওয়ালা কি আমার জামাই লাগে রে যে আমি বললেই উঠিয়ে দেবে? রাজী হয়নি বলেই তো তোকে ডাকছি। চারটা ব্যাগ আমি কয়বারে তুলবো?।”
তিরা বললো,
“উফ কি যে করিস না তুই আরশি। একসাথে এতোকিছু আনার কি দরকার ছিলো? আমার সুন্দর হাতগুলোয় দাগ পড়ে যাবে না এত ভারী ভারী ব্যাগ তুললে?”
আরশি কিছু বলার আগেই কাব্য গেটের কাছ থেকে ডাকলো,
“আরশি..”
আরশি পেছনে ফিরতেই কাব্য বললো,
“আমি বাজারগুলো উপরে তুলে দেই?”
কাব্য কথা বলতেই চারপাশে সিগারেটের গন্ধ ছড়িয়ে পড়লো। আরশি অপ্রস্তুত হয়ে বললো,
“না না আমরা দুজনে মিলে তুলে ফেলতে পারবো।”
“কিন্তু তিরা তো আসতে চাচ্ছে না এমনটা শুনলাম। আমি তুলে দেই। গত মাসে তো সাহিল ভাইয়ার সাথেও বাজার তুলেছি উপরে। আমরা তো প্রতিবেশী। বিপদে আপদে একে অপরকে সাহায্য করব এটাই তো স্বাভাবিক।”
আরশির মনে হলো তিরার কষ্ট কমিয়ে দিতে চাইছে কাব্য। বললো,
“ঠিকাছে আপনি যদি পারেন।”
আরশি একটা ব্যাগ নিতে যাচ্ছিল তার আগেই কাব্য সবগুলো ব্যাগ দুহাতে তুলে হাঁটা শুরু করলো। আরশি বললো,
“আরে কী করছেন আপনি দুটো নিন, আমি দুটো নিই।”
“এটুকু ওজন আবার দুভাগ করতে হবে? আসুন তো আপনি।”
কাব্য তড়তড়িয়ে সিঁড়ি বেয়ে উঠে গেলো। আরশি গেলো পেছন পেছন। ততক্ষণে তিরা নামতে যাচ্ছিলো। কাব্যকে বাজার নিয়ে উঠতে দেখে বললো,
“হাও সুইট!”
কাব্য তিরার কথায় হেসে দিলো। বাজারগুলো নামিয়ে রেখে দ্রুত বেরিয়ে আসছিলো, আবার তিরার বকবকানির চাপে পড়ার ভয়ে। হঠাৎ আরশি বললো,
“চা খেয়ে যান?”
কাব্য একথা শুনে খুব অবাক হলো। আরশি নিজ থেকে ওকে ডাকছে? এটাও কি সম্ভব? আজ অবধি একবার তো তাকালোও না! তিরা বলে উঠলো,
“হ্যাঁ হ্যাঁ প্লিজ চা খেয়ে যাও।”
কাব্য পেছনে ফিরে বললো,
“চা সিগারেটে কখনো না করতে পারিনা!”
আরশি বললো,
“ভেতরে আসুন।”
একথা বলে নিজে ভেতরে চলে গেলো চা বানাতে। কাব্য ভেতরে ঢুকে ড্রয়িং রুমে বসলো। তিরা টিভি দেখছিলো, টিভিতে বিজ্ঞাপন হচ্ছে। কাব্য জিজ্ঞেস করলো,
“কি দেখছো?”
“নাথিং একা বোর লাগছিল তাই বিজ্ঞাপন দেখছিলাম। আমার আবার বিজ্ঞাপন দেখতে খুব ভালো লাগে।”
“ওহ আচ্ছা।”
“আচ্ছা কাব্য আমাকে কিছু ছবি তুলে দাওনা। সেদিন ফেসবুকে তোমার ফটোগ্রাফি দেখলাম।”
“আমি তো মানুষের ছবি তুলিনা। প্রকৃতির ছবি তুলি।”
“এবার তুলবে। আউটডোর ফটোশ্যুট করবো। আমাদের দুই বোনের ছবি তুললে তোমার জাত যাবে না। আমরা প্রকৃতির মতই সুন্দর।”
কাব্য খানিক অবাক হলো তিরা আরশিকে নিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছে? আর আরশিও কি সত্যিই যাবে? বললো,
“কোথায় ফটোশ্যুট করতে চাও?”
“প্লেস তুমি ঠিক করো। সকালে গিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে আসা যায় এমন কোথাও। আমাদের সব এডমিশন টেস্ট মাত্রই শেষ হলো। এখন যেখানেই যাই সাহিল ভাইয়া কিছু বলবে না।”
“বাসা ফাঁকা রেখে সবাই মিলে গেলে কীভাবে হবে?”
“আরে না আমরা সবাই মিলে যখন কোথাও যাই তখন ছোটো মামার বাসা থেকে কেউ এসে থাকে। বাম পাশের বাসাটা আমার ছোটো মামার।”
“ওহ আচ্ছা। ঠিকাছে কবে যেতে চাও জানাও যদি টাইমিং মিলে যায় তাহলে যাবো।”
কাব্য এভাবে বললো কারণ শেষে যদি আরশি না যায় তবে ও যাবে না। আর আরশি যদি যায় তাহলে তো মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি!

টিভিতে তখন একটা সিনেমা শুরু হতে যাচ্ছিলো। তার আগে সিগারেট বিরোধী একটা শর্টফিল্ম দেখালো যেখানে বলা হচ্ছে, সিগারেট যৌন ক্ষমতা কমায়। তিরা কাব্যকে বললো,
“দেখেছো কতবড় ক্ষতি করছো নিজের। এবার সিগারেট টা ছেড়ে দাও।”
আরশি চা নিয়ে আসছিলো। ওদের কথার বিষয়বস্তু শুনে লজ্জা পেয়ে ফিরে এসে রান্নাঘরের দরজায় দাঁড়ালো। ওদের এই বিষয়ে কথা বলা শেষ হলে যাবে বলে। কাব্য তখন পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট বের করলো। প্যাকেটের গায়ে লেখা, ‘ধুমপান হৃদরোগের কারণ’। কাব্য তিরাকে প্যাকেট দেখিয়ে হেসে বললো,
“আমি যে সিগারেট খাই সেটা খেলে হৃদরোগ হয়। সুতরাং আমার চিন্তা নেই। যৌন ক্ষমতা কমার চেয়ে হৃদরোগ হওয়া ভাল।”
তিরা কাব্যর এই রসিকতায় খিলখিলিয়ে হেসে উঠলো। এদিকে আরশিরও হাসি পেয়ে গেলো। লোকটা কতবড় অসভ্য!

চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ