Friday, June 5, 2026







একগুচ্ছ ভালোবাসা পর্ব-১৩

#একগুচ্ছ_ভালোবাসা
#অরনিশা_সাথী

|১৩|

স্বপ্ন নীড়ের সকল সদস্য’রা ভাবুক মুখে সোফায় বসে আছে। আঁধারের বলে যাওয়া কথাগুলো ভীষণ ভাবাচ্ছে সকলকে। বিয়ের আসর থেকে যদি সত্যি সত্যিই জোনাকিকে তুলে এনে বিয়ে করে তখন কি মান সম্মান কিছু অবশিষ্ট থাকবে? সেটাই ভাবছে সকলে। সে সময়ে লাগেজ টেনে ভেতরে ঢুকলো তৈমুর। অফিস থেকে কয়েকদিন ছুটি নিয়ে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলো বাবা মায়ের সাথে দেখা করতে। সেখান থেকেই সবে ফিরলো। সবাইকে এমন ভার মুখে বসে থাকতে দেখে ভ্রু কুঁচকে প্রশ্ন করলো,
–“কি ব্যাপার? সবাই এরকম বাংলার পাঁচের মতো মুখ করে রেখেছো কেন?”

নিশি উঠে তৈমুরের সামনে দাঁড়ালো। ধীরে ধীরে ক্ষানিক আগে ঘটে যাওয়া সকল তান্ডবের কথা জানালো। সব শুনে তৈমুরের মাথায় হাত। ইশ্! কি বিচ্ছিরি কান্ড। ও তো খুব শীঘ্রই আঁধার আর জোনাকির বিয়ের কথা বলতে চেয়েছিলো। কিন্তু জরুরী কাজে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ায় আর বলে যেতে পারেনি কাউকে। তৈমুর আমতা আমতা করে বললো,
–“বড় শালাবাবু কোথায় এখন?”

–“নিজের ঘরেই আছে দরজা বন্ধ করে।”

রাজিয়ার কথায় তৈমুর বললো,
–“আসলে আমারই ভুল, আমি ভেবেছিলাম ওদের বিয়ের কথা বলবো কিন্তু তাড়াহুড়ো করে গ্রামে চলে যাওয়াতে___যাই হোক সেসব কথা বাদ, আগে জোনাকির বিয়ে ভাঙতে হবে নয়তো আঁধার বাবুর রাগ এত সহজে গলে পানি হবে বলে আমার মনে হচ্ছে না।”

–“মান সম্মানের একটা ব্যাপার আছে নাতজামাই। জোনাকির বিয়ে ভাঙলে লোকে ওকে নিয়ে চারটে কথা বলবে। ওর মৃত বাবা মা তুলেও কথা হবে আমি চাই না আমার নাতির জন্য এরকম কিছু হোক।”

আমিনা বেগমের কথা শেষ হতেই স্বচ্ছ বললো,
–“কিন্তু দাদু, ভাইয়া যদি জোনাকিকে তুলে এনে বিয়ে করে তখন কি করবে? তখন মান সম্মান থাকবে তো?”

জল আফসোসের স্বরে বললো,
–“ইশ্! ভাইয়া যদি আগে বলতো তাহলে আজ এমন কিছু হতো না। জোনাকি’কেও আমার থেকে দূরে যেতে হতো না। কিন্তু এখন তো___”

–“এখনো আহামরি তেমন কোনো দেরী হয়নি জল। জোনাকি এ বাড়ির বউ হয়েই আসবে। এটা আমার না আমাদের আঁধার বাবুর কথা। সে যেহেতু একবার বলেছে তাহলে হান্ড্রেড পার্সেন্ট জোনাকিকে বিয়ে করেই ছাড়বে। সুতরাং সে আরো বাড়াবাড়ি রকমের রেগে যাওয়ার আগে আমাদের উচিত জোনাকির বিয়ে ভাঙা।”

তৈমুরের কথায় নিশি সহমত জানিয়ে বললো,
–“আমিও এটাই চাচ্ছি। আমার ভাইয়ের খুশি সবার আগে।”

আমিনা বেগম প্রশ্ন ছুঁড়লো,
–“আর জোনাকির? ও রাজি হবে কিনা আঁধারকে বিয়ে করতে, ও সুখি হবে কিনা আঁধারের সাথে এটা ভাবছো না কেউ?”

ক্ষানিক সময় ভাবলো সকলে। তারপর বললো,
–“সে দেখা যাবে। আগে একদিক তো ম্যানেজ করি।”

আজকে জোনাকি’কে অফিস নামিয়ে দিতে মিহাদ এসেছে। এ.আর. গ্রুপের সামনে এসে মিহাদ গাড়ি থামাতেই জোনাকি নেমে যায়। মিহাদ’ও বেরিয়ে আসে। একই সময়ে আঁধারের গাড়ি ঢুকে। গাড়ি পার্ক করে একবার রাগান্বিত চোখে দুজনের দিকে তাকিয়ে হনহনিয়ে ভেতরে ঢুকে যায় সে। জোনাকি ভয়ে শুকনো ঢোক গিলে। মিহাদের থেকে বিদায় নিয়ে দ্রুত নিজেও চলে যায় অফিসে।

নিজের কেবিনে বসে মনে মনে দুয়া দুরুদ পড়ছে জোনাকি। লোকটা না জানি কখন ওকে ডেকে পাঠায়। ভাবতে না ভাবতেই জোনাকির ডাক পড়লো আঁধারের কেবিনে। শুকনো ঢোক গিলে এগিয়ে যায় সেদিকে। কেবিনের দরজা খোলা’ই ছিলো। জোনাকি ভেতরে যেতেই আঁধার থমথমে গলায় বললো,
–“দরজা লক করুন মিস জোনাকি।”

–“মা্ মানে? দরজা ল্ লক করবো কেন?”

–“যা বলেছি চুপচাপ তাই করুন, নয়তো এখানে এখন যা যা হবে পুরো অফিস দেখবে সেগুলো।”

দাঁতে দাঁত চেপে কথাগুলো বলে আঁধার। ওদিকে ভয়ে জোনাকির অন্তর আত্মা কেঁপে উঠে। কি বলে লোকটা? কি করতে চাইছে সে?জোনাকি কেবিন থেকে বেরিয়ে যেতে চাইলে আঁধার এসে জোনাকির হাত চেপে ধরে। একহাতে শক্ত করে জোনাকির কবজি ধরে রেখে অন্যহাতে দরজা লক করে। শান্ত চোখে জোনাকির দিকে তাকিয়ে নিষ্প্রাণ কন্ঠে বলে,
–“কিছুদিন আগে আপনিই বলেছিলেন আমাকে নিয়ে আপনার ভয় নেই। সেদিন ঝড় বৃষ্টির রাতে ফাঁকা একটা ফ্ল্যাটে শুধু আপনি আর আমি ছিলাম। তখন ভয় কাজ করেনি আর আজকে অফিস ভর্তি লোকজনের সামনে ভয় পাচ্ছেন আপনি আমাকে নিয়ে। অন্য পুরুষের বাগদত্তা হতে না হতেই আঁধার রেজওয়ানের উপর থেকে বিশ্বাস উঠে গেলো? ভয় পেতে শুরু করলেন তাকে?”

কি জবাব দিবে ভেবে পেলো না জোনাকি। তাই চুপ করে থাকাটাই শ্রেয় মনে করলো। আঁধার জোনাকি’কে টেনে নিজের কাছে এনে দাঁতে দাঁত চেপে বললো,
–“আমি বলেছিলাম এই বিয়ে হবে না। তারপরেও আপনি ওই ছেলের সাথে মেলামেশা করছেন কেন? সে কেন আপনাকে অফিসে ড্রপ করতে আসে মিস জোনাকি?”

–“আমি তার বাগদত্তা, কিছুদিনের মধ্যেই বিয়ে হবে আমাদের। তার এইটুকুন অধিকারবোধ নিশ্চয়ই আছে আমার উপর? সে পারে আমাকে অফিসে ড্রপ করতে আসতে। আমার তো কোনো সমস্যা হচ্ছে না, তাহলে আপনি কেন রেগে যাচ্ছেন?”

আঁধার জোনাকির দুই গাল চেপে ধরে মৃদু চিৎকার করে বললো,
–“আমি রেগে যাচ্ছি কারণ আপনার পাশে অন্য পুরুষের আনাগোনা সহ্য হয় না আমার। আপনার চারিপাশে শুধু মাত্র আমিই বিচরণ করবো। আপনি কেবলই আমার মিস জোনাকি।”

প্রথম কথাগুলো রাগের স্বরে বললেও শেষ কথাগুলো অত্যান্ত নরম স্বরে বললো আঁধার। নিশ্চুপ হয়ে যায় জোনাকি। আঁধার ফের বলে,
–“আপনি এই বিয়েটা করবেন না মিস জোনাকি। না করে দিন সবাইকে। আমি আপনাকে অনেক ভালো রাখবো, আই প্রমিসড ইউ।”

চোখ বন্ধ করে ফেললো জোনাকি। ওর কি যেন একটা হলো। ইচ্ছে করলো আঁধারকে বলতে,
–“আপনি আমার প্রথম অনুভূতি আঁধার স্যার। আপনার হাত ধরেই আমার এই নতুন অজানা অনুভূতির জগতে পদচারণ করা।”

মনে মনে কথা গুলো বললেও মুখে কথাগুলো বলতে পারে না জোনাকি। চোখ মেলে তাকায়। চোখমুখ যথাসাধ্য শক্ত করে কাটকাট কন্ঠে বলে,
–“এটা আর সম্ভব না আঁধার স্যার, আপনি বড্ড দেরী করে ফেলেছেন। আপনাকে খুশি করতে গিয়ে আর একটা নিরপরাধ ছেলেকে এতটা কষ্ট দিতে পারি না আমি।”

কথাগুলো বলে আঁধারের কাছ থেকে দূরে সরে দাঁড়ায় জোনাকি। বেরিয়ে যেতে নিলেই আঁধার পেছন থেকে বলে,
–“মানছেন না তো? ঠিক আছে। আমিও দেখি আপনি আমি আঁধার রেজওয়ান ছাড়া অন্য একজন পুরুষকে কবুল বলে নিজের স্বামী হিসেবে মানেন কিভাবে।”

কথাটা শোনার পর কোনো প্রত্যুত্তর করলো না জোনাকি। দ্রুত কেবিন থেকে বেরিয়ে যায় সে।

একটা ক্যাফেতে বসে আছে মিহাদ আর জোনাকি। মিহাদ’ই ডেকেছে আজ৷ মিহাদের চোখমুখে গাম্ভীর্যের ছাপ। পাশাপাশি লোকটাকে বেশ ভাবুক’ও মনে হচ্ছে। নিরবতা ভেঙে জোনাকি নিজেই বললো,
–“কেন ডেকেছেন? কিছু বলছেন না যে?”

–“আসলে জোনাকি কিভাবে বলবো তোমাকে কথাটা___”

–“কিছু হয়েছে? আপনার পরিবারের সকলে ঠিক আছে?”

–“হ্যাঁ সেসব ঠিক আছে। কথাটা আসলে অন্য___”

–“কি কথা? আপনি নির্ভয়ে বলুন।”

–“আমার বাবা মা এখন চাচ্ছে আমি আমার চাচাতো বোন রিয়াকে বিয়ে করি।”

থমকালো জোনাকি। কয়েকদিন বাদেই বিয়ে আর এই লোক আজকে এসব বলছে? জোনাকি কোনোমতে বললো,
–“সব তো ঠিক ছিলো তাহলে হঠাৎ করে___”

–“কিছুই ঠিক ছিলো না জোনাকি। বাবা শুরু থেকেই রাজি ছিলো না। সেদিন এক প্রকার জোর করেই উনাকে এনেছিলাম তোমাদের বাসায়। তার উপর তোমার সাথে এনগেজমেন্ট হওয়ার পর বাসায় ফিরে দেখি রিয়া কান্নাকাটি করছে। ও আমাকে ভালোবাসে। অনেক আগে থেকেই। আমিই পাত্তা দেইনি কখনো। সেদিন আমার হাতে পায়ে ধরে অনেক কান্নাকাটি করে। মানতে চায়নি আমি। এক পর্যায়ে ও সুইসাইড করতে যায়। দুদিন হসপিটালে ভর্তি ছিলো, এই যাত্রায় বেঁচে গেছে। কিন্তু মেয়েটার পাগলামি কমছে না, দিনকে দিন বেড়েই চলছে। এখন বাবা তো আরো চাইছে না আমি রিয়াকে রেখে তোমাকে বিয়েটা করি, মা’ও আমতা আমতা করছে। আমি আসলে___”

সবকিছু শুনে দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো জোনাকি। প্রশ্ন ছুঁড়লো,
–“আপনি কি চান সেটা বলুন?”

–“আমি আসলে___আমার তোমাকে ভীষণ পছন্দ, ওদিকে রিয়াটা’ও পাগলামি করছে আমি বুঝতে পারছি না কি করবো।”

–“বুঝাবুঝির কিছু নেই, আপনি রিয়াকে বিয়ে করুন। এনগেজমেন্টের কথা শুনেই সে সুইসাইড করতে গিয়েছিলো, বিয়ে হলে তো নির্ঘাত বাঁচানো যাবে না তাকে। জান বাঁচানো ফরজ। আপনি উনাকেই বিয়ে করুন, আমাদের বাসার দিকটা আমি ম্যানেজ করবো।”

কথাগুলো বলে আর এক দন্ড দাঁড়ালো না জোনাকি। পার্স হাতে নিয়ে বেরিয়ে এলো ক্যাফে থেকে। মিহাদ নিষ্প্রাণ চোখে নিজের পছন্দের মানুষটাকে দূরে মিলিয়ে যেতে দেখলো শুধু।

চলবে~

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ