Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"আষাঢ়ের তৃতীয় দিবস পর্ব-২২

আষাঢ়ের তৃতীয় দিবস পর্ব-২২

#আষাঢ়ের_তৃতীয়_দিবস
পর্বঃ ২২
অভ্র যে লোকটির সামনে বসে আছে এই লোকটি সেদিন ইন্টারভিউ বোর্ডে ছিলেন। তবে আজ তার পরনে স্যুট প্যান্টস নেই। গলায় টাইও বাঁধা নেই। ভদ্রলোক পাঞ্জাবীর ওপর মোটা শাল গায়ে জড়িয়ে রেখেছেন। মুখভর্তি আধ পাকা খোঁচা খোঁচা দাড়ি যেনো তাকে আরো সুদর্শন করে তুলেছে। অভ্র এখনো বুঝতে পারছে না ভদ্রলোক তাকে কেনো ডেকে পাঠিয়েছেন। চাকরিটা তার হয় নি। সেই পোস্টে অন্য একজন জয়েন করে ফেলেছে। অভ্র খোঁজ নিয়ে শুনেছে। তারপরেও তাকে ডেকে পাঠানোর কারনটা তার বোধগম্য হচ্ছে না। তারা যে রুমটায় বসে আছে এই রুমটা বেশ বড়। আসবাবপত্র বিশেষ কিছু নেই। ডান পাশে বিশাল বড় এক সেলফ। সেলফ ভর্তি নানাবিধ বই। দেয়াল থেকে ল্যাম্প ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। টিমটিম করে জ্বলছে। কেমন অদ্ভুতুড়ে পরিবেশ। ইজি চেয়ারটায় গা এলিয়ে দিয়ে শামসুর চৌধুরী ঝিমুচ্ছেন। এক ফাঁকে কাজের লোক এসে দুকাপ চা দিয়ে গেলো। সাথে সিগারেটের প্যাকেট। শামসুর চোখ বন্ধ রেখেই প্যাকেট হাতড়িয়ে একটি সিগারেট হাতে নিলেন। মুখে পুরে লাইটার জ্বালানোর চেষ্টা করতে করতে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন,
‘সিগারেট খাওয়ার অভ্যেস আছে?’
অভ্র হ্যা সূচক মাথা নাড়লো। ভদ্রলোক এবার চোখ মেললেন। সিগারেটের প্যাকেট অভ্রর দিকে এগিয়ে দিলেন।
অভ্র অপ্রস্তুত হয়ে বললো,
‘না স্যার, আমি খাবো না।’
‘আরে নাও নাও। এটা ইন্টারভিউ বোর্ড না। এখানে স্মোকিং এলাউড।’
অভ্র বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে পরে গেলো। শামসুর তাকে আশ্বস্ত করে বললেন,
‘আরে নাও। একা একা স্মোক করে মজা নেই। একটা নিয়ে নাও।’
অভ্র সিগারেট নিলো। শামসুর লাইটার অভ্রর দিকে এগিয়ে দিলেন।
‘আমার আচমকা এই তলবে চিন্তায় পরে গিয়েছো?’
‘না।’
‘কোনো অনুভূতি হয় নি?’
‘অবাক হয়েছি।’
‘কেনো?’
‘চাকরিটা আমার হবে না সেটা আমি জানতাম। সেই পোস্টে নতুন একজন জয়েন করে ফেলেছে। এরপরেও আমাকে ডাকার পেছোনে কোনো যুক্তি খুঁজে পাই নি। তাই অবাক হয়েছি।’
‘হুম।’
ভদ্রলোক ফড়ফড় করে ধোঁয়া ছাড়লেন। চায়ের কাপের দিকে তাঁকিয়ে বললেন,
‘চা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।’
অভ্র চায়ের কাপ হাতে নিলো। ভদ্রলোক নাক টেনে বললেন,
‘তোমার সম্পর্কে কিছু বলো শুনি।’
‘আমার সম্পর্কে বলার মতো তেমন কিছু নেই। থাকলেও তার মাঝে আকর্ষণীয় কিছু নেই।’
‘ভুল বললে। প্রতিটা মানুষের জীবনের আলাদা আলাদা গল্প থাকে। প্রতিটি গল্পই কৌতূহলপূর্ণ। আকর্ষণীয়।’
‘আমি অভ্র। মা বাবার একমাত্র সন্তান। বাবা আগে স্কুল টিচার ছিলেন। ব্রেন স্ট্রোকের কারণে এখন প্যারালাইজড। মার একটা ভাঙ্গা সেলাই মেশিন আছে। দরজিগিরি করে সংসার টিকিয়ে রেখেছেন। আমি ফিজিক্স নিয়ে অনার্স করছি। টিউশনি করে নিজের পেট চালাই।’
‘আচ্ছা।’
‘এই জীবন ধারণের গল্প আপনার কাছে আকর্ষণীয় বলে মনে হয়েছে? অবশ্যই নয়।’
‘মনে হয়েছে।’
অভ্র বিস্মিত চোখে ভদ্রলোকটির দিকে তাঁকিয়ে রইলো। শামসুর চৌধুরী একগাল হাসলেন।
‘আমার এই কম্পানিটা নতুন। আরো দুটো কম্পানির মালিক আমি। সবকিছুর উৎসস্থল ওই শূণ্যের কোটা। আমরা সবাই শূণ্য হতে শীর্ষে পৌঁছাই। মিথ্যা বললাম?’
‘না স্যার। সত্যি বলেছেন।’
‘ইন্টারভিউ বোর্ডে তুমি একটা গল্প শুনিয়েছিলে। আজ আমার একটা গল্প তোমাকে শোনাতে চাই। শুনবে?’
‘শুনবো, স্যার।’
‘এই গল্পের প্রধান চরিত্র যে মানুষ, তার বাল্যকালে অভাবের ঘাঁটতি ছিলো না। ছেলের বাবার আর্থিক অবস্থা ছিলো শোচনীয়। অনেকটা নুন আনতে পান্তা ফুরোয়- ধরনের। তবে ছেলের প্লেটে কখনো ভাতের অভাব হয়নি। মা-বাবা তো সপ্তাহের বেশির ভাগ দিন উপবাসেই কাটাতেন! মাঝে মাঝে বড় বোনও তাদের সাথে যোগ দিতো। ছেলে জিজ্ঞেস করলে বলতো, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য রোজা রাখছেন। রমজান মাস ছাড়াও মা বাবাকে রোজা রাখতে দেখে ছেলে ভাবতো উনারা অলি আউলিয়া পর্যায়ে চলে গেছেন।’
এটুকু বলে শামসুর চৌধুরী হাসলেন।
‘কি বুঝলা? অভাব মানুষকে হয় চোর বানায় নইলে বানায় অলি আউলিয়া। হা হা হা!’

ভদ্রলোক আরেকটা সিগারেট ধরালেন। অভ্রকে পুনরায় সাধলেন। অভ্র দুদিকে মাথা নাড়ালো। শামসুর তাকে জিজ্ঞেস করলেন,
‘একটার বেশি খাও না বুঝি?’
‘না।’
তিনি ধোঁয়া ছেড়ে বললেন,
‘ভালো স্বভাব। আমার এক বসায় দুই তিনটে না টানলে চলে না। যাক গে। তারপর কি হলো শুনো।
তোমার মতো ছেলেটাও চাকরি খুঁজছিলো। আরেকটু আরলি এইজে। সবে মাত্র এইচ এস সি দিয়েছে। এর মাঝেই ছেলের বাবা হৃদরোগে মারা গেলেন। মাও তখন শয্যাশায়িনী। যে কোনো দিন পটল তুলবেন। বোনের বিয়ে হয়েছে এক ছোটলোকের ঘরে। মোটামোটি টাকাপয়সা দেখেই বিয়েটা দেয়া হয়। বোনজামাই স্ত্রীকে বেধড়ক মারতো। বোন চিঠিতে প্রায়ই ভাইকে লিখতো সেকথা। বাদামী পৃষ্ঠায় লিখা প্রতিটি চিঠিতে চোখের পানির দাগ বসে যেতো। কলমের লিখাও ছড়ে ছড়ে যেতো। ভাইয়ের করার কিচ্ছু ছিলো না। চিঠি পড়তো। মাঝে মাঝে চোখ ঝাঁপসা হয়ে যেতো। এই যা। সেদিন এক চাকরির ইন্টারভিউ দিয়ে মাত্রই ছেলে বাড়িতে পা ফেলেছে। শশুড়বাড়ি থেকে খবর এলো বোন দড়িতে ঝুলেছে। মরে গিয়েও মেয়েটার শেষ রক্ষে হলো না। গ্রামের মানুষজন তার চরিত্র নিয়ে কত নিন্দা করলো! পর পুরুষের সাথে মেলামেশা ছিলো। ধরা পড়েছে তাই গলায় দড়ি দিয়েছে। ইত্যাদি।’

এতটুকু বলে শামসুর চোখ দুটো আংগুল দিয়ে ডলে পরিষ্কার করলেন। খস খস করে দাড়ি চুলকে বললেন,
‘মেয়ের মৃত্যুশোক শয্যাশায়িনী মায়ের সহ্যতা ছাড়িয়ে গেলো। তিনিও শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন। এবার ছেলে একা। তবে এক পেট তো কুকুরও চালায়। এভাবেই দিন চলছিলো। একদিন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ডাস্টবিন থেকে খাবার তুলে খাচ্ছে সেই ছেলে। হঠাৎ দামী একটি গাড়ি রাস্তার পাশে এসে থামলো। গাড়ি থেকে এক ভদ্রলোক নেমে এলেন। চোখে কালো চশমা। গায়ে দামী সুগন্ধি মাখা। ছেলেটিকে তিনি তার সাথে নিয়ে গেলেন। পড়াশোনা করালেন। একসময় ব্যবসার দায়িত্ব তার কাঁধে তুলে দিলেন। হঠাৎ করেই ছেলেটার জীবন বদলে গেলো। অভাব ঘুঁচে অঢেল সম্পত্তির মালিকানাভুক্ত হলো।’

একটু থেমে তিনি আবার বললেন,
‘এ গল্প থেকে কি বুঝলে?’
অভ্র বললো,
‘বুঝলাম। সময় বদলায়।’
শামসুর চৌধুরী মাথা নাড়লেন।
‘সময় প্রতি মুহূর্তেই বদলায়। এক্ষেত্রে ছেলের ভাগ্য বদলেছে।’
অভ্র হাসলো। মুখে কিছু বললো না।
‘আমি সবাইকে হারিয়ে যখন শূণ্যে দাঁড়িয়ে ছিলাম তখন এক আগন্তুক এসে আমার ভাগ্য বদলে দিয়েছে। তবে সময় যা কেড়ে নিয়েছে তা ফিরিয়ে দিতে পারে নি। মৃত বাবা, মা অথবা বোন কেউ আমার পরিবর্তন দেখে যেতে পারে নি। তোমায় নিয়ে আমি কিঞ্চিৎ রিসার্চ করেছি বলতে পারো।’
‘আমায় নিয়ে?’
‘হুম। জানতে পারলাম নিজের প্রেমিকাকেও ফিরিয়ে দিয়েছিলে। সে এখন অন্যের সংসার সাজাতে ব্যস্ত। কারণটা কি আর্থিক ছিলো?’
‘জ্বি, স্যার।’
‘সেক্ষেত্রে সময়ের হাত থেকে তোমাকে একেবারে রক্ষা করতে পারলাম না। তবে পরিবার নিয়ে জীবনের বাকি অধ্যায়গুলো যেনো সুখে কাটাতে পারো সেই ব্যবস্থা আমি করে দিতে চাই
এই মাসেই ছোটখাটো একটা এগ্রো ফার্ম দিতে চলেছি। দেখাশোনার দায়িত্ব তোমার। এতে পড়াশোনার ক্ষতিও হলো না, মাস শেষে মোটা অংকের টাকাও পেলে। কি বলো?’
অভ্র চুপ করে রইলো। শামসুর হেসে বললেন,
‘ভেবো না করুণা করছি। মানুষ হিসেবে সাহায্যের হাতটুকু বাড়িয়ে দিচ্ছি। তোমাকে বসিয়ে মাস শেষে টাকা দেওয়া হবেনা। গায়ে গতরে খেটে টাকা রোজগার করতে হবে।’
অভ্র দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো,
‘আমি কি ভাবার জন্য আজকের দিনটা পেতে পারি?’
‘অবশ্যই। ভেবে দেখো।’
‘ধন্যবাদ।’
অভ্র শামসুর চৌধুরীর বাড়ি থেকে বের হয়ে আসলো। তার প্রচন্ড মাথা ব্যাথা করছে। কিছুদূর হাঁটার পর একটি ফার্মেসি চোখে পড়লো। অভ্র ওষুধ কিনলো মাথা ব্যাথার। হলে গিয়ে ঘুমাতে হবে। শামসুর চৌধুরীর এগ্রো ফার্মের বিষয় নিয়েও ভাবতে হবে। পুরো ঘটনাটি কোনোভাবে অভ্রর আত্মসম্মানে আঘাত হানছে না তো?

*******
রায়া নুরুল আলমের অফিস ঘরে বসে আছে। চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ। তার সামনে টুটুল টাকলা বসে আছে। টুটুল টাকলা রায়াদের দূর সম্পর্কের আত্মীয়। ঘটকালি করা তার পেশা। তিনি রায়ার জন্য সম্বন্ধ নিয়ে এসেছেন। পাত্র আমেরিকা থাকে। আসার পর থেকেই তিনি পাত্রর গুণগাণ গাইতে ব্যস্ত। এক ফাঁকে নুরুল আলমকে বলে রায়াকে দোতলার অফিস ঘরে ডাকিয়ে এনেছেন। পাত্রর সম্পর্কে দেওয়া প্রতিটি তথ্য নুরুল আলম আগ্রহভরে শুনছেন। রায়ার মনে হচ্ছে তথ্যগুলো যদি খাওয়া যেতো তার বাবা গোগ্রাসে সেগুলো গিলতেন।
‘ছেলে খুবই ভালো আলম ভাই। শিক্ষিত মর্ডান ছেলে। সপরিবারে দেশের বাইরে থাকে। রক্তে আমেরিকা মিশা গেছে। এখন ব্লাড টেস্ট করাইলেও আমেরিকা পজিটিভ আসবো। কিন্তু বাংলাদেশী পোলা তো। দেশের প্রতি টান থাকাটাই স্বাভাবিক। তাই খাঁটি দেশি পাত্রী চায়। আমার অনেক দেশী পাত্রীও আছে যারা খাঁটি আমেরিকা পজিটিভ পাত্র চায়। কিন্ত আমি ভাই তাগো কাছে না গিয়া আপনার কাছে আইছি। রায়া মামণির একটা ব্যবস্থা না কইরা কি অন্যরে মুক্তার মালা পড়ামু নাকি? আর এই পাত্র তো শুধু মুক্তা না। স্বর্ণের চেনে মুক্তা বসানো মালা। আমাদের রায়া মামণির জন্য সঠিক। খাপে খাপ।’
রায়া বলে উঠলো,
‘আমার খাপে খাপ কোনো জিনিসই পচ্ছন্দ না। কাজেই, এই স্বর্ণের চেনে মুক্তা বসানো মালা অন্য কাউকে পড়ান আংকেল।’
টুটুল বিস্মিত স্বরে বললো,
‘এডা কি কইলা মামণি? পোলার জন্য মেয়েরা লাইন দিয়া রাখছে। এমন পোলা হাজারে একটা! একবার মিস গেলে সারাজীবন আফসোস করা লাগবো।’
রায়া কিছু একটা বলতে চাইলো। নুরুল আলম তাকে থামিয়ে দিলেন।
‘তুই ওপর তলায় যা।’
‘বাবা, আমি এখন বিয়ে করবো না।’
‘এবিষয়ে পরে কথা হবে। তুই এখন তোর ঘরে যা।’
‘বাবা..’
নুরুল আলম চোখ লাল করে মেয়ের দিকে তাঁকালেন। রায়ার চোখ ঝাঁপসা হয়ে এলো। চোখের পানি আড়াল করার জন্য হলেও তার এখন উঠতে হবে। রায়া দীর্ঘশ্বাস ফেলে উঠে দাঁড়ালো। টুটুল নতুন উদ্যোমে তার আমেরিকা পজিটিভ পাত্রকে নিয়ে বলতে শুরু করলো।

(চলবে…)

লিখাঃ আতিয়া আদিবা

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ