Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"আমার ভীনদেশী এক তারাআমার ভীনদেশী এক তারা পর্ব-১৬

আমার ভীনদেশী এক তারা পর্ব-১৬

#আমার_ভীনদেশী_এক_তারা
#পর্ব১৬
#Raiha_Zubair_Ripte

ড্রয়িং রুমে নিস্তব্ধ হয়ে বসে আছে এনা। হাতে তার হেফজিবার চিঠি। হেফজিবা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। ইভেন এই দেশ ছেড়েও। আমেরিকা থেকে ভালো একটা জবের অফার এসেছে তাই আর দ্বিমত না করে চলে গেছে। এবার তো নিজের খরচ নিজেকেই বহন করতে হবে। এতো ভালো অফার কি ছাড়া যায়!

প্রিয় এনা,,

শুরুতেই বলে রাখি রাগ করিস না। তোর ভাইকে ভালোবাসলেও তাকে পাওয়ার অধিকার আমার নেই। ফাস্ট অফ অল আমি বিবাহিত ছিলাম তার উপর অন্য ধর্মের। তোর ভাই তো আমাকে ডিজার্ভ করে না। আমার থেকে বেটার কাউকে ডিজার্ভ করে। আশা করি তোর ভাইয়ের জীবনে তেমন কেউ আসবে যে তাকে আমায় ভুলে নতুনত্ব কে গ্রহন করতে সাহায্য করবে। আর চিন্তা করিস না। সারা জীবন তো আর একা কাটানো যাবে না। এখানে ভালো ছেলে পেলে খ্রিস্টান ধর্মের তাহলে বিয়ে করে ফেলবো। স্যার তো পেরেছে নিজ ধর্ম ত্যাগ করতে কিন্তু আমি পারি নি আর পারবোও না। তোকে মিস করবো ইয়ার। মাঝে মাঝে ফোন দিবো। ভালো থাকিস।

চিঠিটা পড়ে এনা বাকরুদ্ধ কি বলবে জানা নেই। তবে শুরু থেকেই হেফজিবার মতামত কে সে সমর্থন করেছে এখনো করবে আর ভবিষ্যতে ও করবে। সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়াতেই দেখে দরজার সামনে তার বোন হেনা। এনা চিঠিটা সোফায় ফেলে দৌড়ে হেনা কে জড়িয়ে ধরে। হেনা এতো গুলো মাস পরে বোন কে পেয়ে আবেগে উৎফুল্ল হয়ে উঠে।

” কেমন আছিস এনা।

” ভালো তুই।

” ভালো।

এনা হেনা কে ছেড়ে দিয়ে দৌড়ে গিয়ে বাবা মা কে জড়িয়ে ধরে। এনামুল সযত্নে মেয়েকে আগলে নেয়। ভীষণ আদরের দু মেয়ে।

” কেমন আছো এনা?

” আলহামদুলিল্লাহ ভালো বাবা তুমি।

” তুই চলে আসার পর থেকে তোর বাবার ঘুম নির্ঘুম হয়ে গেছে তোর চিন্তায়।

কথাটা বলতে বলতে এনার মা ফরিদা বেগম এগিয়ে এসে মেয়েকে জড়িয়ে ধরে। এনা মা’কে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দেয় এবার। পেছন থেকে হেনা বলে উঠে,,

” হয়ে গেলো ছেড়ে দিছে বন্যার মেশিং। আরে বোইন কাঁদছিস কেনো। ভেতরে যেতে দে আমাদের।

এনা ফরিদা কে ছেড়ে দিয়ে বাবা মা কে নিয়ে ভেতরে ঢুকে। আরাভ ল্যাগেজ নিয়ে ভেতরে ঢুকার সময় হেনা কে বাহিরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে বলে,,

” ভেতরে যাচ্ছ না কেনো? তোমাকে কি আলাদা করে ইনভাইট করতে হবে। দেখো অতো সময় নেই।

” যাচ্ছি তো আপনি যান না। একটু মিষ্টি করে কথা বলতে পারেন না। চাচি কি আপনায় জন্মের সময় মধু না দিয়ে করলার রস দিয়েছিলো?

” তোমার চাচি কে গিয়ে জিজ্ঞেস করো। এখন ভেতরে আসো।

হেনা আরাভের সাথে ভেতরে ঢুকে। সোফায় বসে আছে সবাই। আরমান তার ছোট ভাই এনামুলের সাথে কুশল বিনিময় করছে। আর রত্না বেগম ফরিদা বেগমের সাথে। এতোদিন পর দুই জা মিল হয়েছে। ফারাহ্ এসে ফরিদা আর এনামুল কে সালাম দিয়ে সোফায় বসে হেনার পাশে।

” কি গো ননদীনি কেমন আছো?

” এই তো ভাবিপু ভালো আছি। তুমি কেমন আছো?

” আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।

****

সকাল সকাল রান্নার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে মারুয়া। শান এসেছে যে। ছেলেটাকে তার বেশ ভালো লাগে। মাঝে মাঝে আফসোস হয় নিজের পেটের ছেলে নয় বলে। শান মাঝে মাঝেই আসে এ বাড়িতে কিন্তু থাকে না। আসলেই দু এক ঘন্টা থেকে চলে যায়।

শান বিছানা ছেড়ে উঠে। মাথা ব্যাথা করছে প্রচুর। সারা রাত ঘুম হয় নি। সকল চিন্তা মাথায় এসে ভর করেছে। সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে রান্না ঘরে ঢুকে। এখন এক মগ কফি দরকার।

” আরে শান তুমি। তোমায় কে বলছে সকাল সকাল রান্না ঘরে আসতে আমাকে ডাকলেই তো হতো।

শান মুচকি হাসে।

” ছোট মা তোমার শরীর কেমন আছে এখন?

” এই তো ভালো। তা কিসের জন্য রান্না ঘরে এসেছো।

” এক কাপ কফির জন্য।

” তুমি যাও গিয়ে বসো আমি কফি নিয়ে আসতেছি।

শান চুপচাপ চলে আসে।

মারুয়া কফির মগ নিয়ে শান আর মুনিয়াকে দিয়ে হাক ছেড়ে আরহাম কে ডাকে। দু এক ডাকেও যখন আরহামের আশার কোনো নাম গন্ধ দেখলো না তখন অগ্যতা মারুয়া উঠে কফির মগ টা নিয়ে ছেলের রুমে চলে যায়। কাল রাত করে বাড়ি ফিরেছে আরহাম অফিসে প্রচুর কাজ এসেছে। হঠাৎ সূর্যের আলো চোখে পড়ায় বিরক্তিতে চোখ মুখ কুঁচকে ফেলে। শরীরের থাকা চাদর টা দিয়ে মুখ ঢেকে ফেলে। রত্না বেগম আরহামের মুখ থেকে চাদর সরিয়ে বলে,,

” আরহাম উঠো এতো বেলা অব্দি কেউ ঘুমোয় নাকি।

আরহাম আড়মোড়া ভেঙে বলে,,

” উফ মা ঘুমাতে দাও। কাল অনেক রাত করে বাসায় ফিরছি।

” উঠো তুমি শান এসেছে দেখেছো?

কথাটা কর্ণকুহর হতেই ধরফরিয়ে বিছানা থেকে উঠে বসে। চোখ পিটপিট করে বলে,,

” সত্যি ব্রো এসেছে?

” হুমম কাল রাতেই এসেছে জানো না?

” না আমি তো সোজা বাসায় ঢুকে রুমে এসে ঘুমিয়ে পড়েছি। তুমি আমাকে আগে ডাকবা না।

আরহাম বিছানা ছেড় উঠে ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিচে নামে। সোফায় বসে থাকা শানের পাশে বসে বলে,,

” হেই ব্রো কেমন আছো? তুমি তো ভুলেই যাও মাঝে মাঝে আমাদের।

” যদি ভুলেই যেতাম তাহলে আসলাম কি করে?

” সে তো তুমি জানো।

এর মধ্যে আব্রাহাম এসে বসে শানের ওপর পাশে। শান কফির মগ টা টেবিলল রেখে বলে,,

” বাবা বিকেলে এনাদের বাসায় যেতে হবে। ওর বাবা মা এসেছে।

” বেশ তো যাবো তাহলে।

” তারা তোমাদের কথা জানে না বাবা।

” মানে?

” মানে হচ্ছে এই যে তারা জানে আমি জ্যাকেল্স বাবার ছেলে।

কথাটা শুনে আব্রাহামের খারাপ লাগলেও সেটা প্রকাশ না করে বলে,,

” আচ্ছা সমস্যা নেই।

” আমি যদি এখন থেকে এখানে থাকি তাহলে কি কোনো সমস্যা হবে তোমাদের?

মারুয়া শানের দিকে তাকিয়ে বলে,,

” এটা কেমন কথা শান সমস্যা হবে কেনে আমাদের। এটা তোমার বাবার বাড়ি। আরহাম মুনিয়া যেমন এ বাড়িতে আছে তুমি ও থাকবে সমস্যা হবে না আমাদের। আর তাছাড়া এনাও তো থাকবে। আমি অন্তত একটা বউমা পাবো।

মুনিয়া এবার শানের দিকে তাকিয়ে বলে,,

” ভাইয়া ভাবিপুর কি একটা ছবি দেখতে পারি?

মুনিয়া সচারাচর কারো সাথে কথা বলে না প্রয়োজন ছাড়া। শান স্মিত হেসে ফোন থেকে এনার একটা পিক বের করে মুনিয়ার হাতে ধরিয়ে দেয় ফোন টা। মুনিয়া চোখের চশমা টা ঠেলে ফোনের স্কিনে তাকিয়ে ছবিটা দেখে বলে,,

” মাশাল্লাহ ভাবিপু খুব সুন্দর।

কথাটা তে দেরি কিন্তু আরহামের ফোনটা কেঁড়ে নিতে দেরি নেই। স্কিনে থাকা ছবিটা দেখে বলে,,

” সত্যি ই তো ভাবিপু তো দেখতে সেই। ব্রো তোমার কোনো শা”লি নেই আমার জন্য ।

কথাটা বলে সামনে তাকাতেই দেখে সবাই ভ্রু কুঁচকে আরহামের দিকে তাকিয়ে আছে। আরহাম মেকি হাসি দিয়ে বলে,,

” আশ্চর্য ওভাবে তাকায় আছো কেনো তোমরা? আমি কি ভুল কিছু বলছি?

মুনিয়া বেশ বিরক্ত হয় তার ভাইয়ের প্রতি।

” উফ ভাইয়া ভাবিপুর বোন দিয়ে তোমার কাজ কি। শান ভাইয়া ভাবিপুর বোন থাকলেও ভাইয়া কে বলবা না।

আরহাম মুনিয়ার মাথায় চাটি মে’রে বলে,,

” এই চুপ কর তো তুই।

মুনিয়ার এসব একদম পছন্দ না সে বড় হয়েছে এভাবে যখন তখন মা”রলে তার রাগ উঠে।

” মম তোমার ছেলেকে বলো কথায় কথায় আমায় মা’রতল না। এসব আমার পছন্দ না। আমি বড় হয়েছি।

মারুয়া ছেলের দিকে রাগান্বিত হয়ে তাকায়। আরহাম মুনিয়াকে ভে”ঙচি কে’টে বলে,,

” হুহ্ এসেছে বড় হতে, আমি আরো মা”রবো মা”রতে মা”রতে মাথার চু”ল গুলো তোর টেনে ঝাড়ু বানাবো। তবুও মা”রবো বুঝছিস। আসছে মায়ের কাছে বিচার দিতে।

মারুয়া আর কিছু বললো না ছেলে কে জানে এখন তার ছেলের ভাঙা রেডিও বাজতেই থাকবে।

————

এনাদের বাড়ির ড্রয়িং রুমে বসে আছে বাড়ির সকলে সাথে শানের বাবা আর ছোট মা ও তার ছেলে মেয়ে। রত্না বেগম জুশ স্ন্যাকস এনে তাদের সামনে রাখলো। এনামুল সাহেব গলা পরিষ্কার করে বলে,,

” ভাই আপনি তো বললেন আপনি শানের বাবা। কিন্তু আপনার ছেলে ছোট থেকে তাহলে কেনো খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী ছিল।

” কারন হিসেবে যদি বলি তাহলে বলতে হয় সে তার মায়ের কাছে ছিল। সে অনুযায়ী সে খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারী ছিল। বাট এখন সে মুসলিম।

” আমার মেয়েকে বিয়ে করার জন্য মুসলিম হয়েছে?

” না আঙ্কেল আমি এনা কে বিয়ে করার জন্য মুসলিম হই নি। আমি তো তাহলে ছয় বছর আগেই পারতাম মুসলিম হতে । আসলে ছোট থেকেই আমার ইসলাম ধর্মের প্রতি একটা ঝোঁক ছিলো। কারন আমার বাবা ছিলো মুসলিম আর মা ছিলো খ্রিস্টান। আপনারা তো জেনে গেছেন আমার মা দু বিয়ে করেছিলেন। আমি আমার মা কে ভীষণ ভয়+শ্রদ্ধা করি। তার অমতে আমি কখনো কিছু করি নি। একবার আমি ছোট থাকাকালীন মুসলিম হবার জন্য বায়না ধরেছিলাম মায়ের কাছে সেদিন মা খুব বকেছিল। আর আরাভ তো দেখেছে আরাভ যখন মসজিদে নামাজ পড়তো তখন আমি মাজিদের বাহিরে দাঁড়িয়ে দেখতাম। মাঝে মাঝে ভেতরে ঢুকে হুজুর দের কথা গুলো ও শুনতাম। মাঝে মাঝে ছোট থাকতে বাবার সাথে নামজ ও পড়েছি, ঈদের সময় বাবার সাথে থেকে ঈদ পালন করেছি। তখন এতো পার্থক্য বুঝতাম না ধর্মের। যখন এনার সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো আমার সম্পর্ক ও হলো তখন ভেবেছিলাম বাবার সাথে কথা বলে কোনো একটা রাস্তা বের করবো। কিন্তু তার আগেই মা এনাকে অপমান করে বলে বসলো আমাদের ধর্ম আলাদা দেখে আমি তাকে আর বিয়ে করতে চাইছি না। আর এনা দেশ ছেড়ে চলে গেলো কিন্তু তখন আমি এ বিষয়ে অবগত ছিলাম না। যখন দ্বিতীয় বার আবার মায়ের কাছে মুসলিম হবার প্রস্তাব রাখি তখন মা আবার আমায় কসম কাটিয়ে সেটা থেকে বিরত রাখেন। আমি মুসলিম হলে সে আমার মুখ দেখবে না। তখন অপ্রাপ্ত বয়স ছিলো মা যা বলেছে মেনে নিছি। কিন্তু সময় যতো যাচ্ছিল ততো বুঝতে পারলাম ভুল করেছি মায়ের কথা মানতে গিয়ে। আগেই বাবার সাথে চলে যাওয়া উচিত ছিল আমার।

” সে না হয় বুঝলাম কিন্তু তুমি কি এখন প্রোপারলি মুসলিম। আবার নিজের ধর্মে ব্যাক করবে না তো?

” না আঙ্কেল আমি এখন প্রোপারলি মুসলিম। নামাজ কালাম পড়ি রোজা ও রাখি। আর আমি আমার বাবার সাথেই থাকবো।

” তোমার মায়ের কি হবে?

” মায়ের কিচ্ছু হবে না। মা যেহেতু আমার মুখ দেখতে চায় না সেক্ষেত্রে তার সামনে যাবো না। দূর থেকেই মায়ের খেয়াল রাখবো।

” বিয়ে তো করেই ফেলছো এখন আর কি করার। তাই তুমিও যেহেতু মুসলিম তাই একেবারে সামান্য আয়োজন করে মেয়েকে আপনাদের কাছে পাঠাতে চাই ভাই। আপনি কি বলেন।

আরমান সাহেব তার ভাইয়ের কথা শুনে বেশ অবাক হয়। তার ছোট ভাই এতো ইজিলি বিষয় টা নিবে ভাবতে পারে নি। আব্রাহাম বেশ খুশি হন, এনামুল সাহেবের এমন সিদ্ধান্তে।

” আমাদের কোনে সমস্যা নেই ভাই। দিনক্ষণ তাহলে ঠিক করুন।

আরহাম ফোনের রিংটোন পেয়ে পকেট থেকে ফোন বের করে দেখে অফিস থেকে ফোন করেছে। এখানে কথা বলা টা ঠিক হবে না বলে ফোনটা নিয়ে বাহিরে বের হয়ে গার্ডেনে যায়। ফোন রিসিভ করে কথা বলার এক পর্যায়ে সামনে তাকিয়ে দেখে ছবিতে দেখা তার এনা ভাবি সামনে দাঁড়িয়ে ফোনে কথ বলতেছে। আরহাম কথা বলে ফোন কে’টে তার এনা ভাবির সামনে গিয়ে বলে,,

” আসসালামু আলাইকুম ভাবিপু। আপনার বিয়ের কথাবার্তা চলছে আর আপনি এখানে বাহিরে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছেন।

হঠাৎ আকস্মিক ভাবিপু ডাক শুনে চমকে উঠে হেনা। পেছনে ঘুরে অচেনা ছেলে কে দেখে ভ্রু কুঁচকে ফেলে।

” কে আপনার ভাবিপু?

” ভাবিপু আমি আপনার হ্যান্ডসাম দেবর। শান ভাইয়ার ছোট ভাই। আপনি আমার ভাইয়ের স্ত্রী।

” কোন শান?

” আল্লাহ কি বলেন ভাবিপু আপনি আমার ভাইকে চিনতেছেন না। আপনারা না বিয়ে করছেন।

” আরে ধূর তখন থেকে কি বলতেছেন। কাকে বিয়ে করছি আমি। আর আপনার ভাই শান না কি তাকে চিনি না আমি।

” ভাবিপু আপনাকে নিশ্চয়ই ভূতে ধরছে আর তা না হলে মাথা খা”রাপ হয়ে গেছে। আপনার আর শান ভাইয়ের বিয়ের জন্য এসেছি আমরা আর আপনি কি না এমন কথা বলছেন?

হেনা এবার বুঝলো আসল কথা। তাকে এনা ভেবে ভুল করছে ছেলেটা। আর শান কেনো বলছে তার নাম তো পিটার।

” আপনার ভাইয়ের নাম তো পিটার।

” ভাবিপু দেখি আপনি কি মাথায় কোথাও আঘাত পাইছেন? স্মৃতিশক্তি কি হারায় গেছে। পিটার ভাই যে মুসলি হয়ে নাম বদলিয়ে শান করছে।

হেনা জানে না যে পিটার মুসলিম হয়েছে আর নাম ও বদলিয়েছে।

” আপনি ভুল করছেন আমি এনা না হেনা। এনার জমজ বোন। এনা ভেবে যে আমায় এসব বলেছেন বুঝতে পারি নি।

হেনার কথা শুনে আরহাম হা হয়ে যায়।

কই তার ভাই তো বলে নি তার ভাবিপুরা টুইনস।

” সত্যি আপনারা টুইনস।

” হুম বিশ্বাস না হলে এই দেখুন আমাদের দু বোনের ছবি।

ফোন থেকে তাদের দু বোনের একটা ছবি বের করে আরহাম কে দেখায়। আরহাম হেনার দিকে তাকিয়ে বলে,,

” ওহ মিস্টেক তাহলে বেয়াইন সাহেবা। আপনারে ভাবি বানায় ফেলছিলাম। আপনি ভাবি না আপনি তো আমার দুই টা পাঁচ টা না একটা মাত্র ভাইয়ের শা”লি মানে আমার।

” আপনার মানে?

” নাহ কিছু না আসি।

কথাটা বলে আরহাম চলে যায় ভেতরে আর হেনা আরহামের যাওয়ার পানে তাকিয়ে থাকে।

#চলবে?

( ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিবেন। হ্যাপি রিডিং)

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ