Friday, June 5, 2026







আমার পূর্ণতা পর্ব-০৯

#আমার_পূর্ণতা
#রেদশী_ইসলাম
পর্বঃ ৯

” তোমাদের এখন মানে এই রাতের বেলা কেনো বসিয়ে রেখেছি ভাবছো নিশ্চয়ই?”

ইশতিয়াক চৌধুরীর কথায় সবাই একে অপরের দিকে তাকালো। শুধু নির্বাক রইলো মিসেস ফারাহ ও তাফসির। মিসেস ফারাহ ইশতিয়াকের পাশে বসে বসে মুচকি হাসছে সবার মুখভঙ্গি দেখে। আর তাফসির সোফায় হেলান দিয়ে তাকিয়ে আছে ইশতিয়াক চৌধুরীর দিকে। হয়তো মনে মনে বোঝার চেষ্টা করছে যে ইশতিয়াক চৌধুরী কি বলতে পারেন। কিন্তু মুখে কোনো চিহ্ন মাত্র নেই। একদম স্বাভাবিক ভঙ্গি তার।

সকলের মুখ একবার পর্যবেক্ষণ করে ইশতিয়াক চৌধুরী পুনরায় বলতে শুরু করলেন—

” সুফিয়াকে তো তোমরা চেনো সবাই। আমাদের ছোট চাচা কামরুলের মেয়ে। আর এটাও জানো যে সে আমেরিকায় থাকে। কিন্তু সে বাংলাদেশে ফিরে এসেছে মাস খানিক আগে। তোমাদের কারো সাথে যোগাযোগ না থাকলেও আমার সাথে যোগাযোগ ছিলো তার। তাকে তো কখনো চাচাতো বোনের মতো দেখি নি। আপন বোনের মতোই দেখেছি আর সেও আমাদের তিন ভাইকে নিজের আপন ভাইয়ের মতো ভালোবাসে যেহেতু তার আর কোনো ভাই নেই।”

ইশতিয়াক চৌধুরী কথা গুলো বলে একটু থামলেন। তার কথা শুনে ইকরাম বলে উঠলো—

” হ্যাঁ ভাইজান সবই জানি। কিন্তু তাতে কি হয়েছে?”

” আমরা কাল অর্থাৎ শুক্রবার তার বাড়িতে যাবো বেড়াতে”

” হঠাৎ সুফিয়া আপার বাসায় কেনো যাবো ভাইজান?”

” সে যেহেতু অনেক বছর সবাইকে দেখে না আর সামি-সাদনান আর প্রাচুর্যকেও কখনো দেখে নি তাই সবাইকে দেখতে চাইছে। আর রাদিয়া বিয়ে করেছে শুনেছে তাই আবিরকে ও দেখতে চাচ্ছে। ”

” তাহলে ওনাকেই আসতে বলুন। তাহলেই তো হয়ে যাচ্ছে”

ইকরামের কথায় খানিক বিরক্ত বোধ করলেন ইশতিয়াক। মনে মনে ভাবলেন ছেলেটা বড্ড কথা বলে। তাই বিরক্তি চোখে ইকরামের দিকে তাকিয়ে বললেন—

” আমার কথা শেষ করতে দাও ইকরাম। তারপর নাহয় প্রশ্ন করো?”

” দুঃখীত ভাইজান। বলুন আপনি।”

ইকরামের দিক থেকে চোখ সরিয়ে চশমাটা উপরে ঠেলে ভালো করে পরে নিলেন ইশতিয়াক। তারপর আবার বলতে শুরু করলেন—

” সুফিয়াকে বলেছিলাম আসতে। কিন্তু দু বছর আগে একটা এক্সিডেন্টে তার দু’পা অকেজো হয়ে যায়। এখন হুইলচেয়ার ছাড়া চলতে পারে না সে। আবার তার কিছুদিন পরেই তার স্বামী হাসান জমাদ্দার মারা গেছেন ব্রেইন স্ট্রোকে। তাই শোক সামলাতে না পেরে সেই থেকে ভিষণ অসুস্থ সে।”

” তাহলে এখন কার কাছে থাকছে ভাইজান? দেখাশোনা করছে কে?”___কৌতুহল নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন শাহানা।

” বাড়িতে দেখাশোনার জন্য মানুষ রাখা আছে। আর ছেলে বিয়ে করেছে তার বউ আছে। তারাই দেখাশোনা করছে। আচ্ছা সেসব বাদ। এবার আসল কথায় আসা যাক।

আমি চাইছি কাল সকলে সুফিয়ার বাড়িতে যাবো। তাই যা যা দরকার বিকালের মধ্যেই শেষ করে ফেলবে। রাতে রউনা হবো আমরা।”

” কিন্তু ভাইজান অফিসের এতো কাজ কে সামলাবে? ”

” ম্যানেজার কে বলে রাখো। সে সব দায়িত্ব সামলাবে। এখন ঘরে যাও সবাই।”

ইশতিয়াক চৌধুরীর কথায় সবাই ভিষণ খুশি হলো। রিয়া,প্রাচুর্য তো ভেবেছিলো যাওয়া হবে না। কারন খাবার টেবিলে ইশতিয়াক একবারো যাওয়ার কথা তোলে নি। কিন্তু সবাইকে ডেকি নিয়ে যে এভাবে বলবে তা বুঝতে পারে নি তারা। রিয়া তো পারছে না খুশিতে লুঙ্গি ড্যান্স দিতে। এতোদিন পরে যেহেতু কোথাও ঘুরতে যেতে পারবে ফাইনালি।

——————

প্রাচুর্য ঘরে এসে বিছানা ঝেরে লাইট অফ করে শুয়ে পরলো। ঘুরতে যাওয়ার কথা শুনে অন্য সময় যে মেয়ে সব থেকে বেশি খুশি হয় অতি আশ্চর্যের বিষয় আজ তার মধ্যে কোনো ভাবাবেগ নেই। কিছুই ভালো লাগছে না তার। এইযে তখন বসে বসে রিয়া কতো প্লানিং করলো যে চট্টগ্রামের কোথায় কোথায় ঘুরবে বা কি কি খাবে কিন্তু এতে তার কোনো মনই ছিলো না। তাই শেষে বিরক্ত হয়ে রিয়া চুপ করেই ছিলো।
বেশ কিছুক্ষণ এপাশ ওপাশ করে উঠে বসলো প্রাচুর্য। একবার দেয়ালে টাঙানো ঘড়ির দিকে তাকালো। নাহ ড্রিম লাইটের আলোয় স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে না সময় টা। তাই প্রাচুর্য মোবাইল হাতে নিলো। পাশের পাওয়ার বাটন অন করে সময় দেখে নিলো। ঘড়িতে এখন ২ টা বেজে ১৫ মিনিট। এতোক্ষণ হয়ে যাওয়ার পর ও ঘুম আসলো না ভেবে বিরক্ত হলো সে। বিছানা থেকে নেমে দাড়ালো বেলকনিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে। ড্রিম লাইটের আলোয় ধীর পায়ে গিয়ে দাড়ালো বেলকনিতে। বাইরে নিকষ কালো অন্ধকার। রাস্তার পাশে ল্যাম্পপোস্টে আলো জ্বলছে। দুর থেকে ভেষে আসছে কুকুরের সুর তোলা ডাক। নিস্তব্ধ পরিবেশে কুকুরের ডাক গুলো ভয়ঙ্কর লাগছে বটে। কোথায় জানি শুনেছিলো প্রাচুর্য যে রাত বেরাতে কুকুরেরা নাকি জ্বিন বা ভুত দেখলে চিল্লায়। তবে এখন কি তারা জ্বিন বা ভুত দেখেছে?

” এই এতো রাতে এখানে তুই কি করছিস?”

হঠাৎ পাশ থেকে কারো গলার আওয়াজে চমকে উঠলো প্রাচুর্য। বুকে থুথু ছিটিয়ে পাশে ফিরে তাকালে। তাফসির দাঁড়িয়ে আছে তার বেলকনিতে। যা দেখে মেজাজ খারাপ হলো প্রাচুর্যের। গলার স্বর খানিক উঁচু করে বললো—

” উফফ তাফসির ভাই। পাশ থেকে এভাবে আচমকা কেউ কথা বলে? ভয় পেয়েছি তো।

প্রাচুর্যের কথায় তাফসির ভ্রু কুঁচকে বললে—

” তুই ভয় পেয়েছিস? ভয় তো আমার পাওয়ার কথা তো সেখানে তুই ভয় পেলি কেনো?”

” আপনার ভয় পাওয়ার কথা মানে? আপনি কেনো ভয় পাবেন?”

” বাহ রে ভয় পাবো না?রাত বেরাতে এমন কালো টিশার্ট, কালো প্লাজু পরে এমন ভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে তো যে কারোর ই ভয় পাওয়ার কথা। নির্ঘাত আমি সাহসী ছেলে নাহলে হার্ট অ্যাটাক ফ্যাটাক করে মরেই যেতাম।”

” একদম ফালতু কথা বলবেন না তাফসির ভাই। ”

” বিশ্বাস কর একটু ও ফালতু কথা বলছি না। আমি তো প্রথমে ভেবেছিলাম কোনো পেঁচি হয়তো দাঁড়িয়ে আছে। আচ্ছা সেসব কথা বাদ এখন বল এতো রাতে তোর বেলকনিতে কি কাজ?”

” ঘুম আসছিলো না তাই এসেছি।”

আমার কথা শুনে তাফসির ভাই মুখ গম্ভীর করে ফেললেন। তারপর আদেশের সুরে বললেন—

” ঘরে যা প্রাচুর্য। রাত বেরাতে তোকে যেনো আর কখনো বেলকনিতে আসতে না দেখি।”

” আর কিছুক্ষণ থাকি না তাফসির ভাই? একটুও ঘুম আসছে না।”

” মেজাজ খারাপ করিস না প্রাচুর্য। ৩ সেকেন্ডের মধ্যে যদি আমি এই জায়গা খালি না দেখি তবে তোর একদিন কি আর আমার একদিন।”

তাফসির ভাইয়ের কথায় আর সেখানে দাড়ালাম না এক মুহুর্ত ও। ঘরে এসে বিছানায় কিছুক্ষণ গড়াগড়ি করতে করতে ঘুমিয়ে পরলাম এক সময়।
.
.
.
.
আজ শুক্রবার। জুম্মার দিন। সকাল হতে না হতেই ব্যাগপত্র গোছানো শুরু করলাম সবাই। বাইরে ঝলমলে রোদ উঠেছে। বাবারা সবাই লনে বসে চা খাচ্ছেন। মা, বড় মা ও মেজো মা ব্যাগপত্র গুছিয়ে চলে গেলো রান্নাঘরে। তাফসির ভাই বাড়িতে নেই। সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করেই বেরিয়ে পরেছেন বন্ধুদের সাথে দেখা করতে।

আমি আর রিয়া আপু বসে আছি ড্রয়িংরুমে। আপাতত আর কোনো কাজ নেই। ব্যাগপত্র গোছানো কমপ্লিট। তাই দুজনে বসে গল্প করছি। আমাদের গল্প করতে করতে কখন ১২ টা বেজে গেলো খেয়াল নেই। এর মধ্যে আজান দিতেই বাবা রা ঘরে প্রবেশ করলেন। সাথে পেছনে ফোন টিপটে টিপটে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করলেন তাফসির ভাই। সে কোনো দিকে না তাকিয়ে চলে গেলেন নিজের ঘরে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সবাই পান্জাবি পরে চলে গেলেন নামাজ পরতে। সাথে সামি-সাদনান আর আবির ভাইয়া ও গেছেন। রাদিয়া আপুদের সেদিন চলে যাওয়ার কথা থাকলো আমার অবস্থা শুনে গেলেন না আর। একবারে চট্টগ্রাম থেকে ফিরে তারপরেই চলে যাবেন। এর মধ্যেই রান্না ঘর থেকে বেরিয়ে আসলেন মেজো মা। আমাদের বসে থাকতে দেখে বললেন—

” তোরা এখনো বসে আসিস? তাড়াতাড়ি যা গোসল করে আয়। তোরা গোসল করতে ঢুকলে তো আবার তিন ঘন্টা লাগে।”

” মোটেও না মেজো মা। মাত্র ১ ঘন্টা ২০ মিনিট লাগে।”

” বাহ সেটা আবার বড় মুখ করে বলছিস? বলি ১ ঘন্টা ২০ মিনিটকে কি তোর মাত্র মনে হলো? গোসল করতে যেয়ে ঘুমিয়ে পরিস না কি?”

” আরে কিসব বলছো মা? গোসল করতে যেয়ে কেউ ঘুমিয়ে পরে নাকি?”

” তাহলে এতোক্ষণ লাগে কেনো তোদের তাই বল।”

” জানি না তো। কিভাবে কিভাবে যেনো সময় চলে যায়।”

” আচ্ছা এবার যা নাহলে দেরি হয়ে যাবে। তোর বাবা রা আসলেই খেতে দিবো। আবার সন্ধ্যার মধ্যেই উবার চলে আসবে তিনটা। ”

” উবার কেনো আসবে মা? বাড়ির গাড়িতে কি হলো?”

” তোর বড় বাবা উবার বুক করেছে। নাহলে অতো দুর ড্রাইভ করতে কষ্ট হবে। কম দুরের পথ তো আর না।”

—————

সন্ধ্যা হতে না হতেই পরপর তিনটা উবার এসে হাজির হলো বাড়ির সামনে। আমরা সকলে উঠে বসলাম তাতে। একটা তে আমি, রিয়া আপু, তাফসির ভাই, আবির ভাইয়া ও রাদিয়া আপু। বাকিরা অন্য গাড়িতে। সামি-সাদনানের বমি জনিত সমস্যা থাকার কারনে ওরা মেজো মায়ের কাছে বসেছে। সবাই উঠে পরতেই গাড়ি চলতে শুরু করলো চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে। আমি চোখ ফিরিয়ে বাইরের দিকে তাকালাম। আশেপাশের কৃত্রিম আলো পেরিয়ে তাকালাম আকাশের দিকে। নিকষ কালো অন্ধকারে এক ফালি চাঁদ উঁকি দিচ্ছে। চাঁদ দেখতে দেখতে কখন ঘুমিয়ে পরলাম খেয়াল নেই। আমি আবার গাড়িতে উঠলে জেগে থাকতে পারি না। যখন ঘুম ভাঙলো তখন তাফসির ভাইয়ের কাঁধে আমার মাথা।

চলবে?

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ