Friday, June 5, 2026







অবশেষে পর্ব-০১

#অবশেষে
#Sumaiya_Karim
||পর্ব-১||

অপরিচিত একটা ছেলের সাথে একি বিছানায় নিজেকে আবিষ্কার করে আয়রা। চোখ দুটো যেনো খুলে হাতে চলে আসার উপক্রম তার। যতটা না সে ঐ ছেলে টা কে তার বিছানায় দেখে অবাক হলো তার থেকেও বেশী অবাক সে তার পরিবারের সবাই কে তার রুমে উপস্থিত দেখে।

মনে পড়ছে সে সন্ধ্যার সাথে সাথেই ঘুমিয়ে গিয়েছিলো। এখনো সকাল হয় নি। ঘড়িতে তাকিয়ে দেখে রাত ৮ টা। আচমকা ঘুম ভাঙ্গতে এমন কিছু দেখার জন্য সে নিজেও প্রস্তুত ছিলো না। সারাদিন ঠিক ছিলো সন্ধ্যায় হঠাৎ মাথা ধরায় ঘুমে চোখ লেগে এসেছিলো। কিন্তু এখন এসব? কে এই ছেলে? আর তার বিছানায় ই বা কি করে এলো? আগে কখনো দেখেছে বলেও মনে হয় না! সবার চাহনিতে এটা স্পষ্ট যে কেউই এটাকে ভালো ভাবে দেখছেন না। কেউ তাকে কিছু বলতে না দিয়ে নিজেরাই বলতে শুরু করলেন,

–‘তোকে খাইয়ে পড়িয়ে মানুষ করেছিলাম এই দিন টা দেখার জন্য হ্যাঁ? মুখে চুন কালি মেখে দিলি আমাদের ছি!’

আয়রা চট জলদি বিছানা থেকে উঠে যায়। উনাদের কথা শুনে তার মুখ দিতে যেনো কথাই বেরোচ্ছে না। তোতলিয়ে বললো,

–‘বাবা আপনারা যেটা ভাবছেন তা ভুল। আমি এমন কিছু করিনি!’

আয়রার মা অনুপমা এসে মেয়ের গালে কষে একটা চড় বসিয়ে দেয়। নিজেকে ঠিক ধরে রাখতে পারলো না সে। পড়ে যেতে নিয়েও সামলে নেয়। সবাই কে বোঝানোর চেষ্টা করে যে এই ছেলে কে সে চিনেই না কিন্তু কেউ ওর কথা কানেই তুলছে না। ততক্ষণে বিছানায় শুয়ে থাকা মানুষ টা আদ্রর ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার এক্টিং করলো। সে দেখে বেহাল কান্ড। আয়রা কে দেখলো কান্না করছে এক পাশে বসে। তার মানে যা হওয়ার হয়ে গেছে। আদ্র আয়রা কে ধরে বললো,

–‘আরু পাখি কি হয়েছে কাঁদছো কেন তুমি?’

আয়রা কিছু বলুক তার আগে তার চাচা বললো,

-‘এই ছেলে কে তুমি? আয়রার সাথে কত দিনের সম্পর্ক তোমার?’

–‘আসলে চাচ্চু আমি আর আয়রা একে অপর কে খুব ভালোবাসি!’

আদ্রর কথা শুনে আয়রা অশ্রুসিক্ত নয়নে চেঁচিয়ে বললো,

–‘মিথ্যে সব মিথ্যে কথা। আমি এই ছেলে কে চিনি না!’

–‘না চিনলে ও তোর ঘরে কি করে আসলো?’

–‘আমি জানিনা আমি তো ঘুমে ছিলাম। কেউ তো বিশ্বাস করো আমার কথা প্লিজ!’

আয়রার কথা শুনে আদ্র বললো,

–‘এসব কি বলছো তুমি আয়রা? আমাদের ভালোবাসার ৩ টা বছরের সব কি মিথ্যা কি করে হতে পারে?’

–‘বাবা..

–‘কে তোর বাবা তুই কোনো কথা বলবি না। চুপচাপ বসে থাক এক্ষুনি কাজি আসছে!’

–‘মানে এসব কি বলছেন আপনারা?’ আদ্র বললো।

–‘কেন তুমি না আয়রা কে ভালোবাসো?

–‘হ্যাঁ বাসি!’

–‘ভালোবাসো আর বিয়ে করবে না তা কি করে হয়!’

–‘বিয়ে এখন মানে? আপনাদের কথা ঠিক বুঝতে পারলাম না!’

–‘বুঝার কোনো প্রশ্ন এখানে আসছে না। যেভাবে আছো চুপচাপ বসে থাকো!’

কিছুক্ষণ পর আয়রা আর আদ্র দুজন কেই কাজি ডেকে বিয়ে পড়ানো হয়। আয়রা কে কেউ বিশ্বাস করছে না দেখে রাগে দুঃখে কবুল বলে দেয়। আদ্র কিছু না বলে সব টা শুধু দেখেই গেলো। শুধু কবুল বললো আর বিয়ে সম্পন্ন হয়ে গেলো। তবে সে একটা বিষয়ে খুব অবাক হয় আয়রার বাবা মা চাচা চাচি কেউ ই তাকে এখন কিছু বলছে না। বিয়ে শেষ হতেই আয়রার বাবা কাদের সিংহের মতো গর্জন করে বললো,

–‘এক্ষুনি এই বাড়ি থেকে বের হয়ে যাও। যে মেয়ে আমাদের সম্মানের কথা একবার ও ভাবলো না তাকে নিয়ে আমাদের ও ভাবার কোনো দরকার নেই! আজ থেকে তুমি আমাদের কাছে মৃত!’

আয়রা কাদেরের পায়ের কাছে বসে মিনতির সুরে বললো,

–‘আমি সত্যি বলছি বাবা আমাকে বিশ্বাস করেন। আমি এমন কিছু করিনি। আমি এই ছেলে কে চিনি না প্লিজ বিশ্বাস করেন!’

কাদের দূরে সরে যায়। আয়রা কাঁদতে কাঁদতে ফ্লোরে বসে পড়ে। আর অন্যদিকে ঐ মানুষ টি কিছুই বলছে না। একদম চুপচাপ! সব রং তামাশা যেনো তার কাছে উপভোগ্য হয়ে উঠেছে।

এতো সহজে যে আয়রা কে সে বাগে পেয়ে যাবে ভাবতেই আনন্দে মন নেচে উঠেছে। তবে আয়রার মুখ দর্শনের পর সে মনে মনে বললো,

–‘এতো সবে শুরু মাত্র মাই ডিয়ার আরু পাখি! একটু তেই এতো কাতর হয়ে গেলে বাকি টা কে ভোগ করবে বলো?’ মনে মনে হাসলো ও!

মা অনুপমা আর চাচি রাশেদার ইচ্ছা করছিলো মেয়ে টা কে আটকাতে কিন্তু কারোই ই সাহসে কুলোলো নিজেদের বরের সামনে দাঁড়িয়ে কিছু বলার। কিছুক্ষণ পর চাচা রাশেদ বললো,

–‘বাড়ির বড় মেয়ে হয়ে তোর থেকে আমরা এসব আশা করিনি। ছোটদের এই শিক্ষা দিলি? কি শিখলো ওরা তোর থেকে? যেখানে কিনা তুই ওদের আদর্শ ছিলি! চলে যা এখান থেকে নয়তো আমরা ই চলে যাবো! যেই মেয়ে আমাদের মান সম্মান হানী করলো তার পদধুলি যেনো আর কখনো এই বাড়িতে না পড়ে!’

শেষে আর কোনো উপায় না দেখে বাড়ির বাহিরে আসে আয়রা। আর তক্ষুণি তার বাবা ভেতর থেকে দরজা টা তাদের মুখের উপর ঠাস করে বন্ধ করে দেয়। সন্ধ্যার সময় ও সব ঠিক ছিলো মুহুর্তের মাঝে কি করে সব এলোমেলো হয়ে গেলো বুঝে উঠতে পারলো না সে।

এই বাবা মা আর চাচা চাচি কতো আদরে মানুষ করেছে তাকে আর আজ তারাই ভুল বুঝে বাড়ি থেকে বের করে দিলো। আর যার জন্য তারা তাকে ভুল বুঝলো সেই মানুষ টিকে সে চিনে পর্যন্ত না। আর না তো কক্ষনো দেখেছে। সে তো কোনো অন্যায় করে নি তাহলে এটা কিসের শাস্তি দিলো আল্লাহ তাকে? উত্তর টা অজানা!

এক পর্যায়ে অতিরিক্ত কান্না ও দুশ্চিন্তা করার কারণে সে সেন্সলেস হয়ে পড়ে যায় আয়রা।

আদ্র কিছুক্ষণ এগিয়ে গিয়ে দেখলো পেছন থেকে কোনো শব্দ সে শুনতে পাচ্ছে না। তাই পেছনে যেতে বাধ্য হয়। আর গিয়েই দেখলো আয়রা নিস্তেজ হয়ে মাটি তে পড়ে আছে। আর কোনো উপায় না দেখে তাকে কোলে নিয়ে নেয়। আর গাড়ির সিটে বসিয়ে সিট ব্যাল্ট লাগিয়ে দেয়। যখন ব্যাল্ট লাগাচ্ছিলো তখন সেই সুন্দর মুখশ্রীর দিকে চোখ যায় তার। মুখ যদি বলে সুন্দর না বাজে দেখতে তো মন বলবে সত্যি ই আয়রা খুব সুন্দরী রূপবতী একটি মেয়ে। যে কোনো ছেলে কে এক দেখাতেই ঘায়েল করতে যথেষ্ট তার এই সৌন্দর্য।

নিজেকে এই মোহ তে কিছু তেই আটকাতে চায় না বলে আদ্র সঙ্গে সঙ্গে দূরে সরে যায়। আর ফোন টা বের করে মা কে কল দেয়। সুলতানা ছেলের কল পেয়ে সাথে সাথেই রিসিভ করলো। কেননা ছেলে বাড়ি ফিরছে না দেখে উদ্ভট সব চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিলো। তিনি ধমক দিয়ে বললেন,

–‘আদ্র কোথায় তুই? এখনো আসলি না বাসায় হ্যাঁ রাত কত হয়েছে তার ঠিক আছে তোর? কোনো ভদ্র ঘরের ছেলে এতো রাত ওবধি বাহিরে থাকে?’

আদ্র মায়ের কথা শুনে হাসতে থাকলো। যা সুলতানা শুনতে পাচ্ছিলো।

–‘আমি কি কোনো জোকস্ বলেছি তোকে?’

–‘না মা কিন্তু তুমি যেভাবে বলছো মনে হচ্ছে আমি এখনো বাচ্চা।’

–‘বড় আর হয়েছিস কোথায়? ধুর কোথায় তুই বলতো আদ্র। আমার কিন্তু এসব একদম ভালো লাগছে না।’

–‘এইতো মা আমি আসছি। সঙ্গে করে তোমার বউমা কে ও নিয়ে আসছি!’

–‘কিহহহ..?’

হাসতে হাসতে কল কেটে দিয়েছে আদ্র। সুলতানা বার বার কল দেওয়ার চেষ্টা করে কিন্তু কল যাচ্ছে না। তাই আদ্রর ছোট বোন তন্নি কে ডাকতে তার রুমে যায়।

–‘তন্নি’

–‘হ্যাঁ মা কিছু বলবে?’

–‘দেখ আদ্র কি যেনো বলছে!’

–‘কেন কি বলছে ভাইয়া?’

–‘ও বলছে ও নাকি বউ নিয়ে আসছে।’

–‘কি বললে আম্মু?’

মায়ের কথা শুনে তার চোখ বড়বড় হয়ে যায়। আর তন্নি আর এক মিনিট ও লেট না করে কাকে যেনো ফোন দেয়। আর কিসব কথা বলে। তন্নির সব কথা বার্তা সুলতানার মাথার উপর দিয়ে গেলো।

সুলতানার স্বামী মানে আদ্রর বাবা মিস্টার সায়ের ঘরে আসতেই আদ্র বলা সব কথা তাকে জানানো হলে তিনি হাসিতে ফেটে পড়েন।

–‘সুলতানা তুমি আমাকে আজকে দারুণ একটা জোকস্ শোনালে!’

–‘আমি জোকস বলি নি!’

–‘এতো রাতে বউ আনবে তোমার ছেলে? এটাও আমার বিশ্বাস করতে হবে? যাকে ১ বছর শতচেষ্টা করেও বিয়ে করাতে পারলে না সে আনবে বউ! হাহাহা!’

সায়ের হাসছে দেখে ভীষণ রাগ হয় সুলতানার। কিন্তু তাদের হাসির মাঝখান দিয়েই হঠাৎ কলিংবেল বেজে উঠে। সুলতানা জলদি দরজা খুলে দেয়। আর আদ্রর কোলে একটা মেয়ে দেখে উপস্থিত দুজন ই ভড়কে যায়। তন্নি তো খুশিতে লাফিয়ে উঠছে।

–‘তার মানে আদ্র এসব সত্যি?’

–‘কেন মিথ্যা বলতে যাবো তোমাদের!’

–‘কিন্তু মেয়েটা কে এভাবে কোথা থেকে নিতে এলি তুই?’

–‘তোমাদের বউ দরকার ছিলো নিয়ে এসেছি।’

–‘কিন্তু কিভাবে?’

আদ্র সব খুলে বললেন সুলতানা আর সায়ের দুজন ই অবাক হয়ে যায়। আরো প্রশ্ন করতে যাবে এমন সময় আদ্র তাড়া দিয়ে বললো,

–‘আর কোনো প্রশ্ন করো না। সকালে উত্তর দিবো এখন খুব ক্লান্ত আমি ওকে নিতে রুমে যাচ্ছি!’

তন্নি খুশি হয়ে বললো,

–‘আমি তোদের জন্য বাসরঘর সাজিয়ে রেখেছি ভাইয়া!’

এবার হতভম্ব হয়ে আদ্র। জোড় পূর্বক ঠোঁটে হাসি ফুটিয়ে তুলে দাঁতে দাঁত চেপে বললো,

–‘ধন্যবাস শাক্ষচুন্নি!’

–‘কিহ বললি….

আদ্র তন্নির দিকে ভেঙ্গচি মেরে উপরে চলে যায়। ছল ছল নয়নে তন্নি সুলতানা আর সায়েরের দিকে তাকায়। তিন জনের ই এক অবস্থা। আর তা হলো,

–‘দুনিয়া ডা আন্ধার আন্ধার লাগতেছে!’🥴

__________★

যখন আয়রার জ্ঞান ফিরলো তখন নিজেকে দ্বিতীয় বারের মতো আবিষ্কার করে অসংখ্য ফুলে ফুলে সাজানো সেই ঘরে। যাকে সাধারণত বাসর ঘর বলে আখ্যায়িত করা হয়। আলোকিত সেই রুম টায় একবার চোখ বুলিয়ে নেয় সে। খুব সুন্দর করে সাজানো ঘর টি। কিন্তু এখানে সে কি করে আসলো ভাবতেই বিছানা থেকে নেমে পড়ে।

হঠাৎ মাথায় চক্কর দিয়ে উঠে। নিজেকে সামলে নিতেই সব মনে পড়ে যায়। আর বুঝতে পারে খুব সম্ভবত এটা ঐ ছেলের ই বাড়ি। প্রচন্ড রাগে ক্ষোভে ফুঁসে উঠে সব ফুল মিনিট পাঁচেক এর মধ্যে ছিড়ে ফ্লোরের এক এক প্রান্তে ছুড়ে মারলো আয়রা। তক্ষুনি খট করে দরজা টা খুলে যায়। রুমে প্রবেশ করে আদ্র। আর সদ্য বিয়ে করা বউয়ের এমন সব কর্মকাণ্ড দেখে সে একটু ও চমকালো না। বরং দেখতে থাকলো আয়রার দৌড় কত দূর!

হাত গুঁটিয়ে আদ্র এসব ঠায় দাঁড়িয়ে দেখছে দেখে আয়রার রাগ আরো দ্বিগুণ বেড়ে যায়। দাঁতে দাঁত চেপে সে এগিয়ে আসে আদ্রর সামনে। একে অপরের চোখের দিকে তাকিয়ে আছে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে। একজন তাকিয়ে আছে ঘৃণা মিশ্রিত চোখে আর অন্যজন ক্ষোভ। আয়রা রাগের মাথায় তার দুঃসাহস টা দেখিয়ে‌ ফেললো।

বাঘিনীর মতো থাবা মেরে আদ্রর শার্টের কলার চেপে ধরে সে। আর তখনি হওয়া বিকট শব্দে পুরো রুম কেঁপে উঠলো..!

চলবে?

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ