Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"অপেক্ষার প্রিয় প্রহরঅপেক্ষার প্রিয় প্রহর পর্ব-০২

অপেক্ষার প্রিয় প্রহর পর্ব-০২

#অপেক্ষার_প্রিয়_প্রহর
#পর্বঃ০২
#সাদিয়া_ইসলাম

স্ত্রী রাফার প্রশ্নের উত্তরে পরশ পাশ ফিরে শুয়ে বললো,

‘ তোমার বোন আগে কেমন ছিলো! আর এখন কেমন হয়েছে? একটু চিন্তা করো, বুঝতে পারবে।’

পরশ ঘুমানোয় চেষ্টায় চোখ বন্ধ করে নেয়। রাফা পরশের দিকে এক পলক তাকিয়ে হতাশ হয়ে নিঃশ্বাস ফেলে। ঠিকমতো শুয়ে নিজেও ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ঘুমানোর চেষ্টায় মত্ত হয়। আগের ওয়াজিহা আর এখন কার ওয়াজিহাকে এক করতে গেলে আকাশ-পাতাল তফাৎ ব্যতিত কিছুই খুজে পাবে না। তাই এই বৃথা চেষ্টা না করাই ভালো।

সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠতে একটু দেরিই হয়ে গেলো ওয়াজিহার। বিছানা হাতরে ফোন হাতে নিয়ে সময় দেখে। আটটা বেজে গেছে। ফজর নামাজ আদায় করে ঘুমিয়েছিলো একটু। এছাড়া তো রাতজাগা তার নিত্যসঙ্গী। সময় দেখে বিছানা ছাড়ে ওয়াজিহা। পায়ে স্যান্ডেল চালিয়ে ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাড়িয়ে বার কয়েক হাই তুলে হাত উচু করে। আয়নায় নিজের চেহারা দেখে মিষ্টি করে হাসলো। এরপর আয়নায় নিজের প্রতিচ্ছবির উপরই হাত বুলিয়ে আনমনে বিরবির করে বললো,

‘দিনদিন তোর সৌন্দর্য ফিকে পরে যাচ্ছে জিহা৷ নিজের প্রতি এতটা কেয়ারলেস! এমন টা তো হওয়ার কথা ছিলো না! তবে এমন কেনো হলো? নে চল শুরু করে দে ভালো থাকার নাটকীয় আরও একটি দিন।’

ওয়াজিহা ওয়াশরুমের দিকে পা চালালো। ফ্রেশ হয়ে ড্রইং রুমে পা দিতেই তার কোমড় আকড়ে জড়িয়ে ধরলো ছোটো দু’টো হাত। ওয়াজিহা হেসে মাথা নিচু করে নিচ দিকে তাকালো। তাকে জড়িয়ে খিলখিলিয়ে হাসছে তার বোনের ছেলে অলি আহাদ। ওয়াজিহা তাকে ছোট্ট করে অলি-ই ডাকে। সে অলিকে কোলে তুলে নিয়ে গালে চুমু দিয়ে জিগাসা করে,

‘আব্বু, আপনার স্কুল নেই আজ?’

অলিকে নার্সারিতে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সকাল সকালই সে স্কুলে চলে যায়। এজন্য অলিকে বাসায় দেখে প্রশ্নটা করে ওয়াজিহা। অলি খালামনির গলা জড়িয়ে আনন্দে গদগদ হয়ে বলে,

‘আজ দাদু-দাদী আসবে জিহামনি। তাই আমি স্কুলে যাবোনা আজ।’

অলির জবাব শুনেই ওয়াজিহার মনের মাঝে ধ্বক করে উঠলো। অলি কথা বলা, ডাক দেওয়া শেখার পরপরই ওয়াজিহা অলি যেনো তাকে জিহামনি ডাকে, শিখিয়ে দিয়েছিলো। ডাক-টা তার ভীষণ পছন্দের। এজন্য অলি ওয়াজিহাকে খালামনি কম, জিহামনি-ই বেশি ডাকে। অলির দাদু-দাদী মানে তো তার দুলাভাইয়ের বাবা মা। আজ আর বাসায় থাকা যাবেনা। ওয়াজিহা দ্রুতপদে ডাইনিং রুমে এসে বোনকে চেঁচিয়ে ডাকলো। অলিকে এক চেয়ারে বসিয়ে দিলো। এরপর দুগাল টেনে খালা-ভাগ্নে মনখুলে হাসলো। একমাত্র অলির সামনেই ওয়াজিহা যা একটু মনখুলে হাসে। এছাড়া তো হাসি! লোক দেখানো হাসি হাসে সে। রাফা দুহাতে নাস্তা এনে বোনের দিকে এক নজর তাকিয়ে ডাইনিং টেবিলে রাখতে রাখতে বললো,

‘চেচাচ্ছিস কেন? কি হয়েছে?’

ওয়াজিহা চেয়ার টেনে বসতে বসতে শান্ত গলায় বললো,

‘অলি বললো তাউই-মাউই নাকি আসবে আজ!’

‘হ্যাঁ।’

‘সে-ও আসবে নাকি আপা?’

ওয়াজিহার কথার এ পর্যায়ে রাফার হাত থেমে গেলো। বোনকে নাস্তা সার্ভ করে দিচ্ছিলো সে। বোনের প্রশ্নে হাতের কাজ বন্ধ করে চেয়ার টেনে পাশে বসলো৷ বোনকে যে বিষয়-টা জানাতে চায়নি! ঠিক সেটাই হলো। পরশ সকালে অফিসের জন্য বেরুনোর আগে অলির সামনেই তার বাবা-মা আসার কথা জানিয়ে গেছে। অলিও দাদী পাগল ছেলে, খুশির চোটে হয়তো ওয়াজিহাকে জানিয়ে দিয়েছে। ওয়াজিহা পরোটা ছিড়ে মুখে পুরে খেতে খেতে ফের প্রশ্ন করলো,

‘ কি হলো! উত্তর দিচ্ছো না?’

‘ আসলে কি তুই আর আজ বাসায় আসবি না নাকি?’

ওয়াজিহা রাফার দিকে তাকিয়ে মলিন হাসলো। কাঁপা ঠোঁটে উত্তর দিলো,

‘ কি দরকার আপা কাটা ক্ষতে লবণের ছিটা নিজে আগ বাড়িয়ে গ্রহণ করা? কোনো দরকার আদৌও আছে?’

‘কিন্তু কতদিন আর পালিয়ে বেড়াবি সবার থেকে?’

‘পরশ ভাই যে আমার জন্য এত করেছে! এই তো অনেক আপা। থাকুক না, সবার শান্তিই বজায় থাকুক।’

‘ সবার থেকে পালিয়ে বেড়ালেই সব শান্তি বজায় থাকবে? ওনারা এসে তোকে না দেখলেও তো কথা উঠবে।’

‘সামলে নিস। আমি আসছি, আর বাসায় না ফিরলে বুঝে নিস সেখানেই গিয়েছি।’

ওয়াজিহা কথাটুকু বলেই একগ্লাস পানি খেয়ে ডাইনিং টেবিল ছাড়লো। রুমে গিয়ে নিজের প্রয়োজনীয় জিনিস ব্যাগে ভরে বেরিয়ে পরলো ভার্সিটির উদ্দেশ্য। মাস্টার্সে পড়াশোনা করছে সে। ওয়াজিহা ড্রইং রুম থেকে অলি এবং বোনকে হাত নাড়িয়ে বিদায় জানিয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে যায়। রাফা শুধু বোনের যাওয়ার পানে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে। এছাড়া যে তার আর কিছু করার নেই।

🌸🌸🌸
সকাল সকাল অফিসের কথা বলে বাসা থেকে বেরিয়ে অফিসে না গিয়ে ভার্সিটির সামনে একটা চা-স্টলে দাড়িয়ে সিগারেট ফুঁকছে ইরাদ। চা খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে অবশেষে সিগারেট কিনে সিগারেট জ্বালিয়ে টানতে শুরু করেছে। কিছু কিছু বদ অভ্যাসের মাঝে সিগারেট খাওয়া তার একটা বদ অভ্যাস। দারুণ বেখেয়ালি মেয়ে তো! এত সময় লাগে ভার্সিটি আসতে! সিগারেটে লাস্ট টান দিয়ে ছুড়ে মারতেই কাঙ্ক্ষিত মানুষটির পাদচারণা নজরে পরলো ইরাদের। বোরখা হিজাবে সজ্জিত মানুষটিকে আজ অদ্ভুত সুন্দর লাগছে দেখতে। চোখের চশমা-টা বারবার বিরক্তি নিয়ে ঠিক করতে করতে ভার্সিটির গেট পেরিয়ে ভিতরে প্রবেশ করছে সে। ইরাদ মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে দেখতে দেখতে কখন যে তার চোখের আড়াল হলো! বুঝতে পারলো না ইরাদ। ইশশ আজও কথা বলা হলো না। কথা বলার মতো সাহস টুকু ইরাদের হয় না। ওমন সুন্দর রুমণীর পাশে তারমতো শ্যাম পুরুষকে কি মানাবে! এই বিষয় নিয়ে ভীষণ ভীত-সশস্ত্র থাকে ইরাদ। ২টা বছর হলো মেয়েটিকে আড়ালে আড়ালে অনুসরণ করে লুকিয়ে চুপিয়ে ভালোবেসে চলছে সে। কিন্তু তার জীবনে এত বাজে কিছু দুর্ঘটনা ঘটে গেছে! মনে পরতেই বুকের মাঝে কেমন একটা চিঁনচিনে ব্যথা অনুভব করলো ইরাদ। ঐ ঘটনাগুলোই তো! ঐ ঘটনাগুলোর জন্যই তার আর এই লুকোনো ভালোবাসার মাঝে এত বাঁধা। সরাসরি বিয়ে করে আগলে নেওয়ার মাঝে তার মা মানতে পারবেনা সেই দেওয়াল হয়ে দাড়িয়েছে বাজে কিছু ঘটনা। কিন্তু ঘটনাগুলোর জের ধরে পিছিয়ে আসার তো মানে হয়না! এবার একটু সাহস সঞ্চয় করে মেয়েটার সামনে দাড়ালে মেয়েটি কি তাঁকে ফিরিয়ে দিবে? “উফ ইরাদ! রাস্তায় দাড়িয়ে কি সব ভাবছিস!” নিজের চিন্তাভাবনা দেখে নিজেই নিজেকে মৃদু ধমকে কথাটা বলে ইরাদ। চায়ের দোকানের বিল মিটিয়ে পা বাড়ায় নিজের কর্মস্থলের দিকে। তখনই পকেট থাকা ফোন টা বেজে উঠে ইরাদের। পকেট থেকে বের করতেই দেখে তার বাবার নাম্বার ফোনের স্কিনে জ্বলজ্বল করছে। বাবার সাথে বেশ ভালো সম্পর্ক ইরাদের। তার মা যেমন সামান্য বিষয় নিয়ে রাগারাগি করেন, তার বাবা তেমন নয়। তবুও গতরাতের বিষয় টা নিয়ে একটু চিন্তিত হয়ে পরলো ইরাদ। তার মা কি তবে তার বাবাকে বিষয়টা অবগত করেছেন! এজন্যই কি তার বাবা কল করলো! ইরাদের বাবা ফজলু শেখ প্রবাসী মানুষ, কাতার থাকেন। ইরাদ নিজে সামলম্বী হওয়ার পরও বাবাকে রাজী করিয়ে দেশে আনতে পারেনি। কত্তদিন হলো বাবাকে জড়িয়ে ধরা হয়না! ফোন হাতে নিয়ে আনমনা হয়ে বাবার কথা চিন্তা করতে করতেই কলটা কেটে গেলো।

‘আরে ইরাদ ভাই! আপনি এখানে! ফোন বাজছিলো আপনার, কেটে গেলো তো। মন কোথায় রেখে এসেছেন! রাস্তায় দাড়িয়ে একধ্যানে একদিকে তাকিয়ে আছেন যে!’

আচমকা কাঙ্ক্ষিত মানুষটিকে নিজের সামনে দেখে হকচকিয়ে গেলো ইরাদ। ফোন টা পকেটে ঢুকিয়ে বোকা বোকা চাহনীতে হাসলো। মৃদু হেসে বললো,

‘এমনিই এদিকে একটু কাজ ছিলো। মাথা ধরেছিলো একটু, তাই চা স্টল দেখে চা খেয়ে নিলাম। কেমন আছেন ওয়াজিহা?’

ওয়াজিহাও মৃদু হাসলো ইরাদের প্রশ্নে। দুহাত দুহাতে কচলে আলতো স্বরে জবাব দিলো,

‘আলহামদুলিল্লাহ ভালো। আপনি?’

‘আমিও আছি হয়তো আলহামদুলিল্লাহ ভালো-ই।’

‘হয়তো কেনো?’

‘না কিছু না এমনি। আপনার ক্লাস আছে না? এ সময় ভার্সিটি ছেড়ে বাইরে যে!’

‘ক্লাস আছে, তবে একটু দেরিতেই। একজন আসবে, তার অপেক্ষা করতে করতে বাইরে আসলাম। আপনাকে নজরে পরলো। তাই এদিকে আসা।’

‘ওহহ, কার অপেক্ষা করছেন?’

চলবে?

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ