Friday, June 5, 2026







অনূসুয়া পর্ব-১০

#অনূসুয়া
#পর্ব১০
#রাউফুন

শেষ পর্যন্ত সুসমার জেদের কাছে হার মেনে মেরাজ চলে যেতে বাধ্য হয়৷ সব দিক দিয়েই তো তাকে ভাবতে হবে। তার কথা শুনে তার বাবা মা এসেছেন সুসমাকে দেখতে৷ কিন্তু তাই বলে তো এই না যে তাদেরকে কোনো রকম অসম্মান হতে দেবে। মেরাজ বাবা মায়ের কথা চিন্তা করেই গতদিন ফিরে গেছিলো৷

রোজকার মতো মেরাজ রাতে এসে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেনি আর। বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়াই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, এটাই ভালোবাসা? মনে মনে তাচ্ছিল্য করলো সুসমা। অবশ্য এতে তার কি? সে-তো খুশি এখন থেকে, বেঁচে গেছে। অফিসের টুকটাক কাজ করে অফিস যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে নিলো সুসমা। কিন্তু বার বার সেই মেরাজের কথায় মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। সম্পুর্ন ভাবে লোকটার কাজ কর্ম ভুলে থাকা যাচ্ছে না।

সুসমা অফিসে ঢুকতেই রিক্তা তাকে হাই দিলো৷ এগিয়ে আসলো তার দিকে। রিক্তার মুখ খানা শুকনো লাগছিলো খুব। সুসমা তার মলিন মুখের দিকে তাকিয়ে রইলো কিয়ৎক্ষণ। মুখের উজ্জ্বলতা হারিয়েছে কেমন! রিক্তা সব সময় হাসি খুশি থাকে তবে আজ কি হয়েছে?

‘গতকাল আসোনি যে!’ শুধালো রিক্তা।

‘আর বলো না সে অনেক কথা। আগে তোমার কথা বলো। মুখখানি ওমন শুকনো কেন?’

রিক্তার মুখ টা আরও শুকিয়ে গেলো। মন খারাপ করে বললো, ‘তোমার সঙ্গে আমার অনেক কথা আছে। আজকে একটু সময় হবে?’

‘হ্যাঁ হবে না কেন? আমি অপেক্ষা করবো তোমার! এখন কাজ করো! অফিসে গল্প করা উচিত না। রা’ক্ষ’স স্যার পছন্দ করেন না জানো তো!’

‘মিস সুসমা, রিক্তা এটা অফিস আপনাদের আড্ডা, হাসাহাসির জায়গা নয়! কাজের বাইরে কথা বলা আমার পছন্দ না।’

একটা কর্কশ কন্ঠে দুইজনেই মিইয়ে গেলো। রিক্তা সুরসুর করে তার জায়গায় গিয়ে বসলো৷ আলিফ শেইখ এরশাদ এগিয়ে এলেন। মোস্ট হ্যান্ডসাম এলিজিব্যাল ম্যান। তার গাম্ভীর্যের সঙ্গে সঙ্গে কথাবার্তার তেজ সকলকে কাঁপিয়ে দেই। তার প্রতিটি পদক্ষেপ , কাজ হবে একদম নির্ভূল। তীর্যক চাহনী, কথা বলার ধরণ এক কথায় নজর কাড়ার মতো। তার মুখের ফিচার এতোটাই নিখুঁত যে কেউ একবার তাকালে সঙ্গে সঙ্গে চোখ ফেরানো দায় হয়ে যাবে। সুসমা বসে কম্পিউটার ঘাটছিলো। তার দৃষ্টি কম্পিউটারে নিবদ্ধ! আলিফ তার ডেস্কে হাতের বারি দিয়ে মৃদু চেঁচিয়ে বললো,

‘মিস সুসমা আমি যে আপনাকে অবলোকন করছি দেখতে পাচ্ছেন না?’

সুসমা নিজের ডেস্কের বসার স্থান থেকে দাঁড়িয়ে মাথা নিচু করে রাখলো। বললো,

‘জ্বী স্যার বলুন, কিছু বলবেন?’

‘কাল অফিস আসেন নি কেন? আর আপনার গত কদিনের কাজ কর্ম ঠিক ঠাক হয়নি। এভাবে কাজ করলে আপনাকে ফায়ার্ড করতে বাধ্য হবো। রিমেম্বার মাই ওয়ার্ড! আর প্রেজেন্টেশন কমপ্লিট হলে আমাকে দেখিয়ে নিয়ে যাবেন।’

সুসমা শুকনো ঢুক গিলে মাথা নাড়লো। আলিফ তীব্র রাগে বললো, ‘মুখে কি খিল দিয়েছেন? কথা বের হয় না? আমি এতো গুলো কথা বললাম শুধু মাথা নাড়লেন! একে তো ভুলভাল প্রেজেন্টেশন প্রেজেন্ট করেছেন তারপর আবার নিয়মিত আসেন না অফিসে!’

‘স্যরি স্যার৷ আসলে আমার বিয়ের সম্বন্ধ এসেছিলো তাই, গতকাল….!’

‘আমি আপনার বাড়ির কথা জানতে চাইনি। আমাকে কাজ বুঝিয়ে দেবেন। কাজ কমপ্লিট করা চাই লাঞ্চ টাইমের আগে।’

আলিফের হুংকারে কেঁপে উঠলো সুসমা। ভেতরে ভেতরে ফুসছে সে। বসের হঠাৎই এমন রেগে যাওয়ার মানে ধরতে পারলো না সে। আলিফ তা অবলোকন করে দেখতেই বললো, ‘ফোস ফোস করে লাভ নেই।’

‘কই না তো স্যার! কোথায় ফোসফাস করছি?’

সুসমার এমন বোকা বোকা প্রশ্নে আলিফের হঠাৎই হাসি পেলো। কিন্তু সেটা হলে তার গম্ভীর্যের বাইরের রূপ সামনে আসবে। গম্ভীর্য বজায় রেখে বললো,

‘ভেতরে ভেতরে ফোসফাস করলে আপনার নাকের পাটা ফুলে যায় জানেন? আর হ্যাঁ এখানে কাজ করতে হলে আপনাকে আমার দেওয়া রুলস রেগুলেশন মেনে চলেই কাজ করতে হবে। নতুবা…!’

সুসমা আলিফ কে কথা সম্পুর্ন করতে না দিয়ে বিক্ষিপ্ত গলায় উত্তর দিলো, ‘নতুবা, নতুবা চাকরিটা থাকবে না তাই তো? ওকে ফাইন করবো না আমি এই চাকরি!’

আলিফের চোয়াল শক্ত হলো। তার মুখের উপরে এই পর্যন্ত কেউ এভাবে কথা বলেনি। অথচ এই মেয়েটার সাহস দেখে সে অবাক হয়ে গেছে৷ যেখানে সে প্রায় সবার চোখে আটকায়, তাকে দেখে সুন্দরী সুন্দরী মেয়েদের দৃষ্টি আটকে থাকে সেখানে এই মেয়েটা তার দিকে চোখ তুলে পর্যন্ত দেখে না৷ বরং সে নিজেই অনেক বার সুসমাকে দেখেছে। বোঝার চেষ্টা করেছে সুসমা তাকে আড়ালে আবডালে দেখে কি না। সে তীব্র আক্রোশে বললো,
‘ঠিক আছে। রেজিগনেশন লেটার টা সময় মতো পাঠাবেন এই মাসের শেষে। আপনার মতো ইম-পাংকচুয়াল স্টাফ আমার চাই না৷’

সুসমা হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে রইলো আলিফের যাওয়ার পানে। রাগ নিয়ন্ত্রণ না করতে পেরে সুসমা কড়া ভাবে বলে ফেলেছে। অনেক কষ্টে কাজ কমপ্লিট করে লাঞ্চের আগে সুসমা। রিক্তার সঙ্গে সুসমা এক সাথে ক্যান্টিনে গিয়ে বসলো। রিক্তা মন খারাপ করে বললো, ‘তোমার কি দরকার ছিলো সুসমা, স্যারের মুখের উপর বলা যে চাকরি করবে না। এতো ভালো পজিশন আর এতো ভালো জব তুমি পাবে? জানোই তো স্যারের মেজাজ একটু চড়া। শান্ত ভাবে স্যরি বলে দিতে!’

‘একটা মানুষ এতোটা রেস্ট্রিকশন কিভাবে দিতে পারে? আমরা কি কাজ করি না? এমনি এমনি মাইনে দেন? সব সময় এতো কড়াকড়ি আমার ভালো লাগে না। সহ্য করতে না পেরে বলে ফেলেছি। তাছাড়া লোকটা একটা বে’য়া’দ’ব, একদম ম্যানার্সলেস। সদাচরণ নেই বললেই চলে। অসভ্য লোক!’

হঠাৎই রিক্তা দাঁড়িয়ে সুসমাকে ইশারায় কিছু বোঝানোর চেষ্টা করছে। সুসমা ভ্রু কুঞ্চিত করে বললো, ‘ হঠাৎই দাঁড়িয়ে পরলে যে? কি হয়েছে বলো তো? তুমি কি এখানেও ঐ লোকটার ভয় করছো? মানুষ রূপে আস্তো এক রাক্ষস লোকটা।’

‘আমি কি? আরেকবার রিপিট করুন মিস সুসমা!’

কন্ঠের মালিককে চিনতে পেরে জমে গেলো সুসমা। এখনই না আবার সিংহের ন্যায় গর্জে উঠে। তার মানে রিক্তা এতক্ষণ তাকে ইশারায় এটাই বোঝানোর চেষ্টা করছিলো। সুসমা কাচুমাচু হয়ে ঘুরে মুখাবয়ব স্বাভাবিক করে বললো!

‘আসসালামু আলাইকুম স্যার! কিছু বললেন স্যার?’

আলিফ গলার টাই টা ঢিলে করে শার্টের হাতা ফোল্ড করে এগিয়ে এলো আরও একটু। সুসমা ভয়ে জমে গেলো একদম। বললো, ‘আ-আপনি এগিয়ে আসছেন কেন?’

‘আমি বেয়াদব? অসভ্য? রা’ক্ষ’স আমি? আপনার লজ্জা করে না একজন সম্মানিত ব্যক্তির সম্পর্কে এভাবে আড়ালে কন্ডেম করতে?’

সুসমা চোখ উলটে বিরবির করলো, ‘উম সম্মানিত লোক না ছাই। ব্যবহার এর শ্রী দেখলে তো অসম্মান ছাড়া কিছুই আসে না।’

‘কিছু বললেন?’

‘নাহ স্যার, স্যরি স্যার!’

আলিফ গলার স্বর আবারও গম্ভীর করে বললো, ‘আপনার কাজ শেষ হয়েছে?’

‘ইয়েস স্যার!’

‘লাঞ্চ শেষ করে আমার ডেস্কে আসুন। কাজ বুঝিয়ে দেবেন!’

‘ওকে স্যার!’

আলিফ চলে যেতে হাফ ছেড়ে বাঁচলো সুসমা। রিক্তার অবস্থা এমন ছিলো যে সে পারলে এক লাফে আলিফ কে ক্রস করে পালিয়ে যেতো। সুসমা ঠিকই বলে যেনো আস্ত একটা রা’ক্ষ’স!

সুসমা শান্ত হয়ে বসলো শুধালো,’এবার তোমার কথা বলো রিক্তা। কি হয়েছে তোমার? চোখ মুখের কি হাল করেছো দেখেছো?’

রিক্তা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো, ‘আমি আমার হাসবেন্ড শান্তকে ডিভোর্স দিতে চাই!’

‘হোয়াট?’ চমকে উঠে সুসমা।

‘ঠিকই শুনেছো তুমি! আমি জানতে পেরেছি শান্ত অন্যত্র সম্পর্কে লিপ্ত। যা আমার পক্ষে মেনে নেওয়া অসম্ভব। তারপর আমি তাকে জিজ্ঞেস করাই আমাকে থাপ্পড় দিয়েছে!’

‘তুমি সত্যতা যাচাই করেছো?’

‘হ্যাঁ আমি ধরেছিলাম। ওঁর ফোনে খুবই নোংরা আর বাজে ম্যাসেজ ছিলো ঐ মেয়েটার সঙ্গে! আমি ভাবতেও পারছি না শান্ত আমাকে এভাবে ঠকাচ্ছিলো এতোদিন। যে মানুষটা আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতো না সে আমাকে ছাড়া….’

বলতে বলতেই ডুকরে কেঁদে উঠলো রিক্তা। সুসমা রিক্তার হাত চেপে ধরে শান্ত করার চেষ্টা করলো। সে এই সময় টা পার করে এসেছে তাই সে জানে এর ব্যথা কতটা। শান্ত কন্ঠে বললো, ‘রিক্তা, শান্ত হও। এখানে সবাই তোমাকে দেখছে। আমরা আলাদা ভাবে কথা বলবো এই বিষয়টা নিয়ে। রিল্যাক্স!’

রিক্তা চোখ মুছে বললো,’ আমার সঙ্গে এমন কেন করলো? দুনিয়ায় সব পুরুষ মানুষ এমন কেন হয়? ঘরে বউ রেখে পরকীয়া করে!’

‘ভুল বললে, সব পুরুষরা এক রকম হয় না। অনেক পুরুষ মানুষ আছে যারা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একজন নারীতেই আবদ্ধ থেকে আজীবন কাটিয়ে দেই। এক নারীতে আসক্ত পুরুষ এখনো অহরহ। চরিত্রহীন পুরুষ আর শুদ্ধ পুরুষের মধ্যে পার্থক্য করতে শেখো।’

বলতে বলতেই সুসমার মেরাজের কথা মনে হলো। লোকটা অফিসের আশেপাশেও আসেনি আজ। রোজ যেখানে দাঁড়িয়ে থাকে সেখানের জায়গাটা ফাঁকা৷ রিক্তা বললো, ‘আমি শান্তর সঙ্গে কথা বলেছি এই বিষয়ে। ওঁ আমাকে বলেছে থাকতে হলে এভাবেই থাকতে হবে! মানে ভেবেছো? ওঁ বাইরে মেয়ে নিয়ে ফূর্তি করবে সেসব মেনে নিয়ে আমাকে ওঁর সঙ্গে থাকতে হবে!’

‘তোমার যদি শান্তর সঙ্গে কথা হয়ে থাকে তবে ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নেও। আমার মনে হয় না তোমার এখনো শান্তর সঙ্গে থাকা উচিত। জীবনে আর যায় হোক চরিত্রহীন পুরুষ মানুষকে বিশ্বাস করো না। না হলে জীবনটা আমার মতো হবে। আমার মতো আজীবন পস্তানোর মতো ভুল করো না!’

সুসমার সঙ্গে বিষয় টা শেয়ার করে রিক্তার কিছুটা হালকা লাগছে। লাঞ্চ টাইম শেষ হতেই ওঁরা উঠে পরলো। রিক্তার কথা শুনে সুসমার আর খেতে ইচ্ছে করেনি। তাই খাওয়া হলো না দুইজনের একজনেরও। ওঁরা দুইজনই উঠে গিয়ে কাজে লেগে পরলো। না-হলে কখন না জানি আবার রাক্ষস বস এসে শাসিয়ে যায়!

#চলবে

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ