Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"অনুভবে তুমিঅনুভবে_তুমি পর্ব-৯/১০/১১

অনুভবে_তুমি পর্ব-৯/১০/১১

অনুভবে_তুমি পর্ব-৯/১০/১১
#সাইমা_ইসলাম (প্রীতি)
.
.
প্যাকেট খুলতেই দেখি ভেতরে ব্ল্যাক কার্লারের একটা শাড়ি আর সাথে কিছু অর্নামেন্টস।শাড়িটা দেখেই বুঝা যাচ্ছে খুব দামী হবে।একটু দিধা-দ্বন্দ্বেই পড়ে গেছি শাড়িটা পরব নাকি না।
তখনি রূপের ম্যাসেজ
“কি হলো কিউটি?এতক্ষণ লাগে একটা শাড়ি পড়তে?আর কিন্তু দশ মিনিট সময় দিলাম।এর মধ্যৈ যদি না আসো তাহলে কিন্তু আমি নিজে তোমাকে শাড়ি পড়িয়ে নিচে নিয়ে আসব বলে দিলাম।সো কুয়িক কিউটি”
রূপের ম্যাসেজ দেখে তো আমার জান যায় যায় অবস্থা।
কিসের দ্বিধা-দ্বন্দ্ব আর কিসের কি শাড়ি নিয়ে একদৌড়ে ওয়াসরুমে চলে গেলাম।
অনেকক্ষণ হয়ে গেছে মিহিনের আসারই নাম নেই দেখে রূপ চলে আসে উপরে।দরজায় নক করতেই খুলে যায় দরজা।
মিহিন নেই ঘরে।সাথে সাথে ওয়াশরুমের দিকে দেখে রূপ।
নাহ! দরজা তো খোলা।তাহলে গেল কই ও??
হঠাৎ ড্রেসিং টেবিলের সামনে উঠে দাঁড়ায় মিহিন।
.
আসলে কানের দুলটা পড়তে গিয়ে নিচে পড়ে যাওয়াতে আমি নিচ থেকে তুলে পড়ছিলাম। তখনি দেখি রূপ পেছন থেকে ডেপ ডেপ করে চেয়ে আছেন আমার দিকে।এভাবে তাকিয়ে আছেন যেন হাজার বছরের নেশা মিটাচ্ছেন আমাকে দিয়ে।
চোখের নেশা,মনের নেশা।
এক মুহূর্তের জন্য আমার কি হয়েছিল আমি জানি না।চোখ সরাতে ইচ্ছা করছিল না ওনার চোখ থেকে।লুকিয়ে নিতে ইচ্ছে করছিল না নিজেকে।কিছুক্ষণ পর ওনি নিজেই আমাকে বললেন,,,,,
-এতো সেজো না এই চোখের যে আর সহ্য হয় না।
রূপের কথা শুনে আমার ঠোঁটের নিচের টোলটা আরো গাঢ় হয়ে গেল।রূপ এর আগেও আমাকে বলেছেন অনেকবার আমার ঠোঁটের নিচের এই টোলটা সবচেয়ে বেশি ভালোলাগে ওনার।
আমার কপালে একটা নিষিদ্ধ ভালোবাসার পরশ বুলিয়ে নিচে নিয়ে এলেন আমায়।
আসার আগে নিজেকে লাস্ট বারের মতো দেখে নিয়ে ছিলাম মিররে।একদম পারফেক্ট লাগছে।কালোর সাথে ক্রিম কার্লারের কম্বিনেশনে শাড়িটা।সাথে সাজ বলতে শুধু লিপস্টিক আর কিছু অর্নামেন্টস।চুল গুলোকে খোপা করে নিয়েছি,তাও বাতাসে খুলে গেছে কয়েকটা।
.
রূপ আমাকে নিয়ে তারাহুরো করে রুম থেকে বের হওয়ার সময় হঠাৎ থেমে গেল।
-কি হয়েছে?চলুন।
-এই তুমি চোখে কাজল দাও নি কেনো?
-আমি কাজল দিতে পারিনা।চোখ থেকে পানি পড়ে নষ্ট হয়ে যায় সব।
-আমি লাগিয়ে দিবো?একদম পানি পরবে না।সাবধানে লাগাবো।
-না না।আমার ভালও লাগেনা।
রূপ আমাকে তার আরো অনেক কাছে টেনে নিয়ে বলল,,,
-আজ লাগাওনি ভালই করেছ।এমনিতেই মাথা হ্যাং করে দিয়েছো আর চোখে কাজল দিলে তো আমি এখানেই শেষ হয়ে যেতাম।এই যাত্রায় ছেড়ে দিলাম।এরপর থেকে কিন্তু আমিই সব সময় কাজল দেব ঐ চোখে।
বলেই একটা তেরি স্মাইল দিলেন।
.
ওনি আবার এসছেন আমার এতো কাছে।আচ্ছা ওনি কি বুঝেন না ওনার এই স্পর্শগুলো কাপুঁনি ধরায় আমার প্রত্যেকটা শ্বাস-প্রশ্বাসে,থামিয়ে দেয় বুকের বাম পাশের এই ছোট্ট যন্ত্রটাকে।মেরুদন্ডটাকে শীতল করে দেয়।আমি যে আর পারছি না।ধাক্কা দিয়ে নিজেই সরে গেলাম ওনার কাছ থেকে।
কাপঁছি।প্রচন্ড রকমের কাপঁছি।সামলাতে পারছিনা নিজেকে।হার্টবিটও বেড়ে গেছে হাজার গুন।এমন ভাবে লাফাচ্ছে হৃৎপিন্ড যেন এখনি ছিড়ে বের হয়ে যাবে।
ওনার ঠোঁটে এখনো সেই দুষ্ট হাসি।মুচকি মুচকি হাসছেন আর পিষে দিচ্ছেন আমার সব অনুভূতি।।
.
.
ওনি চোখ বেধে নিচে নিয়ে এলেন আমায়।নিচে নিয়ে এসেই হাত ছেড়ে দিলেন আমার।
-রূপ,,,,,রূপ কোথায় আপনি? কোথায় গেলেন? আমার কিন্তু ভয় করছে।হাত কেন ছেড়ে দিলেন? রূপ,,,।
হঠাৎ কেউ একজন আমার কানের কাছে ফিসফিসিয়ে বলল,,,,,
-হাত ছাড়ার জন্য তো আর ধরিনি ম্যাম।এই হাত আর কোনো দিনো ছাড়া পাবেনা আমার আঙ্গুলের ভাজ থেকে।(নিজের আঙ্গুল গুলো আমার আঙ্গুলের ভাজে ঢুকিয়ে)তুমি চাইলেও না।
-এবার তো আমার চোখটা খুলুন।
-আরে কিউটি এত তাড়া কিসের।খুলছি তো।জাস্ট আ মিনিট।
রূপ আমার চোখ খুলে দিলেন।চোখের কাপড়টা সরাতেই আমার চোখ চড়ক গাছ হয়ে গেল।একি আমি সত্যি দেখছি নাকি পুরটাই আমার স্বপ্ন?
.
চারদিকে শুধু ব্লু এন্ড হোয়াইট কালার্রের পর্দা আর বেলুন দিয়ে সাজানো।আমাকে যেই রিসোর্টে নিয়ে এসেছিলেন রূপ তার গার্ডেনেই করা হয়েছে এই ডেকোরেশন।গার্ডেনর মাঝে গোলাকার একটা প্যান্ডেলের মতো জায়গায় ব্লু-হোয়াইট কার্লারের পর্দা দিয়ে সাজানো।এর মাঝে একটা গোল ছোট্ট টেবিল।টেবিলের উপর আমার পছন্দের অনেকগুলো বেলী ফুল আর লাভ শেইপের একটা চকলেটা কেক।আচ্ছা ওনি জানলো কিভাবে আমার বেলী ফুল পছন্দ?
পুরো বাগানটা বেলুন দিয়ে ডাকা,,আর গাছ গুলোসব ব্লু কার্লার মরিচ বাতি দিয়ে ঘেরা।
হালকা মিউজিকে একটা রোমান্টিক সং প্লে হচ্ছে।
এত্তো সুন্দর সারপ্রাইজ এর আগে আমাকে কেউ দেয়নি।আমার এখনো মনে হচ্ছে আমি স্বপ্ন দেখছি।তবে এই যেনো কোনো দিনও না ভাঙ্গে।হঠাৎ আমার ফোনটা বেজে উঠলো।নাহ এটা কোনো স্বপ্ন নয়।সবটা সত্যি।নানু ফোন দিয়েছে।আমি ফোন রিসিভ করার আগেই রূপ আমার হাত থেকে ফোনটা কেড়ে নিলেন।
– কোনো ফোন-টোন রিসিভ করা যাবেনা এখন।আর এটা নিয়েই আসছো কেন?
– কিন্তু রূপ,,,,,,
– কোনো কিন্তু না বসে থাকো চুপ করে।
রূপ আমাকে একটা চেয়াফে বসিয়ে দিয়ে আবার কোথায় যেন চলে গেলেন।
একটা বসে থাকতে ভালোই লাগছিল।বাতাসে সব পর্দা গুলো খেলায় মেতেছে।বেলী ফুলের ঘ্রাণে চারদিক টুইটুম্বুর।আমি বেলী ফুল গুলো নারাচারা করছিলাম।
হঠাৎ অনেকের চেঁচানো আওয়াজ শুনে দেখি রূপ সামনে দাড়িয়ে আছেন।আর হাতে ওনার ফোনে নানু,রাহি,ইশু,আন্টি,আংকেল ওরা সবাই একসাথে।
সবাই একসাথে আমাকে বলছে,,,
“হ্যাপি বার্থডে টু ইউ মিহিন।হ্যাপি বার্থডে।”
ওহ শিট কাল যে আমার বার্থ ডে আমি তো তা ভুলেই গেছিলাম।অনেক খুশি লাগছে।ঠিক কতোটা আমি বলে বুঝাতে পারব না।এর আগে কোনো দিন কেউ এতো স্পেশাল ভাবে আমার বার্থডে পালন করেনি।না চাইতেও রূপের প্রতি একটা গভীর দুর্বলতা সৃষ্টি হচ্ছে আমার মনের কোনে।.
যেটা প্রতি নিয়ত শুধু গহীন থেকে গহীনতর হয়েই যাচ্ছে।এর কারনও রূপ আর ওনার ভালোবাসা।
কেক কাটলাম।রূপকে খাইয়েও দিলাম।রূপও আমাকে খাইয়ে দিয়েছেন।তারপর সবার সাথে কথা বলে ডিনার কম্প্লিট করে রুমে চলে এলাম।রূপ আমার পাশের রুমে থাকবেন।
রাতে ঘুম আসছে না কিছুতেই।বারবার মনে হচ্ছে,আরো কিছুক্ষন কাটানো যেতো ওনার সাথে।বারান্দায় এসে দাড়ালাম।গার্ডেনের সব লাইট গুলো এখনো জ্বলছে।উপর থেকেই সবচেয়ে বেশি সুন্দর লাগছে।তবে অবাক বিষয় এই রূপ কাল রাতে আমাকে নিয়ে এসছে এখানে অথচ আমি এখনো জানি না এটা কোন জায়গা।
দোষটা আমারই। আমিই তো কাল সারা দিন পড়ে পড়ে ঘুমিয়েছি।একদিন জার্নি করলে পরের সারাদিন মরার মতো ঘুমাই এটা আমার জন্মগত অব্যাশ।তাই হয়ত এখন জাগতে ভালো লাগছে।
রুমে এসে দেখি রূপ ফোন দিচ্ছেন
-এই কিউটি তুমি এখনো ঘুমোও নি কেন?
কন্ঠটা পুরোপুরি ঘুম জরানো আর অসম্ভব রকমের নেশাতুর লাগছে।
– এই তো ঘুমাবো।আপনি কিভাবে বুঝলেন আমি ঘুমাইনি?
– তোমার করিডোর এখান থেকে স্পষ্ট দেখা যায় কিউটি।
– ও আচ্ছা।রাখি ঘুমান।শুভ রাত্রি।
– হুম।ঘুমাও গুড নাইট।
.
পরদিন সকালে ঘুম ভাঙ্গে রূপের ফোনে।
-তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নিচে এসো ব্রেকফাস্ট করে ঘুরতে বের হবো তোমায় নিয়ে।
.
.
To be continue?
(নেক্সট গল্প মঙ্গলবার দিব)

এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি মাসে জিতে নিন নগদ টাকা এবং বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

গল্পপোকার এবারের আয়োজন
ধারাবাহিক গল্প প্রতিযোগিতা

◆লেখক ৬ জন পাবে ৫০০ টাকা করে মোট ৩০০০ টাকা
◆পাঠক ২ জন পাবে ৫০০ টাকা করে ১০০০ টাকা।

আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/?ref=share

#অনুভবে_তুমি
পর্ব-((১০))
#সাইমা_ইসলাম (প্রীতি)

.
.
রূপের কথায় বেশি একটা কর্ণপাত না করে বারান্দায় গিয়ে দাড়ালাম।এক পশলা মৃদু বাতাস এসে ছুয়ে দিয়ে গেল আমার প্রত্যেকটা অঙ্গ।সামনে অদূরে বিশাল জলরাশি।বুঝতে আর বাকি রইলনা আমি এখন কক্সবাজার।আমার পছন্দের জায়গা গুলোর মধ্যে একটা।চোখ দুটো বুজে নিলাম।হালকা রোদের আভা আর ছন্দময়ী বাতাসে মিলিয়ে যেতে ইচ্ছা করছে খুব।
দশ মিনিট বারান্দায় থেকে রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে নিলাম।রূপ কাবার্ডে আমার জন্য বাদামী রং এর একটা ড্রেস রেখে গেছেন আরো আগেই।গিয়ে তৈরি হয়ে নিলাম।নিচে এসে ব্রেকফাস্ট করেই বের হয়ে পড়লাম ঘুরতে।
রূপ সবার প্রথম আমাকে নিয়ে গেলেন হিমছড়ি।অপুরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই হিমছড়ি পাহাড়।আমার এই প্রথম আসা এখানে।
হিমছড়ি যাওয়ার অনেক আগে থেকেই ইচ্ছা ছিল আমার।এই পাহাড়টা অনেক বড় আর সুন্দর।আগে পাহাড় বেয়ে উঠতে হতো কিন্তু এখন পাহাড় কেটে সিড়ি তৈরি করা হয়েছে।পাহাড়ে রাইড করার পুরো মজাটাই তাই নষ্ট হয়ে গেছে।এখানে অনেকগুলো সিড়ি পর একটা ছোট্ট করে বসার জায়গার ব্যবস্থা করা হয়েছে।আমরা দু একটাতে কিছুক্ষন দাড়িয়ে রেস্ট নিয়েছি।বসতে ইচ্ছা করছিলনা,,শুধু মনে হচ্ছিল কখন পৌঁছব উপরে।রূপ আর আমি পাহাড়ের উপর ওঠার পর আমার খুশি আর দেখে কে?খুশিতে পুরো লাফাচ্ছি।মনে হচ্ছে,,,,,,,মনে হচ্ছে পুরো বাংলাদেশটাই দেখা যাচ্ছে এখান থেকে।
খুশিতে কয়েকবার জড়িয়েও ধরেছি রূপকে।
এতটা ভাললাগার ফিলিংস আমার এর আগে কোনো দিনও হয়নি।পাহাড়টা যথেষ্ট খাড়া আর উচুঁ।দূরে সমুদ্র-সৈকত দেখা যাচ্ছে স্পষ্ট।আর একপাশে অনেক গাছে ভরা।দূর থেকে মনে হচ্ছিল যেন সবুজ বন একটা।চারদিকে শুধু সবুজের অপরূপ সমারহ।
হিমছড়ি বিখ্যাত এর পাহার আর ঝরণার জন্য।রূপ আমাকে ঝরণার দেখাতেও নিয়ে গেলেন।ঝরণা এতো কাছ থেকে আমি এর আগে কখনো দেখিনি।এই প্রথম।খুব ইচ্ছে করছিল ছুঁয়ে দেখতে।প্রথমে তো রূপ আমাকে পানির কাছে যেতে দিলেও নামতে নিষেধ করে দেন।মেজাযটা এমন গরম হয় যে ইচ্ছে করছিল ওনাকে ফেলে দেই পানিতে।মন খারাপ করে তাই দাড়িয়ে ছিলাম ঝরণার স্রোত ধারায় সৃষ্টি ছোট্ট নালার পাশে।হালকা পাতলা পানি ধরছি আরকি।তবে স্রোত অনেক বেশি বুঝতেই পারছি।
.
-হয়েছে হয়েছে এখন আর নাক ফুলাতে হবে না। চলো ঝরণার কাছে চল।একে তো পানি ভয় পায় আবার যেতেও চায়। চলো।
খুশিতে একলাফ দিয়ে উঠে,
-হুম হুম।চলুন তাড়াতাড়ি।
ঝরণার একে বারে কাছাকাছি নিয়ে যান ওনি আমাকে।ভিজিয়েও দেন ইচ্ছে মতো।ঝরণার পানি ধরে মনটা পুরোই খুশিতে ভরে গেল।
রূপ আর আমি আরো কিছুক্ষন ঘুরাঘুরি করলাম সেখানে।কাকঁড়া ফ্রাই আর ডাব খেলাম।ওই খানের কাকঁড়া নাকি খুব স্পেশাল করে রান্না করা হয়।অন্য কোন জায়গার রেসিপি থেকে ভিন্ন।
আর ডাবগুলো তো আমাদের এখানের ডাবের সাথে আকাশ পাতাল তফাত।খুব মিষ্টি আর কিছুটা নোনতা,,,,,এক কথায় অসাধারণ টেস্ট।
.
সারাদিন ঘুরাঘুরির পর ক্লান্ত শরীর নিয়ে ফিরে এলাম রিসোর্ট।হিমছড়ির রেশ যে এখনও কাটছে না আমার চোখ আর মন থেকে।শাওয়ার নিয়ে ডিনার না করেই ঘুমিয়ে পড়লাম।রূপ এতবার বলার পরও খাইনি।সারাদিন ওনি খাইয়ে খাইয়ে পেটটা একদম ফুটবল বানিয়ে দিয়েছেন আর খাব কিভাবে?
.
.
.
.
আমার চোখ তখন ঘড়িতে।রাত দুইটা বাজে।হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ার কারণটা ঠিক বুঝলাম না।যতোই এপাশ ওপাশ করি না কেন ঘুম একদমই আসছে না।
গায়ে একটা চাঁদর গায়ে দিয়ে বারান্দায় এসে দাড়াতেই ঠোঁটের নিচের টোলটা গাঢ় হয়ে গেল আরো।
– রূপ আপনি এখানো জেগে? রাত তো অনেক ঘুমাননি কেন?
– ঘুম যে নিরুদ্দেশ।
– ধরে আনুন তাকে।
– নাগালের বাহিরে।
– কোথায়?
– যদি বলি তোমার মাঝে,,,,,,
চুপ করে তাকিয়ে আছি আমি রূপের দিকে।আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন ওনি।ভাবছি,,,,,,
ইদানিং চুপ থাকতেই বেশি ভালোলাগে।শুনতে ভালো লাগে।রূপকে শুনতে।এখন ওনার প্রত্যেকটা কথা বুকের ঠিক মাঝখানটাতে দাগ কেটে যায়। খুব গভীর দাগ।যার ক্ষত সারাবার ঔষুধ আমার জানা নেই।কারোরই জানা নেই।
আমাদের দুই বারান্দার মাঝে গুনে গুনে একহাত দূরত্ব মাত্র।মনের দূরত্ব এক ইন্ঞিও নেই। কিন্তু তাও যেন দুজনের মাঝে এক সাগর দূরত্ব।এই দূরে থাকার জন্য কি শুধু আমিই অপরাধি? হয়ত তাই।
.
-ছাদে যাবে?
-. . . . . . . . . . . .।
-প্লিজ না কোরো না।
-না কেন করবো।চলুন যাব।
.
.
To be continue?
#অনুভবে_তুমি
পর্ব-((১১))
#সাইমা_ইসলাম (প্রীতি)
.
.
রিসোর্টের ছাদটা যতটা ভেবে ছিলাম তার থেকে বেশি সুন্দর।।রাত অনেক হয়েছে।
ছাদের একপাশে বড় একটা সুইমিং পুল আর ছাদের কিনারার দিকে তিনটা বেতের চেয়ার রাখা।
রূপ আর আমি গিয়ে বসলাম ওই দিকটাতে।রূপ কফি নিয়ে এসেছেন দুজনের জন্য। চারদিকে কেমন একটা গা ছমছম ব্যাপার। একদম সুনসান।সমুদ্রের উত্তাল ডেউ এর সাথে পাল্লা দিয়ে যাচ্ছে রাতের আধার।
এখান থেকে সি বিচ দেখা যাচ্ছে।
রাতের শীতল স্নিগ্ধতা,সমুদ্রের ডাক,হাতে কফি আর পাশে বসা প্রত্যেকটা মনের প্রতিক্ষীত মানুষটা,,,,,,,,,
এমন অত্যাচারিত সময় জীবনে কয়বার আসে।
প্রায় পঁচিশ মিনিট তো হবেই এসছি।কারোর মুখেই কোন কথা নেই।
আমি কফিটুকু শেষ করছি আর দৃষ্টি পানির জোয়ারে স্থির।কিন্তু দুটো নেশাতুর চোখ যে তার নেশা পাগলের মতো মিটাচ্ছে সেটা ঠিকই টের পাচ্ছি।লজ্জা আর অস্বস্থিতে মরে যেতে ইচ্ছা করছে আমার। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে ওঠে যেতে ইচ্ছা করছেনা একদম।
মনে হচ্ছে এই মানুষটার সামনে সারাটা জীবন এভাবে থাকা যায়।
.
– মিহিন,,,
– হুম বলুন।
– কি আছে তোমাতে?
– মা,,,মানে?
– কেনো এভাবে পোড়াও আমায়? কেনো স্থির থাকতে পারিনা তোমাকে ছাড়া এক মুহূর্ত? কেনো?
– (নিশ্চুপ,,,,)
রূপ চেয়ার থেকে ওঠে এসে আমার সামনে নিচে বসে আমার হাত দুটো ধরে বললেন,,,,,
– আচ্ছা এই হাত দুটো চিরকালের মত ধরার অধিকার কি আমি পেতে পারিনা? ওই মায়াবি চোখে কাজল দেবার ইচ্ছাটা কি আর পূর্ণতা পাবে না কখনো? যাকে নিজের কলিজা,হৃৎপিন্ড,ফুসফুস শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে আড়ালে বেধে রেখেছি তাকে নিজের বাহুডোরে বেধে রাতের ক্লান্তি মিটাতে চাওয়া কি আমার অন্যায়? রোজ রাতে নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে নিয়ে একাকি প্রকৃতিতে হারিয়ে যাওয়া কি শুধু আমার কল্পনাতেই থেকে যাবে মিহিন? আমি যে আর পারি না,,,,,কষ্ট হয়, কতটা বুঝাতে পারবো না। শুধু এতটুকু জানি “ভালোবাসি” “ভালোবাসি” “ভালোবাসি”
.
.
এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি রূপের দিকে।ওনার চোখ দুটো লাল হয়ে রক্তবর্ণ ধারণ করেছে।ওনার এই কষ্টটা আর সহ্য করতে পারছিনা আমি।কেউ শুধুমাত্র প্রথম দেখায় এতটা ভালো কিভাবে বাসতে পারে সত্যিই আমার জানা নেই।
মাথাটা ভীষণ ভারী হয়ে আসছে আমার।চোখ দুটোও ঝাপসা হয়ে আসছে।চিন্তা শক্তি কাজ করছে না আর।ভাবতে পারছিনা কিচ্ছু।আমার ভাবনার রাজ্য জুড়ে বিরাজ করছে শুধু রূপ রূপ আর রূপ।
নাহ,পারব না আমি ফিরাতে ওনাকে।পারব না ওনাকে ছাড়া বাঁচতে।
চোখ বুজতেই দু-এক ফোঁটা নোনাজল গড়িয়ে পড়ল গাল বেয়ে।
ঝাপটে পড়লাম রূপের বুকে,খামছে ধরলাম ওনার শার্ট।কান্নার বাধ আজ আর আটকে রাখতে পারলাম না ওনার সামনে।পাগলের মতো কাঁদছি।খুশির কান্না। একাকীত্ব দূরের কান্না।
ভালোবাসার মানুষটাকে নিজের করে পাওয়ার মাঝে,সেই মানুষটার বুকের মাঝে যে এতটা সুখ থাকে আগে জানা ছিলনা আমার।থাকলে হয়তবা এতগুলো দিন এই যন্ত্রনাটা দিতাম না ওনাকে।রূপও নিজের সাথে এমনভাবে আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে ধরেছেন আমাকে যেন এক মুহূর্তের জন্যও ছাড়বেন না আমাকে আর কোনদিন।
.
ওনাকে জড়িয়ে থেকেই বুক থেকে মাথা তুলে কাঁদতে কাঁদতে বললাম-
– একা একা এই চাঁদ দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত, অনুভূতি গুলো এখন এতোটাই ভোতা হয়ে গেছে যে ভালোবাসার পরশ গুলোও আজ আর বুঝি না, বুকের উষ্ঞতা থেকে যে আজ অবদি আমি বন্চ্ঞিত।দেখাবেন আমায় আপনার আকাশের চাঁদ? দিবেন আমাকে ছোট্ট ছোট্ট পরশে অতল ভালোবাসার অনুভুতি? রাখবেন সারাজীবন আপনার এই লোমশ বুকের মাঝে?
রূপ মুচকি হেসে আমাকে আবার তার বুকে লুকালেন।আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরেন।
-পাগলী কোথাকার।আমার পাগলী।এভাবে কেউ কাঁদে নাকি! এই জায়গাটার মালিক তো তুমি আরো আগেই হয়ে গেছিলে।
.

– গান শুনাবেন একটা?
– না।
রেগে টমেটোর মত ফুলে,,,,,,,
– কেনো হে???
– কেউ আবার আমাকে আপনি করে বললে আমি তার রিকুয়েস্ট রাখি না।
– এএএহ।আসছে,,,,,,,,
– প্লিজ কিউটি তুমি করে বলনা। তাহলে যা চাইবে তাই দিব প্লিজ।
– তু,,,,,,না না না।আমি পারব না।
– কেন?
– লজ্জা লাগে।
– ওরে আমার লাজুকলতারে,,,(অবাক হয়ে) তুমি যখন লজ্জা পাও এত্ত কিউট লাগে না কি,,,,,ইচ্ছা করে,,,,,,,,ইচ্ছা করে খেয়ে ফেলতে একদম।
– আসতাগফিরুল্লাহ্,,নাউযুবিল্লাহ্। বলে কি এসব।(ভয় পেয়ে)
– হিহি।
– তার মানে আপনি শুনাবেন না গান? ওকে থাকেন আপনি।গেলাম।
আমি ওঠে যেতে চাইলেই রূপ আমার হাত টেনে আবার ফেলে দিলেন ওনার বুকে।
– একবার যখন এই বুকে মাথা রেখেছো আর কোনো দিনও ওঠানোর বৃথা চেষ্টা করো না।
– সারাজীবন এভাবে বসে থাকব নাকি।(ঠোঁট বাকিয়ে বাঁচ্চাদের মত করে বললাম)
– না।সেটা হয়ত না কিন্তু মরে যাবো দূরে গেলে আর।
– আপনি কিন্তু মাইর খাবেন আমার কাছে এবার।আর জীবনেও এমন কথা আনলে সত্যি সত্যি চলে যাবো আমি।
– না না।কক্ষনো বলব না।এই প্রমিস।
– একটা প্রশ্ন করি?যদিও আপনার পার্সোনাল তাও জানতে ইচ্ছা করছে।
– তোমার থেকে পার্সোনাল কিছু নেই।
.
– আচ্ছা মাঝে মাঝে আপনার কথাবার্তায় আমার মনে হতো আপনার লাইফে ভালোবাসার অনেক অভাব।কিন্তু কেনো?সবাই তো আছে আপনার মা-বাবা,,,,,,,,।
আমার কথা শুনে রূপ শুধু মৃদু হাসলেন।
– ছাড়ো এখন সে সব।সব বলব তোমায়।কিন্তু আমার লাইফের সব থেকে খুশির আর ইম্পর্পটেন্ট মোমেন্টটা নষ্ট করো না প্লিজ।
– আচ্ছা আচ্ছা।গানটা শুরু করুন তাহলে।
– হুম।
.
রূপ সোজা হয়ে বসে আমাকে টানে ওনার পায়ে শুয়ে দিলেন।
গিটার টা নিয়ে গান ধরলেন,,,,,,,,
.
“”akhon ko terri adat hain
tu dikhe na to enhe sikayat hain
bin chuye chu liiye tune mujhko diye
pyaar ke interane jane yaar
yejo ab horaha kuch ajab ho rahan keya ehein pyaar ka ehsans
sau asmaan o ko aur do jahana ko chod ke aye tere paas(x2)…….
…………………
jane keya hone laaga
mujhko nehi hain khabar
jane keya hone laga mujkho nehi hain khabar kyun nind se duriyen jaane lagi hain najar
chodo en saari batein
ab mili hain jo raate
enhe jaane na dena jaane yaar
yejo ab ho rahan kuch ajaab ho rahan
keya ihei pyaar ka ehsaans
sau asmaan o ko aur do jahan ko chod ke ayee tere paas
akhon ko teri adat jain tu dikhe nato inhe shikayat hain
bin chuye chu liye tune mujhko diye pyaar ke intarani jane yaar
yejo ab ho rahan kuch ajab ho rahan keya ehei pyaar ka ahsaans
sau asmaan o ko aur do jahan ko chod ke aye tere paas (x2)””
.
দুটো প্রাণ এক হওয়ার খুশি আজ আকাশ-বাতাস-প্রকৃতি সবের মাঝে।উম্মাদ হয়ে আছে এদের ভালোবাসায় বিভোর হতে।
.
অনেকক্ষণ পর আমি রূপকে ছাড়তে চাইলেও রূপ একদমই ছাড়ছেন না আমাকে।আগলে রাখছেন নিজের গহীনে।
.
– এতো নরছো কেন বলত? আরো কিছুক্ষণ থাকো না এভাবে।
আমিও আর ছাড়ানোর চেষ্টা করলাম না নিজেকে।ওনার বুকে মাথা রেখে যে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি তার ঠিক নেই।
সকালের মৃদু রোদের হালকা সোনালী ঝিলিক চোখ পড়তেই ঘুম ভেঙ্গে যায় আমার।
আচ্ছা আমি ঘুমলাম কখন?রাতে না চাদর জড়িয়ে করিডোরে গিয়ে দাড়িয়ে ছিলাম।
তারপর,,,,তারপর বেডে আসলাম কিভাবে।
আস্তে আস্তে পুরো ঘটনাটা মনে পড়তেই লজ্জায় গোলাপি হয়ে গেলাম।ইশ,,,কি কান্ডটাই না ঘটিয়েছি রাতে।লজ্জা-সরম কি সব হ্রাস পেয়েছিল নাকি? কিভাবে জড়িয়ে ধরলাম ওনাকে?
কিন্তু এতদিন পর নিজেকে কেনো যেনো খুব হালকা আর ফুরফুরে লাগছে আজ।
সাথে খুব ভয়ও করছে।সবার মতো ওনাকেও হারিয়ে ফেলব নাতো আবার? আচ্ছা ওনি তো অনেক বড় ফ্যামিলির ছেলে ওনার ফ্যামিলির সবাই মেনে নেবে তো এই ভালোবাসা।
নাকি ছুঁড়ে ফেলেদেবে অন্ধকারে।ভয় হয়। খুব ভয় হয়। আগে রূপকে ভালোবেসে ফেলার ভয় হতো আর এখন হারানোর।
আমাকে জ্বালানো আর ছাড়লেন না ওনি।
.
ওয়াশরুমে গিয়ে লম্বা একটা শাওয়ার নিয়ে এলাম।ভালোলাগছে খুব।দিনটা যেন আজ অন্য রকম,,,স্পেশাল।
.
রাতে রূপের গান শুনতেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।ইশঃ ওনি চেয়েছিলেন আমার সাথে পুরো রাত জেগে কাটাতে। আমি সব নষ্ট করে দিলাম।ধ্যাত।।।এতো ঘুম কেনো আমার?
ওয়াশরুম থেকে বের হতেই ভয়ে শরীর কেঁতে ওঠেছে আমার।
আমার খাটে কম্বলের নিচে কেউ একজধ আছে মনে হচ্ছে।তখন তো খেয়াল না করে চলে গেছিলাম ওয়াশরুমে এখন বের হয়ে দেখি,,,,,
ভয়ে ভয়ে ওইদিকে গিয়ে চোখ খিচে বন্ধ করে কম্বল টেনে খুলে দেখি রূপ ঘুমোচ্ছেন।এতোক্ষনে কলিজায় জল ফিরল আমার।আমি তো ভেবেছিলাভ ভূত হয়তো।
.
রূপ ঘুমালে একদম বাচ্চাদের মতো কিউট লাগে ওনাকে।ভাবতেই অবাক লাগছে সব মেয়েদের ক্রাশ,এত্তো কিউট একটা ছেলে তাও আবার সিংগার সেকিনা আমার মতো একটা মেয়ের প্রেমে পড়লো শেষে।
কিছু না ভেবেই ওনার কপালে একটা কিস করে দিলাম।এখন লজ্জা করছে খুব।আচ্ছা ওনি টের পেয়ে যায়নি তো।ওনার সামনে কয়েকবার হাত নেরে দেখলাম নাহ ঘুমিয়েই আছেন।
ওফ বাবা ঘুমোচ্ছেন।টের পাননিচ তাহলে।রূপের কাছ থেকে ওঠে করিডোরে এসে দাড়াতেই রূপ মুচকি হাসে।
ওঠে চলে আসেন করিডোরে,,,,পেছন থেকে জড়িয়ে ধরেন আমায়।
.
To be continue?

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ