Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"ডায়েরির শেষ পৃষ্ঠাডায়েরির শেষ পৃষ্ঠা পর্ব-১০ এবং শেষ পর্ব

ডায়েরির শেষ পৃষ্ঠা পর্ব-১০ এবং শেষ পর্ব

#ডায়েরির_শেষ_পৃষ্ঠা
#পর্ব_১০
#সমৃদ্ধি_রিধী

জুলাইয়ের দিনটা ছিলো শুক্রবার। বাইরে প্রচন্ড ঝড়। ঘর থেকে বাইরের দিকে তাকালে বুঝা যাবে না এখন দুপুর বারোটা। অহমি রান্নাঘরে মাত্র হাঁড়িতে ধুয়ে রাখা চাল-ডাল দিয়ে দিলো। খিচুড়ি রান্না করবে। অন্য চুলায় সামান্য তেল গরম করে ফিরোজা বেগমের রুমে গেল। বেশ কয়েকদিন যাবত ওনার পায়ে প্রচন্ড পরিমাণে ব্যাথা। ঔষধপত্র খেলেও লাভ হয় না। তেল মালিশ করে দিলে একটু স্বস্তি অনুভব করেন।

ফিরোজা বেগম ঘুমিয়েছিলেন। আগের মতো দাপট নেই। একা হাতেও সব কাজ সেরে ফেলতে পারেন না এখন। বিশেষ করে মাহিদের বাবা মারা যাওয়ার পর ভেঙে পেরেছিলো। মাহমুদ হুসাইন ছেড়ে গেলেও উনি তো ঠিকই ভালোবাসতেন। অহমি ওনার পায়ে হাত দিয়ে মালিশ করে দিতেই ফিরোজা বেগমের ঘুম ভেঙে গেলো।

“তোমার রান্না শেষ?”

“না, খিচুড়িটা করলেই শেষ। ”

ফিরোজা বেগম এমন মেয়ে পেয়ে মনে মনে খুবই সন্তুষ্ট। মেয়েটা শুরুতে কাজ-বাজ করতে না পারলেও এখন বেশ চটপটে হয়েছে।

“আম্মি আপনাকে ঘরেই খাবার দিয়ে দিবো?”

“নাহ, সপ্তাহে একটা দিন দুই ছেলের সাথে দুপুরের খাবার খেতে পারি। তুমি রেডি করে আমাকে ডাক দিয়ো, আমি তখন যাবো।”

“আচ্ছা।”

“মাহাব কোথায়?”

“আপনার ছেলের সাথে। চেপে ধরে হোমওয়ার্ক করতে বসিয়েছে।”

“পরে করালেই তো পারে। এই দুপুরে পড়াতে হবে না। আমার কাছে একটু পাঠাও তো। ”

অহমি ততক্ষণে পায়ে মালিশ করে দিয়েছে। ও ফিরোজা বেগমের রুম থেকে বের হয়ে নিজের রুমে গিয়ে দেখে সেখানকার চিত্র ভিন্ন। মাহিদ বিছানায় উপুর হয়ে শুয়ে আছে। মাহাব মাহিদের পিঠের উপর উপুর শুয়ে দুইজন একসাথে কি যেন দেখছে।

“এই আপনাদের এই অবস্থা কেনো?”

মাহিদ মাহাবকে হাত দিয়ে ধরে সামনে এনে সোজা হয়ে বসে। মাহাব দৌঁড়ে মায়ের কাছে গিয়ে মাকে ঝাঁপটে ধরে। অহমি মাহাবের দু গালে চুমু খায়।

“কি বাবা? এতোক্ষণ আমার সাথে থেকে মাকে পেয়েই আমাকে ভুলে গেলে যে?”

“কারণ মা আমার ভীষণ প্রিয়।”

অহমি চমকে মাহিদের দিকে তাকায়। মাহিদও অহমির দিকে তাকিয়ে থাকে। অহমি মাহিদের তাকিয়ে বলে, “কি করছিলেন?”

“আমরা একসাথে কার্টুন দেখছিলাম।”

মাহাবও মাহিদকে নকল করে বলে, “আমরা একসাথে কার্টুন দেখছিলাম।”

অহমি মাহিদের দিকে কড়া দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে, “ওর হোমওয়ার্কগুলো করিয়ে দিতে বলেছিলাম। ”

মাহাবও অহমিকে নকল করে বলে, “হোমওয়ার্ক করিয়ে দিতে বলেছিলাম।”

অহমি মাহাবের দিকে কড়া চোখে তাকাতেই ছেলেটা ভদ্র বাচ্চা হয়ে যায়। ঠোঁটে আঙ্গুল চেপে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে।

মাহিদ হাসি হাসি মুখ করে বলে, “করবে আরকি। এই ‘ক’, ‘খ’ শিখতে এতো প্রেশার দেওয়ার কি আছে?”

মাহাব আবারও নকল করে বলে, “কি আছে?”

মাহিদ জোরে জোরে হেসে বলে, “তোমার ছেলের আমার বলা পুরো কথা মনে ছিলো না। তাই শেষের দুইটা কথা বলেছে খালি।”

এমন সময় মুগ্ধ ওদের রুমে আসে। এসেই মাহাবকে চিৎপটাং করে কোলে নিয়ে বলে, “এই আমার স্টেথোস্কোপ দে!”

মাহাব আর মুগ্ধ সবসময় ঝগড়া করে। মাহাব মুগ্ধর চুল টেনে বলে, “দিবো নাআআ। ওটা আমার। আমি ডাক্তার না?”

“তুই কিসের ডাক্তার?”

“আমি… আমি.. বাবা আমি কিসের ডাক্তার?”

অহমি হেসে উঠে ছেলের এমন কান্ডে। মাহিদ হাসতে হাসতে বলে, “ফাঁকিবাজির ডাক্তার।”

অহমি মুগ্ধ আবারও হেসে উঠে। এতে পাঁচবছরের মাহাবের খুব গায়ে লাগে। ও মুগ্ধর কোল থেকে জোর করে নেমে ফিরোজা বেগমের ঘরের দিকে দৌঁড়ে চলে যায়। মুগ্ধও পিছন থেকে হাসতে হাসতে বেরিয়ে পড়ে।

অহমিও রুম থেকে বের হবে এমন সময় মাহিদ ওর হাত ধরে আটকে দেয়। নিজের পাশে বসায়।

“তোমার ভাইয়া কল করেছিলো।”

অহমি অবাক হয়ে প্রশ্ন করে, “কেনো?”

“তোমাকে যেতে বলেছে।”

“ওওহ! এখন কিভাবে যাবো? মাহাবের সামনেই পরীক্ষা। ”

“অহমিকা! তোমার কথা ঘুরানো আমি বুঝি।”

“আমার ভালো লাগে না ওই বাসায়। আমার স্বস্তি অনুভব হয় না। আমি কেনো যেখানে যাবো?”

“আম্মুর শরীর ভালো না।”

“ওনার ছেলে আছে না? আমাকে কি দরকার?” অহমি অভিমানী কণ্ঠে বলে।

“মাহাব যদি তোমার সাথে কথা না বলে তোমার কেমন লাগবে?”

“আমার আর মাহাবের বিষয় এক না।”

“আচ্ছা থাকতে হবে না। দেখা করে এসো। ”

“সময় পেলে যাবো।”

অহমি শক্ত মুখ করে বেরিয়ে যায়। মাহিদের বুক চিরে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে।

__________________________________________

খাবার টেবিলে আরেক কাহিনি। মাহাবকে ফিরোজা বেগম খাইয়ে দিচ্ছেন। বাবা আর দাদুমণির কাছে খাবার খাওয়ার সময় মাহাব একদম শান্ত বাচ্চার মতো খায়। মায়ের কাছে খাবার খাওয়ার সময় ওর যত বাহানা।

মাহাবের মুখে এক টুকরা মাংস তুলে দিতেই মাহাব মাহিদের উদ্দেশ্যে বলে, “বাবা আপনাকে পানি দিবো?”

মাহিদ অতটা খেয়াল করেনি। স্বভাবতই না বলে।

ফিরোজা বেগম মাহাবের মুখে খিচুড়ি তুলে দিতে গেলে মাহাব বলে, “দাদুমণি আমাকে আবার মাংস দিন তো।”

উনি তাই করলো। মাহাব একটু পর মুগ্ধর দিকে তাকিয়ে বলে, “চাচ্চু আমাকে বেগুন ভাজাটা দেন তো।”

“এই তুই এমন আপনি আপনি করছেন কেনো?”

“মাম্মাও তো বাবাকে আপনি বলে, দাদুমণিকে আপনি বলে। ফুপ্পিকে আপনি বলে। তাই আমিও বলবো।”

অহমি থতমত খেয়ে যায়। মাহিদ আড়চোখে অহমির দিকে তাকায়। অহমিও একবার মাহিদ আবার ফিরোজা বেগনের দিকে তাকায়। ফিরোজা বেগম হালকা হেসে যেন শাসিয়ে বললেন, “আমি আমার নাতির মুখে আপনি-আজ্ঞে শুনতে পারবো না। আমাকে আর মাহিদকে আর আপনি ডাকা যাবে না। ঠিক আছে?”

মাহাব মাথায় হাত দিয়ে বলে, “আয়হায় তাহলে কি আমি খালি ফুপ্পিকে মাম্মার মতো আপনি বলবো?”

সবাই আবারও হেসে উঠে। অহমি মাহিদের তিকে তাকিয়ে দেখে মাহিদ ওর দিকেই তাকিয়ে আছে। অহমি মাথা নিচু করে ফেলে। ঠোঁটের কিনারায় হাসি ফুটে উঠে।

__________________________________

অহমি নিজের একটা গল্প প্রকাশ করেছে। “অমাবস্যার ক্রিনিকোলাস।” মাহিদ ওকে গল্প লিখার জন্য একটা ছোট্ট টেবিল জানালার পাশে সেট করে দিয়েছে। অহমি রাত হলেই ওখানে বসে গল্প লিখে। অহমি কলম দিয়ে ডায়েরিটা বন্ধ করে বিছানার দিকে তাকালো। মাহিদ চোখের উপর হাত রেখে শুয়ে আছে। মাহাব বাবার বুকের উপর মুখ হা করে ঘুমিয়ে আছে। অহমি উঠে মাহাবকে ঠিক মতো শুইয়ে দিয়ে বাবা ছেলের গায়ে কাঁথা টেনে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালো। খুব ঠান্ডা বাতাস বইছে।

চোখ বন্ধ করে বুক ভরে একটা নিঃশ্বাস নিলো। কারো উপস্থিতি টের পেয়ে পাশে তাকিয়ে দেখে ওর বাম পাশে মাহিদ। অহমি মাহিদের ডান হাত জড়িয়ে কাঁধে মাথা রাখে।

“ঘুম আসছে না?”

“উহু।”

“কি করতে চাচ্ছো?”

“সারাজীবন এভাবে থাকতে চাই আতহার।”

“তোমাকে সেভাবে সময় দিতে পারছি না আগের মতো।”

“যেভাবে আছি ভালো আছি। এই একান্ত সময়টা খুব স্পেশাল।”

“আমরা এমন সময় কাটাতে পারছি কয়দিনই বা?”

অহমি উত্তর দেয় না। মাহিদ অহমিকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে মাথার উপর মাথা রাখে। চুলের বাঁধন খুলে দিয়ে বলে, “মাহাবটা বড় হয়ে যাচ্ছে।”

“আমরাও বুড়ো হয়ে যাচ্ছি।”

“হুম।”

“আপনার চুল..”

“অহমিকা!”

“ওওহ! তোমার চুল পেকে গেছে আতহার।”

“তুমিও খুব একটা ইয়াং নও আর। পাঁচ বছরের ছেলে আছে। সাইত্রিশ বছরের স্বামী আছে।”

” আমি আম্মির বয়সেও আপনার কাঁধে মাথা রাখতে চাই আতহার।”

“বেঁচে থাকলে অবশ্যই পারবে।”

অহমি মাহিদকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে। মাহিদ বলে, “তুমি তো মাহাবের ভীষণ প্রিয়।”

“কারণ আমি তার বাবারও ভীষণ প্রিয়।”

“ভাগ্যিস একদিন আম্মিকে তোমার ভাইয়ের ফ্যামিলি ফটো দেখিয়েছিলাম।”

“ভাগ্যিস ভাইয়ার স্টুডেন্টকে বিয়ে করতে দ্বিমত করিনি।”

“তোমার সাথে থাকলে সময়টা ভালো কাটে। ”

“তোমার সাথে থাকলে দ্বিধা কাজ করে না। স্বস্তি অনুভব হয়।”

আরো কথা বলতে বলতে অহমি ও মাহিদ হেসে উঠে। অহমির কেনো কে জানে চোখের কোণে পানি চিকচিক করছে! ওর খুব সুখ সুখ অনুভব হচ্ছে।
_________________________________________

রাত তিনটা। পুরো রুম অন্ধকার। কেবল একটা টেবিল ল্যাম্প জ্বলছে। রুম জুড়ে কেবল কলমের খসখস শব্দ। এই ডায়েরিতে কেবল অনেক কষ্টের, খারাপ লাগার দিনগুলোতে হাত দেওয়া হতো। তবে কেনো যেন আবার হাত দিতে ইচ্ছে হলো।

“আমি অহমিকা তাজরীন। মিসেস অহমিকা আতহার হুসাইন। জন্মের এক সপ্তাহ আগে বাবা মারা যাওয়ায় আমার তেইশ বছর পর্যন্ত তার মৃত্যুর দায়ভার আমার কাঁধে ছিলো। যার থেকে বিয়ের পর আমি মুক্তি পেয়েছিলাম। আমি ডায়েরিতে আমার মনের কথা লিখতাম। তখন শুনবার মতো কেউ ছিলো না। এখন আমার কাছে দুজন আছেন যারা আমার সব। ছেলেটা পুরোই বাবার মতো হয়েছে। আমি এতে খুব খুশি। আমি তাদের দুজনের ভীষণ প্রিয় একজন। আমাকে আর এখন গল্প ছাড়া অন্যকিছু ডায়েরিতে লিখতে হয় না। খারাপ লাগলেও একটা বুক থাকে আমাকে আগলে নেওয়ার জন্য। আরেকজন আছে যে আমাকে কাঁদতে দেখলে তার ছোট ছোট হাত দিয়ে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে নিজেও ঠোঁট ফুলিয়ে কাঁদে। আমি হাসলে ওরাও হাসে।

ভাইয়া, আম্মু আমাকে খালি ওই বাসায় যেতে বলে। আমার যেতে ইচ্ছে হয় না। কেমন যেন লাগে। ওদের সাথে স্বাভাবিকভাবে কথা বললেও মন থেকে ক্ষমা করতে পারিমি বলেই হয়তো। আমি জন্মদাত্রী মা থেকেও আমার শ্বাশুড়ির সাথে বেশি ক্লোজ বলেই তাকে ছাড়া থাকতে ভালো লাগে না।
মাহিদও আমার মা-ভাইকে পছন্দ করে না। আম্মুকে আম্মু ডাকলেও ভাইয়াকে এখন স্যার বা ভাইয়া কখনোই ডাকে না। ওর নাকি কিছু সম্মোধন করতে রুচিতে বাঁধে। তবে সরাসরি অসম্মানও করে না। ওর যে ভাইয়ার প্রতি ভীষণ রাগ। কারণ তারা পারতো আমার শৈশবকে রঙিন করতে, তারা পারতো একটা সুস্থ জীবন দিতে।

এই ডায়েরিতে কেবল অনেক কষ্টের, খারাপ লাগার দিনগুলোতে হাত দেওয়া হতো। তবে কেনো যেন আবার হাত দিতে ইচ্ছে হলো। ইচ্ছে হলো খালি দুঃখের কথাই না লিখে এখানে কিছু সুখের কথা লিখি। এরপর আর এই ডায়েরিতে হাত দিবো না।

এখন আর ভুল করার প্রবণতা মনের মধ্যে কাজ করে না। অ্যাটেলোফোবিয়া মাহিদ সারিয়ে দিয়েছে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কথা শুনতে হয় না। আম্মি আমাকে সব শিখিয়ে দিয়েছে। রুমও অগোছালো থাকে না। মাহিদ আমাকে রুম ফিটফাট রাখনো শিখিয়ে দিয়েছে। আমিও নিজ থেকে কৌতুক বলতে পারি। এটা মুগ্ধ শিখিয়ে দিয়েছে। বড় কাউকে দেখে মিথ্যে সম্মান দিতে হয় না। মুনতাহা আপু শিখিয়ে দিয়েছে কি করে ভালোবেসে ছোটদের থেকে সম্মান পাওয়া যায়। আরেকজন ছোট সদস্য আছে যিনি আমাকে শিখিয়েছেন কিভাবে মন খারাপ থাকলে ছোট ছোট হাত থেকে আদর পেয়ে মন ভালো করতে হয়।

আমি অহমিকা তাজরীন খুব ভালো আছি। আমার এই ডায়েরির বিভিন্ন পৃষ্ঠায় বিভিন্ন সময়ের খারাপ-কষ্ট-দুঃখ থাকার মুহুর্তের কথা লিখা থাকলেও ডায়েরির শেষ পৃষ্ঠায় কোনো দুঃখের কথা লিখা নেই। আমি অনেক খুশি। অনেক সুখী। অহমিকার ডায়েরির শেষ পৃষ্ঠা তার আনন্দে ভরপুর।”

ডায়েরিটা বন্ধ হলো। ডেট লিখা হলো। সব পৃষ্ঠায় চোখের জল থাকলেও ডায়েরির শেষ পৃষ্ঠায় ছিলো না। এই ডায়েরির শেষ পৃষ্ঠা অহমিকা তাজরীনের জীবনের অনেক অপ্রাপ্তির পরেও বৃহৎ প্রাপ্তির এক সামান্যতম অংশ মাত্র। যা তাকে এনে দিয়েছে তার অর্ধাঙ্গ, তার জীবনসঙ্গী।

_____________সমাপ্ত _____________

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ