Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"বৃষ্টি শেষে রোদবৃষ্টি শেষে রোদ পর্ব-২২ এবং শেষ পর্ব

বৃষ্টি শেষে রোদ পর্ব-২২ এবং শেষ পর্ব

#বৃষ্টি_শেষে_রোদ (অন্তিম পর্ব)
#মেহেদী_হাসান_রিয়াদ

রিদ অগ্নি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে আছে দুজনের দিকে। যে দৃষ্টি লক্ষ করেই ভয়ে অনেকটাই চুপশে গেলো রুমকি। রিদ কয়েক কদম ফেলে তাদের সামনে এগিয়ে গেলো। চেহারায় অনেকটাই রাগী ভাব রেখে বলে,
“কি এসব?”
রুমকি চুপ করে রইল। এমন পরিস্থিতিতে পড়ে অনেকটা নার্ভাস হয়ে গেলো রোহানও। দুজনকেই চুপ থাকতে দেখে রিদ এবার ধমকের স্বরে ঝাঁঝালো কণ্ঠে বলে,
“জিজ্ঞেস করছি কি হচ্ছে এখানে?”

ধমকে ক্ষনিকটা কেঁপে উঠলো রুমকি। কিছু বলতে চাইলেও রিদের পূনরায় ধমকে চুপ হয়ে গেলো সে। পাশ থেকে রোহান নার্ভাস দৃষ্টিতে থামা থামা স্বরে বলে,
“ভাই, রুমকিকে বকিস না প্লিজ। ওর কোনো দোষ নেই। আমিই,,,,”
এতটুকু বলতেই রিদ তাকে থামিয়ে বলে,
“আমাদের ভাই বোনের মাঝে তোকে কথা বলতে বলেছি আমি? আর তোর সাহস হয় কি করে রুমকির দিকে চোখ তুলে তাকানোর?”

চুপ হয়ে গেলো রোহান। ভয়ে জড়সড় হয়ে আছে রুমকিও। সব সময় ফটরফটর করলেও সিরিয়াস সময়ে বিড়ালের রুপ ধরণ করতে যেন এক মুহুর্তও সময় লাগে না তার।

দুজনকেই মন খারাপ করে দাড়িয়ে থাকতে দেখে এবার রিদ কিছুটা মুচকি হেসে বলে,
“হেল্প লাগবে?”
দুজনই এক সাথে মাথা তুলে অবাক দৃষ্টিতে তাকায় রিদের দিকে। যেন মুহুর্তেই রিদের গিরগিটির মতো রুপ পাল্টানো দেখে বিষ্মিত হয়েছে তারা। রিদ এখনো হাসি ধরে রেখে রোহানের দিকে চেয়ে বলে,
“তোকে আমার ভালো করেই চেনা আছে। মুখ ফুটে তো কখনোই কাউকে বলতে পারবি না। হেল্প লাগলে বলতে পারিস।”

আচমকাই রোহান কয়েক পা এগিয়ে রিদকে জড়িয়ে ধরে বলে,
“বুকে আয় ভাই। তোর স্থান এই বুকে। মনের কথা টেনে বের করে নিলি।”
রিদ জোড়ে চেপে ধরতেই রোহান আর্তনাৎ করে পূনরায় বলে,
“ওমা ভাই, ভেঙে গেলো সব।”
রিদ তার কানে ফিসফিস করে বলে,
“আমার বোন কখনো কষ্ট পেলে তোর এই ‘ওমা’ টা সোজা ইন্না-লিল্লায় রুপ নেবে, মনে রাখিস।”

“””””””””””””””””””””””””””””””””””

আজকের সন্ধাটা যেন অন্যরকম। বিয়ের সাজে নিজ ঘরে বসে আছে আরশি। মেহেদী রাঙা হাত গুলোর দিকে তাকিয়ে লাজুক ভঙ্গিতে মাথা নিচু করা। আশেপাশে আরিশা আপু সহ আরো কয়েকজন মেয়ে। অনেক্ষণ ধরে তাকে সাজাতে ব্যস্ত ছির তারা।
প্রশান্তি ও উত্তেজনায় বুকটা ধুকপুক করছে আরশির। বছরের পর বছর অপেক্ষার পর এই অবশেষে এই দিনটা এসেছে জীবনে। প্রিয় মানুষটাকে নিজের করে পাওয়ার দিন। ভাবতেই শীতল শিহরণ বয়ে গেলো সারা গায়ে।

নানান ফুলে সাজানো রিদের গাড়ি ছুটে চলছে প্রেয়সিকে সারাজীবনের জন্য নিজের ঘরে তুলে আনতে। আনমনে বাইরের দিকে চেয়ে আছে রিদ। যেন এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি।
কিন্তু এই অনুভূতি নষ্ট করল রোহান। আচমকাই গাড়ি ব্রেক চাপায় রিদ ক্ষনিকটা অবাক হয়ে বলে,
“কি হলো আবার!”
রোহান চোখ-মুখ কুঁচকে কনে আঙুলটা দেখিয়ে বলে,
“ভাই, নিম্নচাপ।”
রিদ কিছুটা বিরক্তিকর চাহুনিতে বলে,
“আর অল্প পথ। চেপে রাখ।”
“সম্ভব না ভাই, অবস্থা খুব সিরিয়াস। এক মিনিট ওয়েট কর আসছি আমি। শুনিস নি, ভোগে নয়, ত্যাগেই প্রকৃত সুখ।”
রিদ একটা শ্বাস নিয়ে বলে,
“ওকে, তাড়াতাড়ি কর।”
পাশ থেকে রুহি আপু মজা করে রিদের দিকে চেয়ে বলে,
“রিলাক্স রিদ সাহেব। এত তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আরশি পালিয়ে যাচ্ছে না কোথাও। বৌকে দেখতে পাবে। এত অধৈর্য হইও না। সবুর করো।”

অতঃপর হেসে দিল সে। তার সাথে হাসলো রুমকিও। রিদকে উদ্দেশ্য করে রুহির দিকে চেয়ে বলে,
“না জানি বৌ সাজে আমার একমাত্র ভাবিটাকে আজ কত কিউট লাগছে। ওফ আর কতক্ষণ লাগবে পৌছাতে। কখন দেখবো লাল টুকটুকে ভাবিকে।”

রিদকে হিট লাগানোর জন্যই বললো কথাটা। মনে হয় কাজে দিয়েছে। রিদ দুজনের দিকে চেয়ে বলে,
“মজা নেওয়ার শাস্তিস্বরূপ আগামী পাঁচ বছরেও বাড়িতে আর কোনো বিয়ের আয়োজন হবে না।”
এবার ক্ষনিকটা চুপসে গেলো রুমকি। ঠোঁট ফুলিয়ে ভাইয়ের দিকে চেয়ে বলে, স্যারি। কারণ রিদের বিয়ে পরই রুমকি আর রোহানের বিয়ে কথা পরিবারকে জানিয়ে রাজি করাবে বলেছিল রিদ।
,,

‘বর এসেছে’ এমন কিছু শুনে কেঁপে উঠে আরশি। তারা তাহলে চলে এসেছে। আজ খুশি হওয়ার দিনে এতটা নার্ভাস লাগছে কেন? এখনই সবাই রওনা হবে কমিউনিটি সেন্টার এর উদ্দেশ্য। যেখানে যাওয়ার আগেই আরশিদের বাড়ি পরে। তাই যাওয়ার পথেই আরশিকে রিদের সাথে নিয়ে যাবে সেখানে। আর বাকিরা আগেই পৌছে গেছে হয়তো। আজকের দিনে দুজন মানুষকে ঘিরে এত সব আয়োজন। ভাবতেই কেমন যেন সেলিব্রিটি মনে হচ্ছে নিজেকে।

দরজার ফাঁক দিয়ে বাইরে তাকায় আরশি। মুহুর্তেই যেন দ্বিগুণ খুশিতে বুকটা ভরে যায় তার। তার জন্মের পর তার দুই মামাকে এই প্রথমবার তাদের বাড়িতে আসতে দেখেছে সে। এর আগে অনেক চেষ্টা করেও আনতে পারেনি তাদের। আরশি সব সময় মাকে কারণ জিজ্ঞেস করলেও চুপ থাকতো মা। অথচ আজ সব বিবাদ ভুলে প্রথমবার তাদের বাড়িতে। মাকে কাছে টেনে মাথায় মমতাময়ী হাত বুলিয়ে দিচ্ছে, বাবাকে জড়িয়ে ধরে হাসি-মুখে কথা বলছে তারা। আজকের এই বিয়ে শুধু তাদের দুজনের মিল হচ্ছে না। দুটো পরিবারেরও মিল হচ্ছে এই বিয়ের মাধ্যমে। এর চাইতে খুশির দিন আর কি হতে পারে?

“”””””””””””””””””””””””””””””””””

কেটে গেলো অনেক দিন। থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে বাইরে। কিছুক্ষণ আগে একটা গল্পের বই শেষ করে এখন খাটে হেলান দিয়ে বিষণ্ন মনে বসে আছে আরশি। কারণ গল্পের শেষটায় পূর্ণতা ছিল না। অপূর্ণতায় ঘেরা একটা বিষাদের গল্প ছিল এটা। ইশ তাদের মিল হলে কি এমন ক্ষতি হতো?

ভাবতেই পুরোনো স্মৃতি গুলো জেগে উঠে মনে। তার জীবনও কি কম নাটকিয়তার মধ্য দিয়ে গিয়েছিল? বন্ধু বান্ধবদের বলা প্রেমিকের পুতুল বলে হাসি-ঠাট্টা, ফারুক নামক সেই সুবিধাবাদীর পাল্লায় পরে প্রিয় মানুষটাকে কতই না কষ্ট দিয়েছিল সে। তবুও হাজারও কষ্ট সহ্য করে সেই প্রিয় মানুষটাই পরম যত্নে আগলে নিয়েছে বুকে। অথচ সেই হাসি-ঠাট্টা করা বন্ধু বা সম্পর্কের তৃতীয় ব্যাক্তি কেউই এখন তেমন একটা খোঁজ রাখে না। রাখবেই বা কেন? ঐ সম্পর্ক গুলো যে ছিল ক্ষনিকের। দিন শেষে ঐ মানুষগুলো না, প্রিয় মানুষটাই সারা জীবন ছায়া হয়ে পাশে থাকে। অথচ আমরা তাদের পাল্লায় পরে অজান্তেই প্রিয় মানুষ গুলোকে কতই না কষ্ট দিয়ে থাকি।

রিদকে রুমে প্রবেশ করতে দেখেই ভাবনার জগৎ থেকে বেড়িয়ে আশে আরশি। খাট থেকে নেমে হাসিমুখে তার সামনে গিয়ে দাড়ালো। প্রেয়সির মিষ্টি হাসিমাখা মুখ সামনে আসতেই যেন সব ক্লান্টি দুর হয়ে গেলো রিদের। মৃদু হেসে আরশিকে বুকে জড়িয়ে কপালে আলতো করে চুমু এঁকে দিয়ে বলে,
“আমি মানুষকে অনেক রোগের ঔষধ লিখে দিই। কিন্তু আমার সব ক্লান্তি নিমেশেই দুর করার মহা ঔষধটার নাম, তুমি। আমার পরীর মত প্রেয়সি। আমার একমাত্র ভালোবাসা।”
,,

রাত হতেই ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়েছে। খাটের এক পাশে ল্যাপটপ হাতে বসে আছে রিদ। আরশি মোবাইলে ঘরির দিকে এক পলক চেয়ে দেখে রাত তখন প্রায় বারোটা। ঘুম কাতুর চোখে রিূের দিকে চেয়ে অস্পষ্ট গলায় বলে,
“কয়টা বাজে এখন?”
রিদ তার দিকে চেয়ে বলে,
“ঘুমাওনি এখনো?”
“ল্যাপটপ রাখেন, ঘুমাবো আমি।”
“তো ঘুমাও। ল্যাপটপের সাথে ঘুমের সম্পর্ক কি?”
“রাখতে বলেছি আমি।”
“আর একটু কাজ বাকি আছে।”

আর কিছু বললো না আরশি। অভিমানী মনে অন্য দিকে ফিরে শুয়ে থাকে চুপচাপ। রিদ আড়চোখে তাকালো সেদিকে। ক্ষনিকটা মৃদু হেসে ল্যাপটপ টা অফ করে রেখে দিল সে। আরশির পাশে শুয়ে পেছন থেকে এক হাতে জড়িয়ে নিজের সাথে মিশিয়ে নিল তাকে। কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলে,
“এত অভিমানী কেন, হুম?”
কিছু বললো না আরশি। শুধু ক্ষনিকের অভিমান একটা মুচকি হাসিতে হাওয়ায় মিলিয়ে দিল। এভাবে বললে কি অভিমান ধরে রাখা যায়?

“”””””””””””””””””””””””””””””””””

মাঝ রাতে চিৎকার করে জেগে উঠে আরশি। সাথে জেগে যায় রিদও। চোখ কচলে তাকিয়ে দেখে ভয়ার্ত চেহারায় পরপর শ্বাস নিচ্ছে আরশি। কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে তার। রিদ খাট থেকে নেমে এক গ্লাস পানি নিয়ে এসে হাতে দিল তার। আরশি একটানে পুরো গ্লাস শেষ করে নিলেও অস্থিরতা কমছেনা কিছুতেই। রিদ পরম যত্নে নিজের বুকে মিশিয়ে নেয় তাকে। অভয় দিয়ে বলে,
“কিছু হয়নি। হয়তো দুঃস্বপ্ন ছিল ওটা। এই তো আমি। ভয় কিসের, হুম?”

কিছুক্ষণ ওভাবে থেকে নিজেকে ক্ষনিকটা স্বাভাবিক করে নেয় আরশি। রিদের বুকে মাথা রাখা অবস্থায় বলে,
“খুব ভয়ঙ্কর একটা স্বপ্ন ছিল এটা। তবে দুঃসপ্ন না। কারণ স্বপ্নে আমি আমাদের ছেলেকে দেখেছিলাম।”

ক্ষনিকটা কপাল কুঁচকালো রিদ। কি বলে এই পা’গল মেয়ে। বিয়ে হয়েছে সবে ক’দিন হলো। একনো কোনো সু-সংবাদও পায়নি, এর মাঝে ছেলে আসলো কই থেকে?
আরশি পূনরায় বলে,
“দেখলাম ভয়ঙ্কর কিছু মানুষ আমাদের দিকে তেড়ে আসছে। আপনি ঠিক এভাবেই আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলেন যেন আমার কোনো ক্ষতি না হয়। তবুও আমি ভয় পাচ্ছিলাম খুব। কারণ ভয়ঙ্কর মানুষ গুলো আক্রমনাত্বক ভাবে তেড়ে আসছিল। মনে হয় আমাদের জীবনটা বোধহয় এখানেই সমাপ্তি হতে চলেছে। ঠিক তখনই আমাদের ছেলে রুশান সামনে এসে এক এক করে মে’রে ফেলে তাদের সবাইকে। র’ক্তে রঞ্জিত হয়ে গিয়েছিল মাটি।”

এতটুক বলতেই রিদ ক্ষনিকটা ভ্রু-কুচকে বলে,
“রুশান!”
“হুম, আমি ঠিক করে রেখেছি নামটা। রিদ ও আরশি দুটো নাম মিলিয়ে রুশান। সুন্দর না নামটা?”
রিদ তার ভয় দুর করার জন্য তাল মিলিয়ে বলে,
“হুম, খুব সুন্দর।”
আরশি কিছুটা কৌতুহল নিয়ে বলে,
“আচ্ছা, শুনেছি আপনার দাদা ছিল পলিটিক্যাল লিডার। তিনি চেয়েছিল আপনার বাবাও বড়ো হয়ে পলিটিক্স করবে। কিন্তু বাবা হলেন বিজনেসম্যান। আর শুনেছি বাবাও চেয়েছিলেন আপনি তার মতোই বিজনেসম্যান হবেন। কিন্তু আপনি হলেন ডাক্তার। আচ্ছা আমাদের রুশান হলে সে কি হবে?”

রিদ একটু ভাব নিয়ে বলে,
“অবশ্যই আমার ছেলে আমার মতোই ডাক্তার হবে।”
আরশি দু’দিকে মাথা নাড়িয়ে বলে,
“জ্বি, না।”
“তাহলে কি হবে?”
“আমি জানি কি হবে।”
“কি?”
আরশি কিছুক্ষণ চিন্তিত ভঙ্গিতে চুপ থেকে অতঃপর হেসে দিয়ে বলে,
“বলবো না। হিহিহি।”

হেসে দিল রিদও। অতঃপর বলে,
“আচ্ছা পরে দেখা যাবে। এখন আসো ঘুমিয়ে পরো।”
রিদের সাথে আরশিও শুয়ে পড়লো চুপচাপ। রিদের বুকে মাথা রেখে চোখ বুঁজে নিল সে। তাকে দু’হাতে আগলে ধরে রেখেছে রিদ। যেন আবারও ভয় না পায়। কপালে চুমু এঁকে দিয়ে নিজের মাঝে বিড়বিড় করে বলে,
“আমার পরীর মতো প্রেয়শি। তোমার সাথে তোমার এই বাচ্চামো গুলোও বড্ড ভালোবাসি আমি। তুমি আমার বৃষ্টি শেষে উঁকি দেওয়া সেই সোনালি রোদের মতোই ফিরে পাওয়া এক আস্ত ভালোবাসার উপমা।”

~ সমাপ্ত।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ